30/09/2026
#জরুরি সতর্কবার্তা (সকলের জন্য) -- ডা.মো: ইকবাল হোসেন ৩০/০৯/২০২৬
দেশে প্রায় প্রতিটি জেলায় - "ডেংগু,হাম,নিউমোনিয়া " ব্যাপকভাবে হচ্ছে।
প্রতিটি পরিবার সতর্ক হোন।
বিশেষত : ৫বছরের নিচের বাচ্চা, ডায়াবেটিস,এলার্জি শ্বাসকষ্টের মানুষ, যাদের রক্ত স্বল্পতা, অটো ইমিউন ডিজিজ, ৫০ বছরের উর্ধ্বে যাদের বয়স।
কি করবেন -
১)পরিবারের কারো জ্বর, বমি, শরীর ব্যথা, ঠান্ডা, হাঁচি,কাশি কোনো ২-৩টা লক্ষণ দেখলেই "অন্যের সংস্পর্শে যেতে যাওয়ার সময় মাস্ক ব্যবহার করুন, হাত নিয়মিত সাবধান দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
২)দীর্ঘ বাজার, অনেক মানুষের সমাগম স্থল থেকে আসলে সাবান দিয়ে হাত মুখ ধুয়ে " সুন্দর করে অযু করুন। আর সম্ভব হলে গোসল করলে আরও ভাল।
মশারি ব্যবহার করুন বা মশা থেকে যেভাবে সম্ভব সাবধান।
৩) আপাতত "বাইরের খাবার পরিহার করুন! ঝালমুড়ি....।
উল্লেখ্য,তবে কলা,পেয়ারা, আমলকি ইত্যাদি ফল কিনে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে সরাসরি খেতে পারেন। ফার্স্ট ফুড জাংক ফুডের বিকল্প।
৪) প্রতিবেলা ভাতের সাথে একটু " লেবু চিপে নিন"।
খাওয়ার পর একটু "২-৩টা ছোট এলাচ,দারচিনি,লবঙ্গ, মেথি,আদা বা জিরা পানি প্রভৃতি " এসবের মধ্যে আপনার পছন্দ মতো ১টি বা ২টি চিবিয়ে খেয়ে অর্ধ গ্লাস কুসুম গরম বা নরমাল পানি পান করুন।
খাওয়ার আগে ১গ্লাস এবং খাওয়ার অন্তত ৩০-৪০মিনিট পর ১ গ্লাস পানি পানের অভ্যাস করুন।
৫)খাদ্য ও পানির ব্যাপারে সতর্ক হোন। বিশেষত আপনার পানি অবশ্যই "বিশুদ্ধ আয়রন মুক্ত নিশ্চিত হোন"।
৬)ঠান্ডার দেশের আদি কালের বুলি বাদ দিন। বরং
ঘাম বেশি হলে দিনে অন্তত ৩.৫ লিটার পানি পান করুন। তেমন ঘাম নেই তাহলে ২.৫ থেকে ৩লিটারে সীমাবদ্ধ থাকুন।
অতিরিক্ত স্যালাইন পরিহার করুন। কিছু হতে না হতেই স্যালাইন খাওয়ার ফ্যাশান পরিহার করুন। বরং ফলমূল শাক সবজি আপনার সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ঘাটতি পুরণ করবে।
৩০-৬০ মিনিট পরপর অবশ্যই বিশুদ্ধ পানি অন্তত অর্ধ গ্লাস পান করুন। প্রস্রাব রঙ যেন স্বাভাবিক থাকে।
তবে কিডনী রোগী নির্দেশিত পরিমাণের বেশি পানি পানে বিরত থাকবেন।
৭) সুগার,প্রেসার,ঘুমের ঔষধ যারা দীর্ঘদিন খেয়ে অভ্যস্ত তারা এসময় বন্ধ করবেন না। সুগার প্রসার নিয়িমিত চেক করুন।
ভারী কাজ পরিহার করুন বা যথাসম্ভব রেস্ট নিয়ে নিয়ে করুন প্রয়োজনে ৪দিনের কাজ ৫দিন ধরে করুন।
৮) জ্বরসহ ব্যথা থাকলে নাপা "৩বেলা ১টা করে। সাথে ঘরোয়া উপায়। জরুরি প্রয়োজনে গ্যাসের ট্যাবলেট কয়েকদিন।
[উল্লেখ্য, যারা GENETIC HOMEOPATHY জেনেটিক হোমিওপ্যাথি চিকিতসা নিতে পারবেন GHM 6.5 ৩দিন পরপর ২-৩টা ডোজ ইনশাআল্লাহ যত জটিল রোগীই হোক অত্যন্ত কম কষ্টে দ্রুত নিরাপদে আরোগ্য করবে ইনশাআল্লাহ। সাথে GHMR। আর তাদের ক্ষেত্রে যদি জ্বর ব্যথা থাকে "সর্বোচ্চ ১-৩দিন ৩ বেলা নাপা কিন্তু অবশ্যই অর্ধেক করে খেতে হবে"। বিস্তারিত সেন্টারে জেনে নিবেন।
জেনেটিক হোমিওপ্যাথিতে আপনার একুইট ইনফেকশাস ডিজিজ অন্যদের চেয়ে অন্তত ৩গুণ দ্রুত, কমকষ্টে, নিরাপদে আরোগ্য হবে কিন্তু এটা আপনার একই সাথে ক্রনিক রোগের অসম্ভব রিকভারেও কাজ করবে। অর্থাৎ একুইট বা ক্রনিক রোগের আলাদা চিকিৎসার কোনো প্রয়োজন নেই।
প্রতিটি একুইট ডিজিজ ক্রনিক রোগটির তীব্র বহিঃপ্রকাশ অথবা ক্রনিক ডিজিজটি জটিলতর হওয়ার প্রধান কারণ।
**আমাদের চিকিৎসা মূলত :" জেনেটিক মিউটেশন ও রোগের কারণসমূহের আলোকে সুনির্দিষ্ট ও নির্ধারিত " এখানে "ব্যাক্টেরিয়া, ভাইরাস,প্যারাইটস বা কেমিক্যাল ড্রাগসের দ্বারা সৃষ্ট ক্ষতি দূর আর যথাসম্ভব প্রতিরোধ উপাদান বাধ্যতামূলক থাকে"। তাই শরীর তার ডিফেন্স সিস্টেমের মাধ্যমে একই GHM 6.5 অথবা GHMR সাহায্য পেলে। পাথরের রোগীর পাথর, ব্যাক্টেরিয়া ঘটিত রোগীর ক্ষেত্রে এন্টিব্যাক্টেরিয়াল, ভাইরাল রোগীর ক্ষেত্রে ভাইরাস, এলার্জি রোগীর ক্ষেত্রে প্যাথজেন বা প্যাসাইট জনিত স্ক্যাবিস-আমিবা- কৃমি- উকুন -দাদ অথবা ফ্যাট জমে থাকা রোগীর ফ্যাট ভাংগতে কাজ করবে। কাজ হবে "ন্যানোটেকনোলজির নানোগতিতে কারণ মেডিসিনগুলো ন্যানো" এটাই জেনেটিক হোমিওপ্যাথির মিরাক্কেল।
আমরা মডার্ণ, ইউনানী, আয়ুর্বেদ,ভেষজ বা ন্যাচারাল কারো বিরোধী নই বরং "চরমপন্থা বা গোঁড়ামি বিরোধী"। অর্থাৎ মধ্যপন্থায় বিশ্বাসি। তাইতো আপনাকে " প্রাকৃতিক" শব্দটি গ্রহণ করতে বলি, আবার দীর্ঘদিনের অপ্রাকৃতিক পরিবেশে হুট করে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক এর বদলে কেমিকেল ড্রাগস ধীরে ধীরে ত্যাগের অভ্যাস করতে বলি। আকস্মিক দুর্ঘটনায় সাময়িক অপ্রাকৃতিক গ্রহণের কথাও বলি।
*আপনাকে শুধু আমরা বলি -
আসুন! এন্টিবায়োটিক, বা কৃত্রিম হরমোন ও শক্তিকৃত হোমিও ঔষধের ব্যাপারে সতর্ক ও সাবধান হই। জেনেটিক মিউটেশন রোধ ও ইমিউনিটি শক্তিশালী রাখি।
#সুন্দর_পৃথিবীর_খোঁজে
#সুন্দর_পৃথিবীর_জন্য
Genetic Homeopathy.