Rajshahi Physiotherapy And Rehabilitation Center

Rajshahi Physiotherapy And Rehabilitation Center Rajshahi Physiotherapy And Rehabilitation is a leading provider of Physical Therapy, in Rajshahi

Here at Rajshahi Physiotherapy And Rehabilitation Center Orthopedic and Sports Physical Therapy (RPARC), we believe in treating our patients, not just their injuries. Our licensed Physical Therapists customize individual recovery plans, using the most state-of-the-art technology and practices to get patients performing better than ever. We start off with a one-on-one evaluation to address your inj

ury or change in physical function. Then we get to work increasing your strength and flexibility, quickly getting you back to your previous level of activity while preventing further and recurring injuries. As a Physical Therapist owned and operated company, we pride ourselves on our unique ability to customize treatments to meet the needs of each individual patient.

HAPPY NEW YEAR TO ALL
05/01/2022

HAPPY NEW YEAR TO ALL

বাবা শব্দটা অনেক আদরের, অনেক ভালবাসার। যাদের বাবা বেঁচে নেই, শুধু তারাই জানে বাবার অপুর্নতা কোনদিন পুরন হবার নয়। অনেক ভা...
21/06/2020

বাবা শব্দটা অনেক আদরের, অনেক ভালবাসার। যাদের বাবা বেঁচে নেই, শুধু তারাই জানে বাবার অপুর্নতা কোনদিন পুরন হবার নয়। অনেক ভালবাসতাম আপনাকে কোনদিন বলতে পারিনি। মহান রাব্বুল আলামিন আপনাকে জান্নাত বাসী করুন। আমিন।

08/04/2020

সবাই সচেতন হই, সবাই সাবধানে থাকি। নিজের পরিবার, নিজের প্রতিবেশী সর্বপরি আমাদের দেশের কথা চিন্তা করে, নিজ নিজ বাড়ীতে অবস্থান করি। করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় রাষ্ট্রকে সহযোগিতা করি।

21/02/2020

আজ মহান ২১শে ফেব্রুয়ারি। সমগ্র বাঙালির অহংকার।
সশ্রদ্ধ সালাম সকল ভাষা সৈনিকদের প্রতি।

10/04/2019
17/03/2019

ইচ্ছেমতো ওষুধ খাচ্ছেন, পরিণাম জানেন তো?

আমাদের ব্যস্ত জীবনে নিজেকে নিয়ে ভাবার সময় খুব কম। এদিক সেদিক আপনাকে দৌড়াতে হয়, শরীরের দিকে একমদই যত্ন হয় না। অনিয়ম আর বেখেয়ালে শরীর ভেঙে পড়তে থাকে, বিভিন্ন ব্যথা, জড়তা শরীরে বাসা বাঁধে। খাওয়া-ঘুম সময়মতো এবং পর্যাপ্ত হয় না বলেই শারীরিক সমস্যা চলতেই থাকে। সমস্যা হলো, ভুগতে ভুগতে ভাবলেন আপনি তো পিছিয়ে পড়ছেন। তখনই মনে হলো আপনার চিকিৎসা দরকার। চিকিৎসকের কাছে যেতে হলে সময় দরকার, টাকাপয়সাও খরচ করতে হবে। আর চিকিৎসক যে ওষুধ দেবে তা তো আপনিও জানেন। ফলে কী করলেন, নিজেই ফার্মেসি থেকে কিনে ইচ্ছামতো পাতাভরে ওষুধ খেয়ে ফেললেন। হয়ত সুস্থবোধ হলো, ফলাফলটা কী হলো সেটা কি ভাবলেন?
এই যে না বুঝে শুনে ব্যথা হলে, জ্বর হলে, সর্দিকাশি বা উচ্চরক্তচাপে নিজে ওষুধ কিনে খাওয়ার অভ্যাস আমাদের অনেকেরই। যখন তখন যেকোনো ওষুধ খেয়ে বসলে রোগ না কমে বরং বেড়ে যেতে পারে। একজন চিকিৎসকই ভালো করে বলতে পারবেন যে কোন ওষুধের কী কাজ, সেটা কাকে কখন দেওয়া যাবে। নিজে ওষুধ খেলে এসব বিবেচনা করা সম্ভব নয়। তাই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার আশঙ্কাও বেশি। ব্যথার ওষুধ না জেনে খেলে শরীরের অন্দরে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। এই ওষুধই কখনো বিষ হয়ে ধরা দেবে, টের পাবেন না।
কী কী সমস্যা হতে পারে
আমরা ভাবি ভিটামিন ‘এ’ বা কৃমির ওষুধ নিজে থেকে খেলে বুঝি কিছু হয় না। কিন্তু এগুলোর মতো সাধারণ ওষুধ গর্ভের শিশুর মারাত্মক ক্ষতি করে। লিভারের রোগীর জন্য প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ হতে পারে মারাত্মক ক্ষতির কারণ।
মোটা হয় না বলে অনেকেরই অনেক কষ্ট থাকে। মোটা হওয়ার জন্য স্টেরয়েড ওষুধ ধান অনেকে। এর ফলে মারাত্মক কুশিং সিনড্রোমে (কর্টিসল হরমোনের নিয়ন্ত্রণহীন বৃদ্ধির ফলে উদ্ভূত সকল সমস্যা) আক্রান্ত হন। এটা বয়ে বেড়াতে হয়। আবার হুট করে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই ওষুধ বন্ধ করে দিলেও অনেক বিপদ হতে পারে।
গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় আন্দাজে দিনের পর দিন ওষুধ খেয়েই চলেছেন। কিন্তু সাধারণ গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ ওমিপ্রাজল না বুঝে এক বছরের বেশি খেলে অস্টিওপোরোসিস বা হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এছাড়া এটি পাকস্থলীতেও সমস্যা করতে পারে। আলসার, ডায়রিয়ার মতো সমস্যা বেশি হয় আপনার অজান্তেই।
জ্বর-সর্দি আর গায়ে ব্যথায় প্যারাসিটামল সবাই ই খায়। প্যারাসিটামলের মূল নাম এসিটামিনোফ্যান, বড় কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই৷ কিন্তু যখন তখন বেশি করে খেলে এটি যকৃৎ অকার্যকর করে দিতে পারে। যাদের আগে থেকে যকৃতে সমস্যা আছে, মদ্যপান বেশি করেন, অন্যান্য ওষুধ খান- তাঁদের জন্য এই প্যারাসিটামল বিপর্যয় আনতে পারে। বিভিন্ন ব্যথার রোগীরা নিয়মিত ব্যথানাশক খান। এতে কিডনি বিকল হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ব্যথানাশকে পাকস্থলীর আলসার হয়, রক্তক্ষরণও হতে পারে।

হাড় ক্ষয় কমাতে আর হাড় মজবুত করতে ক্যালসিয়াম খাওয়ার প্রবণতা আমাদের রয়েছে। বিশেষ করে মধ্যবয়স্ক ও বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে। কিন্তু ক্যালসিয়াম দীর্ঘদিন খাওয়ার ফলে হৃদরোগ-স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়তে পারে, কিডনিতে পাথরও হতে পারে।
আবার এমন অনেক ধরনের ওষুধ আছে যেগুলো না বুঝে খেলে রক্তচাপ বেড়ে যায়, স্ট্রোকের সম্ভাবনা বাড়ে। এছাড়াও এমন অনেক ওষুধ আছে যেগুলো না জেনে খেলে অ্যালার্জি হতে পারে।
মাথায় রাখুন কিছু বিষয়
১. বিশেষ অবস্থায় (যেমন গর্ভাবস্থায়, লিভার বা কিডনির রোগে) সাধারণ ওষুধ বা প্রেসক্রিপশন ছাড়া পাওয়া যায়, তাও চিকিৎসকের পরামর্শেই ব্যবহার করতে হবে। শুধু ফার্মাসিস্টের কাছ থেকে ওষুধ কেনা উচিৎ। কেনার সময়ে আগে মেয়াদ দেখে নিন।
২. চিকিৎসক ওষুধের যে নিয়ম বলে দেবেন (কতটুকু ওষুধ খেতে হবে, সেটা কতক্ষণ পরপর, কতদিন খেতে হবে, খাবার আগে না পরে খাবেন) তা মেনে ওষুধ খাবেন। ব্যবস্থাপত্র ছাড়াও সেটা অন্য কোথাও আপনার বোঝার সুবিধার্থে সহজ করে লিখে রাখুন। অন্যের সাহায্য নিতে পারেন। নিজে থেকে ওষুধের কোনো মাত্রাই পরিবর্তন করবেন না।
৩. অনেকে একবার চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র নিয়ে বার বার সেটা দেখিয়ে ফার্মেসি থেকে ওষুধ কেনেন। এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে যে, প্রথম ব্যবস্থাপত্রে যে ওষুধ যতদিন খেতে বলা হয়েছে, ততদিনই খাওয়া যাবে। আবার সেই একই অসুখ হলেও ঐ ওষুধ কাজ নাও করতে পারে।
৪. সামান্য রোগে উতলা হয়ে ব্যথা বা যন্ত্রণা কমাতে ওষুধ খেয়ে নেবেন না। আর রোগ সেরে গেছে ভেবে ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া যাবে না। সুস্থ হয়ে গেলেও ওষুধের পুরো কোর্স সম্পন্ন করতে হবে। কোনো সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
৫. একই সঙ্গে অ্যালোপ্যাথিক বা অন্যান্য পদ্ধতির চিকিৎসা চললে তা চিকিৎসককে অবশ্যই জানাবেন। আর যে ওষুধ যেভাবে সংরক্ষণ করতে বলা হবে, সেভাবেই করবেন। ফ্রিজে বা নির্দিষ্ট তাপমাত্রা উল্লেখ করে দিলে সেভাবেই রাখবেন।

05/11/2017

ফিজিও (শারিরীক) এবং থেরাপি (চিকিৎসা) শব্দ দুটি মিলে ফিজিওথেরাপি বা শারিরীক চিকিৎসার সৃস্টি। শুধুমাত্র ঔষধ সব রোগের পরিপুর্ণ সুস্থতা দিতে পারে না। বিশেষ করে বিভিন্ন মেকানিক্যাল সমস্যা থেকে যে সব রোগের সৃষ্টি হয়, তার পরিপুর্ণ সুস্থতা লাভের উপায় ফিজিওথেরাপি। প্রাচীন গ্রীসে হিপোক্রেটাস ম্যাসেজ ও ম্যানুয়াল থেরাপি দ্বারা ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার সূচনা করেছিলেন। যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য ১৯৭২ সালে বিদেশী ফিজিওথেরাপিষ্ট দ্বারা স্বাধীন বাংলাদেশে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার সূচনা হয়। একজন ফিজিওথেরাপিস্ট রোগীর স্বাস্থ্য সমস্যা (প্রধানত বাত-ব্যথা, আঘাত জনিত ব্যথা, প্যারালাইসিস ইত্যাদি) নির্ণয় করে চিকিৎসা দেন। . ফিজিওথেরাপি পদ্ধতি-- -ম্যানুয়াল থেরাপি -ম্যানিপুলেটিভ থেরাপি -মোবিলাইজেশন -মুভমেন্ট উইথ মোবিলাইজেশন -থেরাপিউটিক এঙ্ারসাইজ -ইনফিলট্রেশন বা জয়েণ্ট ইনজেকশন -পশ্চারাল এডুকেশন -আরগোনমিক্যাল কনসালটেন্সী -হাইড্রোথেরাপি -ইলেকট্রোথেরাপি বা অত্যাধুনিক মেশিনের সাহায্যে চিকিৎসা। -কিছু কিছু ক্ষেত্রে ড্রাগ্স বা ঔষধ। . কাদেরকে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা দেওয়া হয়— যারা নিম্নোক্ত স্বাস্থ্যগত সমস্যায় ভুগছেন, তাদের ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা দেওয়া হয়। ১।বাত-ব্যথা ২। কোমড় ব্যথা ৩। ঘাড় ব্যথা ৪। হাঁটু অথবা গোড়ালীর ব্যথা ৫। আঘাত জনিত ব্যথা ৬। হাড় ক্ষয় জনিত রোগ। ৭। জয়েন্ট শক্ত হয়ে যাওয়া ৮। স্ট্রোক ৯।প্যারালাইসিস জনিত সমস্যায় ১০।মুখ বেঁকে যাওয়া বা ফেসিয়াল পালসি ১১। বিভিন্ন ধরনের অপারেশন পরবর্তী সমস্যায় ১২। আইসিইউ (ওঈট) তে অবস্থানকারী রোগীর জন্য ১৩। পা বাঁকা (ক্লাবফিট) ১৪। গাইনোকলজিক্যাল সমস্যায় ১৫। সেরিব্রাল পলসি (প্রতিবন্ধী শিশু) ১৬। বার্ধক্যজনিত সমস্যা।

18/10/2017

কখন দরকার ফিজিওথেরাপি?
ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার সূচনা
ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা নতুন কোনো চিকিৎসা পদ্ধতি নয়। প্রাচীন গ্রিসে হিপোক্রেটাস ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার সূচনা করেছিলেন, ম্যাসেজ ও ম্যানুয়াল থেরাপির মাধ্যমে। খ্রিস্টপূর্ব ৪৬০ সালে চিকিৎসাবিদ হেক্টর ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার একটি শাখা ব্যবহার করতেন- যাকে বর্তমানে হাইড্রোথেরাপি বলা হয়। তথ্য-উপাত্ত অনুসারে ১৮৯৪ সালে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার বর্তমান ধারা অর্থাৎ ম্যানুয়াল থেরাপি, ম্যানিপুলেটিভ থেরাপি, এক্সারসাইজ থেরাপি, হাইড্রোথেরাপি, ইলেক্ট্রোথেরাপি ইত্যাদি চিকিৎসার প্রবর্তন করা হয়। নিউজিল্যান্ডে ১৯১৩ এবং আমেরিকাতে ১৯১৪ সালে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা শুরু হয়।
বাংলাদেশে ফিজিওথেরাপি
যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য ১৯৭২ সালে বিদেশি ফিজিওথেরাপিস্টদের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার সূচনা হয়। ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার গুরুত্ব অনুধাবন করে ১৯৭৩ সালে আরআইএইচডি (বর্তমানে নিটোর) ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার ওপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা অনুষদের অধীনে স্মাতক ডিগ্রি চালু করে (এমবিবিএস ও বিডিএস একই অনুষদের অধিভুক্ত)। বর্তমানে নিটোর, সিআরপি, স্টেট কলেজ অব হেলথ সায়েন্সসহ সাতটি ইনস্টিটিউটে ফিজিওথেরাপি গ্র্যাজুয়েশন কোর্স চালু রয়েছে।
কেন এই ফিজিওথেরাপি
আমরা যদি আমাদের শরীরের বিভিন্ন রোগের কথা চিন্তা করি তাহলে দেখতে পাব, শুধু ওষুধ সব রোগের পরিপূর্ণ সুস্থতা দিতে পারে না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ওষুধের পাশাপাশি যেমন অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়, তেমনি কিছু রোগে ওষুধের পাশাপাশি ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে যেসব রোগের উৎস বিভিন্ন মেকানিক্যাল সমস্যা ও ডিজেনারেটিভ বা বয়সজনিত সমস্যা, সেসব ক্ষেত্রে ওষুধের ভূমিকা তুলনামূলকভাবে কম।
যেমন : বাতের ব্যথা, স্পোর্টস ইনজুরি, হাড়ের ক্ষয়জনিত ব্যথা, সারভাইক্যাল ও লাম্বার স্পন্ডাইলোসিস, ডিস্ক প্রলেপস, অস্টিও-আরথ্রাইটিস, ফ্রোজেন সোল্ডার বা জয়েন্ট শক্ত হয়ে যাওয়া, প্লাস্টার বা অস্ত্রোপচার পরবর্তী জয়েন্ট স্টিফনেসস, স্ট্রোক জনিত প্যারালাইসিস, ফেসিয়াল নার্ভ প্যারালাইসিস বা বেলস পালসি, সেরেব্রাল পালসি বা সিপি বাচ্চা ইত্যাদি। এসব রোগ হতে পরিপূর্ণ সুস্থতা লাভের জন্য ওষুধের পাশাপাশি ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা প্রয়োজন।
ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক
ফিজিওথেরাপিতে শুধু ব্যাচেলর অথবা পোস্ট গ্রাজুয়েশন ডিগ্রিধারীকেই ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক বলা যাবে। যিনি কমপক্ষে ফিজিওথেরাপি ব্যাচেলর ডিগ্রি (চার বছর কোর্স + ১ বছর ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন) নিয়েছেন। একজন কোয়ালিফাইড ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক রোগীর রোগ নির্ণয় সহকারে চিকিৎসাসেবা দিতে পারবেন।
যেসব রোগে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা প্রয়োজন
- বাতের ব্যথা
- কোমড় ব্যথা
- ঘাড় ব্যথা
- হাঁটু ও গোড়ালির ব্যথা
- আঘাতজনিত ব্যথা
- ডিস্ক প্রলেপস-জনিত ব্যথা
- সায়াটিকা
- হাড় ক্ষয়জনিত ব্যথা
যেমন- সারভাইক্যাল ও লাম্বার স্পন্ডাইলোসিস, অস্টিও-আরথ্রাইটিস।
- জয়েন্ট শক্ত হয়ে যাওয়া বা ফ্রোজেন সোল্ডার
- প্লাস্টার বা অপারেশন পরবর্তী জয়েন্ট স্টিফনেসস
- স্ট্রোক-জনিত প্যারালাইসিস
- স্পাইনাল কর্ড ইনজুরি বা অন্য কারণে প্যারালাইসিস-জনিত সমস্যা
- মুখ বেঁকে যাওয়া বা ফেসিয়াল পালসি
- বিভিন্ন ধরনের অপারেশন পরবর্তী সমস্যায়
আইসিইউতে অবস্থানকারী রোগীর জন্য
- জন্মগত বাঁকা পা বা ক্লাবফিট
- গাইনোকলজিক্যাল সমস্যায় সেরিব্রাল পলসি (প্রতিবন্ধী শিশু)
- অ্যানকাইলজিং স্পন্ডাইলাইটিস
- পারকিন্সন ডিজিজ
- বার্ধক্যজনিত সমস্যা ইত্যাদি চিকিৎসার ক্ষেত্রে ও পুনর্বাসন সেবায় ফিজিওথেরাপির ভূমিকা অপরিসীম।
ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা পদ্ধতি
একজন ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক রোগীর রোগ বর্ণনা, ফিজিক্যাল টেস্ট, ফিজিওথেরাপিউটিক স্পেশাল টেস্ট, প্রয়োজন সাপেক্ষে বিভিন্ন রেডিওলজিক্যাল টেস্ট এবং প্যাথলজিক্যাল টেস্টের মাধ্যমে রোগ নির্ণয় বা ডায়াগনোসিস করে থাকেন।
এরপর রোগীর সমস্যানুযায়ী চিকিৎসার পরিকল্পনা অথবা ট্রিটমেন্ট প্লান করেন এবং সেই অনুযায়ী নিম্নোক্ত পদ্ধতিতে ফিজিওথেরাপি সেবা প্রদান করে থাকেন।
যেমন-
- ম্যানুয়াল থেরাপি
- ম্যানিপুলেটিভ থেরাপি
- মোবিলাইজেশন
- মুভমেন্ট উইথ মোবিলাইজেশন
- থেরাপিউটিক এক্সারসাইজ
- ইনফিলট্রেশন বা জয়েন্ট ইনজেকশন
- পশ্চারাল এডুকেশন
- আরগোনমিক্যাল কনসালটেন্সি
- হাইড্রোথেরাপি
- ইলেকট্রোথেরাপি বা অত্যাধুনিক মেশিনের সাহায্যে চিকিৎসা
( যেমন: UST,SWD,IFT,MWD,TENS, IRR, Auto-Traction ইত্যাদি )
কিছু কিছু ক্ষেত্রে ড্রাগস বা ওষুধও ব্যবহার করতে হয়।
কোথায় ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা নিবেন?
বাংলাদেশে প্রতিদিন গড়ে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু এর মধ্যে শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ সঠিক ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা পায় না এবং অপচিকিৎসার শিকার হন। আমাদের দেশে এই চিকিৎসাসেবাটি বিভিন্ন মহলের অপপ্রচার (ব্যায়াম ও স্যাক) ও অপব্যবহারের (কোয়ালিফাইড ফিজি

12/10/2017

Physical therapy is evaluation and treatment to help you prevent injury or to help you recover from disability caused by an injury, a disease ...

Address

Rajshahi
6000

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 12:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801717853057

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rajshahi Physiotherapy And Rehabilitation Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Rajshahi Physiotherapy And Rehabilitation Center:

Share