Dr.Saad-Homeopath

Dr.Saad-Homeopath "আন্তরিক সেবা এবং দ্রুত সুস্থতায় আমার লক্ষ্য"
মোল্লা হোমিও হল
আসাদুল্লাহ মার্কেট; নওদাপাড়া, রাজশাহী
Dr.Saad(Classical Homeopath.) Chronic case specialist.

Reg:40834

বিশ্বাস না থাকলে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিয়ে অযথা সময় নষ্ট করবেন না।

জীবনের প্রায় ৩৫ বছর বিদেশের মাটিতে কাজ করেছেন। এই দীর্ঘ সময়ে দেশে ফিরেছেন মাত্র কয়েকবার। পরিশ্রম করেছেন, অর্থ উপার্জন কর...
25/08/2026

জীবনের প্রায় ৩৫ বছর বিদেশের মাটিতে কাজ করেছেন। এই দীর্ঘ সময়ে দেশে ফিরেছেন মাত্র কয়েকবার। পরিশ্রম করেছেন, অর্থ উপার্জন করেছেন, বাড়ি-জমি ও সম্পদ করেছেন। হয়তো ভেবেছিলেন, একদিন সবকিছু গুছিয়ে পরিবারের কাছে ফিরে আসবেন।
কিন্তু জীবন সবসময় আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী চলে না।
পঞ্চমবার দেশে ফিরলেন, তবে এবার একজন ক্যান্সার রোগী হিসেবে।
রোগীর রিপোর্টগুলো দেখলাম। CT-guided FNAC রিপোর্টে লিভারে একাধিক SOL-এর কথা উল্লেখ আছে এবং cytopathology impression-এ “Suggestive of Well Differentiated HCC” লেখা হয়েছে। অর্থাৎ লিভারের একটি গুরুতর ও জীবন-হুমকিপূর্ণ ম্যালিগন্যান্সির সঙ্গে তিনি লড়াই করছেন।
ইতোমধ্যে প্রায় দুই বছর বিভিন্ন চিকিৎসা নিতে গিয়ে পরিবারটি আর্থিকভাবেও অনেকটা চাপে পড়ে গেছে। সেই অবস্থায় তিনি আমার কাছে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার জন্য এসেছেন।
রিপোর্টগুলো একের পর এক দেখলাম, রোগীর বর্তমান অবস্থা বুঝতে চেষ্টা করলাম। সত্যি বলতে, এই পর্যায়ে দাঁড়িয়ে আমি রোগীকে মিথ্যা আশ্বাস দেওয়ার পক্ষপাতী নই।
আমি তাকে পরিষ্কারভাবে বুঝিয়েছি, এটি একটি গুরুতর ক্যান্সারের অবস্থা। হোমিওপ্যাথি দিয়ে ক্যান্সার ভালো হয়ে যাবে, এমন নিশ্চয়তা দেওয়া আমার পক্ষে দায়িত্বশীল হবে না।
আমার দিক থেকে মূল লক্ষ্য হবে supportive care, অর্থাৎ রোগীর বর্তমান কষ্ট ও উপসর্গগুলো যতটা সম্ভব নিয়ন্ত্রণে রেখে তার জীবনযাত্রার মান ভালো রাখার চেষ্টা করা। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় ক্যান্সার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ও প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়াটাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একজন চিকিৎসকের কাছে রোগীকে শুধু আশা দেখানোই দায়িত্ব নয়।
কখন কোথায় নিজের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করতে হবে, সেটাও চিকিৎসারই অংশ।
৩৫ বছর বিদেশে কাটিয়ে শেষ বয়সে একজন মানুষ যখন নিজের দেশে ফিরে আসেন, তখন তার সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয় নিরাপদ চিকিৎসা, সহানুভূতি এবং সত্য কথা বলার একজন মানুষ।
আল্লাহ তাকে কষ্ট থেকে মুক্তি দিন, তার জন্য যা কল্যাণকর সেটিই সহজ করে দিন এবং তার পরিবারকে ধৈর্য দান করুন। 🤲
রোগীর পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে। রিপোর্ট সংযুক্ত করা হলো।

25/08/2026

আমি যতই সফলতা খুঁজি ততই জটিল কঠিন রোগী আমার কাছে আসে। যশোর থেকে ঢাকা ডেমরাতে দেখাতে আসছে।

১২টা ২১ বাজে, ঢাকা যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছি...এই ছবিটা হয়তো খুব সাধারণ একটি মুহূর্ত। কিন্তু এর পেছনে আমার জন্য অনেক দিনে...
24/08/2026

১২টা ২১ বাজে, ঢাকা যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছি...
এই ছবিটা হয়তো খুব সাধারণ একটি মুহূর্ত। কিন্তু এর পেছনে আমার জন্য অনেক দিনের অভিজ্ঞতা, পরিশ্রম আর কিছু কঠিন উপলব্ধি আছে।
সত্যি কথা বলতে, যতগুলো রোগী আমি বাইরে গিয়ে দেখি, যত বেশি জায়গায় চেম্বার করি, তার চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতি হয় আমার নিজের শরীরের।
এখন হয়তো প্রশ্ন আসতে পারে,
“তাহলে এত কষ্ট করে বাইরে যান কেন?”
সত্যি বলতে, আমিও নিজেকে অনেকবার এই প্রশ্ন করেছি। এখনো এর একদম সন্তোষজনক উত্তর খুঁজে পাইনি।
তবে একটা বিষয় বুঝতে পেরেছি, চিকিৎসক হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতা বাড়াতে গিয়ে আমি অনেক কিছু শিখেছি। অনেক রোগীর উপকার করতে পেরেছি, আবার অনেক রোগীর ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত ফল দিতে পারিনি। প্রতিটি রোগী আমাকে নতুন কিছু শিখিয়েছে, নতুনভাবে ভাবতে শিখিয়েছে।
কিন্তু এর মাঝখানে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছি নিজের শরীরের।
ইতোমধ্যে আমি চারটি চেম্বার বন্ধ করে দিয়েছি। কারণ এখন বুঝতে পারছি, শুধু বেশি রোগী দেখা বা বেশি জায়গায় চেম্বার করাই একজন চিকিৎসকের সফলতার মাপকাঠি নয়।
একজন রোগীকে সময় দেওয়া, তার কথা মন দিয়ে শোনা, তার কেস নিয়ে চিন্তা করা এবং নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ চেষ্টা করা, আমার কাছে সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
হয়তো সামনে আরও কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। কারণ চিকিৎসা করতে গিয়ে যদি নিজের শরীরটাই ভেঙে যায়, তাহলে দীর্ঘদিন মানুষের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব হবে না।
জীবনের এই পর্যায়ে এসে একটা জিনিস বুঝেছি, রোগীর জন্য যতটা দায়িত্বশীল হওয়া দরকার, নিজের শরীরের প্রতিও ততটাই দায়িত্বশীল হওয়া দরকার।
ঢাকার উদ্দেশ্যে আবারও রওনা হয়েছি।
দোয়া করবেন, আল্লাহ যেন আমাকে সুস্থ রাখেন এবং মানুষের উপকার করার তৌফিক দেন। 🤲
#চিকিৎসকজীবন #চিকিৎসক #হোমিওপ্যাথি #মানবসেবা #চিকিৎসার_অভিজ্ঞতা

24/08/2026

নখ অতিরিক্ত বৃদ্ধি পেলে Cal.F- 200 চিন্তা করতে পারেন।

24/08/2026

যার নাই কোন গতি সে-খায় হোমিওপ্যাথি এটাই বাস্তব কথা।

আজ আপনাদের সঙ্গে এমন একজন রোগীর গল্প শেয়ার করছি, যিনি আমার দীর্ঘ প্রায় এক যুগের প্র্যাকটিস জীবনে দেখা রোগীদের মধ্যে সত...
23/08/2026

আজ আপনাদের সঙ্গে এমন একজন রোগীর গল্প শেয়ার করছি, যিনি আমার দীর্ঘ প্রায় এক যুগের প্র্যাকটিস জীবনে দেখা রোগীদের মধ্যে সত্যিই ব্যতিক্রমী।

রোগীর বয়স ৩৩ বছর। বিবাহিত জীবনের বয়স প্রায় ৭ বছর। এই দাম্পত্য জীবনে তাদের দুটি সন্তান—দুই ছেলে। চাকরির সূত্রে তাকে কিছুটা দূরে থাকতে হয়। সপ্তাহে দুবার বাড়িতে আসার সুযোগ হয়।

দুই সন্তানের প্রতি তার অগাধ ভালোবাসা। সন্তানদের নিয়ে তার কোনো অভিযোগ নেই। সংসারেও বড় ধরনের কোনো অশান্তি নেই। এমনকি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে নিয়মিত ঝগড়া-বিবাদও নেই।

কিন্তু গত প্রায় এক বছর ধরে তিনি নিজের মধ্যে একটি অদ্ভুত পরিবর্তন লক্ষ্য করছেন।

তিনি বললেন—

“আমি আমার স্ত্রীকে ভালো রাখার জন্য অনেকভাবে চেষ্টা করছি। কিন্তু কোনোভাবেই তার প্রতি আমার আগের মতো মন বসছে না। তার দিকে তাকালেও ভালো লাগে না, তার কথা চিন্তা করলেও ভেতর থেকে একটা অনীহা তৈরি হয়।”

আমি জানতে চাইলাম—এর পেছনে কি কোনো পুরোনো অভিমান আছে? কোনো মানসিক কষ্ট? দাম্পত্য জীবনে কোনো বড় ধরনের মনোমালিন্য? কোনো ঘটনা, যা আপনার মনে গভীর আঘাত দিয়েছে?

তার উত্তর ছিল—

“না। আমাদের সংসারে তেমন কোনো সমস্যা নেই। এমনকি গত কয়েক বছরে আমাদের মধ্যে দু-একবার কথা কাটাকাটি হয়েছে কি না, সেটাও আমার ঠিক মনে পড়ে না।”

তাহলে সমস্যাটা কোথায়?

রোগী বললেন, তিনি যখন দূর থেকে বাড়িতে আসেন, তখন স্ত্রীকে তিনি যেভাবে দেখতে চান—পরিপাটি, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, নিজের প্রতি যত্নশীল—সেভাবে সবসময় দেখতে পান না।

তিনি স্ত্রীকে বিষয়টি একাধিকবার বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তার মনে হয়েছে, স্ত্রী তার কথাগুলোকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন না।

আর ধীরে ধীরে সেখান থেকেই তার ভেতরে একটি মানসিক দূরত্ব তৈরি হতে শুরু করেছে।

একসময় যে মানুষটির প্রতি স্বাভাবিক টান ছিল, তার প্রতিই এখন অনীহা তৈরি হচ্ছে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—রোগী নিজেও তার এই পরিবর্তনকে স্বাভাবিক বলে মেনে নিতে পারছেন না।

তিনি বুঝতে পারছেন, এই পরিবর্তন যদি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তাহলে তার নিজের সংসার এবং দুই সন্তানের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

এই আশঙ্কা থেকেই তিনি ইতোমধ্যে একজন সাইকিয়াট্রিস্টের পরামর্শ নিয়েছেন। তার স্ত্রীও তার সঙ্গে গিয়েছেন। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে—হরমোনাল পরীক্ষা, ভিটামিন-ডি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়ও দেখা হয়েছে। কিছু রিপোর্টে পরিবর্তন পাওয়া গেছে এবং সে অনুযায়ী চিকিৎসাও চলছে।

কিন্তু তারপরও তার মনের সেই পরিবর্তন পুরোপুরি কাটছে না।

এখানেই এই রোগীর বিষয়টি আমার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

কারণ তিনি নিজের সমস্যাটিকে উপভোগ করছেন না; বরং তিনি নিজের মধ্যকার পরিবর্তনকে নিয়ে সচেতন এবং ভীত।

তিনি চান না, তার মানসিক অস্থিরতা কোনোদিন তাকে এমন কোনো সিদ্ধান্তের দিকে নিয়ে যাক, যার কারণে তার সন্তানদের জীবন অন্ধকার হয়ে যায় কিংবা তার নিজের সংসার ভেঙে যায়।

আমার কাছে রোগীর এই সচেতনতা অত্যন্ত মূল্যবান মনে হয়েছে।

তবে দাম্পত্য জীবনের একটি বিষয় এখানে বিশেষভাবে মনে রাখা দরকার—একটি সম্পর্ক কখনো এক পক্ষের চেষ্টায় দীর্ঘদিন ভালো থাকে না। স্বামী যেমন স্ত্রীর প্রতি যত্নশীল হবেন, স্ত্রীও তেমনি স্বামীর মানসিক চাহিদা, অনুভূতি, ভালো লাগা ও প্রত্যাশাগুলোকে গুরুত্ব দেবেন।

বাইরের পৃথিবীতে আমরা নিজেদের যেভাবে উপস্থাপন করি, ঘরের মানুষটির প্রতিও যত্ন, পরিচ্ছন্নতা, সৌজন্য, সম্মান এবং আকর্ষণ ধরে রাখার চেষ্টা ততটাই গুরুত্বপূর্ণ।

আবার এটাও সত্য—শুধু স্ত্রীকে দোষ দিয়ে এই সমস্যার সমাধান হবে না। একজন স্বামীকেও নিজের প্রত্যাশা, মানসিকতা, আচরণ এবং দাম্পত্য সম্পর্কে নিজের ভূমিকা নিয়ে ভাবতে হবে।

কারণ সংসার আসলে দুজন মানুষের প্রতিদিনের যত্নে টিকে থাকে।

আমার চেম্বারেও অনেক সময় দেখেছি, স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে এসেছেন। স্বামী একটি কথা বলছেন, কিন্তু তার উত্তর দিতে গিয়ে স্ত্রী এমনভাবে রূঢ় আচরণ করছেন যে স্বামী ধীরে ধীরে কথা বলতেই অস্বস্তি বোধ করছেন।

আবার এর বিপরীত ঘটনাও রয়েছে—স্বামী স্ত্রীর অনুভূতিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না, নিজের চাহিদাকেই সবকিছুর ওপরে রাখছেন।

দুটিই সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর।

আর সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো—যখন স্বামী বা স্ত্রী নিজের দাম্পত্য জীবনের সমস্যার কথা সঙ্গীর সঙ্গে আলোচনা না করে বাইরে অন্য কারও কাছে মানসিক আশ্রয় খুঁজতে শুরু করেন, তখন একটি ছোট সমস্যা ধীরে ধীরে বড় বিপর্যয়ে পরিণত হতে পারে।

তাই সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার আগে সম্পর্কটাকে বোঝার চেষ্টা করা জরুরি।

এই রোগীর সম্পূর্ণ ইতিহাস নেওয়ার পর আমার কাছে বিশেষভাবে লক্ষণীয় ছিল—তার মধ্যে কোনো প্রবল কামনামূলক বা পরকীয়ামুখী চিন্তার প্রবণতা নেই। বরং সে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে, পরিবারকে বোঝানোর চেষ্টা করছে এবং নিজের মানসিক পরিবর্তন থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছে।

তার ভেতরে একটি চাপা কষ্ট কাজ করছে—সে নিজেকে পরিবর্তন করতে চাইছে, কিন্তু একা পারছে না।

রোগীর সামগ্রিক লক্ষণ, মানসিক অবস্থা এবং কেসের অন্যান্য দিক বিবেচনা করে আমি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার দৃষ্টিকোণ থেকে Ignatia-কে প্রেসক্রিপশনের জন্য বিবেচনা করেছি।

তবে এখানে একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে বলা জরুরি—

শুধু ওষুধ দিয়ে একটি দাম্পত্য সম্পর্কের সব সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়।

ওষুধ রোগীর উপসর্গ ও মানসিক অবস্থার ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন রোগীর নিজের সচেতনতা, স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক বোঝাপড়া, সম্মান, যোগাযোগ এবং প্রয়োজনে পেশাদার দাম্পত্য/মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শ।

আমার কাছে এই রোগীর সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো—

সংসার ভাঙার আগে মানুষ যদি নিজের ভেতরের পরিবর্তনটাকে চিনতে পারে, সাহায্য চাইতে পারে এবং নিজেকে থামানোর চেষ্টা করে—তাহলে সেটাই অনেক বড় সচেতনতার পরিচয়।

দুটি সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে একজন বাবা নিজের সমস্যাকে লুকিয়ে না রেখে চিকিৎসা ও সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছেন—এই জায়গাটিই আমাকে সবচেয়ে বেশি ভাবিয়েছে।

কারণ সব দাম্পত্য সমস্যার শুরু বড় কোনো ঝগড়া দিয়ে হয় না।

কখনো কখনো শুরু হয় খুব ছোট একটি অভিমান থেকে,
তারপর তৈরি হয় মানসিক দূরত্ব,
আর সেই দূরত্ব যদি সময়মতো বোঝা না যায়—একদিন সেটিই একটি পরিবারের জন্য বড় সংকটে পরিণত হতে পারে।

তাই সম্পর্কের সমস্যাকে ছোট করে দেখবেন না।
কথা বলুন, একে অপরকে বুঝুন, প্রয়োজনে সাহায্য নিন।
কারণ একটি সুন্দর সংসার শুধু ভালোবাসায় নয়—যত্ন, সম্মান, বোঝাপড়া এবং সচেতনতার ওপরও দাঁড়িয়ে থাকে।

— রোগীর পরিচয় ও ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রেখে কেসটি শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে উপস্থাপন করা হলো।

প্রতাপচন্দ্র মজুমদার স্যারের বইয়ের কিছু অংশ এইটা; কি লেখনি তার বাংলা বই গুলোর মধ্যে অনেক নামিদামি বই আছে, তার মধ্যে এই ...
21/08/2026

প্রতাপচন্দ্র মজুমদার স্যারের বইয়ের কিছু অংশ এইটা; কি লেখনি তার বাংলা বই গুলোর মধ্যে অনেক নামিদামি বই আছে, তার মধ্যে এই বইটা অন্যতম।

অনেক রোগী বলেন,শরীর চুলকালেই চুলকানোর জায়গায় লাল দাগ হয়ে যায়। কখনও দাগটা ফুলে ওঠে, আবার কিছুক্ষণ পর নিজে থেকেই চলে যায়। ...
19/08/2026

অনেক রোগী বলেন,
শরীর চুলকালেই চুলকানোর জায়গায় লাল দাগ হয়ে যায়। কখনও দাগটা ফুলে ওঠে, আবার কিছুক্ষণ পর নিজে থেকেই চলে যায়। অথচ রক্তের সব রিপোর্টই নরমাল!
এ ধরনের উপসর্গকে অবহেলা করা উচিত নয়। অনেক ক্ষেত্রে এর সঙ্গে Dermographism (Dermographic urticaria) বা এক ধরনের physical urticaria-এর সম্পর্ক থাকতে পারে।
Dermographism কী?
Dermographism-এর অর্থ হলো, ত্বকে সামান্য আঁচড়, ঘর্ষণ বা চাপ পড়ার পর সেই জায়গায় লালচে, উঁচু এবং চুলকানিযুক্ত দাগ তৈরি হওয়া।
অর্থাৎ, স্বাভাবিক ত্বকে যেখানে শুধু সামান্য চুলকানো হওয়ার কথা, সেখানে scratching-এর পর স্পষ্ট রেখার মতো লাল বা উঁচু দাগ দেখা দিতে পারে।
অনেক সময় কয়েক মিনিটের মধ্যেই দাগ তৈরি হয় এবং কিছুক্ষণ পর আবার মিলিয়ে যায়।

18/08/2026

একটু খেয়াল করেন; যে ব্যক্তি ৫০ কেজি চালের বস্তা কিনতে পারে সে কিন্তু ঐ চালের বস্তা মাথায় নিতে পারে না।
আর যে এক সাথে ৫০ কেজি চাল কিন্তু পারে না সে কিন্তু ঠিক-ই মাথায় নিতে পারে।

সামর্থ্য আর সক্ষমতা এক জিনিস নয়। আপনি যে জায়গায় শক্তিশালী, অন্য কেউ হয়তো সেখানে দুর্বল। কিন্তু এমন কোনো জায়গা অবশ্যই আছে, যেখানে আপনি তার চেয়ে দুর্বল।
জীবন কাউকে সবকিছু দেয় না। প্রত্যেক মানুষকেই কোনো না কোনোভাবে অসম্পূর্ণ রেখেই পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছে।
তাই অহংকার নয়, পারস্পরিক সম্মানই হওয়া উচিত সামাজিক জীবনের ভিত্তি।

14/08/2026

বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, বউকে যদি মাসে ১০ টাকা দেন তাহলে, নিজের জন্যও ১ টাকা করে রেখে দেন।
দিন শেষে বউ ঠিক থাকবে আপনিও ঠিক থাকবেন।

Address

Airport Road
Rajshahi
6203

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Saad-Homeopath posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dr.Saad-Homeopath:

Shortcuts

Share