As sunnah hijama Ruqyah Center, Moulvibazar

As sunnah hijama Ruqyah Center, Moulvibazar আধুনিক প্রযুক্তিতে সুন্নাহ্ ভিক্তিক চিকিৎসা।
(1)

01/06/2026

💥হিজামা কি❓
👉 হিজামা হলো সুন্নাহভিত্তিক একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে শরীর থেকে ক্ষতিকর রক্ত বের করে দেওয়া হয়। একে Cupping Therapy ও বলা হয়।

💥হিজামা কিভাবে কাজ করে❓
👉 শরীরের নির্দিষ্ট স্থানে কাপ লাগিয়ে ভ্যাকুয়ামের মাধ্যমে জমে থাকা বিষাক্ত রক্ত ও টক্সিন বের করে দেওয়া হয়। এতে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায় এবং শরীর হালকা হয়।

💥 হিজামা সম্পর্কে হাদিস❓
👉 রাসূল ﷺ বলেছেন:
"তোমাদের চিকিৎসার সর্বোত্তম উপায় হলো হিজামা।"
(সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)

💥হিজামা সম্পর্কে মেডিক্যাল সাইন্স কি বলে❓
👉 আধুনিক চিকিৎসা গবেষণা অনুযায়ী, হিজামা রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে, প্রদাহ কমায়, ব্যথা উপশম করে এবং শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সহায়তা করে।

💥হিজামার উপকারীতা কি কি❓
✅ শরীর থেকে টক্সিন দূর করে।
✅ মাথাব্যথা ও মাইগ্রেন কমায়।
✅ জয়েন্ট পেইন ও ব্যাক পেইনে উপকারী।
✅ রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে।
✅ মানসিক প্রশান্তি আনে।
✅বাত ও এলার্জি দূর করে।

আস সুন্নাহ হলিস্টিক হেলথ সেন্টার, মৌলভীবাজার।
শাহ মোস্তফা রোড, সুলতানপুর পয়েন্ট।
📞01856-992217.

যাদুকররা কোরবানির গরুর মাথা ও পায়ের বড় হাড় গুলো দিয়ে যাদু করে থাকে, তাই মুমিনদের দ্বায়িত্ব  এভাবেই হাড়কে ছিদ্র করে দেয়া।
29/05/2026

যাদুকররা কোরবানির গরুর মাথা ও পায়ের বড় হাড় গুলো দিয়ে যাদু করে থাকে, তাই মুমিনদের দ্বায়িত্ব এভাবেই হাড়কে ছিদ্র করে দেয়া।

আরাফার দিনে আপনার করণীয় — জিন, জাদু ও বদনজরের রোগীদের জন্য সম্পূর্ণ গাইডলাইন৯ জিলহজ — পবিত্র আরাফার দিন। বছরের সবচেয়ে ...
26/05/2026

আরাফার দিনে আপনার করণীয় — জিন, জাদু ও বদনজরের রোগীদের জন্য সম্পূর্ণ গাইডলাইন

৯ জিলহজ — পবিত্র আরাফার দিন। বছরের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং বরকতময় একটি দিন। বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন ধরে জিন, জাদু, বদনজর বা অজানা কোনো শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতায় ভুগছেন, তাদের জন্য এই দিনটি হতে পারে সুস্থতার এক চূড়ান্ত টার্নিং পয়েন্ট।

এই দিনটি কেন এত বিশেষ এবং জিনের রোগীদের জন্য কেন এটি সবচেয়ে বড় সুযোগ— তা বুঝতে হলে আমাদের রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বর্ণিত চারটি অকাট্য হাদিস এবং এর পেছনের হিকমাহ বা দর্শন গভীরভাবে উপলব্ধি করতে হবে:

এক — এই দিনের রোজা দুই বছরের গুনাহ মাফ করে দেয়
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

صِيَامُ يَوْمِ عَرَفَةَ أَحْتَسِبُ عَلَى اللَّهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِي قَبْلَهُ وَالسَّنَةَ الَّتِي بَعْدَهُ

"আরাফার দিনের রোজার ব্যাপারে আমি আল্লাহর কাছে আশা রাখি যে, তিনি এর দ্বারা আগের এক বছরের এবং পরের এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেবেন।"
(সহীহ মুসলিম: ১১৬২)

জিন-জাদুর চিকিৎসায় সবচেয়ে বড় বাধা বা 'স্পিরিচুয়াল ব্লকেজ' হলো আমাদের নিজেদের গুনাহ। গুনাহের কারণেই শয়তান আমাদের শরীরে শক্তিশালী ঘাঁটি তৈরি করার সুযোগ পায়। যখন আরাফার রোজার উসিলায় আপনার বিগত এক বছর এবং আগামী এক বছরের গুনাহ মাফ হয়ে যায়, তখন আপনার রুহানি জগত সম্পূর্ণ পবিত্র হয়ে যায়। গুনাহের অন্ধকার দূর হয়ে যাওয়ার কারণে শয়তান আপনার শরীরে আর কোনো আশ্রয় বা শক্তি পায় না। ফলে রুকইয়াহ তখন সরাসরি জাদুর শেকড়ে আঘাত করতে পারে।

দুই — এই দিনের দুআ বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ দুআ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

خَيْرُ الدُّعَاءِ دُعَاءُ يَوْمِ عَرَفَةَ وَخَيْرُ مَا قُلْتُ أَنَا وَالنَّبِيُّونَ مِنْ قَبْلِي لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

"সর্বশ্রেষ্ঠ দুআ হলো আরাফার দিনের দুআ। আর আমি এবং আমার পূর্বের নবীগণ সবচেয়ে উত্তম যা বলেছি তা হলো: 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদীর।'"
(সুনানুত তিরমিজি: ৩৫৮৫, হাসান)

এই দুআটি মূলত একত্ববাদ বা তাওহিদের ঘোষণাপত্র। শয়তান ও জাদুকরদের সমস্ত শক্তির মূল ভিত্তি হলো শিরক। আর শিরককে ধ্বংস করার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো নিখাদ তাওহিদ। আরাফার দিন যখন একজন মুমিন এই তাওহিদের কালিমা বারবার উচ্চারণ করেন, তখন এর নূর ও শক্তিতে শয়তানের তৈরি করা জাদুর সমস্ত জাল ও কুফরি গিটগুলো ভেতর থেকে পুড়ে ছাই হয়ে যায় বি-ইজনিল্লাহ।

তিন — এই দিনে আল্লাহ সবচেয়ে বেশি মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

مَا مِنْ يَوْمٍ أَكْثَرَ مِنْ أَنْ يُعْتِقَ اللَّهُ فِيهِ عَبْدًا مِنَ النَّارِ مِنْ يَوْمِ عَرَفَةَ وَإِنَّهُ لَيَدْنُو ثُمَّ يُبَاهِي بِهِمُ الْمَلَائِكَةَ

"আরাফার দিনের চেয়ে বেশি কোনো দিনে আল্লাহ তাঁর বান্দাদের জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন না। তিনি (এই দিনে বান্দাদের) নিকটবর্তী হন, অতঃপর তাদের নিয়ে ফেরেশতাদের কাছে গর্ব করেন।"
(সহীহ মুসলিম: ১৩৪৮)

জাদু বা জিনের আছরে আক্রান্ত হওয়া মানে দুনিয়ার বুকেই এক ধরনের জাহান্নাম বা বন্দিদশার আজাব ভোগ করা। যে মহান আল্লাহ আরাফার দিনে অগণিত পাপী বান্দাকে চিরস্থায়ী জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দেওয়ার ফয়সালা করেন, সেই রবের কাছে যদি আপনি চোখের পানি ফেলে জাদুর এই বন্দিদশা থেকে মুক্তি চান, তবে তিনি কেন আপনাকে ফেরাবেন? যেহেতু আল্লাহ এই দিন বান্দার সবচেয়ে কাছাকাছি আসেন, তাই আপনার ফরিয়াদ সরাসরি আরশে পৌঁছানোর এটাই সবচেয়ে বড় সুযোগ।

চার — শয়তানের চরম লাঞ্ছনা ও দুর্বলতার দিন
হাদিসে এসেছে:

مَا رُئِيَ الشَّيْطَانُ يَوْمًا هُوَ فِيهِ أَصْغَرُ وَلَا أَدْحَرُ وَلَا أَحْقَرُ وَلَا أَغْيَظُ مِنْهُ فِي يَوْمِ عَرَفَةَ

"আরাফার দিনের চেয়ে বেশি ছোট, বেশি অপদস্থ, বেশি লাঞ্ছিত এবং বেশি রাগান্বিত অবস্থায় শয়তানকে আর কোনো দিন দেখা যায়নি।"
(মুয়াত্তা মালেক: ১৬৬১)

জিনের রোগীদের জন্য এটি হলো সবচেয়ে বড় সুসংবাদ এবং চিকিৎসার মূল চাবিকাঠি। বছরের অন্য দিনগুলোতে শয়তান শক্তিশালী থাকলেও, আরাফার দিনে সে সবচেয়ে বেশি দুর্বল, পর্যুদস্ত ও অপমানিত অবস্থায় থাকে। সামরিক বিজ্ঞানের নিয়ম হলো— শত্রু যখন সবচেয়ে দুর্বল থাকে, ঠিক তখনই তার ওপর চূড়ান্ত আঘাত হানতে হয়। যেহেতু শয়তান আজ দুর্বল, তাই আজ রোজা রেখে রুকইয়াহ ও দুআ করলে আপনার শরীরে লুকিয়ে থাকা জাদুকর জিন বা জাদুর শক্ত গিটগুলো খুব সহজেই ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

উপরোক্ত হাদিসগুলো থেকে আমরা বুঝতে পারলাম যে, আরাফার দিনটি কোনো সাধারণ দিন নয়, বরং এটি আত্মশুদ্ধি ও আরোগ্যের এক মহাসুযোগ।

এখন আসুন, এই সুবর্ণ দিনটিতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আপনি ঠিক কীভাবে আমল করবেন এবং নিজের চিকিৎসার রুটিন সাজাবেন, তা ধাপে ধাপে জেনে নিই:

১. সাহরী ও ফজর (প্রস্তুতির শুরু)

রোজার নিয়তে সাহরী গ্রহণ করুন। সাহরীতে অবশ্যই আজওয়া খেজুর, খাঁটি মধু ও পর্যাপ্ত পানি রাখুন। এগুলো আপনার শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করবে। ফজরের সালাত জামাতের সাথে আদায় করুন। ফজরের পর সকালের মাসনুন আযকারগুলো অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। এরপর আরাফার দিনের বিশেষ আমল তাকবীরে তাশরিক পড়া শুরু করুন:
اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ

২. সকাল থেকে যোহর (পবিত্রতা, রুকইয়াহ গোসল ও সাদাকাহ)

সকালের এই সময়টুকু অযথা নষ্ট না করে আরাফার সেই শ্রেষ্ঠ দুআ (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু...) বারবার পড়তে থাকুন। বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করুন অথবা ঘরে সূরা বাকারাহর অডিও মৃদু আওয়াজে চালু রাখুন।

যোহরের ওয়াক্ত হওয়ার আগেই আপনার প্রথম কাজ হবে রুকইয়াহর পানি দিয়ে গোসল করে নেওয়া। বালতির পানিতে বরই পাতা বাটা, সামান্য লবণ ও গোলাপজল মিশিয়ে তাতে রুকইয়াহর আয়াত পড়ে ফুঁ দিন এবং সেই পানি দিয়ে গোসল করুন। গোসলের পর পুরো শরীরে রুকইয়াহ করা অলিভ অয়েল ভালোভাবে মেখে নিন। এটি আপনার শরীরের লোমকূপ দিয়ে নেতিবাচক শক্তি বের করে দেবে এবং একটি সুরক্ষা বলয় তৈরি করবে।

এছাড়া, আজ দিনের বেলায় অবশ্যই আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী সাদাকাহ করুন। এমন কোনো অভাবী মানুষকে খুঁজে বের করুন যার সত্যিই টাকার প্রয়োজন (হাজত) আছে। মনে রাখবেন, ঈদের আগের মুহূর্তে বা ঈদের দিন জিনের রোগীদের ওপর শয়তানের আক্রমণ বহুগুণ বেড়ে যায়। আপনার এই একনিষ্ঠ সাদাকাহ শয়তানের সেই আচমকা বালা-মুসিবত দূর করার জন্য একটি অভেদ্য ঢাল হিসেবে কাজ করবে।

৩. যোহরের পর থেকে আসর (সেলফ রুকইয়াহ ও হাতিয়ার প্রস্তুতকরণ)

রোজা অবস্থায় দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার ফলে যোহরের পর আপনার শরীর এমনিতেই 'ন্যাচারাল ডিটক্স' বা অটোফ্যাজি মোডে চলে যায়। এই সময়ে সেলফ রুকইয়াহ করুন। সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসী, সূরা বাকারাহর শেষ ২ আয়াত, তিন কুল (ইখলাস, ফালাক, নাস) এবং সূরা সাফফাতের প্রথম ১০ আয়াত বারবার পড়ে নিজের শরীরে ফুঁ দিন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ: আজ সারাদিন আপনি যত দুআ করেছেন, কুরআন পড়েছেন এবং এই রুকইয়াহ করেছেন, তার সবকিছু শেষে আপনার সামনে রাখা খাবার পানির বোতল এবং অলিভ অয়েলের বোতলে বারবার ফুঁ দিন। আরাফার দিনের এই ইবাদত ও কুরআনের বরকত মিশ্রিত পড়া পানি ও তেল ঈদের দিনের বিপদে আপনার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হবে।

৪. আসর থেকে মাগরিব (দিনের সবচেয়ে শক্তিশালী সময়)

এটি আজকের দিনের ক্লাইম্যাক্স বা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। রোজা অবস্থায় ইফতারের আগের মুহূর্তগুলোতে বান্দার দুআ সরাসরি কবুল হয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

ثَلَاثَةٌ لَا تُرَدُّ دَعْوَتُهُمْ: الصَّائِمُ حَتَّى يُفْطِرَ

"তিন ব্যক্তির দুআ ফিরিয়ে দেওয়া হয় না: (তার মধ্যে একজন হলো) রোজাদার — যতক্ষণ না সে ইফতার করে।"
(সুনানু ইবনি মাজাহ: ১৭৫২)

এই মহামূল্যবান সময়ে দুনিয়ার সব কাজ ফেলে জায়নামাজে বসে যান এবং নিচের তিনটি কাজ করুন:
প্রথমত — শিফার দুআ পড়ুন:

اللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ أَذْهِبِ الْبَأْسَ اشْفِهِ وَأَنْتَ الشَّافِي لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا

"হে আল্লাহ, মানুষের রব! কষ্ট দূর করে দিন, শিফা দান করুন। আপনিই শিফাদাতা। আপনার শিফা ছাড়া কোনো শিফা নেই। এমন শিফা দান করুন যার পরে কোনো রোগ অবশিষ্ট না থাকে।"
(সহীহ বুখারী: ৫৬৮৫, সহীহ মুসলিম: ২১৯১)

এই দুআ পড়ার পর নিজের মাতৃভাষায় আল্লাহর কাছে কাঁদতে কাঁদতে ফরিয়াদ করুন যেমন— "হে আল্লাহ, আমার শরীর থেকে সকল রোগ-ব্যাধি, বদনজর, হাসাদ, জাদুর প্রতিটি কণা, প্রতিটি গিট এবং জালেম শয়তান-জিনকে বের করে দিন, ধ্বংস করে দিন। আমাকে এমন পরিপূর্ণ সুস্থতা দান করুন যার পরে আর কোনো রোগ অবশিষ্ট না থাকে।"

দ্বিতীয়ত — জালেমদের বিরুদ্ধে দুআ (পাল্টা আঘাত):

আপনার জীবনে যারা জুলুম করেছে, যারা আপনার ওপর জাদু করেছে — আজ তাদের বিচার আল্লাহর কাছে ছেড়ে দিন। তবে কখনো কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম ধরে বদদুআ করবেন না, কারণ আপনার সন্দেহ ভুলও হতে পারে। বরং শ্রেণীভিত্তিক দুআ করুন:

"হে আল্লাহ! যে ব্যক্তি আমার ক্ষতি করার জন্য কোনো জাদুকরের কাছে গিয়েছে — সে পুরুষ হোক বা নারী — আপনি তার ষড়যন্ত্র তার ওপরই ফিরিয়ে দিন।"

"হে আল্লাহ! যে জাদুকর আমার জীবন ধ্বংসের জন্য জাদু করেছে — আপনি তার জাদু ধ্বংস করে দিন।"

"হে আল্লাহ! যে জিন বা শয়তান আমাকে কষ্ট দিচ্ছে — আপনি তাকে আমার কাছ থেকে বিতাড়িত করুন। যদি সে হেদায়াত গ্রহণ না করে তবে আপনার আযাব তার ওপর নাযিল করুন।"

তৃতীয়ত — দুনিয়াবী সকল প্রয়োজনের দুআ:

শুধু রোগমুক্তি নয় — আপনার জীবনের যেকোনো সমস্যা আজ রবের দরবারে তুলে ধরুন। ঋণের বোঝা, রিজিকের সংকট, সন্তানের সমস্যা, বিয়ের বাধা, পরীক্ষার ফলাফল, চাকরি, পারিবারিক অশান্তি — সবকিছু। কারণ আরাফার দিনের দুআ সর্বশ্রেষ্ঠ দুআ এবং আল্লাহ এই দিনে বান্দার সবচেয়ে নিকটবর্তী থাকেন।

যত পারেন কাঁদুন। চোখের পানি না আসলেও কান্নার ভান করুন। আল্লাহর সামনে নিজেকে সম্পূর্ণ অসহায়, ভিখারি ও নিঃস্ব হিসেবে পেশ করুন।

৫. মাগরিব (ইফতার) ও ইশা

ইফতারের ঠিক আগের মুহূর্তে শেষবারের মতো দুআ করুন। তারপর খেজুর ও পানি দিয়ে ইফতার করুন। ইফতারের পর মাগরিবের সালাত পড়ুন এবং তাকবীরে তাশরিক পড়ুন।

৬. রাত ও ঈদের দিনের বিশেষ সতর্কতা (এক্সিট প্ল্যান)

রাতে ঘুমানোর আগে শরীরে আবারও রুকইয়াহ করা অলিভ অয়েল ভালোভাবে মেখে নিন। সম্ভব হলে রাতে তাহাজ্জুদ পড়ুন এবং আবারও দুআ করুন। কারণ রাতের শেষ তৃতীয়াংশে আল্লাহ দুনিয়ার আসমানে নেমে আসেন।

একটি অত্যন্ত জরুরি সতর্কতা: আরাফার দিনের জিকির, কুরআন ও রুকইয়াহ পড়ে ফুঁ দেওয়া যে পানি ও অলিভ অয়েল আপনি প্রস্তুত করেছেন, তা ঈদের দিন এবং ঈদের পরবর্তী ৩ দিন পর্যন্ত নিয়মিত পান করবেন, গোসলে ব্যবহার করবেন এবং শরীরে মাখবেন।

এর কারণ হলো, ঈদের দিন মানুষের আমল কমে যায় এবং শয়তান এই সুযোগে রুকইয়াহ করা রোগীদের ওপর 'রিভেঞ্জ অ্যাটাক' বা আচমকা পাল্টা আক্রমণ করে। আরাফার দিনের বরকতময় এই পানি ও তেল ঈদের দিন শয়তানের যেকোনো আক্রমণ থেকে আপনাকে একটি শক্তিশালী বর্মের মতো সুরক্ষিত রাখবে ইনশাআল্লাহ।

আরাফার দিন একবার চলে গেলে আর ফিরে আসবে না — পুরো এক বছর পর্যন্ত আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে। এই একটি দিনকে কোনোভাবেই হেলায় হারাবেন না।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে আরাফার দিনের পূর্ণ বরকত নসিব করুন, আমাদের সকল দুআ কবুল করুন এবং সকল প্রকার জিন, জাদু ও বদনজরের প্রভাব থেকে উম্মাহকে হেফাজত করুন। আমীন।

💥হিজামা কি❓👉 হিজামা হলো সুন্নাহভিত্তিক একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে শরীর থেকে ক্ষতিকর রক্ত বের করে দেওয়া হয়। একে Cupping ...
28/04/2026

💥হিজামা কি❓
👉 হিজামা হলো সুন্নাহভিত্তিক একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে শরীর থেকে ক্ষতিকর রক্ত বের করে দেওয়া হয়। একে Cupping Therapy ও বলা হয়।

💥হিজামা কিভাবে কাজ করে❓
👉 শরীরের নির্দিষ্ট স্থানে কাপ লাগিয়ে ভ্যাকুয়ামের মাধ্যমে জমে থাকা বিষাক্ত রক্ত ও টক্সিন বের করে দেওয়া হয়। এতে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায় এবং শরীর হালকা হয়।

💥 হিজামা সম্পর্কে হাদিস❓
👉 রাসূল ﷺ বলেছেন:
"তোমাদের চিকিৎসার সর্বোত্তম উপায় হলো হিজামা।"
(সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)

💥হিজামা সম্পর্কে মেডিক্যাল সাইন্স কি বলে❓
👉 আধুনিক চিকিৎসা গবেষণা অনুযায়ী, হিজামা রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে, প্রদাহ কমায়, ব্যথা উপশম করে এবং শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সহায়তা করে।

💥হিজামার উপকারীতা কি কি❓
✅ শরীর থেকে টক্সিন দূর করে।
✅ মাথাব্যথা ও মাইগ্রেন কমায়।
✅ জয়েন্ট পেইন ও ব্যাক পেইনে উপকারী।
✅ রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে।
✅ মানসিক প্রশান্তি আনে।
✅বাত ও এলার্জি দূর করে।
✅হাই প্রেসার।
🏥আস সুন্নাহ্ হেলথ কেয়ার এন্ড দাওয়াখানা।
শাহ মোস্তফা রোড, সুলতানপুর পয়েন্ট।
📞01856-992217.
📞01714-456204.

26/03/2026

আলহামদুলিল্লাহ গতকাল ২টা বাচ্চার ডিভাইস কসমেটিক খতনা করা হয়েছে, সিলেটের সুনামধন্য ও দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞ ডা. সালমান আহমদ অত্যান্ত সফল ও সুন্দর ভাবে আমার প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত খতনা করছেন।
যাদের সোনা মনিদের নিরাপদ খতনা করাতে চান আমাদের চেম্বারে খতনা করাতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।

আস সুন্নাহ হেলথ কেয়ার এন্ড দাওয়াখানা।
শাহ মোস্তফা রোড, সুলতানপুর পয়েন্ট।
📞01714-456204.

16/03/2026

ন্যাচারাল ক্যালসিয়াম সবার জন্য নিরাপদ ও কার্যকর।

06/03/2026

জরুরী হেলথ টিপস, রাতে এসব খাবার থেকে বিরত থাকাই উচিত।

01/03/2026

🌺আলহামদুলিল্লাহ,, বাচ্চাদের জন্য নিরাপদ খতনা হলো কসমেটিক ডিভাইস খতনা, কষ্ট নেই ও বাচ্চারা সাহজেই হাটা চলাচল করতে পারে, গোসল ও করতে পারে, তাই নিরাপদ খতনা করাতে চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ডাক্তার দ্বারা খতনা করা হয়।
🌺প্রয়োজনে কল করুন।
📞01714-456204.

Address

Moulvibazar
Maulvi Bazar
3200

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 18:00
Thursday 10:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Telephone

+8801714456204

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when As sunnah hijama Ruqyah Center, Moulvibazar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to As sunnah hijama Ruqyah Center, Moulvibazar:

Share