Doctoraloy

Doctoraloy Healthcare Anytime Anywhere

জিহ্বা সাদা হয়ে গেছে?অথবা জিহ্বার উপর অদ্ভুত দাগ দেখে ভয় পাচ্ছেন? অনেক সময় এটা সাময়িক ও নিরীহ একটি অবস্থা হতে পারে, যেখা...
23/04/2026

জিহ্বা সাদা হয়ে গেছে?
অথবা জিহ্বার উপর অদ্ভুত দাগ দেখে ভয় পাচ্ছেন?

অনেক সময় এটা সাময়িক ও নিরীহ একটি অবস্থা হতে পারে, যেখানে শুধু মুখের পরিচ্ছন্নতার অভাব, খাবারের প্রভাব বা মৃত কোষ জমে এমনটা দেখা যায়।
তাই অযথা ভয় না পেয়ে কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চলুনঃ
১/ মুখ ও দাঁত পরিষ্কার রাখুন
২/জিহ্বা আলতোভাবে Tongue Cleaner দিয়ে পরিষ্কার করুন
৩/খুব ঝাল, অতিরিক্ত গরম বা জ্বালাপোড়া বাড়ায় এমন খাবার এড়িয়ে চলুন
৪/ পর্যাপ্ত পানি পান করুন

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই চিকিৎসা লাগে না।
তবে যদি দীর্ঘদিন থাকে, ব্যথা হয়, ঘা হয়, রক্ত পড়ে বা খেতে সমস্যা হয়, তখন অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মনে রাখবেন,
ইন্টারনেট দেখে নিজে নিজে “ক্যান্সার” ভেবে আতঙ্কিত হওয়ার আগে সচেতন হোন।

শেয়ার করে অন্যদেরও সচেতন করুন।
Dr-Abdur Rahman

১৯ সপ্তাহ…এই সময়টায় মা প্রথম ঠিকমতো অনুভব করতে শুরু করেপেটে কেউ আছে।হালকা নড়াচড়া… ছোট্ট একটা উপস্থিতি…ওর নামও ঠিক করে ফে...
22/04/2026

১৯ সপ্তাহ…
এই সময়টায় মা প্রথম ঠিকমতো অনুভব করতে শুরু করে
পেটে কেউ আছে।
হালকা নড়াচড়া… ছোট্ট একটা উপস্থিতি…

ওর নামও ঠিক করে ফেলেছিল মা! কিন্তু
জন্ম নেয়ার আগেই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেল।
কেউ তাকে চিনলো না,
কেউ তাকে কোলে নিল না,
কেউ তার জন্য নতুন জামা কিনলো না।
কিন্তু
মা
সে তো তাকে চিনতো।
১৯ সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন…
তার সাথে কথা বলেছে,
স্বপ্ন দেখেছে,
ভাবছে ছেলেটা দেখতে কেমন হবে।
মানুষ ভাবে, “এখনো তো বাচ্চা হয়নি পুরোপুরি…”
কিন্তু একজন মায়ের কাছে
সে তো অনেক আগেই মা হয়ে গেছে।
সবচেয়ে কষ্টের ব্যাপার জানেন?
এই শোকটা কেউ ঠিকমতো বোঝে না।
কেউ বলে,
“আবার হবে…”
“এতো কষ্ট পাওয়ার কী আছে…”
কিন্তু কেউ দেখে না
প্রতিটা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে
সে এখনো পেটের উপর হাত রাখে…
যেখানে আর কোনো নড়াচড়া নেই।
বাচ্চাটা হয়তো পৃথিবীতে বড় হতে পারেনি,
কিন্তু তার জীবন তবুও অর্থহীন না।
কারণ সে একটা মাকে বদলে দিয়েছে
তাকে আরও গভীর করেছে,
তাকে শিখিয়েছে ভালোবাসা কতটা নিঃশব্দেও বেঁচে থাকে।
যেসব মা এই কষ্টটা বুকে নিয়ে বেঁচে আছেন
আপনার কষ্টটা সত্যি।
আপনার সন্তান সত্যি ছিল।
আপনার মাতৃত্বও সত্যি।
কেউ দেখুক বা না দেখুক।
একটা হারানো শিশুর নাম হয়তো ইতিহাসে লেখা থাকে না,
কিন্তু মায়ের হৃদয়ে
সে চিরদিন বেঁচে থাকে।

Dr-Abdur Rahman

রাখে আল্লাহ!! মারে কে?এই কথাটার মর্ম গতকাল রাতে আবার বুঝতে পারলাম, নতুন করে। আমাদের গাইনী ইউনিট ১ এ এক রোগী আসলো ৫ মাসের...
20/04/2026

রাখে আল্লাহ!! মারে কে?

এই কথাটার মর্ম গতকাল রাতে আবার বুঝতে পারলাম, নতুন করে। আমাদের গাইনী ইউনিট ১ এ এক রোগী আসলো ৫ মাসের গর্ভবতী, রক্ত এবং পানি ভাঙ্গা নিয়ে। এ ছাড়া উনারা আর কোনো হিস্টোরি দেন নি। আমরা আমাদের মত থ্রেটেন্ড এ্যাবর্শন চিন্তা করে ট্রিটমেন্ট চালু করি। পরের দিকে দেখি পেশেন্ট শকে যাচ্ছে!! তারমানে কোথাও ইন্টারনাল ব্লিডিং হচ্ছে !? USG রিপোর্ট আসলে দেখি IUD সাথে রাপচার্ড ইউটেরাস!! পেশেন্ট পার্টিকে আবার ধরা হলো। এবার জানা গেলো এক নতুন কাহিনী!!

তাদের ভাষ্যমতে:-
তারা কোনো এক কোয়াক এর কাছে ৫ মাসে বাচ্চা নষ্ট করতে গিয়েছিলেন। কোয়াক কী একটা জিনিস ঢুকালো, এবং তারপর থেকে রোগীর এই অবস্থা। পরে কন্ট্রোল করতে না পেরে রোগীকে তারা হাসপাতালে নিয়ে আসলেন।

রাত তখন ১০ টা।
বুঝতে পারলাম যা করার তাড়াতাড়ি করতে হবে, রাপচার্ড ইউটেরাস!! তা না হলে রোগী বাঁচবে না!! কিন্তু ভিতরের ঘটনা ছিল আরো ভয়াবহ!! অ্যানি আপু অর্ডার দিয়ে ওটি রেডি কর। ব্লাড ডিমান্ড দাও। এনেসথেসিয়া তে দেখি ইকবাল স্যার। সাথে সাথে ছুটে আসলো আরবী আপু, সিফাতি আপু এবং ইউনিট ২ থেকে সুরভী আপু। আমরা উভয় ইউনিটের চিকিৎসকেরা তখন একসাথে,এক টেবিলে।

ওপেন করার পর দেখা গেল, শুধু রক্ত!! রক্ত আর রক্ত!! ইন্টারনাল ইলিয়াক আর্টারির ব্রাঞ্চ গুলো সব লেসেরেটেড!!
এরকম কেমনে হলো? পরে বোঝা গেলো, ওই কোয়াক যখন বাচ্চা নস্ট করার জন্য D&C করেছিল, তখন কিউরেট, ইউটেরাস ফুটো করে, ভিতরে ঢুকে গিয়ে এই বাজে অবস্থার সৃষ্টি করেছিল। এত গুলো ব্রাঞ্চ ছেড়া এবং প্রচুর রক্তপাতের কারণে কিছু ঠিক মত দেখাই যাচ্ছে না। কোনো মতেই রিপেয়ার করা সম্ভব হচ্ছে না। ছুটে এসে ওটি তে উপস্থিত হলেন নফসি আপু। এই দিকে প্রচুর রক্তপাতে রোগী পুরো ঝুঁকিপূ্র্ণ। বিপি পাওয়া যাচ্ছে না, পালস হলো ২০০। ব্লাড পাওয়া যাচ্ছে না। সন্ধানীতে ব্লাড দিল আমাদেরই দুইজন জুনিয়র। একে একে ১৪ ব্যাগ ব্লাড দেওয়া হলো। সর্বমোট ৫ টা চ্যানেল ওপেন করা হলো শরীরে। যখন রোগীর এরকম যায় যায় অবস্থা, তখন সবাই হতাশ হয়ে পড়লো। ইকবাল স্যার তার সাধ্যমত চেষ্টা করে যাচ্ছিল। এবার ছুটে আসলেন মাহবুব স্যার। এসে বললেন, আল্লাহ ভরসা! হাল ছাড়বো না। যতক্ষণ পর্যন্ত মনিটর বিপ বিপ শব্দ করছে তার মানে রোগী বেচে আছে!! রোগী যুদ্ধ করছে, আমরা ও আমাদের সাধ্যমত চেস্টা করবো। বিপি মেশিন খুলে নেওয়া হলো। আমরা সার্জন রা মনিটরের দিকে আর নজর দিবো না। এনেসথেসিয়া স্যারেরা সব দেখছেন।

ওদিকে রক্তপাত তখনও বন্ধ হয়নি। এ ধরনের রক্তপাত বন্ধ করার জন্য ভাস্কুলার সার্জন দরকার। বগুড়াতে তো ভাস্কুলার সার্জন নেই। সার্জন সিদ্ধান্ত নিলেন আরো ওপেন করবেন। ইন্টারনাল ইলিয়াক আর্টারি রিপেয়ার করবেন। কিন্তু সেটাতেও ব্যার্থ হয়ে সিদ্ধান্ত নিলেন, এখন যদি কিছু না করা হয় রোগী এমনিতেও মরবে। উনি রোগীকে আরো ওপেন করে কমন ইলিয়াক আর্টারি রিপেয়ারের সিদ্ধান্ত নিলেন এবং সফল হলেন! ৬ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস যুদ্ধের পর আসতে আস্তে স্ট্যাবল হলো পেশেন্ট। আবার বিপি ঠিক ঠাক হলো। অতঃপর আইসিইউতে পাঠানো হলো রোগীটিকে।

Now patient is completely stable conscious, oriented,urine output is satisfactory needs no ventilatory support.

** এত বড় ঘটনাটি শুধুমাত্র এইজন্য ই শেয়ার করা, অপারেশন শেষে স্যার বলেছিলেন, যদি এই পুরো অপারেশনের কাহিনী ভিডিও করা যেত, তাহলে সাধারণ মানুষ বুঝতো কি পরিমান ডেডিকেশন আর ধৈর্যের সাথে ডাক্তারেরা যুদ্ধ করে!! ভিডিও তো করা সম্ভব হয় নি, কিন্তু আসা করি এই সংক্ষিপ্ত ঘটনায় একটু হলেও আন্দাজ করা যায়, এই পুরো টিমের কষ্ট এবং পরিশ্রমের কাব্য। আমি আমার শজিমেকের শ্রদ্ধেয় স্যার, ম্যাডাম, সিনিয়র এবং জুনিয়রদের নিয়ে গর্বিত **

--Sayem chowdhury

কমেন্টে আপনার মতামত/অভিজ্ঞতা জানান আমাদের ❤️

ক্যান্সার: দেরিতে ধরা মানেই জটিল চিকিৎসা,কঠিন লড়াই এবং নিরাময়ের সম্ভাবনা কম।৪০ বছর বয়সী এক মা, দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের ...
20/04/2026

ক্যান্সার: দেরিতে ধরা মানেই জটিল চিকিৎসা,কঠিন লড়াই এবং নিরাময়ের সম্ভাবনা কম।

৪০ বছর বয়সী এক মা, দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের পর হঠাৎ কোমর ব্যথা অনুভব করলেন।
প্রথমে ভাবলেন সিজারের জন্য কোমরে যে ইনজেকশন দেওয়া হয় তার জন্য ব্যথা—ফার্মেসি থেকে ওষুধ নিয়ে খেতে থাকলেন।
৩ মাস পর ব্যাথা না কমায় চিকিৎসকের কাছে গেলেন
এমআরআই করে দেখা গেল—হাড়ে ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়েছে। কোথায় থেকে হাড়ে ছড়িয়ে গেছে খোঁজ করতে গিয়ে জানা গেল—
আসল সমস্যা ছিল স্তনে ছোট একটি টিউমার, যা তিনি বুঝতেই পারেননি
চূড়ান্ত রোগ নির্ণয়: স্টেজ ৪ ব্রেস্ট ক্যান্সার (Bone Metastasis সহ) অর্থাৎ ক্যান্সারের লাস্ট স্টেজ
এই পর্যায়ে কী হয়?
১.চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি ও ব্যয়বহুল
২.কেমোথেরাপি, হরমোন থেরাপি, টার্গেটেড থেরাপি, রেডিওথেরাপি লাগতে পারে,অনেক ক্ষেত্রে ইমিউনোথেরাপিও প্রয়োজন হয়
৩.সম্পূর্ণ ভালো হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম
৪.মূল লক্ষ্য থাকে রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা

তাহলে আমরা কীভাবে বাঁচতে পারি এই পরিস্থিতি থেকে?
একটাই উপায়: ক্যান্সার স্ক্রিনিং (Cancer Screening)

স্ক্রিনিং মানে কী?
ক্যান্সার হওয়ার আগেই বা একদম শুরুতেই ক্যান্সার ধরার প্রক্রিয়াকে ক্যান্সার স্ত্রিনিং বলে।

স্ক্রিনিংয়ের সুবিধা
প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে
১.শুধু অপারেশনেই চিকিৎসা সম্ভব
২.কেমো/রেডিওথেরাপির দরকার নাও হতে পারে
৩.ভালো হওয়ার হার ৯০–৯৯%
৪.খরচ অনেক কম
৫.রোগ ফেরত আসার চান্স কমে যায়

কী কী ক্যান্সার স্ক্রিনিং করবেন?

স্তন ক্যান্সার :
প্রতি মাসে নিজে নিজে ব্রেস্ট পরীক্ষা
৪০ বছরের পর বছরে ১বার ম্যামোগ্রাম
১–৩ বছর পরপর ডাক্তার দিয়ে পরীক্ষা

জরায়ুমুখ ক্যান্সার:
৩ বছর পরপর Pap smear বা ভায়া টেস্ট

কোলন ক্যান্সার:
বছরে ১বার স্টুল বা মল টেস্ট
৫–১০ বছর পরপর কোলনোস্কোপি

প্রোস্টেট ক্যান্সার (পুরুষদের জন্য):
বছরে PSA টেস্ট + চিকিৎসক দ্বারা DRE পরীক্ষা।

এছাড়াও পরিবারে ক্যান্সারের ইতিহাস অনুযায়ী অনান্য ক্যান্সার স্ত্রিনিং ।

আমাদের সমস্যা কোথায়?
১. আমরা দেরিতে চিকিৎসকের কাছে যাই
২. লক্ষণকে অবহেলা করি
৩. স্ক্রিনিং করি না ।

প্রাথমিক অবস্থায় ক্যান্সার ধরা মানে = জীবন বাঁচানো + খরচ কমানো।
আমাদের দেশে যে হারে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগী বাড়ছে সে হারে ক্যান্সার চিকিৎসার সুযোগ সুবিধা বাড়ছে না। অধিকাংশ জায়গায় রেডিওথেরাপির সুবিধা নেই এবং প্রাইভেট সেক্টরে চিকিৎসা ব্যয়বহুল।
আজি

নিজের প্রতি দায়িত্ব নিন

নিয়মিত স্ক্রিনিং করুন
ক্যান্সারের লক্ষণ সম্পর্কে জানুন
লক্ষণ দেখা দেওয়ার সাথে সাথে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
অন্যদের সচেতন করুন

ডাঃ মনি রানী
সহকারী অধ্যাপক
রেডিওথেরাপি বিভাগ
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

মাথাব্যথাকে…আমরা বেশিরভাগ সময়ই হালকা ভাবে নেইঅত্যন্ত দুঃখের খবর,ডা. ফারহানা ইয়াসমিন পপিআজ আর আমাদের মাঝে নেই।কয়েকদিন ধরে...
20/04/2026

মাথাব্যথাকে…
আমরা বেশিরভাগ সময়ই হালকা ভাবে নেই

অত্যন্ত দুঃখের খবর,
ডা. ফারহানা ইয়াসমিন পপি
আজ আর আমাদের মাঝে নেই।
কয়েকদিন ধরে তিনি মাথাব্যথায় ভুগছিলেন।
ধারণা করা হচ্ছে
মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, অর্থাৎ Brain Hemorrhage এর কারণে এই অকাল মৃত্যু।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

আমরা কেন এই ঘটনা থেকে শিখবো?
কারণ
মাথাব্যথা সবসময় “সাধারণ” না

কখন মাথাব্যথা বিপদের ইঙ্গিত?

হঠাৎ খুব তীব্র ব্যথা (“জীবনের সবচেয়ে খারাপ ব্যথা”)
বারবার বমি হচ্ছে
চোখে ঝাপসা দেখা / কথা জড়িয়ে যাওয়া
হাত-পা অবশ হয়ে আসা
জ্বর বা খিঁচুনি সাথে থাকা
কয়েকদিন ধরে বাড়তেই থাকা ব্যথা

এরকম হলে

*** দেরি না করে ডাক্তারের কাছে যান
প্রয়োজন হলে CT scan / MRI করুন
নিজে নিজে বারবার painkiller খেয়ে চাপা দেবেন না

“অবহেলা” অনেক সময় অসুখকে বড় করে তোলে।
একজন ডাক্তার…
তিনি আজ আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন।
আজ থেকে অন্তত সিদ্ধান্ত নিন
মাথাব্যথাকে আর অবহেলা করবেন না।
এই পোস্টটা শেয়ার করুন।
এই ছোট সচেতনতা
আরেকটা জীবন বাঁচাতে পারে।
Dr-Abdur Rahman

পারিবারিক বিভিন্ন কারণে তিনি হতাশায় ভুগছিলেন।ডিপ্রেশন যে কতটা খারাপ মস্তিষ্কের কতটা বিকিরন ঘটায়, এটায় যে ভুগেছে একবার স...
19/04/2026

পারিবারিক বিভিন্ন কারণে তিনি হতাশায় ভুগছিলেন।
ডিপ্রেশন যে কতটা খারাপ মস্তিষ্কের কতটা বিকিরন ঘটায়, এটায় যে ভুগেছে একবার সেই জানে...
সকালে ভিডিওটা দেখে খুবই খারাপ লাগছিলো.
প্রেমে জড়িয়ে ৬ মাস আগে বিয়ে করেন পুলিশ সম্রাট, অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল সামনের মাসে।

তার মামা বলেন ৬ মাস আগে আমাদের সে জানায় সাতক্ষীরা পুলিশে চাকরি করে এক মেয়েকে সে ভালোবাসে এবং বিয়ে করতে চায়। পরিবারের একমাত্র ছেলে বলে আমরা আর কিছু না ভেবে দুই পরিবার থেকে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে দেই। বিয়ের পর থেকে পরিবারে সে এক টাকাও দিত না। সব বউ নিয়ে যেত। ওর সহকর্মীদের কাছ থেকে জানতে পারি প্রতিদিনই ওদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকতো। গতরাতে ফোনে দুজনের মধ্যে রাগারাগি হয়। এরপরই এ ঘটনা ঘটিয়েছে।’
( আচ্ছা মানুষ বিয়ে করে কেন? যদি আমি বিয়ে শাদী করিনি তবে আমি যতদূর শুনেছি মানুষ বিয়ে করে একটু ভালো থাকার জন্য শান্তির জন্য. একজন বিশ্বস্ত বিশুদ্ধ সঙ্গীর জন্য.)...
তাহলে এখন বিয়ে ভয়ের কারন হচ্ছে কেনো?.আর কেনই বা একজন বিশ্বস্ত ও বিশুদ্ধ সঙ্গীর অভাব হচ্ছে?...
©

পলাশ… সম্রাট…দুজনেই গোপালগঞ্জের ছেলে।দুজনের শেষ গল্পটা এত মিল হলো কীভাবে?দুজনেই হঠাৎ চলে গেল।আর দুজনের স্ত্রীই একই কথা ব...
19/04/2026

পলাশ… সম্রাট…
দুজনেই গোপালগঞ্জের ছেলে।

দুজনের শেষ গল্পটা এত মিল হলো কীভাবে?
দুজনেই হঠাৎ চলে গেল।
আর দুজনের স্ত্রীই একই কথা বলছে
“ও তো আমাকে কিছু বলেই গেল না…”

আমরা অনেক সময় ভাবি, পুরুষ মানুষ শক্ত।
ওরা সামলে নিতে পারে।
আসলে ওরা শুধু দেখায় যে পারে।
ভেতরে ভেতরে কত চাপ, কত চিন্তা
টাকা, সংসার, দায়িত্ব, ভবিষ্যৎ
সব একা একা বয়ে নিয়ে যায়।
কিন্তু বলে না।
কারণ ওরা শিখে গেছে
কষ্ট দেখানো দুর্বলতা।

অনেক দিনের জমে থাকা ক্লান্তি, চাপ…
শেষে এসে থামায়।
প্লিজ
ঘরের মানুষটাকে একটু ভালো রাখেন।
বড় কিছু না
কথা শুনেন,
অকারণে চাপ দিয়েন না,
একটু শান্তি দেন।
এইটুকুই অনেক সময় একজন মানুষকে টিকিয়ে রাখে।
আর একটা কথা
স্বামী বা স্ত্রী, যেই হোক
কেউ কারও “ভরসা” ছাড়া ভালো থাকতে পারে না।
মানুষটা না থাকলে বুঝা যায়,
ঘরটা কতটা ফাঁকা
একটা কথা কি বোন,যার স্বামী নাই সে জানে এ পৃথিবীর আসল রুপ।
তোমার জীবনে তোমার স্বামীই তোমার মাথার তাজ!
স্বামী না থাকলে আপনার কোন দাম নাই, না বাপের বাড়িতে, না শ্বশুরবাড়ি,,,

Dr-Abdur Rahman

বোরকা পড়া ও মাদ্রাসা পড়ুয়া  দেখলেই আমরা মনে করি খুব পর্দানশিন  কনফার্ম জান্নাতি,আজকের গল্পটা শুনুন, মাস কয়েক আগে একটা রো...
18/04/2026

বোরকা পড়া ও মাদ্রাসা পড়ুয়া দেখলেই আমরা মনে করি খুব পর্দানশিন কনফার্ম জান্নাতি,
আজকের গল্পটা শুনুন, মাস কয়েক আগে একটা রোগী আসে চেম্বারে, সাথে মা ছিল,
মেয়েটা বলে তার ৪ মাসের উপর মাসিক হয়না,
বমি বমি ভাব থাকে, পেট কিছুটা ফুলে গেছে,
শরীর দুর্বল লাগে,

তার আরো ডিটেইলস হিস্ট্রি নেওয়ার জিজ্ঞেস করি আপনি বিবাহিত.?
উনি বলেন না,
পেট পরীক্ষা করতে যেয়ে মনে হয় পেটে বাচ্চা আছে, কিন্তু সরাসরি বললে তো ঝগড়া বেঁধে যাবে, বা মেয়ের মা মারতে আসতে পারে তাই
আল্ট্রা, প্রস্বাব ও রক্তের পরীক্ষা দেওয়া হয়।

ঘন্টাখানেক পরে রিপোর্ট আসে ওই যা ভাব তাই ৪ মাসের বাচ্চা পেটে।
মেয়েকে আলাদা ডেকে জিজ্ঞেস করলে সে স্বীকার করে,তার একজনের সাথে সম্পর্ক আছে।

মেয়ের মা'কে আলাদা করে ডাকলে উনি প্রথমে স্বীকার ই করেনি, তাঁর মেয়ে এত ভালো পর্দা করে মাদ্রাসায় পড়ে এমন কিছু হতেই পারেনা, আপনার ভুল হচ্ছে ভালো করে চেক করেন,
উনাকে অনেক বুঝানোর পর সে প্রথমে খুবই হা হুতাশ করে, বকাঝকা করে মেয়েকে,
এক পর্যায়ে অবাক করার মতো বিষয় জিজ্ঞেস করে এটা কি ছেলে বাবু!!!!
ঘটনার আকষ্মিকতায় হতবাক হই,

ছেলেমেয়েকে কি শিক্ষা দিচ্ছি আমরা!!

কোথায় যাচ্ছে সমাজ!!
বিয়ের আগে খোঁজ-খবর নিচ্ছেন তো.?

বাইরের পর্দা করলেই হবে! আমার এক বন্ধু বলতো, ইসলামিক ইউনিভার্সিটির ( নাম না বললাম) মেয়েরা নাকি বাইরে গেলে হাত মোজা পা মোজা পড়ে বের হয়, রুসে ন্যা/..টা হয়ে বয়ফ্রেন্ডকে সব দেখায়..
আমার তখন বিশ্বাস হতোনা, কিন্তু বিচিত্র এ জীবনে কত ঘটনা যে দেখলাম...

আল্লাহ হেফাজত করুন আমিন

Dr-Abdur Rahman
রোগীটি ডা: ক্যাসেলিয়া ফাতেমা আপুর চেম্বারের ছিল..

কি সমস্যা?? আমাকে জ্বীনে নষ্ট করে দিয়েছে!!!!! মাসিকের কি খবর?৬ মাস বন্ধ  তো...কাঠি পরীক্ষা করছেন?আমি তো অবিবাহিতা...ফুটফ...
18/04/2026

কি সমস্যা??

আমাকে জ্বীনে নষ্ট করে দিয়েছে!!!!!

মাসিকের কি খবর?
৬ মাস বন্ধ তো...

কাঠি পরীক্ষা করছেন?

আমি তো অবিবাহিতা...

ফুটফুটে সুন্দর পুরা🤩।

৬ মাস ১২ দিনের বাচ্চা পেটে।

বাচ্চার বাপ হলো " জ্বীন"

তাও এক দুইজন না, ১৫/২০ জন 🤔🤔🤔

মেয়েটার মা'কে ডেকে, কি সমস্যা জানতে চাইলাম।

তার উত্তর আরো চমৎকার!
"বাতাস লেগে পেটটা বড় হয়ে যাচ্ছে, দোষের ভাব হইছে নাকি"

বাঙ্গালি পারেও ভাই!

লেখাঃ ডা. সুমী

একটা ছোট্ট জিনিস দিয়ে শুরু…একটা গিঁট, খুব ছোট। ব্যথাও নেই।তাই কেউই সিরিয়াস হয় না।ভাবে “হয়তো মাংসপেশির টান, নিজে থেকেই চল...
17/04/2026

একটা ছোট্ট জিনিস দিয়ে শুরু…
একটা গিঁট, খুব ছোট। ব্যথাও নেই।
তাই কেউই সিরিয়াস হয় না।
ভাবে “হয়তো মাংসপেশির টান, নিজে থেকেই চলে যাবে।”
দিন যায়… সপ্তাহ যায়…
গিঁটটা একটু একটু করে বড় হয়।
তবুও ব্যথা নেই, তাই চিন্তাও নেই।
এরপর যখন হাসপাতালে আসে
তখন আর সেটা “ছোট গিঁট” থাকেনা

এটাই Sarcoma
একটা তরুণ বয়সের রোগ
যা শুরুতে খুব নিরীহ থাকে

ব্যথা থাকে না
সাধারণ গিঁটের মতো লাগে
ধীরে ধীরে বড় হয়

শরীরের যেকোনো গিঁট যদি
ধীরে ধীরে বড় হয়
শক্ত হয়ে যায়
কয়েক সপ্তাহেও না কমে
সেটা কখনোই “সাধারণ” ধরে নেওয়া ঠিক না
এটা নিশ্চিত হওয়ার একমাত্র উপায় হলো
Core Biopsy
ভিতর থেকে ছোট টিস্যু নিয়ে পরীক্ষা করা হয়, আসল জিনিসটা বোঝার জন্য।

“ব্যথা নেই মানে সমস্যা নেই”
ভেবে বসে থাকবেন না।।


একটা ছোট গিঁট…
আজকে যেটা হালকা লাগছে,
আগামীকাল সেটা আর হালকা নাও থাকতে পারে।
তাই শরীরের যেকোনো অস্বাভাবিক গিঁটকে
“পরে দেখবো” ভেবে ফেলে রাখা ঠিক না।

Dr-Abdur Rahman

ছবি: ডা: জি এম আব্দুস সালাম

“মাসিক ঠিকমতো হয় না…মুখে ব্রণ যাচ্ছে না…ওজন বাড়ছে, কমানো যাচ্ছে না…চুল পড়ছে…আবার মুখে-থুতনিতে লোম গজাচ্ছে…”অনেক মেয়েই এগ...
17/04/2026

“মাসিক ঠিকমতো হয় না…
মুখে ব্রণ যাচ্ছে না…
ওজন বাড়ছে, কমানো যাচ্ছে না…
চুল পড়ছে…
আবার মুখে-থুতনিতে লোম গজাচ্ছে…”
অনেক মেয়েই এগুলো আলাদা আলাদা সমস্যা মনে করে বছরের পর বছর পার করে দেয়।
কিন্তু
এই সমস্যাটার নাম Polycystic O***y Syndrome (PCOS)

আসলে PCOS কী?
শুধু “ওভারিতে সিস্ট” না
এটা একটা হরমোনের সমস্যা।
অনেকে রিপোর্টে “cyst” না দেখলে ভাবে সমস্যা নাই।
cyst না থাকলেও PCOS থাকতে পারে।

সবচেয়ে কমন যেগুলো আমরা প্রতিদিন দেখি
মাসিক অনিয়মিত
২-৩ মাস পরপর মাসিক
কারো আবার মাসিকই হয় না
বিয়ে হওয়ার পর বাচ্চা নিতে সমস্যা
ডিম্বাণু ঠিকমতো তৈরি বা বের হয় না
মুখে ব্রণ (বিশেষ করে jawline এ)
ত্বক তেলতেলে
থুতনি, গলা, বুক বা পেটে অস্বাভাবিক লোম
মাথার চুল পাতলা হয়ে যাওয়া
ওজন হঠাৎ বেড়ে যাওয়া
ডায়েট করেও কমাতে কষ্ট

**কারো শুধু মাসিক সমস্যা
কারো শুধু ব্রণ
কারো শুধু লোম বা চুল পড়া থাকে...
এই কারণেই অনেকেই বুঝতেই পারে না
সবগুলো আসলে একটাই সমস্যার অংশ।

এতে কি হয় আসলে.?
হরমোনের ব্যালান্স নষ্ট হয়ে যায়
শরীরে “পুরুষ হরমোন” এর প্রভাব বেড়ে যায়
ডিম্বাণু ঠিকমতো তৈরি বা বের হতে পারে না
ফলাফল
মাসিক গোলমাল
ব্রণ, লোম
বাচ্চা নিতে সমস্যা

আরও কিছু সাইলেন্ট সাইন
অনেকে গলা, বগল, বা বুকের নিচে কালচে দাগ লক্ষ্য করেন
এটা অনেক সময় “ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স” এর লক্ষণ
মানে
শরীর ঠিকমতো সুগার ব্যবহার করতে পারছে না

কেন এটা সিরিয়াস?
অনেকে ভাবেন
“এটা তো শুধু ব্রণ বা মাসিকের সমস্যা”
কিন্তু আসলে
ভবিষ্যতে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে
বাচ্চা নিতে সমস্যা হয়
দীর্ঘদিন মাসিক না হলে জরায়ুর সমস্যা হতে পারে

কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?
যদি দেখেন
মাসিক ঠিকমতো হচ্ছে না
বাচ্চা নিতে সমস্যা
ব্রণ যাচ্ছে না
অস্বাভাবিক লোম
চুল পড়ছে
ওজন হঠাৎ বাড়ছে
দেরি না করে চেকআপ করুন

PCOS একদিনে হয় না,
আর একদিনে ঠিকও হয় না।
কিন্তু
সময়মতো ধরতে পারলে
লাইফস্টাইল ঠিক করলে
চিকিৎসা নিলে
একদম স্বাভাবিক জীবন যাপন করা সম্ভব।
অনেকেই বছরের পর বছর এই সমস্যাগুলো নিয়ে চুপ করে থাকে,
লজ্জা পায়, অবহেলা করে…

আপনি এমন কাউকে চেনেন?
তাহলে এখনি তাঁকে বলুন, হরমোন বিশেষজ্ঞ কাউকে দেখিয়ে চিকিৎসা শুরু করতে..

Dr-Abdur Rahman

Address

Mirpur
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Doctoraloy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Doctoraloy:

Share