রাঁধুনীর সাতকাহন

রাঁধুনীর সাতকাহন নারায়ণগঞ্জ শহরের মধ্যে যেকোনো ধরনের ?

সময়ের বিবর্তনে আমরা জন্ম উৎসব ভুলে যাই না।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শো অফ করতে হলেও আমাদের এইসব বিশেষ দিন গুলো ঘটা করেই পা...
14/09/2026

সময়ের বিবর্তনে আমরা জন্ম উৎসব ভুলে যাই না।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শো অফ করতে হলেও আমাদের এইসব বিশেষ দিন গুলো ঘটা করেই পালনের আয়োজন চলে।
একটা তারিখ, কিছু পয়সা খরচ করে এইসব আয়োজন বা অফিসে ছুটি নিয়ে রাখা কিংবা আগে আগে বাড়ি ফেরা।
সপ্তাহের সব মেন্যু বাদ দিয়ে একটু ভালমন্দ রান্নাবান্না।
টুকিটাকি উপহার নেয়া,
এগুলা কিন্তু শো অফের বাইরের জিনিস।
সেটা হল প্রাধান্য দেয়া।
আপনি তার কাছে বিশেষ এমনটাই প্রকাশ করে।
কারণ বছরের অন্যান্য আনন্দের দিনের চেয়েও বিশেষ,
আপনি পৃথিবীতে আসার দিন অবশ্যই প্রিয়মানুষটির জন্য আলাদা গুরুত্ব বহন করে।

শহরের নামি-দামি বেকারি থেকে কেক চাইলেই কিনে আনা যায়।
কিন্তু মেয়ের উৎসাহে বানানোর সাহস করলাম।
দু'জন মিলে বানালাম ও আলহামদুলিল্লাহ।
জানি খুব আকর্ষণীয় না বা সাংঘাতিক সুন্দরও হয়নি কিছু। তবে কিছু মমতা, আবেগ আর মেহনত ঢেকে দিয়েছে ডিম ময়দা চকোলেট বেকিং পাউডারের প্রলেপ।
এইসব কৃতিত্ব নিয়ে আপনি সংসারে বিনিময় খুঁজবেন।
সুখ স্বস্তি আর বিশ্বাসে।

ওহ হ্যা এত বড় রচনায় বলাই হল না 🥵
আজ হাসান সাহেবের জন্মদিন।
এই দিনটা কেবলই আমার।
যেহেতু উনি আমার নিজস্ব সম্পত্তি 💕

শুভ জন্মদিন প্রিয় জামাইটা 🎂
দোয়া করি একদিন এত বেশি উপরে উঠো যেখানে থেকে কোন শত্রু তোমায় যেন না ছুঁতে পারে।

*পুনশ্চঃ পুরাতন বোর্ডে চালিয়ে দিয়েছি।
অন্য কোম্পানির নামের জন্য আমি দায়ী নই 🥵

11/09/2026

আলসেমি করে ছিড়া হয়নি। করল্লা পেকে গেছে।

করল্লা পাকা বীজ কাল টুকটুকে...
খেতে মিষ্টি 🌶️

আশির দশকে যেহেতু চলেই গেছেন, কিছু জমি কিনে রাখেন, পারলে গোল্ড ও কিনেন। কাজে দিবে।🥴 🥴🥴🥴
09/09/2026

আশির দশকে যেহেতু চলেই গেছেন, কিছু জমি কিনে রাখেন, পারলে গোল্ড ও কিনেন। কাজে দিবে।🥴 🥴🥴🥴

1980 সালের ট্রেন্ড ফলো করতাছো বুঝলাম কিন্তু..... ছিলা তো এই রকম.... #৮০দশক
09/09/2026

1980 সালের ট্রেন্ড ফলো করতাছো বুঝলাম কিন্তু..... ছিলা তো এই রকম....

#৮০দশক

অধিকাংশ মানুষ মুখ বন্ধ থাকলেই সুন্দর, মুখ খুললে কেবল দুর্গন্ধ ছড়ায়।রান্না কোনো কালেই আমার আগ্রহের কেন্দবিন্দু ছিল না। না...
09/09/2026

অধিকাংশ মানুষ মুখ বন্ধ থাকলেই সুন্দর, মুখ খুললে কেবল দুর্গন্ধ ছড়ায়।

রান্না কোনো কালেই আমার আগ্রহের কেন্দবিন্দু ছিল না। না হয় একজন চল্লিশ বছরের মহিলা পনেরো বছরের বিবাহিত জীবনে একটা মুরগি পর্যন্ত রাঁধতে জানতাম না (এখন অবশ্য আমার রান্না নিয়ে রীতিমতো গর্ব করা যাবে)।

আমি রান্নার ভিডিও সবসময় এড়িয়ে যাই। রান্না আমার দেখতেও ভাল্লাগে না, শিখতেও ভাল্লাগে না। সে কারণে কুকিং কন্টেন্ট ক্রিয়েটর নাহিদকে আমি চিনতাম না।

ইদানিং তার কিছু ভিডিও নিউজ ফিডে এসেছে। পরিচ্ছন্নতা, সুুন্দর, সাবলিল আর গ্রামীন পরিবেশের কারণে চোখ আটকে যায়। দেখতে দেখতে অনেক ভিডিও দেখেছি।

মিলিয়ন মিলিয়ন ভিউ, ফলোয়ারস এসব সে ডিজার্ভ করে। মানুষ হিরো আলম, মামুন লায়লাকে ছেড়ে ভালো কিছু দেখছে, ভালোকে এপ্রিশিয়েট করছে ভেবে ভালো লেগেছে।

ওমা! গতকাল রাতে চ্যানেল আইতে সম্ভবত তার একটা সাক্ষাতকার দেখলাম।

কী ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ, কী অহংকার! নিজেকে মুই কী হনুরে ভাবসাব দেখে পুরো ভিডিও দেখার আর রুচিই হলো না।

তার জেন্ডার নিয়ে আমার কোনো সমস্যা নেই। আমি তাকে একজন মানুষ মনে করি। সৃষ্টিকর্তা তাকে সুন্দর অবয়বে, সুন্দর মানুষ হিসাবে সৃষ্টি করেছেন।

আমার দুঃখ হলো কোন হালার পো তার পেইজটা নষ্ট করল তার উপর।
ছেলেটা তো চুপচাপই ছিল। কোনো কথা বলেনি, কারো কোনো ক্ষতি করেনি, ভিডিও করে জীবন-জীবিকার সহজ পথ বেছে নিয়েছে।
পেইজ হারিয়ে আজ সে চ্যানেলে চ্যনেলে সাক্ষাতকার দেয়, চোখে লেন্স লাগিয়ে জোকার সাজে।

কয়দিন পর ফিতা কেটে শোরুম উদ্ধোধন করবে।

পৃথিবীতে একপ্রকার মানুষকে একদম পছন্দ করি না, সেটা হচ্ছে অহংকারী। অহংকারী মানুষ এত বিশ্রী আর জঘন্য যে মুখের দিকে তাকাতে ইচ্ছে করে না।

একদিন মেয়ের বাবা রাতের ১১টায় বাসায় ফিরলেন হাতে করে দুটো বার্গার নিয়ে।এসেই হাসিমুখে জানান দিলেন রাতে ভাত খাবেন না। তিনি র...
08/09/2026

একদিন মেয়ের বাবা রাতের ১১টায় বাসায় ফিরলেন হাতে করে দুটো বার্গার নিয়ে।
এসেই হাসিমুখে জানান দিলেন রাতে ভাত খাবেন না। তিনি রেস্টুরেন্ট থেকে খেয়েই এসেছেন। আসার সময় বাচ্চাদের জন্য বার্গার নিয়ে এলেন।

আমি কোনো মতামত বা আনন্দ উচ্ছাস কিছুই ব্যক্ত না করে নির্বিকার ভঙ্গিতে প্যাকেট খুলে একটা বার্গার নিয়ে খাওয়া শুরু করলাম। যদিও বার্গার খাবারটা আমার বাচ্চাদের যতটা পছন্দ আমার ততটা নয়।

তারপরও আমি খাচ্ছিলাম। কারণ আমি চাইনি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হোক।

খুব ছোটবেলায় দেখতাম আমার আব্বা কোনো খাবার কোনো উপহার বা যে কোনো জিনিস আমাদের চার ভাই বোনদের জন্য কিনতেন। আমার মায়ের জন্য কিনতেন না।
যেমন তিনি দোকান থেকে চারটা আইসক্রিম, চার প্যাকেট চিপস আমাদের চার ভাই -বোনের জন্য কিনতেন। অথচ বাসায় আমরা পাঁচজন মানুষ থাকতাম।
আমার মা হাসি মুখে চিপসের প্যাকেট খুলে আমাদের হাতে দিতেন। আইসক্রিম হাত থেকে পড়ে নস্ট হয়ে যাবার ভয়ে আমাদের গাইড করতেন পিছন থেকে খাও, সামনে থেকে খাও!

জানি না আমার মায়ের খেতে ইচ্ছে করত কি-না! না করার তো কথা নয়। তিনি গৃহবধূ। সারাক্ষণ আমাদের সাথে ঘরেই থাকতেন। নিজের হাতে বানানো খাবারই খেতেন। কখনো তো একা একা বাইরে যাননি বা নিজের ইচ্ছের প্রতিফলন করেননি।

আপনি যখন চারটা কিনতে পেরেছেন, তখন পাঁচটাও কিনতে পারতেন। তার মানে স্বদিচ্ছার অভাব ছিল।

পুরুষ জাতি ধরেই নিয়েছে, মেয়েদের খেতে হয় না।

আমার সংসারে কিন্তু আমি এটা হতে দেইনি। মেয়ের বাবা দুইটা ওয়েফার আনলে তার সামনে একটা খুলে আমি খাওয়া শুরু করতাম। যদিও খেতাম না।
তাকে চোখে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছি। বাসায় আমরা তিনজন থাকি যে কোনো খাবার তিনটাই আনবা। ঐ জিনিস আমি না খেলে বিকল্প আরেকটা আনবা যেটা আমি খাই।

কারণ আমিও মানুষ। আমারও পছন্দ আছে, ইচ্ছে আছে, অনুভুতি আছে। বছরের পর বছর তোমার সংসারে গাছের গুঁড়ি হয়ে পড়ে থাকব?

তুমি যদি আমাকে না বুঝ তাহলে তো কেউই বুঝবে না।
একটা মেয়ের বিয়ের আগের সকল আবদার থাকে বাবা মার কাছে। বিয়ের পরে থাকে স্বামীর কাছে। বাবা- মার কাছে যতটা প্রাণ খুলে আবেগ প্রকাশ করা যায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে স্বামীর কাছে যায় না। স্বামী নামক প্রিয়জনকেই সেটা বুঝে নিতে হয়।

আমার আব্বা কারো বাড়ি গিয়ে এককাপ চাও খেতেন না আমাদেরকে ছাড়া। তিনি ভীষণভাবে চাইতেন তিনি যেখানেই দাওয়াত খেতে যান যেন আমরা চার ভাই-বোনও সেখানে যেতে পারি। কোনো কারণে আমাদেরকে ছাড়া যেতে হলে, তিনি বাড়ি ফিরেই আমাদেরকে নিয়ে হোটেলে চলে যেতেন। সেইম খাবার আমাদের খাইয়ে আনতেন। অথচ আমার মাকে নিয়ে তাঁর তেমন কোনো ভাবনা ছিল না।

আমাদের যৌথ পরিবার ছিল। আব্বা শাড়ি কিনলে পাঁচটা কিনতেন। তিন ফুফুর জন্য তিনটা, মায়ের জন্য একটা, দাদীর জন্য একটা। দাদীকে দেয়ার জন্য তাঁর আরও সন্তান ছিলেন। ফুফিদের স্বামী ছিলেন। কিন্তু আমার মায়ের স্বামী ছাড়া আর কেউ ছিল না।
দিন শেষে আমার মাই ঠকত।

অথচ আমিও যৌথ পরিবারে থাকি। কন্যার বাবাও সেইম কাজ করেন। একদিন ড্রেস আনার পর আমি পাঁচটাই রেখে দিয়েছি। তাকে বললাম ' ভাবীদেরকে কাল এনে দিও। আমার পাঁচটাই পছন্দ হয়েছে।' সে চোখ বড় করে আমার দিকে তাকিয়ে ছিল।
আমি মনেমনে বলছি, ইচ্ছে হলে চোখ বের করে ফেল। আমি তোমার স্ত্রী। তোমার উচিত কিছু পোষাক সবাইকে গিফট করা ছাড়াও আমার জন্য কেনা।
তুমি যখন সেটা বুঝতে পারনি। আমিই চোখ গেলে বুঝিয়ে দিলাম।

বাচ্চার বাবা কখনো ওদেরকে নিয়ে কোথাও যায় না। কখনো যাবেও না। প্রতি সপ্তাহে দুটো- চারটা দাওয়াত থাকে। দুপুরবেলা বেশির ভাগ সময় বাইরেই খান।

একদিন এত মেজাজ খারাপ হলো। যখন শুনলাম একটা দাওয়াতে সবার পরিবার ছিল। শুধু তিনি একা ছিলেন। ঐ দিনই আমি কারো অনুমতি না নিয়েই রেডি হয়েই বাচ্চাদেরকে নিয়ে বাইর থেকে ঘুরে এলাম। বাচ্চাদেরকে রেস্টুরেন্ট থেকে খাইয়ে আনলাম।

নারীদের জীবন কখনো মসৃন হয় না। এ জীবনের পরতে পরতে বন্ধুরতা। কেউ আপনার ইচ্ছে, অনিচ্ছের মূল্য দিবে না। আপনার জায়গা আপনাকেই করে নিতে হবে। হয় বুদ্ধি দিয়ে না হয় বিচক্ষণতা দিয়ে।
কারণ অধিকাংশ পুরুষ তো নারীদের মানুষই মনে করে না।

#আমার_আমি
~কামরুন নাহার মিশু

Address

পাঠানটুলি কবরস্থান রোড
Narayanganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when রাঁধুনীর সাতকাহন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share