ইসলামের আলোকে চিকিৎসা বিজ্ঞান- Islamer Aloke Chikitsa Biggan

  • Home
  • Bangladesh
  • Rajshahi
  • ইসলামের আলোকে চিকিৎসা বিজ্ঞান- Islamer Aloke Chikitsa Biggan

ইসলামের আলোকে চিকিৎসা বিজ্ঞান- Islamer Aloke Chikitsa Biggan ইসলামের আলোকে চিকিৎসা বিজ্ঞান কি বলে ?

13/11/2021

Subhanallaah

জনৈক ব্যক্তিঃ শায়েখ, কুরআনে বলা হয়েছে বিয়ে করলে রিজিক বাড়ে, কই আমার তো বাড়লো না। বরং আরো খারাপ হলো..শায়েখঃ তুমি বিয়ে করে...
27/07/2021

জনৈক ব্যক্তিঃ শায়েখ, কুরআনে বলা হয়েছে বিয়ে করলে রিজিক বাড়ে, কই আমার তো বাড়লো না। বরং আরো খারাপ হলো..
শায়েখঃ তুমি বিয়ে করেছো কত বছর বয়সে?
জনৈক ব্যক্তিঃ বত্রিশে।
শায়েখঃ মানুষের যৌবনের সবচে বিপজ্জনক সময়টি হচ্ছে ২১-২৫ বছর বয়সের সময়টুকু, ওই সময়ে তুমি সবধরনের পাপ থেকে মুক্ত ছিলে?
জনৈক ব্যক্তিঃ একটু আধটু পাপ তো সবারই হয় শায়েখ, মানুষ কি ফিরিশতা নাকি?
শায়েখঃ একটু আধটু পাপ থেকে নিজেকে বিরত রাখার জন্য তখন বিয়ে করোনি বলেই তোমার বিয়ের পরে অভাব যায়নি কারণ কুরআনে বলা হয়েছে চরিত্র রক্ষার্থে বিয়ে করলে আল্লাহ দায়িত্ব নেবেন। তুমি তো সামাজিক দায়বদ্ধতা পূরণের জন্য বিয়ে করেছো, চরিত্র রক্ষার্থে নয়।
জনৈক ব্যক্তিঃ ইয়ে মানে... তখন বিয়ে করলে তো আমার ক্যারিয়ার নষ্ট হতো..
শায়েখঃ বিয়ের পর তোমার অভাব বৃদ্ধি পাওয়ার দ্বিতীয় কারণ এটা! তুমি আল্লাহর চেয়ে একটু বেশি বুঝতে চেয়েছো, মুমিনের সফলতা আল্লাহর সন্তুষ্টিতে। তুমি আসল সফলতার চিন্তা না করে কোন সফলতার দিকে দৌড়াচ্ছিলে? তোমাকে বলা হয়েছে যখনই বিয়ের সময় হবে বিয়ে করো, ধনী বানানোর দায়িত্ব আল্লাহর। তুমি ঠিক সময়ে বিয়ের চিন্তা বাদ দিয়ে নিজে কেনো ধনী হতে চেয়েছিলে?
জনৈক ব্যক্তিঃ শায়েখ আমি ঈমান রক্ষার্থে সচেষ্ট ছিলাম তবুও কেনো কোনো পুরস্কার পেলাম না আল্লাহর কাছ থেকে?
শায়েখঃ স্ত্রীর নির্বাচনের সময় কোন জিনিসের প্রাধান্য সবচে বেশি দিয়েছো?
জনৈক ব্যক্তিঃ অভাব অনটনে জীবনটা শেষ শায়েখ, সম্পদটাই বেশি দেখেছি।
শায়েখঃ তোমার অভাব বৃদ্ধি পাওয়ার তিন নম্বর কারণ এটা। হাদীসে এসেছে যে ব্যক্তি স্ত্রী নির্বাচনে স্ত্রীর সম্পদের প্রতি লোভ করবে বিয়ের পর তার অভাব অনটন বেড়ে যাবে।
জনৈক ব্যক্তিঃ উফফফ...
শায়েখঃ শান্ত হও পুত্র! মুমিন কখনো হতাশ হয় না। মুমিনের ভুল সমুদ্রের ফেনা পরিমাণ হলেও আল্লাহর ক্ষমার কাছে তা অতি ক্ষুদ্র! কায়মনোবাক্যে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, তওবা করো। আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করবেন এবং তোমার রিজিকে বারাকাহ দান করবেন ইনশাআল্লাহ...

©কালেক্টেড।

বিয়ের প্রশ্ন আসলেই বাবা-মায়েরা যেসব কথা বলে থাকেঃ১. বিয়ে যে করবি বউকে খাওয়াবি কি?২. আগে চাকরি-বাকরি কিছু কর এরপর ওসব ভেব...
02/07/2021

বিয়ের প্রশ্ন আসলেই বাবা-মায়েরা যেসব কথা বলে থাকেঃ
১. বিয়ে যে করবি বউকে খাওয়াবি কি?
২. আগে চাকরি-বাকরি কিছু কর এরপর ওসব ভেবে দেখা যাবে।
৩. এখন তোর ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবার সময় ওসব মাথা থেকে ঝরে ফেল।
৪. তোর এখনো বিয়ের বয়স হয় নি।

অথচ ছেলে-মেয়ের বিয়ের বয়স অনেক আগেই হয়ে গেছে। ছেলে ঘুমাতে গেলে, তার কল্পনায় চলে আসে ডানা কাটা পরী! মেয়ে ঘুমাতে গেলে কল্পনা করতে থাকে রাজপুত্রের মতো ছেলের! এসব কল্পনা ঘুরপাক খেতে খেতে শয়তান মশাইও বিশাল চান্স পেয়ে যায়। ব্যাস ছেলে-মেয়েরা হারাম রিলেশন করা শুরু করে দেয়। পর্নগ্রাফি দেখা হয়ে যায় নিত্য দিনের রুটিন। ঘন্টার পর ঘন্টা প্রেমিকার সাথে কথা বলা, পার্কে গিয়ে নষ্টামিতে জড়িয়ে পরা, রুমডেট করা, ধর্ষণ করা, ইভ টিজিং করা ইত্যাদি আজকাল ডাল ভাত হয়ে গেছে। আর পত্রিকার পাতা খুলে এসব যখন আংকেল আন্টিদের সামনে ভেসে উঠে তখন তারা চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে বলে-

“আজ কালকার যুবসমাজদের কি যে হলো! একেবারে গোল্লায় চলে গেছে, ছি! ছি! ছি! এদের এতো অধপতন!"

আমি বলি- ও আংকেল, ও আন্টি, আপনি কি জানেন এই অধপাতের জন্য আপনারা দু'হাতে সাহায্য করেছেন!
আংকেল আন্টি হয়তো চমকে গিয়ে বলবে - "কি বলো বাবা এসব!"
জ্বি ঠিকি বলছি, আপনি আপনার সন্তানকে বিয়ের বয়স হওয়া মাত্র বিয়ে দিলেন না কেনো?
আংকেল আন্টি হয়তো আরও অধিক চমকে গিয়ে বললে-
"কি যে বলো বাবা! ওর কি এখন বিয়ের বয়স হয়েছে? মাত্র তো অনার্স এ পড়ে!"

অথচ, ছেলেদের দাড়ি গজানোর দ্বারা আর মেয়েদের ঋতু শুরু হওয়ার দ্বারা বোঝায় বিয়ের বয়স হয়ে গেছে। হিসেব করে দেখুন, সেই কয়েক বৎসর আগেই বিয়ের বয়স হয়ে গেছে। তাহলে আপনি জেনে শুনে বিয়ে দিতে নারাজ কেনো? আপনার ছেলের বয়স ২০, মেয়ের বয়স ১৬ বছর। আর আপনার পরিকল্পনা হলো ছেলের ২৫/২৬ বছর আর মেয়ের ১৮/২০ বছরে বিয়ে দেওয়ার! অনেকে তো আবার ২৮ বছর হওয়ার পরেও বিয়ের কোনো পাত্তা নেই! ভেবে দেখুন, তাহলে তারা এই মধ্যবর্তী সময়টা কি করবে এতদিন?

প্রেম করবে?
যেনা করবে?
পর্ন গ্রাফী দেখবে?
ইভ টিজিং করবে?
ধর্ষন করবে?
আর আপনি বসে বসে এসব পেপার পত্রিকায় দেখে গাঢ় লিকারে চা খাবেন আর দোষ দিবে শুধু যুব সমাজকে? আপনার কোনো দোষই নেই, তাইনা?

অথচ, সময় মতো যদি ছেলে মেয়েদের বিয়ে দেওয়া না হয়, আর একারণে ছেলে-মেয়ে কোন গুনাহে লিপ্ত হয়, অন্য কারো সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে যায়, ইন্টারনেটে অশ্লীল ছবি দেখে, তাহলে এ গুনাহের দায়দায়িত্ব পিতা-মাতার উপর বর্তাবে। দলীল চান? আসুন একটা হাদিস শরিফ দেখি-

"সন্তান জন্মগ্রহণের পর পিতা-মাতার দায়িত্ব হলো তার সুন্দর নাম রাখা এবং দীন শিক্ষা দেয়া, আর বালেগ হয়ে গেলে বিবাহ করিয়ে দেয়া। যদি বালেগ হওয়ার পরও বিয়ে না করায়, আর সন্তান কোন গুনাহে লিপ্ত হয়, তাহলে এর দায়ভার পিতার উপরই বর্তাবে।" - [বায়হাকী, হাদীস নং ৮২৯৯]

আপনার সন্তান গুনাহ করছে আর আপনি বসে বসে গুনাহের ভাগ পাচ্ছেন। কাল হিসাবের ময়দানে এই গুনাহ যদি আপনাকে জাহান্নামে যেতে হয়, তখন?
এই হাদিস শরিফ অনেক অবিভাবকরা জানেন, জানা সত্বেও বিয়ে দিতে নারাজ।
তাদের যুক্তি- "ছেলেকে বিয়ে দিলে সে খাওয়াবে কি? সে তো এখনো ছাত্র।"

অথচ, তিনিনজানে না, সে চিন্তা তার নয়, সে চিন্তা তো আল্লাহ পাকের। তিনি সকল মাখলুকের রিজিকের জিম্মাদারি নিয়ে নিয়েছেন। সৃষ্টির ৫০ হাজার বছর আগেই রিযিকের ফায়সালা করে দিয়েছেন। তাছাড়া ছেলে কি পড়াশুনার পাশাপাশি দু’একটা টিউশনি করে কিছু রোজগার করতে পারবে না? যদি না-ও পারে তাহলে আমাদের প্রিয় রাসূল কি বলেছেন জানেন?
- রাসুল (সঃ) বলেছেন, "একজনের খাবার দু’জনের জন্য যথেষ্ট। দু’জনের খাবার তিন জনের জন্য যথেষ্ট।" [মুসলিম শরীফ, হাদীস নং ২০৫৯]

আপনার ফ্যামিলিতে দু’চারজন সদস্য অবশ্যই আছে, আরেক জন আসলে কি তার জন্য ব্যবস্থা হবে না? অবশ্যই হবে। তো পড়া লেখা শেষ হওয়ার আগেই বিয়ে দিচ্ছেন না কেনো? রিযিকের মালিক আল্লাহ। নাকি আপনি চাকরিকে মনে করছেন? আপনার ইমান ঠিক আছে তো! জবাব দিন। অনেক সময় দেখা যায় তাদের প্রাপ্তবয়স্ক ছেলেটি নিজে লজ্জার কারণে বলতে না পেরে বন্ধু-বান্ধবদের মাধ্যমে প্রস্তাব দেয়, "আংকেল আপনার ছেলে গুনাহ থেকে বাঁচার জন্য বিয়ে করার প্রয়োজন মনে করছে ।" আর আপনি তখন বলেন- তার তো এখনো লেখা-পড়াই শেষ হয়নি, বিয়ে করে বউকে খাওয়াবে কোত্থেকে?

আপনাকে বলছি আংকেল। আপনি আল্লাহর প্রতিজ্ঞার ব্যাপারে কতোটুকু বিশ্বাসী? আপনি জানেন না আল্লাহ্ তায়ালা প্রতিজ্ঞা করেছেন “ বিয়ে করলেই তোমাদের ধনী করে দিবো।” তবুও ছেলেকে বিয়ে দেন না আপনি! আবার মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার সময় কেবলই চাকুরীজীবী ছেলে খুঁজেন। এটা কি আল্লাহ্ তায়ালার উপর অনির্ভরশীলতারই ইঙ্গিত বহন করে না?

অথচ, একটা ভালো চাকরির পূর্বশর্তই হওয়াই উচিত “বিয়ে”। কেননা, তখন তাকে রিজিক প্রদান করার দায়িত্ব স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা নিয়ে নেন।

আল্লাহ পাক বলেছেন -
"তোমাদের মধ্য হতে যারা বিবাহহীন তাদের বিবাহ দিয়ে দাও এবং দাস-দাসীদের মধ্যে যারা সৎ তাদেরকেও। তারা যদি নিঃস্বও হয়ে থাকেন তবে স্বয়ং আল্লাহ্ তাকে ধনী বানিয়ে দেবেন।" [সূরা নুর, আয়াতঃ ৩২]

অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে হয়, আজ মুসলিম উম্মাহ ইহুদী-খ্রিষ্টানদের নানামুখি ষড়যন্ত্রের শিকার। এদেশে যত এন.জি.ও আছে, এর অধিকাংশই ইহুদী-খ্রিষ্টানদের অর্থে পরিচালিত। তারা সমন্বিত প্রচেষ্টায় সরকারকে দিয়ে এ আইন পাশ করিয়েছে যে, ১৮ বছরের আগে কোন মেয়ের বিয়ে দেওয়া যাবে না। তাদের ভাষায় এটা হল “বাল্যবিবাহ”। অথচ মেয়েরা সাধারণত আরো চার/পাঁচ বছর আগেই বালেগা হয়ে থাকে।

কিছুদিন আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একবার বলেছিলেন, এই আইনটা ১৬ বছরে করা হোক, কারণ মেয়েরা এতটা সময় (১৮ বছর) বসে থাকে না। পারিপার্শিকতাসহ বিভিন্ন কারণে তাদের পক্ষে চারিত্রিক পবিত্রতা ধরে রাখা সম্ভবপর হয়না। বন্ধু-বান্ধবের হাত ধরে চলে যায়, নানা অঘটন ঘটায়। কিন্তু এনজিওদের হৈচৈয়ের কারণে সেটা আর সম্ভবপর হয়নি। এনজিওরা এই আইনটি পাশ করিয়েছে মূলত যিনা-ব্যভিচারকে ব্যাপক করার জন্য। এর জন্য তারা মুড়ি-মুড়কির মতো দেদারসে জন্মবিরতিকরণ ট্যাবলেট ও বিভিন্ন উপকরণ সাপ্লাই দেয়। এরপরও কোন মেয়ে যদি বিপদে পড়ে যায়, পেটে অবৈধ সন্তান চলে আসে- এর জন্য তারা ‘মেরী স্টোপস’ প্রতিষ্ঠা করেছে, যার কাজ হল-মাতৃসেবার ছদ্মনামে অবৈধ গর্ভপাতের নিরাপদ আলয় তৈরি করা। আর মুসলমানরা মনে করছে, আমাদের স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য সরকার কত রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। (হামারে আয়েলী মাসায়েল, ১৬০)

তাই অবিভাবকের প্রতি রিকুয়েষ্ট, আপনার ছেলে মেয়েকে গুনাহ থেকে বাঁচাতে, যেনা-ব্যাভিচার থেকে বাঁচাতে, ধর্ষন- ইভ টিজিং থেকে বাঁচতে, সমাজকে সুন্দর করতে, বিয়ের বয়স হওয়া মাত্র বিয়ের ব্যাবস্থা করে দিন। এটা সন্তানের হক।

সাহায্যকারী বয়ান: মুফতি মনসূরুল হক (দাঃ বাঃ)
শাইখুল হাদিস ও প্রধান মুফতি, জামিআ রাহমানিয়া মাদ্রাসা, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।

হিজামা এমন একটি চিকিৎসা যাতে অন্যান্য মেডিকাল ড্রাগসের মত কোন সাইড ইফেক্ট নেই। কেবল নিরাময় আছে (সুবাহনাল্লাহ)। রাসূল ...
25/06/2021

হিজামা এমন একটি চিকিৎসা যাতে অন্যান্য মেডিকাল ড্রাগসের মত কোন সাইড ইফেক্ট নেই। কেবল নিরাময় আছে (সুবাহনাল্লাহ)। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলায়হি সাল্লাম তাঁর নিজের জন্য এ চিকিৎসাটি করিয়েছিলেন।

হিজামা (حِجَامَة ) একটি নববী চিকিৎসা ব্যবস্থা।

এটি আরবী শব্দ ‘আল-হাজম’ থেকে এসেছে। যার অর্থ চোষা বা টেনে নেওয়া।

আধুনিক পরিভাষায় Cupping (কাপিং)। এতে শরীরের মাংসপেশী সমূহের রক্ত প্রবাহ দ্রুততর হয়। পেশী, চামড়া, ত্বক ও শরীরের ভিতরের অরগান সমূহের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। ফলে শরীর সতেজ ও শক্তিশালী হয়।

আবু_হুরাইরা_রাঃ_থেকে_বর্ণিত_রাসূলুল্লাহ (সা:)বলেছেন-

জিবরীল_আমাকে_জানিয়েছেন_যে_মানুষ_চিকিৎসার_জন্য_যতসব_উপায়_অবলম্বন_করে_তার_মধ্যে_হিজামাই_হল_সর্ব_উত্তম।

আল-হাকিম, হাদিস নম্বরঃ ৭৪৭০.

জাবির রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয় হিজামায় শেফা রয়েছে।

” সহীহ মুসলিম, হাদীছ নম্বর: ২২০৫

হিজামা_বা_wet_Cupping Therapy দ্বারা যে সব রোগের চিকিৎসা করা হয়ে থাকেঃ

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬

১। দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা(মাইগ্রেনসহ)

২। রক্তদূষণ

৩। উচ্চরক্তচাপ(হাই প্রেসার)

৪। যেকোন ধরনের ব্যাথা

৫। ঘুমের ব্যাঘাত

৬। পায়ে ব্যথা

৭। বাতের ব্যথা

৮। জয়েন্ট পেইন

৯। আথর্রাইটিজ

১০।গেটে বাত

১১। ত্বকের বর্জ পরিস্কার

১২।ঘাড়ে ব্যথা

১৩। দীর্ঘ মেয়াদী চর্ম রোগ

১৪। কিডনী রোগ

১৫। মাংস পেশীর ব্যথা(Muscle pain)

১৬।হাড়ের স্হানচু্তি জনিত ব্যথা

১৭।সাইনুসাইটিস(nasal sinus)

১৮।অবস(প্যরালাইসিস)

১৯।গ্যাস্ট্রিক পেইন,এসিডিটি

২০।অবস(প্যরালাইসিস)

২১।হাঁপানি (Asthma)

২২।হৃদরোগ(Cardiac Disease)

২৩।থাইরয়েড

২৪। শারিরিক দুর্বলতা...

ইত্যাদি ভিবিন্ন রোগ...।।

যোগাযোগঃ

 আমাদের ঠিকানাঃ সাত্তার সুপার মার্কেট, ৪র্থ তলা, নওদাপাড়া বাজার, রাজশাহী।

চিকিৎসা নিতে ফোন করুনঃ ✆ 01937364681

 রাজশাহী সিটির ভিতরে হোমসার্ভিস দেওয়া হয়।

(বিঃদ্রঃ ফোনে যোগাযোগ করে আসবেন)

 আমাদের ঠিকানাঃ ভাই বন্ধু ফার্মাসী ,সদর হাসপাতাল,ঝিনাইদহ

চিকিৎসা নিতে ফোন করুনঃ ✆ 01937364681

21/03/2021

যে দুয়ায় বিষ ব্যথা কমে। কিভাবে, কয়বার, রুকিয়াটি করবেন নিজের ও অন্যের জন্য দেখেদেখে শিখে নিন

 #জেনে_রাখা_ভালো ***মানবদেহ সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ১। হাড় সংখ্যা - ২০৬২। পেশী সংখ্যা - ৬৩৯৩। কিডনি সংখ্যা - ২...
23/02/2021

#জেনে_রাখা_ভালো
***মানবদেহ সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ
১। হাড় সংখ্যা - ২০৬
২। পেশী সংখ্যা - ৬৩৯
৩। কিডনি সংখ্যা - ২
৪। দুধ দাঁতের সংখ্যা - ২০
৫। পাঁজড় সংখ্যা - ২৪ (১২ জোড়া)
৬। হৃদয়ের চেম্বার সংখ্যা - ৪
৭। স্বাভাবিক রক্তচাপ - ১২০/৮০
৮। রক্তের PH - ৭.৪
৯। মেরুদন্ড মেরুদন্ডের সংখ্যা - ৩৩
১০। নেক মধ্যে সংখ্যা - ৭ টি
১১। মাঝারি কানের হাড়ের সংখ্যা - ৬
১২। মুখে হাড় #সংখ্যা - ১৪
১৩। স্কাল মধ্যে হাড় সংখ্যা - ২২
১৪। বুকে হাড় সংখ্যা - ২৫
১৫। অস্ত্র হাড় সংখ্যা - ৬
১৬। মানুষের প্রতিটি কানের ভিতরে ৩টি করে হাড় থাকে। এগুলোর নাম হলঃ ম্যালিয়াস, ইনকাস, স্টেপিস (কানের বাহির থেকে ভিতরের দিকে সিরিয়াল অনুযায়ী। মনে রাখার সূত্র: MIS।)
২ কানে মোট ৬ টি হাড় থাকে। এগুলোর মধ্যে স্টেপিস হল মানব দেহের ক্ষুদ্রতম হাড়।
১৭। মানুষের বাহুতে পেশীর সংখ্যা - ৭২
১৮। হৃদয়ের পাম্প সংখ্যা - ২
১৯। বৃহত্তম #অঙ্গ - চামড়া
২০। বৃহত্তম গ্রান্তি - লিভার
২১। ছোট কোষ - রক্তের কোষ
২২। বৃহত্তম #কোষ - ডিম সেল (ডিম্ব)
২৩। ছোট হাড় - স্ট্যাপ
২৪। সর্বাধিক #ধমনী - বারোটাবারোটা
২৫। আমাদের দেহের রক্তে একটি সমুদ্রের সম পরিমাণ লবন রয়েছে।
২৬। দৈনিক আমাদের হৃদপিণ্ড ১০০বার করে আমাদের দেহে রক্ত ঘুরিয়ে ফিরিয়ে প্রবাহিত করে।
২৭। আমাদের চোখের একটি পাপড়ি ১৫০ দিন বেঁচে থাকে। এর পর নিজে থেকেই ঝড়ে পড়ে।
২৮। আমাদের চোখের ওপর ভ্রুতে তে ৫০০ টি লোম আছে।
২৯। ১০০ বিলিয়ন এর অদিক নার্ভ সেল নিয়ে আমাদের দেহ গঠিত।
৩০। মানুষ চোখ খুলে হাঁচি দিতে পারেনা।
৩১। পাথর থেকে মানুষের দেহের হাড় ৪ গুণ বেশি শক্তিশালী।
৩২। আমরা যখন খাবার খাই আমাদের মুখে সে খাবারের স্বাদ ১০ দিন পর্যন্ত থাকে।
৩৩। মানুষ হাঁটুর ক্যাপ ছাড়া জন্মগ্রহণ করে এবং তা ২ থেকে ৬ বছর পর্যন্ত দেখা যায়না।
৩৪। মানব শিশু বসন্ত কালে দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
৩৫। আমাদের চোখ সবসময় একই রকম থাকে কিন্তু কান ও নাক বৃদ্ধি পাওয়া কখনোই থেমে থাকেনা।
৩৬। আমরা জন্মগ্রহণ করি ৩০০ হাড় নিয়ে কিন্তু প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পর আমাদের দেহে ২০৬ টি হাড় থাকে।
৩৬। আমাদের মাথার খুলি ২৬ ধরণের ভিন্ন ভিন্ন হাড় দিয়ে তৈরি।
৩৮। আমাদের হাতের নখে যেই পদার্থ আছে ঠিক সেই পদার্থ দিয়ে আমাদের চুল তৈরি হয়ে থাকে, ফলে হাত এবং চুল উভয়ই একই জিনিস তবে দুইটির ঘনত্ব আলাদা।
৩৯। অবাক হবেন না, আমরা যখন হাঁচি দেই তখন আমাদের শরীরের ভিতর সমস্ত ধরণের কাজ বন্ধ হয়ে যায় এমনকি হার্টবীটও থেমে যায়।
৪০। মানুষের দেহের সবচেয়ে শক্তিশালী পেশি হচ্ছে জিহ্বা।
৪১। একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ প্রতিদিন ৬ বার বাথরুমে যায়।
৪২। আমাদের মুখ থেকে পেটে খাদ্য পৌছাতে মাত্র ৭ সেকেন্ড সময় লাগে।
৪৩। প্রাপ্তবয়স্কদের থেকে শিশুদের মুখে যেকোন খাবারের স্বাদ থাকে বেশি।
৪৪। মানুষ হাঁচি দিলে যে বাতাস বের হয় তা প্রতি ঘণ্টায় ১০০ মাইল গতিতে বাহির হয়।
৪৫।মানব দেহের সবচেয়ে বড় হাড় হল উরুর হাড় (Thighbone)। এর নাম হল ফিমার।
৪৬। আমাদের শরীরের ক্ষুদ্রতম হাড় হল কানের হাড়।
৪৭। রাতের তুলনায় সকালে আমাদের দেহ লম্বা হয় দ্রুত।
৪৮।মুত্র প্রস্তুত হয় কিডনীতে। মুত্র হলুদ দেখায় বিলিরুবিনের জন্য।
৪৯। নার্ভের মাধ্যমে প্রবাহিত আবেগের গতি প্রতি সেকেন্ডে ১২৫ মিটার।
৫০। একজন সুস্থ মানুষের একটি হৃদ কম্পন সম্পূর্ণ হতে কত সময় ০.৪ সেকেন্ড।

Address

Rajshahi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইসলামের আলোকে চিকিৎসা বিজ্ঞান- Islamer Aloke Chikitsa Biggan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share