27/08/2026
নিন্মে কয়েকটি রক্তস্রাবের ঔষধের নাম উল্লেখ করা হলঃ –
১ > ইপিকাক – উজ্জল লাল বর্ণের প্রভুত রক্তস্রাব, তার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট ও গা বমি বমি ।
২ > একোনাইট – প্রবল উজ্জল বর্ণের রক্তস্রাব তৎসহ অতিশয় ভয় ও উৎকণ্ঠা ।
৩ > আর্ণিকা – উপঘাত জনিত দৈহিক ক্লান্তি ; শারীরিক অতিশ্রম বা চেষ্টাজনিত রক্তস্রাব ।
৪ > বেলেডোনা – রক্ত গরম, ক্যারোটিড ধমনী দুটি দপদপ করে, মস্তিস্কে রক্তসঞ্চয় ।
৫ > কার্বোভেজ – প্রায় সম্পূর্ণ হিমাঙ্গ-অবস্থা, মুখমণ্ডল পাণ্ডুবর্ণের বা মলিন, পাখার বাতাস করতে বলে ।
৬ > চায়না – অতিশয় রক্তক্ষয়, কানে শব্দ, মুচ্ছার ভাব ( Faintness ) ।
৭ > ক্রোকাস – দীর্ঘ, কাল দড়ির মত চাপ বাধা ( Clotted ) রক্ত ।
৮ > ফেরাম – কতকটা তরল ও কতকটা শক্ত রক্ত, মুখ মণ্ডল অত্যন্ত লাল অথবা পর্যায়ক্রমে লাল ও ফ্যাকাসে।
৯ > হাইওসায়ামাস – প্রলাপ, ঝাঁকি দিয়ে উঠা বা উৎক্ষেপণ ও পেশীর স্পন্দন ।
১০ > ল্যাকেসিস – রক্তের বিশ্লিষ্টতা ( Decomposed ) পোড়া খড়ের মত তলানি ।
১১ > ক্রোটেলাস, ইল্যাস্প ও সালফিউরিক অ্যাসিড – কাল, তরল রক্ত । প্রথম ও শেষ ঔষধে সকল দ্বার থেকেই রক্তস্রাব ।
১২ > নাইট্রিক অ্যাসিড – প্রবল উজ্জল রক্তস্রাব ।
১৩ > ফসফরাস – প্রভুত ও ক্রমাগত রক্তপাত । এমনকি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আঘাত ও টিউমার থেকেও রক্তপাত ।
১৪ > প্লাটিনাম – কতকটা তরল ও কতকটা কাল শক্ত চাপ চাপ রক্ত ।
১৫ > পালসেটিলা – সবিরাম রক্তস্রাব ।
১৬ > সিকেলিকর – ক্ষীণকায়া বিকৃত ঋতু স্ত্রীলোকদের অপ্রবল ( Passive ) রক্ত প্রবাহ ।
১৭ > সালফার – সোরাধাতু-দুষ্ট রোগী, অন্যান্য ঔষধ বিফলে ব্যবস্থেয় ।
অন্যান্য ঔষধের নাম ও লক্ষণগুলিও এখানে দেওয়া যেতে পারে, কিন্তু রক্তস্রাব কেবল একটি মাত্র লক্ষণ। তাই ইহা কোন ঔষধের একমাত্র নির্ভরযোগ্য লক্ষণ হতে পারে না । তবে ইপিকাকুয়ানহা নির্দেশিত হলে ইহা অন্যতম সর্বোৎকৃষ্ট ঔষধ ।
★★বিঃদ্রঃ- ডাক্তারের পরার্মশ ছাড়া ঔষধ খাবেন না।ডাক্তারের পরার্মশ ছাড়া ঔষধ খেয়ে বিপদ ডেকে আনবেনা।অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন, সুস্থ থাকুন।