23/08/2026
Small cell lung carcinoma... Extensive stage...chemo Immunotherapy... Tarlatamab..BiTE..DeLLphi 301-304....and 'Dhurandhar '
লাং ক্যান্সার নিয়ে কথা বলছিলাম, বলছিলাম স্মল সেল কার্সিনোমা আর নন স্মল সেল কার্সিনোমা নিয়ে, নন স্মল সেল-এর মধ্যে অ্যাডেনোকার্সিনোমা-র প্রগনোসিস তুলনামূলক ভালো হয়, বিশেষ করে ওষুধ দেওয়া যাবে এমন মিউটেশন এলে তো খুবই ভালো হয়, কিন্তু স্মল সেল কার্সিনোমা?? এই একটা জায়গায় প্রগনোসিস তুলনামূলকভাবে অনেকটাই অ্যাগ্রেসিভ হওয়াতে আমরা কি এই নিয়ে আলোচনা করবো না??
বরং এখানেই তো আলোচনার এখনও অনেক বাকি..
স্মল সেল কার্সিনোমা সমস্ত লাং ক্যান্সারের মধ্যে প্রায় ১০-১৫ % কেসে হয়ে থাকে। মূলত স্মোকারদের মধ্যেই হয়, নন স্মোকারদের মধ্যে ভীষণ ভীষণ রেয়ার... ক্যান্সারের কোষগুলো ছোট ছোট হয়, খুব দ্রুত ও বিস্তৃতভাবে ছড়িয়ে পড়ে..
মাত্র এক তৃতীয়াংশে লিমিটেড স্টেজে ধরা পড়ে, নাহলে ম্যাক্সিমাম ক্ষেত্রেই দুর্ভাগ্যজনক ভাবে অ্যাডভান্সড স্টেজেই এই অসুখ ধরা পড়ে।
ব্রেইনে ছড়ানোর প্রবণতা বেশি থাকায় হোল বডি পিইটি সিটি স্ক্যান ছাড়াও ব্রেইনের এমআরআই করা তাই অবশ্যই প্রয়োজনীয়..
এই অ্যাগ্রেসিভ অসুখের কি কোনো ট্রিটমেন্ট নেই???
একদমই তা না, বরং এই রোগ সিস্টেমিক ট্রিটমেন্টে সারে দ্রুত কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত ফেরতও আসে দ্রুত...
প্রথম যখন ট্রিটমেন্ট হবে তখনই এর বিরুদ্ধে বেস্ট অস্ত্র নিয়ে নামাই আইডিয়াল হবে, কারণ যতবারই রোগ ফিরে আসবে, একে সারানো আরও মুশকিল হতে থাকবে..
এক্সটেনসিভ স্টেজে ফার্স্ট লাইন ট্রিটমেন্টে কেমো ও ইমিউনো দেওয়া হয়ে থাকে, স্মল সেল এ ইমিউনোথেরাপি দেওয়ার আগে কোনো মার্কার চেক করতে লাগে না।
কেমো হয় প্লাটিনাম এজেন্ট ও ইটোপোসাইড (৩ দিন চলে) তার সাথে ইমিউনোথেরাপি (দুরভালুম্যাব বা অ্যাটেজোলিজুম্যাব), রেসপন্স ভালো হলে মেইনটেন্যান্সে ইমিউনোথেরাপি চলে (যাতে রেসপন্স ধরে রাখা যায়)।
কিন্তু তাও যদি এই অসুখ ফেরত আসে, যা আসার চান্স সন্দেহাতীতভাবে বেশি, তখন কি হবে??
আইরিনোটেকান, টোপোটেকান, লারবিনেক্টিডিন (সহজে অ্যাভেলেবল নয়) এরকম কিছু কেমো বাদ দিয়ে কিছু কি আছে??
এই প্রশ্নের উত্তর দিতেই এলো টারলাটাম্যাব ও ডেলফি ট্রায়াল..
টারলাটাম্যাবটা আবার কী??
কেমো, ইমিউনো, টার্গেটেড এই সব নিয়ে তো আমরা কথা বলেই থাকি,
টারলাটাম্যাব হলো বাইস্পেসিফিক অ্যান্টিবডি অথবা
বাইস্পেসিফিক টি-সেল এনগেজার।
মানে খুব সহজ করে বললে
ধরুন আমাদের ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির বস, যাদের কাজ হলো দেশের শত্রুকে চেনা আর তারপর হামজাকে পাঠানো শত্রুকে মারতে...
এই বাইস্পেসিফিক অ্যান্টিবডিও একদিকে স্মল সেলকে ধরে (ডিএলএল৩, স্মল সেলের একটা প্রোটিন) আর অন্যদিকে আমাদের উপযুক্ত যোদ্ধা টি-সেলকে,
তারপর আর কী, টি-সেল গিয়ে নিজের কাজ করে, আর তা হলো শত্রু বিনাশ...
কোল্যাটেরাল ড্যামেজ না হয়, সে খেয়াল সর্বদা রাখে।
টারলাটাম্যাবও একই চেষ্টা করে, তাই সিরিয়াস সাইড ইফেক্টের আশঙ্কা থাকলেও, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা ম্যানেজেবল, খুব বেশি নয় এবং উপযুক্ত নজরদারির মাধ্যমে সামলানো যায়।
কিন্তু একটা বড় অসুবিধে হলো এখনও এর দাম যথেষ্ট বেশি।
তবে আশা করা যায়, কিছুদিন আগেও যেসব ক্যান্সার থেরাপির খরচ সাধ্যের বাইরে ছিল, এখন যেমন ক্রমশ তা আয়ত্তের মধ্যে আসছে, সময়ের সাথে এরও নিশ্চয়ই দাম অনেক কমবে।