01/06/2026
সাধু গুরু নামক এক বিখ্যাত ইন্ডিয়ান স্প্রিচুয়াল স্পিকার আছেন। ভদ্র লোক ফ্লুয়েন্ট। উগ্র না। যথেষ্ট জ্ঞানী।যেকোন মিডিয়াতে সার্চ দিলেই তার মুখ খানি দেখা যায়।
সে মাংশ না খাবার পিছনে যুক্তি দিয়েছেন ," যখন Slaughtering করা হয়, বা জবে*হ করা হয়। তখন পশুর শরীরে ভয় ভীতি থেকে বিভিন্ন রকম Hormone , chemical নি:সরণ হয়। যেগুলো খেলে আমাদের শরীরে ক্ষতি হতে পারে। আমরা সেই Hormone গুলো থেকে প্রভাবিত হতে পারি। যেমন ভেতরে ভয় চলে আসতে পারে। Anxiety চলে আসতে পারে। "
কথা টা শুনতে খুবই চমকপ্রদ। মানে শুধু ফিলোসোফিক্যালি এই লাইনে থাকলে ভেজিটেরিয়ান দের কাছে এটা খুব আত্মতুষ্টির ব্যাপার হতে পারে।
কিন্তু ভাই এইটা তো ফিলোসোফি না। এটা সাইন্স।
যে Enzyme, Hormone আর Chemical এর কথা সাধু গুরু বলেছেন। সেই সব গুলো protein ১০০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় সম্পূর্ন ভাবে বিনষ্ট হয়।
আর আমরা যারা মাংশ খাই কেউ কাচা খাই না। ৩০০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় রান্না করে খাই। তাই এই যুক্তি একদমই লো আই কিউ কমিউনিটির সন্তুষ্টির জন্য। আবার শুধু তাই না। সেই chemical বা Hormone গুলো Directly মুখের মধ্যে দিয়ে দিলেও Gastric acid এবং Peptidase enzyme সেগুলো কে সম্পূর্ন ভাবে বিনষ্ট করবে।
যার খাদ্যাভ্যাস যা , সে সেটা খাবে। কিন্তু জোর করে মিথ্যা ফিলোসোফি বানিয়ে এটাকে জায়েজ করার বা উত্তম প্রমাণ করার কিছু নেই।
সাধু গুরু জি কে বলবো ,
” You have uttered the best philosophy but the Worst ever science “
(Copied from)
#ডাঃসওগাত_এহসান