04/06/2026
Hafez Saifullah Mansur-নিঃসন্দেহে একজন কাজ্জাব ও মডার্ন জাদুকর।সে একটা তন্ত্রসাধক সে নিজে স্বীকার করেছিলো কিন্তু এখন সে ধান্দা করার উদ্দেশ্য এ সূফী সেজেছে।তার বইয়ে আপনি ভদ্রকালীর সাধনা, নাগিন সাধনা ইত্যাদি পাবেন।সে নিজে স্বীকার করেছে যে তার সঙ্গে কালভৈরব(হয়ত জিন)রয়েছে।সে এসেছে মানুষকে গোমড়াহ করার জন্য। এর থেকে বিরত থাকুন এবং এই যাদুকরকে দমন করুন।নইলে সে দাজ্জালি এজেন্টা বাস্তবায়ন করতে পারে। উনি পুরা শিরক করে কিসব কোর্স করান পুরা শিরকের পর্যায়ে আর উনার স্টুডেন্ট গুলা উনাকে গুরুজি বানায়ে কি পর্যায়ে যে নিয়ে গেসে সেটা তো বলার দরকার নেই।পির মুরশিদ টাইপ,খাজা বাবা এ টাইপ কেই উনি মর্ডান ভাবে প্রেসেন্ট করতেসে।কাব্বলাহ ম্যাজিক,তাবিজ,স্বপ্ন,জ্যোতিষবিদ্যা,রহমানিয়া তরিকা,মারেফত ইসলামিক নাম দিয়ে মানুষের কাছে প্রেসেন্ট করতেসে,যেটা একজন ম্যাজিসিয়ান/ হিন্দুদের বাবা গুলা করে থাকে সেম ওইটাই এই ভন্ডটা করতেসে নিচের স্ক্রিনশট ছবিতে আরও দেখতে পাবেন।উনার নরমাল লেকচার গুলো অনেক ভালো মনে হলেও ভিতরে আছে এক অন্ধকার শিরক যেটা জাহান্নামের রাস্তা।তার উপর সবচেয়ে ভয়ের কথা উনি বলে উনার স্টুডেন্ট দের ফেরেশতারা নাকি তার সাথে কথা বলে আর কথা বলার সময় ফেরেশতারা নাকি উনাকে গুরুজি ডাকে তাই উনার স্টুডেন্ট রাও গুরুজি ডাকে।আর ক্লাসে খিদির (আ) এর সাথে নাকি স্টুডেন্ট দের দেখা করায় দেয়,জিব্রাইল(আ) নাকি আসে উনার কাছে।যেগুলা পালিত জিনদের দিয়ে করায়ে বলে ফেরেশতারা নবীরা আসছে কথা বলতে।উনার গ্রুপ এ এই সব কিছু আছে।একটু ঘাটলে বুঝবেন।গর্ভের সন্তান ছেলে /মেয়ে,রাশিফল? স্বামী/স্ত্রী আগে কে মারা যাবে?
নাউজুবিল্লাহ।এগুলোর কোর্স নাকি শিখায়।
অথচ গায়েব আল্লাহ জানেন একমাত্র।গনক এর কাছে গেলে ঈমান শেষ।তাবিজ ইউজ করা হালাল মনে করে।
ভন্ড লোকদের কথা এমন আকর্ষণীয় হয়।ভাই/বোনেরা আপনারা এখন বুঝে নেন এই বাটপার লোক ঈমান ধ্বংসের নীলনকশা নিয়ে চকচকে সারফেস দেখিয়ে মানুষের ঈমানের বারোটা বাজাচ্ছে। এই সমস্ত ভন্ড দের কে নিয়ে বড় বড় লেখক রা কেন কিছু বলেনা আমি সেটায় অবাক হই।লকেট দিয়ে সব সমস্যার সমাধান হবে এটা মানার পরও শিরক কিছু বাকি থাকে? আবার বলে স্বয়ং আল্লাহ নাকি নির্দেশ দিয়েছে এটার দাম বাড়াতে আবার আল্লাহ নাকি সব এলেম শিক্ষা উনাকে দিয়ে দিসে মানে কি পর্যায়ে নিয়ে গেসে।ও কাকে ইলাহ মানে?নাকি জিনকেই মানে? কোনো সন্দেহ নাই জিন দিয়ে এই লোক কাজ করায় তার ভক্ত দের এই জিন দিয়ে টেলেসমতি কাজ দেখায় এমন পাগল বানায়সে আর ওই বোকা গুলোও নিজের ঈমানহারা হচ্ছে।এই লোক তার পালিত জিন দেরকেই ফেরেশতা বলতেসে যারা সিক্রেট সোসাইটি,ইলুমিনাতি গোপন জিনিসগুলো জানেন তারা নিচের ছবিতে দেয়া লকেট টার সাথে লিখা যে জিনদের নাম গুলো পড়লে ভালো মতোই বুঝবেন।এখন আবার অনেকে বলতে আসবে লকেট ওসিলা.. ভাই এখনও যদি এটা বলে তাহলে এত গোবর ওয়ালা মাথার কারো সাথে তর্কে জড়াতে চাই না।ওছিলা কি এটা তো আগে বুজা দরকার?
আপনি যাদুর আশ্রয় নিয়ে যদি বলেন এটা তো ওছিলা আল্লাহ দিবে? তাহলে কেমন হবে ব্যাপারটা?
আর একটু খেয়াল করেন লকেট আপনাকে সব কিছু দিবে?আসলেই ভরসাটা আল্লাহর উপর নাকি লকেটের ওপর।জাদু,কাব্বলাহ এগুলোকে মর্ডান ভাবে তুলে ধরতেসে।এরা তো ইমান নিয়ে খেলছে।আরেকটু হলে নিজেকে নবীদের সমান ক্ষমতা ধর বলে ফেলতো প্রায়।আপনারা সাবধান হন সে খুব ইসলামিক কথাবার্তা বলে মানুষকে আকৃষ্ট করে, আবার নামের আগে টাইটেলে হাফেজ লাগিয়েছে।আত্মশুদ্ধি, তাক্বওয়া দ্বারা পরিপুর্ন প্রত্যেক ঈমানদার ব্যক্তিই জ্ঞানি।আল্লাহ ও নবী সাঃ এর সুন্নত আকড়ে ধরেন অন্য কোনো ওয়ে নয়।আল্লাহর কাছে কিছু চাওয়ার জন্য একেওকে ধরা লাগে না।রাতে উঠে তাহাজ্জুদ পরেন,আল্লাহকে পাবেন।কোরান এ আল্লাহ বলেছেন আল্লাহ আমাদের কতটা কাছে।কোথাও বলা নাই আল্লাহর ওলির কাছে চায়তে হবে।আর যেসব বিদ্যা বলে ওইগুলো ইদ্রিস (আ),সোলেমান (আ) এর বিদ্যা এগুলো অনেক আগের সত্য মিথ্যা এড আছেবিকৃত হয়ে গেসে।সুলেমানি বিদ্যা এসব যত শিক্ষা এগুলো ভালো হলে কুরানে আল্লাহই বলে দিতো সেটা ভালো তা না হয়ে উল্টো আল্লাহ ভাগ্য গণনা,জ্যোতিষীদের কাছে যাওয়া,বশ্বীকরণ করা এসব করতে মানা করেছেন।কিকি গ্রহের প্রভাব,রাশি এসব করে তো সেই হিন্দু দের মতন জ্যোতিষদের গণনায় করতেসে।কোরান কই মানছে?খুব নিখুঁত ভাবে পডকাস্টে সে বশীকরন,তাবিজ,সুলেমানি মন্ত্র,পাথরের গুণাগুণ,লকেটের গুণাগুণ,কাব্বলাহ,হিন্দুদের মতো ধ্যন করার মতো নিকৃষ্ট যাদুকে/জিনিসকে বলেছে এটা নাকি হাদিস দ্বারা প্রমানিত।বিভিন্ন যাদুকে খিজির(আ),ইদ্রিস(আ),সুলেমান (আ),আসিফ বিন বারখিয়ার মতন ভালো মানুষদের নাম নবীদের নাম দিয়ে জাদুগুলাকে প্রমোট করতেসে জাতে মানুষ বিশ্বাস করে।(নাউজুবিল্লাহ) রাসুলদের নামে কত বড় মিথ্যাচার
সাধারন মানুষ এদেরকে অনেক কিছু মনে করে, আল্লাহর ওলী মনে করে, অথচ এরা শয়তানের ওলী, যাদুবিদ্যাকে হালাল প্রমান করতে চায়।
─সংগৃহিত লেখা