Dr. Shah Ahasanul Imran

Dr. Shah Ahasanul Imran Public Health, Family Medicine & Ultrasonography Specialist. Emergency Medicine, Diabetes & Asthma Expart.

Family Medicine Specialist
Emergency Medicine ,Diabetes & Asthma Expart

Alhamdulillah
08/07/2022

Alhamdulillah

26/01/2021

ভ্যাকসিনের জন্য নিবন্ধন করুনঃ

করোনার টিকার জন্য #অনলাইনে_নিবন্ধন করবেন কীভাবে?

অ্যাপ ও নিবন্ধনের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরতে সোমবার বিকালে সংবাদ সম্মেলন করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব এনএম জিয়াউল আলম জানিয়েছেন।

তিনি জানান, করোনার টিকা পেতে আগ্রহীরা সুরক্ষা প্ল্যাটফর্মের ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনে (www.surokkha.gov.bd) গিয়ে অথবা মোবাইলে অ্যাপ ডাউনলোড করে নিবন্ধনের কাজটি সারতে পারবেন।

‘রিয়েল টাইম’ অ্যাপটি ফ্রি ডাউনলোড করা যাবে। নিবন্ধনের পর সেখান থেকেই জানা যাবে, কবে কখন টিকা নিতে হবে।

তবে ১৮ বছরের কম বয়সীদের টিকার জন্য নিবন্ধন করা হবে না।

পরিচয় যাচাইয়ে এই অ্যাপ্লিকেশনে ১৮টি শ্রেণি করা হয়েছে, যার একটি সিলেক্ট করার পর জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে নিবন্ধন শুরু করতে হবে।
জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর যাচাই করে সব ঠিক থাকলে স্ক্রিনে নিবন্ধনকারীর নাম দেখানো হবে বাংলা ও ইংরেজিতে। সেখানে একটি ঘরে একটি মোবাইল ফোন নম্বর চাওয়া হবে, যে নম্বরে তাকে পরে টিকাদান সংক্রান্ত তথ্য এসএমএস করা হবে।
মোবাইল নম্বর দেওয়ার পর একটি ঘর পূরণ করতে হবে, যেখানে জানাতে হবে নিবন্ধনকারীর দীর্ঘমেয়াদী রোগ বা কো মরবিডিটি আছে কিনা, থাকলে কোন কোন রোগ আছে।

সেখানে আরেকটি ঘরে জানাতে হবে পেশা এবং তিনি কোভিড-১৯ সংক্রান্ত কাজে সরাসরি জড়িত কি না।

তারপর বর্তমান ঠিকানা ও কোন কেন্দ্র থেকে টিকা নিতে ইচ্ছুক তা সিলেক্ট করতে হবে। সব শেষে ফরম সেইভ করলে নিবন্ধনকারীর দেওয়া মোবাইল নম্বরে পাঠানো হবে ওটিপি। সেই ওটিপি কোড দিয়ে ‘স্ট্যাটাস যাচাই’ বাটনে ক্লিক করলে নিবন্ধনের কাজ শেষ হবে।

নিবন্ধন হয়ে গেলে টিকার প্রথম ডোজের তারিখ ও কেন্দ্রের নাম এসএমএস এর মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।

এরপর জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, জন্ম তারিখ দিয়ে লগ ইন করে এসএমএস এর মাধ্যমে পাওয়া ওটিপি কোড দিয়ে টিকা কার্ড ডাউনলোড করতে হবে।

এসএমএস এ যে তারিখ দেওয়া হবে, সেই তারিখে টিকা কার্ড ও জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে নির্ধারিত টিকাদান কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে কোভিড-১৯ এর টিকা নিতে পারবেন নিবন্ধনকারীরা।

এভাবে দুটি ডোজ শেষ হলে সুরক্ষা প্ল্যাটফর্মের ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন থেকে ভ্যাকসিন প্রাপ্তির সনদ সংগ্রহ করা যাবে।

সূত্র: যুগান্তর

29/04/2020
শুভ নববর্ষ
14/04/2020

শুভ নববর্ষ

শীতে অ্যাজমা সতর্কতালিখেছেন : ডা. এস এম রওশন আলমকমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের প্রধান রংপুর মেডিক্যাল কলেজশিশু থেকে বয়স্ক সব ধ...
18/01/2020

শীতে অ্যাজমা সতর্কতা

লিখেছেন : ডা. এস এম রওশন আলম
কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের প্রধান
রংপুর মেডিক্যাল কলেজ

শিশু থেকে বয়স্ক সব ধরনের লোকজনই অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্টে ভোগেন। শীতকালে অ্যাজমার প্রকোপ অনেকটাই বাড়ে এবং সুচিকিৎসার অভাবে ভোগান্তিও বাড়ে। তাই প্রয়োজন বিশেষ সতর্কতা।

বাংলায় প্রচলিত হাঁপানি রোগই অ্যাজমা। এটি শ্বাসনালির একটি দীর্ঘস্থায়ী বা ক্রনিক প্রদাহজনিত সমস্যা। অ্যাজমার কারণে শ্বাসনালিতে বিভিন্ন কোষ বিশেষত ইয়োসিনোফিল ও অন্যান্য কোষের উপাদান জমা হয় এবং শ্বাসনালিকে অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়াশীল করে তোলে। পরিবেশের সাধারণ বস্তুগুলোর প্রতি অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়াশীল হয় বলে অ্যাজমা রোগীর শ্বাসনালির পথও সংকীর্ণ হয়। তখন রোগী শ্বাসকষ্ট, শুকনা কাশি, বুক জ্যাম হওয়া, বুকে বাঁশির মতো শব্দ ইত্যাদি সমস্যায় ভুগতে থাকে।

কারণ
অ্যাজমার কারণ এখনো অজানা। দেখা গেছে, কিছু উপাদান অ্যাজমা রোগের উৎপত্তি, আক্রমণ, স্থায়িত্বকে বেশ প্রভাবিত করে, যাদের বলে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ উপাদান। এসব কারণ বংশগত ও পরিবেশগত—এই দুই ধরনের হয়।

বংশগত : অ্যাজমা রোগটি অনেকটা জেনেটিক বা বংশগত। যদি বংশে কারো অ্যাজমা থাকে, তবে আরেকজনের থাকার আশঙ্কা বেশি।

পরিবেশগত : কিছু পরিবেশগত কারণে অ্যাজমার প্রকোপ বাড়ে। যেমন—অ্যালার্জি, শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়ামজনিত, ভাইরাস সংক্রমণ, পেশাগত কারণ বা ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় নিয়োজিত থাকা, আবহাওয়া, আবেগপ্রবণতা, দীর্ঘদিন ধরে অপরিকল্পিত বা অনিয়মিতভাবে অপর্যাপ্ত ওষুধ সেবন ইত্যাদি।

লক্ষণ
কারো অ্যাজমা হয়েছে কি না তা কিছু লক্ষণ দেখে বোঝা যায়। যেমন—
♦ অ্যাজমা হলে রোগীর শ্বাসনালি সংকুচিত হয়ে শ্বাসকষ্ট হয়।
♦ বুকে চাপ অনুভূত হয়।
♦ কাশি থাকে, বুকে বাঁশির মতো শব্দ হয় ইত্যাদি।
তবে এই লক্ষণগুলো সব রোগীর ক্ষেত্রে একইভাবে থাকে না। কারোর ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট বেশি হয়, কারোর বুকে চাপ লাগা বেশি হয়। আবার অনেকের শুধু শুকনা কাশি হয়। তবে নিচের লক্ষণগুলো কারোর থাকলে কালক্ষেপণ না করে চিকিৎসক দেখানো উচিত। যেমন—
♦ রোগীর বুকে বাঁশির মতো শব্দ।
♦ রাতে তীব্র কাশি থাকা।
♦ ব্যায়ামের পর কাশি বা শ্বাসকষ্ট।
♦ বায়ুবাহিত অ্যালার্জেন বা উত্তেজকের সংস্পর্শে কাশি বা শাসকষ্ট অনুভব করলে।
♦ রোগীর কখনো ঠাণ্ডা লাগলে এবং তা ভালো হতে ১০ দিনের বেশি সময় লাগলে।
♦ অ্যাজমার ওষুধে রোগীর লক্ষণ ভালো হয়ে গেলে ইত্যাদি।

পরীক্ষা
বেশির ভাগ রোগীর ক্ষেত্রেই অ্যাজমা নির্ণয়ে তেমন কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হয় না। তবে অ্যাজমা রোগের তীব্রতা জেনে তার যথাযথ চিকিৎসার জন্য কিছু পরীক্ষার প্রয়োজন আছে বৈকি। যেমন—
♦ অ্যাজমা রোগীর শ্বাসনালির বাধা পরীক্ষায় স্পাইরোমেট্রি বা পিক ফ্লো পরীক্ষার কথা বলা হয়।
♦ ‘কফ ভ্যারিয়ান্ট’ অ্যাজমার ক্ষেত্রে ‘মেথাকলিন চ্যালেঞ্জ টেস্ট’ করা হয়, যাতে শ্বাসনালির অতি প্রতিক্রিয়াশীলতা দেখা যায়।
♦ ‘কাশি প্রধান’ অ্যাজমার ক্ষেত্রে কফ পরীক্ষায় ইয়োসিনোফিল পাওয়া যায়।
♦ সিরাম ওমঊ পরীক্ষা দিয়ে এটোপি নির্ণয় করা যায় ইত্যাদি।

চিকিৎসা
ওষুধবিহীন ও ওষুধ ব্যবহার করে—এই দুই ধরনের অ্যাজমার চিকিৎসা রয়েছে। ওষুধবিহীন চিকিৎসার ক্ষেত্রে সতর্কতাই মূল উপায়।

ওষুধবিহীন চিকিৎসা : ♦ অ্যাজমার অন্যতম প্রধান কারণ অ্যালার্জি। কোন জিনিসে বা খাদ্যে কার অ্যালার্জি হয়, তা জেনে যথাসম্ভব পরিহার করা উচিত।
♦ ধূমপান পরিহার।
♦ অ্যালার্জেন নয়, অথচ শ্বাসকষ্ট বাড়ায় এমন জিনিস পরিহার।
♦ ধুলাবালু, ময়লা, গন্ধ ইত্যাদি এড়িয়ে চলা।
♦ যথা সম্ভব মানসিক চাপ কমানো।
♦ ঘুমের ওষুধ, তীব্র ব্যথানাশক পরিহার করা।

ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা : ওষুধের মাধ্যমে অ্যাজমা নির্মূল করা যায় না, তবে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। অ্যাজমার ওষুধ এই দুই ধরনের—উপশমকারী ও প্রতিরোধককারী। সালবিউটামলজাতীয় ওষুধ উপশমকারী ওষুধ, যা তাৎক্ষণিকভাবে শ্বাসনালির ছিদ্রপথকে প্রসারিত করে শ্বাস-প্রশ্বাসের বাধা কমিয়ে দেয়। তবে এর কার্যকাল খুবই কম। আবার ইনহেল স্টেরয়েড, ক্রোমোগ্লাইকেট, মন্টিলুকাস্ট ইত্যাদি হলো প্রতিরোধক ওষুধ, যা ধীরে ধীরে কাজ করে।

অ্যাজমার এসব ওষুধ নানাভাবে প্রয়োগ করা যায়। যেমন—
ইনহেলার পদ্ধতি : এটি সবচেয়ে উপকারী এবং আধুনিক পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে ওষুধ নিঃশ্বাসের সঙ্গে ফুসফুসে প্রবেশ করে শ্বাসনালিতে কাজ করে।
ট্যাবলেট অথবা সিরাপ : এ পদ্ধতিতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বেশি। কারণ অধিক মাত্রার ওষুধ রোগীর রক্তে প্রবেশ করে।
নেবুলাইজার : তীব্র অ্যাজমার আক্রমণে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়।
ইনজেকশন : অ্যাজমার মারাত্মক আক্রমণে স্টেরয়েড ইনজেকশন শিরায় দেওয়া হয়।

জটিলতা
অ্যাজমা কোনো কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলছে কি না তা কিছু লক্ষণ দেখে বোঝা যায়। এ সময় উপশমকারী ওষুধের পরিমাণ বেশি লাগে এবং ইনহেলার দ্বারা ৩-৪ ঘণ্টার বেশি শ্বাসকষ্টের উপশম থাকে না। তা ছাড়া রাতে শ্বাসকষ্টে ঘুম ভেঙে যাওয়া, স্বাভাবিক কাজকর্মে শ্বাসকষ্ট হওয়া, পিক ফ্লো ধীরে ধীরে কমাও জটিলতার লক্ষণ। তখন বিশেষ সতর্ক হয়ে চিকিৎসা নিতে হবে।

অ্যাজমা প্রতিরোধে করণীয়
♦ সব রকমের ধুলাবালি এড়িয়ে চলতে হবে। বিশেষ করে অ্যাজমা আক্রান্ত রোগীর শোবার ঘরটি সব সময় শুষ্ক, ধুলা ও মাইটমুক্ত হতে হবে।
♦ ঘরে যাতে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস থাকে সে ব্যবস্থা করুন। রাতে ঘুমানোর সময় পর্যাপ্ত উষ্ণতায় থাকুন।
♦ সকালে প্রস্রাব-পায়খানার সময় মুখে কাপড় বা মাস্ক ব্যবহার করুন।
♦ সকালে ও রাতে চলাফেরার সময় নাকে কাপড় বা মাস্ক ব্যবহার করা।
♦ দিনে বা রাতে কুয়াশায় চলাফেরার সময় নাক ঢেকে রাখুন (গায়ে পর্যাপ্ত শীতের কাপড় থাকলেও)।
♦ ঠাণ্ডা বাতাস, ঠাণ্ডা পানি ও ঠাণ্ডা খাবার এড়িয়ে চলুন।
♦ স্যাঁতসেঁতে বা ঘিঞ্জি পরিবেশ এড়িয়ে চলুন। অতিরিক্ত গরম বা ঠাণ্ডা পরিবেশ নয়।
♦ পুরনো জামাকাপড় ধুয়ে ভালো করে রোদে শুকিয়ে ব্যবহার করুন।
♦ ডাস্ট মাইট কমানোর জন্য ব্যবহৃত বালিশ, তোশক, ম্যাট্রেস ইত্যাদির ধুলাবালু নিয়মিত পরিষ্কার করুন এবং রোদে দিন।
♦ মশার কয়েল বা স্প্রে, চুলার আগুনের ধোঁয়া থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকুন।
♦ হাত-মুখ নিয়মিত ধৌত করুন। কারোর সঙ্গে করমর্দন করলেও হাত ধুয়ে ফেলুন। নচেৎ চোখ, নাক বা মুখ স্পর্শ করার সময় শরীরে নানা জীবাণু ঢুকে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
♦ রাস্তাঘাটে চলাচলের সময় সম্ভব হলে মুখে মাস্ক ব্যবহার করুন।
♦ ঠাণ্ডার সময় খালি পায়ে হাঁটবেন না, সব সময় জুতা-মোজা ব্যবহার করুন।
♦ বাড়িতে থাকা পোষা প্রাণী বিশেষ করে কুকুর, বিড়াল থেকে দূরে থাকুন। শোবার ঘর থেকে তাদের নিরাপদ দূরত্বে রাখুন।
♦ অন্যান্য অসুস্থ মানুষ থেকে দূরে থাকুন।
♦ অগ্নিকুণ্ড থেকে যথা সম্ভব দূরে থাকুন।
♦ ঘরের ভেতর কয়েল, ধূপ, আতর, সেন্ট, পারফিউম ব্যবহার করবেন না।
♦ কাশি, শ্বাসকষ্ট, বুকে টান, বুকে শব্দ বোধ হলে চিকিৎসকের পরামর্শে উপশমকারী ওষুধ ব্যবহার করুন।
♦ সতর্কতা হিসেবে সব সময় হাতের কাছেই ইনহেলার রাখুন। একটু ভালো মনে করলে নিজে নিজেই ওষুধ কমিয়ে দিতে পারবেন, তবে একেবারে বন্ধ করা যাবে না।

ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন....আগামী শনিবার ১১/০১/২০২০ তারিখে সারা দেশে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন পালিত হবে। ঐ দিন সকাল ...
09/01/2020

ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন....

আগামী শনিবার ১১/০১/২০২০ তারিখে সারা দেশে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন পালিত হবে।

ঐ দিন সকাল ৮.০০ টা থেকে বিকাল ৪.০০ টা পর্যন্ত আপনার নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্র ও কমিউনিটি ক্লিনিক গুলোতে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

️ ০৬ মাস - ১১ মাস বয়সী সকল শিশুকে একটি নীল রংয়ের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।🔵

️ ১২ মাস - ৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে একটি লাল রংয়ের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।🔴

Address

Rangpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Shah Ahasanul Imran posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dr. Shah Ahasanul Imran:

Share