আশ্ শেফা দাওয়াখানা মুক্তাগাছা ময়মনসিংহ।

  • Home
  • Bangladesh
  • Muktagachha
  • আশ্ শেফা দাওয়াখানা মুক্তাগাছা ময়মনসিংহ।

আশ্ শেফা দাওয়াখানা মুক্তাগাছা ময়মনসিংহ। চিকিৎসা পরামর্শ ঔষধ। এখানে সকল প্রকার শৌধিত ভেষজ চূর্ন ও ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক ঔষধ পাওয়া যায়। আপনার ছেলে মেয়েকে সু শিক্ষা দিন ।

😡 অতিরিক্ত রাগ কি আপনার নিয়ন্ত্রণে নেই?জেনে নিন ইউনানী চিকিৎসা বিজ্ঞানের সমাধানআমরা অনেকেই হুটহাট রেগে যাই, কিন্তু জানেন...
12/05/2026

😡 অতিরিক্ত রাগ কি আপনার নিয়ন্ত্রণে নেই?

জেনে নিন ইউনানী চিকিৎসা বিজ্ঞানের সমাধান

আমরা অনেকেই হুটহাট রেগে যাই, কিন্তু জানেন কি ইউনানী চিকিৎসায় অতিরিক্ত রাগকে শরীরের 'হারারাত' বা অতিরিক্ত গরমের লক্ষণ হিসেবে দেখা হয়?

যখন পিত্তরস (Bilious Humor) বা 'সাফরা' রক্তে বেড়ে যায়, তখনই মানুষের মেজাজ খিটখিটে হয় এবং রাগ বাড়ে।

🔍 কেন বেশি রাগ ওঠে? (ইউনানী ব্যাখ্যা)

১. সাফরার আধিক্য:
শরীরে পিত্ত বা সাফরার পরিমাণ বেড়ে গেলে মস্তিষ্ক ও স্নায়ু উত্তেজিত হয়ে পড়ে।

২. মস্তিষ্কের শুষ্কতা:
অনিদ্রা বা অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার কারণে মস্তিষ্কের আর্দ্রতা কমে গেলে ধৈর্য্য বিচ্যুতি ঘটে।

৩. হজম প্রক্রিয়ার গোলযোগ:
দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য বা লিভারের সমস্যায় রক্তে বিষাক্ত টক্সিন জমলে মেজাজ খিটখিটে হয়।

৪. অতিরিক্ত গরম খাবার:
ঝাল, মশলাযুক্ত এবং ভাজাভুজি খাবার শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়, যা রাগের উদ্রেক করে।

🌿 প্রতিকার ও জীবনযাত্রা

ইউনানী মতে, রাগকে জয় করতে হলে শরীর ও মনকে 'বারিদ' বা শীতল করতে হবে।

পর্যাপ্ত ঘুম:
প্রতিদিন অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম মস্তিষ্কের কোষকে শান্ত রাখে।

জলপান:
রাগ উঠলে সাথে সাথে এক গ্লাস ঠান্ডা পানি পান করুন।

এটি তাৎক্ষণিকভাবে শরীরের উত্তাপ কমায়।

খাদ্যাভ্যাস:
খাদ্যতালিকায় শসা, লাউ, ডালিম, তরমুজ এবং ইসবগুলের ভুষির মতো ঠান্ডা খাবার রাখুন।

গোসল:
প্রতিদিন নিয়মিত গোসল শরীর ও মনকে প্রফুল্ল রাখে।

💊 ইউনানী চিকিৎসায় কার্যকরী সমাধান

ইউনানী শাস্ত্রের কিছু প্রাকৃতিকভাবে তৈরি ওষুধ রাগের তীব্রতা কমাতে দারুণ কাজ করে:

১. খামিরা গাওজাবান আম্বরী:
এটি হার্ট এবং মস্তিষ্ককে শক্তিশালী করে এবং মানসিক অস্থিরতা কমায়।
২. শরবত বনাফশা বা শরবত নীলুফার:
শরীরের অতিরিক্ত তাপ ও পিত্ত কমিয়ে মেজাজ ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।
৩. ইতরিফল জামানি:
যদি পেটের সমস্যার কারণে রাগ হয়, তবে এটি অত্যন্ত কার্যকরী।
৪. রৌগন-এ-লাবূব সাবা:
এই তেলটি মাথায় মালিশ করলে অনিদ্রা দূর হয় এবং মস্তিষ্ক শীতল থাকে।

✅ দ্রুত রাগ কমানোর টিপস
রাগ উঠলে অবস্থান পরিবর্তন করুন (দাঁড়িয়ে থাকলে বসে পড়ুন)।
দীর্ঘ শ্বাস (Deep Breathing) নিন।
সবুজ প্রকৃতির দিকে তাকানোর চেষ্টা করুন।

সতর্কতা:
যেকোনো ওষুধ সেবনের আগে একজন নিবন্ধিত হাকীম বা ইউনানী চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
কারণ আপনার মিজাজ (প্রকৃতি) বুঝে ওষুধের মাত্রা ঠিক করা জরুরি।

অতিরিক্ত রাগের সমস্যায় ভুগছেন?
সমাধান নিন প্রাকৃতিক ইউনানী চিকিৎসায়!

অনেকেই সামান্য কারণে উত্তেজিত হয়ে পড়েন বা নিজের রাগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন না।

ইউনানী চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, শরীরের অভ্যন্তরীণ উত্তাপ (সাফরা) এবং মস্তিষ্কের শুষ্কতা এই সমস্যার অন্যতম কারণ।

আপনি কি আপনার মেজাজ শান্ত রাখতে এবং মানসিক প্রশান্তি ফিরে পেতে চান?

আশ শেফা দাওয়াখানা-য় আমরা সম্পূর্ণ ভেষজ ও প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি ওষুধের মাধ্যমে রোগীর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা (মিজাজ) বুঝে চিকিৎসা প্রদান করি।

✅ কেন আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন?

অভিজ্ঞ হাকীম দ্বারা রোগ নির্ণয়।

মস্তিষ্ক ও স্নায়ু শান্ত রাখার বিশেষ ইউনানী ফর্মুলা।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত ভেষজ ঔষধ।

ব্যক্তিগত ও গোপনীয় পরামর্শ।

📍 যোগাযোগের ঠিকানা:
আশ শেফা দাওয়াখানা
আটানী বাজার, মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ।

⏰ রোগী দেখার সময়:
প্রতিদিন: বিকাল ৩:০০ টা হতে রাত ১০:০০ টা পর্যন্ত।
(শুক্রবার: বিকাল ৪:৩০ টা হতে রাত ৯:০০ টা পর্যন্ত)

আপনার সুস্থতা ও মানসিক প্রশান্তিই আমাদের লক্ষ্য।

ইউনানী চিকিৎসা বিজ্ঞানে আমাশয়কে 'জিলকুত আমা' (Zalaqul Am'a) বা 'সহজে' (Suhaj) বলা হয়।এটি মূলত পরিপাকতন্ত্রের একটি বিশে...
11/05/2026

ইউনানী চিকিৎসা বিজ্ঞানে আমাশয়কে 'জিলকুত আমা' (Zalaqul Am'a) বা 'সহজে' (Suhaj) বলা হয়।

এটি মূলত পরিপাকতন্ত্রের একটি বিশেষ অবস্থা যেখানে অন্ত্রের আস্তরণ বা ঝিল্লি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ইউনানী শাস্ত্রের অন্যতম প্রধান কিতাব 'আল-মুয়ালিজাত'-এর দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী এই রোগের কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসার একটি সংক্ষিপ্ত রূপরেখা নিচে দেওয়া হলো:

ইউনানী দৃষ্টিভঙ্গিতে আমাশয় (Dysentery)

ইউনানী মতে, আমাশয় হওয়ার প্রধান কারণ হলো শরীরে 'খলত-এ-সাফরা' (পিত্ত) বা 'খলত-এ-বলগম'-এর ভারসাম্যহীনতা।

যখন অন্ত্রে তীক্ষ্ণ ও বিরক্তিকর কোনো পদার্থ (যা পিত্ত বা দূষিত রস হতে পারে) জমা হয়, তখন তা অন্ত্রের ঝিল্লিতে ঘর্ষণ বা ক্ষত সৃষ্টি করে।

এর ফলে মলত্যাগের সময় পিচ্ছিল পদার্থ (আম) বা রক্ত নির্গত হয়।

প্রধান লক্ষণসমূহ
পেটে মোচড় দেওয়া:
মলত্যাগের আগে বা সময় তীব্র পেটে ব্যথা (মাগাস)।

পিচ্ছিল মল:
মলের সাথে সাদাটে শ্লেষ্মা বা আম নির্গত হওয়া।

রক্তক্ষরণ:
যদি অন্ত্রের ক্ষত গভীর হয়, তবে মলের সাথে তাজা বা কালো রক্ত দেখা দেয়।

বারবার বেগ হওয়া:
বারবার মলত্যাগের ইচ্ছা কিন্তু পরিমাণে খুব কম হওয়া।

দুর্বলতা:
শরীর দ্রুত পানি ও খনিজ উপাদান হারিয়ে নিস্তেজ হয়ে পড়ে।

ইউনানী চিকিৎসা পদ্ধতি (উসুল-এ-ইলাজ)
ইউনানী চিকিৎসায় আমাশয়ের চিকিৎসাকে তিনটি ধাপে ভাগ করা হয়:
মুসাখ্খিন ও তানফিয়া:
ক্ষতিকর পদার্থ শরীর থেকে বের করে দেওয়া।

মুসকিন:
ব্যথা ও প্রদাহ কমানো।

হাবেস ও কাবিজ:
অতিরিক্ত মলত্যাগ বন্ধ করা এবং অন্ত্রকে শক্তিশালী করা।

১. একক ওষুধ (Single Drugs)
বেল (Bel):
কাঁচা বেলের শাঁস পুড়িয়ে বা শরবত করে খেলে আমাশয়ে জাদুর মতো কাজ করে।

ইসবগুলের ভুসি:
এটি অন্ত্রের পিচ্ছিলতা ফিরিয়ে আনে এবং ক্ষত সারাতে সাহায্য করে।

থানকুনি পাতা:
অন্ত্রের ক্ষত (Ulcer) নিরাময়ে অত্যন্ত কার্যকর।

আনারের খোসা:
ডালিমের খোসা সিদ্ধ করা পানি রক্ত আমাশয় বন্ধ করতে সাহায্য করে।

২. যৌগিক ওষুধ (Compound Formulations)

ইউনানী ফার্মাকোপিয়া বা 'বায়াজ' অনুযায়ী কিছু বিখ্যাত ওষুধ হলো:
হাব্বে পেচিশ:
মলের মোচড় ও আম ভাব দূর করতে ব্যবহৃত হয়।

সাফূফ ইসবগোল:
এটি আমাশয়ের অস্বস্তি কমায়।

শরবত-এ-আনার:
পেটের জ্বালাপোড়া ও তৃষ্ণা মেটাতে এবং আমাশয় নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।

জাওয়ারিশ আমলা:
এটি পাকস্থলী ও অন্ত্রকে শক্তিশালী করে।

পথ্য ও সাবধানতা (Dietary Advice)

মুয়ালিজাত শাস্ত্রে আমাশয়ের রোগীর খাবারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে:
সহজপাচ্য খাবার:
জাউ ভাত, দই-চিঁড়া, এবং সাবুদানা পথ্য হিসেবে গ্রহণ করা উচিত।

দইয়ের ব্যবহার:
দই বা ঘোল অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বাড়াতে সাহায্য করে।

বর্জনীয়:
তৈলাক্ত, ঝাল-মসলাযুক্ত খাবার, শক্ত খাবার এবং অতিরিক্ত চা-কফি পুরোপুরি বর্জন করতে হবে।

বিশ্রাম:
রোগীকে শারীরিক ও মানসিক পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে।

সতর্কতা:
আমাশয় যদি দীর্ঘস্থায়ী হয় বা মলের সাথে প্রচুর রক্ত যায়, তবে ঘরে বসে চিকিৎসা না করে একজন অভিজ্ঞ হাকীম বা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

সঠিক রোগ নির্ণয় ছাড়া দীর্ঘমেয়াদী ওষুধ সেবন করা উচিত নয়।

📢 আমাশয় বা পেটের সমস্যায় ভুগছেন?

আর দেরি নয়!

দীর্ঘস্থায়ী আমাশয়, পেটে মোচড় দেওয়া, কিংবা মলের সাথে আম বা রক্ত যাওয়া আপনার জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলতে পারে।

সঠিক চিকিৎসা না পেলে এটি অন্ত্রের স্থায়ী ক্ষতির কারণ হতে পারে।

ইউনানী চিকিৎসা বিজ্ঞানের প্রাচীন ও নির্ভরযোগ্য ফর্মুলায় আমাশয়ের স্থায়ী সমাধানের জন্য চলে আসুন আশ শেফা দাওয়াখানা-য়।

✨ আমাদের সেবাসমূহ:
✅ অভিজ্ঞ হাকীমের তত্ত্বাবধানে সুচিকিৎসা।
✅ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত ভেষজ ও ইউনানী ওষুধের নিশ্চয়তা।
✅ আমাশয়, গ্যাস্ট্রিক ও বদহজমের কার্যকরী সমাধান।

📍 যোগাযোগের ঠিকানা:
আশ শেফা দাওয়াখানা
আটানী বাজার ছোট মসজিদ মোড়, মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ।

⏰ চেম্বারের সময়:
প্রতিদিন বিকেল ৩:০০ টা থেকে রাত ১০:০০ টা পর্যন্ত।
(শুক্রবার বিকেল ৪:৩০ টা থেকে রাত ৯:০০ টা পর্যন্ত)

আপনার সুস্থতাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

আজই যোগাযোগ করুন এবং প্রাকৃতিক চিকিৎসায় সুস্থ জীবন নিশ্চিত করুন।

আল-কানুন ফিত তিব্ব: নিদ্রায় ভয় পাওয়া ও এর ইউনানী সমাধান।ইবনে সিনা তাঁর গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, মানুষ যখন ঘুমায় তখন তার...
10/05/2026

আল-কানুন ফিত তিব্ব: নিদ্রায় ভয় পাওয়া ও এর ইউনানী সমাধান।

ইবনে সিনা তাঁর গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, মানুষ যখন ঘুমায় তখন তার ইন্দ্রিয়গুলো বাহ্যিক জগত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ভেতরের দিকে মনোনিবেশ করে।

এই সময় শরীরের কোনো অংশের অস্বাভাবিক অবস্থা মস্তিষ্কে ছায়া বা প্রতিচ্ছবি তৈরি করে, যা মানুষ ভয়ংকর স্বপ্ন বা অনুভূতি হিসেবে অনুভব করে।

১. কেন মানুষ ঘুমে ভয় পায়? (ইবনে সিনার বিশ্লেষণ)
ইবনে সিনা এর পেছনে প্রধানত তিনটি কারণ চিহ্নিত করেছেন:

বখারাত-এ-রাদ্দি (দূষিত বাষ্প):
এটি সবচেয়ে সাধারণ কারণ। পাকস্থলীতে যদি খাবার ঠিকমতো হজম না হয় এবং সেখানে আমাশয় বা কাঁচা রস (Khilt-e-Ghaliz) জমা হয়, তবে সেখান থেকে এক ধরনের বাষ্প উৎপন্ন হয়ে মস্তিষ্কের দিকে ধাবিত হয়।

এই বাষ্প মস্তিষ্কের ‘রূহ’ (Spirit/Vital Force) কে বাধাগ্রস্ত করে, ফলে মানুষ ঘুমের মধ্যে আতঙ্কিত হয়।

সু-ই-মিজাজ বারদ ওয়া ইয়াবিস (ঠান্ডা ও শুষ্ক মেজাজ): যখন মস্তিষ্কের স্বাভাবিক মেজাজ বিগড়ে গিয়ে অত্যাধিক শুষ্ক ও ঠান্ডা হয়ে যায় (সাউদা বা মেলানকোলিক মেজাজ), তখন মনের মধ্যে বিষণ্ণতা এবং অহেতুক ভয় কাজ করে।

কাবুস (Nightmare/Sleep Paralysis): ইবনে সিনা 'কাবুস' বা নিশি পাওয়া সম্পর্কে বিস্তারিত লিখেছেন।

তিনি মনে করতেন এটি মৃগীরোগের (Epilepsy) একটি প্রাথমিক সংকেত হতে পারে যদি এটি ঘনঘন ঘটে।

এটি মূলত মস্তিষ্কের সম্মুখ ভাগের শিরাগুলোতে রক্ত বা শ্লেষ্মার আধিক্যের কারণে ঘটে।

২. আল-কানুন অনুযায়ী প্রতিকার
ইবনে সিনা এই সমস্যার সমাধানে ‘তাদবীর’ (Regimenal Therapy) এবং ‘গিযা’ (Diet) এর ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন।

ক) খাদ্যের সমন্বয়
পাকস্থলী পরিষ্কার রাখা: ঘুমানোর আগে পেট ভরে খাওয়া ইবনে সিনার মতে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তিনি পরামর্শ দিয়েছেন যেন ঘুমানোর অন্তত ৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করা হয়।

অত্যধিক ঠান্ডা ও বায়ু সৃষ্টিকারী খাবার বর্জন: শসা, তরমুজ বা বাসি খাবার যা পেটে গ্যাস তৈরি করে, তা রাতে পরিহার করা উচিত।

খ) মস্তিষ্কের প্রশান্তি (তাকবিয়ত-এ-দমাগ)
স্নিগ্ধ তেলের মালিশ:
ইবনে সিনা পরামর্শ দিয়েছেন যেন যাদের মেজাজ শুষ্ক, তারা মাথায় 'রোগন-এ-বনফশা' (Violet Oil) বা 'রোগন-এ-কাদু' (Pumpkin Oil) মালিশ করেন।

এটি মস্তিষ্ককে ঠান্ডা রাখে এবং ভয় দূর করে।

সুগন্ধি থেরাপি:
ঘুমের সময় হালকা সুগন্ধি (যেমন গোলাপ বা চন্দন) ব্যবহারের কথা তিনি উল্লেখ করেছেন যা রুহ্-কে আনন্দিত করে।

গ) ভেষজ সমাধান
ইবনে সিনা ভয় এবং দুঃস্বপ্ন নিরাময়ে কিছু বিশেষ উপাদানের উল্লেখ করেছেন:

গাওজাবান (Borage):
এটি হৃদপিণ্ড ও মস্তিষ্কের জন্য সর্বোত্তম উদ্দীপক। এটি দুশ্চিন্তা ও ভয় কমায়।

উস্তুখুদুস (Lavender):
একে বলা হয় ‘মস্তিষ্কের ঝাড়ুদার’। এটি মস্তিষ্ক থেকে দূষিত বাষ্প বের করে দিয়ে গভীর ঘুমে সাহায্য করে।

বদরঞ্জবয়া (Lemon Balm):
এটি স্নায়বিক দুর্বলতা এবং অহেতুক ভয় কাটাতে অত্যন্ত কার্যকর।

৩. ইবনে সিনার বিশেষ পরামর্শ (তাদবীর)
শোয়ার ভঙ্গি:
ইবনে সিনা সোজা হয়ে চিৎ হয়ে শুতে নিষেধ করেছেন।

তাঁর মতে, ডান কাতে শোয়া হজমের জন্য এবং মস্তিষ্ককে বাষ্পমুক্ত রাখার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত।

মানসিক প্রশান্তি:
শোবার আগে উত্তেজিত না হওয়া এবং মনকে শান্ত রাখা।

উপসংহার:
আল-কানুন ফিত তিব্ব অনুযায়ী, নিদ্রায় ভয় পাওয়া কেবল একটি মানসিক সমস্যা নয়, বরং এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ দূষিত পদার্থ দূর করার একটি তাগিদ।

সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং মস্তিষ্ককে শক্তিশালী করার মাধ্যমে এই সমস্যা থেকে স্থায়ী মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

দ্রষ্টব্য: ইউনানী চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যক্তিগত মেজাজ ও লক্ষণের ওপর নির্ভরশীল। জটিল সমস্যার ক্ষেত্রে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ হেকিমের পরামর্শ নিন।

আধুনিক ও নির্ভরযোগ্য ইউনানী চিকিৎসার বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান

আশ শেফা দাওয়াখানা

প্রকৃতির ছোঁয়ায় সুস্থ থাকুন

নিদ্রায় ভয় পাওয়া, দুঃস্বপ্ন দেখা, অনিদ্রা বা যেকোনো দীর্ঘস্থায়ী ও জটিল শারীরিক সমস্যার সঠিক ইউনানী সমাধানের জন্য আজই যোগাযোগ করুন।

'আল-কানুন ফিত তিব্ব'-এর মূলনীতি ও আধুনিক ইউনানী বিজ্ঞানের সমন্বয়ে আমরা দিচ্ছি অভিজ্ঞ সুচিকিৎসা।

আমাদের সেবা পেতে যোগাযোগ করুন:

ঠিকানা: আটানী বাজার, মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ।

পরিচালক: হাকীম কামরুল হাসান (DUMS) ঢাকা।

চেম্বার সময়সূচী:
প্রতিদিন: দুপুর ৩:০০ টা থেকে রাত ১০:০০ টা পর্যন্ত।

শুক্রবার: বিকেল ৪:৩০ টা থেকে রাত ৯:০০ টা পর্যন্ত।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: সুশৃঙ্খল ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে সিরিয়ালের জন্য আগেভাগে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

আশ শেফা দাওয়াখানা — আপনার সুস্থতাই আমাদের লক্ষ্য।

কণ্ঠস্বর বসে যাওয়া বা গলা ভাঙা:তিব্বে নববী-র আলোকে আরোগ্য লাভকণ্ঠস্বর মহান আল্লাহর এক বিশেষ নিয়ামত।অনেক সময় অতিরিক্ত চিৎ...
09/05/2026

কণ্ঠস্বর বসে যাওয়া বা গলা ভাঙা:

তিব্বে নববী-র আলোকে আরোগ্য লাভ

কণ্ঠস্বর মহান আল্লাহর এক বিশেষ নিয়ামত।

অনেক সময় অতিরিক্ত চিৎকার, ঠান্ডা লাগা, সর্দি-কাশি কিংবা কণ্ঠনালীর সংক্রমণের কারণে স্বরভঙ্গ বা গলা ভেঙে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়।

আধুনিক ইউনানি চিকিৎসা এবং ‘তিব্বে নববী’-র নির্দেশিত প্রাকৃতিক পন্থায় এর স্থায়ী সমাধান সম্ভব।

১. তিব্বে নববী-র আলোকে কারণ ও তত্ত্ব
তিব্বে নববী অনুযায়ী, শরীরে যখন কফ বা রসা (Balgham) বৃদ্ধি পায় এবং তা কণ্ঠনালীতে জমা হয়, তখনই স্বর বিকৃত হয়।

এছাড়া অতি শুষ্কতার কারণেও কণ্ঠনালীর কোমলতা নষ্ট হতে পারে।
একে ইউনানি পরিভাষায় ‘বুহুস সাউত’ বলা হয়।

২. কার্যকরী প্রাকৃতিক প্রতিকার
নবী কারীম (সা.)-এর সুন্নাহ ও ইউনানি শাস্ত্রের আলোকে কিছু পরীক্ষিত সমাধান:

মধু (Asal):
তিব্বে নববীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রতিষেধক হলো মধু।
এটি কণ্ঠনালীর প্রদাহ দূর করে এবং কফ পরিষ্কার করে। হালকা গরম পানির সাথে মধু মিশিয়ে খেলে গলার স্বর দ্রুত পরিষ্কার হয়।

কালোজিরা (Kalonji):
এতে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান। কালোজিরার তেল বা চূর্ণ মধুর সাথে মিশিয়ে খেলে গলার ইনফেকশন দূর হয়।

আদা ও লেবুর শরবত:
আদা গলার স্বরযন্ত্রের ফোলা ভাব কমায়। আদার রস ও সামান্য মধু মিশিয়ে চাটলে গলার কর্কশ ভাব দূর হয়।

যষ্টিমধু (Liquorice):
ইউনানি চিকিৎসায় যষ্টিমধু কণ্ঠস্বর পরিষ্কার করার জন্য জাদুর মতো কাজ করে। এটি চুষে খেলে কণ্ঠনালীর আর্দ্রতা বজায় থাকে।

৩. ইউনানি ও ভেষজ ঔষধসমূহ
হিকমি শাস্ত্র অনুযায়ী স্বরভঙ্গে যে ঔষধগুলো বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়:

লাউখ-এ-সাপিন্তা (Laooq-e-Sapistan):
এটি সর্দি, কাশি এবং গলা ভাঙার জন্য অত্যন্ত পরিচিত ও কার্যকরী ঔষধ।

হালুয়া-এ-বেহদানা:
দীর্ঘদিনের বসে যাওয়া গলা এবং বুকের কফ পরিষ্কার করতে এটি অতুলনীয়।

শারবাত-এ-তুঁত সিয়াহ (Sharbat-e-Toot Siyah):
গলার ব্যথা এবং স্বরভঙ্গে এটি তাৎক্ষণিক আরাম দেয়।

৪. প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও নিয়মাবলি
গার্গল করা:
হালকা গরম পানিতে সামান্য লবণ দিয়ে দিনে ২-৩ বার গার্গল করুন।

বিশ্রাম:
গলা ভাঙা অবস্থায় কণ্ঠস্বরকে বিশ্রাম দিন, উচ্চস্বরে কথা বলা থেকে বিরত থাকুন।

পরিশুদ্ধ পানি:
ফ্রিজের ঠান্ডা পানি এবং কোমল পানীয় পুরোপুরি পরিহার করুন।

আপনার সমস্যার সমাধান পাবেন এখানে

দীর্ঘমেয়াদী স্বরভঙ্গ বা কণ্ঠনালীর যেকোনো সমস্যায় অভিজ্ঞ হাকীমের পরামর্শ গ্রহণ করা জরুরি।

আমরা তিব্বে নববী ও বিশুদ্ধ ইউনানি ফর্মুলায় আপনার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করি।

যোগাযোগের ঠিকানা:
আশ-শেফা দাওয়াখানা
পরিচালক: হাকীম কামরুল হাসান (DUMS, ঢাকা)
চেম্বার: আটানী বাজার, মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ।

রোগী দেখার সময়:
প্রতিদিন: বিকেল ৩:০০ হতে রাত ১০:০০ পর্যন্ত।
শুক্রবার: বিকেল ৪:৩০ হতে রাত ৯:০০ পর্যন্ত।

"মধু এবং কালোজিরা হলো মৃত্যু ব্যতীত সকল রোগের মহৌষধ।" — (আল-হাদিস)

পাইলস বা অর্শ একটি অত্যন্ত কষ্টকর সমস্যা, তবে সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রা পরিবর্তনের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণ ও নিরাময় ...
07/05/2026

পাইলস বা অর্শ একটি অত্যন্ত কষ্টকর সমস্যা, তবে সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রা পরিবর্তনের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণ ও নিরাময় করা সম্ভব।

ইউনানী চিকিৎসা শাস্ত্রে একে 'বাওয়াসীর' বলা হয়।

নিচে পাইলসের কারণ, ঘরোয়া প্রতিকার এবং প্রতিরোধের উপায়গুলো দেওয়া হলো:

কেন হয়?

দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য (Constipation)।
দীর্ঘ সময় টয়লেটে বসে থাকা।

আঁশযুক্ত বা ফাইবার সমৃদ্ধ খাবারের অভাব।

অতিরিক্ত ওজন বা ভারী বস্তু উত্তোলন।

গর্ভাবস্থায় শারীরিক পরিবর্তন।

ঘরোয়া ও প্রাকৃতিক প্রতিকার

আঁশযুক্ত খাবার:
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় প্রচুর শাকসবজি, ফলমূল (যেমন: বেল, পেঁপে, আপেল) এবং ইসবগুলের ভুষি রাখুন।
এটি মল নরম করতে সাহায্য করে।

পর্যাপ্ত পানি:
দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন। শরীরে পানির অভাব হলে মল শক্ত হয়ে যায়, যা পাইলসের সমস্যা বাড়িয়ে দেয়।

সিজ বাথ (Sitz Bath):
একটি বড় গামলায় কুসুম গরম পানি নিয়ে তাতে ১০-১৫ মিনিট বসে থাকুন। এটি রক্ত চলাচল বাড়ায় এবং ব্যথা ও ফোলাভাব কমায়। দিনে ২-৩ বার এটি করা যেতে পারে।

অ্যালোভেরা জেল:
বাহ্যিক ব্যথার ক্ষেত্রে খাঁটি অ্যালোভেরা জেল আক্রান্ত স্থানে লাগালে জ্বালাপোড়া ও প্রদাহ উপশম হয়।

কালোজিরা ও মধু:
প্রতিদিন সকালে এক চিমটি কালোজিরা ও এক চামচ মধু সেবন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে।

যা যাএড়িয়ে চলবেন:

অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার এবং ফাস্টফুড।

গরু বা খাসির মাংসের মতো লাল মাংস (Red Meat) বেশি খাওয়া।

কাঁচা মরিচ বা অতিরিক্ত ঝাল-মশলাযুক্ত খাবার।

দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে থাকা।

প্রয়োজনীয় পরামর্শ
পাইলস যদি প্রাথমিক পর্যায়ে থাকে তবে এগুলো মেনে চললে দ্রুত সুস্থ হওয়া সম্ভব।

তবে যদি মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত হয়, প্রচুর ব্যথা থাকে বা মাংসপিণ্ড ঝুলে পড়ে, তবে দেরি না করে একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

⚡ শারীরিক সক্ষমতা ও স্ট্যামিনা বাড়াতে সেরা ১০টি খাবার ⚡আমরা অনেকেই শারীরিক দুর্বলতা বা স্ট্যামিনার অভাবে ভুগি।কিন্তু জান...
07/05/2026

⚡ শারীরিক সক্ষমতা ও স্ট্যামিনা বাড়াতে সেরা ১০টি খাবার ⚡

আমরা অনেকেই শারীরিক দুর্বলতা বা স্ট্যামিনার অভাবে ভুগি।
কিন্তু জানেন কি? আপনার হাতের কাছে থাকা সাধারণ কিছু খাবারই পারে আপনার জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ দিকটিতে বড় পরিবর্তন আনতে!

সুস্থ ও আনন্দময় জীবনের জন্য ডায়েটে যোগ করুন এই সুপারফুডগুলো:

১. মধু (Honey) 🍯
মধু শক্তির ভান্ডার। এতে থাকা 'বোরন' নামক খনিজ হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখতে সাহায্য করে এবং শরীরে তাৎক্ষণিক এনার্জি যোগায়।

২. ডার্ক চকলেট (Dark Chocolate) 🍫
এতে আছে ফিনাইল-ইথাইলামিন, যা শরীরে এন্ডোরফিন হরমোন নিঃসরণ করে মন ভালো রাখে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে।

৩. তরমুজ (Watermelon) 🍉
প্রকৃতির 'ন্যাচারাল ভায়াগ্রা' বলা হয় একে। এতে থাকা সাইট্রুলিন শরীরের রক্তনালী শিথিল করে এবং রক্ত প্রবাহ সচল রাখে।

৪. রসুন (Garlic) 🧄
রসুনে থাকা 'অ্যালিসিন' রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি করে। নিয়মিত এক কোয়া রসুন খাওয়ার অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদী সুফল দেয়।

৫. ডিম (Eggs) 🥚
ভিটামিন B5 এবং B6 এর চমৎকার উৎস। এটি স্ট্রেস কমায় এবং শরীরের হরমোন লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখে।

৬. বাদাম ও বীজ (Nuts & Seeds) 🥜
কাঠবাদাম, কাজুবাদাম বা পেস্তা বাদামে প্রচুর পরিমাণে জিংক ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যা প্রজনন স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য।

৭. কলা (Banana) 🍌
কলাতে থাকা ব্রোমেলাইন এনজাইম এবং পটাশিয়াম শরীরের শক্তি বৃদ্ধিতে এবং ক্লান্তি দূর করতে জাদুর মতো কাজ করে।

৮. দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার 🥛
প্রাণিজ ফ্যাট এবং ক্যালসিয়াম শারীরিক সক্ষমতা বজায় রাখতে খুবই জরুরি।

৯. পালং শাক (Spinach) 🥬
এতে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম থাকে যা রক্তনালীগুলোকে প্রশস্ত করে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়।

১০. কফি (Coffee) ☕
পরিমিত কফি পানে মেটাবলিজম বাড়ে এবং শরীরকে চনমনে রাখে।

💡 কিছু জরুরি টিপস:
প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা ও স্ট্রেস থেকে দূরে থাকুন।
নিয়মিত অন্তত ২০-৩০ মিনিট শরীরচর্চা করুন।
ধূমপান ও মদ্যপান পরিহার করুন।

মনে রাখবেন: জীবনধারা ও খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনই সুস্থ থাকার মূল চাবিকাঠি। যদি সমস্যা গুরুতর হয়, তবে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

আশ শেফা দাওয়াখানা, মুক্তাগাছা ময়মনসিংহ

হিস্টিরিয়া—জ্বিন-ভূতের আছর নাকি মানসিক জটিলতা?আমাদের সমাজে হঠাৎ কারো হাত-পা বেঁকে যাওয়া, খিঁচুনি হওয়া বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়...
06/05/2026

হিস্টিরিয়া—জ্বিন-ভূতের আছর নাকি মানসিক জটিলতা?

আমাদের সমাজে হঠাৎ কারো হাত-পা বেঁকে যাওয়া, খিঁচুনি হওয়া বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়াকে প্রায়ই 'জ্বিন-ভূতের আছর' বা 'অলৌকিক ঘটনা' বলে ভুল করা হয়।

কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় 'হিস্টিরিয়া' (বর্তমানে যা কনভার্সন ডিসঅর্ডার বা ডিসোসিয়েটিভ ডিসঅর্ডার নামে পরিচিত)।

এটি কোনো জাদুটোনা নয়, বরং মনের গহীনে জমে থাকা তীব্র চাপের একটি শারীরিক বহিঃপ্রকাশ।

📍 কেন হয় এই সমস্যা?
যখন কোনো মানুষ তার প্রচণ্ড মানসিক কষ্ট, ভয়, ক্ষোভ বা আবেগ মুখে প্রকাশ করতে পারে না, তখন মস্তিষ্ক সেই মানসিক চাপকে শারীরিক উপসর্গে রূপান্তর করে দেয়।

⚠️ প্রধান লক্ষণসমূহ:
হঠাৎ খিঁচুনি হওয়া (যা দেখতে মৃগীরোগের মতো মনে হতে পারে)।

হাত-পা অবশ হয়ে যাওয়া বা প্যারালাইসিসের মতো ভঙ্গি হওয়া।

কথা বলতে না পারা বা কথা জড়িয়ে যাওয়া।

শরীরের কোনো অঙ্গে অস্বাভাবিক ব্যথা বা অসারতা।

হঠাৎ দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি কমে যাওয়া।

🚫 ভুল ধারণা থেকে সাবধান:
হিস্টিরিয়া আক্রান্ত রোগীকে ওঝা-কবিরাজ দেখিয়ে ঝাড়ফুঁক করা বা নাকে জুতার গন্ধ দেওয়া অত্যন্ত অমানবিক এবং বিপজ্জনক।

এতে রোগীর মানসিক অবস্থা আরও খারাপ হতে পারে। মনে রাখবেন, এটি কোনো নাটক নয়—রোগী আসলেই কষ্ট পাচ্ছেন, যা তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

✅ আমাদের করণীয়:
১. রোগীকে ভয় না দেখিয়ে শান্ত রাখার চেষ্টা করুন।
২. তাকে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসপূর্ণ স্থানে শুইয়ে দিন।
৩. কোনো মানসিক আঘাত বা চাপ কাজ করছে কি না তা সহমর্মিতার সাথে বোঝার চেষ্টা করুন।
৪. কুসংস্কারের পেছনে সময় নষ্ট না করে একজন অভিজ্ঞ মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা কাউন্সিলরের পরামর্শ নিন।

উপসংহার:
মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতাই পারে অনেক ভুল ধারণা দূর করতে। আপনার আশেপাশে কারো এমন লক্ষণ দেখলে তাকে অবহেলা না করে সঠিক চিকিৎসার দিকে এগিয়ে দিন।

আমাদের সেবা:
আমরা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত ভেষজ ওষুধের মাধ্যমে রোগীর স্নায়বিক প্রশান্তি এবং মানসিক শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করি।

যোগাযোগ করুন:
আপনার পরিচিত কেউ কি এই সমস্যায় ভুগছেন? আজই নিয়ে আসুন আমাদের সেন্টারে। অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে ফিরে পান সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবন।

📍 ঠিকানা: আটানী বাজার, মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ।
📞 (whatsapp 01918739769)

03/05/2026
শীতকাল হোক বা গরমকালপা ফাটা অনেকের জন্যই এক বিরক্তিকর সমস্যা। এটি কেবল পায়ের সৌন্দর্যই নষ্ট করে না, বরং অবহেলা করলে অনেক...
22/04/2026

শীতকাল হোক বা গরমকাল
পা ফাটা অনেকের জন্যই এক বিরক্তিকর সমস্যা।
এটি কেবল পায়ের সৌন্দর্যই নষ্ট করে না, বরং অবহেলা করলে অনেক সময় রক্তপাত বা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

পা ফাটা রোধে সচেতনতা এবং সঠিক যত্নের উপায় নিয়ে নিচে একটি বিস্তারিত প্রবন্ধ দেওয়া হলো:
পা ফাটা: কারণ, প্রতিকার ও প্রতিরোধের উপায়
পা ফাটা বা Cracked Heels মূলত পায়ের গোড়ালির চামড়া শক্ত হয়ে ফেটে যাওয়াকে বোঝায়।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় Heel Fissures। সঠিকভাবে যত্ন নিলে ঘরে বসেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

পা কেন ফাটে?
পা ফাটার পেছনে বেশ কিছু সাধারণ এবং বিশেষ কারণ থাকতে পারে:
আর্দ্রতার অভাব: পায়ের তলার চামড়া শরীরের অন্য অংশের চেয়ে পুরু হয়। সেখানে তৈলগ্রন্থি না থাকায় চামড়া দ্রুত শুকিয়ে যায়।

দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা: শক্ত মেঝেতে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলে গোড়ালির ওপর চাপ পড়ে চামড়া ছড়িয়ে যায় এবং ফাটল ধরে।

ভুল জুতো নির্বাচন: পেছন খোলা জুতো বা পাতলা সোলের জুতো পরলে গোড়ালির চারপাশের ফ্যাট প্যাড ছড়িয়ে গিয়ে চামড়ায় টান লাগে।

পুষ্টির অভাব: শরীরে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-৩ এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের অভাব হলে চামড়া খসখসে হয়ে ফেটে যেতে পারে।

রোগব্যাধি: ডায়াবেটিস, থাইরয়েড বা একজিমার মতো সমস্যা থাকলে পা ফাটার প্রবণতা বেড়ে যায়।

ঘরোয়া পদ্ধতিতে পায়ের যত্ন
পা ফাটা সারাতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারেন:
ফুট সোক (Foot Soak): হালকা গরম জলে সামান্য লেবুর রস এবং নুন মিশিয়ে ১৫-২০ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখুন। এটি মৃত কোষ নরম করতে সাহায্য করে।

স্ক্রাবিং: পা ভেজানোর পর পিউমিস স্টোন (Pumice Stone) বা পায়ের ঘষুনি দিয়ে হালকাভাবে মৃত চামড়া ঘষে তুলে ফেলুন।

ময়েশ্চারাইজিং: পা ধোয়ার পর ভালো কোনো লোশন বা ভ্যাসলিন লাগান। এক্ষেত্রে গ্লিসারিন ও গোলাপ জলের মিশ্রণ দারুণ কাজ করে।

মোজার ব্যবহার: রাতে ঘুমানোর আগে পায়ে ঘন করে ক্রিম লাগিয়ে সুতির মোজা পরে নিন। এতে আর্দ্রতা দীর্ঘক্ষণ বজায় থাকে।

পা ফাটা রোধে কিছু টিপস
প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই শ্রেয়।
পা ফাটা থেকে বাঁচতে এই নিয়মগুলো মেনে চলুন:
পর্যাপ্ত জল পান: শরীর হাইড্রেটেড থাকলে ত্বক ভেতর থেকে আর্দ্র থাকে।

সঠিক জুতো: আরামদায়ক এবং গোড়ালি ঢাকা থাকে এমন জুতো পরার চেষ্টা করুন।

অতিরিক্ত গরম জল বর্জন: খুব গরম জল ত্বকের প্রাকৃতিক তেল শুষে নেয়, তাই পা ধোয়ার জন্য হালকা কুসুম গরম জল ব্যবহার করুন।

সুস্থ ডায়েট: খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত শাকসবজি ও ফলমূল রাখুন।

কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?

যদি দেখেন পা অনেক বেশি ফেটে রক্ত বের হচ্ছে, অসম্ভব যন্ত্রণা হচ্ছে কিংবা কোনো ইনফেকশন বা পুঁজ দেখা দিচ্ছে, তবে দেরি না করে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের (Dermatologist) পরামর্শ নেওয়া উচিত।

বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে পা ফাটা থেকে বড় ধরনের ক্ষত হওয়ার ঝুঁকি থাকে, তাই তাদের বাড়তি সতর্ক থাকা জরুরি।

উপসংহার:
সুন্দর ও সুস্থ পায়ের জন্য নিয়মিত যত্ন প্রয়োজন। দিনে মাত্র কয়েক মিনিটের যত্ন আপনার পা-কে রাখতে পারে কোমল ও ফাটলমুক্ত। তাই আজ থেকেই পায়ের যত্ন শুরু করুন!

একজিমা (Eczema): লক্ষণ, কারণ ও প্রতিকারএকজিমা বা ‘এটোপিক ডার্মাটাইটিস’ একটি দীর্ঘমেয়াদী চর্মরোগ, যা সাধারণত ত্বকের প্রদা...
09/04/2026

একজিমা (Eczema): লক্ষণ, কারণ ও প্রতিকার

একজিমা বা ‘এটোপিক ডার্মাটাইটিস’ একটি দীর্ঘমেয়াদী চর্মরোগ, যা সাধারণত ত্বকের প্রদাহ, চুলকানি এবং লালচে ভাবের মাধ্যমে প্রকাশ পায়।

এটি কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়, তবে সঠিক চিকিৎসার অভাবে এটি তীব্র আকার ধারণ করতে পারে এবং রোগীর দৈনন্দিন জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলতে পারে।

একজিমার প্রধান লক্ষণসমূহ,

একজিমার ধরন ভেদে এর লক্ষণ ভিন্ন হতে পারে, তবে সাধারণ কিছু উপসর্গ হলো:
তীব্র চুলকানি:
যা রাতে আরও বাড়তে পারে।

লালচে বা খসখসে ত্বক:
আক্রান্ত স্থানটি শুষ্ক হয়ে যায় এবং চামড়া উঠতে থাকে।

শক্ত হয়ে যাওয়া (Lichenification):
দীর্ঘদিনের চুলকানির ফলে আক্রান্ত স্থানের চামড়া মোটা ও শক্ত হয়ে কালো বর্ণ ধারণ করতে পারে।

ফুসকা বা ছোট দানা:
আক্রান্ত স্থানে পানিযুক্ত ছোট ফুসকা হতে পারে যা ফেটে গিয়ে রস বের হতে পারে।

প্রদাহ ও ব্যথা:
চামড়া ফেটে গেলে সেখানে জ্বালাপোড়া ও ব্যথা অনুভূত হয়।

একজিমা কেন হয়?

একজিমার নির্দিষ্ট কোনো কারণ এখনো জানা যায়নি, তবে চিকিৎসকদের মতে এটি মূলত জিনগত এবং পরিবেশগত কারণে হয়ে থাকে:

১. বংশগত:
পরিবারের কারও একজিমা, হাঁপানি বা অ্যালার্জির ইতিহাস থাকলে এটি হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

২. অ্যালার্জেন:
ধুলোবালি, পরাগ রেণু, পোষা প্রাণীর লোম বা নির্দিষ্ট কোনো খাবার থেকে একজিমা ট্রিগার করতে পারে।

৩. রাসায়নিক দ্রব্য:
কড়া সাবান, ডিটারজেন্ট, শ্যাম্পু বা কসমেটিকসের রাসায়নিক ত্বকে ইরিটেশন তৈরি করে।

৪. আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা:
অতিরিক্ত গরম বা অতিরিক্ত ঠান্ডা এবং ঘামের কারণে একজিমা বাড়তে পারে।

৫. মানসিক চাপ:
অনেক সময় অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার ফলেও একজিমার প্রকোপ বাড়ে।

প্রতিকার ও নিয়ন্ত্রণ
একজিমা পুরোপুরি নির্মূল করা কঠিন হলেও সঠিক নিয়ম মেনে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব:

১. ত্বক আর্দ্র রাখা (Moisturization)
একজিমার প্রধান শত্রু হলো শুষ্কতা।

দিনে অন্তত কয়েকবার ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার, পেট্রোলিয়াম জেলি বা লিকুইড প্যারাফিন ব্যবহার করা উচিত।

বিশেষ করে গোসলের ঠিক পরেই ভেজা ত্বকে ময়েশ্চারাইজার লাগানো সবচেয়ে কার্যকর।

২. সাবান নির্বাচনে সতর্কতা
ক্ষারযুক্ত সাবান বা বডি ওয়াশ ত্বকের স্বাভাবিক তেল নষ্ট করে ফেলে।

তাই চিকিৎসকের পরামর্শে মাইল্ড ক্লিনজার বা গ্লিসারিন সমৃদ্ধ সাবান ব্যবহার করা ভালো।

৩. সুতির পোশাক পরিধান
সিন্থেটিক বা উলের কাপড় ত্বককে চুলকানিযুক্ত করতে পারে।

তাই সব সময় আরামদায়ক সুতির ঢিলেঢালা পোশাক ব্যবহার করা উচিত।

৪. চুলকানি নিয়ন্ত্রণ
আক্রান্ত স্থান নখ দিয়ে চুলকানো থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ এতে ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন হতে পারে।

প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টি-হিস্টামিন জাতীয় ওষুধ সেবন করা যেতে পারে।

৫. খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন
যদি দেখা যায় নির্দিষ্ট কোনো খাবার (যেমন: চিংড়ি, গরুর মাংস, বেগুন বা ডিম) খেলে চুলকানি বাড়ছে, তবে সেগুলো এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।

চিকিৎসকের পরামর্শ কখন নেবেন?

যদি ঘরোয়া পরিচর্যায় কাজ না হয় এবং আক্রান্ত স্থানে পুঁজ দেখা দেয়, প্রচণ্ড জ্বর আসে বা চুলকানির কারণে ঘুমানো অসম্ভব হয়ে পড়ে, তবে দ্রুত একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের (Dermatologist) শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

সাধারণত চিকিৎসকরা প্রদাহ কমাতে টপিকাল স্টেরয়েড ক্রিম এবং ব্যাকটেরিয়া দূর করতে অ্যান্টি-বায়োটিক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

উপসংহার: একজিমা একটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য সমস্যা।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং ত্বককে শুষ্কতা থেকে বাঁচিয়ে রাখাই এর প্রধান চিকিৎসা। সঠিক জীবনধারা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসকের পরামর্শ আপনার ত্বককে সুস্থ ও সতেজ রাখতে পারে।

Address

আটানী বাজার ছোট মসজিদ মোড়, মুক্তাগাছা ময়মনসিংহ
Muktagachha
2210

Opening Hours

Monday 02:00 - 23:00
Tuesday 02:00 - 23:00
Wednesday 02:00 - 23:00
Thursday 02:00 - 23:30
Friday 03:00 - 23:00
Saturday 02:00 - 23:00
Sunday 02:00 - 23:00

Telephone

+8801743072827

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আশ্ শেফা দাওয়াখানা মুক্তাগাছা ময়মনসিংহ। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to আশ্ শেফা দাওয়াখানা মুক্তাগাছা ময়মনসিংহ।:

Share