Nutritionist Jakia Akbar

Call Directions Website

Nutritionist Jakia Akbar Committed to promoting wellness through evidence-based dietary guidance.

Nutritionist Jakia Akbar
Certified dietitian in Rangpur, specializing in personalized nutrition plans for managing diabetes, PCOS, obesity, hypertension, and digestive disorders.

আপনার উত্তরটি কমেন্টে জানিয়ে দিন.....
27/09/2026

আপনার উত্তরটি কমেন্টে জানিয়ে দিন.....

শরীর অনেক সময় ছোট ছোট সংকেতের মাধ্যমে ভেতরের সমস্যার ইঙ্গিত দেয়—সেগুলো বারবার হলে অবহেলা করবেন না।
27/09/2026

শরীর অনেক সময় ছোট ছোট সংকেতের মাধ্যমে ভেতরের সমস্যার ইঙ্গিত দেয়—সেগুলো বারবার হলে অবহেলা করবেন না।

“মানুষ ভাবে তার জীবন থেমে গেছে;অথচ অনেক সময় স্রষ্টা তাকে থামিয়ে দেন—যাতে সে ভুল পথে আরও দূরে চলে না যায়।"
27/09/2026

“মানুষ ভাবে তার জীবন থেমে গেছে;
অথচ অনেক সময় স্রষ্টা তাকে থামিয়ে দেন—যাতে সে ভুল পথে আরও দূরে চলে না যায়।"

অনেকের সকালের নাস্তায় থাকে— ১টি সেদ্ধ ডিম + ১ কাপ চা।ডিম অবশ্যই পুষ্টিকর একটি খাবার। এতে থাকে উচ্চমানের প্রোটিন, ভিটামিন...
27/09/2026

অনেকের সকালের নাস্তায় থাকে— ১টি সেদ্ধ ডিম + ১ কাপ চা।
ডিম অবশ্যই পুষ্টিকর একটি খাবার। এতে থাকে উচ্চমানের প্রোটিন, ভিটামিন B12, কোলিন, সেলেনিয়ামসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান।
তবে সমস্যা হতে পারে চায়ের সময়ের কারণে।
চায়ে থাকা পলিফেনল/ট্যানিন জাতীয় যৌগ খাবারের সঙ্গে গ্রহণ করা হলে
বিশেষ করে নন-হিম আয়রনের শোষণ কমাতে পারে। ডিমের আয়রনের একটি অংশও এই প্রভাবের
আওতা ভুক্ত।
তাই ডিম খাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে চা খাওয়ার অভ্যাসটি এড়িয়ে চলা ভালো, বিশেষ করে যাদের আয়রনের ঘাটতি, অ্যানিমিয়া বা আয়রনের প্রয়োজন বেশি।
✅ ডিমের সঙ্গে রাখতে পারেন— • সবজি
• রুটি/আটার খাবার
• ফল
• অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার
☕ আর চা খেতে চাইলে খাবারের সঙ্গে না খেয়ে কিছুটা সময় বিরতি রেখে খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন।
মনে রাখবেন:
চায়ের কিছু উপাদান নির্দিষ্ট পুষ্টি, বিশেষ করে
আয়রনের শোষণে প্রভাব ফেলে।
সুস্থ খাবার শুধু কী খাচ্ছেন তা নয়—কখন এবং কীসের সঙ্গে খাচ্ছেন, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ।

— পুষ্টিবিদ জাকিয়া আকবর
পুষ্টিবিদ ও কনসালটেন্ট ডায়েটিসিয়ান

অনেক বাবা-মা বলেন—“আমার বাচ্চার ওজন তো ঠিকই আছে, কিন্তু বয়স অনুযায়ী Height কম কেন?”এখানে শুধু ওজন দেখলেই হবে না। শিশুর g...
27/09/2026

অনেক বাবা-মা বলেন—
“আমার বাচ্চার ওজন তো ঠিকই আছে, কিন্তু বয়স অনুযায়ী Height কম কেন?”
এখানে শুধু ওজন দেখলেই হবে না। শিশুর growth pattern বুঝতে কয়েকটি বিষয় একসাথে দেখতে হয়।
একবারের মাপের চেয়ে সময়ের সঙ্গে শিশুর বৃদ্ধির ধারা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
এক্ষেত্রে শিশুর খাবারের যে বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন-
১ খাবারের গুণগত মান কেমন?
পরিমাণ ঠিক থাকলেও খাবারে পর্যাপ্ত Protein, iron, zinc, calcium, vitamin D, vitamin B12সহ প্রয়োজনীয় micronutrients আছে কি না দেখতে হবে।
শুধু ভাত/দুধ/মিষ্টি বা calorie-rich খাবার দিয়ে শিশুর পুষ্টির চাহিদা পূরণ নাও হতে পারে।
২. শিশুর খাবারে Protein যথেষ্ট আছে কি?
ডিম, মাছ, মাংস, ডাল, দুধ/দুগ্ধজাত খাবারসহ বয়স উপযোগী protein source নিয়মিত আছে কি না দেখা জরুরি।
৩. ঘুম ও শারীরিক কার্যক্রম কেমন?
পর্যাপ্ত ও নিয়মিত ঘুম এবং বয়স উপযোগী active play শিশুর সামগ্রিক growth ও development-এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
৪. বারবার অসুস্থ হয় কি না?
বারবার ডায়রিয়া, দীর্ঘদিনের পেটের সমস্যা, ক্ষুধামন্দা, chronic infection বা অন্য কোনো দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা থাকলে growth প্রভাবিত হতে পারে।
৫. পরিবারের Height কেমন?
বাবা-মায়ের Height এবং পরিবারের growth pattern-ও বিবেচনা করা হয়। কিছু শিশু স্বাভাবিকভাবেই তুলনামূলক খাটো হতে পারে এবং সেটি সবসময় কোনো রোগের লক্ষণ নয়।
৬. প্রয়োজন হলে চিকিৎসাগত কারণও খুঁজতে হবে
যদি Height খুব কম হয়, growth velocity কমে যায়, growth chart-এ ধারাবাহিকভাবে নিচের দিকে চলে যায় অথবা শিশুর অন্য কোনো লক্ষণ থাকে—তাহলে শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা যেতে পারে।
মনে রাখবেন
“ওজন ঠিক আছে” মানেই “শিশুর পুষ্টি ও growth পুরোপুরি ঠিক আছে”—এমন নয়।
শিশুর Weight + Height/Length + BMI/Weight-for-height + growth velocity + খাবার + ঘুম + সামগ্রিক স্বাস্থ্য—সবকিছু একসাথে বিবেচনা করেই শিশুর growth মূল্যায়ন করা উচিত।
আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—
একবার Height কম দেখেই ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই।
নিয়মিত মাপুন, growth chart-এ রাখুন এবং শিশুর growth-এর ধারাটি পর্যবেক্ষণ করুন।

— পুষ্টিবিদ জাকিয়া আকবর
পুষ্টিবিদ ও কনসালটেন্ট ডায়েটিশিয়ান
ডক্টরস ডায়াগনস্টিক সেন্টার ইউনিট ২
ধাপ ৮ তলা মসজিদ সংলগ্ন, রংপুর।
সিরিয়াল: 01774405690
#শিশুরবৃদ্ধি #শিশুরউচ্চতা #শিশুরপুষ্টি #শিশুরওজন #শিশুরখাদ্য #শিশুরখাবার #শিশুরঘুম #পুষ্টিবিদজাকিয়াআকবর #পুষ্টিবিদ #কনসালটেন্টডায়েটিশিয়ান #রংপুর

26/09/2026

এক মাসে ৬ কেজি ওজন কমিয়েছেন—তাও তিনি একজন ল্যাক্টেটিং মা!
অনেকেই মনে করেন, বাচ্চাকে বুকের দুধ
খাওয়ানোর সময় ডায়েট করলে মায়ের দুধ কমে
যাবে, বাচ্চা পর্যাপ্ত পুষ্টি পাবে না বা মায়ের শরীর
দুর্বল হয়ে যাবে।
আসলে বিষয়টি হলো—ল্যাক্টেটিং মায়ের ডায়েট মানে না খেয়ে থাকা বা
অতিরিক্ত ক্যালরি কমিয়ে দেওয়া নয়।
মায়ের ও শিশুর পুষ্টির চাহিদা ঠিক রেখে, সঠিক
খাবারের গঠন ও পরিমাণ নির্ধারণ করে
নিরাপদভাবে ওজন কমানো সম্ভব।
বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় মায়ের অতিরিক্ত শক্তি ও পুষ্টির প্রয়োজন থাকে। এই সময়ে মায়ের অতিরিক্ত ক্যালরি চাহিদা থাকে প্রায়
৩৩০ কিলোক্যালরি থেকে প্রায় ৫০০ কিলোক্যালরি/দিন—তবে ব্যক্তিভেদে প্রয়োজন ভিন্ন হতে পারে।
তাই ওজন কমানোর সময় গুরুত্ব দিতে হবে—
✅ পর্যাপ্ত প্রোটিন ও পুষ্টিকর খাবার
✅ শাকসবজি, ফল ও সম্পূর্ণ শস্য
✅ পর্যাপ্ত পানি ও তরল
✅ প্রয়োজন অনুযায়ী স্বাস্থ্যকর ফ্যাট
✅ অতিরিক্ত মিষ্টি, ভাজাপোড়া ও অপ্রয়োজনীয়
ক্যালরি কমানো
✅ পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও সামর্থ্য অনুযায়ী শারীরিক
কার্যক্রম
❌ ক্র্যাশ ডায়েট বা দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা নয়
লক্ষ্য শুধু ওজন কমানো নয়—মায়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখা এবং শিশুর জন্য পর্যাপ্ত
বুকের দুধ ও পুষ্টি নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
এই রোগী আমার তত্ত্বাবধানে এক মাসে ৬ কেজি
ওজন কমিয়েছেন।
প্রতিটি মায়ের প্রয়োজন আলাদা, তাই ল্যাক্টেটিং
অবস্থায় ওজন কমানোর পরিকল্পনাও হওয়া উচিত
ব্যক্তিভেদে।
সঠিক পুষ্টি পরিকল্পনা থাকলে—মা সুস্থ থাকবেন, শিশুর পুষ্টিও ঠিক থাকবে।

— পুষ্টিবিদ জাকিয়া আকবর
ও কনসালটেন্ট ডায়েটিশিয়ান
ডক্টরস ডায়াগনস্টিক সেন্টার ,ইউনিট ২
ধাপ ৮ তলা মসজিদ সংলগ্ন, রংপুর।
সিরিয়াল নাম্বার: ০১৭৭৪৪০৫৬৯০

#ল্যাক্টেটিংমাদার #মাতৃপুষ্টি #বুকেরদুধ #বুকেরদুধখাওয়ানো #ওজনকমানো #পুষ্টিবিদ #পুষ্টিবিদজাকিয়াআকবর

এই একটা ফুলের জন্য শরৎ কালটা এত সুন্দর।
26/09/2026

এই একটা ফুলের জন্য শরৎ কালটা এত সুন্দর।

“মিষ্টির জন্য আপনার এত craving কেন হয়, জানেন?”অনেকেই বলেন—“আমি ঠিক করি মিষ্টি খাব না, কিন্তু কিছুক্ষণ পর আবার মিষ্টি খেত...
25/09/2026

“মিষ্টির জন্য আপনার এত craving কেন হয়,
জানেন?”
অনেকেই বলেন—
“আমি ঠিক করি মিষ্টি খাব না, কিন্তু কিছুক্ষণ পর
আবার মিষ্টি খেতে খুব ইচ্ছে করে!”
এটা সবসময় শুধু মিষ্টির প্রতি ভালোবাসা বা ইচ্ছাশক্তির অভাব নয়। আপনার খাবারের ধরন, খাবারের সময়, ঘুম ও
দৈনন্দিন অভ্যাস—সবকিছুর সঙ্গেই এর সম্পর্ক থাকতে পারে।
১. অনেকক্ষণ না খেয়ে থাকা
দীর্ঘ সময় খাবার না খেলে ক্ষুধা অনেক বেড়ে যেতে
পারে। তখন শরীর দ্রুত শক্তি পাওয়ার জন্য মিষ্টি বা বেশি
কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবারের প্রতি আকর্ষণ অনুভব
করতে পারে।
২. খাবারে প্রোটিন কম থাকা
প্রোটিন খাবারকে তুলনামূলকভাবে বেশি সময় পেট
ভরা রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের খাবারে পর্যাপ্ত প্রোটিন না থাকলে দ্রুত
আবার ক্ষুধা লাগতে পারে এবং তখন মিষ্টি বা snack-এর প্রতি craving বাড়তে পারে।
তাই শুধু ভাত/রুটি নয়—খাবারে ডিম, মাছ, মাংস, ডাল, দুধ/দই বা অন্যান্য উপযুক্ত protein source রাখাও
গুরুত্বপূর্ণ।
৩. খাবারের গঠন অসমতল হওয়া
শুধু চা-বিস্কুট, মিষ্টি, জুস বা refined carbohydrate দিয়ে দিনের খাবার চালালে পেট ভরা থাকার অনুভূতি কম সময় স্থায়ী হতে পারে।
একটি balanced meal-এ কার্বোহাইড্রেট + প্রোটিন + শাকসবজি/ফাইবার + প্রয়োজন অনুযায়ী স্বাস্থ্যকর ফ্যাট থাকা
বেশি সহায়ক।
৪. ঘুম কম হওয়া
কম ঘুম ক্ষুধা ও appetite regulation-এ প্রভাব
ফেলতে পারে। ফলে পরদিন বেশি ক্ষুধা, snack-এর প্রতি আকর্ষণ বা মিষ্টি খাবারের craving অনুভূত হতে পারে।
৫. অভ্যাস ও emotional eating
কাজের ফাঁকে মিষ্টি, মন খারাপ হলে chocolate,
চায়ের সঙ্গে বিস্কুট—এভাবে বারবার খেতে খেতে মস্তিষ্ক নির্দিষ্ট সময় বা
পরিস্থিতির সঙ্গে খাবারটিকে associate করে ফেলতে পারে।
তখন শারীরিক ক্ষুধা না থাকলেও মিষ্টি খেতে ইচ্ছে
হতে পারে।
তাহলে কী করবেন?
✅ দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকবেন না
✅ প্রতিটি প্রধান খাবারে পর্যাপ্ত প্রোটিন রাখুন
✅ শাকসবজি, ডাল ও অন্যান্য ফাইবারযুক্ত খাবার
বাড়ান
✅ অতিরিক্ত মিষ্টি পানীয় ও refined snacks কমান
✅ পর্যাপ্ত ঘুমের চেষ্টা করুন
✅ craving হলে আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন—
“আমি কি সত্যিই ক্ষুধার্ত, নাকি অভ্যাস/স্ট্রেস/ঘুমের ঘাটতির কারণে খেতে ইচ্ছে করছে?”

তবে বারবার মিষ্টি খেতে ইচ্ছে করলেই যে আপনার
ডায়াবেটিস বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স আছে, এমনটা
ধরে নেওয়া ঠিক নয়। অন্যান্য উপসর্গ, খাদ্যাভ্যাস ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য
পরীক্ষা বিবেচনা করে কারণ খুঁজে দেখা উচিত।
মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছাকে জোর করে দমন করার
চেয়ে _কেন craving হচ্ছে, সেটি বোঝা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

— পুষ্টিবিদ জাকিয়া আকবর
পুষ্টিবিদ ও কনসালটেন্ট ডায়েটিশিয়ান
ডক্টরস ডায়াগনস্টিক সেন্টার ইউনিট ২
ধাপ আট তলা মসজিদ সংলগ্ন, রংপুর।
সিরিয়াল নাম্বার: ০১৭৭৪৪০৫৬৯০
#মিষ্টিরCraving #মিষ্টি #খাদ্যাভ্যাস #পুষ্টি #পুষ্টিবিদজাকিয়াআকবর

25/09/2026

কিছু রোগীর ফিরে আসা শুধু একটা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নয়…
এটা একজন পুষ্টিবিদের জন্য অনেক বড় পাওয়া।
কিছুদিন আগে তিনি আমার কাছে এসেছিলেন ওজন কমাতে এবং কনসিভের প্রস্তুতি নিতে।
আমার পরামর্শ অনুযায়ী পুষ্টিকর ও সুষম খাবার খেয়ে তিনি আলহামদুলিল্লাহ ওজন কমিয়েছিলেন।
এরপর আল্লাহর রহমতে তাঁর কনসিভ হয়।
আজ তাঁর সেই ছোট্ট সন্তান ৬ মাস পার করেছে।
বাচ্চা হওয়ার পর নিজের রুটিনে কিছুটা পরিবর্তন হওয়ায় ওজন আবার বেড়েছে। তাই আজ তিনি আবার এসেছেন—নিজের স্বাস্থ্য ও ওজনকে নতুন করে গুছিয়ে নিতে।
কিন্তু আজকের সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্ত ছিল, যখন তিনি আগের দিনের কথা বলতে বলতে নিজের অনুভূতিটা প্রকাশ করছিলেন—
কীভাবে ওজন কমানোর সেই যাত্রার পর আল্লাহর রহমতে তাঁর জীবনে এসেছে মাতৃত্বের সবচেয়ে সুন্দর উপহার।
তাঁর মুখে সেই অনুভূতি শুনে মনে হলো—
একজন পুষ্টিবিদের জন্য এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কী হতে পারে!
আলহামদুলিল্লাহ।
একজন মানুষের সুস্থতার যাত্রায় পাশে থাকতে পারা, আর পরে তাকে তার ছোট্ট সন্তানকে নিয়ে আবার নিজের যত্নের জন্য ফিরে আসতে দেখা—এটাই আমার কাজের সবচেয়ে সুন্দর আনন্দগুলোর একটি।

পুষ্টিবিদ জাকিয়া আকবর
ডক্টরস ডায়াগনস্টিক সেন্টার ইউনিট ২
ধাপ ৮ তলা মসজিদ সংলগ্ন, রংপুর।
সিরিয়াল নাম্বার:01774405690

#পুষ্টিবিদজাকিয়াআকবর #৬মাসেরশিশু #শিশুরবাড়তিখাবার #সুষমখাদ্য #স্বাস্থ্যকরজীবন #ওজনকমানো #পুষ্টিপরামর্শ

আজ চেম্বারে আমার সর্বকনিষ্ঠ পেশেন্ট এসেছিল।বয়স মাত্র কয়েক মাস—উদ্দেশ্য একটাই, কীভাবে সঠিকভাবে প্রথম খাবার শুরু করবে, কী ...
24/09/2026

আজ চেম্বারে আমার সর্বকনিষ্ঠ পেশেন্ট এসেছিল।
বয়স মাত্র কয়েক মাস—উদ্দেশ্য একটাই, কীভাবে সঠিকভাবে প্রথম খাবার শুরু করবে, কী খাবে, কতটুকু খাবে—সেই বিষয়ে পরামর্শ নেওয়া।
সত্যি বলতে, শিশুর প্রথম খাবার শুরু করা নিয়ে
অনেক মায়েরই দুশ্চিন্তা থাকে।
“কোন খাবার দিয়ে শুরু করব?”
“ভাত দেব নাকি খিচুড়ি?”
“ফল আগে দেব, নাকি ডিম?”
“কতটুকু খাবে?”
“খাবার মুখে নিয়ে ফেললে কী করব?”
“খাবার গিলতে না পারলে?”
“অ্যালার্জি হবে না তো?”
তাই আজকের পোস্টটি বিশেষ করে ৬ মাস বয়সের
কাছাকাছি শিশুর Complementary Feeding বা
পরিপূরক খাবার শুরু করার সময় মায়েদের জন্য।
প্রথম কথা—৬ মাস পর্যন্তWHO ও UNICEF-এর সুপারিশ অনুযায়ী, শিশুকে প্রথম ৬ মাস শুধু
বুকের দুধ দেওয়াই সুপারিশকৃত; ৬ মাস পূর্ণ হলে
বুকের দুধের পাশাপাশি পরিপূরক খাবার শুরু করা হয়। বুকের দুধ এরপরও চালিয়ে যেতে হবে—২ বছর বা তারও বেশি সময়, মা ও শিশুর ইচ্ছা
অনুযায়ী।
তবে শিশুর জন্ম যদি সময়ের আগে হয়, বৃদ্ধি কম
থাকে বা অন্য কোনো বিশেষ স্বাস্থ্য সমস্যা থাকে,
তাহলে কখন ও কীভাবে খাবার শুরু হবে—তা শিশুর চিকিৎসক/পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী ঠিক করা ভালো।
৬ মাসে খাবার শুরু করবেন কীভাবে?
প্রথম দিন থেকেই বড় বাটি খাবার খাওয়ানোর
প্রয়োজন নেই।
শিশুর জন্য এটি খাবার খাওয়ার পাশাপাশি একটি
নতুন দক্ষতা শেখার সময়।
প্রথমে অল্প পরিমাণ দিয়ে শুরু করুন—যেমন ১–২ টেবিল চামচ নরম খাবার। ধীরে ধীরে শিশুর আগ্রহ ও সক্ষমতা অনুযায়ী
পরিমাণ বাড়বে।
শুরুতে কী দিতে পারেন?
একটি নির্দিষ্ট খাবার দিয়েই শুরু করতে হবে—এমন কোনো বাধ্যতামূলক নিয়ম নেই। বরং ধীরে ধীরে বিভিন্ন খাদ্যগোষ্ঠীর খাবার পরিচয়
করানো গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ—
🥣 নরম খিচুড়ি
🥔 ভালোভাবে সেদ্ধ ও ম্যাশ করা আলু/মিষ্টি আলু
🥕 সেদ্ধ সবজি ম্যাশ
🍌 কলা ম্যাশ
🥚 ভালোভাবে রান্না করা ডিমের কুসুম
🐟 কাঁটামুক্ত মাছ
🍗 নরম ও ভালোভাবে রান্না করা মাংস
🫘 ডাল/ডালজাতীয় খাবার
🥛 চিনি ছাড়া টক দই
🌾 বিভিন্ন শস্যজাত খাবার
শুধু ভাত-মিশ্রিত খাবারেই সীমাবদ্ধ না থেকে প্রোটিন,
শাকসবজি, ফল, শস্য ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের বৈচিত্র্য
তৈরি করা ভালো।
🥚 ডিম বা অ্যালার্জি হতে পারে এমন খাবার কি
বাদ দেবেন?
এখানে অনেক মায়ের একটি ভুল ধারণা আছে—
“ডিম, মাছ, বাদাম জাতীয় খাবার পরে দেব, বাচ্চা
একটু বড় হলে।”
বর্তমান গাইডলাইনে অ্যালার্জি-সৃষ্টিকারী খাবার অযথা দীর্ঘদিন পিছিয়ে দেওয়ার
পরামর্শ নেই। প্রায় ৬ মাস থেকে বয়স-উপযোগীভাবে ডিম, মাছ, গম, চিনাবাদাম/বাদামজাত খাবার ইত্যাদি পরিচয় করানো যেতে
পারে। নতুন অ্যালার্জেন একবারে অল্প পরিমাণে দিয়ে
শিশুর প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করতে হবে।
তবে শিশুর severe eczema, পূর্বের food allergy বা allergy-এর বিশেষ ঝুঁকি থাকলে নিজে থেকে পরীক্ষা না
করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
শুধু পিউরি খাওয়ালেই হবে?
না।
শুরুতে খাবার নরম, ম্যাশড বা পিউরি ধরনের হতে
পারে। কিন্তু শিশুর দক্ষতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে texture ধীরে
ধীরে পরিবর্তন করা গুরুত্বপূর্ণ।
নরম ম্যাশ → একটু ঘন/লাম্পি → নরম ছোট টুকরা → বয়স ও দক্ষতা
অনুযায়ী finger food।
WHO শিশুর বয়স ও খাওয়ার দক্ষতা অনুযায়ী
খাবারের texture ও variety ধীরে ধীরে বাড়ানোর
কথা বলে।
কারণ খাওয়া শুধু পেট ভরানোর বিষয় নয়—শিশু একই সঙ্গে চিবানো, গিলতে শেখা, খাবারের
texture বোঝা এবং নিজে খাওয়ার দক্ষতাও তৈরি
করছে।
“খাবার না খেলে জোর করে খাওয়াব?”
না।
এখানেই আসে Responsive Feeding।
শিশু ক্ষুধার সংকেত দিলে খাবার দিন এবং পেট
ভরে গেলে তার সংকেতকে সম্মান করুন।
শিশু মুখ বন্ধ করছে, মাথা ঘুরিয়ে নিচ্ছে বা খাবারে
আগ্রহ হারাচ্ছে—তাহলে জোর না করে বিরতি দিন।
খাবার নিয়ে যুদ্ধ নয়, খাবারের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক
তৈরি করাই লক্ষ্য।
WHO শিশুকে ধীরে, ধৈর্যসহকারে খাওয়ানো এবং
জোর না করার পরামর্শ দেয়।
দিনে কতবার?
WHO-এর নির্দেশনা অনুযায়ী—
৬–৮ মাস: দিনে প্রায় ২–৩ বার complementary food
৯–২৩ মাস: দিনে ৩–৪ বার খাবার; প্রয়োজন অনুযায়ী nutritious
snacks যোগ করা যেতে পারে।
তবে শুরুতে শিশুর খাবারের পরিমাণ ওগ্রহণক্ষমতা
অনুযায়ী ধীরে ধীরে এগোতে হবে।
কোন খাবারগুলো এড়িয়ে চলবেন?
❌ ১২ মাসের আগে মধু নয়—infant botulism-এর ঝুঁকি থাকে।
❌ খাবারে অতিরিক্ত লবণ বা চিনি যোগ করার
প্রয়োজন নেই।
❌ ১২ মাসের আগে গরুর দুধ প্রধান পানীয়
হিসেবে নয়। তবে বয়স উপযোগী খাবারে রান্না/মিশ্রণের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে।
❌ জুস, কোমল পানীয়, মিষ্টি পানীয়—শিশুর প্রয়োজন নেই।
❌ পুরো বাদাম, গোটা আঙুর, শক্ত কাঁচা গাজর/আপেল, popcorn, বড় মাংসের টুকরা, চামচভর্তি
peanut butter—এসব choking hazard হতে পারে।
Choking-এর বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ
শিশু যখন খাবে—
✅ সোজা হয়ে বসিয়ে খাওয়াবেন
✅ সবসময় নজরে রাখবেন
✅ খাবার বয়স ও দক্ষতা অনুযায়ী নরম/উপযুক্ত আকারে দেবেন
✅ মাছ-মাংসের কাঁটা/হাড় সম্পূর্ণ সরাবেন
✅ শক্ত খাবার নরম করে দেবেন
✅ খাওয়ার সময় শিশুকে একা রাখবেন না।
Gagging আর choking এক জিনিস নয়, তবে
শিশুর খাবার নিরাপত্তা সম্পর্কে বাবা-মায়ের যথেষ্ট
ধারণা থাকা অত্যন্ত জরুরি।
মায়েদের জন্য আমার ছোট্ট পরামর্শ
প্রথম খাবার শুরু করার সময় “আমার বাচ্চা
কতটুকু খেল?”—এর চেয়ে “বাচ্চা কী কী খাবারের সঙ্গে পরিচিত
হচ্ছে?”—এটাও গুরুত্বপূর্ণ।
আজ দুই চামচ খেল, কাল হয়তো এক চামচ খেল—এতে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই।
খাবার শুরু করার প্রথম দিকে শিশুর লক্ষ্য শুধু
পেট ভরানো নয়;
খাবারের স্বাদ, গন্ধ, texture, চিবানো, গেলা এবং
নিজের ক্ষুধা-পেট ভরার সংকেত বোঝা—সবকিছুই শেখা।
আর তাই প্রতিটি শিশুর খাবারের প্রয়োজন এক নয়। বয়স, ওজন, বৃদ্ধি, জন্মের ইতিহাস, বুকের দুধ/ফর্মুলা, শারীরিক সমস্যা ও পারিবারিক খাদ্যাভ্যাস
বিবেচনা করে feeding plan করা সবচেয়ে ভালো।

শিশুর প্রথম খাবার শুধু একটি নতুন খাবারের শুরু নয়—এটি তার ভবিষ্যৎ খাদ্যাভ্যাস গড়ে ওঠারও শুরু।
তাই ভয় নয়, সঠিক তথ্য ও ধৈর্য নিয়ে শুরু হোক
শিশুর প্রথম খাবারের যাত্রা।

— পুষ্টিবিদ জাকিয়া আকবর
পুষ্টিবিদ ও কনসালটেন্ট ডায়েটিসিয়ান
ডক্টরস ডায়াগনস্টিক সেন্টার ইউনিট ২
ধাপ আট তলা মসজিদ সংলগ্ন, রংপুর।
সিরিয়াল নাম্বার: ০১৭৭৪৪০৫৬৯০
#শিশুরপুষ্টি #শিশুরপ্রথমখাবার #পরিপূরকখাবার #৬মাসেরশিশু #পুষ্টিবিদজাকিয়াআকবর

Address

Doctor's Diagnostic Center Unit 2, Dhap Jail Road (Beside Of Dhap Attola Mosque)
Rangpur
5400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutritionist Jakia Akbar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category