12/03/2026
1st,Read,Translation,sending) প্রেম ভালোবাসা সংসার ব্যাবসা কৃষি, ধর্ম যাজকতা, ইমাম, কর্ম জীবন, শিক্ষ্যা জীবন—মানুষের জীবনের এই সব ক্ষেত্র যদি অতীত কথা মনে রেখে শিখ্যা স্বরুপ তারিখ অনুযায়ী Team work করে চলতি, তবে তার জীবন এ বিপদ আসিত না, জীবন উন্নয়ন হতো। কারণ অতীত অভিজ্ঞতা মানুষকে পথ দেখায়, ভুল থেকে শিক্ষা নিতে সাহায্য করে এবং ভবিষ্যৎকে আরও সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে সহায়তা করে। অনেকেই বলে যে সমস্যা না থাকলে সমাধান হয় তো না,এটা ভুল কথা। বরং সত্য হলো, শেখার পথে ছোট ছোট ভুল বা অসুবিধা আসতেই পারে, কিন্তু সেটাকে সব সময় বড় সমস্যা বলা ঠিক নয়। যেমন একটি শিশু যখন প্রথম বার একটি কাগজের নৌকা তৈরি করতে যায়, তখন কাগজ ছিঁড়ে যায় বা ভাঁজ অন্য ভাবে হয়। এতে শিশুটি নতুন করে শিখতে পারে এবং ধীরে ধীরে সঠিকভাবে নৌকা বানাতে পারে। তাই এই উদাহরণ দেওয়া হলো—ভুল মানে শেষ নয়, বরং শেখার একটি ধাপ।
**প্রেম ভালোবাসা সংসার ব্যাবসা কৃষি, ধর্ম যাজকতা, ইমাম, কর্ম জীবন, শিক্ষ্যা জীবন যদি অতীত কথা মনে রেখে শিখ্যা স্বরুপ তারিখ অনুযায়ী Team work করে চলতি তবে তার জীবন এ বিপদ আসিত না, জীবন উন্নয়ন হতো। সমস্যা না থাকলে সমাধান হয় তো না,এটা ভুল কথা বরং শিখতে গেলে যেমন একটি কাগজের নৌকা তৈরি করা একটি শিশু প্রথম বার, তখন কাগজ ছিঁড়ে বা ভাঁজ অন্য ভাবে হয় এটাকে সমস্যা বলে না এটা উদাহরণ দেওয়া হলো।
**৳৳₹$**জীবন এ কেও যদি তোমার ভালো লাগার মানুষকে (অথাৎ কেও তোমার জন্য করে দেখা বা অদেখা তাকেই ভালোলাগার মানুষ বলে ) অপমান করে,আর তা বসিয়া থাকো- জানতে, অজান্তে তবে তোমার ধ্বংস নিশ্চিত সব ধর্মেই বলা আছে!!
*জান্নাতী জীবন ছিল ফুলে ফুলে ভড়া,যেন ছিল অসময়ের কোকিল পাখির ডাক এবং পড়াশোনায় খুব ভালো ছিল এবং সামনের বছর তার এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল। গ্রামের সবাই তার ভদ্র ব্যবহার ও মেধার জন্য তাকে খুব ভালোবাসত। একটি মেধাবী ও সম্ভাবনাময় মেয়ের এমন পরিণতি সমাজকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। আজকের বাস্তবতা হলো—যেখানে একটি সন্তানের জন্য হাজারো দম্পতি হাসপাতালে দৌড়ায়, চিকিৎসা নেয় এবং সন্তানের আশায় জীবন কাটায়, সেখানে এক টুকরো কাগজের মতো সম্পদ, অর্থাৎ জমির জন্য জান্নাতীকে নিজের বাবা-মায়ের হাতেই জীবন দিতে হলো। এই ঘটনা মানুষকে ভাবিয়ে তোলে—লোভ মানুষকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে। হায়রে সম্পদ, হায়রে আমাদের পচে যাওয়া বিবেক! কিছু মানুষের লোভ, স্বার্থ আর নিষ্ঠুরতার কারণে পুরো সমাজই আজ প্রশ্নের মুখে পড়ে। সমাজের গুটি কয়েক মানুষের জন্য সমাজ আজ নষ্টের পথে চলে যাচ্ছে। তাই গুটি কয়েক অপরাধীকে চিহ্নিত করে তাদের উচ্ছেদ করতে পারলে একটি ভালো সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব, আর তাতে অর্থনৈতিক উন্নয়নও সহজ হবে। অপরাধী কোনো রাজনৈতিক গণতান্ত্রিক দলের নয়, আবার কোনো ধর্মীয় দলেরও নয়। অনেক সময় তারা বিভিন্ন দলের নাম ভাঙিয়ে চলে এবং এমনকি সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের আড়ালেও লুকিয়ে থাকে। তাই সমাজকে বুঝতে হবে—যেমন তৃষ্ণা লাগলে নিজেকেই পানি পান করতে হয়, অন্য কেউ পানি পান করলে নিজের পিপাসা মেটে না। তেমনি ভালো সমাজ গড়তে হলে সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সত্যিকারের ভালো প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।*"&*""লোভ মানুষকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে—আজকের সমাজে তার বহু উদাহরণ দেখা যায়। হায়রে সম্পদ, হায়রে আমাদের পচে যাওয়া বিবেক! সামান্য স্বার্থ আর অর্থের লোভে অনেক মানুষ মানবতা ভুলে যায়। এর ফলে সমাজে অশান্তি, অবিচার এবং অবিশ্বাস বাড়তে থাকে। বাস্তবে দেখা যায়, সমাজের গুটি কয়েক মানুষের খারাপ কাজের জন্য পুরো সমাজ আজ নষ্টের পথে চলে যাচ্ছে। তাই যদি এই গুটি কয়েক অপরাধীকে চিহ্নিত করে তাদের অন্যায় কাজ বন্ধ করা যায়, তাহলে একটি ভালো ও সুস্থ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। তখন সমাজে শান্তি বাড়বে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নও সহজ হবে। অপরাধী কোনো রাজনৈতিক গণতান্ত্রিক দলের নয়, আবার কোনো ধর্মীয় দলেরও নয়। অনেক সময় দেখা যায়, তারা বিভিন্ন দলের নাম ভাঙিয়ে চলে এবং নিজেদের স্বার্থ রক্ষার জন্য সেই পরিচয় ব্যবহার করে। এমনকি বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যেও কিছু মানুষ থাকে যারা সুযোগ নিয়ে অন্যায় কাজ করে। তাই এই ধরনের মানুষকে চিহ্নিত করে সমাজ থেকে দূরে রাখতে হবে। একটি বিষয় মনে রাখা দরকার—যেমন পানির পিপাসা লাগলে নিজেকেই পানি পান করতে হয়, অন্য কেউ পানি পান করলে নিজের পিপাসা মেটে না। তেমনি সমাজকে ভালো সমাজে পরিণত করতে হলে সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্ব বুঝতে হবে এবং সকল সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সত্যিকার অর্থে বুঝতে হবে ভালো প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তাছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গুলোকে বুঝতে হবে**
**সমাজের সুস্থ ও নৈতিক কাঠামো রক্ষা করার জন্য সত্য, ন্যায় ও শালীন সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অনেক সময় সমাজে এমন কিছু ঘটনা ঘটে, যা মানুষকে গভীরভাবে ভাবতে বাধ্য করে। বানানো সম্পর্ক—যেমন ভাই-বোনের সম্পর্কের নামে অন্য উদ্দেশ্য লুকিয়ে রাখা—সকল ধর্মের বড় বড় গ্রন্থে নিষিদ্ধ বলা হয়েছে এবং বিশ্বের প্রায় সব দেশের আইন ও সুস্থ সমাজের দৃষ্টিতেও তা অপরাধ হিসেবে গণ্য। এর একটি জ্বলন্ত উদাহরণ দেখা যায় ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার একটি ঘটনায়।
নলছিটি উপজেলার এক মুদি দোকান থেকেই এই গল্পের শুরু। দোকানদার ছিলেন ষাটোর্ধ্ব সালাম আকন। তিনি প্রতিদিনের মতো দোকান সামলাতেন। সেই দোকানে নিয়মিত বাজার করতে আসতেন চল্লিশ বছর বয়সী রেহেনা বেগম। শুরুতে বিষয়টি ছিল একেবারেই সাধারণ—ক্রেতা ও দোকানদারের মধ্যে টুকটাক কথা, হাসি-মজা ও খোঁজখবর। গ্রামের মানুষও প্রথমে এটাকে স্বাভাবিকভাবেই দেখেছিল।
মজার বিষয় হলো, শুরুতে সালাম আকন সবার সামনে রেহেনা বেগমকে নিজের “ধর্ম বোন” বলে পরিচয় দিতেন। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে সেই সম্পর্কের রং বদলাতে শুরু করে। ধর্ম বোনের পরিচয়ের আড়ালে ধীরে ধীরে তৈরি হয় এক অস্বাভাবিক ঘনিষ্ঠতা। বয়সের বড় ফারাক, সামাজিক সম্পর্ক, সংসার ও সন্তান—কিছুই যেন তখন আর তার মাথায় কাজ করছিল না। একসময় সেই মোহ এতটাই বাড়ে যে তিনি নিজের বহু বছরের সাজানো সংসারকেও আর গুরুত্ব দেননি। প্রথম স্ত্রী, সন্তান ও দীর্ঘ দিনের পারিবারিক সম্পর্ককে একপাশে সরিয়ে রেখে তিনি রেহেনা বেগমকে ঘিরে নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। পরিবারের পক্ষ থেকে অনেক বোঝানো হয়েছিল, সন্তানরাও বাবাকে ফেরানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তিনি তখন নিজের সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত প্রথম পক্ষের সংসার ছেড়েই বের হয়ে যান।
এই গল্পে আসল মোড় আসে টাকার বিষয়টি নিয়ে। সরকারি একটি প্রকল্পের জন্য সালাম আকনের কিছু পৈতৃক জমি অধিগ্রহণ করা হয় এবং ক্ষতিপূরণ হিসেবে তিনি প্রায় ২ কোটি ৭৩ লাখ টাকা পান। হঠাৎ এত টাকা হাতে পাওয়া এবং নতুন সম্পর্কের মোহ—এই দুই মিলিয়ে তিনি যেন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। অভিযোগ আছে, প্রথম স্ত্রী ও সন্তানদের ন্যায্য অংশ না দিয়ে তিনি সেই টাকার বড় অংশই রেহেনা বেগমের হাতে তুলে দেন। এমনকি তাকে খুশি করতে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুধলম গ্রামে মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করে জমিও কিনে দেন। কিন্তু জীবনের হিসাব সব সময় মানুষের ইচ্ছামতো চলে না। অভিযোগ উঠেছে, কয়েক কোটি টাকা নিজের হাতে নেওয়ার পর রেহেনা বেগম আর আগের মতো তাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না। যে স্ত্রী ও সন্তানদের তিনি একসময় অবহেলা করেছিলেন, আজ তাদের সামনে দাঁড়ানোর মতো অবস্থাও নেই তার। আর যার জন্য সবকিছু বিসর্জন দিয়েছিলেন, সেই সম্পর্কটিও আর আগের জায়গায় নেই। এই ঘটনা যেন আবার মনে করিয়ে দেয়—মানুষ যখন আপনজনকে ঠকায়, শেষ পর্যন্ত অনেক সময় সে নিজেকেই সবচেয়ে বেশি ঠকিয়ে ফেলে।**পর , বিরহো,বেথার, কষ্টের,প্রেম, ভালোবাসা, শৈশব, কৈশর, বৃদ্ধ, যৌবন
সকল কিছু মানব জাতির হাতে*
**এক সৃষ্টিকর্তা শয়তানকে বা শয়তান জাত, শয়তান অনুসারীদের এক বার ও মুক্তি করে বেহেস্তে ,,আদম আঃ থেকে মূসা আঃ , ইব্রাহিম আঃ, সোলায়মান আ : , ঈসা আঃ পর্যন্ত মোহাম্মদ সা : , সব চেয়ে বেশি ,বিশেষ করে যে মানব জাতি কষ্টের শিকার, ধ্বংস হয়েছে সব প্রানী কূল ,তাই শয়তান জাত, অনুসারীদের খমা করে লাভ নেই। : এক সৃষ্টিকর্তা শয়তানকে বা শয়তান জাত, শয়তান অনুসারীদের এক বারও মুক্তি করে বেহেস্তে—এই ভাবনার মধ্যে মানুষের জন্য একটি বড় শিক্ষা রয়েছে। আদম আঃ থেকে মূসা আঃ, ইব্রাহিম আঃ, সোলায়মান আঃ, ঈসা আঃ পর্যন্ত এবং শেষ নবী মোহাম্মদ সাঃ—সব নবী মানুষকে সত্য, ন্যায় ও সৎ জীবনের পথে চলার শিক্ষা দিয়েছেন। কিন্তু ইতিহাসে দেখা যায়, শয়তানি প্রবৃত্তি মানুষের মনকে বিভ্রান্ত করে, অন্যায়ের দিকে ঠেলে দেয় এবং সমাজে ধ্বংস ডেকে আনে। এই কারণেই সমাজে সচেতনতা খুব গুরুত্বপূর্ণ। বৃদ্ধ থেকে শিশু পর্যন্ত সবাইকে বুঝতে হবে যে অন্যায়, প্রতারণা, লোভ ও হিংসা শেষ পর্যন্ত মানুষ ও প্রাণীকুলের ক্ষতি করে। পরিবার, শিক্ষা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের মাধ্যমে যদি মানুষকে ছোটবেলা থেকেই সত্য ও ন্যায়ের শিক্ষা দেওয়া হয়, তাহলে সমাজ অনেক বিপদ থেকে রক্ষা পেতে পারে।
সচেতন মানুষ অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না, বরং সততা ও মানবতার পক্ষে দাঁড়ায়। তাই সমাজকে নিরাপদ ও সুন্দর রাখতে হলে বৃদ্ধ থেকে শিশু পর্যন্ত সবাইকে সত্য ও নৈতিকতার পথে সচেতন হয়ে চলতে হবে।
*৬০ বছরের এক বৃদ্ধ ৪০ বছরের এক যুবতী নারীর প্রেমে পড়ে নিজের জীবনের সবকিছু হারিয়ে ফেলেছেন—এমনই এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে বরিশালে। শুরুতে সম্পর্কটি ছিল ভাই–বোনের মতো পরিচয়ের আড়ালে, কিন্তু পরে তা ধীরে ধীরে অন্য রূপ নেয়। সময়ের সাথে সাথে সেই সম্পর্ক এমন জায়গায় পৌঁছে যায় যে বৃদ্ধ তার সঞ্চিত অর্থ, সম্পদ এবং বিশ্বাস সবকিছুই ওই নারীর হাতে তুলে দেন। শেষ পর্যন্ত অভিযোগ ওঠে—নারীটি কৌশলে তার সব অর্থ নিয়ে নেয়, আর আজ সেই বৃদ্ধ দিশেহারা, নিঃস্ব ও অসহায় হয়ে পড়েছেন। **$$₹₹€£৳**এই ঘটনাটি শুধু বরিশালেই সীমাবদ্ধ নয়। খুলনার উপকূলীয় এলাকাতেও এমন দুই–একটি ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। তবে সমাজ বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের সম্পর্কজনিত প্রতারণা সবচেয়ে বেশি দেখা যায় ঢাকা বিভাগ, রাজশাহী বিভাগ এবং রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলায়। অনেক ক্ষেত্রে একাকীত্ব, আবেগ এবং অন্ধ বিশ্বাসকে পুঁজি করে এমন সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যার পরিণতি হয় অত্যন্ত বেদনাদায়ক।
এই ধরনের ঘটনা সামনে আসলে মানুষের মনে বড় প্রশ্ন জাগে—সমাজ আজ কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে? ভালোবাসার নামে প্রতারণা, আবেগের সুযোগ নেওয়া এবং অর্থ আত্মসাতের মতো ঘটনা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ফলে সচেতনতা, সতর্কতা এবং সামাজিক মূল্যবোধ রক্ষা করা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি জরুরি হয়ে উঠেছে।**স্বামীর সাথে রাগ করে তালাকের ভয় দেখিয়ে স্ত্রী বাবার বাড়ি চলে যায়। সেই সুযোগে স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করে ফেলে। খবর পেয়ে প্রথম স্ত্রী আবার ফিরে আসে, স্বামীর পায়ে পড়ে কান্নাকাটি করে ক্ষমা চায় এবং আবার সংসার করতে চায়। এমনকি সতীনের সাথেও সংসার করতে তার আপত্তি নেই। কিন্তু স্বামী জানায়, যে একবার রাগ করে চলে যায় তাকে আর ঘরে ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। এই ঘটনা বোঝায় যে রাগ, অভিমান বা তালাকের ভয় দেখানো অনেক সময় মানসিক নির্যাতনের মতো পরিস্থিতি তৈরি করে। সংসার টিকিয়ে রাখতে হলে উভয়ের ধৈর্য, সম্মান, ভালোবাসা ও বোঝাপড়া জরুরি। রাগ বা খামখেয়ালি আচরণে সম্পর্ক ভেঙে যেতে পারে। তাই আদর, স্নেহ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় রাখলে দাম্পত্য জীবনে শান্তি ও স্থিতি বজায় থাকে।**
**সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আলোচনার জন্ম দিয়েছে তরুণ রাজনৈতিক কর্মী Hasnat Abdullah–এর বক্তব্য। অনেকেই বলছেন, তার মাধ্যমে তারা প্রথম জানতে পেরেছেন যে রমজান মাসে সরকার নাকি জনগণের জন্য খেজুর সরবরাহ করে। অনেকের কাছে বিষয়টি নতুন মনে হয়েছে, কারণ সাধারণ মানুষ আগে এই বিষয়ে খুব বেশি জানতেন না। কেউ কেউ বলছেন, শুধু রমজানেই নয়, কোরবানির সময় নাকি উট বা দুম্বার মাংসও সরকারের পক্ষ থেকে পাঠানো হয়। তবে এই ধরনের তথ্য নিয়ে অনেকের মধ্যে প্রশ্নও তৈরি হয়েছে—এসব সহায়তা সত্যিই সবার কাছে পৌঁছায় কি না, নাকি মাঝপথেই হারিয়ে যায়।
**@ Researcher in Past and Future Technologies | Legal & Social Thinker .law .Ethical–Socia Researcher : MD Nur Hossain ( opu fure) (Nur fure)**
অনেক নাগরিকের অভিযোগ, সরকার থেকে যে সহায়তা বা সুবিধা সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দ থাকে, তার সবটাই সব সময় মানুষের হাতে পৌঁছায় না। অনেক সময় স্থানীয় পর্যায়ে তথ্যের অভাব, ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা বা স্বচ্ছতার ঘাটতির কারণে সাধারণ মানুষ তা জানতে বা পেতে পারে না। ফলে মানুষ মনে করে, সরকার কিছুই দেয় না—যদিও বাস্তবে বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বা ত্রাণ সহায়তা অনেক সময় নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিতরণ করা হয়।
এই প্রেক্ষাপটে অনেকে মনে করেন, তরুণ প্রজন্মের কিছু মানুষ যখন এসব বিষয় নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেন, তখন সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ে। মানুষ জানতে পারে তাদের অধিকার কী, সরকার থেকে তারা কী পাওয়ার কথা, এবং সেই সুবিধা আদৌ সঠিকভাবে বিতরণ হচ্ছে কি না। গণতান্ত্রিক সমাজে সচেতন নাগরিক হওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ জনগণের ভোটের মাধ্যমেই সরকার গঠিত হয় এবং সেই সরকারের কাজ জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা।
তাই অনেকেই বলছেন, ভোট দেওয়ার সময় সচেতন হওয়া দরকার। যোগ্য ও দায়িত্বশীল মানুষকে নির্বাচিত করলে জনগণের প্রাপ্য সুবিধা সঠিকভাবে পৌঁছানোর সম্ভাবনাও বাড়ে। একই সাথে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও তথ্য প্রকাশের সংস্কৃতি শক্তিশালী হলে সাধারণ মানুষ সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পায়। সবশেষে বলা যায়, সমাজে নতুন প্রজন্মের কণ্ঠ, তথ্য প্রকাশ এবং নাগরিক সচেতনতা—এই তিনটি বিষয় একসাথে কাজ করলে রাষ্ট্র ও জনগণের মধ্যে বিশ্বাসের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হতে পারে। তখন মানুষের মনে প্রশ্ন কমবে, আর ন্যায্য অধিকার পাওয়ার পথও আরও সহজ হবে।****টাঙ্গাইলে এক মর্মান্তিক ঘটনার শিকার হয়েছে রাজ (১৭) নামের এক স্কুলপড়ুয়া নাবালক ছেলে। বুধবার (৪ মার্চ) এক পুলিশ কনস্টেবলের ব্যক্তিগত আক্রোশের কারণে এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, এর আগে আরিফ নামের এক পুলিশ সদস্যের ভাইয়ের সাথে রাজের ঝগড়া হয়েছিল। সেই ঘটনার পর আরিফ নামের ওই পুলিশ সদস্য টাঙ্গাইল এসপি পার্ক এলাকা থেকে থানার নাম বলে রাজকে তুলে নিয়ে যায়। কিন্তু তাকে থানায় না নিয়ে একটি নির্জন মাঠে নিয়ে গিয়ে হাত-পা বেঁধে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে দশ থেকে বারোজন মিলে তাকে বেধড়ক শারীরিক নির্যাতন করে। এদিকে রাজের পরিবার থানাসহ ডিবি অফিসে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পায়নি। নির্যাতনের এক পর্যায়ে রাজ অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাকে আবার এসপি পার্কে এনে তার বাবার কাছে তুলে দেওয়া হয়। রাজের বাবা অভিযোগ করেন, তিনি আইনি ব্যবস্থা নিতে চাইলে তাকে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে গুরুতর আহত রাজ টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ৩য় তলার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।***মিরপুরের এক পাঁচতলা বাড়ির মালিক ছিলেন ৬০ বছরের কাদের সাহেব। তিনি খুব ধনী হলেও স্ত্রী মারা যাওয়ার পর খুব একা হয়ে পড়েছিলেন। তার ছেলেমেয়েরা আলাদা থাকে, তাই মাঝে মাঝে ফোন ছাড়া তাদের সাথে তেমন যোগাযোগ ছিল না। একই বাড়ির একতলার ছোট একটি ঘরে থাকত ২২ বছরের গার্মেন্টস কর্মী রুমি। তার বাবা গ্রামে অসুস্থ থাকায় ওষুধের টাকা পাঠাতে গিয়ে তিন মাসের বাড়িভাড়া দিতে পারেনি। একদিন ম্যানেজার তাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেয়। তখন কাদের সাহেব বিষয়টি জেনে রুমির ভাড়া মওকুফ করে দেন এবং বলেন, কাজ থেকে ফিরে সে যেন তার বাসায় রান্না করে দেয়।**ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে সম্মান ও বিশ্বাসের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু পাড়ায় গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে রুমি নাকি টাকার লোভে বৃদ্ধ বাড়িওয়ালার কাছে থাকে। এতে রুমি খুব কষ্ট পায়। পরে ঈদের আগে কাদের সাহেবের ছেলে ও ছেলের বউ এসে রুমির বিরুদ্ধে সোনার চেইন চুরির অভিযোগ তোলে। তখন কাদের সাহেব সবার সামনে জানান যে তিনি আগেই আইনিভাবে রুমিকে বিয়ে করেছেন। তিনি বলেন, রুমি চোর নয়, বরং সে তার জীবনের সঙ্গী। এই ঘটনার পর সবাই বুঝতে পারে যে মানুষের সম্পর্কে গুজব ছড়ানো ঠিক নয় এবং সত্য জানার আগে কাউকে দোষ দেওয়া উচিত নয়।**৳৳$₹₹$৳**মানব সমাজে সত্য, ন্যায় ও সততার মূল্য অপরিসীম। যে সমাজে সত্যকে লুকিয়ে মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠা করা হয়, সেখানে ধীরে ধীরে নৈতিক অবক্ষয় বাড়তে থাকে। প্রতারণা ও মিথ্যাচার শুধু ব্যক্তিগত ক্ষতি করে না, বরং সমাজের বিশ্বাস ও সম্পর্ককে দুর্বল করে দেয়। উদাহরণ হিসেবে দেখা যায়, ফার্মের ডিম দেশি মুরগির নিচে বা দেশি মুরগির ওম দিয়ে তা ফুটিয়ে পরে সেই ডিমকে দেশি মুরগির ডিম বলে বড় বা ছোট ডিম হিসেবে বিক্রি করা এক ধরনের প্রতারণা। একইভাবে অন্যের ছাগলের বাচ্চাকে নিজের মাদি ছাগলের গর্ভে জন্ম হয়েছে বলে দাবি করা বা অন্যের ছাগলকে নিজের ছাগল বলে পরিচয় দেওয়াও মারাত্মক অনৈতিক কাজ। এ ধরনের কাজ শুধু সামাজিকভাবে খারাপ নয়, বরং সব ধর্মের দৃষ্টিতেও নিষিদ্ধ এবং অধিকাংশ দেশের আইনে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়। আরও একটি বড় সমস্যা হলো—কিছু মানুষ পাওনা টাকা চাইলে পাগলের ভান করা বা অসুস্থতার অজুহাত দেখানো। কেউ যদি ব্যবসা-বাণিজ্য বা বিক্রয়জনিত ন্যায্য টাকা দাবি করে, তখন অনেক সময় অপর পক্ষ অস্বাভাবিক আচরণ করে, ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বা ভয় দেখিয়ে পরিস্থিতি এড়ানোর চেষ্টা করে। এই ধরনের ঘেরি-মেরি করা, ভান ধরা বা অপরাধ প্রবণ আচরণ আসলে গুরুতর প্রতারণা। আইন ও ধর্মের চোখে অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে অন্যের অধিকার নষ্ট করার কোনো সুযোগ নেই। সত্যিই কেউ অসুস্থ হলে তার চিকিৎসা ও সেবার ব্যবস্থা রয়েছে, কিন্তু অসুস্থতার ভান করে প্রতারণা করা বড় অন্যায়। সমাজে আরও দেখা যায়, কিছু অসাধু মানুষ গুরুতর রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দুর্বলতার সুযোগ নেয়। বিশেষ করে ক্যান্সার বা বড় শারীরিক রোগে ভোগা মানুষ অনেক সময় দুর্বল হয়ে পড়েন। তখন কিছু লোক ব্যবসা, দোকান ভাড়া, জমি লেখা বা অর্থনৈতিক লেনদেনের নামে নানা চালাকি করে। কখনও রোগীর পরিবারকে চাটুকারিতা করে বিশ্বাস অর্জনের চেষ্টা করে এবং মনে করে যে রোগী সব কিছু মনে রাখতে পারবে না। কিন্তু এই ধরনের কাজ প্রকৃতপক্ষে প্রতারণা এবং সব ধর্ম ও আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ। সাধারণ ভালো মানুষ কখনোই এসব অন্যায় বরদাস্ত করে না। কারণ অপরাধ এক ধরনের সংক্রামক ব্যাধির মতো—একবার ছড়ালে তা সমাজকে ধীরে ধীরে নষ্ট করে দেয়। তাই ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের কল্যাণের জন্য সত্য, ন্যায় ও সততার পথে চলা প্রত্যেক মানুষের নৈতিক দায়িত্ব।***মানব সমাজে সত্য ও ন্যায়ের মূল্য অপরিসীম। যে সমাজে সত্যকে লুকিয়ে মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠা করা হয়, সেখানে নৈতিক অবক্ষয় দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ফার্মের ডিম দেশি মুরগির নিচে বা দেশি মুরগির ওম দিয়ে তা ফুটিয়ে পরে সেই ডিমকে দেশি মুরগির ডিম বলে বড় ডিম, ছোট ডিম হিসেবে বিক্রয় করা প্রতারণার শামিল। একইভাবে অন্যের ছাগলের বাচ্চা নিজের মাদি বা মা ছাগলের গর্ভে জন্ম হয়েছে বলে দাবি করা এবং অন্যের ছাগলকে নিজের ছাগল হিসেবে পরিচয় দেওয়াও মারাত্মক প্রতারণা। এ ধরনের কাজ শুধু সামাজিকভাবে অনৈতিক নয়, বরং সকল ধর্মে নিষিদ্ধ এবং অধিকাংশ দেশের আইনেও এটি স্পষ্টভাবে অপরাধ হিসেবে গণ্য। সত্য গোপন করে মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া মানুষের চরিত্রকে দুর্বল করে এবং সমাজে অবিশ্বাস সৃষ্টি করে। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সত্যের উপর দাঁড়িয়ে চলাই মানুষের প্রকৃত মর্যাদা রক্ষা করে। আবার অনেক সময় দেখা যায়, কেউ বাস্তবে কোনো অবস্থানের যোগ্য নয়, তবুও তাকে কৃত্রিমভাবে একটি অবস্থান দিয়ে নিজের পরিবারের অন্য সদস্যদের প্রতি অন্যায় আচরণ করা হয়। এই ধরনের পক্ষপাতমূলক আচরণ পরিবার ও সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করে এবং ন্যায়বিচারকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তাই জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সত্য, ন্যায় এবং সততার পথে চলা অত্যন্ত জরুরি। সকল ধর্মই মানুষকে সত্যবাদিতা, ন্যায়পরায়ণতা এবং সৎ আচরণের শিক্ষা দেয়। একইভাবে বিশ্বের প্রায় সব দেশের আইনও প্রতারণা, মিথ্যাচার ও অন্যায় আচরণকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে। এজন্য ব্যক্তি, পরিবার এবং সমাজের শান্তি ও কল্যাণের জন্য সত্যকে ধারণ করা এবং অন্যায় থেকে বিরত থাকা প্রত্যেক মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। ফার্মের ডিম দেশি মুরগির নিচে বা দেশি মুরগির ওম দিয়ে দেশি মুরগির ডিম বলে বড় ডিম, ছোট ডিম বিক্রয় করা, অন্যের ছাগলের বাচ্চা নিজের মাদি বা মা ছাগলের গর্ব প্রদান অবস্থায় প্রসব করেছে বলে অন্যের ছাগল বলে নিজের ছাগল বলা, মারাত্বক অপরাধ সকল ধর্মে সকল দেশের আইনে অপরাধ । জীবনে সকল ক্ষেত্রেই সত্য। আবার কেও না, তবুও তাকে একটা অবস্থান দিয়ে নিজের পরিবারের অন্য সদস্যদের প্রতি অন্যায় আচরণ করা সকল ধর্মের নিষিদ্ধ তেমনি সকল আইনে নিষিদ্ধ বা অপরাধীদের কাজ হিসাবে গণ্য।টাকা চাইলে পাগলের ভান করা যে পাইবে,যে পাইবে তাকে, তাদের পাগল সাবস্বোতো করা, ডাক্তার ভয় দেখানো বা অপরাধ প্রবন ভাব দেখালো । কোন পাওনা বা বিক্রয় বা ব্যাবসায়ী জনিত করা টাকা চাইলে ঘেরি মেরি করা,ভাব ধরা ইহা মারাত্বক আইনে অপরাধ, সকল ধর্মের বড়ো ধর্মে লেখা আছে আসলে এদের ধর্ম নেই কারণ এরা অপরাধ সৃষ্টি করে। আইন ও ধর্মের চোখে অসুস্থ বলে লাভ নেই কারণ অসুস্থ হলে সেবা দান করা তাঁর নিজের টাকায়,, অসুস্থ হলে সুস্থতার জন্য ওষুধ আছে !!!সমাজে একটি গুরুতর সমস্যা হলো—কিছু মানুষ ইচ্ছাকৃতভাবে দায়িত্ব এড়ানোর জন্য পাগলের ভান করা। অনেক সময় দেখা যায়, কেউ যদি তার ন্যায্য পাওনা টাকা দাবি করে বা ব্যবসা-বাণিজ্য ও লেনদেনজনিত টাকা চাইতে যায়, তখন অপর পক্ষ হঠাৎ পাগলের মতো আচরণ শুরু করে। যে ব্যক্তি টাকা চাইতে আসে, তাকে উল্টো বিভ্রান্ত করা হয়, ভয় দেখানো হয়, কিংবা ডাক্তার দেখানোর কথা বলে তাকে মানসিকভাবে চাপে ফেলার চেষ্টা করা হয়। কখনও আবার এমন আচরণ করা হয় যেন তারা অসুস্থ বা অস্বাভাবিক, যাতে পাওনাদার ভয় পেয়ে বা বিরক্ত হয়ে সরে যায়। এই ধরনের ঘেরি-মেরি করা, ভান ধরা বা অপরাধ প্রবণ আচরণ দেখানো আসলে মারাত্মক প্রতারণা এবং আইনের দৃষ্টিতে এটি একটি গুরুতর অপরাধ। শুধু আইনের দৃষ্টিতেই নয়, সকল ধর্মেও এ ধরনের প্রতারণা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। বড় বড় ধর্মগ্রন্থে সত্যবাদিতা, ন্যায় এবং মানুষের হক আদায় করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা ভান করে অন্যের প্রাপ্য অধিকার নষ্ট করে, সে প্রকৃত অর্থে ধর্মের আদর্শ থেকে দূরে সরে যায়। তাই অনেকেই বলেন, যারা এমন অপরাধ সৃষ্টি করে তাদের প্রকৃতপক্ষে ধর্মীয় মূল্যবোধ থাকে না। আরেকটি বিষয় মনে রাখা দরকার—আইন ও ধর্মের চোখে অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে অপরাধ ঢাকার সুযোগ নেই। সত্যিই যদি কেউ অসুস্থ হয়, তবে তার চিকিৎসা ও সেবা প্রয়োজন, এবং সুস্থতার জন্য ওষুধ ও চিকিৎসা ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু অসুস্থতার ভান করে অন্যের অধিকার নষ্ট করা সমাজ, আইন ও ধর্ম—তিন ক্ষেত্রেই গুরুতর অন্যায় হিসেবে গণ্য হয়। তাই সততা, ন্যায় এবং দায়িত্বশীল আচরণই মানুষের প্রকৃত পথ হওয়া উচিত।টাকা চাইলে পাগলের ভান করা যে পাইবে,যে পাইবে তাকে, তাদের পাগল সাবস্বোতো করা, ডাক্তার ভয় দেখানো বা অপরাধ প্রবন ভাব দেখালো । কোন পাওনা বা বিক্রয় বা ব্যাবসায়ী জনিত করা টাকা চাইলে ঘেরি মেরি করা,ভাব ধরা ইহা মারাত্বক আইনে অপরাধ, সকল ধর্মের বড়ো ধর্মে লেখা আছে আসলে এদের ধর্ম নেই কারণ এরা অপরাধ সৃষ্টি করে। আইন ও ধর্মের চোখে অসুস্থ বলে লাভ নেই কারণ অসুস্থ হলে সেবা দান করা তাঁর নিজের টাকায়,, অসুস্থ হলে সুস্থতার জন্য ওষুধ আছে !!!সমাজে একটি গুরুতর সমস্যা হলো—কিছু মানুষ ইচ্ছাকৃতভাবে দায়িত্ব এড়ানোর জন্য পাগলের ভান করা। অনেক সময় দেখা যায়, কেউ যদি তার ন্যায্য পাওনা টাকা দাবি করে বা ব্যবসা-বাণিজ্য ও লেনদেনজনিত টাকা চাইতে যায়, তখন অপর পক্ষ হঠাৎ পাগলের মতো আচরণ শুরু করে। যে ব্যক্তি টাকা চাইতে আসে, তাকে উল্টো বিভ্রান্ত করা হয়, ভয় দেখানো হয়, কিংবা ডাক্তার দেখানোর কথা বলে তাকে মানসিকভাবে চাপে ফেলার চেষ্টা করা হয়। কখনও আবার এমন আচরণ করা হয় যেন তারা অসুস্থ বা অস্বাভাবিক, যাতে পাওনাদার ভয় পেয়ে বা বিরক্ত হয়ে সরে যায়। এই ধরনের ঘেরি-মেরি করা, ভান ধরা বা অপরাধ প্রবণ আচরণ দেখানো আসলে মারাত্মক প্রতারণা এবং আইনের দৃষ্টিতে এটি একটি গুরুতর অপরাধ। শুধু আইনের দৃষ্টিতেই নয়, সকল ধর্মেও এ ধরনের প্রতারণা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। বড় বড় ধর্মগ্রন্থে সত্যবাদিতা, ন্যায় এবং মানুষের হক আদায় করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা ভান করে অন্যের প্রাপ্য অধিকার নষ্ট করে, সে প্রকৃত অর্থে ধর্মের আদর্শ থেকে দূরে সরে যায়। তাই অনেকেই বলেন, যারা এমন অপরাধ সৃষ্টি করে তাদের প্রকৃতপক্ষে ধর্মীয় মূল্যবোধ থাকে না। আরেকটি বিষয় মনে রাখা দরকার—আইন ও ধর্মের চোখে অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে অপরাধ ঢাকার সুযোগ নেই। সত্যিই যদি কেউ অসুস্থ হয়, তবে তার চিকিৎসা ও সেবা প্রয়োজন, এবং সুস্থতার জন্য ওষুধ ও চিকিৎসা ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু অসুস্থতার ভান করে অন্যের অধিকার নষ্ট করা সমাজ, আইন ও ধর্ম—তিন ক্ষেত্রেই গুরুতর অন্যায় হিসেবে গণ্য হয়। তাই সততা, ন্যায় এবং দায়িত্বশীল আচরণই মানুষের প্রকৃত পথ হওয়া উচিত।সমাজে কখনও কখনও এমন মানুষ দেখা যায়, যারা গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তিদের দুর্বল অবস্থার সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করে। বিশেষ করে কোনো ব্যক্তি যদি ক্যান্সার বা বড় কোনো শারীরিক রোগে ভোগেন, তখন তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন। এই সুযোগে কিছু অসাধু মানুষ ব্যবসা, দোকান ভাড়া, জমি লেখা বা বিভিন্ন অর্থনৈতিক লেনদেনের নামে নানা চালাকি করে। কখনও আবার রোগীর পরিবারের সাথে চাটুকারিতা করে, মিষ্টি কথা বলে বা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তাদের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করে। তাদের ধারণা থাকে, যেহেতু ওই ব্যক্তি ক্যান্সার রোগী, তাই তিনি সব কিছু ঠিকভাবে মনে রাখতে পারবেন না, অথবা দুর্বল অবস্থায় সহজেই রাজি হয়ে যাবেন। এই ধরনের আচরণ আসলে প্রতারণা। সকল ধর্মেই দুর্বল ও অসুস্থ মানুষের অধিকার রক্ষা করার কথা বলা হয়েছে এবং প্রতারণাকে বড় পাপ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। তেমনি পৃথিবীর সব দেশের আইনেও এমন কাজ অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়। ভালো ও সচেতন মানুষ কখনোই এসব অন্যায় বরদাস্ত করে না, কারণ অপরাধ এক ধরনের সংক্রামক ব্যাধির মতো—একবার ছড়ালে তা সমাজকে ধীরে ধীরে নষ্ট করে দেয়। তাই সবাইকে সতর্ক থাকা এবং ন্যায়ের পাশে দাঁড়ানো জরুরি।সকল ধর্মেই দুর্বল ও অসুস্থ মানুষের অধিকার রক্ষা করার কথা বলা হয়েছে এবং প্রতারণাকে বড় পাপ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। তেমনি পৃথিবীর সব দেশের আইনেও এমন কাজ অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়। ভালো ও সচেতন মানুষ কখনোই এসব অন্যায় বরদাস্ত করে না, কারণ অপরাধ এক ধরনের সংক্রামক ব্যাধির মতো—একবার ছড়ালে তা সমাজকে ধীরে ধীরে নষ্ট করে দেয়। তাই সবাইকে সতর্ক থাকা এবং ন্যায়ের পাশে দাঁড়ানো জরুরি।ক্যান্সার বা বড়ো কোন শারীরিক রোগীকে ব্যাবসায় বা ভাড়ার টাকা দেয় বা তার সাথে বিভিন্ন চালাকি করে বিভিন্ন অর্থের, দোকান,জমি লেখা বা দোকান ভাড়া নেয়, তার ফ্যামিলিকে আলু পাম, চাটুকারিতা করে,যেহেতু সে ক্যান্সার প্যাসেনট সে কোন কিছু মনে রাখতে পারে না বা দিলেও হ হয় এরকম হলো পতরনা যা সকল ধর্মের কাছে অপরাধী তেমনি সকল দেশের আইনের চোখে অপরাধী। সাধারণ ভালো মানুষ কখনোই এসব বরদাস্ত করে না,, কারণ অপরাধ একটি সংক্রামক ব্যাধি।
সমাজে কখনও কখনও এমন মানুষ দেখা যায়, যারা গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তিদের দুর্বল অবস্থার সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করে। বিশেষ করে কোনো ব্যক্তি যদি ক্যান্সার বা বড় কোনো শারীরিক রোগে ভোগেন, তখন তিনি শারীরিক মন ভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন। এই সুযোগে কিছু অসাধু মানুষ ব্যবসা, দোকান ভাড়া, জমি লেখা বা বিভিন্ন অর্থনৈতিক লেনদেনের নামে নানা চালাকি করে। কখনও আবার রোগীর পরিবারের সাথে চাটুকারিতা করে, মিষ্টি কথা বলে বা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তাদের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করে। তাদের ধারণা থাকে, যেহেতু ওই ব্যক্তি ক্যান্সার রোগী, তাই তিনি সব কিছু ঠিকভাবে মনে রাখতে পারবেন না, অথবা দুর্বল অবস্থায় সহজেই রাজি হয়ে যাবেন। এই ধরনের আচরণ আসলে প্রতারণা।**$₹$$****মানব সমাজে সত্য ও ন্যায়ের মূল্য অপরিসীম। যে সমাজে সত্যকে লুকিয়ে মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠা করা হয়, সেখানে নৈতিক অবক্ষয় দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ফার্মের ডিম দেশি মুরগির নিচে বা দেশি মুরগির ওম দিয়ে তা ফুটিয়ে পরে সেই ডিমকে দেশি মুরগির ডিম বলে বড় ডিম, ছোট ডিম হিসেবে বিক্রয় করা প্রতারণার শামিল। একইভাবে অন্যের ছাগলের বাচ্চা নিজের মাদি বা মা ছাগলের গর্ভে জন্ম হয়েছে বলে দাবি করা এবং অন্যের ছাগলকে নিজের ছাগল হিসেবে পরিচয় দেওয়াও মারাত্মক প্রতারণা। এ ধরনের কাজ শুধু সামাজিকভাবে অনৈতিক নয়, বরং সকল ধর্মে নিষিদ্ধ এবং অধিকাংশ দেশের আইনেও এটি স্পষ্টভাবে অপরাধ হিসেবে গণ্য।**এগুলো অপরাধ হলো সীমার এর অপরাধ, এগুলো রাবন এর অপরাধ**$₹৳৳**সত্য গোপন করে মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া মানুষের চরিত্রকে দুর্বল করে এবং সমাজে অবিশ্বাস সৃষ্টি করে। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সত্যের উপর দাঁড়িয়ে চলাই মানুষের প্রকৃত মর্যাদা রক্ষা করে। আবার অনেক সময় দেখা যায়, কেউ বাস্তবে কোনো অবস্থানের যোগ্য নয়, তবুও তাকে কৃত্রিমভাবে একটি অবস্থান দিয়ে নিজের পরিবারের অন্য সদস্যদের প্রতি অন্যায় আচরণ করা হয়। এই ধরনের পক্ষপাতমূলক আচরণ পরিবার ও সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করে এবং ন্যায়বিচারকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।**ফার্মের ডিম দেশি মুরগির নিচে বা দেশি মুরগির ওম দিয়ে দেশি মুরগির ডিম বলে বড় ডিম, ছোট ডিম !!!