Nutritionist Sadiya Smreety

Nutritionist Sadiya Smreety Let’s make nutrition work for U.
(1)

Hi I’m Sadiya Smreety,a Nutritionist who believes that healthy eating can be simple, enjoyable & life-changing.I help people make small, sustainable changes that lead to better energy, stronger immunity & overall wellness.

সুস্থ থাকতে প্রতিদিনের খাবারে একটু সচেতনতা জরুরি : আমাদের অনেকেরই খাবার ও স্বাস্থ্য নিয়ে কিছু প্রচলিত ধারণা আছে, যেগুলোর...
08/08/2026

সুস্থ থাকতে প্রতিদিনের খাবারে একটু সচেতনতা জরুরি :

আমাদের অনেকেরই খাবার ও স্বাস্থ্য নিয়ে কিছু প্রচলিত ধারণা আছে, যেগুলোর সবগুলো সঠিক নয়। চলুন জেনে নিই কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—

❌ না খেয়ে ওজন কমানো?

খাবার বন্ধ করে বা অতিরিক্ত কম খেয়ে ওজন কমানোর চেষ্টা স্বাস্থ্যকর পদ্ধতি নয়। এতে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে ওজন নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ে।

✅ সঠিক পদ্ধতি:

সুষম খাবার, পরিমিত ক্যালরি, পর্যাপ্ত প্রোটিন, শাকসবজি ও নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রমের মাধ্যমে ধীরে ধীরে স্বাস্থ্যকর ওজনের দিকে এগিয়ে যান।

💧 খাবারের সাথে পানি পান করা যাবে?

খাবারের মাঝে পানি পান না করা ভালো। খাবারের আগে বা খাবারের পর স্বাভাবিক পরিমাণ পানি পান করা সাধারণত ক্ষতিকর নয়। বরং পর্যাপ্ত পানি শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও হজমে সহায়তা করে।

তবে একসাথে অতিরিক্ত পানি পান করলে পেট ভার বা অস্বস্তি হতে পারে।

🍎 বিকেলের নাস্তায় কী খাচ্ছেন?

প্রতিদিনের ছোট ছোট খাবারের সিদ্ধান্তও আপনার দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলতে পারে।

চায়ের সাথে নিয়মিত বিস্কুট, সিঙাড়া বা চিপসের পরিবর্তে বেছে নিতে পারেন—

১. একমুঠো বাদাম
২. তাজা ফল
৩. টকদই
৪.পপরর্ণ
৫.স্বাস্থ্যকর ঘরে তৈরি স্ন্যাক্স

মনে রাখবেন,

সুস্থ থাকার জন্য খাবার বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন সঠিক খাবার ও সঠিক অভ্যাস।

আপনার বয়স, ওজন ও জীবনযাত্রা অনুযায়ী স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও ডায়েট প্ল্যানের জন্য ইনবক্স করুন।

Nutritionist Sadiya Smreety

আমরা যেমন মানুষের সাথে মিশি, আমাদের মনমানসিকতাও ঠিক সেভাবেই গড়ে ওঠে। আপনি যখন প্রতিনিয়ত নেতিবাচক কথা, অভিযোগ আর হতাশার ম...
28/07/2026

আমরা যেমন মানুষের সাথে মিশি, আমাদের মনমানসিকতাও ঠিক সেভাবেই গড়ে ওঠে। আপনি যখন প্রতিনিয়ত নেতিবাচক কথা, অভিযোগ আর হতাশার মাঝে থাকবেন, ধীরে ধীরে আপনার নিজের ভাবনার জগতটাও সেদিকেই ঢলে পড়বে। অন্যের নেগেটিভ চিন্তা আপনার ভেতরের বিশ্বাস আর স্বপ্নগুলোকে অকালেই ধূলিসাৎ করে দিতে পারে।অথচ জীবনটা অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত। এই অল্প সময়ে নিজের মনের শান্তি ধরে রাখাটা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। যে মানুষগুলো আপনাকে অনুপ্রেরণা দেয়, বিপদে পাশে দাঁড়ায় এবং ইতিবাচক চিন্তা করতে শেখায়—তাদের সাথেই আমাদের কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত মূল্যবান।তাই নিজের মানসিক শান্তি রক্ষা করতে, পজিটিভ মানুষ আর পজিটিভ পরিবেশ বেছে নিন🤍

মনে রাখবেন,

আপনার আশেপাশের মানুষগুলোকে বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা সম্পূর্ণ আপনার। যা আপনার মানসিক শান্তি নষ্ট করে, সেখান থেকে দূরত্ব বজায় রাখা কোনো অন্যায় নয়—এটা আত্মরক্ষার এক সুন্দর উপায়।সুন্দর একটি মন এবং ইতিবাচক পরিবেশ আপনাকে জীবনের যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতে পথ দেখাবে।
নিজের ভেতরের শান্তিকে প্রাধান্য দিন, পজিটিভিটি ছড়িয়ে দিন চারপাশে!

আপনার কিডনি কি সত্যিই সুস্থ আছে?কিডনি নীরবে কাজ করে, কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত হলে অনেক সময় শেষ পর্যায় পর্যন্ত কোনো লক্ষণই প্রক...
21/07/2026

আপনার কিডনি কি সত্যিই সুস্থ আছে?

কিডনি নীরবে কাজ করে, কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত হলে অনেক সময় শেষ পর্যায় পর্যন্ত কোনো লক্ষণই প্রকাশ পায় না। তাই কিডনির যত্ন নেওয়া শুরু হোক আজ থেকেই—সচেতন খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের মাধ্যমে।

কিডনি আমাদের শরীরের প্রাকৃতিক ফিল্টার। এটি প্রতিদিন রক্ত পরিশোধন করে, শরীর থেকে বিষাক্ত বর্জ্য বের করে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং শরীরে পানি ও খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখে। তাই সুস্থ কিডনি মানেই শরীর সুস্থ থাকার পূর্বাভাস!

✍🏻কিডনি ভালো রাখতে প্রতিদিন যা করবেন :

১. পর্যাপ্ত পানি পান করুন :

সাধারণভাবে প্রতিদিন ২.৫–৩ লিটার (প্রায় ৮–১০ গ্লাস) বিশুদ্ধ পানি পান করুন। তবে যদি কিডনি, হৃদরোগ বা লিভারের কোনো সমস্যা থাকে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পানির পরিমাণ নির্ধারণ করুন।

২. রঙিন ফল রাখুন খাদ্য তালিকায় :

আপেল, পেয়ারা, আনারস, ড্রাগন ফ্রুট ও বিভিন্ন ধরনের বেরি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ, যা শরীরের কোষকে সুরক্ষা দিতে সহায়তা করে।

৩. সহজপাচ্য শাকসবজি বেশি খান :
লাউ, শসা, পেঁপে, বাঁধাকপি, ফুলকপি ও অন্যান্য মৌসুমি শাকসবজি কিডনির জন্য উপকারী এবং শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি যোগায়।

৪. রান্নায় প্রাকৃতিক মসলা ব্যবহার করুন :
পেঁয়াজ ও রসুনে থাকা উপকারী উপাদান প্রদাহ কমাতে এবং শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধক্ষমতা বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে।

⚠️ যেসব অভ্যাস কিডনির জন্য ক্ষতিকর!!!!

১.অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ করবেন না :

কাঁচা লবণ, প্রসেসড, ক্যানজাত ও অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়িয়ে কিডনির ক্ষতি করতে পারে।

২. রোটিন পরিমিত পরিমাণে গ্রহণ করুন :
অতিরিক্ত লাল মাংসের পরিবর্তে নদীর মাছ, দেশি মুরগি ও ডিমের সাদা অংশ বেছে নিন।

৩. কোমল পানীয় ও অতিরিক্ত চিনি এড়িয়ে চলুন : এসব খাবার ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

✍🏻ইচ্ছেমতো Painkiller খাবেন না :
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ বা অপ্রয়োজনীয় সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ কিডনির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

✍🏻সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন। কারণ বিশ্বজুড়ে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের অন্যতম প্রধান কারণ এই দুটি রোগের উপস্থিতি।

✅নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন :

যাদের পরিবারে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা কিডনি রোগের ইতিহাস রয়েছে, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত Serum Creatinine, Urine R/M/E এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য পরীক্ষা করান।

মনে রাখবেন—

“কিডনি সুস্থ থাকলে জীবনও থাকে স্বস্তিতে।
আজকের সচেতনতাই আগামী দিনের সুস্থতার সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ।”

ভালো লাগলে পোস্টটি শেয়ার করুন। আপনার একটি শেয়ার হয়তো কাউকে সময়মতো সচেতন হতে সাহায্য করবে।

Nutritionist Sadiya Smreety

https://www.ajkerpatrika.com/health/ajpl0klwvucu8?
12/07/2026

https://www.ajkerpatrika.com/health/ajpl0klwvucu8?

মাইগ্রেন মাথাব্যথার অন্যতম কারণ। মাইগ্রেন জেনেটিক কারণে হয়ে থাকলেও এর সঙ্গে আরও অনেক কারণ জড়িত থাকে। সাধারণত ১০ ...

Your Health Goals, Just a Click Away! Introducing Online Consultations with Nutritionist Sadiya Smreety!!  🩶 No matter w...
07/07/2026

Your Health Goals, Just a Click Away! Introducing Online Consultations with Nutritionist Sadiya Smreety!! 🩶 No matter where you are, expert nutrition guidance is now accessible right from the comfort of your home.

✍🏻Whatsapp : 01719086280

Get a complete 1-Month Weight Loss Package with Nutritionist Sadiya Smreety for only BDT 1,000/-

"দুধের সাথে  কাচা হলুদ ( হলদে দুধ)  মিশিয়ে খাওয়ার উপকারিতা "কাচা হলুদের অনেক উপকারি দিক আছে, যা আমরা জানিনা।প্রচুর পরিমা...
28/06/2026

"দুধের সাথে কাচা হলুদ ( হলদে দুধ) মিশিয়ে খাওয়ার উপকারিতা "

কাচা হলুদের অনেক উপকারি দিক আছে, যা আমরা জানিনা।প্রচুর পরিমাণে এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকার কারণে দুধের সাথে পরিমাণ মতো কাচা হলুদ কুচি বা জ্বাল দেওয়া দুধ আর হলুদের মিশ্রণ আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। এটি এন্টিভাইরাল আর এন্টি ব্যাক্টেরিয়াল উপাদান হিসেবে কাজ করে। এর উপকারী দিকগুলো হলো :

✅ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে আর ভাইরাস আক্রমণের হাত থেকে আমাদের রক্ষা করে এই হলুদ-দুধের মিশ্রণ।

✅মাথাব্যথা কমাতে সাহায্য করে: হলুদের এন্টি অক্সিডেন্ট দুধের সাথে মিশে প্রাকৃতিক অ্যাসপেরিনের কাজ করে, যা মাথাব্যথা কমাতে সাহায্য করে। তাই মাথা ব্যাথা হলে চা,কফি না খেয়ে হলুদ মেশানো দুধ খাওয়া ভালো।

✅ যাদের হজমে সমস্যা আছে,তারা এক্সপার্টের পরামর্শ নিয়ে নিয়মিত খেতে পারেন এই দুধ।

✅ন্যাচারাল এন্টি সেপটিক হিসেবে কাজ করে কাচা হলুদ আর দুধের মিশ্রণ।
✅ ঘুমের সমস্যা দূর করতে খেতে পারেন হ্লুদ মিশ্রিত দুধ।

✅লিভার ঠিক রাখে,রক্ত পরিশোধন ও সঞ্চালনেও সাহায্য করে এই মিশ্রণ

✅পিরিয়ড পেইন কমাতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

✅শরীরের বিভিন্ন ধরনের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। হাড়ের শক্তি বাড়ায়।

✅ঠান্ডার সমস্যা দূর করে আর ড্রাই কফ কমাতেও সাহায্য করে এই হলুদ মেশানো দুধ।অনেক সময়আর্থ্রাইটিস প্রতিরোধে ভূমিকা রাখতে পারে।

⭕ আপনি হলুদ মেশানো দুধ খেতে পারবেন কিনা তা অবশ্যই এক্সপার্ট বা ডায়েটিশিয়ান থেকে জেনে নিবেন। যাদের IBS বা আরো কিছু শারীরিক সমস্যা আছে,তাদের জন্য এই মিশ্রণ সুইটেবল নাও হতে পারে।

আজ এ পর্যন্তই।

PC : internet

সিজারিয়ানের পর মেদহীন ফিট শরীর: স্বপ্ন নয়, সঠিক নিয়মেই সম্ভব!নুসরাতের (কাল্পনিক নাম) ইদানিং কিছুই ভালো লাগে না। আয়নার স...
26/06/2026

সিজারিয়ানের পর মেদহীন ফিট শরীর: স্বপ্ন নয়, সঠিক নিয়মেই সম্ভব!

নুসরাতের (কাল্পনিক নাম) ইদানিং কিছুই ভালো লাগে না। আয়নার সামনে দাঁড়ানো বন্ধ করে দিয়েছেন বহুদিন। আয়নায় ছিপছিপে দেহের বদলে পেটের থলথলে রূপ তিনি কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না। মাঝে মাঝে বাচ্চার ওপর রাগ হয়, আবার পরক্ষণেই অপরাধবোধে ভোগেন। নুসরাতের মতো এমন হাজারো নতুন মা ভাবেন—"মা হওয়া মানেই বুঝি নিজের আকর্ষণীয় শরীরটাকে চিরতরে বিদায় জানানো!"

​আসলেই কি তাই? একদমই নয়!

​এটা সত্যি যে সিজারিয়ান (C-Section) অপারেশনের পর পেটের মেদ কমানো এবং পেশীর শিথিলতা দূর করা স্বাভাবিক ডেলিভারির চেয়ে একটু বেশি কঠিন ও সময়সাপেক্ষ। সিজারিয়ানের সময় পেটের নিচের দিকের পেশী এবং কানেক্টিভ টিস্যু কাটা পড়ে, যার ফলে তলপেট ঝুলে যায়। কিন্তু সঠিক সময়ে সঠিক ফিজিওথেরাপি গাইডলাইন ও নিয়ম মানলে আগের সেই ফিটনেস ফিরে পাওয়া পুরোপুরি সম্ভব।

​নতুন মায়েদের জন্য সুস্থ ও ফিট থাকার একটি ধাপে ধাপে গাইডলাইন নিচে দেওয়া হলো:

✅​ প্রথম ৬ সপ্তাহ: পেশী পুনর্গঠনের প্রস্তুতি:

​সন্তান জন্মের প্রথম ৬ সপ্তাহ পেটের ওপর কোনো চাপ দেওয়া যাবে না। তবে এই সময় বিছানায় শুয়ে হালকা 'অ্যাঙ্কেল পাম্প' (পায়ের পাতার ব্যায়াম) এবং ডিপ ব্রিদিং বা গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের প্র্যাকটিস করতে পারেন। এটি রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে এবং সি-সেকশনের ধকল কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে। মায়ের পক্ষে যতটুকু সম্ভব স্বাভাবিক ও হালকা হাঁটাচলা করা উচিত।

​✅ ৩ মাস থেকে: হালকা অ্যারোবিক অ্যাক্টিভিটি:

​ডেলিভারির ৩ মাস পর থেকে প্রতিদিন ৪৫ মিনিট করে হালকা গতিতে হাঁটাহাঁটি (Walking) শুরু করুন। এর সাথে কিছু ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ করতে পারেন। মনে রাখবেন, প্রথম ৬ মাস কোনো ভারী ব্যায়াম বা পেটে সরাসরি চাপ পড়ে এমন ওজন তোলা যাবে না।

​✅ ৬ থেকে ৯ মাস: কোর স্ট্যাবিলিটি ও ইয়োগা:

​৬ মাস পার হওয়ার পর হালকা ব্যায়ামের তীব্রতা কিছুটা বাড়ানো যায়। বিশেষ করে পেটের ভেতরের গভীর পেশীগুলোকে (Core Muscles) শক্ত করার জন্য 'প্রাণায়াম' বা ইয়োগা দারুণ কার্যকরী। তবে পেটের মূল বা ভারী ব্যায়ামগুলো (যেমন ক্রাঞ্চেস বা প্লাঙ্ক) ৮-৯ মাস পর একজন বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে শুরু করাই নিরাপদ।

​✅ পেটের বেল্ট বা অ্যাবডোমিনাল বাইন্ডার (Abdominal Binder):

​খাওয়া, ঘুমানো এবং গোসল ছাড়া বাকি সময় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পেটে বেল্ট পরে থাকুন। এটি সিজারিয়ানের পর পেটের ঝুলে পড়া পেশিগুলোকে সাপোর্ট দেয় এবং পিঠের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

👤​কখন একজন ফিজিওথেরাপিস্টের শরণাপন্ন হবেন?

​অনেক মা-ই ভাবেন সিজারিয়ানের পর শুধু সাধারণ হাঁটাচলা করলেই শরীর ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট জটিলতার জন্য একজন অভিজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্ট বা বায়োফিডব্যাক থেরাপিস্টের বিশেষায়িত চিকিৎসা প্রয়োজন হয়। নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে দেরি না করে পরামর্শ নিন:

♦️​ডায়াস্টেসিস রেকটাই (Diastasis Recti): যদি প্রসবের কয়েকমাস পরেও তলপেট অস্বাভাবিক ফুলে থাকে এবং পেটের মাঝ বরাবর আঙুল দিলে গর্ত বা ফাঁকা জায়গা মনে হয়, তবে বুঝতে হবে পেটের পেশী আলাদা হয়ে গেছে। এর জন্য বিশেষায়িত থেরাপিউটিক এক্সারসাইজ প্রয়োজন।

♦️​ক্রনিক পিঠ বা কোমর ব্যথা: সি-সেকশনের পর দীর্ঘমেয়াদী কোমর বা পিঠের ব্যথা হলে, যা ভুল পশ্চার (Postural imbalance) বা কোর পেশীর দুর্বলতার কারণে হয়।

♦️​পেলভিক ফ্লোর ডিসফাংশন: হাঁচি বা কাশি দিলে যদি অসাড়েই প্রস্রাব লিক করে, তবে পেলভিক ফ্লোরের পেশী দুর্বল হয়ে পড়েছে বুঝতে হবে। এক্ষেত্রে বায়োফিডব্যাক থেরাপি (Biofeedback Therapy) এবং পেলভিক ফ্লোর রিহ্যাবিলিটেশন অত্যন্ত কার্যকরী সমাধান।

♦️​সি-সেকশন স্কার টিস্যু পেইন: অপারেশনের কাটার জায়গায় দীর্ঘদিন শক্ত হয়ে থাকা, অবশ ভাব বা টানটান ব্যথা থাকলে স্কার টিস্যু মোবিলাইজেশনের জন্য থেরাপিস্টের সাহায্য প্রয়োজন।

​পরামর্শ: সিজারিয়ান অপারেশনের কারণে হয়তো প্রথম কিছুদিন আপনি ভারী ব্যায়াম করতে পারবেন না, কিন্তু তার মানে এই নয় যে আপনি আপনার সুন্দর অবয়ব আর ফিরে পাবেন না। একটু ধৈর্য ধরুন, নিজের যত্ন নিন এবং সঠিক নিয়মে ফিটনেস ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করুন। সুস্থ ও মেদহীন শরীর আপনার হাতের মুঠোয় আসবেই।

Post credit : Mahmuda Akter Rozy

ফিজিওথেরাপি কনসালটেন্ট এন্ড বায়োফিডব্যাক থেরাপিস্ট

আলহামদুলিল্লাহ!!!  কতোটা ভালো লাগা কাজ করে এমন সুসংবাদ গুলো যখন পাই। কাজ করার স্বার্থকতা খোজে পাই। ভালো থাকবেন ,আপনার জন...
19/06/2026

আলহামদুলিল্লাহ!!! কতোটা ভালো লাগা কাজ করে এমন সুসংবাদ গুলো যখন পাই। কাজ করার স্বার্থকতা খোজে পাই। ভালো থাকবেন ,আপনার জন্য শুভকামনা!!

অনেক Sensitive টপিক ,কাজেই পেশেন্ট এর নাম গোপন রাখলাম, উনি নিজেই হয়তো খুশির খবর জানাবেন সবাইকে। 😍

Nutritionist Sadiya Smreety
পুষ্টিবিদ

""গ্রীষ্মের প্রচন্ড গরমে বাচ্চাদের যত্ন এবং খাবার তালিকা কেমন হওয়া উচিৎ"" বাইরের তাপমাত্রা ৩৭-৪০ ডিগ্রী। এই গরমে অতিষ্ট ...
04/06/2026

""গ্রীষ্মের প্রচন্ড গরমে বাচ্চাদের যত্ন এবং খাবার তালিকা কেমন হওয়া উচিৎ""

বাইরের তাপমাত্রা ৩৭-৪০ ডিগ্রী। এই গরমে অতিষ্ট সবাই। বড়রা তো মেনে নিতে পারে,বাচ্চাদের জন্য মানিয়ে নেওয়া,বুঝা খুবই কষ্টের। এছাড়া এই মাঝে গরমের রোগ ব্যাধি তো আছেই।

গরমের তীব্রতার জন্য বাচ্চাদের খাবারের প্রতিও কোন আগ্রহ নেই। শীতকালে রুচির সমস্যা না হলেও গ্রীষ্মের এই প্রচন্ড গরমে বাচ্চাদের খাবার, রুটিনের গরমিল যেনো নিত্য দিনের ব্যাপার।

📌বাচ্চারা কি খাবে, খাবারের ধরণ কেমন হওয়া উচিৎ,কিভাবে তাদের ভালো রাখা যাবে এই নিয়ে বাবা মায়ের উৎকন্ঠার শেষ নেই। তাদের কিছুটা স্বস্তির জন্যই আমার আজকেই লিখা।

🔹 ৬ মাসের কম বয়সী বাচ্চাদের শুধুমাত্র ব্রেস্ট মিল্ক দিবেন যতোটা সম্ভব।আর্টিফিশিয়াল বা কৌটার দুধ এড়িয়ে চলবেন একেবারে ইমার্জেন্সি না হলে।

🔹 গরমে বাচ্চাদের পাতলা পায়খানা, ডায়রিয়া,স্কিন ডিজিজ,সর্দি কাশি,নিউমোনিয়া হতে বেশি দেখা যায়। কাজেই খাবার এবং রোগ সংক্রমণ যেনো কম হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

🔹 বাচ্চাদের খাবার হতে হবে সহজপাচ্য। হজমে সমস্যা না হয় এমন খাবার বাচ্চার খাদ্যতালিকায় রাখা আবশ্যক। সে হিসেবে নরম করে রান্না ভাত বা জাও ভাত হতে পারে তাদের কমন খাবার। কম তেল মসলায় /পাচফোড়নে রান্না করা সবজি, আর পেপে লাউ, ঝিংগা,শশা এবং পানি জাতীয় সবজি দিয়ে পাতলা করে মাছের ঝোল দেওয়া যেতে পারে।

🔹 টাটকা,ফ্রেশ খাবার দেওয়া জরুরী। কাজেই বাসি খাবার, বাইরের খাবার, ভাজা পোড়া এগুলো পুরোদমে এড়িয়ে যেতে হবে। হালকা পুষ্টিকর খাবার যেমন সবজি দিয়ে নরম পাতলা খিচুড়ি ( কম তেল মসলায়), সবজির স্যুপ, মাছ বা মাংসের পাতলা ঝোল দিতে পারেন। এছাড়া ফ্রিজের পানি সরাসরি পান করা থেকে বিরত রাখতে হবে।

🔹 ফল বা পানীয়, জুস যতোটা দিতে পারেন ভালো। ডাবের পানি, লেবুর শরবত, তরমুজ, পেপে, জাম,জামরুল। যা available, বাচ্চারা খেতে চায় বা পারে তাদের দিন। আম দিতে পারেন,কাঠাল দেওয়ার দিকে সচেতন থাকবেন, অনেক বাচ্চার গ্যাসের সমস্যা হতে পারে ফল সঠিক নিয়মে আর সময়ে না খাওয়ার জন্য। একটু বড় বাচ্চা হলে খাবারের সাথে,শশা গাজর লেবু দিতে পারেন। রাতের/সকালের খাবারে রাখতে পারেন দই-চিড়া কলা।

🔹পানি পানের ক্ষেত্রে ফিল্টার পানি পান করাতে হবে। ফুটানো পানি হলে বিশেষ ভাবে খেয়াল রাখুন,সময় নিয়ে পানি ফুটাবেন, আর অবশ্যই পানি ছেকে নিবেন।

❌ প্যাকেট জাত খাবার,চিপস কেক চকলেট, আচার, বিস্কুট, দেওয়ায় সতর্ক থাকুন। বাইরের ড্রিংক্স, ভাজা পোড়া, রিচ ফুড, ফুচকা,চটপটি এসব খাবার গরম কালে বাচ্চাদের না দেওয়াই ভালো।

#বিশেষ_যত্ন:

👉এছাড়া যে ঘরে তাপমাত্রা একটু কম থাকে সে ঘরে বাচ্চাদের রাখতে হবে। রোদের তাপমাত্রা বাড়তে থাকলে দরজা জানালা বন্ধ করে রাখতে হবে, পরে খোলে দিবেন। এসি থাকলে Temperature ঠিক রাখবেন,যেনো বেশি ঠান্ডা না হয় ঘর।

👉 বাচ্চাদের নিয়মিত এক বা দুইবার গোসল করালে ভালো অনুভব করে। যেসব বাচ্চারা বেশি ঘামে, তাদের গা মাথা সুতি নরম কাপড় দিয়ে মুছে দিতে হবে।

👉 বয়স অনুযায়ি পান পান করানো আবশ্যক। না হয় ইউরিন ইনফেকশন হতে পারে। পানি পান করতে না চাইলে জুস,শরবত বানিয়ে দিতে হবে,ডক্টরের পরামর্শ মতো স্যালাইন খাওয়াতে হবে। এছাড়া বড়দের রিমাইন্ডার দিতে হবে বাচ্চারা যেনো খেলা বা পড়ার ফাকে পানি পান করে।

👉 বাচ্চার পোশাক, আরামদায়ক ঢিলে ঢালা হওয়া আবশ্যক। সুতি কাপড় পড়ানো সবচেয়ে ভালো, এতে করে ঘামাচি, চর্ম রোগ,র‍্যাশ কম হবে শরীরে।

👉 বাইরে বা স্কুলে পাঠানোর ক্ষেত্রে সান স্ক্রিন লাগাতে পারেন, ছাতা,রোমাল, পানির বোতল দিতে ভুলবেন না।

আজ এ পর্যন্তই। সবাই ভালো থাকবেন।

Sadiya Israt Smreety
NUTRITIONIST
Hello Audity....

চেম্বার :
সিরাজুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল
রোম নম্বর: ৫০৪
শনিবার ( বিকাল ৪ টা -সন্ধ্যা ৬ টা)
Appointment Number: 01558998823 ( call/message)

Picture: internet

পবিত্র ঈদুম আজহার শুভেচ্ছা! আল্লাহর রহমত আর বরকতে ভরে উঠুক আপনার জীবন। ঈদ মোবারক! ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক সবার হৃদয়ে, মুছে...
28/05/2026

পবিত্র ঈদুম আজহার শুভেচ্ছা! আল্লাহর রহমত আর বরকতে ভরে উঠুক আপনার জীবন। ঈদ মোবারক! ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক সবার হৃদয়ে, মুছে যাক সব ভেদাভেদ। আপনাকে ও আপনার পরিবারকে জানাই ঈদের আন্তরিক শুভেচ্ছা।

Address

Meradia

Telephone

+8801810013721

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutritionist Sadiya Smreety posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nutritionist Sadiya Smreety:

Shortcuts

Share