নিরাময় হোমিও চেম্বার

নিরাময় হোমিও চেম্বার Pure Homoeopathy Treatment For The People Who Love Homoeopathy And Believed It. comfortable to talk with.

09/04/2026

Marsh Miasm (মার্শ মায়াজম) হোমিওপ্যাথির একটি গভীর রোগতত্ত্বগত ধারণা। এটাকে Natric Soric miasm, Bog-Miasm, বা Marsh-Blood miasm নামেও উল্লেখ করা হয়।
এটি মূলত সেই রোগ-প্রবণ অবস্থাকে বোঝায় যা জলাভূমি, স্যাঁতসেঁতে স্থান, নোংরা কাদা, ও জলাজঙ্গল-ঘেঁষা এলাকায় বসবাস করার কারণে মানুষের শরীরে ধীরে ধীরে তৈরি হয়।
⭐ Marsh Miasm – সহজ ব্যাখ্যা
Marsh Miasm হল এমন এক ধরনের miasmatic influence, যা দীর্ঘদিন স্যাঁতসেঁতে, নোংরা, বদ্ধ জলাভূমির পরিবেশে বাস করার ফলে শরীরে বিশেষ ধরনের রোগ-প্রবণতা তৈরি করে।
👉 সহজভাবে:
যেখানে বেশি আর্দ্রতা + পচন + নোংরা পানি থাকে, সেখানে যে রোগগুলো হয়, তার পেছনের মূল মায়াজম হলো Marsh Miasm।
⭐ Marsh Miasm-এর উৎস
জলাভূমি বা marsh-এ—
পচনশীল জৈব পদার্থ
ব্যাকটেরিয়া
মশা
ভেজা ও ঠান্ডা বাতাস
কাদাপানি
এগুলো মানুষের vital force-কে বিষাক্ত করে “মায়াজম” তৈরি করে।
⭐ Marsh Miasm থেকে যে রোগগুলো দেখা যায়
Marsh Miasm-এর ফলে সাধারণত যে রোগগুলো তৈরি হয়—
✔ ম্যালেরিয়া, টাইফয়েড, ডেঙ্গু
নোংরা পানি ও মশাবাহিত রোগ
✔ কলেরা, আমাশয়
দূষিত পানি
✔ চর্মরোগ (Eczema, Tinea)
ভেজা জায়গায় বেড়ে ওঠা ফাঙ্গাল রোগ
✔ Rheumatism, Joint Pain
ঠান্ডা-ভেজা স্থানের ব্যথা
✔ Bronchitis, Asthma
স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় বাড়ে
✔ বিশেষ ধরনের দুর্বলতা, অ্যানিমিয়া, chronic debility
ভেজা পরিবেশ vital force কমিয়ে দেয়
⭐ Marsh Miasm-এর মানসিক লক্ষণ
মন-মেজাজ নিচে থাকা
অলসতা
ভয়
দীর্ঘস্থায়ী দুর্বলতা
⭐ Marsh Miasm-এ ব্যবহৃত প্রধান হোমিওপ্যাথিক রেমেডি
Marsh miasm-এর বিরুদ্ধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রেমেডি হলো—
⭐ Natrum Sulphuricum
একে অনেকেই “Marsh-Blood Remedy” বলে।
এর পাশাপাশি:
China
Eupatorium Perfoliatum
Quassia
Cedron
Arsenicum Album
Natalis (Natrum mur + Nat sulph)
Antimonium crudum
এই রেমেডিগুলো ভেজা-আর্দ্র পরিবেশগত রোগে কার্যকর।
⭐ Marsh Miasm কেন গুরুত্বপূর্ণ?
কারণ—
একজন রোগী যদি জলাভূমি বা ভেজা পরিবেশে বড় হয়, তার শরীরে chronic কিছু রোগ দীর্ঘদিন থাকে। শুধুমাত্র acute রেমেডি দিলে প্রতিবার আবার রিল্যাপ্স হবে।
এক্ষেত্রে মায়াজমেটিক রেমেডি দরকার।

23/02/2026

♦️♦️জন্ম দাগের হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সমূহ♦️♦️

১. মুখমন্ডলে তামাটে দাগ- Carbo Animalis.
২. মুখে কালচে দাগ থাকে যাকে মেছতা বলে- Cimicifuga/Secale Cor.
৩. মুখমন্ডলে হলদে ছোট ছোট দাগ- Sepia.
৪. দেহে কাল জন্মদাগ- Thuja M/Bellis Pere Q বাহ্য প্রয়োগ (ডা: বরিক)।
৫. দেহে লাল জন্মদাগ- Comocladia
৬. চর্মের উপর লাল ডোরা ডোরা দাগসমূহ- Comocladia Dentata .
৭. গায়ে সাদা সাদা দাঁতের মত দাগ- Phos.
৮. গায়ে মোমের মত সাদা দাগ- Apis/Ars Alb.
৯. হাত বা বাহুতে বাদামী বা হলদে দাগ- Thuja.
১০. পেটের অম্বলরোগে চর্মে রক্তবর্ণ ছাপ- Dulcamara.
১১. চামড়ার নীচে লাল ডোরা দাগ- Bufo Rana.
১২. সর্বাঙ্গে কৃষ্ণাভ দাগ- Baptista.
১৩. বাহুতে চেতনাবিহীণ রক্তবর্ণ দাগ- Bryonia Alb.
১৪. আঁতুড় ঘরে প্রসূতির যে কোন দাগ-
Arnica Mont.
১৫. দেহে বেষ্টনে রঙের দাগ দেয়াসহ অস্থিরতা ও শ্বাস কৃচ্ছতা হয়- Ars Alb
১৬. সর্বাঙ্গে বেগুনে গোলাকার দাগসমূহে আঘাত লাগার ন্যায় বেদনা রোগী সর্বদা শুতে চায়, দুর্বলতা ও অবসন্নতা থাকে- Baptisia.
১৭. বাহুতে মটর হতে বড় গোলাকার চেতনাবিহীন রক্তবর্ণ দাগসমূহসহ বিছানায় বমিভাব ও নাসিকা বা অন্যদ্বার দিয়ে রক্তস্রাব- Bryo.
১৮. আঙুলের চামড়ার নীচে পিনের ন্যায় কাল কাল দাগ- Coca
১৯. চর্মে চাকা চাকা দাগ- Hydrophila Spinosa 30.
২০. চর্মের নিচে কালশিরা দাগ- Coca.
২১. হাত-পায়ে কালশিরা দাগ- Sarsaparilla.
২২. গালে লাল চাকা চাকা দাগ- Sanguinaria Can.
২৩. মোটাসোটা শক্ত পেশীযুক্ত ব্যক্তির দেহে বিচিত্র ছোপ ও উদ্ভেদ- Graphites.
২৪. গালের উপরিভাগে ও নাকে আড়াআড়িভাবে হলুদ দাগ- Sepia.
২৫. জরায়ু বা ঋতু দোষযুক্ত প্রদরগ্রস্ত রমণীর মেছতায়- Caulophylum
২৬. চর্মে বাদামী রঙের দাগ- Carbo Animalis.
২৭. সম্মুখ বাহুতে নীলবর্ণ দাগ- Acid Sulph.
২৮. নাকের গোড়ায় ঘোড়ার জিনের মত চাম- Sepia.
২৯. চর্মের উপর স্বাভাবিক জন্মদাগ মোচনে- Bellis Peru Q.
৩০. চর্মের বিশেষত বগলের দাগ মোচনে Causticum.
৩১. ক. মুখে, নাকের দুপাশে ও কপালে কাল ছিদ্রবৎ তিল- Sabina.
খ. একাধিক স্থানে তিল বা জটুল- Bellis Peru 6/30/Ly 6/Thuja 6-M.
গ. এক বা একাধিক স্থানে তিল/জটুল- AF6-M.
৩২. নাকে-মুখে-গালে কালো দাগ- Cicmicifuga.
৩৩ চোখের নিচে প্রায় গালের আধাআধি পর্যন্ত কালিমা দেখা দেয়- Acpia.
৩৪. হাত-পায়ের গাঁটে ময়লা দাগ- F Pic
৩৫. কেরোসিন/ পেট্রলের কাজ করে হাতের কব্জিতে ধূসর বর্ণের দাগ- Petro
৩৬. গালে গোলগাল দাগ- Acid Benjoic Q.
৩৭. শিশু গায়ে জন্ম দাগ- Thuja/Acid Fluor.
৩৮. গায়ে লাল দাগ- Kali Phos 6X.
৩৯. দেহে লাল তিল- Natrum Sulph
৪০. তলপেটের উপর বাদামী রঙের ছাপ সমূহ- Cobaltum Met.
৪১. প্রথমে মুখমন্ডলে লাল দাগ বের হয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে সারা দেহে বিস্তৃত হয় যা কুটকুট করে- Euphorbia.
৪২. মুখমন্ডল মৃতবৎ ফ্যাকাসে সহ চোখের চারিদিকে গোল গোল দাগ- Bismuth.
৪৩. মুখমন্ডলে লাল বিন্দু বিন্দু দাগ- Capsicum.
৪৪. হাত পায়ের গাঁটে ময়লার দাগ- Ferrum Pic.

সংগৃহীত

08/01/2026

Albuminuria with inflamed kidney. সহজভাবে ব্যাখ্যা 👇
🔹 Albuminuria কী?
Albuminuria হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে প্রস্রাবে albumin (এক ধরনের প্রোটিন) অস্বাভাবিকভাবে বের হয়।
স্বাভাবিক কিডনি প্রোটিনকে রক্তে ধরে রাখে, কিন্তু কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হলে প্রোটিন লিক হয়ে প্রস্রাবে চলে আসে।
🔹 “with inflamed” বলতে কী বোঝায়?
With inflamed মানে হলো কিডনিতে প্রদাহ (inflammation) আছে।
অর্থাৎ কিডনির ফিল্টার (glomeruli) ফুলে গেছে বা জ্বালাপোড়া অবস্থায় আছে।
➡️ তাই “Albuminuria with inflamed” মানে:
কিডনিতে প্রদাহ থাকার কারণে প্রস্রাবে albumin বের হচ্ছে।
🔹 সাধারণ কারণ
Glomerulonephritis (কিডনির ফিল্টারের প্রদাহ)
ইনফেকশন (যেমন streptococcal infection-এর পর)
Diabetes mellitus
High blood pressure
Autoimmune disease (যেমন lupus)
কিছু ওষুধ বা টক্সিন
🔹 লক্ষণ
প্রস্রাবে ফেনা
পা, মুখ, চোখে ফোলা (edema)
প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া
ক্লান্তি
কখনো প্রস্রাবে রক্ত
🔹 পরীক্ষা
Urine routine / ACR
Serum creatinine
Blood pressure
প্রয়োজনে USG / kidney biopsy
🔹 গুরুত্ব (Medical student point)
এটি early kidney disease-এর sign হতে পারে
প্রদাহ ঠিক না হলে → chronic kidney disease (CKD) এ রূপ নিতে পারে
🔹 সংক্ষেপে (One-liner)
Albuminuria with inflamed = কিডনির প্রদাহের কারণে প্রস্রাবে প্রোটিন বের হওয়া।
নিরাময় হোমিও চেম্বার

12/11/2025

কয়েকটি ঔষধের খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রেসক্রাইবিং সিমপটমস______

★ এলুমিনা ---
কোষ্ঠবদ্ধতা, শরীরের শুষ্কতা, আলু সহ্য হয় না, কাঠ কয়লা,মাটি, চক, ইত্যাদি আজেবাজে জিনিস খেতে ভালোবাসে, শরীরের এখানে ওখানে শুষ্ক চুলকানি।

★ এ্যান্টিম ক্রুড----
জিভের উপরে সাদা পুরু কোটিং, ভুরিভোজন বা অতিরিক্ত খাওয়ার পরে পেটের গোলমাল, ক্ষুধার অভাব , বমি বা বমি বমি ভাব, টক খাওয়ার ইচ্ছা, তৃষ্ণাহীনতা,

★ আর্সেনিক এ্যালবা ---
ফুড পয়জনিং হয়েছে, পাতলা দূর্গন্ধ পায়খানা হচ্ছে , সাথে বমি, প্রবল পিপাসা, কিন্তু ক্ষণে ক্ষণে অল্প পরিমাণে জল খায়, জল পান করার পরেই আবার বমি হয়, খাদ্য দ্রব্যের গন্ধ সহ্য করতে পারে না, পেটের মধ্যে জ্বালা, রোগের প্রকোপ যত বেশী, দুর্বলতা তার থেকে অনেক গুন বেশী,

★ ইউপেটোরিয়াম পার্ফ --
জ্বর প্রত্যহ সকাল সাতটা বা আটটার মধ্যে আসে, সারা শরীরে বিশেষ করে হাড়ের মধ্যে অসহ্য যন্ত্রণা --- মনে হয় যেন হাড় ভেঙে গেছে, বাম দিকে চেপে শুতে পারে না, পিত্ত বা তিতা বমি,

★ ইপিকাক ---
বমি হচ্ছে না বেশি, কিন্তু ক্রমাগত বমির ভাব চলছে, জিভ পরিষ্কার ,জল পিপাসা নেই,

★আর্নিকা মন্টেনা ---
মাংসপেশীতে আঘাত জনিত ব্যথা, ব্যথার জায়গা অত্যন্ত স্পর্শকাতর, রক্ত জমে কালশিটে হয়ে আছে, যে বিছানায় শুয়ে থাকে সেই বিছানা খুব শক্ত বলে মনে হচ্ছে,

★ আর্জেন্টাম নাইট্রিকাম----
ক্রমাগত হেউ হেউ করে জোরে জোরে ঢেকুর তোলে , চিনি বা মিষ্টি খেতে ভালবাসে, উদারাময় বা ডায়েরিয়ায় ভোগে, কোথাও কোন এনগেজমেন্টে যাওয়ার আগে পায়খানা পায়, শরীরের আক্রান্ত স্থানে কাঁটা ফুটে আছে এরকম অনুভূতি হয়,

★ আয়োডাম ---
শরীর দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছে, অত্যন্ত গরমকাতরতা, ক্ষুধা মোটেই সহ্য করতে পারে না--- ক্ষুধার সময় না খেতে পারলে বিভিন্ন রকম অসুবিধা হয় বা রোগ লক্ষন, রোগ যন্ত্রণা বৃদ্ধি পায়, শরীরর গ্লান্ড ফুলে উঠে--- বিশেষ করে থাইরয়েড গ্ল্যান্ড বা ম্যামারি গ্লান্ড,

★ ব্যাপ্টিসিয়া -----
জ্বর কিছুতেই কমছে না--- টাইফয়েডের দিকে যাচ্ছে, ভীষণ দূর্বলতা, শরীরের সকল স্রাব ভীষণ দূর্গন্ধ, শ্বাস-প্রশ্বাসেও ভীষন দূর্গন্ধ, পায়খানা, প্রস্রাব ঘাম, সবকিছুই ভীষন দূর্গন্ধ, মুখের মধ্যে ঘা হচ্ছে, কুকুরের মতো বেঁকে শুয়ে থাকতে চায়, জিভের মাঝখানটা সাদা, পাশগুলি লাল,

★ বেলেডোনা ------
হঠাৎ অনেক জ্বর এসেছে, মাথা ভীষন ব্যাথা করছে, পেটও ভীষণ ব্যথা করছে, ব্যথার চরিত্র দপদপানি, ব্যথার জায়গাটা অত্যন্ত লাল ও গরম, ব্যথার সাথে জ্বালা, ভীষন স্পর্শকাতরতা, ব্যথা হঠাৎ আসছে এবং হঠাৎ যাচ্ছে,

★বোরাক্স ------
নিম্নগতিতে ভীষণ ভয় ও আতঙ্ক, বাচ্চাদের আদর করে দুহাত দিয়ে উপরে তুলে নামানোর সময়, বা নাগরদোলায় বসলে উপর থেকে নাগরদোলা নীচে নামার সময় খুবই ভয় পায়, অত্যন্ত ভীর , সামান্য শব্দেও চমকে উঠে, মুখে সাদা ফাংগাসের মতন ঘা হচ্ছে, চুলগুলো গায়ে গায়ে জড়িয়ে যাচছে,

★ বার্বেরাস ভালগারিস
কিডনি রিজিয়নে, অর্থাৎ পেটে কিডনির জায়গায় ব্যথা, বিশেষ করে বাম দিকে কিডনির জায়গায় ব্যথা, যেখানে ব্যথা হচ্ছে সেখান থেকে ব্যথা চারিদিকে অনেকদূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ছে, পেটের ভিতরে বিশেষ করে ব্যথার জায়গায় বুজবুজ করার মতন অনুভূতি, প্রস্রাব ক্লিয়ার হচ্ছে না বা অল্প অল্প করে বার হচ্ছে,

★ ব্রাইওনিয়া এ্যালবা ----
যে কোন রোগে রোগী যদি চুপচাপ শুয়ে থাকে, সামান্য নড়াচড়াও করতে চায় না-- কারণ সামান্য নড়াচড়ায়ও তার সব রোগ যন্ত্রনা বৃদ্ধি হয়, শরীরের সমস্ত মিউকাস মেমব্রেনের শুষ্কতা ---মুখ শুকিয়ে যায়, ঠোঁট শুকিয়ে যায়, কোষ্ঠকাঠিন্যতা, প্রবল জলপিপাসা, কিনতু অনেকটা করে জল অনেকক্ষন পরপর খায়। আক্রান্ত স্থান বা বেদনাযুক্ত স্থান জোরে চেপে ধরলে উপশম হয়, জিভ শুকনো এবং সাদা কোটেড, শরীরের ডান দিকে রোগ আক্রমণ বেশি,

★ ক্যালকেরিয়া কার্ব ----
দেহের স্থূলতা, ঘাম বেশি--- বিশেষ করে মাথায়, সহজে সর্দি কাশি লাগে, হাত পা ঠান্ডা থাকে, ডিম খেতে ভালোবাসে, লবন খেতে চায়,

★ ক্যালকেরিয়া ফস ----
প্রায়ই ডায়েরিয়া বা উদরাময়ে ভোগে, রিকেটি চেহারা, পায়খানা করার সময় পেটের মধ্যে হড়হড় ঘড়ঘড় শব্দ হয়, খেতে বসলেই পেটব্যথা আরম্ভ হয়, স্কুলে যাওয়া মেয়েদের স্কুল থেকে ফেরার সময় মাথা ব্যথা করে, মাসিকের সময় মুখে ব্রণ বের হয় , মাংস খেতে ভালবাসে,

★ কলচিকাম -----
খাদ্য দ্রব্যে অভক্তি বা বিরক্তি , বা খাদ্যদ্রব্যের গন্ধ মোটেই সহ্য করতে পারে না---বমি বমি ভাব আসে, পেটের মধ্যে অতিরিক্ত বায়ু জমে, প্রস্রাব কমে যায়,ন ঘাম বেশী,

★ ককুলাস -------
গাড়ীতে চড়লে বমির ভাব হয়, মাথা ঘোরে, তার সাথে যদি অনিদ্রাজনিত কোনরকম অসুস্থতা হয়, মাসিকের সময় মহিলারা যদি খুবই দুর্বল হয়ে পড়ে,

★ কোনিয়াম------
অত্যন্ত দুর্বল, অত্যন্ত শীতকাতরতা, শুলেই মাথা ঘোরে, ঘুমিয়ে পড়লে সারা শরীরে ঘাম হয়, প্রস্রাব সহজে নির্গত হতে চায় না ---থেমে থেমে হয়, ধাতুদৌর্বল্য ---- সামান্যতেই প্রস্টেটিক ডিসচার্জ হয়, অনেক বয়স হয়েছে কিন্তুু বিয়ে করেনি,

★কলোসিন্থ-------
পেট ব্যাথা সামনের দিকে ঝুঁকে খুব জোরে চেপে ধরলে কমে এবং কিছু খাওয়ার পরেই বাড়ে , বমি বমি ভাব বা বমি হতে পারে,

★ চেলিডোনিয়াম ------
ডান দিকের স্কাপুলা হাড়ের নীচে ব্যথা, মাথা ব্যাথা বা অন্য যে কোন ব্যথা শরীরের ডান দিকেই বেশী দেখা দেয়, জিভের উপরে মোটা হলুদ বর্ণের লেপ, ডান দিকের পা ঠান্ডা, ভীষণ স্পর্শকাতরতা এবং নড়াচড়ায় সব রোগের বৃদ্ধি হয়, মাথা ব্যথার সময় ডান দিকের চোখ দিয়ে জল পড়ে,দেখলে,

★ সিমিসিফিউগা -------
যত বেশি মাসিক স্রাব হয় তত বেশি পেটে ব্যথা হয়, ব্যথা পেটে আড়া-অাড়ি ভাবে হয়--- মানে বাম দিক থেকে ডান দিক বা ডান দিক থেকে বাম দিকে হয়, স্রাব অত্যন্ত বেশী এবং চাপ চাপ হয়,

★ সিনা ------
ক্ষুধা অত্যন্ত বেশি, বলা যেতে পারে রাক্ষুসে ক্ষুধা, পেটের উপর চাপ দিয়ে শুতে চায় , রাত্রে দাঁত কড়মড় করে, মুখে সবসময় জল উঠে, চোখের চারিদিকে কালো ছাপ, নাভির চারিদিকে ব্যথা।
Copied form হোমিও আপডেট

গন্ডমালা বা Mumps হলো একটি সংক্রামক ভাইরাস রোগ, যা প্রধানত প্যারোটিড গ্ল্যান্ড (লালা গ্রন্থি)-কে আক্রান্ত করে। এই গ্রন্থ...
11/11/2025

গন্ডমালা বা Mumps হলো একটি সংক্রামক ভাইরাস রোগ, যা প্রধানত প্যারোটিড গ্ল্যান্ড (লালা গ্রন্থি)-কে আক্রান্ত করে। এই গ্রন্থিগুলো কানের নিচে ও চোয়লের পিছনে অবস্থিত। আক্রান্ত হলে এই গ্রন্থিগুলো ফুলে ওঠে, যার ফলে রোগীর মুখ ও গাল ফুলে গিয়ে একটি বিশেষ চেহারা হয়। এজন্য একে বাংলায় "গন্ডমালা" বলা হয়।

👉কারণ:
· ভাইরাস: Mumps virus নামক একটি ভাইরাস দ্বারা এ রোগ হয়।
· সংক্রমণের উপায়: এই রোগ এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির মধ্যে শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে বাতাসের ড্রপলেট (হাঁচি-কাশির মাধ্যমে) বা আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিসপত্রের সংস্পর্শে ছড়ায়।

🫱 প্রধান লক্ষণ ও উপসর্গ:
Mumps-এর সবচেয়ে সহজে চেনা যায় এমন লক্ষণ হলো গাল ফোলা। তবে ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর লক্ষণ দেখা দিতে সাধারণত ১৬-১৮ দিন সময় লাগে।

১. প্রাথমিক লক্ষণ (২-৩ দিন আগে থেকে):
* জ্বর
* মাথাব্যথা
* পেশিতেব্যথা
* ক্ষুধামন্দা
* দুর্বলতাও ক্লান্তি

২. বৈশিষ্ট্যপূর্ণ লক্ষণ:
* প্যারোটিড গ্ল্যান্ড ফোলা:এক বা উভয় পাশের কানের নিচে ও চোয়লে ব্যথাযুক্ত ফোলা দেখা দেয়। এটি দেখতে অনেকটা "হামস্টার"-এর মতো চেহারা তৈরি করে।
* চিবানো ও গিলতে কষ্ট:গ্ল্যান্ড ফোলার কারণে চিবানো এবং গিলতে প্রচণ্ড ব্যথা ও কষ্ট হয়।
* ফোলা বৃদ্ধি:ফোলা পরবর্তী ৩ দিনে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে এবং তারপর ৩-৭ দিনের মধ্যে কমতে শুরু করে।

♦️ সম্ভাব্য জটিলতাসমূহ:
Mumps সাধারণত নিজে থেকেই সেরে যায়, কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে এটি গুরুতর জটিলতা তৈরি করতে পারে:
· অর্কাইটিস (Orchitis): পুরুষদের মধ্যে অণ্ডকোষ ফুলে যাওয়া ও ব্যথা হতে পারে। খুব কম ক্ষেত্রেই এটি বন্ধ্যত্বের কারণ হতে পারে।
· ওভারাইটিস (Oophoritis): মহিলাদের ডিম্বাশয় ফুলে যেতে পারে এবং ব্যথা হতে পারে।
· মেনিনজাইটিস বা এনসেফালাইটিস: ভাইরাস মস্তিষ্ক বা মস্তিষ্কের ঝিল্লিকে আক্রান্ত করতে পারে।
· প্যানক্রিয়াটাইটিস: অগ্ন্যাশয় ফুলে যেতে পারে, যার ফলে পেটের উপরের অংশে তীব্র ব্যথা হয়।
· শ্রবণশক্তি হ্রাস: কিছু বিরল ক্ষেত্রে, এটি এক বা উভয় কানে স্থায়ীভাবে শ্রবণশক্তি হ্রাসের কারণ হতে পারে।

⭐চিকিৎসা:
· বিশ্রাম: পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া জরুরি।
· প্রচুর তরল পান: জ্বর ও গিলতে কষ্টের কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে, তাই প্রচুর পানি ও তরল খাবার গ্রহণ করতে হবে।
· নরম ও সহজে গেলা যায় এমন খাবার: দই, স্যুপ, পুডিং ইত্যাদি খাবার খাওয়া উচিত।
· গলা কম্প্রেস: ফোলা জায়গায় গরম বা ঠাণ্ডা কম্প্রেস (পানির থলি) দিলে ব্যথা কিছুটা উপশম হতে পারে।

👎টক বা অম্লজাতীয় খাবার ও পানীয় (যেমন: লেবু, আচার) এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো লালাগ্রন্থিকে বেশি উদ্দীপিত করে এবং ব্যথা বাড়িয়ে দিতে পারে।

দ্রষ্টব্য: রোগের চিকিৎসার জন্য সর্বদা একজন যোগ্য হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Address

আতাইকুলা রোড চাপা মসজিদ মোড় , (২য় তলা)
Pabna
6600

Opening Hours

Monday 10:00 - 14:30
16:00 - 21:00
Tuesday 10:00 - 14:30
16:00 - 21:00
Wednesday 10:00 - 14:30
16:00 - 21:00
Thursday 10:00 - 14:30
16:00 - 21:00
Saturday 10:00 - 14:30
16:00 - 21:00
Sunday 10:00 - 14:30
16:00 - 21:00

Telephone

+8801719228438

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নিরাময় হোমিও চেম্বার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to নিরাময় হোমিও চেম্বার:

Share