Dr. Suchisree Saha

Dr. Suchisree Saha HEALTH ( A complete physical, mental, & social wellbeing)

30/03/2026

/হাম Outbreak ও সচেতনতামূলক কিছু কথা

★Measles (মিজেলস) কী?

এটি একটি ভাইরাসজনিত অত্যন্ত সংক্রামক রোগ, যা measles virus‑এর মাধ্যমে ছড়ায়। এটি প্রধানত শিশুদের মধ্যে বেশি হয়, যদিও বয়স্করাও আক্রান্ত হতে পারে।

★ কিভাবে ছড়ায়?

আক্রান্ত ব্যক্তি যখন কাশি বা হাঁচি দেয়, ভাইরাস বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে; সুস্থ মানুষ এটি শ্বাসের মাধ্যমে নিলেই সংক্রমিত হতে পারে।

ভাইরাস সংক্রমিত ব্যক্তির শ্বাস‑প্রশ্বাস বা থুতুর ফোঁটা দুই ঘন্টা পর্যন্ত বাতাস/পৃষ্ঠে জীবিত থাকতে পারে।

একই ঘরে থাকলে প্রায় ৯০% অকার্যকরী টিকা‑নেওয়া বা ইমিউনিটি নেই/ কম এমন মানুষ সংক্রমিত হবে।

সংক্রমণ ক্ষমতা খুব বেশি, আক্রান্ত ব্যক্তি একাই প্রায় ১০–১৮ জনকে সংক্রমিত করতে পারে যদি ভ্যাকসিন না নেয়।

★ উপসর্গ (Symptoms)

সাধারণত সংক্রমণের ৭–১৪ দিনের মধ্যে শুরু হয়।

১) জ্বর
২) কাশি এবং শ্বাসকষ্ট
৩) নাক দিয়ে পানি বের হওয়া
৪) চোখ লাল হওয়া ও চোখ দিয়ে পানি পড়া (conjunctivitis)
৫) মুখের ভিতরে ছোট ছোট সাদা দাগ (Koplik spots)
— এগুলি র‌্যাশ হওয়ার আগেই দেখা যায়।

র‌্যাশ — প্রথমে মুখ/ঘাড় থেকে শুরু হয়ে শরীরের ওপর থেকে নিচে ছড়িয়ে পড়ে।

** র‌্যাশ হওয়ার ৪ দিন আগে থেকেই এবং র‌্যাশের ৪ দিন পরে পর্যন্ত সংক্রমিত করতে পারে।

★ ঝুঁকিপূর্ণ গ্রুপ

১) টিকা না নেওয়া শিশু
২) শিশুদের মধ্যে ০–৫ বছর
৩) অপুষ্ট শিশু
৪) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এমন দুর্বল ব্যক্তি
৫) গর্ভবতী নারী
এরা কম‑বেশি জটিলতায় পড়তে পারে।

★ জটিলতা

১) ফুসফুসের সংক্রমণ (Pneumonia)
২) কানের সংক্রমণ
৩) মস্তিষ্কে প্রদাহ (Encephalitis)
৪) দীর্ঘমেয়াদে পুষ্টির অভাব/ইমিউন সিস্টেমে ক্ষতি
৫) খুব বিরল ক্ষেত্রে Subacute Sclerosing Panencephalitis (SSPE) – কয়েক বছর পরে মস্তিষ্কের জটিল রোগ ঘটায়।

★করণীয়

Measles (হাম) হলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রোগীকে বাসায় রেখে সঠিক যত্ন নিলে ভালো হয়ে যায়।তবে সতর্কতা খুব জরুরি, কারণ এটি অত্যন্ত সংক্রামক এবং জটিলতা হতে পারে।

১)আলাদা /Isolate রাখুন
২)জ্বর নিয়ন্ত্রণ করুন- প্যারাসিটামল দিয়ে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী
৩)পর্যাপ্ত পানি ও পুষ্টিকর খাবার দিন(পানি, স্যালাইন,সহজপাচ্য খাবার- খিচুড়ি, স্যুপ,ফল হিসেবে কলা, ভাতের সাথে ১ পিস লেবু, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত হলে ডাবের পানি)
৪) Vitamin A ক্যাপসুল Measles চলাকালীন ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়াবেন।
*** ৫ বছর পর্যন্ত Measles উপসর্গ না থাকলেও যে সকল শিশু ৬ মাসের মধ্যে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খায় নি তাদের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ব্যবস্থা করুন।
৫)বিপজ্জনক লক্ষণ দেখলে হাসপাতালে নিয়ে যান, যেমন :
শ্বাসকষ্ট
খিঁচুনি
খুব বেশি দুর্বল হয়ে যাওয়া
খাওয়া বা পানি পান বন্ধ
কান ব্যথা বা কানে পুঁজ
জ্বর ৪–৫ দিনের বেশি থাকলে

★ প্রতিরোধ
টিকা হলো প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

১) Measles, Mumps & Rubella (MMR) ভ্যাকসিন দেওয়া যায়।

২) বাংলাদেশে জাতীয় সম্প্রসারিত ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচি অনুযায়ী- MR (Measles, Rubella) vaccine দেওয়া হয়।

সাধারণত
১) প্রথম ডোজ: ৯ মাস বয়সে
২) দ্বিতীয় ডোজ: ১৫ মাস বয়সে

দুই ডোজ ভ্যাকসিন আনুমানিক ৯৭% কার্যকর। কমপক্ষে ৯৫% মানুষ টিকা নিলে রোগের সম্প্রসারণ রোধ করা যায় — একে বলা হয় Herd Immunity।

*****WHO এবং বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী, দুই ডোজই নেওয়া বাধ্যতামূলক।

(রেগুলার স্কুল, এক্সট্রা কারিকুলার শিক্ষার জায়গা-- আর্ট, গান, কারাতে ইত্যাদিতে (ভর্তির
সময়) ভ্যাক্সিন কার্ডের কপি দেওয়া বাধ্যতামূলক করার মত ব্যবস্থা সরকার নিতে পারেন)

★ বিশেষ পরিস্থিতি

***Outbreak এর সময় ৬ মাসের শিশুরাও টিকা পেতে পারে (বুস্টার হিসেবে)।

*****CATCH UP vaccination- যারা পূর্বে বিভিন্ন কারণে টিকা নিতে পারেন নি- তারা অতিসত্ত্বর ২ ডোজ টিকা ৪ সপ্তাহ ব্যবধানে নিতে পারেন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।

★ সতর্কতা জনসাধারণের জন্য :

১) রোগীর কাছ থেকে দূরে থাকা
২) হাত ধোয়া, নাক ও মুখ ঢেকে রাখা- মাস্ক ব্যবহার করুন
৩) ভ্যাকসিন না নেওয়া শিশুদেরকে জনগণের সংস্পর্শ থেকে বিরত রাখা

★★★স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে নিজেদের সুরক্ষায় করণীয় :

১) ২ ডোজ MR/MMR টিকা নেওয়া আছে কিনা নিশ্চিত করুন।
২) সবসময় মাস্ক ব্যবহার করুন ও হাত ধুবেন (Hand hygiene maintenance)।
৩) Measles রোগী isolate/ আলাদা রাখা জরুরি।
৪) Exposure হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া
- টিকা নেওয়া থাকলে: ২১ দিন পর্যন্ত উপসর্গ পর্যবেক্ষণ করুন
- টিকা না থাকলে: ৭২ ঘন্টার মধ্যে MR/MMR vaccine নিন
৫) উপসর্গ হলে isolate/ আলাদা থাকুন।

??? অনেকে টিকা পাওয়া স্বত্ত্বেও কেন Measles হচ্ছে এইটি নিয়ে বিস্তর গবেষণা করা দরকার!!

ডা. আসসাদে তারান্নুম,
এমবিবিএস(ডিএমসি),
বিসিএস (স্বাস্থ্য),
এমসিপিএস (শিশুস্বাস্থ্য),
এফসিপিএস (শিশুস্বাস্থ্য)।

23/03/2026

শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি ও লবণ বের হয়ে গেলে যেমন ডায়রিয়া , কলেরা বা বমি🤮 হলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ওষুধের 💊 ডোজ সমন্বয় করতে হবে প্রয়োজনে বন্ধ রাখতে হতেও পারে।

সেজন্য পানিশূন্যতার লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এবং পরামর্শ মেনে চলতে হবে।

ডা. সমীর কুমার কুন্ডু
হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ।

 #হার্ট_অ্যাটাকের_প্রথম_ঘন্টায়_করণীয়হার্ট অ্যাটাক (মেডিক্যালি: Myocardial Infarction) হলে প্রথম ১ ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপ...
04/03/2026

#হার্ট_অ্যাটাকের_প্রথম_ঘন্টায়_করণীয়
হার্ট অ্যাটাক (মেডিক্যালি: Myocardial Infarction) হলে প্রথম ১ ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়কে “Golden Hour” বলা হয়। নিচে ধাপে ধাপে তাৎক্ষণিক করণীয় দেওয়া হলো—

🔴 হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাব্য লক্ষণ
বুকে চাপধরা/জ্বালাপোড়া/ভারী ব্যথা (২০ মিনিটের বেশি)
ব্যথা বাম হাত, কাঁধ, ঘাড়, চোয়াল বা পিঠে ছড়ানো
শ্বাসকষ্ট
ঠান্ডা ঘাম
বমি বমি ভাব বা বমি
অস্বাভাবিক দুর্বলতা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া

🚑 তাৎক্ষণিক করণীয় (Step by Step)
১️⃣ রোগীকে বসান বা শুইয়ে দিন
আধা-বসা (half-sitting) অবস্থায় রাখুন
টাইট জামা-কাপড় ঢিলা করুন
সম্পূর্ণ বিশ্রামে রাখুন
২️⃣ দ্রুত জরুরি সাহায্য ডাকুন
বাংলাদেশের জরুরি নম্বর: ৯৯৯
নিকটবর্তী হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দ্রুত নেওয়ার ব্যবস্থা করুন
সম্ভব হলে কার্ডিয়াক সেন্টার (যেখানে PCI সুবিধা আছে) বেছে নিন
৩️⃣ লোডিং ডোজ খাওয়া
৩০০ mg Aspirin চিবিয়ে খেতে হবে( Ecosprin 75mg ৪টা ট্যাবলেট একসাথে)
৩০০ মিগ্রা Clopidogrel চিবিয়ে খেতে হবে( Clopid 75mg ৪ টা ট্যাবলেট একসাথে)
৪০-৮০ মিগ্রা Atorvastatin চিবিয়ে খেতে হবে ( Atova 20mg ২-৪ টা ট্যাবলেট একসাথে) প্লাস এগুলোর সাথে একটি গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ খাবেন
এগুলোকে একসাথে লোডিং ডোজ বলে
এটি রক্ত জমাট বাঁধা কমাতে সাহায্য করে
৪️⃣ Nitroglycerin (যদি আগে থেকে প্রেসক্রাইব করা থাকে)
জিভের নিচে ০.৫ mg ট্যাবলেট বা স্প্রে নিতে হবে
৫ মিনিট পরও ব্যথা থাকলে পুনরায় দেওয়া যায় (সর্বোচ্চ ৩ বার)
লো ব্লাড প্রেসার থাকলে দেবেন না
৫️⃣ অক্সিজেন দিন (যদি শ্বাসকষ্ট বা SpO₂ কম থাকে)
৬️⃣ রোগী অজ্ঞান হলে
শ্বাস ও পালস চেক করুন
না থাকলে সঙ্গে সঙ্গে CPR শুরু করুন
আশেপাশে AED থাকলে ব্যবহার করুন

❌ যা করবেন না
রোগীকে হাঁটাবেন না
নিজে গাড়ি চালিয়ে হাসপাতালে যেতে দেবেন না
ব্যথা কমার অপেক্ষা করবেন না
পানীয়/খাবার জোর করে দেবেন না

⏳ কেন দ্রুত চিকিৎসা জরুরি?
হার্ট অ্যাটাক হলে করোনারি ধমনীতে ব্লক হয়। যত দ্রুত ব্লক খোলা যায় (Primary PCI বা thrombolysis), তত বেশি হার্টের মাংসপেশি বাঁচানো যায়।

ডা_অর্ণব_কুমার_চৌধুরী
ক্লিনিক্যাল এন্ড ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট
©️

৯৫ বছর পর্যন্ত বাঁচতে চাইলে........
13/02/2026

৯৫ বছর পর্যন্ত বাঁচতে চাইলে........

08/02/2026
24/01/2026

বয়সের সাথে সাথে শিশুর মগজের পরিমাণ ঠিকমতো বাড়ছে কিনা তা জানা দরকার। মাথার পরিধি মেপে নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে মাথার ভেতরের মগজের পরিমাণ ও ক্রমবৃদ্ধি বোঝা যায়। কারণ মগজ বৃদ্ধির সাথে সাথে মাথার পরিধিও বৃদ্ধি পায়, মগজ বৃদ্ধি না পেলে মাথার পরিধিও বাড়েনা।

কানকে মাথার সাথে চেপে ধরলে যে জায়গায় স্পর্শ করে ঠিক সেই বরাবর ফিতা ধরে মাথার চারদিকে ঘুরিয়ে মাপ নেবেন যাতে ফিতাটি কপালের ভ্রুর ঠিক উপরে এবং মাথার সবচেয়ে পেছনের অংশটি ছুঁয়ে থাকে।

বিভিন্ন বয়সে শিশুর মাথার পরিধিঃ

বয়সঃ ছেলেঃ মেয়েঃ
০ মাস - ৩৪.৮ সেমি ৩৪.৩ সেমি
১ মাস - ৩৭.২ সেমি ৩৬.৪ সেমি
২ মাস - ৩৯ সেমি ৩৮ সেমি
৩ মাস - ৪০.৬ সেমি ৩৯.৫ সেমি
৪ মাস - ৪১.৮ সেমি ৪০.৫ সেমি
৫ মাস - ৪২.৮ সেমি ৪১.৫ সেমি
৬ মাস - ৪৩.৮ সেমি ৪২.৪ সেমি
৭ মাস - ৪৪.৬ সেমি ৪৩.১ সেমি
৮ মাস - ৪৫.৪ সেমি ৪৩.৭ সেমি
৯ মাস - ৪৫.৮ সেমি ৪৪.৩ সেমি
১০ মাস - ৪৬.১ সেমি ৪৪.৮ সেমি
১১ মাস - ৪৬.৬ সেমি ৪৫.২ সেমি
১২ মাস - ৪৭ সেমি ৪৫.৬ সেমি
১৩ মাস - ৪৭.৪ সেমি ৪৫.৯ সেমি
১৪ মাস - ৪৭.৬ সেমি ৪৬.২ সেমি
১৫ মাস - ৪৭.৮ সেমি ৪৬.৫ সেমি
১৬ মাস - ৪৮ সেমি ৪৬.৭ সেমি
১৭ মাস - ৪৮.২ সেমি ৪৬.৯ সেমি
১৮ মাস - ৪৮.৪ সেমি ৪৭.১ সেমি
১৯ মাস - ৪৮.৬ সেমি ৪৭.৩ সেমি
২০ মাস - ৪৮.৮ সেমি ৪৭.৫ সেমি
২১ মাস - ৪৮.৯ সেমি ৪৭.৭ সেমি
২২ মাস - ৪৯ সেমি ৪৭.৯ সেমি
২৩ মাস - ৪৯.১ সেমি ৪৮ সেমি
২৪ মাস - ৪৯.২ সেমি ৪৮.১ সেমি
৩৬ মাস - ৫০ সেমি ৫০ সেমি
৪৮ মাস - ৫০.৩ সেমি ৫০.৩ সেমি
৬০ মাস - ৫০.৮ সেমি ৫০.৮ সেমি

15/01/2026

কেন হঠাৎ ৩৫–৪০ বছরের মানুষ Stroke বা Heart attack করে মারা যাচ্ছে?
সাম্প্রতিক সময়ে আমরা ভয়ংকর একটা ট্রেন্ড দেখছি।

অনেক কম বয়সী (৩৫–৪০ বছর) মানুষ Hemorrhagic stroke বা Heart attack করে হঠাৎ মারা যাচ্ছেন।

সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়—

তাদের অনেকের ডায়াবেটিস নেই

প্রেশার নেই

কোলেস্টেরলও নাকি স্বাভাবিক

তাহলে সমস্যা কোথায়?

সমস্যাটা লুকিয়ে আছে অন্য জায়গায়

আজকের দিনে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের কারণ শুধু

ডায়াবেটিস–প্রেশার–কোলেস্টেরল নয়।

আসল নীরব ঘাতকগুলো হলো

চরম মানসিক চাপ (Stress)

ঘুমের ঘাটতি

হঠাৎ BP spike (যা নিয়মিত মাপলে ধরা পড়ে না)

Smoking / V**e / Jarda / Gutkha

হঠাৎ ভারী ব্যায়াম বা heavy lifting

Alcohol binge

Genetic দুর্বলতা

শরীরের ভেতরের নীরব inflammation ও clot tendency

অনেকে মনে করেন রিপোর্ট “Normal” থাকলেই ঝুঁকি নেই এই ধারণা এখন ভুল।

একটা কথা পরিষ্কার করে বলা দরকার

“আমি তো ডায়াবেটিস বা প্রেশারের রোগী নই”

এই বাক্যটাতে আর কোনো সুরক্ষা থাকার নয়।

আজকের Stroke ও Heart attack হচ্ছে

Stress + Inflammation + Lifestyle + Genetics এর সম্মিলিত ফল।

তাহলে আমরা কী করবো?

পর্যাপ্ত ঘুম (৭–৮ ঘণ্টা)

Stress control — এটা luxury না, এটা চিকিৎসা

হঠাৎ করে ভারী ব্যায়াম নয়

Smoking/V**e/Smokeless tobacco—Zero tolerance

Family history থাকলে আগেই screening

“ভালো আছি” ভাবার আগে শরীরের কথা শোনা

নিয়মিত রুটিন চেক আপ করা

মুল কথা হল

আজকের দিনে Heart attack ও Stroke আর শুধু বয়স্কদের রোগ না।

এগুলো হচ্ছে—অব্যবস্থাপিত এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের নীরব ফলাফল।

নিজের যত্ন নিন।

আপনি না থাকলে আপনার জায়গা কেউ পূরণ করতে পারবে না।

একটু সচেতনতা পারে প্রাণ বাঁচাতে❤️.

বাচ্চাকে জোর করে খাওয়াচ্ছেন, কিন্তু জোর করে ঘুম পাড়াতে পারছেন না? আপনি তার সবচেয়ে বড় ক্ষতিটা করছেন! 🌙❌মায়েরা প্রায়ই বলেন...
25/12/2025

বাচ্চাকে জোর করে খাওয়াচ্ছেন, কিন্তু জোর করে ঘুম পাড়াতে পারছেন না? আপনি তার সবচেয়ে বড় ক্ষতিটা করছেন! 🌙❌

মায়েরা প্রায়ই বলেন, "আমার বাচ্চা খায় না, তাই ও বড় হচ্ছে না।" কিন্তু বিজ্ঞান বলছে ভিন্ন কথা। বাচ্চা খাবার টেবিলে বড় হয় না, বাচ্চা বড় হয় বিছানায় - গভীর ঘুমের মধ্যে।

কেন রাত ১০টার মধ্যে ঘুমানো বাধ্যতামূলক? আর কেনই বা সে ঘুমাতে চায় না? আসুন বিজ্ঞানটা বুঝি।

📏 ১. উচ্চতা বৃদ্ধির ফ্যাক্টরি (Growth Hormone): মানুষের শরীর লম্বা হওয়ার জন্য যে HGH (Human Growth Hormone) প্রয়োজন, তার ৭৫% নিসৃত হয় ঘুমের মধ্যে। এর 'পিক টাইম' হলো রাত ১০টা থেকে রাত ২টা। বাচ্চা যদি ১১টায় ঘুমায়, তবে ও ডিপ স্লিপে যেতে যেতে ১২টা বেজে যাবে। অর্থাৎ, ও তার গ্রোথ হরমোনের সবচেয়ে ভাইটাল সময়টা মিস করলো।

🧠 ২. ব্রেইন ডিটক্স (The Glymphatic System): ঘুমের মধ্যে মস্তিষ্কের "Glymphatic System" বা ঝাড়ুদার চালু হয়, যা সারাদিনের জমে থাকা টক্সিন পরিষ্কার করে। এটি না হলে বাচ্চার মেধা এবং মনোযোগ কমে যায়।

🤯 বাচ্চা কেন ঘুমাতে চায় না? (The "Second Wind" Trap) আপনি কি খেয়াল করেছেন, রাত ৯টার দিকে বাচ্চার একটু ঝিমুনি আসে, কিন্তু সেটা পার হয়ে গেলে ১০টার পর সে হঠাৎ হাইপার-অ্যাক্টিভ হয়ে যায়? একে বলা হয় "Second Wind"। বাচ্চা যখন তার নির্দিষ্ট 'স্লিপ উইন্ডো' মিস করে, তখন শরীরকে জাগিয়ে রাখতে তার ব্রেইন Cortisol এবং Adrenaline (স্ট্রেস হরমোন) রিলিজ করে। ফলে সে আর ঘুমাতে পারে না, বরং আরও চঞ্চল হয়ে ওঠে।

বাচ্চা নিজ থেকে ঘুমাবে না, আপনাকেই পরিবেশ তৈরি করতে হবে।
১. Dim the Lights: সূর্যাস্তের পর থেকেই বাসার আলো কমিয়ে দিন। উজ্জ্বল আলো বাচ্চার ব্রেইনকে সিগন্যাল দেয় - "এখনো দিন আছে, জেদ করো!"
২. The Boredom Rule: শোবার ঘরকে 'বোরিং' বানান। কোনো খেলনা বা স্ক্রিন থাকবে না।
৩. Catch the Window: বাচ্চার প্রথম হাই তোলা বা চোখ ডলুনি দেখলেই বিছানায় নিন। ওই সময়টা মিস করলেই কিন্তু 'যুদ্ধ' শুরু হবে!

আজ থেকে ডিনার আর্লি, স্লিপও আর্লি!
©

ডিম খুবই জনপ্রিয় ও পুষ্টিকর একটি খাবার। তবে ডিম নিয়ে অনেকের কিছু কমন প্রশ্ন থাকে। আজ সেগুলোর উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করছি।🔹ড...
18/12/2025

ডিম খুবই জনপ্রিয় ও পুষ্টিকর একটি খাবার। তবে ডিম নিয়ে অনেকের কিছু কমন প্রশ্ন থাকে। আজ সেগুলোর উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করছি।

🔹ডিমে কী কী উপাদান থাকে?
ডিমে প্রধানত উচ্চমানের প্রোটিন থাকে, যা শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
ডিমের কুসুমে থাকে তিন ধরনের ফ্যাট— স্যাচুরেটেড ফ্যাট, মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট ও পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট

এর মধ্যে মনো ও পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট শরীরের জন্য উপকারী।
একটি ডিমে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে প্রায় ১.৫ গ্রাম।
একজন সুস্থ মানুষ প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২২ গ্রাম, আর হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তি ১৫ গ্রাম পর্যন্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাট গ্রহণ করতে পারেন।

🔹 প্রতিদিন কয়টি ডিম খাওয়া যায়?
এর উত্তর ব্যক্তিভেদে আলাদা।
যদি কোলেস্টেরল, হৃদরোগ বা স্ট্রোকের সমস্যা না থাকে, তাহলে দিনে ১–২টি ডিম খাওয়া যায়।
এসব সমস্যা থাকলে প্রতিদিন ১টি সিদ্ধ বা অল্প তেলে ভাজা ডিম খাওয়া নিরাপদ।
🔹 ডিম কুসুমসহ খাবো নাকি ছাড়া?
সুস্থ ব্যক্তিরা কুসুমসহ ডিম খেতে পারেন।
যাদের কোলেস্টেরল, হৃদরোগ বা স্ট্রোক আছে, তারা কুসুম ছাড়া খেতে পারেন।
তবে কুসুমে থাকা অল্প পরিমাণ স্যাচুরেটেড ফ্যাট সাধারণত সমস্যা তৈরি করে না।

🔹 ডিম ভেজে খাবো নাকি সিদ্ধ?
সিদ্ধ ডিম সবচেয়ে ভালো।
তবে সামান্য তেল দিয়ে ভাজা ডিমও খাওয়া যেতে পারে।
ভাজা ডিমে ক্যালোরি তুলনামূলক বেশি থাকে।

🔹 হাই প্রেসারের রোগীরা কি ডিম খেতে পারবেন?
অবশ্যই পারবেন। প্রতিদিন ১টি সিদ্ধ বা অল্প তেলে ভাজা ডিম খেলে সাধারণত কোনো সমস্যা হয় না।

ডাঃ রতীন্দ্র নাথ মন্ডল
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

18/12/2025

মাস্ক ব্যবহারের জন্য অনুরোধ!!!!

শীতকালে লম্বা সময় ধরে দেশে বৃষ্টি হয়না। এরফলে বাতাসে ধুলোবালি সহ দূষনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। যা নিশ্বাসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে মানুষকে অসুস্থ করে দেয়।

শীতকালে এমন সুন্দর আবহাওয়া দেখে আমরা অনেকেই আবহাওয়া বা বায়ুদূষণের দিকে ঠিকমতো খেয়াল রাখিনা। আর এই সুযোগেই দূষিত বায়ু আমাদের ফুসফুসের মারাত্মক ক্ষতি করে।

তাই এই অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষতি কিছুটা হলেও কমিয়ে আনতে বাইরে বের হলেই সবসময় মাস্ক ব্যবহার করবেন। মনে রাখবেন আপনার সচেতনতাই আপনাকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করবে।

ধন্যবাদ
BWOT

Address

Maulvi Bazar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Suchisree Saha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share