14/03/2026
শায়খে চরমোনাই অনন্য। আজকে ইমাম-মুআজ্জিনদের রাষ্ট্রীয় ভাতা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সামনে যে কথাগুলো তিনি ছাড়া অন্য কেউ বলেননি।
তিনি সংক্ষেপে ৪টি পয়েন্ট বলেছেন। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি আসলেই ইমামদেরকে সম্মানিত করতে চান তাহলে,
ক. ইমাম-খতীব সাহেবরা যতক্ষণ কুরআন ও সুন্নাহ বিরোধী কথা না বলবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত তাদেরকে যেন সরকার থেকে কোনো বাঁধা না দেয়া হয়।
খ. সরকারী চাকুরির ভেরিফিকেশনের জন্য আবেদনকারীকে মসজিদের ইমাম সাহেবের কাছ থেকে চারিত্রিক সনদ নিতে হবে, এই আইন সংযুক্ত করার দাবি জানান।
গ. সভাপতিকে সালাম না দেয়ার মতো তুচ্ছ কারণে ইমাম-মুআজ্জিনদের চাকরি চলে যায়, এটা অন্যায়। কী ধরনের ভুলের কারণে ইমাম-মুআজ্জিনকে অব্যাহতি দেয়া হবে, তার সুনির্দিষ্ট বিধিমালা প্রণয়ন করতে হবে। সেক্ষেত্রে
আকীদা, চরিত্র ও দায়িত্ববোধ এগুলো সংযুক্ত করার আহ্বান জানাই। (এ সময় জনাব তারেক রহমান বলেন, জ্বি, ইনশাআল্লাহ এটা আমরা করব। তখন শায়খে চরমোনাই প্রধানমন্ত্রীকে শুকরিয়া জানান)
ঘ. ইমাম-মুআজ্জিনদের জন্য যেই সম্মানী ভাতা চালু করা হল, এটা যেন ইমাম,খতীবদেরকে নিয়ন্ত্রন করার মাধ্যম না হয়। এটা করলে বরং হিতে বিপরিত হবে। এই ভাতে যেন তাদের দায়িত্ব স্বাধীনভাবে পালনের জন্য সহায়ক হয়। (এসময়ও পিএম শায়খের দিকে তাকিয়ে তাঁকে আস্বস্ত করেন।)
শায়খে চরমোনাইকে ধন্যবাদ, এই প্রোগ্রামে যোগদান করার জন্য। আজকে যখন অনেকেই পিএমের সামনে তৈলাক্ত বক্তব্য দিচ্ছিলেন, আপনি তখন জরুরি কথাগুলোই সুন্দরভাবে উপস্থাপন করলেন।
নারী নেতৃত্বমুক্ত এবং নারীদের অবাধ অংশগ্রহনমুক্ত যেকোনো রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রোগ্রামে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অংশগ্রহণ থাকতে হবে।
আগামীর রাজনীতিটা আমাদের হাতেই ইনশাআল্লাহ।