ঔষধ বার্তা

ঔষধ বার্তা "ঔষধ বার্তা" মূলত একটি স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট। ঔষধের সম্পর্কে জানতে সহায়তা করবে।

"ঔষধ বার্তা" মূলতঃ একটি স্বাস্থ্য বিষয়ক পেইজ, ঔষধের সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে জানতে সহায়তা করবে।

রানের চিপায় ফাংগাল ইনফেকশন প্রচুর মানুষের রয়েছে। অনেকেই চিকিৎসা ছাড়াই কাটিয়ে দিচ্ছেন বছরের পর বছর।বেশিরভাগ রোগী বলে; "ডা...
17/04/2026

রানের চিপায় ফাংগাল ইনফেকশন প্রচুর মানুষের রয়েছে। অনেকেই চিকিৎসা ছাড়াই কাটিয়ে দিচ্ছেন বছরের পর বছর।
বেশিরভাগ রোগী বলে;
"ডাক্তার আমার রানের চিপায় চুলকানি নিয়ে অ*সহ্য ক*ষ্টে আছি, আমাকে সুস্থ করে দিন!"
রানের চিপায় এর ওর পরামর্শে যা তা ইউজ করে চামড়া
জ্বা লিয়ে ফেলবেন না! রানের চিপায় চুলকানি হলে শুরুতেই ডাক্তার দেখান। বিশেষ করে স্টেরয়েড জাতীয় ক্রিম ইউজ করলে দাদ বারবার ফিরে আসে এবং চামড়া জ্বা লিয়ে ফেলে।
চলুন আজ জানবো আমরা স্টেরয়েড জাতীয় ক্রিম কিভাবে চিনবো!
❤️স্টেরয়েড ক্রিম চেনার উপায়:
১. নামের শেষে এগুলো থাকলে স্টেরয়েড থাকতে পারে
এই নামগুলো দেখলেই সন্দেহ করবেন:
-one (Betamethasone, Mometasone, Clobetasone)
-ol (Clobetasol)
-son (Fluocinolone)
-metasone (Dexamethasone, Betamethasone)
কমন স্টেরয়েডগুলোর নাম
Betamethasone
Clobetasol
Mometasone
Fluocinolone
Hydrocortisone
Triamcinolone
বাংলাদেশে খুব কমন ক্ষতিকর মিক্সড ক্রিম (দাদ রোগে দেয়া হয়)
এগুলো দাদ রোগে ব্যবহার করা উচিত না:
Pevisone cream
Quadriderm cream
Betnovate N cream
Fungidal HC cream
Clobederm cream
রোগীরা এগুলো লাগিয়ে দাদ চাপা দেয়, কিন্তু ভিতরে ভিতরে ফাঙ্গাস বাড়তে থাকে।
দাদ রোগে কোন ক্রিম ব্যবহার করা ভালো
স্টেরয়েড ছাড়া শুধু অ্যান্টিফাঙ্গাল:
Luliconazole
Sertaconazole
Ketoconazole
Clotrimazole
সহজভাবে মনে রাখার ট্রিক
৩টা একসাথে থাকলে সন্দেহ করবেন:
Antifungal
Antibiotic
Steroid
এই ৩ মিশ্রণ থাকলে দাদ রোগে ব্যবহার করা ঠিক না।
বিঃদ্রঃ ডাক্তার রা প্রয়োজনে সীমিত সময়ের জন্য স্টেরয়েড জাতীয় ক্রিম লিখে থাকেন রোগীদের, সেটা গ্রহণযোগ্য!

11/04/2026
"কুসংস্কার ছাড়ুন, সঠিক যত্ন নিন! হাম আক্রান্ত শিশুর দ্রুত সুস্থতায় ১২টি সেরা ঘরোয়া উপায়।১. টিকাদান নিশ্চিত করুন: ৯ মাস ও...
04/04/2026

"কুসংস্কার ছাড়ুন, সঠিক যত্ন নিন! হাম আক্রান্ত শিশুর দ্রুত সুস্থতায় ১২টি সেরা ঘরোয়া উপায়।

১. টিকাদান নিশ্চিত করুন: ৯ মাস ও ১৫ মাস বয়সে শিশুর হামের (MR) টিকা দেওয়া হয়েছে কি না নিশ্চিত করুন। এটিই সবচেয়ে বড় সুরক্ষা।

২. ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ খাবার: শিশুকে নিয়মিত গাজর, পাকা পেঁপে ও সবুজ শাকসবজি খাওয়ান। ভিটামিন-এ হামের জটিলতা কমায়।

৩. আক্রান্ত শিশু থেকে দূরত্ব: আশেপাশে কারো হাম হলে নিজের শিশুকে অন্তত ২-৩ সপ্তাহ দূরে রাখুন।

৪. ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা: বাইরে থেকে ফিরে শিশুর কাছে যাওয়ার আগে সাবান দিয়ে হাত-মুখ ধুয়ে নিন।

৫. ভিড় এড়িয়ে চলা: এলাকায় হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে শিশুকে জনসমাগম বা মেলায় নিয়ে যাবেন না।

৬. বিশ্রাম: আক্রান্ত শিশুকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে দিন। শরীর দুর্বল থাকলে রোগ সারে না।

৭. তরল খাবার: প্রচুর জল, ডাবের জল, ফলের রস ও স্যুপ খাওয়ান যাতে শরীরে জলের অভাব না হয়।

৮. পুষ্টিকর খাবার: জ্বর থাকলেও শিশুকে খিচুড়ি, সুজি বা বুকের দুধ (শিশুদের ক্ষেত্রে) খাওয়ানো বন্ধ করবেন না।

৯. পরিষ্কার সুতির কাপড়: শিশুকে ঢিলেঢালা ও আরামদায়ক সুতির কাপড় পরিয়ে রাখুন।

১০. শরীর মোছানো: "জল লাগানো যাবে না" এই ভুল ধারণা ছাড়ুন। কুসুম গরম জলে নরম কাপড় ভিজিয়ে প্রতিদিন শরীর মুছে দিন।

১১. চোখের যত্ন: ঘর একটু অন্ধকার বা কম আলোযুক্ত রাখুন, কারণ হাম হলে চোখে আলো লাগলে কষ্ট হয়।

১২. নখ ছোট রাখা: হামের গুটি চুলকালে ইনফেকশন হতে পারে, তাই শিশুর নখ ছোট করে কেটে দিন।
একটি টাইটেল লিখে দিন

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হামের প্রকোপ দেখা দিয়েছে।হামের সংক্রমণ রোধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আপনার শিশুকে সুরক্ষি...
04/04/2026

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হামের প্রকোপ দেখা দিয়েছে।

হামের সংক্রমণ রোধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আপনার শিশুকে সুরক্ষিত রাখতে অনুগ্রহ করে নিচের আচরণগুলো মেনে চলুন। পরিবার ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে এই তথ্যগুলো শেয়ার করুন এবং তাদেরও এসব আচরণ মেনে চলতে উৎসাহিত করুন। 👇

03/04/2026

'হামের কারণে ৪৭ শিশু মা--রা গেছে! পেন্ডামিক আকারে ছড়াতে পারে সারা বাংলাদেশে! গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৬৮৫ শিশু।

সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় কি জানেন, আক্রান্ত শিশুদের ৩৪ শতাংশেরই বয়স মাত্র ৯ মাসের কম অর্থাৎ টিকা নেওয়ার বয়স হওয়ার আগেই আক্রান্ত হচ্ছে।
🔴 তাই বাচ্চাদের শ্বাস নিতে কষ্ট, খাওয়ায় অনীহা, অস্বাভাবিক ঘুমঘুম ভাব, খিঁচুনি বা ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া দেখলে এক মুহূর্ত দেরি করবেন না। আল্লাহ সব বাচ্চাকে হেফাজত করুক 🙂

31/03/2026

নোয়াখালী চৌমুহনী ড্রিম হসপিটাল ও হলি কেয়ার হাসপাতালে অভিযান।

ব্যাপারটা খুবই এলার্মিং, সবার যে কথাগুলো জানা গুরুত্বপূর্ণ । মনোযোগ দিয়ে পড়বেন এবং  #শেয়ার করে অন্যকেও জানতে সহযোগিতা কর...
31/03/2026

ব্যাপারটা খুবই এলার্মিং, সবার যে কথাগুলো জানা গুরুত্বপূর্ণ । মনোযোগ দিয়ে পড়বেন এবং #শেয়ার করে অন্যকেও জানতে সহযোগিতা করবেন।

✅ বাচ্চাদের হামের লক্ষণ (Symptoms)
১) প্রোড্রোমাল স্টেজ (৩–৪ দিন)
জ্বর, কাশি, চোখ লাল হওয়া (Conjunctivitis)
নাক দিয়ে পানি পড়া (Coryza)
মুখের ভেতরে সাদা দানা/দাগ (Koplik’s spot)
২) র‍্যাশ স্টেজ (৬–৭ দিন)
জ্বরের ৩–৪ দিন পর লাল ফুসকুড়ি (rash) দেখা যায়
প্রথমে কানের পিছনে শুরু হয়
এরপর মুখ → শরীর → হাত-পায়ে ছড়িয়ে পড়ে
৩) কনভালেসেন্স স্টেজ (সেরে ওঠার সময়)
ধীরে ধীরে র‍্যাশ মিলিয়ে যায়
জ্বর কমে যায়।

✅ যে পরীক্ষা গুলো করতে হবে (Investigations)
CBC:
Leukopenia (WBC কম)
Lymphopenia
কাশি বেশি থাকলে:
Chest X-ray (জটিলতা দেখার জন্য)

✅ হাম এর চিকিৎসা (Rx)
Symptomatic & supportive (লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা। এটা ডাক্তার ডিসিশন নিবেন)

✅ তৈলাক্ত খাবার, ডাবের পানি ও বেশি প্রোটিনযুক্ত খাবার খেতে হবে।প্রচুর পানি/তরল পান করতে হবে।

⛔ বেশি তেল-মসলাদার খাবার খাওয়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে।
ভিটামিন এ ক্যাপসুল--

৬-১২ মাস:
ক্যাপ. রেটিনাল ফোর্ট (100000IU)
দিন -১ এবং দিন -২
>12 মাস:
ক্যাপ. রেটিনাল ফোর্টে (200000IU)
দিন -১ এবং দিন -২

✅ ৬ মাসের উপরের বাচ্চাদের জন্য ওষুধের পাশাপাশি লেবুর রস, তুলসী পাতার রস, কুসুম গরম পানি খাওয়াবেন।
সেকেন্ডারি ইনফেকশন হলে:

সঠিক অ্যান্টিবায়োটিক ডাক্তারের পরামর্শে দিতে হবে।
🔴 এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন- হাম প্রতিরোধ করবেন কিভাবে?

বাচ্চাকে MR/MMR vaccin দিতে হবে।
বাসায় কোন বাচ্চার হলে তাকে অন্য বাচ্চা থেকে আইসোলেসনে রাখতে হবে। (Rash উঠার ৪ দিন আগে ও ৪ দিন পরে)
তথ্য কার্টেসি: ডা মাহাদি

29/03/2026

ডাক্তারকে ফাঁসিতে ঝুলানোর আগে আরো অনেককে ফাঁসিতে ঝুলানোর বাকি আছে।

প্রিয় নোয়াখালীর বিভিন্ন স্তরের জনপ্রতিনিধি,সুশীল সমাজ এবং আপামর নোয়াখালীবাসী, আসসালামু আলাইকুম ।
নোয়াখালী জেলার হৃদরোগের চিকিৎসা সেবা সম্পর্কে আপনাদের কিন্চিৎ ধারনা দেওয়ার জন‍্যই এই লেখার অবতারনা।
মানসম্মত চিকিৎসাসেবা প্রদান করার জন‍্য অত‍্যাবশ‍্যক বিষয়াবলী:
১।সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রীধারী প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দক্ষ চিকিৎসক
২।বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত নার্স
৩।পর্যাপ্ত না হলেও ন‍্যুনতম সাপোর্ট স্টাফ।(টেকনিশিয়ান,ওয়ার্ডবয়,গেইট কিপার,পরিচ্ছন্নতা কর্মি-এসব)
৪।অত‍্যবশ‍্যক যন্ত্র পাতি
৫।প্রয়োজনীয় অবকাঠামো
৬।অন‍্যান‍্য লজিস্টিকস্
৭।কর্ম পরিবেশ
একটু ব্রেকডাউন করা যাক-
* নোয়াখালী ২৫০ শয‍্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ( যেটা অস্থায়ী ভাবে নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হিসাবে পরিগণ‍্য) এবং নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ মিলে ৮ জনের মত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ আছেন।এই বিশেষজ্ঞগণের হৃদরোগ বিষয়ে পর্যাপ্ত দক্ষতা রয়েছে।
* হৃদরোগ বিষয়ে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নার্স- একজনও নাই।
৩।ন‍্যুনতম সাপোর্ট-স্টাফ- নাই।ভয়ংকর রকমের অভাব।
৪।অত‍্যাবশ‍্যক যন্ত্র পাতি: নেই।
একটা নিম্নমানের ইকো মেশিন আছে ।কিন্তু একবার নষ্ট হলে ঠিক করার জন‍্য টেকনিক‍্যাল স্টাফ লোকাললি এ‍্যাভেইলএবল নাই।টাকা বরাদ্দ নাই।দীর্ঘ সময় আর কাজ করা যায় না।প্রিন্টারও একবার নষ্ট হলে একই পরিনতি হয়।জেলি নাই, ফটো পেপার নাই।বরাদ্দ নাই।
ডাক্তারগণ কখনো নিজের পকেটের পয়সায় কিংবা ওষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধিদের সহায়তায় কাজ চালিয়ে নেওয়ার প্রয়াস পান।কিন্ত কয়দিন!!
কার্ডিয়াক মনিটর নাই।একটা ইনফিউশন পাম্পও নাই।
* সরকারিভাবে হৃদরোগের জন‍্য বরাদ্দকৃত বেডের সংখ্যা মাত্র ৬ টা। পুরুষ-৪, মহিলা -২।
হৃদরোগের যে ওয়ার্ড, সেটা স্থানীয় ব‍্যবস্থাপনায় করা হয়েছে।সেখানে ৫০-৬০ জন রোগি ভর্তি থাকলেও সরকারী সুযোগ-সুবিধা ৬ জনের জন‍্যই বরাদ্দ।
(এই জায়গায় কোন তথ‍্যগত ভুল থাকলে ক্ষমাপ্রার্থী)
* কর্ম পরিবেশ সম্পর্কে কি আর লিখবো!!
* সবচেয়ে দু:খজনক হলো নয় উপজেলা সম্পন্ন এই জেলার শীর্ষ এই হাসপাতাল-২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে কোন সিসিইউ নাই।
সারা বিশ্বের ন‍্যায় বাংলাদেশেও প্রধান জরুরী হৃদরোগ হচ্ছে হার্ট এটাক।এই রোগে হঠাৎ হার্টের এক বা একাধিক রক্তনালীতে রক্ত জমাট বেঁধে রক্ত প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়।রোগি সাধারণত প্রচন্ড বুক ব‍্যথা অনুভব করে।সাথে শ্বাস কষ্ট, ঘাম কিংবা বোমিও হতে পারে।
এ রোগের চিকিৎসা হলো দ্রুত জমাট রক্ত পরিস্কার করে দেওয়া।এ চিকিৎসা দুইভাবে করা যায়:
১। দ্রুততম সময়ের মধ‍্যে এনজিওগ্রাম করে সেই অনুযায়ী ব‍্যবস্থা নেওয়া।( Primary PCI). এটা ঢাকা চট্টগ্রামের টার্শিয়ারি লেভেল হসপিটালে করা হয়।
২।দ্রুততম সময়ে নির্দিষ্ট ইনজেকশন প্রয়োগ করে জমাট রক্ত ক্ষয় করে দেওয়া।এটা করার জন‍্য সিসিইউ প্রয়োজন।
আমাদের প্রিয় নোয়াখালী জেলায় এই দুই পদ্ধতির কোনটাই করা যায় না।এখানে হার্ট এটাক বা Acute Myocardial Infarction-এর গাইড লাইন অনুযায়ী কোন চিকিৎসাই হয় না।ডাক্তার আছে বটে কিন্তু ডাক্তারের সার্ভিস ডেলিভারি দেওয়ার সুযোগ নাই।
এই ফিরিস্তির উদ্দেশ্য হলো কোন রাজনৈতিক নেতা কিংবা সুশীল সমাজের কোন প্রতিনিধি কিংবা কোন মিডিয়াকর্মি কি কখনো জানতে চেয়েছেন-কেন এই দুরবস্থা, কেন এই দুর্গতি!!
কেউ কি খবর নিয়েছেন-এই প্রচন্ড গরমে টিন শেডে কিভাবে ডাক্তার এবং অন‍্যান‍্য স্টাফগণ কাজ করেন!!
খবর নিয়েছেন কি নতুন ভবন কি কারণে এতদিন পরও কাজে লাগানো যাচ্ছে না!!
কেউ কি জানেন কেন প্রায় দুই দশক পরও নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হচ্ছে না!!
কেউ কি কখনো ভেবেছেন কিভাবে এত সীমিত লোকবল, লজিস্টিকস দিয়ে হাসপাতাল চলে!!
যারা নোয়াখালী বিভাগ চান-ভাবুন সেই যোগ‍্যতা আছে কি না!
যারা কথায় কথায় নিউজ করেন, ভিডিও ভাইরাল করেন- ডাক্তার নাই, নার্স নাই, ওষুধ নাই, পরিবেশ নাই-তারা কি একটিবারও আন্তরিকতা এবং অনুসন্ধিৎসু দৃষ্টি দিয়ে তলিয়ে দেখেছেন এ দুরবস্থার পিছনের কারণ!!
স্থানীয় এমপি সাহেবের সভাপতিত্বে একটা জেলা স্বাস্থ্য সেবা উন্নয়ন কমিটি আছে,সে কমিটি কবে মিটিং করেছে কারো কি জানা আছে!!
ডাক্তারকে ফাঁসিতে ঝুলানোর আগে আরো অনেককে ঝুলানোর আছে।

স্কীন ডিজিজ এর মোটামুটি একটি মহামারি চলছে, তা হলো স্কেবিস বা খোচ পাচড়া 😓😓😓 যা Mite বা Sarcoptes scabiei নামক আট পা বিশিষ...
28/03/2026

স্কীন ডিজিজ এর মোটামুটি একটি মহামারি চলছে, তা হলো স্কেবিস বা খোচ পাচড়া 😓😓😓 যা Mite বা Sarcoptes scabiei নামক আট পা বিশিষ্ট একটি পরজিবী যা দেখতে অনেকটাই তেলাপোকার মত কিন্তু এটি খালি চোখে দেখা যায় না, যার সাইজ 0.4 মিলিমিটার এর মত,
মুলত পোষা প্রানী যেমন কুকুর বিড়াল এর লোমে বা স্কিন মাইট এর ব্যপকতা দেখা দেয়।
মাইট মুলত ডিম দেয়, সেখান থেকে লার্ভা ও এরপর লার্ভা পরিপক্ষ মাইটে পরিনত হয়।

এই মাইট আমাদের স্কিনে আক্রমন করে এবং
চুলকানি ও ফুসকুড়ির সৃষ্টি করে যা ছোয়াচে মোটামুটি একজনের হলে ফ্যামেলির সবার ই হতে পারে,
চিকিৎসার সময় যথা সম্ভব পরিস্কার থাকা উচিৎ জামা কাপড় যা আছে সব ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে রাখতে হবে।
যে সব জিনিস ধোয়া যায় না, (যেমন বালিশ, লেপ, তোশক) এই সব বস্তু একটা বড় পলি ব্যাগে ভরে মুখ আটকে তিনদিন রোদৌ দিতে পারেন, আসলে মাইট মানুষের শরীর ছাড়া ২–৩ দিনের বেশি বাঁচে না তাই কাপড় ৩ দিন আলাদা রাখলে স্বাভাবিকভাবেই মারা যায়

এইবছর আমি যত গুলো স্কেবিস এর রোগি পেয়েছি তাদের মেক্সিমাম Heper Sulp এ আলহামদুলিল্লাহ আরোগ্য হয়েছে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে রাসটক্স, গ্রাইফাইটিস ও সালফার লেগেছিল ❤️❤️❤️

ছোট একটি অভিজ্ঞতা শেয়ার করলাম ধন্যবাদ সবাই কে গুড নাইট ❤️❤️❤️

প্রশ্ন - আপু আমাদেরদুটি সন্তান আছেএখন আমরা জন্ম বিরতী করনে যেতে চাচ্ছি, এই বিষয়ে আপনার কাছে জানতে চাইছিউত্তর - জন্মনিয়ন্...
18/03/2026

প্রশ্ন - আপু আমাদেরদুটি সন্তান আছে
এখন আমরা জন্ম বিরতী করনে যেতে চাচ্ছি, এই বিষয়ে আপনার কাছে জানতে চাইছি

উত্তর - জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি হিসেবে কপার টি (Copper T) একটি অত্যন্ত কার্যকর এবং দীর্ঘমেয়াদী উপায়। এটি জরায়ুর ভেতরে স্থাপন করতে হয়।
এটি একটি ছোট 'T' আকৃতির প্লাস্টিকের ফ্রেম, যার গায়ে তামার (Copper) তার জড়ানো থাকে। একজন দক্ষ চিকিৎসক বা নার্স এটি জরায়ুর ভেতরে বসিয়ে দেন। এতে কোনো হরমোন থাকে না।
তামা জরায়ুর ভেতরে এমন এক পরিবেশ তৈরি করে যা শুক্রাণুর জন্য বিষাক্ত। ফলে শুক্রাণু ডিম্বাণুর কাছে পৌঁছানোর আগেই মারা যায় বা অকার্যকর হয়ে পড়ে।
এটি শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলন হতে বাধা দেয়।
একবার লাগালে ৩, ৫ বা ১০ বছর পর্যন্ত (ব্র্যান্ড ভেদে) নিশ্চিন্তে থাকা যায়।
এটি জন্মনিয়ন্ত্রণের অন্যতম সফল পদ্ধতি, যার সাফল্যের হার ৯৯% এর বেশি।
সন্তান নিতে চাইলে যেকোনো সময় এটি খুলে ফেলা যায় এবং খোলার সাথে সাথেই গর্ভধারণ ক্ষমতা ফিরে আসে।
যারা হরমোনজনিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়ে পিল বা ইনজেকশন নিতে পারেন না, তাদের জন্য এটি আদর্শ।
স্তন্যদানকারী মায়েরা এটি নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন।

এটি লাগানোর পর নিয়মিত (বিশেষ করে প্রতি মাসিকের পর) পরীক্ষা করে দেখতে হয় সুতাটি ঠিক জায়গায় আছে কি না।
কপার টি নেওয়ার আগে অবশ্যই একজন গাইনি বিশেষজ্ঞ বা অভিজ্ঞ স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ নিন। তারা পরীক্ষা করে দেখবেন এটি আপনার শরীরের জন্য উপযুক্ত কি না।

Address

মাইজদী বাজার, R143, মাইজদী, Maijdee Court
Maijdee Court
3801

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Telephone

+8801781904444

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ঔষধ বার্তা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share