Anzom

Anzom sopice , doctor equipment,tea, coffee,garmance

1st, read, translation sending,আগুন আন্তর্জাতিক রাজনীতি : রাশিয়া, চীন, ইরান, ইংল্যান্ড, জার্মানি ও মধ্যপ্রাচ্যের নেতাদে...
17/08/2026

1st, read, translation sending,আগুন আন্তর্জাতিক রাজনীতি : রাশিয়া, চীন, ইরান, ইংল্যান্ড, জার্মানি ও মধ্যপ্রাচ্যের নেতাদের সাম্প্রতিক বক্তব্য
রাশিয়া — প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন: ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে রাশিয়ার অবস্থান পরিবর্তন হয়নি। মস্কো নিরাপত্তা, ন্যাটোর বিস্তার এবং যুদ্ধের রাজনৈতিক সমাধানকে নিজেদের মূল উদ্বেগ হিসেবে তুলে ধরছে। ১৭ আগস্ট রাশিয়ার বেলগোরোদ অঞ্চলে ইউক্রেনীয় হামলায় প্রাণহানির পরও মস্কো যুদ্ধক্ষেত্রে চাপ অব্যাহত রাখছে। **¥€¢¢@
রাশিয়া — পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ: মস্কো নিজেকে আন্তর্জাতিক সংকটের সমাধানে সক্ষম একটি শক্তি হিসেবে তুলে ধরছে এবং আলোচনার মাধ্যমে সংঘাতের অবসানের পক্ষে অবস্থান জানাচ্ছে। রুশ কূটনীতির বক্তব্যে জাতীয় নিরাপত্তা ও নিজেদের স্বার্থ রক্ষার বিষয়টি কেন্দ্রে রয়েছে।
চীন — প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং: চীন স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রীয় কৌশলের ওপর জোর দিচ্ছে। ১৭ আগস্ট সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াং জেমিনের জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে শি তাঁর অবদানকে স্মরণ করেন এবং বর্তমান চীনা রাষ্ট্রব্যবস্থার সঙ্গে পূর্ববর্তী উন্নয়নধারার ধারাবাহিকতা তুলে ধরেন।
চীন — শি জিনপিং: মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও আন্তর্জাতিক অস্থিরতার মধ্যে বেইজিং কূটনৈতিক সমাধান ও স্থিতিশীলতার গুরুত্ব তুলে ধরছে। হরমুজ প্রণালির সংকটের কারণে জ্বালানি ও বাণিজ্য নিরাপত্তা নিয়ে চীনের উদ্বেগও স্পষ্ট হচ্ছে।
ইরান — প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক সমঝোতা ইরানের মর্যাদা ও শক্তি বজায় রেখেই হয়েছে—এমন অবস্থান তিনি তুলে ধরেছেন। একই সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের পথ খোলা রাখার ইঙ্গিতও দিয়েছেন।
ইরান — মাসউদ পেজেশকিয়ান: তিনি বলেছেন, তিনি পদত্যাগ করছেন না এবং দেশের ভেতরে বিভাজন সৃষ্টি করার প্রচেষ্টা সফল হবে না। তাঁর বক্তব্যে ঐক্য, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বহিরাগত চাপ মোকাবিলার ওপর জোর রয়েছে।
ইরান — হরমুজ প্রণালি: তেহরান ও ওমান জাহাজ চলাচল ব্যবস্থাপনা নিয়ে যৌথ বক্তব্য চূড়ান্ত করার কাজ করছে। ইরানের অবস্থান হচ্ছে, প্রণালির নিরাপত্তা ও চলাচল নিয়ে সমাধান আলোচনার মাধ্যমেই হওয়া উচিত।
ইংল্যান্ড/যুক্তরাজ্য — প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম: ২০২৬ সালের জুলাইয়ে তিনি যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পথে এগিয়ে যান। তাঁর সরকারকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং দেশের অর্থনৈতিক চাপের মতো একাধিক সংকট মোকাবিলা করতে হচ্ছে।
যুক্তরাজ্য — অ্যান্ডি বার্নহাম: নতুন সরকারের প্রধান অবস্থান হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্রিটেনের নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং মিত্রদের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ব্রিটেনের অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলছে।
জার্মানি — চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধকে ন্যাটোর যুদ্ধ হিসেবে বিবেচনা না করার অবস্থান তিনি স্পষ্ট করেছিলেন। একই সঙ্গে ইরানের সামরিক হামলা বন্ধ এবং শান্তির নতুন কাঠামো তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন।
জার্মানি — ফ্রিডরিখ মের্ৎস: বার্লিন ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনার পথকে সমর্থন করছে। তাঁর বক্তব্যে সামরিক সংঘাতের পরিবর্তে রাজনৈতিক সমাধান এবং ইউরোপের নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষার গুরুত্ব রয়েছে।
ইসরায়েল — প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু: গাজা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত নতুন শান্তি পরিকল্পনা তিনি গ্রহণ করেননি। তাঁর অবস্থান হলো, হামাস ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠী সম্পূর্ণ নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনী গাজা থেকে পুরোপুরি সরে যাবে না।
ইসরায়েল — বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু: গাজা নিয়ে আলোচনায় ইসরায়েলের নিরাপত্তাকে প্রধান শর্ত হিসেবে দেখানো হচ্ছে। একই সঙ্গে মার্কিন দূত জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে আলোচনায় শান্তি পরিকল্পনা ও হামাসের নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে মতপার্থক্য অব্যাহত রয়েছে।
মিশর — প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি: ১৬ আগস্ট জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে বৈঠকে তিনি আঞ্চলিক সংকটগুলো দ্রুত সমাধানের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। তাঁর বক্তব্যে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
মিশর — আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি: তিনি আগেও বলেছেন, স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। গাজা সংকটের রাজনৈতিক সমাধানের সঙ্গে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাকে তিনি যুক্ত করেছেন।
কাতার — আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে যাচ্ছেন। কাতারের বক্তব্যে সংলাপ, সমঝোতা এবং দীর্ঘমেয়াদি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত — প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান: আঞ্চলিক যুদ্ধের চাপের মধ্যেও দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ঐক্য ও শক্তির মাধ্যমে সংকট থেকে আরও শক্তিশালী হয়ে বের হবে।
সৌদি আরব — ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান: মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা কাঠামোকে নতুন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য করার প্রক্রিয়া জোরদার হচ্ছে। সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতার নতুন বার্তা দিচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক বার্তা: গাজা, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক যুদ্ধ—সব ক্ষেত্রেই নেতাদের বক্তব্যে কূটনীতি, নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বিষয়গুলো প্রধান হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে গাজা যুদ্ধের রাজনৈতিক সমাধান এবং ইরান সংকটের কূটনৈতিক সমাধান নিয়ে আন্তর্জাতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
আজকের আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বক্তব্যের মূল সুর: রাশিয়া নিরাপত্তা ও যুদ্ধের নিজস্ব শর্তের ওপর জোর দিচ্ছে; চীন স্থিতিশীলতা ও কূটনীতির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে; ইরান সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদা বজায় রেখে আলোচনার কথা বলছে; যুক্তরাজ্য ও জার্মানি আঞ্চলিক সংঘাতের বিস্তার ঠেকাতে কূটনৈতিক পথের গুরুত্ব দেখাচ্ছে; আর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো নিরাপত্তা, গাজা সংকট এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরছে।
***¥€¢£$**
আন্তর্জাতিক রাজনীতি
South Asia |
শুধু নেতাদের বক্তব্য ও অবস্থান — পয়েন্ট আকারে
বাংলাদেশ — প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: ভারত সফরের আগে ঢাকার পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের জন্য একটি অনুকূল রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পরিবেশ প্রয়োজন। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণসহ গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বিষয়গুলোকে আলোচনার কেন্দ্রে রাখার অবস্থান জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ — পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শহীদুল করিম: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর করবেন কি না, তা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। ঢাকার বক্তব্য হলো—উচ্চপর্যায়ের সফরের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হওয়া গুরুত্বপূর্ণ এবং বাংলাদেশের উত্থাপিত বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করতে হবে।
বাংলাদেশ — প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে সংঘাতের পরিবর্তে পারস্পরিক স্বার্থ, সম্মান ও বাস্তব কূটনীতির ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। তবে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও বিচারসংক্রান্ত বিষয়গুলোকে পাশ কাটিয়ে কোনো সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার অবস্থান ঢাকা নিতে চায় না।
ভারত — প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি: বাংলাদেশের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ পুনরায় সক্রিয় রাখার আগ্রহ নয়াদিল্লির রয়েছে। তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ এবং সম্ভাব্য সফরের সময় নিয়ে আলোচনা চলা দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার রাজনৈতিক আগ্রহের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ভারত — পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অবস্থান: বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণসংক্রান্ত অনুরোধ ভারত পেয়েছে এবং বিষয়টি ভারতীয় আইনি কাঠামোর অধীনে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। নয়াদিল্লির বক্তব্যে আইনগত প্রক্রিয়ার বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে।
ভারত — সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরাজ শেঠ: ১৭–১৯ আগস্ট নেপাল সফরের মাধ্যমে ভারত-নেপাল প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার বার্তা দেওয়া হয়েছে। সফরের লক্ষ্য হিসেবে সামরিক সম্পর্ক, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং দুই দেশের বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
পাকিস্তান — প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ: দক্ষিণ এশিয়ায় পাকিস্তানের বক্তব্যের কেন্দ্রে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের বিষয় রয়েছে। ইসলামাবাদ একই সঙ্গে চীনের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক এবং দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক ভারসাম্যকে গুরুত্ব দিচ্ছে।
পাকিস্তান — রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অবস্থান: বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্কের নতুন সম্ভাবনাকে দক্ষিণ এশিয়ার পরিবর্তিত কূটনৈতিক বাস্তবতার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ঢাকার পক্ষ থেকেও ভারতকে বাদ দিয়ে বৃহত্তর আঞ্চলিক সহযোগিতা নিয়ে সম্ভাবনার কথা আগে প্রকাশ করা হয়েছিল।
নেপাল — প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ: নেপালের বক্তব্যের মূল গুরুত্ব হচ্ছে সার্বভৌম সিদ্ধান্ত গ্রহণ, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন। ভারত ও চীনের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে কাঠমান্ডু নিজের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার অবস্থান বজায় রাখছে।
নেপাল — সরকার: ভারতীয় সেনাপ্রধানের ১৭–১৯ আগস্টের সফরকে দুই দেশের প্রতিরক্ষা ও সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নেপাল-ভারত সম্পর্কের পাশাপাশি চীনের সঙ্গে সম্পর্কও কাঠমান্ডুর কৌশলগত ভারসাম্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
শ্রীলঙ্কা — প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে: শ্রীলঙ্কার প্রধান বক্তব্য হচ্ছে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং দেশের সার্বভৌম স্বার্থ রক্ষা। ভারত, চীনসহ বড় শক্তিগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জনের ওপর কলম্বো গুরুত্ব দিচ্ছে।
মালদ্বীপ — প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু: মালদ্বীপের বক্তব্যে সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার ওপর জোর রয়েছে। ভারত ও চীনের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে মালদ্বীপ নিজের জাতীয় স্বার্থকে কেন্দ্র করে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি বজায় রাখার চেষ্টা করছে।
ভুটান — প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে: ভুটানের বক্তব্যে ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সীমান্ত ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার গুরুত্ব রয়েছে। একই সঙ্গে ভুটান দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তিপূর্ণ সহযোগিতার পক্ষে অবস্থান রাখছে।
আফগানিস্তান — তালেবান সর্বোচ্চ নেতা হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা: আফগানিস্তানের রাজনৈতিক বক্তব্যের কেন্দ্রে সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা রয়েছে। কাবুল দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী ও বৃহৎ শক্তিগুলোর সঙ্গে বাস্তবভিত্তিক সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করছে।
দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক বক্তব্য: ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক বর্তমানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক আলোচনার একটি বিষয়। তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রশ্ন এবং দুই দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ—সবগুলো বিষয় একই আলোচনায় যুক্ত হয়েছে।
আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য: দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো ভারত, চীন, পাকিস্তান ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক শক্তির সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে একক নির্ভরতার পরিবর্তে নিজেদের অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত বাস্তবতায় ভারত-চীন প্রতিযোগিতা এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
SAARC — আঞ্চলিক বক্তব্য: দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশ—আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা—আঞ্চলিক সহযোগিতার কাঠামোর অংশ। আঞ্চলিক রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও অর্থনীতি, যোগাযোগ, নিরাপত্তা ও জনগণের পারস্পরিক সম্পর্কের জন্য সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা অব্যাহত রয়েছে।
বাংলাদেশ-ভারত — আজকের মূল কূটনৈতিক বার্তা: ঢাকার বক্তব্যে “অনুকূল পরিবেশ” এবং প্রত্যর্পণ প্রশ্ন গুরুত্ব পাচ্ছে; নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে সফর ও দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগের আগ্রহ রয়েছে। ফলে ১৭ আগস্ট ২০২৬-এর দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বিষয় হচ্ছে—দুই দেশ কীভাবে রাজনৈতিক মতপার্থক্য সামলে নতুন উচ্চপর্যায়ের সম্পর্কের কাঠামো তৈরি করে।
দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক রাজনৈতিক সুর: সার্বভৌমত্ব, জাতীয় স্বার্থ, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, ভারত-চীন ভারসাম্য এবং আঞ্চলিক কূটনীতি—২০২৬ সালের বর্তমান দক্ষিণ এশীয় রাজনীতিতে নেতাদের বক্তব্যের প্রধান বিষয় হিসেবে সামনে রয়েছে।
***¥€€¢$**
আন্তর্জাতিক রাজনীতি
বাংলাদেশ: বিএনপি, জামায়াত, ছাত্রশিবির ও ইসলামী দলসমূহ
শুধু নেতাদের বক্তব্য ও প্রকাশিত রাজনৈতিক অবস্থান — পয়েন্ট আকারে
বিএনপি — প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান: “বাংলাদেশকে পুনর্গঠন করে সামনে এগিয়ে নিতে আমরা জনগণের সমর্থন নিয়ে কাজ করছি। বিএনপির রাজনৈতিক শক্তির উৎস জনগণ। জনগণ পাশে থাকলে কোনো বাধাই সরকারকে থামাতে পারবে না।”
তারেক রহমান: “দলের মধ্যে কোনো ‘হাইব্রিড’ বা অনুপ্রবেশকারীকে জায়গা দেওয়া যাবে না। দীর্ঘদিনের সংগ্রামে যে ঐক্য দলকে টিকিয়ে রেখেছে, এখন সেই ঐক্য আরও বেশি প্রয়োজন। সাংগঠনিক প্রস্তুতি শেষ করেই বিএনপি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেবে।”
তারেক রহমান: “যারা জনগণের আস্থা নষ্ট করবে, তাদের কোনোভাবেই রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়া হবে না। কোনো নেতা বা কর্মীর ভুলের কারণে যদি মানুষের বিএনপির ওপর বিশ্বাস নষ্ট হয়, সেই দায় দল বহন করবে না।”
তারেক রহমান: “রাজনীতিতে সহিংসতা, প্রতিহিংসা ও বিভাজনের রাজনীতিতে ফিরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ৫ আগস্টের ঘটনাগুলো আমাদের রাজনীতিকে নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করেছে।”
তারেক রহমান: “বাংলাদেশের স্বার্থ এবং বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থই প্রথম। দেশের পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারণের সময় জাতীয় স্বার্থকে সবার আগে রাখতে হবে। কোনো দেশের স্বার্থ বাংলাদেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে গেলে আমরা তা গ্রহণ করব না।”
তারেক রহমান: “অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং প্রতিষ্ঠানের রাজনৈতিকীকরণ দূর করা গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এমন একটি অর্থনীতি চাই যেখানে যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে সবাই ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে।”
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর: “বিএনপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। দলের নেতৃত্বকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নয়।”
বিএনপি — তারেক রহমান: “একটি নির্বাচন নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও বিতর্কমুক্ত হলে তার ফলাফল মেনে নিতে কোনো সমস্যা নেই। জনগণের ভোটাধিকার এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভিত্তি।”
বিএনপি — তারেক রহমান: “সরকার পরিচালনা শুধু প্রতিশ্রুতি দেওয়ার বিষয় নয়; জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে। জনগণ এখন কথার চেয়ে বাস্তব ফলাফল চায়।”
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী — আমির ডা. শফিকুর রহমান: “রাজনীতিতে প্রতিহিংসা, বিভাজন ও শত্রুতার পরিবর্তে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দেশের মানুষের স্বার্থকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রে রাখতে হবে।” জামায়াতের ২০২৬ সালের নীতিগত বক্তব্যেও ঐক্য ও পারস্পরিক বিদ্বেষ পরিহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ডা. শফিকুর রহমান: “সরকার যদি বিরোধী দলকে সংসদে যথাযথ সম্মান না দেয় এবং এককভাবে রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে, তাহলে তা গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক।” তিনি বিএনপি-নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে একদলীয় শাসনের প্রবণতার অভিযোগ তুলেছেন।
ডা. শফিকুর রহমান: “২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও আহতদের ত্যাগ ভুলে যাওয়া যাবে না। তাদের আত্মত্যাগের সঙ্গে প্রতারণা হবে যদি রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক দলগুলো তাদের ন্যায়বিচার ও অধিকার নিশ্চিত না করে।”
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার: “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মী ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা গ্রহণযোগ্য নয়। দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।” তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলেছেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার: “সরকার সংসদে রাজনৈতিক সমঝোতার কথা বললেও একই সময়ে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলকে ব্যবহার করছে”—এমন অভিযোগ তিনি প্রকাশ্যে করেছেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার: “জামায়াত যখন বিএনপির সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে মিত্র ছিল, তখন ১৯৭১ সালের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিএনপি নীরব ছিল—এখন রাজনৈতিক বক্তব্যের মাধ্যমে সেই ইতিহাসকে নতুনভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে কেন?” ১৯৭১ নিয়ে বিএনপির বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ প্রশ্ন তুলেছেন।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির — সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম: সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সংঘর্ষ নিয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করে দাবি করেছিলেন যে হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের ঘটনাগুলো পরিকল্পিত হতে পারে এবং এর রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে। পরে তিনি পোস্টটি মুছে দেন এবং তা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়।
ছাত্রশিবির — কেন্দ্রীয় পর্যায়ের অবস্থান: সাম্প্রতিক শিক্ষাঙ্গন সংঘর্ষ নিয়ে শিবিরের বক্তব্যের কেন্দ্রে রয়েছে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধ এবং ক্যাম্পাসে সংগঠনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অধিকার। আগস্ট ২০২৬-এর শুরুতে ছাত্রদল ও শিবিরের সংঘর্ষে বহু শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক কর্মী আহত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে।
আবু শাদিক কায়েম — সাবেক ছাত্রশিবির নেতা: “প্রিয় সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সঙ্গে একটি দীর্ঘ ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শেষ হলো। সংগঠনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই আমার আনুষ্ঠানিক অব্যাহতি কার্যকর হয়েছে।” তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতিতে ছাত্রশিবিরের পদ ছাড়েন।
জামায়াতের রাজনৈতিক বক্তব্য: “যে কোনো রাজনৈতিক দল জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনী জোট করতে পারে, যদি তারা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ও নীতিগত শর্তে একমত হয়।” আমির ডা. শফিকুর রহমান ২০২৫ সালের শেষ দিকে জোট গঠনের ক্ষেত্রে শর্তের কথা প্রকাশ্যে বলেছিলেন।
জামায়াত — গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ: দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল জুবায়ের আহমেদ বলেছেন, “স্বাধীন গণমাধ্যমের ওপর হামলা কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়।” ছাত্রশিবিরের দুই নেতার বিতর্কিত বক্তব্যের পর তিনি স্পষ্ট করেন যে এমন বক্তব্য জামায়াতের অবস্থান নয়।
বিএনপি ও জামায়াতের বর্তমান রাজনৈতিক বক্তব্যের পার্থক্য: বিএনপি নেতৃত্ব সরকারের পরিচালনা, অর্থনীতি, আইনশৃঙ্খলা ও জাতীয় স্বার্থের ওপর জোর দিচ্ছে; অন্যদিকে জামায়াত নেতৃত্ব বিরোধী রাজনীতির অধিকার, রাজনৈতিক জবাবদিহি, ঐক্য এবং ইসলামী মূল্যবোধভিত্তিক রাজনৈতিক অবস্থানকে সামনে রাখছে। উভয় দলের বক্তব্যেই জনগণের আস্থা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
২০২৬ সালের সামগ্রিক রাজনৈতিক বক্তব্য: বিএনপি নেতৃত্ব বলছে রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের আস্থা, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, আইনশৃঙ্খলা ও জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে; জামায়াত নেতৃত্ব বলছে রাজনৈতিক ক্ষমতার পাশাপাশি বিরোধী দলের অধিকার, জবাবদিহি, ঐক্য ও নৈতিক রাজনীতি নিশ্চিত করা জরুরি। ছাত্রশিবিরের বক্তব্যে প্রধানত শিক্ষাঙ্গনে নিরাপত্তা, রাজনৈতিক অধিকার ও সংগঠনের কার্যক্রমের ওপর গুরুত্ব দেখা যাচ্ছে।
আজকের সারসংক্ষেপ: তারেক রহমান—“জনগণই রাজনৈতিক শক্তির উৎস”; মির্জা ফখরুল—“রাজনৈতিক প্রতিহিংসা গ্রহণযোগ্য নয়”; শফিকুর রহমান—“ঐক্য ও রাজনৈতিক জবাবদিহি প্রয়োজন”; মিয়া গোলাম পরওয়ার—“শিক্ষাঙ্গনে হামলা বন্ধ করতে হবে”; ছাত্রশিবিরের সাম্প্রতিক বক্তব্য—“ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক সহিংসতা নয়, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।”
***₹$$€৳***আজ ১৭ আগস্ট ২০২৬, তাই “এই সপ্তাহ” বলতে ১৭–২৩ আগস্ট ২০২৬ ধরছি। এই সপ্তাহে বিশ্বজুড়ে সিনেমা হল ও আন্তর্জাতিক রিলিজে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সিনেমা হলো। �
Movie Insider +1
সিনেমা
মুক্তি
প্রধান নায়ক
প্রধান নায়িকা
Insidious: Out of the Further
২১ আগস্ট
Brandon P. Bell
Amelia Eve
Mutiny
২১ আগস্ট
Jason Statham
Annabelle Wallis
The Magic Faraway Tree
২১ আগস্ট
Andrew Garfield
Claire Foy
Hot Spot
২১ আগস্ট


It Ends
২১ আগস্ট


Tony
২১ আগস্ট


Spa Weekend
২১ আগস্ট


এই সপ্তাহের সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক থিয়েটার রিলিজগুলোর মধ্যে Insidious: Out of the Further এবং Mutiny রয়েছে। ২১ আগস্টের রিলিজ তালিকায় এগুলোসহ Spa Weekend, The Magic Faraway Tree, Tony, Hot Spot ও It Ends রয়েছে। �
Movie Insider +1
ভারতীয় সিনেমার ক্ষেত্রে: ১৭–২৩ আগস্ট সপ্তাহে দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রেরও একাধিক থিয়েটার/OTT রিলিজ রয়েছে। �
Lifestyle Asia
আর গত শুক্রবার ১৪ আগস্ট ২০২৬-এর বড় আন্তর্জাতিক রিলিজগুলোর মধ্যে ছিল The End of Oak Street — অভিনয়ে Anne Hathaway, Ewan McGregor, Maisy Stella; এবং PAW Patrol: The Dino Movie — কণ্ঠশিল্পী McKenna Grace, Fortune Feimster, Jennifer Hudson। �
editorial.rottentomatoes.com
****₹$€€£৳***আজ ১৭ আগস্ট ২০২৬। “এই সপ্তাহ” বলতে আমি ১৪–২১ আগস্ট ২০২৬ ধরছি। তামিলনাড়ুর প্রেক্ষাপটে এই সপ্তাহে মুক্তি পাওয়া/মুক্তির নির্ধারিত প্রধান তামিল সিনেমাগুলো:
সিনেমা
মুক্তির তারিখ
নায়ক
নায়িকা
Vishwanath & Sons
১৪ আগস্ট
Suriya (সূরিয়া)
Mamitha Baiju (মমিতা বাইজু)
Magudam
১৪ আগস্ট
Vishal (বিশাল)
Dushara Vijayan (দুশারা বিজয়ন), Anjali (অঞ্জলি)
Modha Rathiri
২১ আগস্ট
Rishikanth (রিশিকান্ত)
Anishma Anilkumar (অনিশ্মা অনিলকুমার)
Achamillai Achamillai
১৯ আগস্ট


Titanic – Kadhalum Kavundhu Pogum
২১ আগস্ট


Vishwanath & Sons ১৪ আগস্ট ২০২৬ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে এবং এতে সূরিয়া ও মমিতা বাইজু প্রধান চরিত্রে আছেন। �
Indian Express Tamil +1
Magudam-ও ১৪ আগস্ট মুক্তি পেয়েছে। বিশাল ছবিটিতে একাধিক চরিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনাও করেছেন; দুশারা বিজয়ন ও অঞ্জলি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন। �
Indian Express Tamil
Modha Rathiri ২১ আগস্ট মুক্তির কথা রয়েছে। রিশিকান্ত নায়ক এবং অনিশ্মা অনিলকুমার নায়িকা। �
Indian Express Tamil
এছাড়া Indra ও Cinema Pei-এর মতো কিছু তামিল ছবি ২২ আগস্ট মুক্তির তালিকায় রয়েছে—অর্থাৎ এগুলো এই সপ্তাহের শেষ সীমার পর পড়ে। �
Welcome to TFAPA
সবচেয়ে আলোচিত দুটি: ⭐ Vishwanath & Sons — Suriya + Mamitha Baiju এবং ⭐ Magudam — Vishal + Dushara Vijayan/Anjali।
***₹$$$€£৳****
আন্তর্জাতিক রাজনীতি ডেস্ক — আজকের ১০ আন্তর্জাতিক সংবাদপত্রের হেডলাইন বিশ্লেষন।
Reuters: গাজা শান্তি পরিকল্পনা ও কুশনার–নেতানিয়াহু বৈঠককে গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশ্লেষণে বোঝা যায়, যুদ্ধের পাশাপাশি এখন কূটনৈতিক সমঝোতার সম্ভাবনাও বড় খবর। �
NewsCord
BBC: গাজা ও মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক তৎপরতার আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটকে সামনে রাখছে। অর্থাৎ শুধু ইসরায়েল-ফিলিস্তিন নয়, বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিগুলোর ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। �
NewsCord
The Guardian: মার্কিন প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন এবং মধ্যপ্রাচ্য-সংক্রান্ত নিরাপত্তা সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দিচ্ছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতির সঙ্গে অভ্যন্তরীণ রাজনীতির সম্পর্ক ফুটে ওঠে। �
NewsCord
The New York Times: ইরান–ওমান হরমুজ আলোচনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের শর্তকে গুরুত্ব দিচ্ছে। মূল প্রশ্ন—হরমুজ কবে স্বাভাবিক হবে এবং কী শর্তে। �
NewsCord
CNN: হরমুজ নিয়ে ইরানের কঠোর অবস্থান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দর-কষাকষিকে সামনে আনছে। �
NewsCord
Al Jazeera: ইরান–ওমান আলোচনার পাশাপাশি ইরানের সার্বভৌম অবস্থানকে গুরুত্ব দিচ্ছে। �
NewsCord
Washington Post: মার্কিন প্রশাসনের কর্মী ও নীতিগত পরিবর্তনের প্রভাব বিশ্লেষণ করছে। �
NewsCord
Financial Times: আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সরবরাহের অর্থনৈতিক প্রভাবকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। হরমুজ সংকট বিশ্ববাজারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। �
NewsCord
DW: ইউরোপীয় দৃষ্টিকোণ থেকে মধ্যপ্রাচ্য, ইরান ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। �
NewsCord
France 24: মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, কূটনৈতিক উদ্যোগ এবং আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর অবস্থানকে কেন্দ্র করে সংবাদ সাজাচ্ছে। �
NewsCord
সামগ্রিক বিশ্লেষণ: আজকের আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রধান তিনটি কেন্দ্র—গাজা শান্তি উদ্যোগ, ইরান–হরমুজ সংকট এবং যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক অবস্থান। সংবাদপত্রভেদে ভাষা ও গুরুত্বের পার্থক্য থাকলেও মূল বার্তা হলো: সামরিক সংঘাতের পাশাপাশি এখন কূটনীতি, জ্বালানি নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক শক্তির ভারসাম্যই বিশ্ব রাজনীতির কেন্দ্রে। �
NewsCord +1
*** বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এ আর মাএ কয়েক দিন বাকি***
***₹$€€£৳***বাংলাদেশ ভারত Facebook-এ টাকা Add–Withdraw সহজ না হলে বাংলাদেশি গ্রাহক হারানোর বড় ঝুঁকি—bKash, Nagad, Rocket এ রকম সুবিধা না দিলে গ্রাহক হারাচ্ছে Facebook এবং সুবিধার দাবি তীব্র!
***¥€¢¢£$****বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই রিজার্ভের মাধ্যমে আমদানি ব্যয়, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ এবং জরুরি অর্থনৈতিক প্রয়োজন মেটানো হয়। তাই রিজার্ভ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং কার্যকর নীতিমালা অপরিহার্য।
বর্তমানে বিশ্বে কিছু দেশ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মার্কিন ডলারের পাশাপাশি ইউয়ান, রুবলসহ অন্যান্য মুদ্রার ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। তবে বাস্তবতা হলো, আন্তর্জাতিক রিজার্ভ ও বৈশ্বিক বাণিজ্যে মার্কিন ডলার এখনও প্রধান মুদ্রা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বাংলাদেশও ভবিষ্যতে বাণিজ্যিক অংশীদারদের সঙ্গে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে বিকল্প মুদ্রায় লেনদেনের সুযোগ সম্প্রসারণের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে, তবে এর জন্য উপযুক্ত আর্থিক অবকাঠামো, দ্বিপাক্ষিক চুক্তি এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করা জরুরি।
অতীতে বাংলাদেশের রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা নিয়ে যে বিতর্ক ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল, সেগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার জনগণের আস্থা পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি নিয়মিত নিরীক্ষা, তথ্য প্রকাশ এবং শক্তিশালী তদারকি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। দীর্ঘমেয়াদে রপ্তানি বৃদ্ধি, প্রবাসী আয়, বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দক্ষ অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও শক্তিশালী ও টেকসই করা সম্ভব।
@@
উপরের বাক্য গুলো আরও পড়তে জানতে খবরের কাগজ গুলো পড়ুন ইন্টারনেট সার্চ করুন পড়ুন
@@@
Researcher in Past and Future Technologies | Legal & Social Thinker .law .Ethical–Social Analyst . people health Researcher.Author of Life Philosophies and Visions : MD. Nur Hossain (Opu) (opu fure)
@@@
Please don’t misuse my writings, ideas, or shared materials. They should not be given to my family or anyone else without my permission. I’ve been with you for a long time, so I ask for respect and fairness.
Remember: taking or giving without humility is what I call the “Pharaoh Theory.”
Work, skill, and results matter — and money is needed in exchange for real expertise and analysis.Helping and working global intelligence organization & students and so many force...Helping and working..Ai some organization and library and teachers.. student.. different jobs people.((Of course money is needed. Work or work or skill counts as results. sending but money)) , 💰 $$ # ,, analysis,, so also: MD.Nur Hossain (Opu)!!!!read and see--sending)
@@📸@@@@@ #@@@@ # every country Crime is now spreading silently and in an organized way in society, destroying children, families, and human dignity. Pickpocketing, data theft, SIM misuse, and blackmail have increased in crowds, transport, markets, and online. Fake medical centers and forged certificates are causing people financial and mental harm. Labeling people who focus on religious practice or education as mentally ill is a form of crime. These crimes spread through society like a disease. Only through caution, verification, treatment in government hospitals, data protection, and social awareness is it possible to prevent these crimes.It was seen that you are a PG patient, or Dhaka medical and by showing you a local Abu Tabl doctor, they deceived you and disappeared with valuable documents, money, and gold.
belongings, double-check transactions, and report crimes to telecom helplines. Awareness in communities, schools, and religious institutions is vital. If any problem occurs, awareness should be spread among 20 to 60 people of different religions at the district level. Condolences to bereaved families, birthday wishes to celebrants, and if there is illness, a reminder for elderly people and children to take medicine before sleep.
Today, I express condolences to the families of those who have passed away; for their good deeds, they receive rightful love everywhere. Do not disturb from 10 AM to 8 PM during working hours; if there is any information, send a message. Do not disturb me at night at 11:54 PM, as it is sleep time. Best wishes to those celebrating their birthday.

1st, read, translation, sending) 🔥 “বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা! পুতিন–কিমের ঘনিষ্ঠতা, চীনের কূটনৈতিক চাপ, ইরানের কঠোর...
16/08/2026

1st, read, translation, sending) 🔥 “বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা! পুতিন–কিমের ঘনিষ্ঠতা, চীনের কূটনৈতিক চাপ, ইরানের কঠোর বার্তা—রাশিয়া, চীন, ইরান, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির মুখোমুখি অবস্থানে বদলে যাচ্ছে বৈশ্বিক সমীকরণ!”
**₹₹$€৳*** আন্তর্জাতিক রাজনীতি ডেস্ক: রাশিয়া, চীন, ইরান, যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও উত্তর কোরিয়া — নেতাদের বক্তব্য
তারিখ: ১৬ আগস্ট ২০২৬ | শুধু নেতাদের বক্তব্য ও সরকারি অবস্থান
রাশিয়া — প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন: রাশিয়া–উত্তর কোরিয়া সম্পর্ককে মস্কো আরও গভীর ও কৌশলগত সহযোগিতার পর্যায়ে নিয়ে যেতে চায়। উত্তর কোরিয়ার জাতীয় দিবস উপলক্ষে পুতিনের বার্তায় দুই দেশের সম্পর্ককে ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা জানানো হয়েছে। পুতিনের বক্তব্য অনুযায়ী, রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়া আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সমন্বয় অব্যাহত রাখবে।
রাশিয়া — পুতিনের অবস্থান: ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মস্কো পশ্চিমা চাপের বিরুদ্ধে নিজস্ব নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষার কথা পুনর্ব্যক্ত করছে। একই সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়ানোর বার্তা দেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক রুশ বার্তায় আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে দুই দেশের যৌথ স্বার্থ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
চীন — প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং: চীনের অবস্থান হলো, আন্তর্জাতিক বিরোধ সামরিক শক্তি দিয়ে নয়, আলোচনা ও কূটনীতির মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। ইরান সংকট ও হরমুজ প্রণালি নিয়ে বেইজিং সংঘাত কমানো এবং জ্বালানি পরিবহন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। চীন একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গে আলোচনার পথ এবং আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকে সমর্থন করছে।
চীন — শি জিনপিং: চীন–রাশিয়া কৌশলগত সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার কথাও শি জিনপিং বলেছেন। সাম্প্রতিক চীন–রাশিয়া শীর্ষ বৈঠকে দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অগ্রগতি এবং কৌশলগত সহযোগিতা নিয়ে ইতিবাচক বক্তব্য দেন। বেইজিংয়ের বক্তব্যে সার্বভৌমত্ব, বহুপাক্ষিকতা এবং আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় শক্তির ভারসাম্যের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ইরান — সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার ক্ষেত্রে ইরানের অধিকার ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করতে হবে। তাঁর লিখিত বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে সতর্ক করা হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, দেশের অভ্যন্তরে বিভাজন সৃষ্টি করার প্রচেষ্টা মোকাবিলা করতে জাতীয় ঐক্য ও প্রতিরোধ বজায় রাখতে হবে।
ইরান — প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান: পেজেশকিয়ান বলেছেন, কঠিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ইরানের জনগণের ঐক্য ও সংহতি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি কূটনৈতিক সমাধানের গুরুত্বের কথা বলেছেন। একই সঙ্গে ইরানের অর্থনীতি, মুদ্রাবাজার, জ্বালানি এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে নেতৃত্বের মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ইরান — সরকারি অবস্থান: হরমুজ প্রণালি নিয়ে তেহরানের বক্তব্য হলো, প্রণালির নিরাপত্তা ও চলাচল ইরানের অনুমতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত। ইরানি কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণের দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, হরমুজে ইরানের নিরাপত্তা ভূমিকা উপেক্ষা করা যাবে না।
যুক্তরাজ্য — প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম: ২০ জুলাই ২০২৬ থেকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর ইউক্রেনের প্রতি ব্রিটেনের সমর্থনে কোনো পরিবর্তন হবে না বলে ঘোষণা করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, রাশিয়ার ওপর চাপ অব্যাহত থাকবে এবং ইউক্রেনের প্রতি যুক্তরাজ্যের দৃঢ় সমর্থন বজায় থাকবে।
যুক্তরাজ্য — অ্যান্ডি বার্নহাম: ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সামরিক, কূটনৈতিক ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। তাঁর বক্তব্যে ন্যাটো এবং ইউরোপীয় নিরাপত্তার প্রতি যুক্তরাজ্যের অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত হয়েছে।
জার্মানি — চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস: মের্ৎস বলেছেন, রাশিয়াকে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করে গুরুতর শান্তি আলোচনায় প্রবেশ করতে হবে। তাঁর বক্তব্যে ইউরোপীয় নিরাপত্তা শক্তিশালী করা এবং ন্যাটোর মধ্যে ইউরোপের নিজস্ব প্রতিরক্ষা দায়িত্ব বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
জার্মানি — ফ্রিডরিখ মের্ৎস: ইরান প্রসঙ্গে মের্ৎস বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকা উচিত নয় এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। একই সঙ্গে তিনি ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে কঠোর অবস্থানের কথা বলেছেন।
উত্তর কোরিয়া — নেতা কিম জং উন: কিম জং উন ১৫ আগস্টের বার্তায় রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের গভীরতা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, দুই দেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব ও যৌথ সংগ্রামের ভিত্তি ভবিষ্যৎ সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার প্রত্যয়ও তিনি প্রকাশ করেছেন।
উত্তর কোরিয়া — কিম জং উন: পিয়ংইয়ং যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়াকে উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে আখ্যায়িত করে সতর্ক করেছে। উত্তর কোরিয়ার বক্তব্য অনুযায়ী, এ ধরনের সামরিক মহড়া আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ায় এবং এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।
উত্তর কোরিয়া — সরকারি অবস্থান: জাপানের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি এবং দীর্ঘপাল্লার অস্ত্র মোতায়েন নিয়েও পিয়ংইয়ং কঠোর বক্তব্য দিয়েছে। উত্তর কোরিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী, জাপানের সামরিক সম্প্রসারণ উত্তর-পূর্ব এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করছে।
আন্তর্জাতিক বক্তব্যের সারাংশ: রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়া নিজেদের দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার বার্তা দিচ্ছে; চীন সংঘাতের ক্ষেত্রে আলোচনা ও কূটনীতির ওপর জোর দিচ্ছে; ইরান জাতীয় সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের অবস্থান জোরালো করছে; যুক্তরাজ্য ইউক্রেন ও ইউরোপীয় নিরাপত্তায় সমর্থন অব্যাহত রাখার কথা বলছে; আর জার্মানি রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনের সমর্থন ও ইউরোপীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির অবস্থান ধরে রেখেছে।
***₹₹$€€£৳**
দক্ষিণ এশিয়া রাজনীতি ডেস্ক — নেতাদের বক্তব্য
তারিখ: ১৬ আগস্ট ২০২৬ | শুধু বক্তব্য | পয়েন্ট আকারে
বাংলাদেশ — প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেন, ঢাকা–দিল্লি সম্পর্ক উন্নত করতে একটি “অনুকূল পরিবেশ” তৈরি করা প্রয়োজন। তিনি দুই দেশের সম্পর্ককে স্থিতিশীল ও গঠনমূলক পথে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন।
বাংলাদেশ — প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: তিনি শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রসঙ্গে ভারতের কাছে ইতিবাচক সাড়া প্রত্যাশার কথা জানান এবং এমন কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার আহ্বান জানান, যা বাংলাদেশ–ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বাংলাদেশ — প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: দক্ষিণ এশিয়ায় পারস্পরিক সম্মান, সহযোগিতা ও আঞ্চলিক যোগাযোগকে গুরুত্ব দেওয়ার অবস্থান তুলে ধরেছেন। ঢাকার বক্তব্যে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ককে সংঘাতের পরিবর্তে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতার মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়ার ওপর জোর রয়েছে।
ভারত — প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি: বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে স্থিতিশীল ও গঠনমূলক রাখার গুরুত্বের কথা বলেছেন। ঢাকার সঙ্গে সাম্প্রতিক যোগাযোগে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ পেয়েছে। তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের পর ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক নতুন পর্যায়ে নেওয়ার আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে।
ভারত — সরকারি অবস্থান: নয়াদিল্লি বলেছে, বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখতে ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ-সংক্রান্ত বাংলাদেশের অনুরোধ ভারত তার নিজস্ব আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পর্যালোচনা করছে।
ভারত — দক্ষিণ এশিয়া প্রসঙ্গে: নয়াদিল্লি আঞ্চলিক সহযোগিতার পক্ষে থাকার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে। সার্ক পুনরুজ্জীবনের বিষয়ে ভারতের বক্তব্য হলো, একটি সদস্য দেশের কর্মকাণ্ড সংগঠনটির অগ্রগতিতে প্রধান বাধা হয়ে আছে।
পাকিস্তান — প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ: পাকিস্তানের আঞ্চলিক অবস্থানে নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব ও কৌশলগত অংশীদারত্বের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। সাম্প্রতিক পাকিস্তান–সৌদি আরব–তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা দেশটির কৌশলগত অবস্থানকে আরও বিস্তৃত করেছে।
পাকিস্তান — প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি: পাকিস্তান আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধির পক্ষে অবস্থান জানিয়ে আসছে। দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা ও কাশ্মীর ইস্যুতে ইসলামাবাদ তার দীর্ঘদিনের অবস্থান বজায় রেখেছে। ২০২৬ সালের নির্বাচনে তারেক রহমানের বিজয়ের পর জারদারি বাংলাদেশের নতুন সরকারকে অভিনন্দনও জানান।
মালদ্বীপ — প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু: তিনি সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যের মূল লক্ষ্য দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতাকে আরও কার্যকর করা এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সম্মিলিত কাজের সুযোগ বাড়ানো। তাঁর আহ্বানের পর ভারতও সার্ক নিয়ে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছে।
নেপাল — প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি: নেপালের রাজনৈতিক নেতৃত্বের বক্তব্যে গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা, জাতীয় স্বার্থ এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরা হচ্ছে। নেপাল ভারত ও চীন—দুই প্রতিবেশীর সঙ্গেই সহযোগিতা বজায় রাখার অবস্থানে রয়েছে।
শ্রীলঙ্কা — প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে: তাঁর সরকারের বক্তব্যে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং দেশের সার্বভৌম সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ভারত, চীন ও অন্যান্য অংশীদারের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে শ্রীলঙ্কা নিজের অর্থনৈতিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার অবস্থানে রয়েছে।
ভুটান — প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে: ভুটানের অবস্থানে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্ব রয়েছে। ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা ভুটানের বৈদেশিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
আঞ্চলিক কূটনীতি — ভারতের বক্তব্য: দক্ষিণ এশিয়ায় সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য আঞ্চলিক সংস্থাগুলোকে কার্যকর করার কথা ভারত বলছে। তবে নয়াদিল্লি একই সঙ্গে নিরাপত্তা ও দ্বিপক্ষীয় স্বার্থের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিচ্ছে।
বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক — তারেক রহমান: ঢাকার সাম্প্রতিক বক্তব্যে উত্তেজনা কমিয়ে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বার্তা রয়েছে। তবে একই সঙ্গে প্রত্যর্পণসহ সংবেদনশীল রাজনৈতিক বিষয়গুলোতে বাংলাদেশের প্রত্যাশা স্পষ্ট করা হয়েছে।
বাংলাদেশ–ভারত — সর্বশেষ কূটনৈতিক বার্তা: দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য উচ্চপর্যায়ের সফর নিয়েও আলোচনা চলছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের আজকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের সময়সূচি নিয়ে দুই দেশ আলোচনা করছে; তবে সফরটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়।
দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক রাজনৈতিক বার্তা: ২০২৬ সালে অঞ্চলের প্রধান বক্তব্যগুলোতে তিনটি বিষয় স্পষ্ট—প্রতিবেশী সম্পর্ক পুনর্গঠন, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং জাতীয় নিরাপত্তা। বাংলাদেশ ভারতীয় সম্পর্ক পুনর্বিন্যাসের চেষ্টা করছে, ভারত আঞ্চলিক সহযোগিতার কথা বলছে, পাকিস্তান নতুন কৌশলগত অংশীদারত্ব বাড়াচ্ছে এবং মালদ্বীপ সার্ক পুনরুজ্জীবনের আহ্বান জানাচ্ছে।
সারসংক্ষেপ — দক্ষিণ এশিয়া: নেতাদের বক্তব্যে বর্তমানে যুদ্ধের চেয়ে কূটনীতি, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক যোগাযোগের গুরুত্ব বেশি উঠে আসছে। তবে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক, ভারত–পাকিস্তান নিরাপত্তা প্রতিযোগিতা এবং সার্কের ভবিষ্যৎ দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে রয়েছে।
****₹$€££৳**
বাংলাদেশের রাজনীতি ডেস্ক — বিএনপি, জামায়াত, শিবির, ইসলামী দল, NCP ও নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ
বিএনপি — তারেক রহমান: প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্যে দুর্নীতি, অপরাধ ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা উঠে এসেছে। তিনি রাষ্ট্র পরিচালনায় জবাবদিহি, আইনশৃঙ্খলা এবং জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। নির্বাচনের আগে তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে “top down, no tolerance” নীতির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
বিএনপি — মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুলের বক্তব্যে দলীয় সরকারের রাজনৈতিক দায়িত্ব, গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব রয়েছে। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তাঁর নাম দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সামনে এসেছে।
বিএনপি — তারেক রহমান: তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন নিশ্চিত করা। বিএনপি সরকারের নীতিতে রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে জনগণের প্রত্যাশাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী — ডা. শফিকুর রহমান: জামায়াতের আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর বক্তব্যে সরকারের নৈতিক বৈধতা, দুর্নীতি দমন এবং রাষ্ট্র সংস্কারের প্রশ্ন সামনে এসেছে।
জামায়াত — ডা. শফিকুর রহমান: তিনি বলেছেন, জনগণের অধিকার ও রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক কাঠামো রক্ষায় রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় থাকা জরুরি। একই সঙ্গে তিনি সরকারের কর্মকাণ্ডের ওপর বিরোধী দলের কার্যকর নজরদারির কথা বলেছেন।
জামায়াত — ডা. শফিকুর রহমান: সাম্প্রতিক বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেছেন যে সরকার একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠার দিকে এগোচ্ছে। তাঁর অবস্থান হলো—রাজনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ ঠেকাতে সংসদীয় গণতন্ত্র, বিরোধী দলের অধিকার এবং জনগণের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
জামায়াত — ডা. শফিকুর রহমান: শেখ হাসিনার দিল্লির রাজনৈতিক বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি ভারতের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন। তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশবিরোধী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য বিদেশের মাটি ব্যবহারের বিরোধিতা এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপ না করার দাবি উঠে এসেছে।
ইসলামী ছাত্রশিবির — আবু সাদিক কায়েম: শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বক্তব্যে ছাত্ররাজনীতিতে সংগঠন, নৈতিকতা ও শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিবিরের রাজনৈতিক অবস্থানে জুলাই আন্দোলনের অভিজ্ঞতা এবং নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক অংশগ্রহণের বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে।
শিবির — আবু সাদিক কায়েম: বিভিন্ন অভিযোগের জবাবে তিনি বলেছেন, জুলাই-পরবর্তী সময়ে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করা এবং তথ্য যাচাই করা জরুরি ছিল। তাঁর বক্তব্যে অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে দোষী সাব্যস্ত না করে তথ্য যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP) — নাহিদ ইসলাম: এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও রাষ্ট্রকাঠামো প্রতিষ্ঠার জন্য মৌলিক সংস্কার প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, নতুন সংবিধান এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণের দাবি রয়েছে।
NCP — নাহিদ ইসলাম: সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর বক্তব্যে বলা হয়েছে, সীমান্তে হত্যাকাণ্ড ও কাঁটাতারের বেড়া নিয়ে সমস্যা চলতে থাকলে প্রতিবেশীর সঙ্গে প্রকৃত বন্ধুত্ব প্রতিষ্ঠা করা কঠিন। তিনি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেছেন।
NCP — নাহিদ ইসলাম: সাম্প্রতিক বক্তব্যে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের বিষয়ে সতর্ক করেছেন এবং শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত দেওয়ার বিষয়টি আগে সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সম্মান ও রাজনৈতিক জবাবদিহির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
NCP — নাহিদ ইসলাম: তিনি বলেছেন, সাধারণ আওয়ামী লীগ সমর্থকদের নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার বিষয়ে তাঁর দল নীতিগতভাবে সমর্থন করে। তবে দলীয় অপরাধ বা সহিংসতার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচার ও জবাবদিহির প্রশ্ন আলাদা বলে তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরা হয়েছে।
NCP — নাহিদ ইসলাম: বিচার বিভাগকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করার যেকোনো প্রচেষ্টার বিরোধিতা করে তিনি বলেছেন, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচারব্যবস্থা ছাড়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা শক্তিশালী করা সম্ভব নয়।
ইসলামী রাজনৈতিক দলসমূহ: ইসলামী দলগুলোর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বক্তব্যে দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, নৈতিক রাজনীতি, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং ধর্মীয় মূল্যবোধকে রাষ্ট্র ও সমাজে গুরুত্ব দেওয়ার দাবি সামনে এসেছে। একই সঙ্গে নির্বাচনী রাজনীতিতে জোট, সমঝোতা ও সংসদীয় ভূমিকা নিয়ে দলগুলোর মধ্যে পৃথক অবস্থান রয়েছে।
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ — শেখ হাসিনা: ভারতের মাটিতে সাম্প্রতিক বক্তব্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি করেছেন এবং ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে ফেরার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ — সরকারি অবস্থানের জবাব: বাংলাদেশ সরকারের বক্তব্য হলো, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় দলটির নেতাদের রাজনৈতিক বক্তব্য প্রচার ও সম্প্রচার আইনগত সীমাবদ্ধতার মধ্যে পড়ে। সরকারের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চলমান বিচারিক প্রক্রিয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে বিএনপি — মির্জা ফখরুল: তাঁর বক্তব্যে আওয়ামী লীগের অতীত শাসন, দমন-পীড়ন ও রাজনৈতিক ভূমিকার কঠোর সমালোচনা রয়েছে। তিনি বলেছেন, দেশের মানুষ আর আগের ধরনের আওয়ামী লীগ রাজনীতি দেখতে চায় না।
আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে NCP — নাহিদ ইসলাম: নাহিদের বক্তব্যে দলীয় কাঠামো ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংস্কারের পাশাপাশি সাধারণ আওয়ামী লীগ সমর্থকদের রাজনৈতিক অধিকার এবং দলীয় অপরাধের জবাবদিহিকে পৃথকভাবে দেখার অবস্থান রয়েছে।
সার্বিক রাজনৈতিক বক্তব্য: ২০২৬ সালের বর্তমান রাজনৈতিক সমীকরণে বিএনপি সরকার পরিচালনা ও দুর্নীতি দমনের বার্তা দিচ্ছে; জামায়াত শক্তিশালী বিরোধী অবস্থান থেকে সরকারের জবাবদিহি দাবি করছে; শিবির ছাত্ররাজনীতি ও তরুণদের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে; NCP রাষ্ট্র সংস্কার ও নতুন রাজনৈতিক কাঠামোর দাবি তুলছে; আর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক কার্যক্রম পুনরুদ্ধারের দাবি জানাচ্ছে।
রাজনৈতিক বার্তার কেন্দ্রবিন্দু: বর্তমান বক্তব্যগুলোতে সবচেয়ে বেশি উঠে আসছে দুর্নীতি দমন, রাষ্ট্র সংস্কার, রাজনৈতিক অধিকার, বিচার, নির্বাচন, সার্বভৌমত্ব এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রাজনৈতিক কাঠামো। বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সরকার–বিরোধী রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা, NCP-এর নতুন রাজনৈতিক কাঠামোর দাবি এবং নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পাওয়ার দাবি—সব মিলিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন শক্তির ভারসাম্য তৈরি হয়েছে।
@@@
বাংলাদেশ নেপাল ভুটান পাকিস্তান ভারত Facebook-এ টাকা Add–Withdraw সহজ না হলে বাংলাদেশি গ্রাহক হারানোর বড় ঝুঁকি—bKash, Nagad, Rocket এ রকম সুবিধা না দিলে গ্রাহক হারাচ্ছে Facebook এবং সুবিধার দাবি তিবরো হচ্ছে।
@
বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই রিজার্ভের মাধ্যমে আমদানি ব্যয়, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ এবং জরুরি অর্থনৈতিক প্রয়োজন মেটানো হয়। তাই রিজার্ভ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং কার্যকর নীতিমালা অপরিহার্য।
বর্তমানে বিশ্বে কিছু দেশ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মার্কিন ডলারের পাশাপাশি ইউয়ান, রুবলসহ অন্যান্য মুদ্রার ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। তবে বাস্তবতা হলো, আন্তর্জাতিক রিজার্ভ ও বৈশ্বিক বাণিজ্যে মার্কিন ডলার এখনও প্রধান মুদ্রা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বাংলাদেশও ভবিষ্যতে বাণিজ্যিক অংশীদারদের সঙ্গে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে বিকল্প মুদ্রায় লেনদেনের সুযোগ সম্প্রসারণের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে, তবে এর জন্য উপযুক্ত আর্থিক অবকাঠামো, দ্বিপাক্ষিক চুক্তি এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করা জরুরি।
অতীতে বাংলাদেশের রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা নিয়ে যে বিতর্ক ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল, সেগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার জনগণের আস্থা পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি নিয়মিত নিরীক্ষা, তথ্য প্রকাশ এবং শক্তিশালী তদারকি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। দীর্ঘমেয়াদে রপ্তানি বৃদ্ধি, প্রবাসী আয়, বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দক্ষ অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও শক্তিশালী ও টেকসই করা সম্ভব।
@@@
Writing
আন্তর্জাতিক ১০টি খবরের কাগজের হেডলাইন বিশ্লেষণ
তারিখ: ১৬ আগস্ট ২০২৬
Reuters: রাশিয়ার নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কিয়েভে আগুন ও হতাহতের খবর। বিশ্লেষণে যুদ্ধের নতুন উত্তেজনা এবং ইউক্রেনের পাল্টা হামলার বিষয়টি প্রধান।
The Guardian: কিয়েভে রুশ হামলা ও ইউক্রেনের রুশ ভূখণ্ডে দূরপাল্লার আক্রমণকে একই সংঘাতের পাল্টাপাল্টি সামরিক চাপ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
Financial Times: জাতিসংঘের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক কূটনীতির সংকটকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে; ইউক্রেন, গাজা ও ইরান সংকটে জাতিসংঘের কার্যকারিতা প্রশ্নের মুখে।
Washington Post: আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক নীতিতে পরিবর্তনের ইঙ্গিতকে গুরুত্ব দিয়েছে।
Le Monde: রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ ইউরোপের নিরাপত্তা কাঠামো ও ন্যাটোর ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে—এটি তাদের বিশ্লেষণের কেন্দ্রে।
South China Morning Post: যুদ্ধ ও সংঘাতের বিস্তৃত প্রভাব—বিশেষ করে রাশিয়া, ইউক্রেন ও বৈশ্বিক খাদ্যবাজার—নিয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
AP: ইরান সংকট, হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা, জ্বালানি মূল্য এবং মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক উত্তেজনাকে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত করেছে।
CBS News: যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনায় ক্ষতিপূরণ ও হরমুজ প্রণালি প্রধান বিরোধের বিষয় হয়ে উঠেছে; ফলে জ্বালানি বাজারেও চাপ তৈরি হচ্ছে।
The New York Times: উত্তর কোরিয়া-সংক্রান্ত মার্কিন সামরিক ও সাংবাদিকতার তথ্য নিয়ে আইনি ও রাজনৈতিক প্রশ্নও আন্তর্জাতিক আলোচনায় এসেছে।
আন্তর্জাতিক সামগ্রিক প্রবণতা: দশটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সাম্প্রতিক কভারেজ বিশ্লেষণ করলে তিনটি বিষয় সবচেয়ে স্পষ্ট—রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ, ইরান–যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা এবং বৈশ্বিক কূটনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা। হেডলাইনগুলো শুধু সামরিক সংঘাত নয়, জ্বালানি বাজার, ইউরোপীয় নিরাপত্তা ও জাতিসংঘের ভবিষ্যৎকেও একই ভূরাজনৈতিক সংকটের অংশ হিসেবে দেখাচ্ছে।
@@@
উপরের বাক্য গুলো আরও পড়তে জানতে খবরের কাগজ গুলো পড়ুন ইন্টারনেট সার্চ করুন পড়ুন
@@
Researcher in Past and Future Technologies | Legal & Social Thinker .law .Ethical–Social Analyst . people health Researcher.Author of Life Philosophies and Visions : MD. Nur Hossain (Opu) (opu fure)
@@@
Please don’t misuse my writings, ideas, or shared materials. They should not be given to my family or anyone else without my permission. I’ve been with you for a long time, so I ask for respect and fairness.
Remember: taking or giving without humility is what I call the “Pharaoh Theory.”
Work, skill, and results matter — and money is needed in exchange for real expertise and analysis.Helping and working global intelligence organization & students and so many force...Helping and working..Ai some organization and library and teachers.. student.. different jobs people.((Of course money is needed. Work or work or skill counts as results. sending but money)) , 💰 $$ # ,, analysis,, so also: MD.Nur Hossain (Opu)!!!!read and see--sending)
@@📸@@@@@ #@@@@ is now spreading silently and in an organized way in society, destroying children, families, and human dignity. Pickpocketing, data theft, SIM misuse, and blackmail have increased in crowds, transport, markets, and online. Fake medical centers and forged certificates are causing people financial and mental harm. Labeling people who focus on religious practice or education as mentally ill is a form of crime. These crimes spread through society like a disease. Only through caution, verification, treatment in government hospitals, data protection, and social awareness is it possible to prevent these crimes.It was seen that you are a PG patient, or Dhaka medical and by showing you a local Abu Tabl doctor, they deceived you and disappeared with valuable documents, money, and gold.
belongings, double-check transactions, and report crimes to telecom helplines. Awareness in communities, schools, and religious institutions is vital. If any problem occurs, awareness should be spread among 20 to 60 people of different religions at the district level. Condolences to bereaved families, birthday wishes to celebrants, and if there is illness, a reminder for elderly people and children to take medicine before sleep.
Today, I express condolences to the families of those who have passed away; for their good deeds, they receive rightful love everywhere. Do not disturb from 10 AM to 8 PM during working hours; if there is any information, send a message. Do not disturb me at night at 11:54 PM, as it is sleep time. Best wishes to those celebrating their birthday.

Address

Manikgonj
Manikganj
1800

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Anzom posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share