Dr. Tajkera's Urology

Dr. Tajkera's Urology MBBS 1999, FCPS surgery 2007,MS urology 2014,works at Shsmch as A/P Urology. Dr tajkera Sultana Chowdhury passed her MBBS 1999.

She obtained her fellowship on FCPS surgery July 2007 and get MS urology July 2014. She is regular member of Americana Urology Association (AUA), Bangladesh Association of Urological Surgeons (BAUS) and Society of Surgeon of Bangladesh.

প্রিয় পাঠকবৃন্দ,  📌 আমাদের এই পেইজের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশে মানুষকে স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানো, বিশেষ করে ইউরোলজি কে প্র...
02/06/2026

প্রিয় পাঠকবৃন্দ,

📌 আমাদের এই পেইজের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশে মানুষকে স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানো, বিশেষ করে ইউরোলজি কে প্রাধান্য দিয়ে বিভিন্ন রোগ নিয়ে সচেতন করা। আমরা চেষ্টা করি সহজ ভাষায় তথ্য দিতে, যাতে সবাই উপকৃত হতে পারে।

👉 তবে কিছু বিষয় বিনয়ের সাথে মনে করিয়ে দিতে চাই—
- আমরা এখানে চিকিৎসা বিষয়ক তথ্য শেয়ার করি, কিন্তু সরাসরি প্রেসক্রিপশন দেওয়া বা অন্য চিকিৎসকের পরামর্শ যাচাই করা আমাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। এটি চিকিৎসা নৈতিকতার বাইরে চলে যায়।
- আপনার ব্যক্তিগত টেস্ট রিপোর্ট বা প্রেসক্রিপশন সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আপনার চিকিৎসকই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি। চলমান চিকিৎসার যদি দৃশ্যমান কোনো উন্নতি না হয় অবশ্যই দ্বিতীয় মতামত নিতে পারেন।
- যদি কখনো জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হয়, তবে দেরি না করে নিকটস্থ হাসপাতাল বা ক্লিনিক এ যান, যেখানে ইমার্জেন্সি ডাক্তার পাওয়া যাবে।

🙏 আমরা সবসময় পাঠকদের মন্তব্যকে গুরুত্ব দিই। আপনার প্রশ্ন, অভিজ্ঞতা ও মতামত আমাদের লেখার মান উন্নত করতে সাহায্য করে। তাই আমরা সবাইকে উৎসাহিত করি পুরো লেখাটা পড়ে মন্তব্য করতে এবং গঠনমূলক আলোচনায় অংশ নিতে।

আমাদের লক্ষ্য একটাই—সবার জন্য স্বাস্থ্য সচেতনতা।
চলুন, একসাথে একটি সচেতন সমাজ গড়ে তুলি।

ডাঃ তাজকেরা সুলতানা চৌধুরী
ইউরোলজিস্ট ও ইউরোগাইনোকোলজিস্ট
সহযোগী অধ্যাপক, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ঢাকা।
চেম্বারঃ ইস্টার্ন দোলন লিফটের ছয় পান্থপথ।
মোবাইলঃ 01989997180 নম্বরে সকাল নয়টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত যোগাযোগ করতে পারেন।
-

📌 "হাসলে একটু হয়ে যায়" — এই কথাটা আর হাসির বিষয় নয়😢। "বান্ধবীদের সাথে হাসতে হাসতে বললেন — আরে আমার একটু জোরে হাসলেও ...
01/06/2026

📌 "হাসলে একটু হয়ে যায়" — এই কথাটা আর হাসির বিষয় নয়😢। "বান্ধবীদের সাথে হাসতে হাসতে বললেন — আরে আমার একটু জোরে হাসলেও একটু হয়ে যায়! সবাই হাসল। আপনিও হাসলেন। কিন্তু ভেতরে ভেতরে একটা কষ্ট চাপা পড়ে রইল। কারণ এটা আসলে হাসির বিষয় নয়।"

বাংলাদেশে লক্ষ লক্ষ নারী প্রতিদিন এই সমস্যায় ভুগছেন।
হাঁচি দিলে হয়। কাশি দিলে হয়। হাসলে হয়। দৌড়ালে হয়। ভারী কিছু তুললে হয়।
কেউ কেউ আছেন যাদের হঠাৎ এত তীব্র বেগ আসে যে টয়লেটে পৌঁছানোর আগেই দুর্ঘটনা ঘটে।

এই সমস্যার কারণে —
🔸 বাইরে যেতে ভয় লাগে
🔸 অনুষ্ঠানে যান না
🔸 হাসতেও ভয় পান
🔸 সবসময় টয়লেটের কাছাকাছি থাকেন
🔸 কালো বা গাঢ় রঙের কাপড় পরেন যাতে বোঝা না যায়

এই জীবনটা আপনার প্রাপ্য নয়।

এটা কি স্বাভাবিক?
না।
অনেকে ভাবেন সন্তান হলে এমনই হয়। বয়স হলে এমনই হয়। মেনোপজ হলে এমনই হয়।
এটা স্বাভাবিক নয়। এটা একটা চিকিৎসাযোগ্য সমস্যা।
চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর নাম আছে। সমাধান আছে। এবং হাজার হাজার নারী চিকিৎসা নিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন।

দুই ধরনের সমস্যা

১) স্ট্রেস ইনকন্টিনেন্স — হাসলে, কাশলে, হাঁচি দিলে, ভারী তুললে প্রস্রাব বেরিয়ে যায়। মূত্রথলির পেশী দুর্বল হয়ে পড়লে হয়।

২) আর্জ ইনকন্টিনেন্স বা ওভারঅ্যাক্টিভ ব্লাডার — হঠাৎ তীব্র বেগ আসে। ধরে রাখা যায় না। পৌঁছানোর আগেই দুর্ঘটনা। মূত্রথলি অতিরিক্ত সক্রিয় হয়ে পড়লে হয়।
অনেকের দুটোই একসাথে থাকে।

কাদের বেশি হয়
🔸 সন্তান জন্মদানের পরে মায়েরা
🔸 মেনোপজের পরে নারীরা
🔸 বয়স্ক পুরুষ ও নারী
🔸 প্রোস্টেটের সমস্যায় পুরুষরা
🔸 ডায়াবেটিস থাকলে
🔸 স্থূলতা থাকলে

একটা জরুরি কথা
আপনি যদি ডায়াপার অথবা প্যাড ব্যবহার করে এই সমস্যা লুকিয়ে রাখতে চাইছেন— এটা কিন্তু সমাধান নয়।

প্যাড ডায়াপার একটা সাময়িক ব্যবস্থা। কিন্তু এটা আপনার জীবনকে সীমিত করে দিচ্ছে।
সমাধান আছে। চিকিৎসা আছে। শুধু দরকার একটা পদক্ষেপ।

পরের পোস্টে আসছে — ওভারঅ্যাক্টিভ ব্লাডার ঠিক কী, মূত্রথলি কেন হঠাৎ বিদ্রোহ করে।

এই পোস্টটা যার দরকার তাকে পাঠান। হয়তো সে হেসে বলছে — কিন্তু ভেতরে কাঁদছে।

📍 👩‍⚕️ ডাঃ তাজকেরা সুলতানা চৌধুরী

এফসিপিএস (সার্জারী), এমএস (ইউরোলজি) সহযোগী অধ্যাপক, ইউরোলজি বিভাগ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
এবং
চীফ কনসালটেন্ট
🏠 বায়োমেড সেন্টার ফর ওমেন্স হেলথ্
ইষ্টার্ন দোলন, ১৫২/২-এইচ (৭ম তলা), বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান স্মরনী পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা-১২০৫, যোগাযোগ: 📲 01989997180

(নম্বরে সকাল নয়টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন গুলো ব্যতিত যোগাযোগ করে চেম্বারে অথবা অনলাইন দেখাতে পারবেন।)


#কিডনি_পাথর
#মূত্রনালী_সংক্রমণ
#মূত্রথলি
#মূত্র_অসংযম

01/06/2026

ইউটিআই বিষয়ে কিছু প্রাথমিক ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে সিরিজ আকারে পোষ্ট করেছি। সময় ও সুযোগ পেলে দেখে নিবেন।
📍 👩‍⚕️ ডাঃ তাজকেরা সুলতানা চৌধুরী (বাংলাদেশের প্রথম মহিলা ইউরোলজিস্ট)

এফসিপিএস (সার্জারী), এমএস (ইউরোলজি) সহযোগী অধ্যাপক, ইউরোলজি বিভাগ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
এবং
চীফ কনসালটেন্ট
🏠 বায়োমেড সেন্টার ফর ওমেন্স হেলথ্
ইষ্টার্ন দোলন, ১৫২/২-এইচ (৭ম তলা), বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান স্মরনী পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা-১২০৫, যোগাযোগ: 📲 01989997180

(নম্বরে সকাল নয়টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন গুলো ব্যতিত যোগাযোগ করতে পারেন পেশেন্ট যারা মুভমেন্ট করতে সমস্যা তারা অনলাইনে পরামর্শ নিতে পারেন।


#মূত্রনালী_সংক্রমণ
#মূত্রথলি
#মূত্র_অসংযম

Hyperinsulinemia — নুতন সংযোজিত এই বিষয়টি মূল আলোচনায় আসে নি।  "টাইপ ২ ডায়াবেটিসের মূল সমস্যা Hyperinsulinemia, কিন্তু...
31/05/2026

Hyperinsulinemia — নুতন সংযোজিত এই বিষয়টি মূল আলোচনায় আসে নি। "টাইপ ২ ডায়াবেটিসের মূল সমস্যা Hyperinsulinemia, কিন্তু সেই ইনসুলিন কমানোর বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।"চেষ্টা থাকছে এই গ্যাপটি পূরণ করে দিতে।

তাহলে মূল সমস্যাটি আসলে কোথায়? আমরা সাধারণত রক্তে চিনি বাড়াকে ডায়াবেটিসের কারণ মনে করি। কিন্তু ইদানিং বিজ্ঞান বলছে কিছুটা ভিন্ন কথা।

সঠিক ক্রমটি হলোঃ
➡️ অতিরিক্ত ও ভুল খাদ্যাভ্যাস
➡️ রক্তে ইনসুলিন বাড়ে (Hyperinsulinemia)
➡️ শরীর ইনসুলিনের প্রতি সাড়া দেওয়া কমিয়ে দেয় (Insulin Resistance)
➡️ লিভার ও অগ্ন্যাশয়ে চর্বি জমে
➡️ রক্তে চিনি বাড়

টাইপ ২ ডায়াবেটিসঃ দীর্ঘমেয়াদী অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয় এবং লিভারে ইনসুলিন পরিশোধন কমিয়ে দেয়। এর ফলেই দীর্ঘস্থায়ী Hyperinsulinemia তৈরি হয়, যা পরবর্তীতে Insulin Resistance-এর জন্ম দেয় এবং লিভার ও অগ্ন্যাশয়ে ক্রমাগত চর্বি জমতে থাকে। [
অর্থাৎ — চিনি সমস্যার শেষ ফল, শুরু নয়। শুরু হয় ইনসুলিন থেকে।

তাহলে সমাধান কোথায়?
যদি Hyperinsulinemia মূল কারণ হয়, তাহলে চিকিৎসার লক্ষ্যও হওয়া উচিত ইনসুলিন কমানো — শুধুমাত্র সুগার নিয়ন্ত্রণ নয়।

Insulin Resistance ও Hyperinsulinemia কমানোর সবচেয়ে কার্যকর প্রথম সারির পদক্ষেপ হলো খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন — যা সঠিকভাবে প্রয়োগ করলে যেকোনো ওষুধের চেয়েও বেশি কার্যকর হতে পারে।🤔
সম্মানিত চিকিৎসকেরা এ বিষয়টি বিবেচনায় আনতে পারেন।

ইনসুলিন কমানোর তিনটি প্রমাণিত পথ
① পরিশোধিত শর্করা কমানোঃ কম শর্করা, বেশি প্রোটিন এবং মাটির উপরে জন্মানো সবজি থেকে আঁশযুক্ত খাবার — এই সমন্বয়টি Insulin Resistance কমানোর ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী প্রমাণ বহন করে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এর মানে:
🚫 সাদা ভাত ➡️ লাল চাল বা কম পরিমাণ ভাত
🚫 চিনি ও মিষ্টি ➡️ সম্পূর্ণ বাদ বা ন্যূনতম
🚫 ময়দার রুটি ➡️ আটার রুটি, কম পরিমাণে

② Intermittent Fasting বা নির্দিষ্ট সময়ে খাওয়াঃ দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা স্বাভাবিকভাবেই কমে আসে। এটি Hyperinsulinemia কমানোর এবং Insulin Sensitivity বাড়ানোর একটি কার্যকর উপায়। [
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পরিচালিত একটি Meta-analysis দেখিয়েছে যে Intermittent Fasting রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা, Insulin Resistance এবং HbA1c — তিনটিই উল্লেখযোগ্যভাবে কমায়।

বাংলাদেশের জন্য সহজ প্রয়োগঃ
- রাত ৮টার পর খাবার বন্ধ
- সকাল ১০টার আগে না খাওয়া
- এতে স্বাভাবিকভাবেই ১৪ ঘণ্টার Fasting হয়
- রমজানের রোজাও এই নীতিতেই কাজ করে

③ ওজন কমানো ও শারীরিক কার্যক্রমঃ Hyperinsulinemia শুধু ডায়াবেটিস নয় — স্থূলতা, হৃদরোগ এবং ক্যান্সারেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। এর কেন্দ্রে রয়েছে আধুনিক খাদ্যাভ্যাস এবং অতিরিক্ত পুষ্টি গ্রহণ — যা পরিবর্তন করলে এই পুরো চক্রটি ভাঙা সম্ভব।

একটি সহজ তুলনা

আমার লক্ষ্য ➡️ প্রচলিত চিকিৎসা ➡️ নতুন দৃষ্টিভঙ্গি |
🔴 কী কমাতে চাই ➡️ রক্তের চিনি ➡️ রক্তের ইনসুলিন |
🔴 পদ্ধতি ➡️ ওষুধ ➡️ খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন
🔴 ফলাফল ➡️ নিয়ন্ত্রণ ➡️ Remission সম্ভব

⚠️☠️ একটি জরুরি সতর্কতা

ইনসুলিন কমানোর চেষ্টা করতে গিয়ে যারা ইতিমধ্যে ইনসুলিন ইনজেকশন বা Sulfonylurea জাতীয় ওষুধ নিচ্ছেন —
#চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ভাবেই খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তন আনবেন না।
#রক্তে চিনি হঠাৎ বেশি কমে গেলে বিপদ হতে পারে।

শেষ কথা

♦️ ডায়াবেটিসে শুধু চিনি দেখলে চলবে না — ইনসুলিনকে চিনতে হবে।
♦️ ইনসুলিন ঠিক হলে, চিনি এমনিতেই ঠিক হয়।
মনোযোগী পাঠককে আন্তরিক ধন্যবাদ — এই প্রশ্নটি না উঠলে আলোচনাটি অসম্পূর্ণ থেকে যেত। যেহেতু এটি অতি সাম্প্রতিক ফাইন্ডিং এবং কিছুটা প্রচলিত ধারনার বাহিরে তাই এবিষয়ে মুক্ত আলোচনা আশা করছি।
📍 👩‍⚕️ ডাঃ তাজকেরা সুলতানা চৌধুরী

এফসিপিএস (সার্জারী), এমএস (ইউরোলজি) সহযোগী অধ্যাপক, ইউরোলজি বিভাগ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
এবং
চীফ কনসালটেন্ট
🏠 বায়োমেড সেন্টার ফর ওমেন্স হেলথ্
ইষ্টার্ন দোলন, ১৫২/২-এইচ (৭ম তলা), বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান স্মরনী পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা-১২০৫,

যোগাযোগ: 📲 ০১৯৮৯৯৯৭১৮০ ( সকাল নয়টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন গুলো ব্যতিত যোগাযোগ করতে পারেন)

#কিডনি_পাথর
#মূত্রনালী_সংক্রমণ
#মূত্রথলি
#মূত্র_অসংযম

📌 একজন পাঠক আমাদের ডায়াবেটিস ও কিডনি বিষয়ক পোস্টটা ফ্যাক্ট চেক করেছেন। কিছু যৌক্তিক প্রশ্ন তুলেছেন? একজন চিকিৎসক হিসেব...
31/05/2026

📌 একজন পাঠক আমাদের ডায়াবেটিস ও কিডনি বিষয়ক পোস্টটা ফ্যাক্ট চেক করেছেন। কিছু যৌক্তিক প্রশ্ন তুলেছেন? একজন চিকিৎসক হিসেবে আমি বিশ্বাস করি — ভুল তথ্য সংশোধন করাটা দায়িত্বের অংশ। তাই আজ সরাসরি বলছি।
ডায়াবেটিস ও কিডনি নিয়ে যে ভুল ধারণাগুলো আপনাকে বিপদে ফেলছে — সত্যিটা জানুন "আমাদের একটা পোস্ট নিয়ে একজন পাঠক প্রশ্ন তুলেছেন। এটা দেখে ভালো লাগলো — কারণ সচেতন পাঠকই পেইজকে আরো ভালো করে। আজ সেই প্রশ্নগুলোর সৎ উত্তর দিচ্ছি।" আনন্দের বিষয় হলো অগুনিত পাঠক উনাদের পজেটিভ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন যা কিনা আমাদের এই লেখা গুলোর যৌক্তিকতা প্রমাণ করে।
ভুল ধারণা ১ — সব ডায়াবেটিক রোগীর কিডনি নষ্ট হয়
❌ এটা সঠিক নয়।
✅ সত্যিটা হলো — ডায়াবেটিস থাকলেই কিডনি নষ্ট হবে এমন কোনো কথা নেই। যারা সঠিকভাবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখেন, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখেন এবং নিয়মিত পরীক্ষা করান — তাদের কিডনি সুস্থ থাকতে পারে দীর্ঘদিন।
ঝুঁকি বাড়ে যখন —
🔸 দীর্ঘদিন ধরে রক্তে সুগার অনিয়ন্ত্রিত থাকে
🔸 রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ না হয়
🔸 নিয়মিত কিডনি পরীক্ষা না করা হয়

ভুল ধারণা ২ — করলা ও নিমপাতা সুগার নিয়ন্ত্রণ করে
❌ পুরোপুরি সত্য নয়।
✅ সত্যিটা হলো — কিছু ছোট গবেষণায় সামান্য গ্লুকোজ কমানোর প্রভাব দেখা গেছে। কিন্তু এগুলো ডায়াবেটিসের চিকিৎসার বিকল্প নয়।
করলা বা নিমপাতা খেয়ে ওষুধ বন্ধ করলে বিপদ হতে পারে। এগুলো সর্বোচ্চ সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করা যায় — ওষুধের পরিবর্তে নয়।

ভুল ধারণা ৩ — ডায়াবেটিসে ভাত একদম বন্ধ করতে হবে
❌ এটা সঠিক নয়।
✅ সত্যিটা হলো — ভাত বা কার্বোহাইড্রেট একেবারে বাদ দেওয়া প্রয়োজন নেই। দরকার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ এবং সঠিক সময়ে খাওয়া।
ডায়াবেটিসে মূল কথা হলো — কী খাচ্ছেন তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কতটুকু খাচ্ছেন এবং কখন খাচ্ছেন।

ভুল ধারণা ৪ — সুগার নিয়ন্ত্রণে এলে ওষুধ বন্ধ করা যায়
❌ নিজে নিজে বন্ধ করা বিপজ্জনক।
✅ সত্যিটা হলো — কিছু রোগী জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে ওষুধ কমাতে পারেন। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শে নিতে হবে। নিজে নিজে বন্ধ করলে হঠাৎ সুগার বেড়ে গিয়ে বিপদ হতে পারে।

তাহলে আসল সত্যিটা কী

ডায়াবেটিসে কিডনি রক্ষার মূল চাবিকাঠি তিনটাঃ
🔸 HbA1c নিয়ন্ত্রণে রাখুন — তিন মাসের গড় সুগার ৭ এর নিচে রাখার চেষ্টা করুন
🔸 রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন — ১৩০/৮০ এর নিচে রাখার চেষ্টা করুন
🔸 নিয়মিত পরীক্ষা করুন — বছরে একবার Creatinine ও urine ACR পরীক্ষা করান
এই তিনটা মানলে বেশিরভাগ ডায়াবেটিক রোগী কিডনি সুস্থ রাখতে পারেন।

পাঠকের প্রতি একটা কথা
আমাদের পোস্টের উদ্দেশ্য কখনো ভয় দেখানো নয় — সচেতনতা তৈরি করা।
কিন্তু সচেতনতা তৈরি করতে গিয়ে যদি কোনো তথ্য অস্পষ্ট বা অতিরঞ্জিত মনে হয় — আমাদের জানান। আমরা সংশোধন করব।
সঠিক তথ্য পাওয়ার অধিকার আপনার আছে। এবং সেটা নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব।
প্রশ্ন বা মতামত থাকলে কমেন্টে জানান।
📍 👩‍⚕️ ডাঃ তাজকেরা সুলতানা চৌধুরী (বাংলাদেশের প্রথম মহিলা ইউরোলজিস্ট)

এফসিপিএস (সার্জারী), এমএস (ইউরোলজি) সহযোগী অধ্যাপক, ইউরোলজি বিভাগ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
এবং
চীফ কনসালটেন্ট
🏠 বায়োমেড সেন্টার ফর ওমেন্স হেলথ্
ইষ্টার্ন দোলন, ১৫২/২-এইচ (৭ম তলা), বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান স্মরনী পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা-১২০৫,

যোগাযোগ: 📲 ০১৯৮৯৯৯৭১৮০ ( সকাল নয়টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন গুলো ব্যতিত যোগাযোগ করতে পারেন)

#কিডনি_পাথর
#মূত্রনালী_সংক্রমণ
#মূত্রথলি
#মূত্র_অসংযম

📌 গত তিনটি পর্ব পড়ে ভয় পেয়েছেন হয়তো। কিন্তু ভয় দেখানো এই সিরিজের উদ্দেশ্য ছিল না। উদ্দেশ্য ছিল একটাই — আপনি জানুন। ...
30/05/2026

📌 গত তিনটি পর্ব পড়ে ভয় পেয়েছেন হয়তো। কিন্তু ভয় দেখানো এই সিরিজের উদ্দেশ্য ছিল না। উদ্দেশ্য ছিল একটাই — আপনি জানুন। আপনি অনুসরন করুন। আপনি বাঁচুন।

আজ শুধু তিনটি কথা বলবঃ
এর আগে পোষ্ট গুলোতে ক্রিয়েটিনিন বৃদ্ধি ও রক্তের রিপোর্টে eGFR (Glomerular Filtration Rate) কমে যাওয়া বা ড্রপ করা দেখলে রোগীরা প্রথমেই ভাবেন—"আমার কিডনি বোধহয় অকেজো হতে চলেছে, এখন শুধু প্রোটিন আর পটাশিয়াম খাওয়া কমিয়ে দিলেই কিডনি আবার আগের মতো ঠিক হয়ে যাবে।"

ল্যাবরেটরি বায়োকেমিস্ট্রি এবং রেনাল মেকানিজমের দৃষ্টিতে, eGFR ড্রপ করলে ডায়েট পরিবর্তন করা অত্যন্ত জরুরি হলেও এটিই একমাত্র বা যথেষ্ট সমাধান নয়। কারণ eGFR কমে যাওয়া কোনো স্বাধীন রোগ নয়, এটি মূলত কিডনির ফিল্টার নষ্ট হওয়ার একটি ল্যাবরেটরি সংকেত মাত্র। কিডনিকে চিরতরে বিকল হওয়া থেকে বাঁচাতে ডায়েটের পাশাপাশি এর পেছনের আসল বৈজ্ঞানিক মেকানিজমটি দূর করা বাধ্যতামূলক।

আসল বৈজ্ঞানিক মেকানিজম হলো দুটি কিডনির ভেতরে রক্ত ছেঁকার জন্য প্রায় ১৮ লক্ষ সূক্ষ্ম ছাঁকনি বা ফিল্টার থাকে, যাদের বলা হয় Glomerulus। এই ছাঁকনিগুলো প্রতি মিনিটে ঠিক কত মিলিলিটার রক্ত নিখুঁতভাবে পরিষ্কার করতে পারছে, ল্যাবরেটরি সূত্রে সেই হিসাবকেই বলা হয় eGFR।

রক্তে যখন দীর্ঘদিন অতিরিক্ত সুগার (ডায়াবেটিস) বা তীব্র রক্তচাপ (High BP) থাকে, তখন কিডনির এই সূক্ষ্ম ফিল্টারিং মেমব্রেন এবং রক্তনালীগুলো ধীরে ধীরে পুড়ে বা ড্যামেজ হয়ে শক্ত হতে শুরু করে। ফলে কিডনির রক্ত ছাঁকার গতি কমে যায় এবং ল্যাব রিপোর্টে eGFR এর মান দ্রুত নিচের দিকে নামতে থাকে।
অপর দিকে আপনি যখন ডায়েট পরিবর্তন করে কম প্রোটিন বা কম পটাশিয়াম খান, তখন মূলত কিডনির ওপর বাড়তি বর্জ্য পরিষ্কার করার কাজের চাপ (Renal Workload) কিছুটা কমে। ডায়েট আপনার কিডনিকে নতুন কোনো বর্জ্য তৈরি করে কষ্ট দেওয়া থেকে বিরত রাখে, কিন্তু যে মূল কারণে (যেমন—অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা ব্যথানাশক ঔষধ) গুলো কে অবশ্যই আমলে নিতে হবে।
সহজ হিসাব
➡️ প্রথম কথা — সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
HbA1c পরীক্ষার কথা হয়তো শুনেছেন। এটি তিন মাসের গড় সুগার দেখায়। এই সংখ্যাটি ৭-এর নিচে রাখতে পারলে কিডনি অনেকটাই রক্ষা পায়।
ডাক্তারের পরামর্শ মতো ওষুধ নিয়মিত খান। কোনো অবস্থাতে চিকিৎসকেদ অনুমোদন ব্যতিত ব্যাথার ঔষধ খাবেন না।
নিজে নিজে ঔষধ বন্ধ করবেন না।

➡️ দ্বিতীয় কথা — রক্তচাপের দিকে নজর রাখুন। ডায়াবেটিসের রোগীদের অনেকেরই রক্তচাপও বেশি থাকে। এই দুটো একসঙ্গে থাকলে কিডনির ক্ষতি হয় দ্বিগুণ গতিতে।
রক্তচাপ ১৩০/৮০-এর নিচে রাখার চেষ্টা করুন।

➡️ তৃতীয় কথা — ছয় মাসে একবার কিডনি পরীক্ষা করুন।
তিনটি পরীক্ষা —
রক্তে ক্রিয়েটিনিন, রক্তে ইউরিয়া, প্রস্রাবে প্রোটিন।
খরচ বেশি নয়।
কিন্তু এই তিনটি পরীক্ষা প্রতি ছয় মাসে করলে বিপদ আসার আগেই জানতে পারবেন।

আর সময়মতো জানলে — ফেরার পথ থাকে।

অধ্যাপক ডাঃ আব্দুল্লাহ বলেছেন —"ডায়াবেটিসকে ভয় না পেয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।" এই একটা বাক্যই এই সিরিজের সারসংক্ষেপ।

আপনার বাড়িতে কি ডায়াবেটিসের রোগী আছেন?
আপনার বাবা? মা? স্বামী? স্ত্রী?

এই সিরিজের পর্ব গুলো শেয়ার করুন।
উনারা পড়ুক। জানুক।
আপনার একটি শেয়ার —
কারো কিডনি বাঁচাতে পারে। আপনিও হয়তো এর একটি বিশ্বাস করেন।
📍 👩‍⚕️ ডাঃ তাজকেরা সুলতানা চৌধুরী (বাংলাদেশের প্রথম মহিলা ইউরোলজিস্ট)

এফসিপিএস (সার্জারী), এমএস (ইউরোলজি) সহযোগী অধ্যাপক, ইউরোলজি বিভাগ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
এবং
চীফ কনসালটেন্ট
🏠 বায়োমেড সেন্টার ফর ওমেন্স হেলথ্
ইষ্টার্ন দোলন, ১৫২/২-এইচ (৭ম তলা), বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান স্মরনী পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা-১২০৫, যোগাযোগ: 📲 01989997180

( উল্লেখিত নম্বরে সকাল নয়টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন গুলো ব্যতিত যোগাযোগ করতে পারেন)
দূরের পেশেন্ট যারা মুভমেন্ট করতে সমস্যা হয় তারা 01989997180 নাম্বারে রেজিস্ট্রেশন করে একটা নির্দিষ্ট দিন ও সময়ে অনলাইন দেখাতে পারবেন।

#কিডনি_পাথর
#মূত্রনালী_সংক্রমণ
#মূত্রথলি
#মূত্র_অসংযম

📌 পাঁচটি বিশ্বাস। ডাযবেটিস সম্পর্কে এই পাঁচটি বিশ্বাস বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ বহন করছেন।পরিবার থেকে শিখেছেন। পাড়া থে...
29/05/2026

📌 পাঁচটি বিশ্বাস। ডাযবেটিস সম্পর্কে এই পাঁচটি বিশ্বাস বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ বহন করছেন।পরিবার থেকে শিখেছেন। পাড়া থেকে শিখেছেন।এতদিন কেউ বলেনি এগুলো ভুল।

আজ বলছি।
বিশ্বাস এক — সুগার কমে গেলে ওষুধ বন্ধ করা যায়।
এটি সবচেয়ে বিপজ্জনক ভুল।
সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে ওষুধের কারণেই।
ওষুধ বন্ধ করলে সুগার আবার বাড়ে — কিন্তু চুপ করে।
কোনো ব্যথা নেই, কোনো দুর্বলতা নেই।
মনে হয় সব ঠিক আছে।
কিন্তু কিডনিতে তখন ক্ষয় শুরু হয়ে গেছে।

বিশ্বাস দুই — ইনসুলিন মানে শেষ পর্যায়, একবার শুরু করলে সারাজীবন নিতে হবে।
এই ভয়ে অনেকে ইনসুলিন নিতে রাজি হন না।ডাক্তার বলার পরেও না।
কিন্তু ইনসুলিন কোনো শেষ চিকিৎসা নয়।
এটি একটি হরমোন, যা আপনার শরীরেই তৈরি হওয়ার কথা ছিল।
অপারেশনের সময়, গর্ভাবস্থায়, গুরুতর অসুস্থতায় —
ইনসুলিনই সবচেয়ে নিরাপদ।
পরে অবস্থার উন্নতি হলে বন্ধও করা যায়।
ইনসুলিনকে ভয় পেয়ে সুগার অনিয়ন্ত্রিত রাখলে যে ক্ষতি হয়,
সেটা আর ফেরানো যায় না।

বিশ্বাস তিন — হোমিও বা ভেষজ ওষুধে ডায়াবেটিস সেরে যায়।
বিজ্ঞান এখন পর্যন্ত এর কোনো প্রমাণ পায়নি।
কিন্তু অনেকে মূল ওষুধ ছেড়ে বছরের পর বছর এই পথে থাকেন।
এই বছরগুলোতে শরীর কোনো লক্ষণ দেখায় না।
কিন্তু কিডনি ভেতরে ভেতরে নষ্ট হতে থাকে।
ডাক্তারের কাছে যখন আসেন, তখন অনেক দেরি।

বিশ্বাস চার — ডায়াবেটিস থাকলে রোজা রাখা যাবে না।
এটি ভুল।
সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকলে রোজা রাখা যায়।
রোজা আসলে একটি সুশৃঙ্খল খাদ্যাভ্যাস —
যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
শুধু রোজার আগে একবার ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন।
ওষুধের সময় আর মাত্রা ঠিক করে নিন।
এটুকুই যথেষ্ট।

বিশ্বাস পাঁচ — কোনো লক্ষণ নেই মানে সব ঠিক আছে।
এটি সবচেয়ে নীরব বিপদ।
কিডনি ৫০ ভাগ নষ্ট না হলে সাধারণত কোনো লক্ষণ থাকে না।
মূত্রাশয়ের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হলেও প্রথম দিকে বোঝা যায় না।
"ভালো লাগছে" মানে "সুস্থ আছি" নয়।
ডায়াবেটিস থাকলে ছয় মাসে একবার কিডনি পরীক্ষা করুন —
লক্ষণ থাকুক বা না থাকুক।

আগামীকাল শেষ পর্ব।
ভয়ের কথা তো বললাম।
এবার বলব আশার কথা।
সহজ তিনটি নিয়ম —
যা মেনে চললে কিডনি বাঁচে, জীবন বাঁচে।
এই পোস্টটি এখনই শেয়ার করুন — আপনার একটি শেয়ার কারো জীবন বাঁচাতে পারে।
📍 👩‍⚕️ ডাঃ তাজকেরা সুলতানা চৌধুরী (বাংলাদেশের প্রথম মহিলা ইউরোলজিস্ট)

এফসিপিএস (সার্জারী), এমএস (ইউরোলজি) সহযোগী অধ্যাপক, ইউরোলজি বিভাগ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
এবং
চীফ কনসালটেন্ট
🏠 বায়োমেড সেন্টার ফর ওমেন্স হেলথ্
ইষ্টার্ন দোলন, ১৫২/২-এইচ (৭ম তলা), বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান স্মরনী পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা-১২০৫, যোগাযোগ: 📲 01989997180

(উল্লেখিত নম্বরে সকাল নয়টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন গুলো ব্যতিত যোগাযোগ করতে পারেন)
ঢাকা ও ঢাকার আশেপাশে সরাসরি চেম্বারে দেখাতে পারবন। আর দূরের পেশেন্ট যারা মুভমেন্ট করতে সমস্যা হয় তারা রেজিস্ট্রেশন করে একটা নির্দিষ্ট দিন ও সময়ে অনলাইন দেখাতে পারবেন।

#কিডনি_পাথর
#মূত্রনালী_সংক্রমণ
#মূত্রথলি
#মূত্র_অসংযম

📌 আপনার পরিচিত কেউ কি এরকম বলেছেন কখনো? "রাতে বারবার উঠতে হয়। বয়স হয়েছে, এটাই স্বাভাবিক।"হয়তো আপনিও বলেছেন।হয়তো আপন...
28/05/2026

📌 আপনার পরিচিত কেউ কি এরকম বলেছেন কখনো? "রাতে বারবার উঠতে হয়। বয়স হয়েছে, এটাই স্বাভাবিক।"
হয়তো আপনিও বলেছেন।
হয়তো আপনার বাবা বলেছেন। মা বলেছেন।
কিন্তু এটা বয়সের কারণে নয়।
এটা হতে পারে ডায়াবেটিসের একটি নীরব আঘাতের লক্ষণ —
যে আঘাতের কথা বেশিরভাগ মানুষ জানেনই না।
চোখের স্নায়ু দূর্বল হলে ডায়াবেটিক পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি (Diabetic Peripheral Neuropathy) পায়ের স্নায়ু দূর্বল হলে হয় ডায়াবেটিক ফুট আলসার। কিন্তু মূত্রাশয়ের স্নায়ুও নষ্ট হয়। এই রোগের নাম ডায়াবেটিক সিস্টোপ্যাথি।
ডায়াবেটিসের রোগীদের মধ্যে প্রতি চারজনে একজন এতে আক্রান্ত।
অথচ নামটাই বেশিরভাগ মানুষ জানেন না।

মূত্রাশয়ের স্নায়ু নষ্ট হলে কী হয়?
প্রথমত, মূত্রথলি পূর্ণ হলেও মস্তিষ্ককে সংকেত পাঠায় না।
ফলে প্রস্রাব আটকে থাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা।
জমা প্রস্রাবে ব্যাকটেরিয়া জন্মায়।
সেই সংক্রমণ ধীরে ধীরে উঠতে থাকে কিডনির দিকে।

দ্বিতীয়ত, প্রস্রাব করার পরও মূত্রথলি পুরোপুরি খালি হয় না।
কিছুটা সবসময় থেকে যায়।
এটি দীর্ঘমেয়াদি সংক্রমণের উৎস হয়ে যায়।

তৃতীয়ত, কখনো কখনো সংকেত ছাড়াই হঠাৎ প্রস্রাবের তীব্র বেগ আসে।
মানুষ লজ্জায় এটা কাউকে বলেন না।
নিজের মধ্যে রেখে দেন।
ডাক্তারের কাছে যান না।
এই না-যাওয়াটাই সবচেয়ে বড় বিপদ।

নিচের কোনোটা কি আপনার বা আপনার পরিচিতের ক্ষেত্রে হচ্ছে?
রাতে দুইবারের বেশি প্রস্রাবে উঠতে হচ্ছে।
প্রস্রাব করার পরও মনে হচ্ছে শেষ হয়নি।
মাঝে মাঝে হঠাৎ তীব্র বেগ আসছে।
প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া বা ঘোলা রং।
এর যেকোনো একটিও থাকলে অবহেলা নয়।
ডায়াবেটিস থাকলে এখনই ডাক্তার দেখান।

পরের পর্বে আসছে যা আপনাকে সত্যিই চমকে দেবে।
পাঁচটি বিশ্বাস — যা বাংলাদেশের হাজার হাজার মানুষ আজও মনে প্রাণে বিশ্বাস করেন।
আর এই পাঁচটি বিশ্বাসই তাঁদের ডায়ালাইসিসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
আপনিও হয়তো এর একটি বিশ্বাস করেন।
📍 👩‍⚕️ ডাঃ তাজকেরা সুলতানা চৌধুরী (বাংলাদেশের প্রথম মহিলা ইউরোলজিস্ট)

এফসিপিএস (সার্জারী), এমএস (ইউরোলজি) সহযোগী অধ্যাপক, ইউরোলজি বিভাগ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
এবং
চীফ কনসালটেন্ট
🏠 বায়োমেড সেন্টার ফর ওমেন্স হেলথ্
ইষ্টার্ন দোলন, ১৫২/২-এইচ (৭ম তলা), বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান স্মরনী পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা-১২০৫, যোগাযোগ: 📲 01989997180

(নম্বরে সকাল নয়টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন গুলো ব্যতিত যোগাযোগ করতে পারেন)
ঢাকা ও ঢাকার আশেপাশে সরাসরি চেম্বারে দেখাতে পারবন। আর দূরের পেশেন্ট যারা মুভমেন্ট করতে সমস্যা হয় তারা রেজিস্ট্রেশন করে একটা নির্দিষ্ট দিন ও সময়ে অনলাইন দেখাতে পারবেন।

#কিডনি_পাথর
#মূত্রনালী_সংক্রমণ
#মূত্রথলি
#মূত্র_অসংযম

📌 ধর্মীয় বিশ্বাস ও আধুনিক চিকিৎসা — এরা বিরোধী নয়, পাশাপাশি চলে __"আল্লাহর উপর ভরসা রাখি — তাই ডাক্তারের কাছে যাই না। ...
28/05/2026

📌 ধর্মীয় বিশ্বাস ও আধুনিক চিকিৎসা — এরা বিরোধী নয়, পাশাপাশি চলে __"আল্লাহর উপর ভরসা রাখি — তাই ডাক্তারের কাছে যাই না। এই কথাটা শুনলে মন খারাপ হয়। কারণ ইসলাম কিন্তু এটা বলেনি।"

আমাদের দেশে অনেক মানুষ মনে করেন — ডাক্তারের কাছে যাওয়া মানে আল্লাহর উপর ভরসা কম।
এই ধারণাটা সম্পূর্ণ ভুল।

ইসলাম কী বলে
নবীজি (সা.) বলেছেন — *"প্রতিটি রোগের ওষুধ আছে। যখন সঠিক ওষুধ রোগে লাগে, তখন আল্লাহর অনুমতিতে রোগী সুস্থ হয়।"* (মুসলিম)
আরেকটি হাদিসে আছে — *"হে আল্লাহর বান্দারা, চিকিৎসা নাও।"* (আবু দাউদ)
অর্থাৎ চিকিৎসা নেওয়া ইসলামে শুধু অনুমোদিত নয় — উৎসাহিত বটে।

দোয়া ও চিকিৎসা একসাথে
🔸 অসুস্থ হলে দোয়া করুন — এটা অবশ্যই করুন
🔸 একই সাথে ডাক্তার দেখান — এটাও করুন
🔸 ওষুধ খান — এটা আল্লাহর দেওয়া নেয়ামত
🔸 সুস্থ হলে শুকরিয়া আদায় করুন
এই দুটো একসাথে চলে। একটা আরেকটার বিরোধী নয়।

একটা বাস্তব উদাহরণ

নবীজি (সা.) নিজে অসুস্থ হলে চিকিৎসা নিতেন। সাহাবারাও নিতেন।
তাহলে আমরা কেন চিকিৎসাকে বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মনে করব?

যেটা পরিষ্কার করা দরকার
🔸 ঝাড়ফুঁক বা রুকইয়া — ইসলামে অনুমোদিত, কিন্তু চিকিৎসার বিকল্প নয়
🔸 দোয়া — আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া, কিন্তু নিজে চেষ্টা করতে হবে
🔸 তাবিজ — এ নিয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ আছে, তবে চিকিৎসার বিকল্প নয়

শেষ কথা
আল্লাহ আমাদের বুদ্ধি দিয়েছেন। চিকিৎসাবিজ্ঞান সেই বুদ্ধির ব্যবহার। এটা ব্যবহার করা কৃতজ্ঞতার প্রকাশ — অবিশ্বাসের নয়।
সুস্থ থাকুন। আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন। এবং ডাক্তার দেখান।

পরের পোস্টে আসছে — দেরিতে ডাক্তার দেখানোর মূল্য কতটুকু দিতে হয়।
এই বিষয়ে আপনার মতামত কী? কমেন্টে জানান।

📍 👩‍⚕️ ডাঃ তাজকেরা সুলতানা চৌধুরী (বাংলাদেশের প্রথম মহিলা ইউরোলজিস্ট)

এফসিপিএস (সার্জারী), এমএস (ইউরোলজি) সহযোগী অধ্যাপক, ইউরোলজি বিভাগ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
এবং
চীফ কনসালটেন্ট
🏠 বায়োমেড সেন্টার ফর ওমেন্স হেলথ্
ইষ্টার্ন দোলন, ১৫২/২-এইচ (৭ম তলা), বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান স্মরনী পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা-১২০৫,

যোগাযোগ: 📲 ০১৯৮৯৯৯৭১৮০ ( সকাল নয়টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন গুলো ব্যতিত যোগাযোগ করতে পারেন)
ঢাকা ও ঢাকার আশেপাশে সরাসরি চেম্বারে দেখাতে পারবন। আর দূরের পেশেন্ট যারা মুভমেন্ট করতে সমস্যা হয় তারা রেজিস্ট্রেশন করে একটা নির্দিষ্ট দিন ও সময়ে অনলাইন দেখাতে পারবেন।

#কিডনি_পাথর
#মূত্রনালী_সংক্রমণ
#মূত্রথলি
#মূত্র_অসংযম

Address

Eastern Dolon, 152/2-H(6 Floor), West Panthapath, Above NRBC Bank Or Adjacent To Health And Hope Hospital, Opposite BRB
Muhammadpur
1205

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 22:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 22:00 - 20:00

Telephone

+8801989997180

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Tajkera's Urology posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dr. Tajkera's Urology:

Share