27/05/2026
মিশরের এক ছোট বালক ছিলো। সে দেখতো তার পাশের বাড়িতে এক বৃদ্ধ লোক প্রতি মাসের নির্দিষ্ট একটা সময় সেই বৃদ্ধ লোকের বাড়িতে কিছু নারী আসে। সে দেখতো, সেই নারীরা একে একে উল০ঙ্গ হতো এরপর এমন এক আসনে বসতো যার নিচে একটি পাত্র ছিলো। এরপর তাদের হায়েজের রক্ত সেই পাত্রে সংগ্রহ করতো।
ভয়ানক বিষয় হচ্ছে সেই র০ক্ত নিয়ে সে বাশকলম দিয়ে কুরআনের আয়াত লিখতো। নাউজুবিল্লাহ। কেউ কারো বিশেষ প্রয়োজনে আসলে সে অ০পবিত্র রক্ত দিয়ে পবিত্র কালাম লিখে জাদুর মাধ্যমে তাদের কাজ করে দিতো।
আমাদের দেশেরই একটা ঘটনা। এক বোন জানালেন তার শাশুড়ী অনেক অদ্ভুত। একা একা কোনো এক পরপুরুষের বাসায় রাতের বেলা চলে যায়, সেখানে থাকে। একদিন তার স্বামীকে নিয়েও শাশুড়ী অ০শ্লীল কথা বললো। পরে বুঝলাম অই শাশুড়ী আপন মাহরাম (ছেলে, এমনকি নাতি)দের সাথে জি০না বা শারীরিক সম্পর্ক করে। এইযে In**st, এটা জ্বিনকে খুশী করে। জা০দুকর হতে গেলে মাহরাম দের সাথে জি০না করা একটা কম্পালসারি বিষয়।
স্যা০টানিক রিচুয়ালে Ba০ptism বলে একটা রিচুয়াল আছে। যেখানে কাউকে শয়ত|০নের জন্য আজীবনের জন্য উৎসর্গ করা হয়। তবে শর্ত হচ্ছে শিশু হতে হবে, যেহেতু শিশুরা পবিত্র, পৃথিবীর অন্য কিছুর কলঙ্ক তার গায়ে লেগে নেই।অফিশিয়ালি প্রথম এই ব্যাপ্টাইজ করেছিলো An০thon La০voy যে একটা চার্চ প্রতিষ্ঠা করেছিলো যার নাম Satani০c church. তার নিজ মেয়ে সন্তানকে সে ব্যাপ্টাইজ করে শাইত্বানের প্রতি, সেখানে র০ক্ত, উল০ঙ্গ নারী দিয়ে লুসিফ|র (ইব্লি/স) এর প্রতি উৎসর্গ করা হয়।
তিনটি ঘটনা পড়লে মৌলিক যে বিষয়টি বুঝবেন তা হলো, আল্লাহর দেয়া বিধান, আল্লাহর দেয়া পবিত্রতাকে অপবিত্র, নোংরা ও কলুষিত করার দ্বারা জাদুর একটি অন্তর্নিহিত শক্তি আছে।
কুরবানি ইসলামের একটি পবিত্র বিধান। কুরবানির উদ্দেশ্যে পশু ক্রয় ও জ০বেহ করা উভয়ই একমাত্র আল্লাহর উদ্দেশ্যে।
"তোমার রবের উদ্দেশ্যেই সালাত পড় এবং নহর (কুরবানি) কর।" (১০৮:২)
যেহেতু জা০দুকর সরাসরি জ০বেহ করা পশুকে নিতে পারছে না তাই এই ঈদের সময়ে এরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে থেকে নানান জায়গা থেকে কুরবানির পশুর রক্ত, চামড়া, হাড় বা যেকোনো অংশ লুকিয়ে নিয়ে যায়, এরপর যেই পশুকে আল্লাহর নামে জ০বেহ করা হয়েছে সেই পশুর কোনো এক অংশকে শাইত্বানের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করার মাধ্যমে কঠিন জা০দু করতে সক্ষম হয়।
একটা বিষয়ে বলে রাখা প্রয়োজন, জা০দুর ক্ষেত্রে হালাল বা পবিত্র জিনিস যত বেশি ব্যবহার করা হবে সেই জা০দু ততই ক্ষমতাবান। উপরের উদাহরণ থেকে তা স্পষ্ট।
তো, এই কারণে দেখা যায় কুরবানী আসলে কারো কারো নানা সমস্যা দেখা দেয়, সারা বছর ভালো থাকলে কুরবানীর সময় অসুস্থ হয়ে পড়ে, পাগলামি বাড়ে, কিংবা মানসিক অস্থিরতা দেখা দেয়, বা ঈদ আসলেই মনমরা হয়ে থাকা, অসহ্য লাগা ইত্যাদি।
এর কারণ,
১, হয় তার ওপর করা যাদুর সাথে কুরবানির পশু, কুরবানির সময় বা কুরবানির দিন জড়িত। যেকারনে এই নির্দিষ্ট সময় আসলেই তার সমস্যা বাড়ে। কিংবা যেই জবে০হকৃত পশু দিয়ে জা০দু করা হয়েছে সে অন্য একই পশু খাচ্ছে। এতে যা০দু ট্রিগারড হচ্ছে।
২, বিশেষ করে জ্বিনদের মধ্যে হি০ন্দু জ্বিন এ সময় খুব প্রতিক্রিয়াশীল থাকে, কারণ তার পূজিত মাতা এখন অনেক জায়গাতেই জবেহ হচ্ছে। তার এই রিএক্টিভিটি বা কষ্ট ব্যক্তির শরীরে প্রভাব ফেলে ; যেই শরীরে সে পজেস করে থাকে।
৩, যেহেতু এটি একটি পবিত্র দিন। তাই জ্বিন শাইত্বান তার বদনজর ও হিংসার মাধ্যমে এই দিনের প্রতি আবেগ, উৎফুল্লতা, আনন্দকে নিঃশেষ করতে চায়। হালাল এঞ্জয়মেন্টকে সে গ্রহণ করতে পারে না।
৪, আজীবন নানান হারাম, নাজায়েজ দিবস যে পালন করে আসছে; পহেলা বৈশাখ, জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী, ক্রিসমাস ডে, হ্যালোইন ডে এই ডে সেই ডে, নানান হারাম দিবসে যার অন্তর প্রফুল্ল হয় সে কিভাবে আল্লাহর দেয়া বরকতময় ঈদের আনন্দ উপভোগ করবে??
©_Miracle Healing
📃 রুকইয়াহ বিষয়ে পরামর্শ ও চিকিৎসা সেবা নিতে যোগাযোগ করুন পেইজের ইনবক্সে।
হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার 01750-435735