মা ফিজিওথেরাপি এন্ড হোম সার্ভিস

  • Home
  • Bangladesh
  • Monipur
  • মা ফিজিওথেরাপি এন্ড হোম সার্ভিস

মা ফিজিওথেরাপি এন্ড হোম সার্ভিস Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from মা ফিজিওথেরাপি এন্ড হোম সার্ভিস, Medical and health, Gazipur Sadar , Gazipur Dhaka, Monipur.

অত্যাধুনিক ইলেকট্রোথেরাপি মেশিন ও অভিজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্ট দ্বারা ফিজিওথেরাপি সেবা প্রদান করা হয়।বি.দ্র: বয়স্ক ও প্যারালাইসিস রোগীদের বাসায় গিয়ে ফিজিওথেরাপি সেবা প্রদান করা হয়।
01312-464477( imo/what'sapp)

14/08/2026

🦵 হাঁটুর ব্যথার পেছনে শুধু একটি কারণ নয়—থাকতে পারে বিভিন্ন ধরনের আর্থ্রাইটিস!

হাঁটুতে ব্যথা, ফোলা, শক্ত হয়ে যাওয়া বা নড়াচড়ায় সমস্যা হলে কারণটি জানা গুরুত্বপূর্ণ। ছবিতে দেখানো ৬টি গুরুত্বপূর্ণ ধরনের আর্থ্রাইটিস সম্পর্কে সহজভাবে জেনে নিন 👇

🔹 ১. অস্টিওআর্থ্রাইটিস
বয়স বাড়ার সঙ্গে বা দীর্ঘদিনের চাপের কারণে জয়েন্টের কার্টিলেজ ক্ষয় হতে পারে। এতে হাঁটলে ব্যথা, শক্তভাব ও নড়াচড়ায় সমস্যা দেখা দিতে পারে।

🔹 ২. রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস
এটি একটি অটোইমিউন রোগ। শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুলভাবে জয়েন্টে আক্রমণ করে। সাধারণত জয়েন্টে ব্যথা, ফোলা ও সকালে বেশি শক্তভাব দেখা যায়।

🔹 ৩. গাউট
রক্তে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে জয়েন্টে ক্রিস্টাল জমে হঠাৎ তীব্র ব্যথা, লালচে ভাব ও ফোলা হতে পারে। পায়ের বুড়ো আঙুলে বেশি দেখা গেলেও অন্য জয়েন্টেও হতে পারে।

🔹 ৪. সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস
সোরিয়াসিসের সঙ্গে সম্পর্কিত এই ধরনের আর্থ্রাইটিসে জয়েন্ট ফুলে যাওয়া, ব্যথা ও শক্তভাব হতে পারে। আঙুলের পুরো অংশও ফুলে যেতে পারে।

🔹 ৫. সেপটিক আর্থ্রাইটিস ⚠️
জয়েন্টে সংক্রমণের কারণে এই সমস্যা হতে পারে। তীব্র ব্যথা, ফোলা, জয়েন্ট গরম হয়ে যাওয়া এবং জ্বর থাকতে পারে। এটি দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার মতো জরুরি অবস্থা হতে পারে।

🔹 ৬. অ্যাঙ্কাইলোসিং স্পন্ডিলাইটিস
এটি প্রধানত মেরুদণ্ড ও পেলভিসের জয়েন্টকে প্রভাবিত করে। দীর্ঘস্থায়ী কোমর বা পিঠের ব্যথা ও শক্তভাব দেখা দিতে পারে, বিশেষ করে বিশ্রামের পর।

💡 জয়েন্ট ভালো রাখতে কী করবেন?
✅ ওজন স্বাস্থ্যকর সীমায় রাখুন
✅ নিয়মিত হালকা ব্যায়াম ও হাঁটাচলা করুন
✅ দীর্ঘ সময় একই ভঙ্গিতে বসে থাকা এড়িয়ে চলুন
✅ সুষম ও পুষ্টিকর খাবার খান
✅ বারবার বা দীর্ঘদিন জয়েন্টে ব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

⚠️ মনে রাখবেন: সব ধরনের হাঁটু বা জয়েন্টের ব্যথা একই রোগের কারণে হয় না। নিজের মতো করে ওষুধ না খেয়ে প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সঠিক কারণ নির্ণয় করা গুরুত্বপূর্ণ।

📌 পোস্টটি উপকারী মনে হলে শেয়ার করে আপনার পরিচিতদের জানিয়ে দিন।
ঔষধ পরিচিতি ও ব্যবহার

ছেলে টার নাম মেহেদী হাসান ‎বাড়ি নাঙ্গলকোট হেসাখাল ইউনিয়নের পাটোয়ার গ্রামে...সে অটো চালিয়ে পরিবার চালাতো...তার বাবা প্রায়...
14/08/2026

ছেলে টার নাম মেহেদী হাসান
‎বাড়ি নাঙ্গলকোট হেসাখাল ইউনিয়নের পাটোয়ার গ্রামে...সে অটো চালিয়ে পরিবার চালাতো...তার বাবা প্রায় ১২ বছর আগে মারা গিয়েছে....মেহেদীর বাবা মারা যাওয়ার পর সে পরিবারের হাল দরেছে...দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে...গত ৭ই আগষ্ট অটোরিকশা সহ ছেলেটি নিখোঁজ হয়...৫ দিন পর আদ্রা ইউনিয়নের আটুয়াবাড়ী গ্রামে এক জঙ্গলে তার লাশ পাওয়া যায়...মেহেদীর কী দোষ চিলো..তাকে এই ভাবে মারার কী আছে...ছেলে টা আমাদের মতো কষ্ট করে পরিবার চালায়...আর আমাদের সমাজে কিছু কুত্তা বাচ্চা আছে...যারা গরিবের পেটে লাথি মারে...একটা গাড়ি চুরি করে নিয়ে..সর্বোচ্চ গেলে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা বিক্রি করবে...এই টাকা কতো দিন খাইতে পারবে...বেশি গেলে ২ মাস...তার পর তো টাকা শেষ হয়ে যাবে...কিন্তু এই ছেলেটার জীবন তো আর পিরে আসবে না...কুলাঙ্গারের বাচ্চারা তার মার বুকটা খালি করে ফেলছে...আমাদের সমাজে বড়লোক দের কেউ কিছু করতে পারে না...কুত্তার বাচ্চারা শুধু পারে আমাদের মতো গরিব মানুষ দের ক্ষতি করতে.... আল্লাহ তোদের বিচার করুক এই দুনিয়াতে নইতো ওই দুনিয়াতে...আল্লাহ তোদের মাপ করবে না....তোরা একটা মায়ের বুক খালি করে দিলি....🥺
এই কোন দেশে আমরা বসবাস করি একমাত্র আল্লাহ ভালো জানেন...
ইন্না-লিল্লাহি ওয়া-ইন্না ইলাহি রাজিউন

©

এই লেখাটা স্কিপ করার আগে ৩০ সেকেন্ড সময় দেন ভাই।বিশ্বাস করেন, কাল সকালে এই লেখাটাই হয়তো আপনার বাবার জীবন বাঁচায় দিবে।...
14/08/2026

এই লেখাটা স্কিপ করার আগে ৩০ সেকেন্ড সময় দেন ভাই।
বিশ্বাস করেন, কাল সকালে এই লেখাটাই হয়তো আপনার বাবার জীবন বাঁচায় দিবে।

আপনার বাসায়ও কি আলমারির উপর এক পাতা গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ পড়ে থাকে?

গল্প ১ - রহমান সাহেব:
রহমান সাহেব, বয়স ৪৮। মতিঝিলে একটা প্রাইভেট ফার্মে একাউন্টস দেখেন।
সকাল ৮টায় বের হন, দুপুরের খাওয়া ৩টায়, রাতে আবার ১১টায়। বুকটা মাঝেমধ্যে জ্বলে, ঢেকুর ওঠে।

৫ বছর আগে পাড়ার ফার্মেসি থেকে ২০ টাকার omeprazole এনে খেয়েছিলেন। জাদুর মতো কাজ করলো! এরপর থেকে ওটাই তার নাস্তা। সকালে ঘুম থেকে উঠে একটা গ্যাস্ট্রিকের ট্যাবলেট, তারপর চা। ডাক্তার? আরে ভাই, গ্যাস্ট্রিকের জন্য আবার ডাক্তার লাগে নাকি!

গল্প ২ - কলেজে পড়া সুমি:
সুমি, বয়স ২২। অনার্স সেকেন্ড ইয়ার। একটু টেনশন হলেই বমি বমি লাগে, পেট ফাঁপে। বান্ধবীর বুদ্ধিতে সেও শুরু করলো গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ। এখন ব্যাগে লিপস্টিকের সাথে এক পাতা গ্যাসের ওষুধও থাকে। না খেলে মনে হয় গ্যাসে মরে যাবো।

একদিন সাহস করে ওষুধটা বাদ দিলো।

বিশ্বাস করেন, এর পরদিন থেকে যা শুরু হলো...

রহমান সাহেবেরও একই কাহিনী। একদিন ভাবলেন, অনেক তো খেলাম, এবার বাদ দিই। দুই দিন পর বুক জ্বলা এতো বেড়ে গেলো যে রাতে ঘুমাতে পারলেন না। তার মনে হলো, "আমার গ্যাস্ট্রিক তো আগের চেয়ে ডাবল বেড়ে গেছে!"
ভয় পেয়ে ২০ বাদ দিয়ে এবার ৪০ পাওয়ারেরটা শুরু করলেন।

এখানেই আমরা সবাই ভুলটা করি।

দুইটা মানুষ, দুইটা বয়স, দুইটা জীবন... কিন্তু ভিলেন একজনই...
আর তার নাম হলো - মুড়ি-মুড়কির মতো গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়া।

আসলে হচ্ছেটা কি শরীরের ভেতরে? একদম সহজ করে বুঝাই।

আমাদের পাকস্থলীতে এসিড বানানোর কিছু কোষ আছে। আপনি যখন দিনের পর দিন ওষুধ খেয়ে এসিড জোর করে কমায় রাখেন, তখন শরীর ভাবে - "আরে, এসিড তো কমে যাচ্ছে, আরও বানাতে হবে।"
তখন শরীর একটা হরমোন বাড়ায় দেয়, নাম গ্যাস্ট্রিন। আর এসিড বানানোর কোষগুলো ফুলে-ফেঁপে সংখ্যায় বেড়ে যায়।

এতদিন সব চুপচাপ।

যেই আপনি ওষুধটা বন্ধ করলেন, ওই বেড়ে যাওয়া কোষগুলো একসাথে হাজার হাজার এসিড বানানো শুরু করে। আগের চেয়েও বেশি!
ডাক্তারি ভাষায় এটাকে বলে Rebound Acid Hypersecretion। মানে ওষুধ বন্ধের ধাক্কায় এসিডের বন্যা।

আপনি ভাবছেন রোগ বেড়েছে, আসলে এটা ওষুধ বন্ধের রিয়েকশন। আর এই ফাঁদে পড়েই আমরা আবার ওষুধ শুরু করি, ডোজ বাড়াই। বছরের পর বছর।

আর এই চক্রের আড়ালেই আসল রোগটা চাপা পড়ে থাকে।

এই ভুলটা আমরা কেন করি? ৪ টা কারণে -

১. ফার্মেসি আমার ডাক্তার: বুক জ্বললেই ফার্মেসি থেকে এক পাতা ওষুধ। কোনো প্রশ্ন নেই, কোনো পরীক্ষা নেই। আমরা ভাবি এটা তো গ্যাসের ওষুধ, পানি-ভাতের মতোই।

২. ডোজ বাড়ানোর খেলা: ২০ তে কাজ না হলে ৪০। ৪০ তে না হলে দুই বেলা। কে বলেছে বাড়াতে? নিজেই। শরীর কি বলছে, তা শুনিনি।

৩. "খেলেই তো ভালো থাকি, টেস্ট কেন করবো?" - এটাই সবচেয়ে বড় বাঙালি যুক্তি। আরে ভাই, ওষুধ তো শুধু ব্যথা চাপা দিচ্ছে। ভেতরে আলসার হচ্ছে নাকি, ঘা হচ্ছে নাকি, অন্য কোনো ইনফেকশন (H. pylori) আছে নাকি, তা তো আপনি এন্ডোস্কোপি না করে জানবেন না।

৪. বিপদ সংকেতকে পাত্তা না দেওয়া: ওজন কমে যাচ্ছে, খেতে ইচ্ছে করে না, পায়খানার রঙ কালচে আলকাতরার মতো, খুব দুর্বল লাগে - এগুলোকে আমরা "গ্যাস বাড়ছে" বলে উড়ায় দিই।

রহমান সাহেবও উড়ায় দিয়েছিলেন। শেষ কয়েক মাস ধরে ওজন কমছিল, পায়খানা কালো হচ্ছিল। ভেবেছিলেন গ্যাস।

একদিন অফিসে যাওয়ার পথে মাথা ঘুরে পড়ে গেলেন। হাসপাতালে নিয়ে রক্ত পরীক্ষায় দেখা গেলো - শরীরে রক্ত প্রায় নেই বললেই চলে! তীব্র রক্তশূন্যতা।

এন্ডোস্কোপি করে দেখা গেলো, পাকস্থলীতে একটা পুরনো আলসার থেকে দিনের পর দিন একটু একটু করে রক্ত বের হচ্ছে। বছরের পর বছর ওষুধ সেই ব্যথাটা চাপা দিয়ে রেখেছিল, তাই টেরই পাননি। আর কয়েক সপ্তাহ দেরি হলে হয়তো উনাকে আর ফেরানো যেত না। কয়েক ব্যাগ রক্ত দিয়ে এই যাত্রায় বাঁচলেন।

এটা কোনো গল্প না ভাই, এটা আমাদের প্রতিটা ঘরের কাহিনী।

ভয় পাইয়েন না ভাই... সুখবর হচ্ছে, একটু সচেতন হলেই এই ফাঁদ থেকে বের হওয়া যায়।

গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খারাপ না। এটা খুব ভালো ওষুধ, জীবন বাঁচায়। কিন্তু এটা মুড়ি-মুড়কি না, এটা নিয়ম মেনে খেতে হয়।

তাহলে করণীয় কী? ৩ টা জিনিস মনে রাখেন -

১. নিজে নিজে বছরের পর বছর খাবেন না: যদি ২-৩ সপ্তাহের বেশি প্রায় প্রতিদিন গ্যাসের ওষুধ লাগে, তাহলে একবার হলেও একজন ডাক্তার দেখান। উনি কারণটা খুঁজবেন। প্রয়োজনে H. pylori টেস্ট বা এন্ডোস্কোপি দিতে পারেন।

২. হুট করে বন্ধ করবেন না, হুট করে ডোজ বাড়াবেনও না: দীর্ঘদিন খাওয়ার পর হঠাৎ বন্ধ করলে ওই Rebound এসিড হবেই। তাই ডাক্তার আস্তে আস্তে ডোজ কমিয়ে বন্ধ করার নিয়ম বলে দিবেন। নিজে ডাবল পাওয়ার শুরু করবেন না।

৩. এই ৪ টা বিপদ সংকেত ভুলেও অবহেলা করবেন না:
কারণ ছাড়াই ওজন কমে যাওয়া
খাওয়ায় অরুচি, বমিতে রক্ত বা কফির গুঁড়ার মতো কিছু আসা
পায়খানার রঙ কালো আলকাতরার মতো হওয়া
বুকে ব্যথা, সাথে প্রচণ্ড দুর্বল লাগা, শ্বাসকষ্ট
এগুলো দেখলে কালক্ষেপণ না করে সাথে সাথে হাসপাতালে যান। এটা সাধারণ গ্যাস না, অন্য কিছু হতে পারে।

ওষুধ খেয়েও যদি বারবার সমস্যা ফিরে আসে, একই ডাক্তারের কাছে আবার যান। ফলোআপ করুন। ডাক্তার বদলাতে থাকবেন না।

এই পোস্টটা আপনার টাইমলাইনে পড়ে থাকলে হয়তো কারো চোখে পড়বে না। কিন্তু শেয়ার করলে হয়তো আপনার একটা শেয়ারে আপনার বন্ধুর বাবা ফার্মেসি থেকে ওষুধ আনার আগে একবার ভাববে।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন। সুস্থ থাকুন, সচেতন থাকুন।

বুকে হাত দিয়ে বলেন তো...
আপনার বাসায়, আপনার পরিবারে কে আছে যে বছরের পর বছর ধরে প্রেসক্রিপশন ছাড়াই প্রতিদিন গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেয়ে যাচ্ছে?

কমেন্টে লিখে যান, তাকে মেনশন করে সচেতন করে দিন। আপনার একটা কমেন্ট হয়তো তাকে ডাক্তারের কাছে যেতে বাধ্য করবে।

14/08/2026

অথচ শুধু হাত ধোয়ার অভ্যাসই হয়তো লিপিকে বাঁচাতে পারতো... 💔

লিপি, বয়স মাত্র ৩৮ বছর।
একজন সাধারণ নারী,
প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ঘর পরিষ্কার করা, বারান্দার গাছগুলোর যত্ন নেওয়া, আর প্রিয় পোষা কুকুরটাকে আদর করা... এটাই ছিল তার নিত্যদিনের কাজ।

সে কখনো ভাবেনি, এই স্বাভাবিক জীবনযাপনের মাঝেই লুকিয়ে আছে এমন এক শত্রু, যে বছরের পর বছর নীরবে তার শরীরে বেড়ে উঠছে।

একদিন হঠাৎ করেই শুরু হলো
জ্বর,
কাশি,
বুকের ভেতর চাপ অনুভব হওয়া,
অল্প হাঁটলেই শ্বাসকষ্ট...
লিপি ভেবেছিলেন হয়তো সাধারণ ঠান্ডা-জ্বর।
কিন্তু দিন যত যাচ্ছিল, শরীর তত দুর্বল হয়ে যাচ্ছিল।
হাসপাতালে পরীক্ষা করার পর জানা গেল, তার
ডান ফুসফুসে তৈরি হয়েছে একটি বড় Hydatid Cyst।

আর সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয়, সেটি ভেতর থেকে ফেটে গেছে।
CT scan-এ দেখা গেল সেই পরিচিত "Water Lily Sign"।
মনে হচ্ছিল যেন বুকের ভেতরে একটি পদ্মফুল ভেসে আছে। কিন্তু এটি কোনো সৌন্দর্যের দৃশ্য নয়, এটি একটি বিপদের সংকেত।
এই রোগটি হয় Echinococcus granulosus নামের এক ধরনের পরজীবীর কারণে।
এই পরজীবীর ডিম ছড়াতে পারে—
কুকুরের মল থেকে
দূষিত মাটি থেকে
অপরিষ্কার কাঁচা মাংস থেকে
ঘরের আশপাশের ধুলো-ময়লা থেকে

হাত দিয়ে এসব স্পর্শ করার পর ভালোভাবে হাত না ধুয়ে খাবার খেলে অজান্তেই এই ডিম শরীরে প্রবেশ করতে পারে।
তারপর বছরের পর বছর নীরবে লিভার বা ফুসফুসে তৈরি হতে পারে সিস্ট।
লিপির ক্ষেত্রে পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়েছিল যে চিকিৎসকদের দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। কারণ ফেটে যাওয়া Hydatid Cyst থেকে ভয়ংকর অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশন, শ্বাসকষ্ট, এমনকি জীবনহানিও হতে পারে।

আমরা অনেক সময় বড় বড় রোগ নিয়ে ভয় পাই, কিন্তু ভুলে যাই ছোট ছোট অভ্যাসের গুরুত্ব।
খাওয়ার আগে, পোষা প্রাণীর যত্ন নেওয়ার পর, মাটি বা অপরিষ্কার কিছু স্পর্শ করার পর নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়া একটি জীবন বাঁচাতে পারে।

পোষা প্রাণী ভালোবাসুন, তবে সচেতন থাকুন।
নিয়মিত ডিওয়ার্মিং ও প্রয়োজনীয় টিকা দিন।
নিজে নিরাপদ থাকুন, পরিবারকেও নিরাপদ রাখুন।
কখনো কখনো একটি ছোট অবহেলা শরীরের ভেতরে তৈরি করতে পারে এমন এক নীরব বিপদ, যার খবর আমরা রাখিনা...

হাত ধোয়ার অভ্যাস, একটি জীবন বাঁচাতে পারে।
সচেতনতা ছড়িয়ে দিন।
হয়তো আপনার একটি শেয়ার কারও জীবন বাঁচাতে পারে।

Dr. Abdur Rahman

ছবি : ডা. আশিকুর রহমান
এসিস্ট্যান্ট রেজিস্ট্রার

29/07/2026

প্রেমের বন্ধন। পার্ট ৮

29/07/2026

প্রেমের বন্ধন। পার্ট ৭

28/07/2026

প্রেমের বন্ধন। পার্ট ৬

28/07/2026

প্রামের বন্ধন। পার্ট ৫

28/07/2026

প্রেমের বন্ধন। পার্ট ৪

28/07/2026

প্রেমের বন্ধন। পার্ট ৩

Address

Gazipur Sadar , Gazipur Dhaka
Monipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মা ফিজিওথেরাপি এন্ড হোম সার্ভিস posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share