Hijama Planet: Cupping & Ruqyah Center

Call Directions Website Contact the business

Hijama Planet: Cupping & Ruqyah Center Kuakata branch of the largest Hijama Clinic chain in Bangladesh.

সুন্দর একটা হাঁসি, ভালো কোনো অর্জন, ব্যবসায় উন্নতি কিংবা চমৎকার স্বাস্থ্য—হঠাৎ করেই কোনো কারণ ছাড়া সবকিছু তছনছ হয়ে যাচ্ছ...
14/10/2026

সুন্দর একটা হাঁসি, ভালো কোনো অর্জন, ব্যবসায় উন্নতি কিংবা চমৎকার স্বাস্থ্য—হঠাৎ করেই কোনো কারণ ছাড়া সবকিছু তছনছ হয়ে যাচ্ছে? কোনো কারণ ছাড়াই বাচ্চা খাবার খাওয়া বন্ধ করে দিচ্ছে, নিজের অহেতুক অসুস্থতা বা মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকছে?

ইসলামে বদনজর (Eye Contact / Evil Eye) একটি সত্য ও ভয়ংকর বিষয়! হাদিসে এসেছে—বদনজর মানুষকে কবর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে পারে। মানুষের হিংসা বা কুদৃষ্টির ফলে তৈরি এই অদৃশ্য প্রভাব থেকে বাঁচতে একমাত্র স্থায়ী ও শরিয়াহসম্মত সমাধান হলো কোরআনিক রুকইয়াহ চিকিৎসা।

বদনজরের প্রধান লক্ষণ এবং রুকইয়াহর জাদুকরী উপকারিতা:
অহেতুক অসুস্থতা দূর করে: ডাক্তারি টেস্টে সব নরমাল আসা সত্ত্বেও শরীরে তীব্র ক্লান্তি, অলসতা বা মাথা ব্যথা থাকলে তা রুকইয়াহর মাধ্যমে নিমেষেই দূর হয়।

ব্যবসায় বা কাজে বাধা কাটায়: হঠাৎ করে ভালো চলতে থাকা ব্যবসা বা পড়াশোনায় হঠাৎ ধস নামলে বদনজরের রুকইয়াহ অলৌকিক বরকত এনে দেয়।
শিশুদের অহেতুক কান্না থামায়: বাচ্চার কান্না, বারবার অসুস্থ হওয়া বা খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দেওয়ার মতো বদনজরের সমস্যা দ্রুত সমাধান করে।

মন ও আত্মায় প্রশান্তি: অস্থিরতা, বুক চেপে আসা ও মেজাজ খিটখিটে থাকার ভাব কাটিয়ে মানসিক শান্তি ফিরিয়ে আনে।

চিরতরে সুরক্ষার আমল: শুধু রুকইয়াহ নয়, নিয়মিত কীভাবে নিজের ও পরিবারের বদনজর কাটাবেন তার বিশেষ সুন্নাহ আমল শিখিয়ে দেওয়া হয়।

হিজামা প্ল্যানেট’-এ কেন চিকিৎসা নেবেন?
১২ বছরের সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা: দেশের ১ নম্বর ও সর্ববৃহৎ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার হিসেবে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা সুন্নাহ সম্মত চিকিৎসা দিয়ে আসছি।

বিজ্ঞ ও আমলদার হাফেজ রাক্বী: সম্পূর্ণ শির্ক ও ভণ্ডামিমুক্তভাবে বিশুদ্ধ কোরআনের আয়াত ও মাসনুন দোয়ার মাধ্যমে রুকইয়াহ সেশন পরিচালনা করা হয়।

২৫টিরও বেশি সুসজ্জিত ব্রাঞ্চ: মহিলাদের জন্য আমাদের প্রতিটি সেন্টারে রয়েছে সম্পূর্ণ পৃথক ও পর্দানশীন চিকিৎসার ব্যবস্থা।

সম্পূর্ণ গোপনীয়তা ও কেয়ার: প্রতিটি রোগীর কথা পরম ধৈর্যের সাথে শুনে কাস্টমাইজড রুকইয়াহ সেশন দেওয়া হয়।

বদনজরের কুপ্রভাবে জীবন থমকে যেতে দেবেন না। মহান আল্লাহর কালামের শাফা ও বরকত পেতে আজই আমাদের অভিজ্ঞ রাক্বীদের পরামর্শ নিন!

📍 কুয়াকাটা ব্রাঞ্চ ::
হিজামা প্ল্যানেটঃ কাপিং ও রুকইয়াহ সেন্টার (কুয়াকাটা ব্রাঞ্চ);
৭৫, এম এম প্লাজা (২য় তলা), উত্তরা ব্যাংকের পাশে, নতুন বাজার, কলাপাড়া, পটুয়াখালী।
মোবাইল :: 01889992900

শীত এলেই কি আপনার ঘন ঘন ঠান্ডা লাগে, বুক কফ জমে ভারী হয়ে থাকে কিংবা টানা কাশিতে ঘুম ব্যাহত হয়? বারবার ওষুধ খেয়ে বা অ্যান...
12/10/2026

শীত এলেই কি আপনার ঘন ঘন ঠান্ডা লাগে, বুক কফ জমে ভারী হয়ে থাকে কিংবা টানা কাশিতে ঘুম ব্যাহত হয়? বারবার ওষুধ খেয়ে বা অ্যান্টিবায়োটিক নেওয়ার পরও কিছুদিন পর আবারও সেই এক সমস্যা ফিরে আসছে?

আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে ফুসফুস ও শ্বাসযন্ত্রে টক্সিন এবং কফ জমে গেলে ঠান্ডা-কাশির উপদ্রব বেড়ে যায়। ওষুধ খেয়ে শুধু উপসর্গ না থামিয়ে, হিজামা চিকিৎসা নেওয়ার মাধ্যমে শরীরের ভেতর থেকে প্রাকৃতিক উপায়ে ফুসফুসের ক্ষমতা বাড়িয়ে স্থায়ী আরাম পাওয়া সম্ভব!

শীতের ঠান্ডা-কাশিতে হিজামার চমৎকার উপকারিতা:
বুকের কফ ও কঞ্জেশন কমায়: পিঠের শ্বাসযন্ত্র সম্পর্কিত বিশেষ পয়েন্টে হিজামা করার ফলে বুকে জমে থাকা ঘন কফ ও টক্সিন বের হতে সাহায্য করে।

ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়ায়: ফুসফুসের আশেপাশের রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে স্বাভাবিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়ার পথ পরিষ্কার করে।

সর্দি ও গলা ব্যথা দূর করে: শরীরে নতুন রোগ প্রতিরোধক শ্বেত রক্তকণিকা বাড়িয়ে বারবার ঠান্ডা লাগার প্রবণতা দূর করে।

অ্যাজমা ও শ্বাসকষ্টের উপশম: শীতে যাদের এলার্জি বা হাঁপানির টান বাড়ে, তাদের ক্ষেত্রে হিজামা অত্যন্ত কার্যকরী ও সুন্নাহসম্মত সমাধান।

‘হিজামা প্ল্যানেট’-এ কেন চিকিৎসা নেবেন?
১২ বছরের সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা: দেশের ১ নম্বর ও সর্ববৃহৎ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার হিসেবে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা বিশ্বস্ত সেবা দিয়ে আসছি।

২৫টিরও বেশি সুসজ্জিত ব্রাঞ্চ: আপনার এলাকার কাছেই রয়েছে আমাদের অত্যন্ত আধুনিক, গরম ও আরামদায়ক পরিবেশের সুব্যবস্থা।

১০০% জীবাণুমুক্ত ও নিরাপদ: প্রতিটি পেশেন্টের জন্য সম্পূর্ণ নতুন ও স্টেরিলাইজড কাপ দিয়ে অভিজ্ঞ থেরাপিস্টদের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এই শীতে ঠান্ডা-কাশি আর বুকের কষ্টে অবহেলা করবেন না। সম্পূর্ণ ন্যাচারাল উপায়ে নিজেকে ও পরিবারকে সুস্থ রাখতে আজই আপনার হিজামা সেশন বুক করুন!
📍 কুয়াকাটা ব্রাঞ্চ ::
হিজামা প্ল্যানেটঃ কাপিং ও রুকইয়াহ সেন্টার (কুয়াকাটা ব্রাঞ্চ);
৭৫, এম এম প্লাজা (২য় তলা), উত্তরা ব্যাংকের পাশে, নতুন বাজার, কলাপাড়া, পটুয়াখালী।
মোবাইল :: 01889992900

একটুতেই সর্দি-কাশি, গায়ে জ্বর কিংবা ঘন ঘন নানা অসুখে ভুগে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন? ওষুধ খেয়েও শরীর আগের মতো আর শক্তি পায় না?চ...
11/10/2026

একটুতেই সর্দি-কাশি, গায়ে জ্বর কিংবা ঘন ঘন নানা অসুখে ভুগে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন? ওষুধ খেয়েও শরীর আগের মতো আর শক্তি পায় না?

চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, আমাদের শরীরে বর্জ্য ও দূষিত রক্ত জমে গেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immunity) একদম দুর্বল হয়ে পড়ে। আর এই দুর্বল ইমিউন সিস্টেমকে প্রাকৃতিক উপায়ে রিচার্জ করার সুন্নাহসম্মত ও কার্যকর মাধ্যম হলো হিজামা চিকিৎসা!

হিজামা যেভাবে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়ায়:

সাদা রক্তকণিকা (WBC) সক্রিয় করে: হিজামা করার সাথে সাথেই শরীর নতুন ও শক্তিশালী সাদা রক্তকণিকা তৈরি শুরু করে, যা যেকোনো ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে।

দূষিত রক্ত ও টক্সিন বের করে: ত্বকের উপরিভাগে জমে থাকা বিষাক্ত উপাদান পরিষ্কার করে, ফলে শরীরের অঙ্গপ্রতঙ্গগুলো পূর্ণ ক্ষমতায় কাজ করতে পারে।

রক্ত সঞ্চালন ও অক্সিজেন বাড়ায়: পুরো শরীরে বিশুদ্ধ রক্তপ্রবাহ চালু করে অঙ্গগুলোকে নতুন এনার্জি দেয়।

লিভার ও কিডনির চাপ কমায়: শরীরের প্রধান দুটি ফিল্টার (লিভার ও কিডনি) থেকে বর্জ্যের চাপ কমিয়ে স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা বাড়ায়।

শারীরিক ক্লান্তি দূর করে: ইমিউনিটি বাড়ার ফলে শরীর থাকে ভেতর থেকে সতেজ, ফলে অহেতুক ক্লান্তি দূর হয়।

‘হিজামা প্ল্যানেট’-এ কেন চিকিৎসা নেবেন?
১২ বছরের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা: দেশের ১ নম্বর ও সর্ববৃহৎ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার হিসেবে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা বিশ্বস্ততার সাথে সেবা দিয়ে আসছি।

২৫টিরও বেশি সুসজ্জিত ব্রাঞ্চ: আপনার শহরের হাতের কাছেই রয়েছে আমাদের আধুনিক ও বিশ্বমানের সার্ভিস সুবিধা।

১০০% নিরাপদ ও হাইজেনিক: সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত নতুন ডিসপোজেবল কাস্টমাইজড ইকুয়েপমেন্ট ও বিশেষজ্ঞ থেরাপিস্টদের নিখুঁত কেয়ারে চিকিৎসা সম্পন্ন করা হয়।

বারবার অসুস্থ না হয়ে শরীরকে শক্তিশালী ও স্বাস্থোজ্জ্বল রাখুন। ইমিউনিটি বুস্ট করতে আজই আপনার হিজামা সেশন বুক করুন!
📍 কুয়াকাটা ব্রাঞ্চ ::
হিজামা প্ল্যানেটঃ কাপিং ও রুকইয়াহ সেন্টার (কুয়াকাটা ব্রাঞ্চ);
৭৫, এম এম প্লাজা (২য় তলা), উত্তরা ব্যাংকের পাশে, নতুন বাজার, কলাপাড়া, পটুয়াখালী।
মোবাইল :: 01889992900

মূর্তিপূজার কেন্দ্রবিন্দু ও শয়তানের আস্তানা:পূজামণ্ডপে গমন ও জ্বীন-যাদুর অদৃশ্য বিপদ সম্পর্কে সতর্কবার্তা।পূজার মৌসুমে অ...
10/10/2026

মূর্তিপূজার কেন্দ্রবিন্দু ও শয়তানের আস্তানা:
পূজামণ্ডপে গমন ও জ্বীন-যাদুর অদৃশ্য বিপদ সম্পর্কে সতর্কবার্তা।
পূজার মৌসুমে অনেক মুসলিম অজ্ঞতাবশত বা নিছক কৌতূহল মেটাতে পূজামণ্ডপে ঘুরতে যান, আনন্দ উপভোগ করেন কিংবা পরিবেশ দেখতে যান। অথচ একজন মুমিনের জানা প্রয়োজন যে, যেখানে সরাসরি আল্লাহর সাথে শিরক করা হয় এবং মূর্তির সামনে সিজদা ও বলি দেওয়া হয়, সেই জায়গাগুলো শুধু ঈমান বিধ্বংসীই নয়; বরং তা দুষ্ট জ্বীন, শয়তান ও খবিস শক্তির সবচেয়ে বড় কেন্দ্রস্থল।

১. মূর্তিপূজার স্থানে দুষ্ট জ্বীন ও শয়তানের সমাবেশ
কুরআন ও সুন্নাহর বর্ণনানুযায়ী, যেখানে আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো সত্তা, মূর্তি বা প্রতিমার উপাসনা করা হয়, সেখানে শয়তান ও অবাধ্য জ্বীনরা প্রবলভাবে অবস্থান নেয়।

আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন:
﴿إِنْ يَدْعُونَ مِنْ دُونِهِ إِلَّا إِنَاثًا وَإِنْ يَدْعُونَ إِلَّا شَيْطَانًا مَرِيدًا﴾
অর্থ: "তারা আল্লাহকে ছেড়ে কেবল কিছু দেবীরই পূজা করে; প্রকৃতপক্ষে তারা কেবল অবাধ্য শয়তানেরই উপাসনা করে।" (সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১১৭)

সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস এই আয়াতের তাফসীরে বলেছেন: প্রতিটি মূর্তির সাথে শয়তান যুক্ত থাকত, যা এদের পূজারীদের কাছে নানা রূপে আত্মপ্রকাশ করত এবং বিভ্রান্ত করত।

শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ উল্লেখ করেছেন যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুর পূজা বা গায়রুল্লাহর কাছে প্রার্থনার স্থানগুলোতে অবাধ্য শয়তানরা একত্রিত হয়, সেখানে অবস্থান করে এবং মানুষকে গুমরাহ করার জন্য নানাবিধ বিভ্রান্তিকর অবস্থা সৃষ্টি করে।

২. পূজার পরিবেশ ও যাদু-তান্ত্রিকতার সংশ্লিষ্টতা
যাদু (সিহর) এবং অপশক্তির মূল উৎস হলো কুফর, শিরক ও শয়তানের আনুগত্য।

আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন:
﴿هَلْ أُنَبِّئُكُمْ عَلَى مَنْ تَنَزَّلُ الشَّيَاطِينُ ۝ تَنَزَّلُ عَلَى كُلِّ أَفَّاكٍ أَثِيمٍ﴾
অর্থ:"আমি কি তোমাদের জানাবো কার ওপর শয়তানরা অবতীর্ণ হয়? তারা তো অবতীর্ণ হয় প্রত্যেক ঘোর মিথ্যাবাদী ও পাপীর ওপর।" (সূরা আশ-শুআরা, আয়াত: ২২১-২২২)

পৌত্তলিক ধর্মীয় আচার ও তান্ত্রিক ক্রিয়াকর্মের সময় গায়রুল্লাহর নামে উৎসর্গ, ধূপ-ধোঁয়া এবং মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে শয়তানি শক্তিকে আহ্বান করা হয়।

যারা ঈমানী দিক থেকে দুর্বল, নিয়মিত যিকির-আযকার ও সালাত আদায় করে না, এমন মুসলিমরা যখন এসব শিরকী আড্ডায় যায়, তখন তারা খুব সহজেই দুষ্ট জ্বীনের নজর, আছর বা যাদুর প্রভাবে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে।

৩. আল্লাহর গযব ও অসন্তুষ্টি নাযিলের স্থানে উপস্থিত হওয়ার পরিণতি
খলীফাতুল মুসলিমীন উমর ইবনুল খাত্তাব দ্ব্যর্থহীন ভাষায় সতর্ক করে বলেছেন:
«لَا تَدْخُلُوا عَلَى الْمُشْرِكِينَ فِي كَنَائِسِهِمْ يَوْمَ عِيدِهِمْ، فَإِنَّ السَّخَطَ يَنْزِلُ عَلَيْهِمْ»

অর্থ: "তোমরা মুশরিকদের উৎসবের দিনগুলোতে তাদের উপাসনালয়ে প্রবেশ করো না; কারণ নিশ্চয়ই সেই সময় তাদের ওপর আল্লাহর অসন্তুষ্টি ও গযব নাযিল হতে থাকে।" (সুনানুল কুবরা লিল-বায়হাকী)

যেখানে সার্বক্ষণিকভাবে আল্লাহর লানত ও ক্রোধ বর্ষিত হয়, সেখানে বিনোদনের উদ্দেশ্যে যাওয়া নিজের ঈমান ও আত্মিক সুরক্ষাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়ার শামিল।

৪. মুসলিমদের জন্য কঠোর সতর্কতা
১.পূজামণ্ডপ ও শিরকের স্থান বর্জন করুন:
নিছক আলোকসজ্জা দেখতে বা কৌতূহলবশত গেলেও তা শিরকের আসরে উপস্থিতির শামিল, যা কুরআনুল কারীমে মুমিনদের বৈশিষ্ট্য হিসেবে বর্জন করতে বলা হয়েছে।

২.পরিবার ও সন্তানদের রক্ষা করুন:
অনেক অভিভাবক শিশুদের হাত ধরে পূজার মেলায় নিয়ে যান। শিশুদের সুরক্ষা ঢাল দুর্বল থাকায় তারা খুব সহজেই শয়তানি শক্তির কুপ্রভাব ও বদনজরে শিকার হতে পারে।

৩.ঈমানী সুরক্ষার আমল বাড়ান:
তাওহীদের ওপর অবিচল থাকা, মসজিদে জামাআতে সালাত কায়েম রাখা, সকাল-সন্ধ্যার মাসনূন দুআ পড়া এবং আয়াতুল কুরসী তিলাওয়াত করার মাধ্যমে শয়তান ও দুষ্ট জ্বীনদের সব ধরনের ক্ষতি থেকে নিরাপদ থাকা যায়।

অতএব, সামাজিক সম্প্রীতির নামে আল্লাহর নাফরমানি ও শিরকী উৎসবে শরিক হয়ে নিজের আত্মা, পরিবার ও ঈমানকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া থেকে পুরোপুরি বিরত থাকুন।

Written: Raqi Ahmad Abdur Rahman
📍 কুয়াকাটা ব্রাঞ্চ ::
হিজামা প্ল্যানেটঃ কাপিং ও রুকইয়াহ সেন্টার (কুয়াকাটা ব্রাঞ্চ);
৭৫, এম এম প্লাজা (২য় তলা), উত্তরা ব্যাংকের পাশে, নতুন বাজার, কলাপাড়া, পটুয়াখালী।
মোবাইল :: 01889992900

হাঁটু, কোমর বা হাতের জয়েন্টে জয়েন্টে তীব্র বাত ব্যথা? ওঠাবসা করতে গেলে হাঁটু থেকে আওয়াজ হওয়া কিংবা সকালে ঘুম থেকে ওঠার প...
09/10/2026

হাঁটু, কোমর বা হাতের জয়েন্টে জয়েন্টে তীব্র বাত ব্যথা? ওঠাবসা করতে গেলে হাঁটু থেকে আওয়াজ হওয়া কিংবা সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর শরীরের গিট বা জয়েন্ট জমে শক্ত হয়ে থাকা?

পেনকিলার বা সাময়িক ব্যথানাশক ওষুধ খেয়ে সাময়িক আরাম মিললেও কিছুদিন পর আবার সেই তীব্র ব্যথা ফিরে আসে। অতিরিক্ত পেনকিলার সেবন শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তবে হিজামা চিকিৎসা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ও সুন্নাহসম্মত উপায়ে বাত ব্যথা থেকে দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী আরাম দেয়।

বাত ব্যথায় হিজামার বিশেষ উপকারিতা:
জয়েন্টের ইউরিক এসিড ও বর্জ্য দূর করে: হিজামার মাধ্যমে জয়েন্টের আশেপাশে জমা থাকা অতিরিক্ত ইউরিক এসিড ও বিষাক্ত বর্জ্য বের হয়ে যায়, ফলে ব্যথা দ্রুত কমে।

জয়েন্টের ফোলাভাব ও টান কমায়: গিটে গিটে বা জয়েন্টে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে টিস্যুর প্রদাহ (Inflammation) দূর করে।

শরীরের স্বাভাবিক নমনীয়তা ফিরিয়ে আনে: হাঁটু মোড়ানো, বসে থাকা বা হাঁটাচলা করার সময় যে কষ্ট হয়, তা দূর করে স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরার শক্তি দেয়।

১০০% ওষুধমুক্ত ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন: কোনো ক্ষতিকর কেমিক্যাল বা পেনকিলার ছাড়া শরীরকে ন্যাচারালি ব্যথামুক্ত করে।

‘হিজামা প্ল্যানেট’-এ কেন বাত ব্যথার চিকিৎসা নেবেন?
১২ বছরের সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা: দেশের ১ নম্বর ও সর্ববৃহৎ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার হিসেবে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা বিশ্বস্ততার সাথে চিকিৎসা দিচ্ছি।

২৫টিরও বেশি সুসজ্জিত ব্রাঞ্চ: আপনার শহরের হাতের কাছেই রয়েছে আমাদের আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন সেবাকেন্দ্র।

অভিজ্ঞ থেরাপিস্টদের পর্যবেক্ষণ: প্রেশার ও ব্যথার মাত্রা মেপে বিশেষজ্ঞ থেরাপিস্টদের দ্বারা নিখুঁতভাবে হিজামা প্রয়োগ করা হয়।

সম্পূর্ণ হাইজেনিক ও সেফ: প্রতিটি পেশেন্টের জন্য ডাবল স্টেরিলাইজড ও নতুন ডিসপোজেবল ইকুয়েপমেন্ট ব্যবহার করা হয়।

বাত ব্যথার তীব্র যন্ত্রণা আর বয়ে বেড়াবেন না। নতুন করে চাঙ্গা ও ব্যথামুক্ত জীবন ফিরে পেতে আজই আপনার হিজামা সেশন বুক করুন!

📍 কুয়াকাটা ব্রাঞ্চ ::
হিজামা প্ল্যানেটঃ কাপিং ও রুকইয়াহ সেন্টার (কুয়াকাটা ব্রাঞ্চ);
৭৫, এম এম প্লাজা (২য় তলা), উত্তরা ব্যাংকের পাশে, নতুন বাজার, কলাপাড়া, পটুয়াখালী।
মোবাইল :: 01889992900

শীতের বাতাস শুরু হতেই কি সাইনুসাইটিসের সমস্যায় নাক বন্ধ, মাথা ভারী বা কপালে তীব্র যন্ত্রণা শুরু হয়েছে? বারবার ওষুধ খেয়েও...
08/10/2026

শীতের বাতাস শুরু হতেই কি সাইনুসাইটিসের সমস্যায় নাক বন্ধ, মাথা ভারী বা কপালে তীব্র যন্ত্রণা শুরু হয়েছে? বারবার ওষুধ খেয়েও স্থায়ী সমাধান পাচ্ছেন না?

কেন শীতে সাইনুসাইটিস ও মাথা ব্যথা বেড়ে যায়?
শীতকালে ঠান্ডা বাতাস ও ধুলাবালির কারণে নাকের ভেতরের মিউকাস মেমব্রেন ফুলে যায় এবং সাইনাসের নালী অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। এতে ভেতরে বাতাস ও তরল আটকে গিয়ে ইনফেকশন, কপালে চাপ, মাথা ব্যথা এবং চোখ-মুখের চারপাশে অস্বস্তি ও ব্যথা তীব্র আকার ধারণ করে।

হিজামা যেভাবে সাইনুসাইটিস ও মাথা ব্যথা কমায়:
ব্লকেজ ও সাইনাস পরিষ্কার করে: মুখের বিশেষ পয়েন্টে কাপিংয়ের মাধ্যমে জমে থাকা তরল ও ব্লকেজ পরিষ্কার হতে সাহায্য করে, ফলে নাক হালকা হয় ও শ্বাস-প্রশ্বাস সহজ হয়।

রক্ত সঞ্চালন ও মেটাবলিজম বাড়ায়: কপাল ও মাথার সংকুচিত অংশে রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে প্রদাহ বা ইনফেকশন দ্রুত কমাতে সাহায্য করে।

মাথা ব্যথা উপশম করে: সাইনাসের কারণে মাথার রগে যে চাপ তৈরি হয়, হিজামার মাধ্যমে তা শিথিল হয়ে দ্রুত মাথা ব্যথা দূর হয়।

কেন হিজামা নিতে 'Hijama Planet' বেছে নেবেন?
অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত থেরাপিস্ট: সঠিক সুন্নাহ পদ্ধতি ও আধুনিক হাইজিন মেনে দক্ষ থেরাপিস্ট দ্বারা সেবা নিশ্চিত করা হয়।

১০০% নিরাপদ ও ডিসপোজেবল সামগ্রী: প্রতিবার সম্পূর্ণ নতুন ও ওয়ান-টাইম ব্যবহারযোগ্য আধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়।

ব্যথাহীন ও আরামদায়ক পরিবেশ: অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ঘরোয়া ও মনোরম পরিবেশে সেবা দেওয়া হয়।

ব্যক্তিগত যত্ন: আপনার শারীরিক সমস্যা গুরুত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় পয়েন্টে সুনির্দিষ্ট থেরাপি প্রদান করা হয়।

যন্ত্রণা সহ্য করে শীত কাটাবেন না! শীতে কষ্ট পাওয়ার আগেই আজই গ্রহণ করুন সাইনুসাইটিসের সুন্নাহ সম্মত ও আধুনিক হিজামা থেরাপি।

আপনার হিজামা সেশনের জন্য আজই মেসেজ করুন অথবা সরাসরি কল করুন:
📍 কুয়াকাটা ব্রাঞ্চ ::
হিজামা প্ল্যানেটঃ কাপিং ও রুকইয়াহ সেন্টার (কুয়াকাটা ব্রাঞ্চ);
৭৫, এম এম প্লাজা (২য় তলা), উত্তরা ব্যাংকের পাশে, নতুন বাজার, কলাপাড়া, পটুয়াখালী।
মোবাইল :: 01889992900

শীতের ঠান্ডা বাতাস শুরু হতেই কি বুক চেপে আসছে বা শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে? একটুখানি ঠান্ডা লাগলেই কি হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টের...
07/10/2026

শীতের ঠান্ডা বাতাস শুরু হতেই কি বুক চেপে আসছে বা শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে? একটুখানি ঠান্ডা লাগলেই কি হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা তীব্র হয়ে উঠছে?

কেন শীতে শ্বাসকষ্ট ও বুকের অস্বস্তি বেড়ে যায়?
শীতকালে তাপমাত্রা কমে যাওয়ার কারণে বাতাস শুষ্ক হয়ে যায় এবং বায়ুনালী বা শ্বাসনালী সংকুচিত হয়ে পড়ে। এর পাশাপাশি ঠান্ডা বাতাস, ধোঁয়া ও ধুলাবালির প্রভাবে ফুসফুসের শ্বাসনালীতে কফ ও শ্লেষ্মা জমে জমে ব্লকেজ তৈরি হয়। ফলে বাতাসে অক্সিজেন গ্রহণ কঠিন হয়ে পড়ে এবং বুক ভারী হয়ে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়।

হিজামা যেভাবে শ্বাসকষ্টের সমস্যা কমায়:
শ্বাসনালীর সংকোচন ও ফুসফুসের চাপ কমায়: পিঠ ও বুকের বিশেষ সুন্নাহ পয়েন্টে হিজামা করার মাধ্যমে শ্বাসনালীর পেশি শিথিল হয়, ফলে ফুসফুসে বায়ু চলাচল সহজ হয়ে ওঠে।

রক্ত সঞ্চালন ও অক্সিজেন প্রবাহ বাড়ায়: ফুসফুস ও বুকের আশপাশের রক্তনালীতে রক্ত প্রবাহ দ্রুত বৃদ্ধি করে, যা শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি মেটাতে দারুণ কার্যকর।

দুষিত টক্সিন ও কফ দূর করে: ফুসফুসের এরিয়া থেকে ক্ষতিকর উপাদান ও প্রদাহ সৃষ্টিকারী কেমিক্যাল দূর করে বুকে জমতে থাকা অস্বস্তি কমায়।

কেন হিজামা নিতে 'Hijama Planet' বেছে নেবেন?
অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত থেরাপিস্ট: সঠিক সুন্নাহ নিয়ম ও আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান মেনে অভিজ্ঞ থেরাপিস্ট দ্বারা যত্নসহকারে সেবা দেওয়া হয়।

১০০% জীবাণুমুক্ত ও হাইজিন ব্যবস্থা: সম্পূর্ণ নতুন ও ওয়ান-টাইম ব্যবহারযোগ্য আধুনিক ডিসপোজেবল সামগ্রী ব্যবহার করা হয়।

ব্যথাহীন ও আরামদায়ক পরিবেশ: অত্যন্ত ঘরোয়া, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ পরিবেশে থেরাপি নিশ্চিত করা হয়।

ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ ও কেয়ার: আপনার শ্বাসকষ্টের মাত্রা ও শারীরিক অবস্থা বুঝে একদম নির্দিষ্ট পয়েন্টে থেরাপি প্রদান করা হয়।

শ্বাসকষ্টের যন্ত্রণা মেনে নিয়ে শীত কাটাবেন না! শীতে কষ্ট পাওয়ার আগেই আজই হিজামার মাধ্যমে ফুসফুসকে রাখুন সুস্থ, সতেজ ও ফিট।
📍 কুয়াকাটা ব্রাঞ্চ ::
হিজামা প্ল্যানেটঃ কাপিং ও রুকইয়াহ সেন্টার (কুয়াকাটা ব্রাঞ্চ);
৭৫, এম এম প্লাজা (২য় তলা), উত্তরা ব্যাংকের পাশে, নতুন বাজার, কলাপাড়া, পটুয়াখালী।
মোবাইল :: 01889992900

শীতের আগমনী বার্তা চারদিকে! কিন্তু আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়েই বাড়ে পুরোনো জয়েন্টের ব্যথা, বাত, হাঁপানি, ঠান্ডা-কাশি আর ...
07/10/2026

শীতের আগমনী বার্তা চারদিকে! কিন্তু আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়েই বাড়ে পুরোনো জয়েন্টের ব্যথা, বাত, হাঁপানি, ঠান্ডা-কাশি আর ত্বকের নানা সমস্যা। বিশেষ করে শীতে রক্ত চলাচল ধীর হয়ে যাওয়ার কারণে শরীর অলস লাগে এবং পিঠ-কোমরের ব্যথা তীব্র রূপ নেয়।

শীতের শুরুতেই হিজামা চিকিৎসা করিয়ে নিলে শরীর ভেতর থেকে চাঙ্গা থাকে এবং রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক হয়ে শীতকালীন যেকোনো রোগবালাই থেকে পাওয়া যায় দারুণ সুরক্ষা!

শীতের শুরুতে হিজামা করার বিশেষ ৫টি সুবিধা:
শীতকালীন বাত ও জয়েন্টের ব্যথা রোধ: রক্তপ্রবাহ সচল করে হাঁটু, কোমর ও হাড়ের জোড়ায় জমে থাকা তীব্র ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: সিজন পরিবর্তনের সময় ঠান্ডা, সর্দি-কাশি ও ভাইরাল ইনফেকশন ঠেকিয়ে রাখতে ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে।

শরীরের অলসতা ও ক্লান্তি দূর: শীতে রোদ কম পাওয়া ও ঠান্ডার কারণে যে ঝিমুনি ভাব আসে, তা দূর করে শরীরে নতুন এনার্জি এনে দেয়।

ত্বকের খসখসে ভাব ও রুক্ষতা কমায়: দূষিত রক্ত বের হয়ে বিশুদ্ধ রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, ফলে শীতেও ত্বক থাকে স্বাস্থ্যকর ও সতেজ।

হাঁপানি ও শ্বাসকষ্টের উপশম: শীতে যাদের শ্বাসকষ্ট বা এলার্জির সমস্যা বাড়ে, তাদের ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়াতে চমৎকার সাহায্য করে।

‘হিজামা প্ল্যানেট’-এ কেন চিকিৎসা নেবেন?
১২ বছরের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা: দেশের ১ নম্বর ও সর্ববৃহৎ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার হিসেবে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা আস্থার সাথে সেবা দিয়ে আসছি।
২৫টিরও বেশি সুসজ্জিত ব্রাঞ্চ: আপনার শহরের কাছেই রয়েছে আমাদের আরামদায়ক, আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন সেবাকেন্দ্র।

১০০% হাইজেনিক ও উষ্ণ পরিবেশ: শীতে রোগীদের সর্বোচ্চ স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ হাইজেনিক ও নিরাপদ পরিবেশে সেবা দেওয়া হয়।

বিশেষজ্ঞ থেরাপিস্টদের তত্ত্বাবধান: অভিজ্ঞ ও দক্ষ থেরাপিস্টদের মাধ্যমে সঠিক পয়েন্ট চিহ্নিত করে যত্নসহকারে হিজামা দেওয়া হয়।

শীতের কষ্ট বাড়ার আগেই শরীরকে প্রস্তুত করুন। স্বাস্থ্যকর ও ব্যথামুক্ত শীত উপভোগ করতে আজই আপনার সেশন বুক করুন

শীতের আগমনী বার্তা চারদিকে! কিন্তু আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়েই বাড়ে পুরোনো জয়েন্টের ব্যথা, বাত, হাঁপানি, ঠান্ডা-কাশি আর ...
07/10/2026

শীতের আগমনী বার্তা চারদিকে! কিন্তু আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়েই বাড়ে পুরোনো জয়েন্টের ব্যথা, বাত, হাঁপানি, ঠান্ডা-কাশি আর ত্বকের নানা সমস্যা। বিশেষ করে শীতে রক্ত চলাচল ধীর হয়ে যাওয়ার কারণে শরীর অলস লাগে এবং পিঠ-কোমরের ব্যথা তীব্র রূপ নেয়।

শীতের শুরুতেই হিজামা চিকিৎসা করিয়ে নিলে শরীর ভেতর থেকে চাঙ্গা থাকে এবং রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক হয়ে শীতকালীন যেকোনো রোগবালাই থেকে পাওয়া যায় দারুণ সুরক্ষা!

শীতের শুরুতে হিজামা করার বিশেষ ৫টি সুবিধা:
শীতকালীন বাত ও জয়েন্টের ব্যথা রোধ: রক্তপ্রবাহ সচল করে হাঁটু, কোমর ও হাড়ের জোড়ায় জমে থাকা তীব্র ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: সিজন পরিবর্তনের সময় ঠান্ডা, সর্দি-কাশি ও ভাইরাল ইনফেকশন ঠেকিয়ে রাখতে ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে।

শরীরের অলসতা ও ক্লান্তি দূর: শীতে রোদ কম পাওয়া ও ঠান্ডার কারণে যে ঝিমুনি ভাব আসে, তা দূর করে শরীরে নতুন এনার্জি এনে দেয়।

ত্বকের খসখসে ভাব ও রুক্ষতা কমায়: দূষিত রক্ত বের হয়ে বিশুদ্ধ রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, ফলে শীতেও ত্বক থাকে স্বাস্থ্যকর ও সতেজ।

হাঁপানি ও শ্বাসকষ্টের উপশম: শীতে যাদের শ্বাসকষ্ট বা এলার্জির সমস্যা বাড়ে, তাদের ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়াতে চমৎকার সাহায্য করে।

‘হিজামা প্ল্যানেট’-এ কেন চিকিৎসা নেবেন?
১২ বছরের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা: দেশের ১ নম্বর ও সর্ববৃহৎ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার হিসেবে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা আস্থার সাথে সেবা দিয়ে আসছি।
২৫টিরও বেশি সুসজ্জিত ব্রাঞ্চ: আপনার শহরের কাছেই রয়েছে আমাদের আরামদায়ক, আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন সেবাকেন্দ্র।

১০০% হাইজেনিক ও উষ্ণ পরিবেশ: শীতে রোগীদের সর্বোচ্চ স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ হাইজেনিক ও নিরাপদ পরিবেশে সেবা দেওয়া হয়।

বিশেষজ্ঞ থেরাপিস্টদের তত্ত্বাবধান: অভিজ্ঞ ও দক্ষ থেরাপিস্টদের মাধ্যমে সঠিক পয়েন্ট চিহ্নিত করে যত্নসহকারে হিজামা দেওয়া হয়।

শীতের কষ্ট বাড়ার আগেই শরীরকে প্রস্তুত করুন। স্বাস্থ্যকর ও ব্যথামুক্ত শীত উপভোগ করতে আজই আপনার সেশন বুক করুন!
📍 কুয়াকাটা ব্রাঞ্চ ::
হিজামা প্ল্যানেটঃ কাপিং ও রুকইয়াহ সেন্টার (কুয়াকাটা ব্রাঞ্চ);
৭৫, এম এম প্লাজা (২য় তলা), উত্তরা ব্যাংকের পাশে, নতুন বাজার, কলাপাড়া, পটুয়াখালী।
মোবাইল :: 01889992900

সবাই ম্যাপে দেখাচ্ছেন কোথায় কোথায় ঘুরেছেন, আর আমরা দেখাচ্ছি—কোথায় কোথায় আমাদের শাখা আছে! 📍🇧🇩ঢাকাসহ সারা দেশে হিজামা ...
06/10/2026

সবাই ম্যাপে দেখাচ্ছেন কোথায় কোথায় ঘুরেছেন, আর আমরা দেখাচ্ছি—কোথায় কোথায় আমাদের শাখা আছে! 📍🇧🇩

ঢাকাসহ সারা দেশে হিজামা প্ল্যানেট কাপিং অ্যান্ড রুকিয়া সেন্টারের ২৫টি শাখা। আপনার কাছের শাখাটি খুঁজে নিন আমাদের এই ম্যাপে। 💚

সব শাখার নাম, ঠিকানা ও ফোন নম্বর একসঙ্গে দেখতে ভিজিট করুন—
🌐 https://hijamaplanet.com/en/blog/hijama-planet-branches

আপনি কোন জেলা থেকে আমাদের সঙ্গে আছেন? কমেন্টে জানান! 👇

#হিজামা_প্ল্যানেট #কাপিং #রুকইয়াহ

05/10/2026

যে সংসারে একসময় প্রচণ্ড ভালোবাসা ছিল, হঠাৎ করেই কি সেখানে শুরু হয়েছে চরম অশান্তি? সামান্য কোনো কথা কাটাকাটি থেকে ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত চলে আসছে, নাকি একে অপরকে সহ্যই করতে পারছেন না?

চিকিৎসা বিজ্ঞানী ও ইসলামি গবেষকদের মতে, অনেক সময় বদ নজর, হিংসা কিংবা জাদুটোনার (সিহরুত তাফরিক) কারণে সুখী দম্পতির মধ্যেও অহেতুক ঘৃণা ও দূরত্বের সৃষ্টি হয়। ভালোবাসার সুন্দর সংসার ভেঙে যাওয়া থেকে বাঁচাতে শরিয়াহসম্মত কোরআনিক রুকইয়াহ চিকিৎসা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।

সংসারে অলৌকিক অশান্তি ও বিচ্ছেদের লক্ষণ:
কোনো কারণ ছাড়াই স্ত্রীর প্রতি স্বামীর বা স্বামীর প্রতি স্ত্রীর তীব্র ঘৃণা তৈরি হওয়া।

সামান্য বিষয় নিয়ে বড় ধরনের ঝগড়া-বিবাদ এবং গায়ে হাত তোলার পরিবেশ হওয়া।

একজন অপরজনের সামনে আসলেই বুক ধড়ফড় করা, দমবন্ধ লাগা বা খিটখিটে মেজাজ হওয়া।

একে অপর থেকে দূরে থাকলে ভালো লাগা, কিন্তু কাছে আসলেই অশান্তি শুরু হওয়া।

সংসার রক্ষায় ‘হিজামা প্ল্যানেট’ কেন একমাত্র ভরসা?
অভিজ্ঞ হাফেজ ও রাক্বী: আমাদের প্রতিটি ব্রাঞ্চে বিজ্ঞ ও পরহেজগার হাফেজ রাক্বীগণ সরাসরি শরিয়াহসম্মত নিয়মে রুকইয়াহ চিকিৎসা দেন।
১২ বছরের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা: দেশের ১ নম্বর ও সর্ববৃহৎ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার হিসেবে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা বিশ্বস্ত সেবা দিয়ে আসছি।

সম্পূর্ণ ভণ্ডামিমুক্ত চিকিৎসা: কোনো কবিরাজি, শির্ক বা কুসংস্কার ছাড়া শতভাগ কোরআন-সুন্নাহর আলোতে চিকিৎসা করা হয়।

২৫টিরও বেশি সুসজ্জিত ব্রাঞ্চ: আপনার শহরের হাতের কাছেই রয়েছে আমাদের নিরাপদ ও পর্দানশীন সেবাকেন্দ্র।

নিজের ভালোবাসার সংসারকে কোনো অশুভ বাধার মুখে ধ্বংস হতে দেবেন না। আল্লাহর কালামের শক্তির ওপর ভরসা রেখে আজই অভিজ্ঞ রাক্বীদের পরামর্শ নিন।

📍 কুয়াকাটা ব্রাঞ্চ ::
হিজামা প্ল্যানেটঃ কাপিং ও রুকইয়াহ সেন্টার (কুয়াকাটা ব্রাঞ্চ);
৭৫, এম এম প্লাজা (২য় তলা), উত্তরা ব্যাংকের পাশে, নতুন বাজার, কলাপাড়া, পটুয়াখালী।
মোবাইল :: 01889992900

শীত আসতেই হাঁটুর ব্যথায় চলাফেরা কঠিন হয়ে পড়ছে? সাধারণ ওষুধেও মিলছে না স্থায়ী আরাম?কেন শীতে হাঁটুর ব্যথা বৃদ্ধি পায়?শীতকা...
04/10/2026

শীত আসতেই হাঁটুর ব্যথায় চলাফেরা কঠিন হয়ে পড়ছে? সাধারণ ওষুধেও মিলছে না স্থায়ী আরাম?
কেন শীতে হাঁটুর ব্যথা বৃদ্ধি পায়?

শীতকালে তাপমাত্রা কমে যাওয়ার কারণে আমাদের শরীরের রক্তনালী সংকুচিত হয় এবং রক্ত সঞ্চালন ধীর হয়ে যায়। এর পাশাপাশি জয়েন্টের ভেতরের তরল (Synovial fluid) ঘন হয়ে যায় এবং টিস্যুগুলো শক্ত হয়ে পড়ে। ফলে হাঁটুতে টান ধরা, জড়তা (stiffness) এবং তীব্র ব্যথা শুরু হয়।

হিজামা যেভাবে এই ব্যথা কমায়:
রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়: হিজামার মাধ্যমে আক্রান্ত স্থানে রক্তের প্রবাহ দ্রুত বৃদ্ধি পায়, যা ব্যথানাশক উপাদান পৌঁছে দিতে সাহায্য করে।

টক্সিন ও দুষিত রক্ত অপসারণ: হাঁটু ও আশপাশের জমে থাকা দুষিত রক্ত ও ক্ষতিকর টক্সিন বের করে দিয়ে দ্রুত প্রাকৃতিকভাবে ব্যথা কমায়।

জড়তা দূর করে: জয়েন্টের আশপাশের মাংসপেশি ও রগের টান শিথিল করে চলাফেরা স্বাভাবিক ও সহজ করে তোলে।

কেন আপনার পছন্দের তালিকায় ‘Hijama Planet’ রাখবেন?

অভিজ্ঞ ও পেশাদার থেরাপিস্ট: সম্পূর্ণ সঠিক পদ্ধতি ও সুন্নাহ মেনে অভিজ্ঞ থেরাপিস্ট দ্বারা সেবা প্রদান করা হয়।

১০০% জীবাণুমুক্ত ও হাইজিন ব্যবস্থা: প্রতিবার সম্পূর্ণ নতুন ও ওয়ান-টাইম ব্যবহারযোগ্য আধুনিক ডিসপোজেবল সামগ্রী ব্যবহার করা হয়।

ব্যথাহীন ও নিরাপদ অভিজ্ঞতা: ঘরোয়া ও আরামদায়ক পরিবেশে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে থেরাপি প্রদান করা হয়।

ব্যক্তিগত যত্ন: প্রতিটি রোগীর শারীরিক সমস্যা গুরুত্বের সাথে বিশ্লেষণ করে আলাদা কেয়ার দেওয়া হয়।

যন্ত্রণা মেনে নিয়ে শীত কাটাবেন না! শীতে কষ্ট পাওয়ার আগেই আজই গ্রহণ করুন প্রাকৃতিক ও সুন্নাহ সম্মত হিজামা থেরাপি।

আপনার হিজামা সেশনের জন্য আজই মেসেজ করুন অথবা সরাসরি কল করুন:

📍 কুয়াকাটা ব্রাঞ্চ ::
হিজামা প্ল্যানেটঃ কাপিং ও রুকইয়াহ সেন্টার (কুয়াকাটা ব্রাঞ্চ);
৭৫, এম এম প্লাজা (২য় তলা), উত্তরা ব্যাংকের পাশে, নতুন বাজার, কলাপাড়া, পটুয়াখালী।
মোবাইল :: 01889992900

02/10/2026

কথাবার্তা পাকা, কেনাকাটা বা আংটি পরানোও শেষ—হঠাৎ করেই কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়া বিয়েটা ভেঙে গেল! কিংবা পছন্দ হওয়া সত্ত্বেও শেষ মুহূর্তে গিয়ে প্রস্তাব আর এগোচ্ছে না। এমন ঘটনা যদি বারবার ঘটতে থাকে, তবে তা হেলাফেলা করার মতো বিষয় নয়।

ইসলামি গবেষক ও চিকিৎসকদের মতে, অনেক সময় হিংসা, কড়া নজর বা জাদুটোনার মতো আত্মিক বাধার কারণে মানুষের জীবনে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত বাধা তৈরি হয়।

রুকইয়াহ কীভাবে এই বাধা দূর করে?
কু-নজর ও অশুভ প্রভাব ধ্বংস করে: কোরআনের নির্দিষ্ট কিছু বরকতময় আয়াতের তিলাওয়াত ও দোয়ার মাধ্যমে যেকোনো অদৃশ্যের প্রভাব কেটে যায়।

মানসিক ক্লান্তি ও হতাশা দূর করে: বারবার বাধা আসার কারণে তৈরি হওয়া মানসিক চাপ কমায় এবং অন্তরে প্রশান্তি ফেরায়।

উৎকণ্ঠা ও অসস্তির অবসান: জীবনসঙ্গী নির্বাচনের পথে থাকা অজানা বাধাগুলো দূর করে সহজ পথ তৈরি করে।

বিশ্বাস রাখুন ‘হিজামা প্ল্যানেট’-এর ১২ বছরের অভিজ্ঞতায়। আমাদের প্রতিটি ব্রাঞ্চে অভিজ্ঞ ও পরহেজগার হাফেজ রাক্বীগণ সরাসরি রুকইয়াহ সেবা প্রদান করেন। সারাদেশে ২৫টিরও বেশি ব্রাঞ্চ নিয়ে বিগত ১২ বছর ধরে আমরা অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সাথে সেবা দিয়ে আসছি।

নিরাশ না হয়ে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করুন এবং সঠিক সুন্নাহসম্মত সমাধানের পথ বেছে নিন।
পরামর্শ ও সরাসরি বুকিংয়ের জন্য কল করুন:
এ্যাপয়েন্টমেন্টস: 01612877464 #
সমগ্র বাংলাদেশে আমাদের ২০+ ব্রাঞ্চ রয়েছে। আপনার কাছের ব্রাঞ্চের ইনফো জানতে আমাদের ফোন দিন অথবা আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।

সুস্থ থাকতে হিজামা চিকিৎসা করানো অত্যন্ত দরকারি, কিন্তু বছরে ঠিক কতবার বা কতদিন পরপর হিজামা করানো উচিত—এই প্রশ্নটা অনেকে...
01/10/2026

সুস্থ থাকতে হিজামা চিকিৎসা করানো অত্যন্ত দরকারি, কিন্তু বছরে ঠিক কতবার বা কতদিন পরপর হিজামা করানো উচিত—এই প্রশ্নটা অনেকের মনেই থাকে।

অতিরিক্ত কোনো কিছুই যেমন ভালো নয়, ঠিক তেমনি হিজামাও একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর নিয়ম মেনে করানো উচিত। শরীরের প্রয়োজন ও শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে হিজামার সংখ্যা ঠিক করা হয়।
বছরে কার কতবার হিজামা করা উচিত?

সম্পূর্ণ সুস্থ মানুষের জন্য: সুস্থ ব্যক্তির জন্য বছরে ২ থেকে ৪ বার (বা প্রতি ৩ থেকে ৪ মাস পর পর) হিজামা করা আদর্শ। এটি শরীরকে সবসময় সতেজ রাখে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

পুরাতন ব্যথায় ভুগছেন যারা: ঘাড়, পিঠ, মাইগ্রেন বা কোমর ব্যথায় আক্রান্তদের জন্য শুরুতে মাসে ১ বার করে পর পর ৩ মাস এবং পরবর্তীতে শারীরিক উন্নতি বুঝে ২-৩ মাস পর পর দেওয়া হয়।
ঋতু পরিবর্তনের সুন্নাহ হিজামা: বিশেষ করে বসন্তকালে বা গরমের শুরুতে বছরে অন্তত ১-২ বার সুন্নাহ তারিখে হিজামা নেওয়া রাসুল (সা.)-এর চমৎকার আমল।

‘হিজামা প্ল্যানেট’-এ কেন পরামর্শ নেবেন?
অভিজ্ঞ থেরাপিস্টের পর্যবেক্ষণ: আমাদের বিশেষজ্ঞ থেরাপিস্টরা প্রথমে আপনার শারীরিক অবস্থা ও প্রেশার মেপে সিদ্ধান্ত নেন আপনার কতবার হিজামা প্রয়োজন।

১২ বছরের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা: দেশের ১ নম্বর ও সর্ববৃহৎ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার হিসেবে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা সঠিক নিয়মে সেবা দিয়ে আসছি।

২৫টিরও বেশি সুসজ্জিত ব্রাঞ্চ: আপনার শহরের হাতের কাছেই রয়েছে আমাদের সম্পূর্ণ হাইজেনিক ও নিরাপদ সেন্টারের ব্যবস্থা।

১০০% জীবাণুমুক্ত স্টেরিলাইজড কাপ: প্রতিটি পেশেন্টের জন্য সম্পূর্ণ নতুন ও জীবাণুমুক্ত ইকুয়েপমেন্ট ব্যবহার করা হয়।

ভুল নিয়মে নয়, সঠিক নিয়মে হিজামা করে নিজেকে রাখুন সুস্থ ও চাঙ্গা। আপনার পরবর্তী হিজামা সেশনের জন্য আজই বুকিং দিন!
সরাসরি বুকিং ও বিনামূল্যে পরামর্শের জন্য কল করুন

সুস্থতায় সুন্নাহর বরকত পেতে আর দেরি করবেন না! আজ আরবি চাঁদের ২৯ তারিখ, অর্থাৎ সুন্নাহ হিজামা গ্রহণের প্রথম দিন!আপনি যদি ...
29/09/2026

সুস্থতায় সুন্নাহর বরকত পেতে আর দেরি করবেন না! আজ আরবি চাঁদের ২৯ তারিখ, অর্থাৎ সুন্নাহ হিজামা গ্রহণের প্রথম দিন!

আপনি যদি আজ কোনো কারণে আসতে না-ও পারেন, চিন্তা নেই! চলতি সুন্নাহ সার্কেলের বরকত ও সুফল নেওয়ার সুযোগ থাকছে আগামী ১ অক্টোবর (০১ আরবি) এবং ৩ অক্টোবর (০৩ আরবি) তারিখেও।

চলতি সুন্নাহ তারিখে হিজামা করার দারুণ সুফল:
শরীরের জমানো বর্জ্য দূর: চান্দ্রমাসের এই বিশেষ দিনগুলোতে শরীরের রক্ত থেকে দ্রুত টক্সিন ও ক্ষতিকর উপাদান পরিষ্কার হয়ে যায়।

রাসুল (সা.)-এর সুন্নাহর বরকত: সুন্নাহ মেনে হিজামা করলে শারীরিক আরোগ্যের পাশাপাশি আমলের সওয়াব ও বরকত অর্জন হয়।

ক্লান্তি ও শরীর ব্যথা থেকে দ্রুত আরাম: পিঠ, ঘাড়, কোমর ও মাথার ক্রনিক ব্যথা ও অলসতা দূর হয়ে শরীর একদম ফুরফুরে হয়ে যায়।

মানসিক প্রশান্তি ও রিফ্রেশমেন্ট: দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ কাটিয়ে ঘুম ও মনমেজাজ চমৎকার থাকে।

হিজামার সেরা সুন্নাহ শিডিউল:
আজকের সুন্নাহ ডেট: ২৯ সেপ্টেম্বর (আজই চলে আসুন!)
পরবর্তী ২ দিন: ১ অক্টোবর ও ৩ অক্টোবর

‘হিজামা প্ল্যানেট’-এ কেন সেবানিবেন?
১২ বছরের সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা: দেশের ১ নম্বর ও সর্ববৃহৎ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার হিসেবে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা সঠিকভাবে সেবা দিয়ে আসছি।

২৫টিরও বেশি সুসজ্জিত ব্রাঞ্চ: দেশের প্রধান প্রধান শহরে রয়েছে আমাদের সুসজ্জিত ও নিরাপদ সেন্টারের ব্যবস্থা।

১০০% জীবাণুমুক্ত ও সেফ: দক্ষ থেরাপিস্টদের মাধ্যমে সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত নতুন ইকুয়েপমেন্ট দিয়ে পরম যত্নসহকারে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

সুন্নাহ দিনগুলোর এই সুযোগ হাতছাড়া না করে আজই আপনার স্লট বুক করে ফেলুন!
এ্যাপয়েন্টমেন্টস: 01612877464 #
সমগ্র বাংলাদেশে আমাদের ২০+ ব্রাঞ্চ রয়েছে। আপনার কাছের ব্রাঞ্চের ইনফো জানতে আমাদের ফোন দিন অথবা আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।

সুন্নাহ সম্মত ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য হিজামা (ক্যাপিং থেরাপি) অত্যন্ত কার্যকর এক চিকিৎসা পদ্ধতি। হাদিস শরিফে এসেছে...
28/09/2026

সুন্নাহ সম্মত ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য হিজামা (ক্যাপিং থেরাপি) অত্যন্ত কার্যকর এক চিকিৎসা পদ্ধতি। হাদিস শরিফে এসেছে: "মাসের ১৭ তারিখ মঙ্গলবার হিজামা করা এক বছরের রোগের জন্য চিকিৎসা।" (মিশকাতুল মাসাবীহ, হাদিস ৪৫৪৮)

১৭ তারিখের এই বিশেষ সুন্নাহ দিনে আপনার হিজামা সম্পন্ন করতে আজই বুকিং করুন বা সরাসরি যোগাযোগ করুন।

26/09/2026

গর্ভাবস্থা একজন নারীর জীবনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়। এই সময়ে যেকোনো থেরাপি বা চিকিৎসা নেওয়ার আগে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

অনেক ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থায় হিজামা না করাই নিরাপদ মনে করা হয়, বিশেষ করে যদি তা জরুরি প্রয়োজন না হয়। কারণ এই সময়ে মায়ের শরীর ও শিশুর সুস্থতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আমাদের পরামর্শ:
বিশেষ কোনো জরুরি কারণ না থাকলে গর্ভাবস্থায় হিজামা করার জন্য আমরা সাধারণত সুপারিশ করি না। আপনার ও আপনার অনাগত সন্তানের নিরাপত্তাই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার।

এ্যাপয়েন্টমেন্টস: 01612877464 #
সমগ্র বাংলাদেশে আমাদের ২০+ ব্রাঞ্চ রয়েছে। আপনার কাছের ব্রাঞ্চের ইনফো জানতে আমাদের ফোন দিন অথবা আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।

সুস্থ ও সতেজ থাকতে হিজামা যেকোনো দিনই করানো যায়, কিন্তু চাঁদের ২৯, ০১ ও ০৩ তারিখে (আরবি মাসের নির্দিষ্ট দিনে) হিজামা নেও...
25/09/2026

সুস্থ ও সতেজ থাকতে হিজামা যেকোনো দিনই করানো যায়, কিন্তু চাঁদের ২৯, ০১ ও ০৩ তারিখে (আরবি মাসের নির্দিষ্ট দিনে) হিজামা নেওয়া বিশেষভাবে কল্যাণকর!

ইসলামি নির্দেশনা ও প্রাকৃতিক নিয়মের সংযোগে এই দিনগুলোতে হিজামা করানো শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে ও সুন্নাহ অনুসরণের সওয়াব অর্জনে অসাধারণ ভূমিকা রাখে।

২৯, ০১ ও ০৩ তারিখে হিজামা করার বিশেষ উপকারিতা:
প্রাকৃতিক রক্ত শোধন: মাসের এই বিশেষ সময়ে শরীরের বিষাক্ত বর্জ্য ও ক্ষতিকর উপাদানগুলো সহজে বের হয়ে আসে, ফলে শরীর দ্রুত রিফ্রেশ হয়।

রাসুল (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণ: প্রিয় রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শেখানো নিয়মে হিজামা করে শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি অফুরন্ত সওয়াব হাসিল করা যায়।

পুরাতন ব্যথা ও ক্লান্তি দূর: দীর্ঘদিনের ঘাড়, পিঠ ও মাথার ব্যথা থেকে শুরু করে শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি নিমিষেই দূর হয়।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: শরীরের ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা বহুগুণ শক্তিশালী হয়ে ওঠে, যা ভবিষ্যতের বড় রোগ প্রতিরোধ করে।

‘হিজামা প্ল্যানেট’-এ কেন চিকিৎসা নেবেন?
১২ বছরের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা: দেশের ১ নম্বর ও সর্ববৃহৎ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার হিসেবে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা বিশ্বস্ত সেবা দিয়ে আসছি।

২৫টিরও বেশি সুসজ্জিত ব্রাঞ্চ: আপনার শহরের হাতের কাছেই রয়েছে আমাদের সম্পূর্ণ হাইজেনিক ও নিরাপদ সেন্টারের ব্যবস্থা।

১০০% জীবাণুমুক্ত ও সেফ: অভিজ্ঞতা সম্পন্ন থেরাপিস্টদের মাধ্যমে সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত নতুন ইকুয়েপমেন্ট দিয়ে যত্নসহকারে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

বিশেষ সুন্নাহ তারিখের সুযোগ হাতছাড়া করবেন না। সুস্থ জীবনের পথে এক ধাপ এগিয়ে থাকতে আজই আপনার সেশন বুক করুন!

এ্যাপয়েন্টমেন্টস: 01612877464 #
সমগ্র বাংলাদেশে আমাদের ২০+ ব্রাঞ্চ রয়েছে। আপনার কাছের ব্রাঞ্চের ইনফো জানতে আমাদের ফোন দিন অথবা আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।

হিজামা বা রুকইয়াহ সেবা নিতে কি এতদিন দূরের শহরে যেতে হতো?এবার সেই ঝামেলা অনেকটাই কমতে যাচ্ছে।Hijama Planet-এর হিজামা ও র...
24/09/2026

হিজামা বা রুকইয়াহ সেবা নিতে কি এতদিন দূরের শহরে যেতে হতো?

এবার সেই ঝামেলা অনেকটাই কমতে যাচ্ছে।

Hijama Planet-এর হিজামা ও রুকইয়াহ সেবা এখন ফরিদপুরেও!

আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী হিজামা ও রুকইয়াহ সেবা নিতে এখন নিজের শহরেই যোগাযোগ করতে পারবেন। আমরা চেষ্টা করছি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও যত্নশীল পরিবেশে সেবা দেওয়ার।

আপনি নিজে সেবা নিতে চান, অথবা পরিবারের কারও জন্য জানতে চান প্রয়োজনে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিস্তারিত জেনে নিতে পারেন।

Hijama Planet Cupping & Ruqyah Center
এবার সেবা আপনার শহরেও।

সুন্দর গুছানো জীবনটা কি হঠাৎ করেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে? সব কাজ শেষ মুহূর্তে আটকে যাচ্ছে, নাকি কোনো কারণ ছাড়াই পরিবার...
23/09/2026

সুন্দর গুছানো জীবনটা কি হঠাৎ করেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে? সব কাজ শেষ মুহূর্তে আটকে যাচ্ছে, নাকি কোনো কারণ ছাড়াই পরিবারে দিন-রাত হট্টগোল লেগে থাকছে?

মানুষের হিংসা ও শত্রুতার কারণে অনেকেই কালোজাদু বা বান মারার মতো ভয়ংকর ক্ষতির শিকার হন। সময়মতো এই লক্ষণগুলো চিনতে না পারলে স্বাস্থ্য, সংসার ও ক্যারিয়ার পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। তবে ভয় না পেয়ে শরিয়াহসম্মত কোরআনিক রুকইয়াহ চিকিৎসা নিলে এর থেকে স্থায়ী মুক্তি সম্ভব।

কালোজাদু বা জাদুটোনায় আক্রান্ত হওয়ার প্রধান ৫টি লক্ষণ:
ডাক্তারি চিকিৎসায় সমাধান না পাওয়া: শরীর দিন দিন অসুস্থ ও দুর্বল হয়ে পড়া, কিন্তু পরীক্ষা-নিরীক্ষায় কোনো রোগ ধরা না পড়া।

সংসারে অহেতুক তিক্ততা ও ঝগড়া: প্রিয় মানুষের প্রতি হঠাৎ তীব্র ঘৃণা তৈরি হওয়া এবং সামান্য বিষয়ে ডিভোর্স পর্যন্ত কথা গড়ানো।

ভয়ংকর দুঃস্বপ্ন ও ঘুমের ব্যাঘাত: স্বপ্নে উঁচু স্থান থেকে পড়ে যাওয়া, সাপ, কুকুর, আগুন বা মৃত মানুষকে বারবার দেখা।

ইবাদত ও পবিত্রতায় তীব্র অনিহা: ইবাদত করতে গেলে প্রচণ্ড অলসতা, দমবন্ধ লাগা বা বুক ধড়ফড় করা।

কাজে হঠাৎ অলৌকিক বাধা: ব্যবসা, চাকরি বা পড়াশোনায় সবকিছু ঠিক থাকার পরও বারবার বড় ধরনের ক্ষতি হওয়া।

সমাধানে ‘হিজামা প্ল্যানেট’ কেন একমাত্র ভরসা?
অভিজ্ঞ হাফেজ ও রাক্বী: বিজ্ঞ হাফেজ রাক্বীগণ সরাসরি কোরআন-সুন্নাহর বিশুদ্ধ নিয়মে শরিয়াহসম্মত রুকইয়াহ চিকিৎসা দেন।

১২ বছরের সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা: দেশের ১ নম্বর ও সর্ববৃহৎ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার হিসেবে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা বিশ্বস্ত সেবা দিচ্ছি।

সম্পূর্ণ ভণ্ডামিমুক্ত সেবা: কোনো কবিরাজি, কুসংস্কার বা শির্কি পদ্ধতি ছাড়া শতভাগ হালাল উপায়ে চিকিৎসা করা হয়।

২৫টিরও বেশি সুসজ্জিত ব্রাঞ্চ: আপনার শহরের হাতের কাছেই রয়েছে আমাদের পর্দানশীন ও নিরাপদ চিকিৎসাকেন্দ্র।

কালোজাদুর ভয়ংকর প্রভাব থেকে নিজেকে ও পরিবারকে মুক্ত রাখতে আল্লাহর কালামের ওপর আস্থা রাখুন। আজই আমাদের অভিজ্ঞ রাক্বীদের পরামর্শ নিন।

এ্যাপয়েন্টমেন্টস: 01612877464 #
সমগ্র বাংলাদেশে আমাদের ২০+ ব্রাঞ্চ রয়েছে। আপনার কাছের ব্রাঞ্চের ইনফো জানতে আমাদের ফোন দিন অথবা আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।

Address

75, MM Plaza, Notun Bazar Road (Beside Uttara Bank)
Kalapara
8600

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 20:00
Friday 09:00 - 20:00
Saturday 09:00 - 20:00
Sunday 09:00 - 20:00

Telephone

+8801889992900

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hijama Planet: Cupping & Ruqyah Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Hijama Planet: Cupping & Ruqyah Center:

Shortcuts

Share