Dr. Nasren Nipa

Dr. Nasren Nipa Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Nasren Nipa, Medical and health, Khulna.
(5)

MBBS(DU),
MCPS(Medicine)
MRCP-PACES(UK)
FCPS(MEDICINE)(CARDIOLOGY-FP),
CCD,DMU,EOC
Medicine,Heart,Diabetes,Mother & Child health,Skin & Sexual disease
For health articles, medical discussions, product promotions & paid online consultations,inbox me.

শুধু হাঁটলেই হবে না, হাঁটতে হবে Brisk Walk!অনেকেই ভাবেন ধীরে ধীরে একটু হাঁটলেই ওজন, প্রেসার বা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ হয়ে য...
23/05/2026

শুধু হাঁটলেই হবে না, হাঁটতে হবে Brisk Walk!

অনেকেই ভাবেন ধীরে ধীরে একটু হাঁটলেই ওজন, প্রেসার বা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ হয়ে যাবে। আসলে শরীরের উপকার পেতে হাঁটার গতি হতে হবে এমন, যাতে শ্বাস কিছুটা দ্রুত চলে কিন্তু কথা বলা সম্ভব থাকে। এটিই Brisk Walk।

প্রথম ৫ মিনিট: Brisk walk শুরু করার কয়েক মিনিটের মধ্যেই হার্ট দ্রুত রক্ত পাম্প করতে শুরু করে। এতে শরীরের রক্ত চলাচল বাড়ে, পেশিতে অক্সিজেন পৌঁছায় বেশি এবং শরীর ধীরে ধীরে সক্রিয় হয়ে ওঠে। দীর্ঘসময় বসে থাকা মানুষের জন্য এটি বিশেষ উপকারী।

১৫ মিনিট পরে: এই সময় শরীরে Endorphin নামের “feel good hormone” নিঃসরণ বাড়ে। এতে মানসিক চাপ কমে, মুড ভালো হয়, উদ্বেগ ও ক্লান্তি কিছুটা কম অনুভূত হয়। নিয়মিত brisk walk হতাশা ও ঘুমের সমস্যাও কমাতে সাহায্য করতে পারে।

৩০ মিনিট পরে: পেশিগুলো তখন বেশি গ্লুকোজ ব্যবহার করতে থাকে। ফলে রক্তের অতিরিক্ত সুগার কমাতে সাহায্য হয় এবং ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়তে পারে। তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে brisk walking খুব কার্যকর একটি অভ্যাস।

৪৫ মিনিট পরে: এই পর্যায়ে শরীর জমে থাকা চর্বি থেকে শক্তি ব্যবহার শুরু করে। নিয়মিত brisk walk ওজন কমাতে, পেটের মেদ কমাতে এবং হার্টের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে।

সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন, প্রতিদিন ৩০–৪৫ মিনিট brisk walk করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। আরামদায়ক জুতা পরুন, পানি পান করুন এবং হঠাৎ খুব দ্রুত না হেঁটে ধীরে ধীরে গতি বাড়ান।

23/05/2026

কুরবানি ঈদের ছুটিতে অনেকেই বাড়ি যাবেন বা দূরে ভ্রমণ করবেন। এই সময় হঠাৎ জ্বর, পেটের সমস্যা, বমি, গ্যাস, কাশি বা ব্যথা দেখা দিলে কাছাকাছি প্রয়োজনীয় ওষুধ সবসময় পাওয়া নাও যেতে পারে। তাই ভ্রমণে একটি ছোট “মেডিসিন ব্যাগ” সঙ্গে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।

সঙ্গে রাখতে পারেন প্রয়োজনীয় কিছু ওষুধ:

• জ্বর, মাথাব্যথা বা শরীর ব্যথার জন্য প্যারাসিটামল
• গ্যাস, বুক জ্বালা বা বদহজমের জন্য অ্যান্টাসিড বা গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ
• ডায়রিয়া বা পানিশূন্যতার জন্য খাবার স্যালাইন
• বমি বমি ভাব বা ট্রাভেল সিকনেসের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ
• সাধারণ সর্দি-কাশির জন্য এন্টিহিসটামিন বা কফ সিরাপ বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ
• মাংসপেশির ব্যথার জন্য প্রয়োজনীয় পেইন রিলিফ ওষুধ
• ছোটখাটো কাটা-ছেঁড়ার জন্য ব্যান্ডেজ, গজ, স্যাভলন বা অ্যান্টিসেপটিক।

যাদের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হাঁপানি, থাইরয়েড, হৃদরোগ বা অন্য দীর্ঘমেয়াদি রোগ আছে:

• নিয়মিত ওষুধ পর্যাপ্ত পরিমাণে সঙ্গে রাখুন
• ইনসুলিন ব্যবহার করলে ঠান্ডা পরিবেশে সংরক্ষণ করুন
• প্রেসক্রিপশনের ছবি মোবাইলে রাখুন
• ওষুধ খাওয়ার সময় যেন মিস না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন

কুরবানির সময় কিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা জরুরি :

• কাঁচা মাংস কাটার আগে ও পরে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নিন
• আলাদা ছুরি ও কাটিং বোর্ড ব্যবহার করুন
• মাংস দীর্ঘসময় বাইরে ফেলে রাখবেন না
• পরিষ্কার পানি পান করুন
• অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার কম খান
• শিশু ও বয়স্কদের খাবারে বাড়তি সতর্কতা রাখুন

সচেতনতা ও সামান্য প্রস্তুতিই ঈদের আনন্দকে নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করতে পারে।

#কুরবানি_ঈদ #ঈদস্বাস্থ্যসতর্কতা #ভ্রমণ_স্বাস্থ্য #ঈদে_প্রয়োজনীয়_ওষুধ #স্বাস্থ্য_টিপস #ডা_নাসরিন_নিপা

মানুষকে বিশ্বাস করতে আমার ভালো লাগে। এই পৃথিবীর প্রতিটি আশরাফুল মাখলুকাতের মাঝেই ভালো কিছু খুঁজে পেতে ইচ্ছা করে। কিন্তু ...
23/05/2026

মানুষকে বিশ্বাস করতে আমার ভালো লাগে। এই পৃথিবীর প্রতিটি আশরাফুল মাখলুকাতের মাঝেই ভালো কিছু খুঁজে পেতে ইচ্ছা করে। কিন্তু বাস্তবতা সবসময় এত সহজ নয়। কিছু মানুষের আচরণ, প্রতারণা কিংবা অপরাধমূলক মানসিকতা বারবার শেখায়, শুধু বাইরের রূপ দেখে কাউকে বিচার করা যায় না।

আমরা অনেক সময় হাসিমুখ দেখি, ভদ্র ব্যবহার দেখি, সুন্দর কথা শুনি, কিন্তু তার ভেতরের অন্ধকারটা বুঝতে পারি না। মানুষের অন্তর পড়ার ক্ষমতা যদি সত্যিই থাকতো, হয়তো অনেক সম্পর্ক, অনেক বিশ্বাস, অনেক কাছের মানুষকে আমরা নতুন করে চিনতাম।

এই কারণেই হয়তো সমরেশ মজুমদার লিখেছিলেন—
“ঈশ্বর যদি মানুষকে অন্তত একদিনের জন্যে অন্যের মনের কথা পড়ার ক্ষমতা দিতেন, তা হলে নব্বইভাগ মানুষ কেউ কারও সঙ্গে থাকতে পারত না।”

তবুও মানুষ বিশ্বাস করতে চায়। কারণ অবিশ্বাস নিয়ে বেঁচে থাকা খুব ক্লান্তিকর। তবে এখন শিখেছি, সবাইকে ভালোবাসা যায়, সম্মান করা যায়, কিন্তু সবাইকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করা যায় না।

#বিশ্বাস
#মানুষ
#জীবনবোধ
#সমরেশ_মজুমদার
ানুষ
#বাস্তবতা
#বাংলা_লেখা
#অনুভূতি
#সম্পর্ক
#মানসিকতা



23/05/2026

পবিত্র ঈদ-ঊল-আযহা আনন্দ, ত্যাগ ও পারিবারিক মিলনের উৎসব। তবে এই আনন্দের সময় খাবারদাবারে অসচেতনতা থেকে নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে অতিরিক্ত মাংস, তেল-মসলাযুক্ত খাবার ও অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের কারণে পেট ফাঁপা, বদহজম, গ্যাস্ট্রিক, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া, উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের সমস্যা বাড়তে পারে। তাই ঈদের আনন্দের পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতাও জরুরি।

সকালে ঈদের নামাজে যাওয়ার আগে হালকা খাবার যেমন সেমাই, পায়েশ বা ফিরণির সাথে মৌসুমি ফল, খেজুর বা বাদাম খেতে পারেন। যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তারা চিনির পরিবর্তে জিরো ক্যালরি সুইটনার ব্যবহার করতে পারেন।

পর্যাপ্ত পানি পান করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গরমে শরীর পানিশূন্য হয়ে যেতে পারে, তাই পানি, ডাবের পানি, লেবুর শরবত বা তাজা ফলের রস পান করুন। খাবারের তালিকায় শাকসবজি, সালাদ ও আঁশযুক্ত খাবার রাখুন। এগুলো হজমে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়।

মাংস অবশ্যই পরিমিত পরিমাণে খাবেন। অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত অংশ এড়িয়ে চলুন। কম তেল ও মসলায় রান্না করা, গ্রিল বা সেদ্ধ মাংস তুলনামূলক স্বাস্থ্যকর। খাবারের পরে কোমল পানীয়ের বদলে টকদই বা বোরহানি খেতে পারেন।

যাদের ডায়াবেটিস, কিডনি রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ইউরিক অ্যাসিড বা হৃদরোগ আছে তারা বিশেষ সতর্ক থাকবেন। প্রতিদিন অন্তত ৩০–৪০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস রাখুন।

যদি ডায়রিয়া, অতিরিক্ত পেট ব্যথা, বমি বা অন্য কোনো শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয়, দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সবার জন্য সুস্থ, নিরাপদ ও আনন্দময় ঈদের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক

্বাস্থ্য_সচেতনতা
#ঈদুলআযহা
#কোরবানির_ঈদ
#স্বাস্থ্যকর_খাদ্যাভ্যাস
#হজমের_সমস্যা
#ডায়াবেটিস_সচেতনতা




23/05/2026

অতিরিক্ত গরম এবং অতিরিক্ত ঘাম থেকে শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা, নিউমোনিয়া বা ঠান্ডা লাগতে পারে।

ঘামের ফলে শরীর থেকে লবণ পানি বেরিয়ে যায়। ফলে পানিশূন্যতা হতে পারে। পাশাপাশি ইলেকট্রলাইট বা সোডিয়াম, পটাশিয়াম এর ঘাটতি জনিত সমস্যা হতে পারে।

চামড়ায় র‍্যাশ বা ঘামাচি হতে পারে। বার বার চুলকানোর ফলে তা থেকে ত্বকে অন্যান্য সমস্যা হতে পারে।

গরমে হজম শক্তি ব্যাহত হয়ে পেট খারাপ বা ডায়রিয়া হতে পারে।

মাথা ঘেমে গিয়ে চুলে খুশকি হতে পারে।

এ ধরনের সমস্যা যেন না হয় তা নিশ্চিত করতে গরমকালে কিছু অতিরিক্ত সতর্কতা পালন করা উচিত।

১.বেশি বেশি পানি পান করবেন।
২.সহজপাচ্য নরম খাবার খাবেন।
৩.পরিধানের জন্য সুতি কাপড় ব্যবহার করবেন।
৪.প্র‍য়োজন ব্যতিত দূরপাল্লার ভ্রমণ পরিহার করুন।
৫.কড়া রোদ থেকে নিজেকে রক্ষা করুন।
৬.নিয়মিত গোসল করুন।
৭.ঘরের ভেতর আলো-বাতাস চলাচল নিশ্চিত করুন।

- যদি অসুস্থতা অনুভব করেন

- হঠাৎ কোনো কারণ ছাড়াই গায়ের তাপমাত্রা বেড়ে যায়

- অতিরিক্ত পানি পিপাসা

- বার বার বমি কিংবা পাতলা পায়খানা

- একেবারেই খেতে ইচ্ছে না করা

- প্রস্রাবের পরিমাণ যদি কমে যায়

- চোখ বসে যায় অথবা জিহ্বা শুকনো হয়ে যায়

- যদি নিস্তেজ ভাব দেখা যায় অথবা কোনো কারণ ছাড়াই স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়

এ সমস্ত লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে নিকটস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হবে। এবং ডাক্তারের পরামর্শ মত ব্যবস্থা নিতে হবে।

#গরমে_সতর্কতা
#হিটস্ট্রোক
#ডিহাইড্রেশন
#স্বাস্থ্যসচেতনতা
#গরমকালীন_যত্ন
#পানিশূন্যতা









সর্দি-জ্বর নেই, তবুও থামছে না কাশি? সতর্ক হোন!অনেকেই ভাবেন কাশি মানেই ঠান্ডা বা ভাইরাল জ্বর। কিন্তু বর্তমানে এমন অনেক রো...
22/05/2026

সর্দি-জ্বর নেই, তবুও থামছে না কাশি? সতর্ক হোন!

অনেকেই ভাবেন কাশি মানেই ঠান্ডা বা ভাইরাল জ্বর। কিন্তু বর্তমানে এমন অনেক রোগী দেখা যাচ্ছে যাদের জ্বর নেই, সর্দিও নেই, তবুও সপ্তাহের পর সপ্তাহ শুকনো কাশি থামছে না। কারও বুকে ব্যথা হচ্ছে, কারও শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে, আবার কারও কাশির সঙ্গে রক্তও বের হচ্ছে।

এ ধরনের সমস্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হতে পারে Bordetella pertussis নামক ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ, যাকে আমরা হুপিং কাশি বা পার্টুসিস বলি। এটি শিশুদের পাশাপাশি বড়দেরও আক্রান্ত করতে পারে।

এই ব্যাক্টেরিয়া আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি বা হাঁচির মাধ্যমে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। শ্বাসের সঙ্গে জীবাণু শরীরে ঢুকে শ্বাসনালিতে বসে বংশবৃদ্ধি করে এবং বিষাক্ত পদার্থ তৈরি করে। ফলে শ্বাসনালিতে প্রদাহ হয় ও দীর্ঘদিন কাশি চলতে থাকে।

টানা ১–২ সপ্তাহ বা তার বেশি শুকনো কাশি, কাশতে কাশতে দম বন্ধ হয়ে আসা, রাতে কাশি বেড়ে যাওয়া, গলা ও বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, কাশির পর বমি হওয়া, কফে রক্ত আসা, শিশুদের ক্ষেত্রে কাশি শেষে “হুপ” শব্দ হওয়া ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যায়।

এক্ষেত্রে ৫ বছরের নিচের শিশু, যাদের DTP/পার্টুসিস টিকা অসম্পূর্ণ, হাঁপানি বা COPD রোগী, ধুলাবালি ও দূষণে বেশি থাকেন যারা, অ্যালার্জির রোগী, বয়স্ক ব্যক্তিরা বেশি ঝুঁকিতে থাকেন।

যদি কাশি ১ সপ্তাহের বেশি থাকে, শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, কাশির সঙ্গে রক্ত যায়, বুকে তীব্র ব্যথা হয়, শিশুর খাওয়া কমে যায় বা নীলচে হয়ে যায়, রাতে দমবন্ধ ভাব হলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

নিজের ইচ্ছামতো অ্যান্টিবায়োটিক বা কাশির সিরাপ খাবেন না। সব কাশি একই কারণে হয় না। কারণ বুঝে চিকিৎসক কিছু ওষুধ দিতে পারেন। যেমন-

- Azithromycin, Clarithromycin বা Erythromycin যা বিশেষ করে পার্টুসিস ব্যাক্টেরিয়ার জন্য ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক।

- Paracetamol যা গলা বা বুক ব্যথা ও অস্বস্তি কমাতে সহায়ক।

- Antihistamine অ্যালার্জিজনিত কাশিতে উপকারি।

- Montelukast যা শ্বাসনালির প্রদাহ ও অ্যালার্জি কমাতে সাহায্য করে।

- Bronchodilator inhaler / nebulizer যা শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানির রোগীদের ক্ষেত্রে উপকারি।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিকা এক্ষেত্রে বিশেষ উপকারি।

১| DTP / Pentavalent Vaccine (ডিপথেরিয়া, টিটেনাস, পার্টুসিস)

বাংলাদেশের Expanded Programme on Immunization (EPI) অনুযায়ী সাধারণত:
✔️ ৬ সপ্তাহে – ১ম ডোজ
✔️ ১০ সপ্তাহে – ২য় ডোজ
✔️ ১৪ সপ্তাহে – ৩য় ডোজ
✔️ ১৫–১৮ মাসে বুস্টার
✔️ ৪–৬ বছরে আরেকটি বুস্টার প্রয়োজন হতে পারে

২| Pneumococcal Vaccine (নিউমোনিয়া প্রতিরোধী টিকা)

বাংলাদেশের Expanded Programme on Immunization (EPI) অনুযায়ী সাধারণত:
✔️ ৬ সপ্তাহে
✔️ ১০ সপ্তাহে
✔️ ৯ মাসে বুস্টার (দেশভেদে সময়সূচি ভিন্ন হতে পারে)

✔️ যদি আগে কখনও Pneumococcal vaccine না নেওয়া থাকে:

✔️ ১ ডোজ PCV20 অথবা ১ ডোজ PCV15,
✔️তারপর অন্তত ১ বছর পরে PPSV23

বিশেষ করে: ▪️ ৬৫ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তি
▪️ হাঁপানি বা COPD রোগী
▪️ ডায়াবেটিস রোগী
▪️ হৃদরোগ, কিডনি বা লিভারের রোগী
▪️ ধূমপায়ী
▪️ যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম
▪️ বারবার নিউমোনিয়া হয় যাদের

৩| Influenza / Flu Vaccine

সাধারণত ৬ মাস বয়সের পর থেকে দেওয়া যায়।
✔️ ৬ মাস–৮ বছর বয়সে প্রথমবার নিলে ৪ সপ্তাহ ব্যবধানে ২ ডোজ লাগতে পারে
✔️ এরপর প্রতি বছর ১ ডোজ

বিশেষ করে: ▪️ শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি
▪️ হাঁপানি/COPD রোগী
▪️ ডায়াবেটিস রোগী
▪️ ফুসফুসের রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি
▪️ স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য উপকারী

পাশাপাশি কিছু প্রতিরোধক ব্যবস্থা নেয়া জরুরি।

- মাস্ক ব্যবহার করুন
- ধুলাবালি ও ধোঁয়া এড়িয়ে চলুন
- ঘর পরিষ্কার রাখুন
- অ্যালার্জি থাকলে সতর্ক থাকুন
- সময়মতো টিকা নিন
- আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে দূরে থাকুন

#কাশি #হুপিংকাশি #ফুসফুস #শ্বাসকষ্ট #নিউমোনিয়া #পার্টুসিস #ডিটিপি_টিকা #ফ্লু_টিকা #স্বাস্থ্যসচেতনতা #শিশুস্বাস্থ্য #হাঁপানি #ডাঃ_নাসরিন_নিপা

এই পৃথিবীতে সবচেয়ে ভাগ্যবান মানুষ হয়তো সে-ই, যার চলে যাওয়ার পরও কেউ চোখ ভিজিয়ে বলে— “তুমি ছিলে আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্...
22/05/2026

এই পৃথিবীতে সবচেয়ে ভাগ্যবান মানুষ হয়তো সে-ই, যার চলে যাওয়ার পরও কেউ চোখ ভিজিয়ে বলে— “তুমি ছিলে আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন।”

জীবনে অনেক মানুষ আসে, অনেক সম্পর্ক তৈরি হয়। কিন্তু সবাই হৃদয়ে জায়গা করে নিতে পারে না। কিছু মানুষ থাকে, যারা পাশে থাকলে নিরাপত্তা লাগে, ক্লান্ত দিনে শান্তি লাগে, আর তাদের উপস্থিতিতেই জীবনটা একটু সহজ মনে হয়।

মানুষ আসলে সম্পদ, সৌন্দর্য বা সাফল্যের জন্য চিরকাল মনে থাকে না। মনে থাকে তার ব্যবহার, মায়া, যত্ন আর ভালোবাসার জন্য। এমনভাবে কারও জীবনে থেকে যাওয়া, যেন অনুপস্থিতিতেও সে অনুভূত হয়, এটাই হয়তো সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

একদিন আমরা সবাই চলে যাবো। কিন্তু কিছু মানুষ স্মৃতির ভেতর বেঁচে থাকবে আজীবন। কারণ তারা কাউকে কষ্ট নয়, ভালোবাসা দিয়ে গিয়েছিল। 🌿

#মানুষ #ভালোবাসা #সম্পর্ক #অনুভূতি #জীবন #মায়া #স্মৃতি #বাংলালেখা #হৃদয়েরকথা #মানবিকতা

৪০ পার হওয়ার পর হঠাৎ শরীর-মন বদলে যাচ্ছে? হতে পারে এটি মেনোপজ ট্রানজিশন পিরিয়ডঅনেক নারী ৪০ বছরের পর হঠাৎ লক্ষ্য করেন আগে...
22/05/2026

৪০ পার হওয়ার পর হঠাৎ শরীর-মন বদলে যাচ্ছে? হতে পারে এটি মেনোপজ ট্রানজিশন পিরিয়ড

অনেক নারী ৪০ বছরের পর হঠাৎ লক্ষ্য করেন আগের মতো শক্তি পাচ্ছেন না, মেজাজ দ্রুত বদলে যাচ্ছে, ঘুম কমে যাচ্ছে, ওজন বিশেষ করে পেটের চর্বি বাড়ছে, মাসিক অনিয়মিত হচ্ছে, ত্বকে পরিবর্তন আসছে বা অকারণে উদ্বেগ ও বিরক্তি বাড়ছে। অনেকেই ভাবেন এটি দুর্বলতা বা মানসিক সমস্যা। আসলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি “মেনোপজ ট্রানজিশন” বা “পেরিমেনোপজ” এর স্বাভাবিক জৈবিক পরিবর্তন।

এই সময়ে শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোন ধীরে ধীরে কমতে থাকে। ফলে শরীর ও মস্তিষ্কে নানা পরিবর্তন দেখা দেয়। যেমন :-

• মাসিক অনিয়মিত হওয়া
• হট ফ্ল্যাশ বা হঠাৎ গরম লাগা
• রাতে ঘাম হওয়া
• ঘুম কমে যাওয়া
• মুড সুইং, রাগ, দুশ্চিন্তা বা মন খারাপ
• স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ কমে যাওয়া
• শরীরে ব্যথা বা ক্লান্তি
• পেটের মেদ বৃদ্ধি
• যৌন আগ্রহ কমে যাওয়া বা যোনিপথ শুষ্ক হওয়া

এসময় কিছু অভ্যাস আপনার জীবনযাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে।

✅ প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা বা ব্যায়াম করুন
✅ পর্যাপ্ত প্রোটিন, শাকসবজি, ফল, বাদাম ও ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খান
✅ অতিরিক্ত চিনি, জাঙ্কফুড ও সফট ড্রিংক কমান
✅ ঘুমের নির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করুন
✅ ধূমপান ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন
✅ নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিন, প্রয়োজন হলে কাউন্সেলিং নিন
✅ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অনেকের ক্ষেত্রে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন D, ম্যাগনেসিয়াম, ওমেগা-৩, ভিটামিন B12 বা আয়রন প্রয়োজন হতে পারে। কারণ এই সময়ে হাড় ক্ষয়, দুর্বলতা ও ক্লান্তির ঝুঁকি বাড়ে। তবে নিজের ইচ্ছামতো হরমোন বা সাপ্লিমেন্ট শুরু করা ঠিক নয়।

তবে অতিরিক্ত রক্তপাত, দীর্ঘদিন মাসিক বন্ধ থাকা সত্ত্বেও আবার রক্তপাত, তীব্র ডিপ্রেশন বা উদ্বেগ, বুক ধড়ফড়, অতিরিক্ত দুর্বলতা বা হাড়ে ব্যথা, দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হলে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যাবেন।

মেনোপজ ট্রানজিশন কোনো রোগ নয়। এটি নারীর জীবনের একটি স্বাভাবিক জৈবিক অধ্যায়। সচেতনতা, সঠিক জীবনযাপন ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা এই সময়টাকে অনেক সহজ ও স্বস্তিদায়ক করতে পারে।

#নারীর_স্বাস্থ্য #মেনোপজ #হরমোন #স্বাস্থ্যসচেতনতা

22/05/2026

বর্ষাকালে শিশুর যত্নে একটু বাড়তি সতর্কতা জরুরি।
এই সময়ে ঠান্ডা, জ্বর, ডায়রিয়া, সর্দি-কাশি ও ত্বকের সংক্রমণ বেশি দেখা যায়। শিশুকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, ভেজা কাপড় দ্রুত বদলানো, নিরাপদ খাবার ও বিশুদ্ধ পানি দেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ। বাইরে থেকে এসে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন এবং মশা থেকে সুরক্ষিত রাখুন। 💙👶

#বর্ষাকাল #শিশুরযত্ন #শিশুস্বাস্থ্য #বর্ষায়_সতর্কতা #সর্দিকাশি #ডায়রিয়া_প্রতিরোধ #মায়ের_যত্ন #স্বাস্থ্যসচেতনতা

কোন রক্তের গ্রুপ সবার কাছ থেকে রক্ত  নিতে পারে?আর কোন রক্তের গ্রুপ সবাইকে রক্ত দিতে পারে?পজিটিভ গ্রুপের রক্ত নেগেটিভ থেক...
22/05/2026

কোন রক্তের গ্রুপ সবার কাছ থেকে রক্ত নিতে পারে?

আর কোন রক্তের গ্রুপ সবাইকে রক্ত দিতে পারে?

পজিটিভ গ্রুপের রক্ত নেগেটিভ থেকেও নেয়া যাবে আবার পজিটিভ থেকে তো নেওয়া যাবেই। কিন্তু নেগেটিভ গ্রুপের রক্ত পজিটিভ থেকে নেওয়া যাবে না।

(১)O কে বলা যায় রক্তের গ্রুপের হাজী মোহাম্মদ মহসীন। অর্থাৎ O সবাইকে দিতে পারে।
(O-) হলো এদের মধ্যে সেরা দাতা। মানে (O-) (O-), (O+), (B+), (B-), (A+), (A-), (AB+), (AB-) এদের সবাইকে রক্ত দিতে পারবে।
কিন্তু (O+) শুধুমাত্র (O+), (A+), (B+), (AB+) এদের রক্ত দিতে পারবে।

(২) AB গ্রুপবিশিষ্ট ব্যক্তি কাওকেই রক্ত দান করতে পারে না। অর্থাৎ সবার কাছ থেকে গ্রহণ করে। এ গ্রুপকে আমরা স্বার্থপর গ্রুপ বলতে পারি। আবার (AB+) যেহেতু সবার থেকেই নিতে পছন্দ করে। তাই (AB+) সবার কাছ থেকে নিতে পারবে যা (AB-) পারবে না।

পেটে বাচ্চা নেই, তবুও জরুরি অপারেশন করতে হলো?অনেক সময় এর কারণ হতে পারে একটোপিক প্রেগন্যান্সি (Ectopic Pregnancy)। এটি এম...
21/05/2026

পেটে বাচ্চা নেই, তবুও জরুরি অপারেশন করতে হলো?

অনেক সময় এর কারণ হতে পারে একটোপিক প্রেগন্যান্সি (Ectopic Pregnancy)। এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে নিষিক্ত ভ্রূণ জরায়ুর ভেতরে না থেকে জরায়ুর বাইরের কোনো স্থানে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ফ্যালোপিয়ান টিউবে বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ভ্রূণ বড় হওয়ার সাথে সাথে টিউব ফেটে মারাত্মক internal bleeding হতে পারে, যা মায়ের জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাই অনেক ক্ষেত্রে দ্রুত অপারেশন করতেই হয়।

লক্ষণগুলো হতে পারে:
• মাসিক বন্ধ থাকা
• তলপেটে তীব্র বা একপাশে ব্যথা
• অস্বাভাবিক রক্তপাত
• মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া
• দুর্বল লাগা

Pregnancy test, Beta-hCG blood test এবং Transvaginal ultrasonography-এর মাধ্যমে এটি নির্ণয় করা হয়।

অবস্থাভেদে ওষুধ (Methotrexate) বা জরুরি অপারেশন প্রয়োজন হতে পারে। দ্রুত শনাক্ত করা গেলে জটিলতা অনেক কমানো সম্ভব।

ফ্যালোপিয়ান টিউব ফেটে মারাত্মক রক্তক্ষরণ, শক, এমনকি মৃত্যুঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। তাই গর্ভাবস্থার শুরুতে তীব্র পেটব্যথা বা রক্তপাত হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

#স্বাস্থ্য_সচেতনতা

Address

Khulna

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Nasren Nipa posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dr. Nasren Nipa:

Share