Tashfiya - Center for Ruqyah Shariyah

Tashfiya - Center for Ruqyah Shariyah একটি শরিয়তসম্মত রুকইয়াহ সেন্টার। পরামর্শ ও রুকইয়ার প্রয়োজনে মেসেজে কথা বলুন।

বর্তমান সমাজে বিচ্ছেদের জাদু একটা সাধারন বিষয় হয়েছে। বিচ্ছেদের জাদু ছাড়াও স্বামী স্ত্রী একে অপরের উপর বদনজরের কারনে সুখে...
28/08/2026

বর্তমান সমাজে বিচ্ছেদের জাদু একটা সাধারন বিষয় হয়েছে। বিচ্ছেদের জাদু ছাড়াও স্বামী স্ত্রী একে অপরের উপর বদনজরের কারনে সুখের সংসার ধ্বংস হয়ে যেতে পারে যারা ভুক্তভোগি তারা জানেন কি রকম অসহনীয় কস্ট পোহাতে হয়৷

কিভাবে বুজবেন আপনার সংসারে বিচ্ছেদের জাদু রয়েছে?? 👇

বিচ্ছেদের যাদুর লক্ষণসমূহ ***
০১) সামান্য বিষয় নিয়েই উভয়ের মধ্যে ব্যপক মতানৈক্য ও ঝগড়া-বিবাদ সৃষ্টি হওয়া। যদিও অন্যদের সাথে এরকম হয় না।
০২) একজনের নিকট অপরজনের সকল কাজ-কর্মই অপছন্দ হওয়া।
০৩) হঠাৎ ভালবাসা থেকে শত্রুতায় পরিবর্তিত হওয়া।
০৪) পরস্পর ক্ষমা না চাওয়া ও ক্ষমা না করা।
০৫) উভয়ের মাঝে প্রচন্ড সন্দেহের সৃষ্টি হওয়া।
০৬) স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে একজনের চেহারা অপরজনের চোখে বদলে যাওয়া।
০৭) একে অপরের ব্যবহৃত জিনিস ও বসার জায়গা অপছন্দ করা।
০৮) একে অপরের উপস্থিতি সহ্য করতে না পারা। সবসময় ভাল থাকে কিন্তু সঙ্গীর নিকট আসলেই গোলমাল শুরু। ইত্যাদি।


এর মধ্যে যদি মেজরিটি লক্ষন আপনার সাথে মিলে যায় তাহলে কমেন্টে দেয়া লিংক থেকে বদনজর ও জাদুর লক্ষন গুলো মিলিয়ে নিবেন। ৭০% এর বেশি লক্ষন মিল থাকলে কোনো রাকির তত্বাবধানে থেকে সরাসরি রুকইয়াহ করবেন সাথে নিম্নোক্ত সাজেশন ফলো করতে পারেনঃ 👇

১।স্বামী একে অপরকে সালাম দিবেন। ঘরে সালাম দিয়ে প্রবেশ করবেন। দরজা খুলার সময় বিসমিল্লাহ পড়বেন। সকাল সন্ধ্যা মাসনুন আমল দুজনেই ঠিকভাবে করবেন৷

২।পড়া পানি দিনে ২/৩ বার খাবেন৷ শোবার ঘরে পানি স্প্রে করা।
৩। মাসে অন্তত ২ বার অযুর পানির গোসল করবেন স্বামী স্ত্রী একে অপরের। জাদুর সমস্যা থাকলে বরই পাতার গোসল করবেন বিরতি দিয়ে
৪। এক প্লেটে/গ্লাসে খাবার খাবেন।
৫। ফাতিহা, তিনকুল, কুরসি, সিহরের আয়াত, বাকারা ১০২, ইমরান, ৮৩, ১০৩, রুম ২১, বাকারা ১৬৩-১৬৯, ত্বগাবুন ১০-২০ পড়বেন বেশি বেশি। ১৫-৩০ মিনিট পড়তে পারেন৷ পড়া শেষে পানি, তেল মধুতে ফু দিয়ে যথা নিয়মে ব্যবহার করবেন।

৬। অডিও শোনার ক্ষেত্রে বাকারা ১০২ নং আয়াত ১৫-২০ মিনিট শুনবেন, লুহাইদান, ঘুমের সমস্যা থাকলে ৮ সুরার রুকইয়াহ, যেদিন বরই পাতার গোসল করবেন সেদিন Sihr And Mass রুকইয়াহ শুনে এরপর গোসল করবেন, সিহরের সমস্যা থাকলে তিনকুল+ কুরসির অডিও টাও শুনতে পারেন। বাকি অন্য কোনো অডিও শুনলে রাকির পরামর্শ নিবেন।

বিস্তারিত জানতে কমেন্টের লেখাটা পড়তে পারেন 👇

দীর্ঘদিন ধরে রুকইয়াহ করছেন কিন্তু সমস্যা এক জায়গায় ঘুরপাক খাচ্ছে তাদের জন্যও কয়েকটা টিপসঃ১। সরাসরি রুকইয়াহ করা।রাকি নিজে...
26/08/2026

দীর্ঘদিন ধরে রুকইয়াহ করছেন কিন্তু সমস্যা এক জায়গায় ঘুরপাক খাচ্ছে তাদের জন্যও কয়েকটা টিপসঃ

১। সরাসরি রুকইয়াহ করা।

রাকি নিজেরা খুজে নিবেন। ভাল রাকি চেনার উপায় সম্পর্ক জানতে কবিরাজ সম্পর্ক জানতে হবে, রুকইয়াহ কি, কিভাবে করে এইগুলা জানতে হবে। সবই এখানের লেখাগুলোতে পাবেন- কমেন্টে 👇

২। ঘরে তন্ন তন্ন করে খুজে দেখতে হবে তাবিজ বা সন্দেহজনক কিছু আছে কিনা।

তাবিজ খোজার কথা বললে যেসব প্রশ্ন আসে তা হল, তাবিজ কখনো ব্যবহার করিনি/আগে করতাম ফেলে দিয়েছি/তাবিজ কিভাবে আসবে/না, না, তাবিজ নেই – এসব।
তাবিজ আছে কি নেই সেটা কথা না, তাবিজ খুজতে বলেছি খুজেন। না পাওয়া গেলেতো নাই, কিন্তু যদি পাওয়া যায়? বালিশ টিপে টিপে খুজে, তোশকের চিপায় দেখেন উলটে পালটে। আলমারির কাপড়ের ফাকে দেখেন, ওয়ারড্রোবের ভিতরে দেখেন। আপনার বাসার আশে-পাশে গাছে কিছু ঝুলছে? নামিয়ে এনে নষ্ট করেন।
কয়েকমাস আগে খুজেছিলেন? আবার খুজেন। মনে করেন, খুব দামি কিছু হারিয়েছে। সেটা যেমন তন্ন তন্ন করে খুজতেন তাবিজও সেভাবেই খুজেন। শুরু করার আগে আল্লাহর কাছে সাহায্য চান দুই রাকাত সালাত আদায় করে, যেন তিনি গোপন তাবিজ প্রকাশ্যে এনে দেন।
যারা দেয়াল ছিদ্র করে তাবিজ ঢুকিয়েছেন তারা সম্ভব হলে দেয়াল ভেঙে বের করেন। মেঝেতে যারা ঢুকিয়েছেন তারাও বের করেন। উপর দিয়ে পানি ঢেলে কতটুকু লাভ হবে আল্লাহু আলাম। দুআ করুন যেখানেই থাকুক তাবিজ বা জাদু যেন নষ্ট হয়ে যায়।

যারা সেন্টারে বসেন, তারাও এই ব্যাপারটা খেয়াল করবেন। সেলফ রুকইয়াহ করে, আপনিও রুকইয়াহ করে দেন, তারপরেও যতটুকু ইম্প্রুভ হবার কথা হচ্ছে না কেন? রোগীর আমল, আখলাক, আক্বিদাতে সমস্যা নাকি তাবিজের রয়ে গেছে?

৩। আরেকটা বিষয়, ঘর থেকে প্রানীর ছবি, পুতুল, মুর্তি বের করে দিন।

বাচ্চাদের খেলনাও বের করে দিলে ভাল। সেটা না পারলে এমন ঘরে বস্তাবন্দী করে রাখুন যেখানে সচরারচর আপনি রুকইয়াহ করেন না বা ইবাদাত করেন না।

রুকইয়াহ শুরু করে এসব খুজলেও রুকইয়াহ ১-২ মাস করার পরে আবার খুজুন। আল্লাহ চাইলে তখন হয়ত তাবিজ পাবেন যেটা আগেরবার চোখ এড়িয়ে গিয়েছে। শয়তান ভুলিয়ে দিয়েছে।

মোদ্দা কথা, সব দিক থেকে চেষ্টা করতে হবে। শয়তানকে আটকাতে হবে। আপনি যদি আশংকা করেন আপনি বাসায় না থাকলে কেউ লুকিয়ে তাবিজ রেখে যেতে পারে তাহলে বাসায় সিসি ক্যামেরা লাগান। এটা নিরাপত্তায়ও কাজে আসবে।

©Ruqyah Support bd

25/08/2026

কুফরি কাটাতে কুফরি করা লাগবে?

উত্তরঃ

বহুল প্রচলিত জঘন্য আকিদাগুলোর মাঝে এটা একটা। নিঃসন্দেহে এটা কোরআন বিরোধী আকিদা, বাস্তবতা পরিপন্থী আকিদা, মুর্খতাসুলভ কুফরি আকিদা। আমি কাউকে তাকফির করছি না, কিন্তু বাস্তবেই এটা ইসলাম বিরোধী বাতিল আকিদা।

কোরআন এর কথা হচ্ছে – “মন্দ প্রতিরোধ সেটা দিয়েই করুন, যা উত্তম। তারা যা বলে, আমি সে বিষয়ে সবিশেষ অবগত। আর বলুনঃ হে আমার পালনকর্তা! আমি শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আর হে আমার রব! তাদের উপস্থিতি থেকেও আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।” [মুমিনুন, ৯৬-৯৮]

সুতরাং আপনি যদি শয়তানি যাদুতে আক্রান্ত হন, তবে আপনার কাজ হবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া। রাসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং সাহাবায়ে কিরামও যাদুতে আক্রান্ত হয়েছে। তাঁরা তো আল্লাহর কাছে সাহায্য চেয়েছেন, শয়তানের কাছে না। সুরা ফালাকের মাঝে আল্লাহ আমাদের সেটাই শিখিয়েছেন।
“আর (আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি) গিরায় ফুঁ দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে” [আয়াত ৪]

আর বাস্তবতা এটাই, ঈমান আসবে; কুফর চলে যাবে। হক আসবে; বাতিল চলে যাবে। কোরআনের এই আয়াতটা তো সবার মুখস্ত –

وَقُلْ جَاءَ الْحَقُّ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ ۚ إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا

“বলুন, সত্য এসেছে; মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয় মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল।”

এর পরের আয়াতটা কি জানেন?

وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ شِفَاءٌ وَرَحْمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِينَ ۙ وَلَا يَزِيدُ الظَّالِمِينَ إِلَّا خَسَارًا

“আমি কোরআনে এমন বিষয় নাযিল করি যা রোগের সুচিকিৎসা এবং মুমিনের জন্য রহমত, গোনাহগারদের তো এতে শুধু ক্ষতিই বৃদ্ধি পায়..। [বানি ইসরাইল, ৮১-৮২]

সুতরাং যদি ক্ষতি থেকে বাঁচতে চান আর আল্লাহর রহমত আশা করেন, তবে কুফর থেকে দূরে থাকেন, এবং কোরআন দিয়ে রুকইয়াহ করেন।

আল্লাহ আমাদেরকে জানার, বুঝার এবং মানার তাওফিক দিক, আমিন!

আমরা সাধারনত রোগিদের ফিডব্যাক শেয়ার করিনা। কিন্তু একটা বিষয় জানানোর জন্য পোস্ট দেয়া। আমাদের অনলাইনে রুকইয়াহ সেশন নেবার ব...
23/08/2026

আমরা সাধারনত রোগিদের ফিডব্যাক শেয়ার করিনা। কিন্তু একটা বিষয় জানানোর জন্য পোস্ট দেয়া। আমাদের অনলাইনে রুকইয়াহ সেশন নেবার ব্যবস্থা নাই। তবে শর্ত সাপেক্ষে অনলাইনে রোগিদের সার্ভিস দিয়ে থাকি৷ শর্ত হলো আমাদের পুরাতন রোগি হতে হবে। কোনো রাকির কাছে সরাসরি রুকইয়াহ করা হয়েছে। রাকি রোগির পরিস্থিতি সম্পর্কে জানে এমন অবস্থায় শুধু অনলাইনে রুকইয়াহ করানো হয়। আর আমাদের কাছে একবার রুকইয়াহ করলে লাইফ টাইম ইনবক্সে/হোটসএপে যেকোন সেবা পাবেন। পরামর্শ বিনামূল্যে।

22/08/2026

আসসালামু আলাইকুম। সেন্টারের নতুন একটা নিয়ম করা হয়েছে। আগে শুধু মাত্র ইনবক্সে মেসেজের মাধ্যমের নাম ফোন নাম্বার দিলেই আমরা সিরিয়াল কনফার্ম করে রাখতাম কিন্তু ইদানিং অনেকেই সিরিয়াল নিয়ে আর খোজ খবর রাখেন না। আসেন না। এজন্য নতুন রোগিদের জন্য সিরিয়াল নিতে আমাদের বিকাশ নাম্বারে ৫০০৳ অগ্রিম দিতে হবে। তবেই আপনার সিরিয়াল কনফার্ম করে বিস্তারিত ঠিকানা দেয়া হবে। তবে পুরাতন রোগিদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়। আর এই টাকা আলাদা ফি নয়। আপনার মোট ফি যদি ২০০০ হয়। অগ্রিম ৫০০ দিবেন এবং রুকইয়াহ শেষে বাকি ১৫০০ দিবেন৷

21/08/2026

অনেক অভিভাবককে দেখা যায়, পরিক্ষার আগে ছেলে/মেয়ের যখন জিন-জাদুর সমস্যা বাড়ে, তখন সন্তানের দিকে মনযোগী হন।
এখানে সমস্যা হল, উনারা যেকোনো মূল্যে সন্তানকে পরিক্ষা দেয়ানোর জন্য ব্যাকুল থাকেন, সন্তানের সমস্যার ভালোমতো চিকিৎসা না করলে এরকম আরও অসংখ্য পরিক্ষা নষ্ট হবে, এটা বুঝতে চান না।
অনেকের দেখা যায় বহু বছরের সমস্যা, রুকইয়া বিষয়ে জেনেছেন কয়েকমাস আগে, এখন পরিক্ষা নিকটবর্তী, সুতরাং ইমার্জেন্সি কিছু যদি একটা করা যাইতো....
ভাই! এভাবে আসলে হয় না। এটা সত্য যে, সুস্থতা দেয়ার মালিক আল্লাহ, তিনি চাইলেই সুস্থ হয়ে যাবে। কিন্তু মানুষ কিছু চাইলেই আল্লাহ তা'আলা সবসময় নগদ-নগদ দেয় না, এটাও আল্লাহর নিয়ম।
আপনি সাধারণ রোগের কথাই চিন্তা করেন, দুনিয়ার কয়টা রোগ আর কয়টা রোগির ক্ষেত্রে ডাক্তার নিশ্চিত করে বলে যে, এক বছরের রোগ এই ওষুধ খেলে এক সপ্তাহের মাঝে নিশ্চিত ভালো হয়ে যাবে।
আরও অনেক আলাপ আছে। সেসব পরে ইনশাআল্লাহ।
সারকথা হল, চিকিৎসার জন্য চেষ্টা করবেন অবশ্যই। আর সবর করবেন / ধৈর্য ধরবেন। সুস্থতার জন্য তাড়াহুড়ো করলেই সব সমস্যা মিটে যায় না। দুনিয়া এত সরল না।

(কমেন্টের লেখাটা এই সমস্যায় আক্রান্তদের কাজে লাগতে পারে)
-----
Abdullah Almahmud

20/08/2026

যাদের বাচ্চা কনসিভ হচ্ছে না বা মিস ক্যারেজ জনিত সমস্যা তারা সাধারন সিহরের রুকইয়াহ এর পাশাপাশি নিম্নোক্ত সেলফ রুকইয়াহ করবেনঃ 👇
১। সূরা সাফফাত সকালে পড়বে অথবা শুনবে।
২। সূরা মাআরিজ রাতে পড়বে অথবা শুনবে।
৩। তাহমিলের রুকইয়াহ অডিও শুনবে৷
৪। কালো জিরার তেলে নিম্নের সূরাগুলো পড়ে রোগীকে দিবেঃ
সূরা ফাতেহা, আয়াতুল কুরসী, সূরা বাকারার শেষ রুকু’ সূরা আলে ইমরানের শেষ রুকু, তাহমিলের আয়াত এবং সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস। এই সমস্ত আয়াত ও সূরা পড়ে তেলে ফু দিবে এবং রোগী সেই কালো জিরার তেল দিয়ে তার বুকে কপালে ও মেরুদন্ডে শুয়ার পূর্বে মালিশ করবে।

19/08/2026

যারা নিজের শরীরের ভিতরে জ্বিনের অস্তিত্ব বুজতে পারেন। আপনাকে কস্ট দেয়। বার বার হাজির হয়। রুকইয়াহ করলেও তাও আবার আসে। তারা সুরা হাক্কাহ সম্পুর্ন টা পড়বেন বাংলা অর্থসহ। জ্বিন যাতে কঠিন শাস্তি পেয়ে শরীর থেকে চলে যায়৷ আর জ্বিন যাতে অর্থ গুলোও শুনে সেটাও নিয়তে রাখবেন৷ ইনশাআল্লাহ আশা করা হয় ভালো ফলাফল পাবেন।

জ্বিনের আক্রমণ থেকে বাচার জন্য প্রাথমিক করনীয়ঃ (যে কাজ গুলোর মাধ্যমে জ্বিনের আক্রমন বা ক্ষতি থেকে বেচে থাকতে পারবেন।  তব...
18/08/2026

জ্বিনের আক্রমণ থেকে বাচার জন্য প্রাথমিক করনীয়ঃ

(যে কাজ গুলোর মাধ্যমে জ্বিনের আক্রমন বা ক্ষতি থেকে বেচে থাকতে পারবেন। তবে এসব মেনে চলার পরেও যদি জ্বিন সংক্রান্ত সমস্যা হয় তাহলে রাকির তত্বাবধানে রেখে সরাসরি + সেলফ রুকইয়াহ করতে হবে)

১। জামা’আতে নামাজ আদায় করা। তাহাজ্জুদ পড়া। এই দুটি আপনার আত্মিক শক্তি বৃদ্ধি করে।

২। গানবাজনা থেকে বিরত থাকা।

৩। সর্বদা পাকপবিত্র থাকা। বিশেষত: ঘুমের আগে অযু করে বিছানায় যাওয়া।

৪। ঘুমের আগে আয়াতুল কুরসি এবং সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পড়া।

৫। সব কাজে বিসমিল্লাহ বলা, বিশেষত: খাবার সময় এবং ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করতে। এছাড়া উঁচু থেকে লাফ দেয়ার সময়, কিছু ফেলার সময়, অন্ধকারে কিছু করার সময়ও বিসমিল্লাহ বলা ভালো।

৬। কুকুর – বিড়াল না মারা, সাপ মারতে চাইলে আগে জোর আওয়াজে ৩বার বলা “জ্বিন হলে চলে যাও..”

৭। কোনো গর্তে প্রসাব না করা। হাদিসে এব্যাপারে পরিষ্কার নিষেধাজ্ঞা আছে।

৮। ঘরে প্রবেশের এবং বের হওয়ার দোয়া পড়া, দোয়া না জানলে অন্তত বিসমিল্লাহ বলা।

৯। সন্ধ্যার সময় ঘরের জানালা বন্ধ করা, বাচ্চাদের বাহিরে বের হতে না দেয়া। সন্ধ্যার কিছুক্ষণ পর বাচ্চাদের বের হতে কিংবা জানালা খুলতে পারেন।

১০। স্ত্রী সহবাসের পুর্বে অবশ্যই দু’আ পড়া। বিয়ের প্রথম রাতের দোয়াটি পড়া।

১১। টয়লেটে ঢোকার সময় দু’আ পড়া।

১২। প্রতিদিন “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা-শারীকালাহ, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হ্ামদ, ওয়াহুওয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বদীর” ১০০বার পড়া। একশতবার না হলে, অন্তত সকাল – সন্ধ্যায় ১০বার করে পড়া।

১৩। সকাল সন্ধ্যার অন্যান্য মাসনুন আমলগুলো নিয়মিতভাবে গুরুত্বসহকারে প্রতিদিন করা। নিয়ত করা।

১৪। সুরা ইখলাস ফালাক নাস, তথা তিনকুল-এর আমল গুরুত্ব সহকারে করা। আয়েশা সিদ্দীকা রা. থেকে এব্যাপারে চল্লিশটিরও বেশি সনদে বর্ণিত হয়েছে, রাসুল সা. জীবনের শেষ পর্যন্ত এর আমল করেছেন।আমল হলো, রাসূল সা. প্রতিরাতে ঘুমানোর পূর্বে সূরা ইখলাস তিনবার, সূরা ফালাক তিনবার ও সূরা নাস তিনবার পড়ে দুইহাতের তালুতে ফুঁ দিতেন। ফুঁ এর সাথে হালকা থুতু বেরিয়ে আসতো। এরপর সমস্ত শরীরে হাত বুলিয়ে নিতেন।

17/08/2026

যারা একবার হলেও জ্বিন, জাদুতে আক্রান্ত হয়েছেন। তারা সুরা বাকারা কে আপন করে নেন। প্রতিদিন অন্তত ৫-১০ আয়াত করে হলেও পড়বেন৷ প্রতিনিয়ত পড়তে থাকবেন । যাতে ৩/৭/১০/১৫ দিনে একবার শেষ হয়৷ আবার শুরু করবেন আবার শেষ দিবেন৷ এভাবে চালাতে থাকেন। ৬ মাস পর লাইফে মিরাকেল দেখবেন।

Address

Northern Mor, Adorsho School Theke (vodrar Dike Jete) 100m Uttore Bus Garage Er Pechone
Rajshahi
6000

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Telephone

+8801326040006

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tashfiya - Center for Ruqyah Shariyah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share