আশ শিফা রুকইয়াহ পয়েন্ট

Directions Website Contact the business

আশ শিফা রুকইয়াহ পয়েন্ট Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from আশ শিফা রুকইয়াহ পয়েন্ট, Alternative & holistic health service, Nikkan Housing Society, Dewan Market, Kuturia, Rangpur.

তাবিজ-তুমার, শিরক কুফর মুক্ত পরিপূর্ণ কুরআন সুন্নাহভিত্তিক একটি বিশ্বস্ত শরঈ রুকইয়াহ চিকিৎসা কেন্দ্র—
✆ 01974-151654 (WhatsApp)

টেলিগ্রামেও আমাদের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন—
t.me/+iNLFEu-a42cyNjM9


“সুন্নাহভিত্তিক চিকিৎসা নিন, সুস্থ থাকুন”

জাদুগ্রস্ত বা হাসাদগ্রস্ত ঘরের কিছু লক্ষণ রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—▪️কোনো কারণ ছাড়াই বা তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে ঘন ঘ...
24/09/2026

জাদুগ্রস্ত বা হাসাদগ্রস্ত ঘরের কিছু লক্ষণ রয়েছে।
এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—
▪️কোনো কারণ ছাড়াই বা তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে ঘন ঘন ঝগড়া-বিবাদ হওয়া।
▪️ঘরের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দ অনুভূত না হওয়া।
▪️ঘরে প্রবেশ করার সময় অস্বস্তি ও বিষণ্ণতা অনুভব হওয়া।
▪️কোনো কারণ ছাড়াই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে একের পর এক অসুস্থতা দেখা দেওয়া।
▪️কখনো কখনো বিভিন্ন শব্দ, ডাকাডাকি বা হাঁটার মতো শব্দ শোনা যাওয়া।
▪️হঠাৎ ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে যাওয়া এবং নিয়মিত ও বারবার বৈদ্যুতিক বাতি পুড়ে যাওয়া।
▪️কোনো কারণ ছাড়াই হঠাৎ করে ঘরে প্রচুর পিঁপড়া দেখা দেওয়া।
▪️টাকা-পয়সা বা কিছু জিনিস নির্দিষ্ট স্থানে সংরক্ষিত থাকা সত্ত্বেও সেগুলো হারিয়ে যাওয়া।
▪️কোনো দৃশ্যমান কারণ ছাড়াই ঘরের দেয়াল বা মেঝের টাইলসে ফাটল দেখা দেওয়া।
▪️ঘরের সদস্যদের ওপর বারবার বিভিন্ন ধরনের কষ্ট বা ক্ষতি আসা।
▪️জাগ্রত অবস্থায় ভয়ংকর কিছু দেখা—যেমন সাপ বা ইঁদুর দেখা, শিশুদের ভয় দেখানো, অথবা ঘরের কোনো সদস্যের ছবি দেখা দিয়ে হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে যাওয়া।
▪️স্বপ্নের ক্ষেত্রে ভয়ংকর ও আতঙ্কজনক দুঃস্বপ্ন দেখা।

গুরুত্বপূর্ণ নোট—
এগুলো সাধারণত দেখা যেতে পারে এমন কিছু লক্ষণ।
তবে আল্লাহ তাআলা কোনো আধ্যাত্মিক কারণ ছাড়াও কোনো পরিবারকে বিভিন্ন পরীক্ষায় ফেলতে পারেন। যেমন—আল্লাহর যিকির ও আনুগত্য থেকে বিমুখ থাকা এবং গুনাহ ও পাপাচারে ব্যস্ত থাকা।

উল্লিখিত লক্ষণগুলো দেখা দিলে করণীয়
🔸প্রথমত: ব্যক্তিগত সুরক্ষা
প্রত্যেক পরিবারের সদস্য নিজেকে সুরক্ষিত রাখবে—
• নামাজের প্রতি যত্নশীল থাকা।
• যিকির-আযকার করা।
• কুরআন তিলাওয়াত করা।

🔸দ্বিতীয়ত: সাধারণ সুরক্ষা
অর্থাৎ ঘরকে সুরক্ষিত করা।

▫️ঘর সুরক্ষার ৪টি ধাপ
▪️ধাপ ১: পানি প্রস্তুত করা
৫ লিটার পানি নিতে হবে।
এর সঙ্গে এক কাপ মোটা লবণ—সামুদ্রিক লবণ হলে ভালো—এবং ৭টি কুল জাতীয় বরই পাতা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে।

এরপর এই মিশ্রণের ওপর পড়তে হবে—
১. সূরা আল-ফাতিহা — ৭ বার
পানির ওপর পড়ে ফুঁ দিতে হবে।
২. আয়াতুল কুরসি — ৩ বার
পানির ওপর পড়ে ফুঁ দিতে হবে।
৩. সূরা আল-বাকারার শেষ দুই আয়াত — ১ বার
পানির ওপর পড়ে ফুঁ দিতে হবে।
৪. সূরা আল-ইখলাস — ৩ বার
পানির ওপর পড়ে ফুঁ দিতে হবে।
৫. সূরা আল-ফালাক — ৩ বার
পানির ওপর পড়ে ফুঁ দিতে হবে।
৬. সূরা আন-নাস — ৩ বার
পানির ওপর পড়ে ফুঁ দিতে হবে।
৭. জাদু বাতিলের আয়াতসমূহ।

▪️ধাপ ২: পানি ছিটানো
স্প্রে বোতলের মাধ্যমে ঘরের বিভিন্ন স্থানে পানি ছিটাতে হবে।
যেমন—
• ঘরের কোণায়
• অন্ধকার জায়গায়
• আলমারির নিচে
• আলমারির ভেতরে
• ড্রয়ারে
• বন্ধ বাক্সের ভেতরে
• অন্ধকার কোণায়
• মেঝেতে
• ঘরের প্রবেশপথে
• এমনকি ঘরের ভেতরের ছাদেও।

পানি ছিটানোর সময় পূর্বে উল্লেখিত সূরাগুলো উচ্চস্বরে একবার করে পড়তে হবে।
সকালে: ফজরের নামাজের পর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত।
সন্ধ্যায়: আসরের নামাজের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অথবা সূর্যাস্তের পর।
এভাবে এক সপ্তাহ করতে হবে।

▪️ধাপ ৩: নিষিদ্ধ বস্তু অপসারণ
তাবিজ, কবচ এবং অন্যান্য এ ধরনের বস্তু অপসারণ ও নষ্ট করতে হবে।
এছাড়া মানুষ, প্রাণী বা পাখির মূর্তি ও ছবি অপসারণ করতে হবে।
❌ গান বাজানো ও শোনা যাবে না।
❌ অশালীন সিনেমা ও নাটক চালানো যাবে না।

▪️ধাপ ৪: সূরা আল-বাকারা তিলাওয়াত
অন্তত প্রতি তিন দিনে একবার সূরা আল-বাকারা তিলাওয়াত করতে হবে।
তিলাওয়াতের জন্য ইশার নামাজের পর থেকে সূর্যোদয়ের আগ পর্যন্ত সময়কে পছন্দনীয় বলা হয়েছে।
উচ্চস্বরে তিলাওয়াত করা হবে।
সরাসরি তিলাওয়াত করাই উত্তম।
সরাসরি তিলাওয়াত সম্ভব না হলে রেকর্ডিংয়ের মাধ্যমে শোনা যেতে পারে।

📌 বিশেষ নোট
সুরক্ষা কার্যক্রম শুরু করার আগে ৭ দিন সকাল ও সন্ধ্যার দোয়া, আমল করা।

এ সময় বলা—
أُحَرِّجُ عَلَيْكُمْ بِاللهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ أَنْ تَخْرُجُوا مِنْ بَيْتِي أَوْ مِنْ هَذَا الْمَكَانِ
অর্থাৎ—
আমি মহান ও সর্বশ্রেষ্ঠ আল্লাহর নামে তোমাদের ওপর নির্দেশ আরোপ করছি—তোমরা আমার ঘর অথবা এই স্থান থেকে বের হয়ে যাও।

পোস্ট শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিতে পারেন ইনশাআল্লাহ

আমাদের মাধ্যমে রুকইয়াহ করতে যোগাযোগ করুনঃ
01974-151654
আশ শিফা রুকইয়াহ পয়েন্ট
Raqi Mufti Abdul Malek

22/09/2026

পিরিয়ড সমস্যার কিছু সিম্পটম।
অন্যের উপকারের জন্য একটা শেয়ার করতে পারেন।

আমাদের মাধ্যমে রুকইয়াহ করতে যোগাযোগ করুন
01974-151654
আশ শিফা রুকইয়াহ পয়েন্ট
Raqi Mufti Abdul Malek

প্রত্যেক রাক্বীর কাছেই জানা আছে যে, বদনজর ও হাসাদের লক্ষণ অনেক এবং ব্যক্তি ভেদে এগুলো ভিন্ন হতে পারে।তবে আমরা এর মধ্যে স...
21/09/2026

প্রত্যেক রাক্বীর কাছেই জানা আছে যে, বদনজর ও হাসাদের লক্ষণ অনেক এবং ব্যক্তি ভেদে এগুলো ভিন্ন হতে পারে।

তবে আমরা এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে বেশি দেখা যায়—এমন লক্ষণগুলো উল্লেখ করব।

বদনজর ও হাসাদের ৯টি প্রধান লক্ষণ

▪️১️ অতিরিক্ত হাই তোলা
বদনজর ও হাসাদে আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে সবসময় অতিরিক্ত হাই তোলার প্রবণতা দেখা যায়। বিশেষ করে নামাজের সময়, যিকির করার সময় অথবা কুরআন শোনার সময় বেশি হাই আসে।

অনেক সময় এই হাই তোলার সঙ্গে চোখে পানি আসতে পারে, বিশেষ করে কুরআন শোনার সময়।

▪️২️ শরীরে অতিরিক্ত গরম অনুভূত হওয়া
বদনজর ও হাসাদের অন্যতম লক্ষণ হলো শরীরে অতিরিক্ত গরম অনুভূত হওয়া।
আক্রান্ত ব্যক্তি কখনো মুখে, কখনো পায়ে, আবার কখনো পুরো শরীরে গরম অনুভব করতে পারেন। অনেক সময় এই তাপমাত্রা কাঁধের মধ্যে স্থায়ীভাবে অনুভূত হয়।

এ ধরনের ব্যক্তি সাধারণত ঠান্ডা জায়গা পছন্দ করেন। এই অতিরিক্ত গরমের কারণে অতিরিক্ত তৃষ্ণা ও বারবার পানি পান করার প্রবণতাও হতে পারে।

▪️৩️ কোনো কারণ ছাড়াই অতিরিক্ত কান্না
সাধারণত বদনজরগ্রস্ত বা হাসাদে আক্রান্ত ব্যক্তিকে কোনো কারণ ছাড়াই কান্না করতে দেখা যায়।

এমনকি তার সঙ্গে কথা বলা শুরু করলেও সে কান্না শুরু করতে পারে। তার মধ্যে সবসময় এক ধরনের দুঃখবোধ থাকে।

▪️৪️ হঠাৎ অবস্থার অবনতি হওয়া
বদনজরগ্রস্ত ও হাসাদে আক্রান্ত ব্যক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হলো—বিশেষ করে যে ব্যক্তির কারণে সে আক্রান্ত হয়েছে বলে মনে করা হয়, তার সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে হঠাৎ তার অবস্থার অবনতি হওয়া।

তখন ওই ব্যক্তি বলতে পারে—
‘আমি অমুক ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করলে আমার ব্যর্থতা, দুঃখ, অস্থিরতা, বুক ধড়ফড় বা শ্বাসরুদ্ধকর অনুভূতি হয়। আমি তার কাছ থেকে দূরে সরে যাওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু যতক্ষণ না তার কাছ থেকে দূরে যাই, ততক্ষণ স্বস্তি পাই না।’

এটি বদনজরের ধারাবাহিকতার কারণে হয়ে থাকে। অর্থাৎ ওই ব্যক্তি বদনজর প্রদান করে এবং তার থেকে সতর্ক থাকা অথবা নিজেকে তার থেকে সুরক্ষিত রাখা উচিত।

▪️৫️ একাকীত্ব পছন্দ করা
বদনজর বা হাসাদে আক্রান্ত ব্যক্তি সাধারণত একাকীত্ব পছন্দ করে। সে কারও সঙ্গে মেলামেশা করতে চায় না।
অনেক সময় অন্ধকার জায়গা পছন্দ করে।

আবার কোনো মজলিসে বসলে তার কথা বলতে অসুবিধা হতে পারে অথবা শ্বাসকষ্ট ও অস্বস্তি অনুভব হতে পারে। ফলে একা না হওয়া পর্যন্ত সে স্বস্তি অনুভব করে না।

▪️৬️ দুর্বলতা, অলসতা ও ঘুমের সমস্যা
বদনজর ও হাসাদের লক্ষণগুলোর মধ্যে শারীরিক দুর্বলতা ও সবসময় অলসতা থাকা অন্যতম।

আক্রান্ত ব্যক্তি সবসময় ঘুমাতে চায় এবং দীর্ঘ সময় হাঁটতে বা দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না।

কখনো হাত-পায়ের প্রান্তে অবশভাব অথবা হাত-পায়ের আঙুলে ঠান্ডা অনুভূত হতে পারে।

আবার এর বিপরীত অবস্থাও হতে পারে। অর্থাৎ বদনজর ও হাসাদে আক্রান্ত ব্যক্তি খুব কম ঘুমাতে পারে, যার কারণে তার মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী অনিদ্রা দেখা দিতে পারে।

ঘুমানোর জন্য বিছানায় গেলেও অনিদ্রা ও ক্লান্তি অনুভব করতে পারে।

▪️৭️ অতিরিক্ত রাগ ও ধৈর্য কমে যাওয়া
বদনজর ও হাসাদের অন্যতম লক্ষণ হলো অতিরিক্ত রাগ এবং ধৈর্য কমে যাওয়া।
সামান্য কারণেই ব্যক্তি রেগে যেতে পারে।

এ অবস্থায় আমরা ব্যক্তিকে নিজের ওপর রুকইয়াহ করতে অথবা বদনজর ও হাসাদের আয়াত দিয়ে রুকইয়াহ করা পানি দিয়ে গোসল করতে বলি।

তখন আল্লাহর অনুগ্রহে তাকে স্বস্তি পেতে এবং দ্রুত রাগ কমে যেতে দেখা যায়।

▪️৮️ অতিরিক্ত ভুলে যাওয়া ও মাথাব্যথা
হাসাদ ও বদনজরের লক্ষণগুলোর মধ্যে অতিরিক্ত ভুলে যাওয়া এবং মাথাব্যথাও রয়েছে।

বিশেষ করে ব্যক্তি আগে সুস্থ থাকার পর এমন অবস্থা দেখা দিলে এবং এর কোনো চিকিৎসাগত কারণ না থাকলে তাকে অনেক বেশি ভুলে যেতে দেখা যায় এবং সে মাথাব্যথার অভিযোগ করে।

▪️৯️ মুখ ফ্যাকাশে ও হলুদ হয়ে যাওয়া
আক্রান্ত ব্যক্তির মুখ হলুদ হয়ে যেতে পারে, যেন তার জ্বর বা কোনো রোগ হয়েছে।

আবার তার মুখে, বিশেষ করে চোখের নিচে কালোভাব দেখা দিতে পারে।

এছাড়াও মুখে বারবার ব্রণ বা ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে। এগুলোর সঙ্গে ব্যথাও থাকতে পারে এবং ওষুধে উপকার নাও হতে পারে।

💢 হাসাদের শয়তান বলতে কী বোঝায়?
হাসাদের শয়তান: এটি এমন শয়তান, যে বদনজর ও হাসাদের কারণে শরীরে প্রবেশ করে এবং সে যে স্থানে অবস্থান করে, সেই স্থান অনুযায়ী বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে।

যদি সে পাকস্থলীতে অবস্থান করে, তাহলে সেখানে ব্যথা, পেট ফাঁপা, বিভিন্ন ধরনের পেটের সমস্যা এবং ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (IBS) সৃষ্টি করতে পারে।

যদি সে জরায়ুতে অবস্থান করে, তাহলে সেখানেও বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করতে পারে, যা চিকিৎসার ওষুধে দূর হয় না।

আর যদি সে মাথায় অবস্থান করে, তাহলে মাথায় বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

এই শয়তান পরবর্তীতে ‘আশিক’ অর্থাৎ প্রেমাসক্ত জিনে পরিণত হতে পারে।

অর্থাৎ হাসাদের কারণে শরীরে দীর্ঘদিন অবস্থান করতে করতে এবং মেয়েটির অবস্থা সম্পর্কে জানতে জানতে ও তার সৌন্দর্যের প্রতি দৃষ্টি দিতে দিতে সে তার প্রতি আসক্ত হয়ে যেতে পারে।

তখন সে বের হতে চায় না এবং এভাবে তার জীবনে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

💥 এমনকি সে ওই মেয়েটির ওপর জাদুও করতে পারে। আর এসবই তার ওই মেয়েটির প্রতি আসক্তির কারণে হয়ে থাকে।

⚠️ বদনজর ও হাসাদ কি জীবনে প্রভাব ফেলে?
এগুলো হলো বদনজর ও হাসাদের প্রধান লক্ষণ।

জেনে রাখুন, বদনজর ও হাসাদ জীবনে বাধা, রোগ, অবস্থার অবনতি, অতিরিক্ত ওয়াসওয়াসা এবং রিজিক অর্জনের উপায় গ্রহণে ব্যর্থতার ক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

এমনকি ডায়াবেটিস, পক্ষাঘাত, চুল পড়া, সন্তান না হওয়া এবং ব্যক্তি যে বিষয়টি কামনা করে তাতে সফলতা না পাওয়ার মতো শারীরিক সমস্যার ক্ষেত্রেও এর প্রভাব থাকতে পারে।

আমরা আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করি, তিনি যেন আমাদের এবং আপনাদের ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র ও হিংসুকদের হিংসা থেকে হেফাজত করেন।

আল্লাহুম্মা আমিন।

💢 বদনজর ও হাসাদ কি জীবনে বাধা সৃষ্টি করতে পারে?
উত্তর:
হ্যাঁ, বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
এটি ব্যাপকভাবে ঘটে থাকে।

আর গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—কীভাবে এটি বাধা সৃষ্টি করে?

আমরা কিছুক্ষণ আগে আলোচনা করেছি যে, হাসাদের শয়তান যদি কোনো মেয়ের প্রতি আসক্ত হয়ে যায়, তাহলে সে তাকে বিয়ে থেকে বিরত রাখার জন্য জাদু করতে পারে, যাতে সে তার শরীরে দীর্ঘ সময় অবস্থান করতে পারে।

অথবা জাদু না করেও সে ওই মেয়ে বা আক্রান্ত ব্যক্তির প্রতি তার নিজের হাসাদের কারণে তার জীবনে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

🔸কীভাবে নিজেকে বদনজর ও হাসাদ থেকে সুরক্ষিত রাখবেন?
বদনজর ও হাসাদ থেকে সুরক্ষিত থাকার জন্য কয়েকটি বিষয় রয়েছে।

১️/ নিয়মিত যিকির-আযকার করুন
সকাল-সন্ধ্যার যিকির, ঘুমের সময়ের যিকির, নামাজের পরের যিকির এবং ঘর থেকে বের হওয়া ও ঘরে প্রবেশের সময়ের যিকির।

২️/ সব নিয়ামত প্রকাশ করবেন না
আল্লাহ আপনার প্রতি যেসব নিয়ামত দান করেছেন, সেসব নিয়ামতের সবকিছু এমন ব্যক্তির সামনে প্রকাশ না করা, যে আপনার প্রতি বদনজর বা হাসাদ করতে পারে।

৩️/ সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের থেকে দূরে থাকুন
যেসব ব্যক্তিকে আপনার আক্রান্ত হওয়ার কারণ বলে মনে হয় অথবা যাদের ব্যাপারে আপনি নিশ্চিত—তাদের থেকে দূরে থাকা।

৪️/ নিয়মিত নিজের ওপর রুকইয়াহ করুন
নিয়মিত নিজের ওপর রুকইয়াহ করা, এমনকি আপনি সুস্থ ও নিরাপদ থাকলেও। নিজের ঘরকেও সুরক্ষিত রাখুন।

ইনশাআল্লাহ কোনো কিছু আপনাকে ক্ষতি করতে পারবে না।

আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করি, তিনি যেন আপনাদের সর্বদা নিরাপত্তা ও সুস্থতা দান করেন এবং আপনাদের থেকে সব ধরনের বদনজর ও হাসাদ দূরে রাখেন।

وَصَلَّى اللهُ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ

আমাদের মাধ্যমে রুকইয়াহ করতে যোগাযোগ করুন।
01974-151654
Raqi Mufti Abdul Malek
আশ শিফা রুকইয়াহ পয়েন্ট

16/09/2026

আগামীকাল
চট্টগ্রামে রুকইয়াহ নিয়ে থাকবো ইনশাআল্লাহ

12/09/2026

আমাদের সেবা এখন আপনার হাতের নাগালেই!

আলহামদুলিল্লাহ!
আশ শিফা রুকইয়াহ পয়েন্ট এখন সাভারে অবস্থিত।

এছাড়াও আমাদের রয়েছে রুকইয়াহ হোম সার্ভিস সেবা ঢাকাসহ দেশের ৬৪ জেলাতেই।
যেকোনো এলাকায় অভিজ্ঞ রাক্বী আপনার বাসায় গিয়ে পরিপূর্ণ শরিয়াহসম্মত রুকইয়াহ করবেন ইনশাআল্লাহ।

কিভাবে বুঝবেন যে, আপনার রুকইয়াহ করা প্রয়োজন?
দীর্ঘদিন ধরে এই লক্ষণগুলো থাকলে এবং ডাক্তারি চিকিৎসায় ভালো না হলে সতর্ক হোন—
▪ শরীর হঠাৎ দুর্বল, মাথা ভার বা ব্যথা
▪ ঘাড়, কাঁধ, চোখ বা পায়ে অস্বস্তি
▪ ঘুমের সমস্যা, ভয়ংকর স্বপ্ন (সাপ, কবর, নদী)
▪ শরীর গরম, মেজাজ খিটখিটে
▪ ইবাদত, পড়াশোনা বা কাজে মন না বসা
▪ ব্যবসা-চাকরিতে অদ্ভুত বাধা
▪ শরীর খারাপ লাগলেও রিপোর্ট নরমাল
▪ পরিবারে অশান্তি, স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া
▪️ বিয়ে বাঁধা, সংসারে বাঁধা, সন্তান না হওয়া
▪ একাকিত্ব, ভয়, মন খারাপ বা হঠাৎ কান্না
▪ মনে হয় কেউ পেছনে আছে বা হাঁটার শব্দ শোনা
এগুলো হতে পারে বদনজর, হাসাদ, জাদু বা জ্বিনের আছরের আছরের কারণ।

📖 রুকইয়াহ কী?
রুকইয়াহ হচ্ছে কুরআনের আয়াত, সহিহ হাদিসের দোয়া ও আল্লাহর সুন্দর নাম দিয়ে জ্বিন, জাদু, বদনজর, হাসাদ ইত্যাদি ও শারীরিক মানসিক কষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে শিফা চাওয়া।

রুকইয়াহ বনাম কবিরাজি
❌ কবিরাজি / ভণ্ডামি
• হাবিজাবি মন্ত্র, তাবিজ-কবচ
• রোগীর নাম-মায়ের নাম নেওয়া
• জিন হাজির, বলি, জ্যোতিষ, হাত দেখা ইত্যাদি
• কবিরাজি শিরকি চিকিৎসা থেকে দূরত্ব বজায় রাখুন, নিজের ঈমানকে বিসর্জন দিবেন না।

📌 রুকইয়াহ চলাকালীন রিঅ্যাকশন
হাই ওঠা, মাথা ব্যথা, বুক ধড়ফড়, কান্না, শরীর কাঁপা, বমি ভাব, রাগ — এগুলো দেখা দিলে বুঝবেন সমস্যা আছে।
(প্রথম সেশনে না দেখা গেলেও পরে সেলফ রুকইয়াহ করলে প্রকাশ পাবে ইনশাআল্লাহ)

আমরা কীভাবে রুকইয়াহ করি?
• সমস্যার বিস্তারিত বিশ্লেষণ
• কুরআনের শক্তিশালী আয়াত দিয়ে রুকইয়াহ
• সেলফ রুকইয়াহ গাইডলাইন
• সুন্নাহভিত্তিক উপকরণ (মধু, কালোজিরা, অলিভ অয়েল)
• প্রয়োজনে হিজামা পরামর্শ
• নিয়মিত ফলোআপ
• সার্বক্ষণিক সাপোর্ট প্রদান

তাই আর দেরি কেন?
আজই আপনার সিরিয়াল কনফার্ম করুন
📍 বাগান বিলাস ভবন ৬১/৩, দিলখুশাবাগ, সাভার, ঢাকা
📞 হটলাইন : 01974-151654, 01897-940830

মনে রাখবেন :
জ্বিন, জাদু, বদনজর, হাসাদ ইত্যাদি হলো শারীরিক রোগ-ব্যাধির মতোই।
সমস্যা আছে জেনেও চিকিৎসা না নেওয়া আপনারই ক্ষতি।
যত দিন যাবে, সমস্যা তত শক্তিশালী আকার ধারণ করবে।
তাই এখনই চিকিৎসা নেওয়া উচিত।

পোস্টটি শেয়ার করুন — হয়তো আপনার উছিলায় কারো জীবন বদলে যাবে।
আল্লাহ তাআ'লা আমাদের সবাইকে দৃশ্যমান এবং অদৃশ্যমান সকল বিপদ থেকে হেফাজত করুন। আমীন।
#রুকইয়াহ_হোমসার্ভিস িফা_রুকইয়াহ_পয়েন্ট #জ্বিন #বদনজর #হিংসা #স্বপ্ন #কালোজাদু #রুকইয়াহ #শিফা #রুকইয়াহ #রুকইয়াহ

কিছু স্বপ্ন কি জীবনের বাধাগ্রস্ততার ইঙ্গিত দেয়?জাদু, হিংসা ও বদনজরের সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু স্বপ্নের আলোচনাঅনেকেই স্বপ্নে...
10/09/2026

কিছু স্বপ্ন কি জীবনের বাধাগ্রস্ততার ইঙ্গিত দেয়?
জাদু, হিংসা ও বদনজরের সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু স্বপ্নের আলোচনা

অনেকেই স্বপ্নে এমন কিছু বিষয় বারবার দেখতে পান, যা তাদের মনে প্রশ্ন তৈরি করে—
“আমার জীবনে কি কোনো বাধাগ্রস্ততা রয়েছে?”

রুকইয়াহ ও স্বপ্নের ব্যাখ্যার আলোচনায় কিছু স্বপ্নকে কখনো কখনো বাধাগ্রস্ততার সম্ভাব্য ইঙ্গিত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে মনে রাখতে হবে, শুধু একটি স্বপ্ন দেখেই কারও ওপর জাদু, জিন, বদনজর বা হিংসার সিদ্ধান্ত দেওয়া যায় না।

নিচে এমন কিছু স্বপ্নের উদাহরণ দেওয়া হলো—

১. পরীক্ষার হলে গিয়ে উত্তর দিতে না পারা

স্বপ্নে দেখা যাচ্ছে আপনি পরীক্ষার হলে আছেন, কিন্তু—
• সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে, উত্তর শেষ করতে পারছেন না।
• পরীক্ষার হলে দেরিতে পৌঁছেছেন।
• উত্তরপত্র নিয়ে নেওয়া হয়েছে, অথচ লেখা শেষ হয়নি।

এ ধরনের স্বপ্ন বারবার দেখা হলে কখনো কখনো এটি জীবনের কোনো ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্ততার ইঙ্গিত হতে পারে—যেমন পড়াশোনা, বিবাহ, কাজ বা রিজিক।

২. বাসে উঠতে না পারা বা গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারা

স্বপ্নে বাসে উঠতে চাচ্ছেন কিন্তু উঠতে পারছেন না।

অথবা বাসে উঠেছেন, কিন্তু বসার জায়গা পাচ্ছেন না।

কিংবা বাসে বসার পর বাস নষ্ট হয়ে গেল এবং আপনি কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারলেন না।

এ ধরনের স্বপ্নও কখনো কখনো বাধাগ্রস্ততার প্রতীক হতে পারে।

৩. উঁচু স্থান থেকে পড়ে যাওয়া

স্বপ্নে কোনো উঁচু স্থান থেকে পড়ে যাওয়া—বিশেষ করে এর সঙ্গে যদি অন্যান্য বাধাগ্রস্ততার স্বপ্নও একই সময়ে দেখা যায়—তাহলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা যেতে পারে।

৪. জুতা কিনতে বা পরতে না পারা

স্বপ্নে নতুন জুতা কিনতে চাচ্ছেন কিন্তু কিনতে পারছেন না।

অথবা—
• জুতার মাপ ছোট বা বড়।
• জুতা পরতে পারছেন না।
• জুতা উল্টো করে পরেছেন।
• শুধু এক পায়ে জুতা পরেছেন।

এ ধরনের বিষয়ও কখনো কখনো বাধাগ্রস্ততার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা যেতে পারে।

৫. বাজারে গিয়ে পছন্দের জুতা না পাওয়া

স্বপ্নে বাজারে গিয়ে জুতা খুঁজছেন, কিন্তু উপযুক্ত জুতা পাচ্ছেন না।

পছন্দ হয়েছে, কিন্তু কিনছেন না।
বারবার সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন।
অথবা জুতা কেনার আগেই ঘুম ভেঙে যাচ্ছে।

৬. নতুন জুতা ছিঁড়ে যাওয়া

স্বপ্নে জুতা কিনেছেন, কিন্তু পরতে গিয়ে সেটি ছিঁড়ে গেল।

অথবা জুতা কেনার পর তাতে কোনো ত্রুটি দেখতে পেলেন।

এটিও কখনো কখনো বাধাগ্রস্ততার ইঙ্গিত বহন করতে পারে।

৭. আংটি হারিয়ে যাওয়া বা নষ্ট হয়ে যাওয়া

স্বপ্নে—
• আংটি হারিয়ে যাওয়া।
• আঙুল থেকে আংটি পড়ে যাওয়া।
• আংটি ভেঙে যাওয়া।
• আংটির মাপ ছোট বা বড় হওয়া।
• আংটির পাথর পড়ে যাওয়া।
• কেউ আংটি চুরি করে নিয়ে যাওয়া।
এসব স্বপ্নও কখনো কখনো বাধাগ্রস্ততার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

কিন্তু একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়!

কেউ যদি এসব স্বপ্ন দেখার পর হঠাৎ স্বপ্নে দেখে—
সে পরীক্ষায় সফল হয়েছে, উত্তর সম্পূর্ণ করেছে, সফলতার চিহ্ন পেয়েছে কিংবা কাঙ্ক্ষিত কোনো কাজে সফল হয়েছে—

তাহলে এটি ইনশাআল্লাহ দুশ্চিন্তা দূর হওয়া, স্বস্তি আসা, উদ্দেশ্য পূরণ হওয়া কিংবা কোনো দোয়া কবুল হওয়ার সুসংবাদ হতে পারে।

তাই প্রতিটি স্বপ্ন নিয়ে ভয় পাওয়ার দরকার নেই।
মনে রাখবেন—আল্লাহ তাআলা সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান।

সব স্বপ্ন কি বাধাগ্রস্ততার প্রমাণ?

না।

একটি বা দুটি স্বপ্ন দেখলেই বলা যাবে না যে আপনার ওপর জাদু রয়েছে, বিবাহে বাধা রয়েছে কিংবা আপনার রিজিক বন্ধ হয়ে গেছে।

একই স্বপ্নের একাধিক ব্যাখ্যাও হতে পারে।

যেমন, স্বপ্নে দেখা যাচ্ছে আপনি একটি রাস্তা দিয়ে হাঁটছেন কিন্তু কোথায় যাবেন তা জানেন না, অথবা কাঙ্ক্ষিত স্থানে পৌঁছাতে পারছেন না।
এটি কখনো বাধাগ্রস্ততার ইঙ্গিত হতে পারে।

আবার এটি ব্যক্তির দ্বীনের দুর্বলতা, ইবাদতে অবহেলা, নামাজে গাফেলতি, আল্লাহর আনুগত্য থেকে দূরে থাকা কিংবা জীবনের বিভ্রান্তিরও প্রতীক হতে পারে।

তাই প্রথম স্বপ্ন দেখেই সিদ্ধান্ত নয়।

পুনরাবৃত্তি, ব্যক্তির বাস্তব অবস্থা এবং অন্যান্য লক্ষণ—সবকিছু বিবেচনা করতে হবে।

জাদু ছাড়াও কি বাধাগ্রস্ততা হতে পারে?

বাধাগ্রস্ততার বিষয়টি শুধু জাদুর সঙ্গে যুক্ত করে দেখা ঠিক নয়।

রুকইয়াহর আলোচনায় কখনো কখনো বদনজর ও হিংসার প্রভাবের কথাও বলা হয়।

বিশেষ করে বদনজর বা হিংসার প্রভাব দ্রুত প্রকাশ পেতে পারে এবং আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তবে এসব বিষয়কে নিশ্চিত সিদ্ধান্ত হিসেবে না নিয়ে শরয়ি রুকইয়াহ, দোয়া-দরুদ এবং আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুলের মাধ্যমে মোকাবিলা করা উচিত।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
স্বপ্নকে কেন্দ্র করে নিজের জীবন পরিচালনা করবেন না।

শয়তান মানুষের মনে ভয় ও সন্দেহ সৃষ্টি করতে পারে।
ঘুমের মধ্যে দেখা প্রতিটি স্বপ্ন সত্য নয়।
প্রতিটি স্বপ্ন ভবিষ্যতে ঘটবে—এমনও নয়।

তাই স্বপ্ন দেখে আতঙ্কিত না হয়ে জাগ্রত অবস্থায় আল্লাহকে ভয় করুন, নামাজ ঠিক করুন, ইবাদত বৃদ্ধি করুন এবং শরয়ি রুকইয়াহ ও মাসনূন দোয়ার প্রতি গুরুত্ব দিন।

আপনার দেখা কোনো একটি স্বপ্নকে কেন্দ্র করে নিজেকে “জাদুগ্রস্ত”, “বদনজরগ্রস্ত” বা “বিবাহে বাধাগ্রস্ত” মনে করে ফেলবেন না।

আল্লাহর ওপর ভরসা রাখুন।
وَاللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

“নিশ্চয়ই আল্লাহ সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান।”

আপনি কোন বিষয় নিয়ে চিন্তিত হলে কমেন্ট করুন।

#রুকইয়াহ
#বাধাগ্রস্ততা
#জাদু
#বদনজর
#হিংসা
#স্বপ্ন
#শরয়ি_রুকইয়াহ
িফা_রুকইয়াহ_পয়েন্ট

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে বেশি প্রচলিত লক্ষণগুলো উল্লেখ করব ইনশাআল্লাহ ▪️প্রথমত: অতিরিক্ত হাই ত...
29/08/2026

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে বেশি প্রচলিত লক্ষণগুলো উল্লেখ করব ইনশাআল্লাহ

▪️প্রথমত: অতিরিক্ত হাই তোলা।
নজর ও হিংসায় আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে প্রায়ই অতিরিক্ত হাই তোলার প্রবণতা দেখা যায়। বিশেষ করে নামাজের সময়, যিকির করার সময় অথবা কুরআন শোনার সময়। কখনো কুরআন শোনার সময় হাই তোলার সঙ্গে চোখে পানি আসতে পারে।

▪️দ্বিতীয়ত: শরীরের তাপমাত্রা বা গরম অনুভূত হওয়া।
মাযলুম ব্যক্তি বা নজরগ্রস্ত ব্যক্তি প্রায়ই শরীরে গরম অনুভব করতে পারে। কখনো মুখে, কখনো পায়ে, আবার কখনো পুরো শরীরে। অনেক সময় এই গরম অনুভূতি কাঁধে বেশি অনুভূত হয়। তাকে ঠান্ডা জায়গা পছন্দ করতে দেখা যায়। এই গরম অনুভূতির কারণে অতিরিক্ত তৃষ্ণা ও বারবার পানি পান করার প্রবণতাও হতে পারে।

▪️তৃতীয়ত: কোনো কারণ ছাড়াই অতিরিক্ত কান্না করা।
নজরগ্রস্ত বা হিংসায় আক্রান্ত ব্যক্তি অনেক সময় কোনো কারণ ছাড়াই কান্না করতে থাকে। এমনকি তার সঙ্গে কথা বলতে শুরু করলেই সে কান্না শুরু করতে পারে এবং তার মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী বিষণ্ণতা থাকতে পারে।

▪️চতুর্থত: আক্রান্ত ব্যক্তি হঠাৎ করে খারাপ অবস্থায় ফিরে যেতে পারে।
বিশেষ করে যার কারণে সে আক্রান্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, তার সঙ্গে দেখা হলে। তখন সে বলতে পারে, “অমুক ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করলে আমার ব্যর্থতা, দুঃখ, অস্বস্তি বা শ্বাসরোধের মতো অনুভূতি হয়। আমি তার কাছ থেকে দূরে সরে যেতে চাই। কিন্তু তার কাছ থেকে দূরে না যাওয়া পর্যন্ত স্বস্তি পাই না।”
এটি নজরের প্রভাব অব্যাহত থাকার কারণে হতে পারে। অর্থাৎ ওই ব্যক্তি নজর লাগানোর কারণ হতে পারে বলে ধারণা করা হয়। তাই তার ব্যাপারে সতর্ক থাকা অথবা নিজেকে সুরক্ষিত রাখা উচিত।

▪️পঞ্চমত: একাকীত্ব পছন্দ করা।
নজর বা হিংসায় আক্রান্ত ব্যক্তি সাধারণত একা থাকতে পছন্দ করে এবং কারো সঙ্গে মিশতে চায় না। কখনো অন্ধকার জায়গা পছন্দ করে। আবার কোনো মজলিসে বসলে কথা বলতে অসুবিধা, অস্বস্তি বা শ্বাসকষ্টের মতো অনুভূতি হতে পারে। একা না হওয়া পর্যন্ত সে স্বস্তি অনুভব করে না।

▪️ষষ্ঠত: শরীর শুকিয়ে যাওয়া, অলসতা এবং অবসাদ।
আক্রান্ত ব্যক্তি প্রায়ই ঘুমাতে পছন্দ করে এবং দীর্ঘ সময় হাঁটতে বা দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। কখনো হাত-পায়ে অবশভাব বা ঠান্ডা অনুভূত হতে পারে। আবার এর বিপরীতও হতে পারে—অল্প ঘুম, ক্রমাগত অনিদ্রা ও ক্লান্তি দেখা দিতে পারে। ঘুমাতে গেলেও স্বস্তিতে ঘুমাতে পারে না।

▪️সপ্তমত: অতিরিক্ত রাগ ও ধৈর্য কমে যাওয়া।
সামান্য কারণেই ব্যক্তি রেগে যেতে পারে। তখন তাকে নিজের ওপর রুকইয়াহ করা অথবা নজর ও হিংসার আয়াত পড়ে রুকইয়াহ করা পানি দিয়ে গোসল করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এতে আল্লাহর ইচ্ছায় সে স্বস্তি অনুভব করতে পারে এবং দ্রুত রাগ কমে যেতে পারে।

▪️অষ্টমত: অতিরিক্ত ভুলে যাওয়া এবং মাথাব্যথা।
আগে স্বাভাবিক থাকা অবস্থায় কোনো চিকিৎসাগত কারণ ছাড়াই যদি হঠাৎ অতিরিক্ত ভুলে যাওয়া ও মাথাব্যথার অভিযোগ দেখা দেয়, তখন এটিকে নজর ও হিংসার একটি লক্ষণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

▪️নবমত: মুখ ফ্যাকাশে ও হলুদ হয়ে যাওয়া।
আক্রান্ত ব্যক্তির মুখ হলুদ বা ফ্যাকাশে দেখাতে পারে, যেন জ্বর বা কোনো রোগে আক্রান্ত হয়েছে। বিশেষ করে চোখের নিচে কালচে ভাব দেখা দিতে পারে। মুখে বারবার ব্রণ বা ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে, কখনো এর সঙ্গে ব্যথাও থাকতে পারে। এগুলো চিকিৎসায় উপকার না পাওয়ার পর রুকইয়াহ ও রুকইয়াহ করা পানি দিয়ে শরীর ধোয়ার মাধ্যমে দূর হয়ে যায়।

প্রশ্ন:
‘হিংসার শয়তান’ বলতে কী বোঝায়?
— হিংসার শয়তান: এমন এক শয়তানকে বোঝানো হয়, যে নজর বা হিংসার কারণে শরীরে প্রবেশ করেছে বলে ধারণা করা হয় এবং সে যে স্থানে অবস্থান করে, সেই স্থান অনুযায়ী বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করে।

যদি সে পাকস্থলীতে অবস্থান করে, তাহলে সেখানে ব্যথা, পেট ফাঁপা, বিভিন্ন ধরনের অস্বস্তি এবং ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোমের মতো সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। আর যদি জরায়ুতে অবস্থান করে, তাহলে সেখানেও বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করতে পারে, যা চিকিৎসার মাধ্যমে দূর হয় না বলে দাবি করা হয়।

আর যদি সে মাথায় অবস্থান করে, তাহলে মাথায় বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। পরবর্তীতে এই শয়তান ‘আশিক’ বা প্রেমাসক্ত জিনে পরিণত হতে পারে।

অর্থাৎ হিংসার কারণে সে দীর্ঘ সময় শরীরে অবস্থান করলে এবং কোনো নারীর ব্যক্তিগত বিষয় ও সৌন্দর্যের প্রতি আকৃষ্ট হলে তাকে ভালোবেসে ফেলে এবং বের হতে চায় না। এভাবে সে তার জীবনে বিভিন্ন বাধা সৃষ্টি করতে পারে বলে ধারণা করা হয়।

এমনকি তার প্রতি আকর্ষণের কারণে সে ওই নারীর ওপর জাদুও করতে পারে।
এগুলো নজর ও হিংসার উল্লেখযোগ্য লক্ষণ হিসেবে বলা হয়েছে।

নজর ও হিংসার কারণে মানুষের জীবন, বিভিন্ন রোগ, বারবার অসুস্থ হয়ে পড়া, অতিরিক্ত ওয়াসওয়াসা এবং রিজিক অর্জনের উপায়ে ব্যর্থতার ওপর বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বলে উল্লেখ করা হয়। এমনকি ডায়াবেটিস, পক্ষাঘাত, চুল পড়া, সন্তান না হওয়া এবং নিজের কাঙ্ক্ষিত বিষয়ে সফলতা না পাওয়ার মতো শারীরিক সমস্যার সঙ্গেও এগুলোকে সম্পৃক্ত করা হয়।

প্রশ্ন:
নজর ও হিংসা কি জীবনে বাধা সৃষ্টি করতে পারে?
— উত্তর:
হ্যাঁ, নজর ও হিংসা বাধা সৃষ্টি করতে পারে এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে ঘটে।
আর গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—কীভাবে এটি বাধা সৃষ্টি করে?
‘হিংসার শয়তান’ কোনো নারীর প্রতি আকৃষ্ট হলে তাকে বিয়ে থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে তার ওপর জাদু করতে পারে যাতে সে তার শরীরে দীর্ঘ সময় অবস্থান করতে পারে। আবার জাদু না করেও সে ওই নারী বা আক্রান্ত ব্যক্তির প্রতি হিংসার কারণে তার জীবনে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

প্রশ্ন:
আমি কীভাবে নিজেকে নজর ও হিংসা থেকে সুরক্ষিত রাখব?
নজর ও হিংসা থেকে সুরক্ষিত থাকার জন্য কয়েকটি বিষয় পালন করা উচিত।
• প্রথমত, নিয়মিত যিকির-আযকার করা—যেমন · সকাল-সন্ধ্যার যিকির, ঘুমের সময়ের যিকির, নামাজের পরের যিকির এবং ঘর থেকে বের হওয়া ও ঘরে প্রবেশের সময়ের যিকির।
• দ্বিতীয়ত, আল্লাহ আপনার ওপর যেসব নিয়ামত দান করেছেন, সেসব নিয়ামত এমন ব্যক্তিদের সামনে প্রকাশ না করা, যাদের কাছ থেকে আপনার নজর বা হিংসার আশঙ্কা রয়েছে।
• তৃতীয়ত, যেসব ব্যক্তিকে আপনি আপনার আক্রান্ত হওয়ার কারণ বলে মনে করেন অথবা যাদের ব্যাপারে আপনি নিশ্চিত, তাদের থেকে দূরে থাকা।

আমরা আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করি, তিনি যেন আমাদের এবং আপনাদের ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র ও হিংসুকদের হিংসা থেকে হেফাজত করেন।
আল্লাহুম্মা আমিন।

অন্যের উপকারের উদ্দেশ্যে শেয়ার করতে পারেন।

01974-151654
Raqi Mufti Abdul Malek
আশ শিফা রুকইয়াহ পয়েন্ট

সতর্ক হোন—যাতে ভণ্ড ও প্রতারক ঝাড়ফুঁককারীদের শিকার না হন🚫 শরিয়াহসম্মত রুকইয়াহকারী আপনার নাম, আপনার মায়ের নাম, আপনার ছবি,...
25/08/2026

সতর্ক হোন—যাতে ভণ্ড ও প্রতারক ঝাড়ফুঁককারীদের শিকার না হন

🚫 শরিয়াহসম্মত রুকইয়াহকারী আপনার নাম, আপনার মায়ের নাম, আপনার ছবি, জন্মতারিখ কিংবা আপনার ব্যবহৃত কোনো জিনিসের অংশ/চিহ্ন চাইবেন না।

🚫 শরিয়াহসম্মত রুকইয়াহকারীকে আপনার ওপর জাদু করেছে—তা জানেন না। এমনকি কোনো জিনের মাধ্যমে জানতে পারলেও তার কথা বিশ্বাস করবেন না; কারণ জিন মিথ্যাবাদী।

🚫 শরিয়াহসম্মত রুকইয়াহকারী নিজেকে ‘রূহানি’ বা অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী বলে পরিচয় দেন না।

🚫 শরিয়াহসম্মত রুকইয়াহকারী আপনাকে কোনো তাবিজ, কবচ বা হেফাজতের জন্য কোনো বস্তু দেবেন না—এমনকি তাতে কুরআনের আয়াত লেখা থাকলেও।

🚫 শরিয়াহসম্মত রুকইয়াহকারী কোনো তালাকপ্রাপ্তা নারীকে তার স্বামীর কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি করেন না এবং কাউকে ‘প্রেমিক/প্রেমিকা এনে দেওয়ার’ কাজও করেন না।

🚫 শরিয়াহসম্মত রুকইয়াহকারী আপনাকে এমন কোনো বস্তু খেতে বা মাটিতে পুঁতে রাখতে দেবেন না এবং নারীদের জন্য কোনো ধরনের যোনিপথে ব্যবহারের ওষুধ/সাপোজিটরি দেওয়ার কাজও করেন না।

🚫 শরিয়াহসম্মত রুকইয়াহকারী আপনার সম্পর্কে এমন কোনো গায়েবি তথ্য জানেন না, যা আপনি তাকে জানাননি।

🚫 শরিয়াহসম্মত রুকইয়াহকারী কুরআন তিলাওয়াতে ভুল করেন না; বরং তিনি কুরআন শুদ্ধভাবে ও তাজবিদের সঙ্গে পড়তে সক্ষম হন।

🚫 শরিয়াহসম্মত রুকইয়াহকারী আপনার শরীরের কোনো অঙ্গের ছবি চাইবেন না।

🚫 শরিয়াহসম্মত রুকইয়াহকারী কোনো নারীর সঙ্গে নির্জনে একান্তে থাকবেন না। কোনো নারীকে চিকিৎসা/রুকইয়াহ করলেও তার পরিবারের সদস্য বা মাহরাম উপস্থিত থাকা আবশ্যক।

🚫 শরিয়াহসম্মত রুকইয়াহকারী শুধু দুজনের নাম দেখে কোনো স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কতটা মিল বা সামঞ্জস্য আছে—তা নির্ধারণ করতে পারেন না।

🚫 শরিয়াহসম্মত রুকইয়াহকারী মুসলিম বা অন্য কোনো জিনের সাহায্য নেন না এবং তার কোনো ‘খাদেম’ বা জিনের সেবক নেই।

🚫 শরিয়াহসম্মত রুকইয়াহকারী আপনাকে পরার জন্য তসবিহ, আংটি, তাবিজ বা কোনো ধরনের চেইন দেবেন না।

🚫 শরিয়াহসম্মত রুকইয়াহকারী আপনাকে কোনো প্রাণী এনে জবাই করতে এবং তা জিন-শয়তানের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করতে বলবেন না।

🚫 শরিয়াহসম্মত রুকইয়াহকারী ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো নারীর শরীরে স্পর্শ করবেন না এবং কোনো আড়াল/বাধা থাকলেও তার শরীরে কিছু লিখতে বলবেন না।

🚫 শরিয়াহসম্মত রুকইয়াহকারী অবশ্যই দ্বীনি জ্ঞান অর্জনকারী, সঠিক আকীদার অধিকারী এবং শিরক ও বিদআত থেকে মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করেন।

🚫 শরিয়াহসম্মত রুকইয়াহকারী মানসিক ও মনস্তাত্ত্বিক রোগ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় জ্ঞান রাখবেন। কারণ অনেক মানসিক রোগের উপসর্গ কখনো কখনো জিনের আসর বা জাদুর কথিত উপসর্গের মতো মনে হতে পারে। তাই সঠিকভাবে বিষয়টি বোঝা ও প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে যথাযথ চিকিৎসার দিকে নির্দেশ করা গুরুত্বপূর্ণ।

🔵 তাই সতর্ক থাকুন
যেসব ভণ্ড ও প্রতারক কুরআনের মাধ্যমে চিকিৎসাকারীর পোশাক ধারণ করে মানুষের সামনে নিজেদের উপস্থাপন করে, তাদের শিকার হওয়া থেকে বেঁচে থাকুন।

বরং এমন দ্বীনদার ও বিশ্বস্ত ব্যক্তির সন্ধান করুন, যিনি পবিত্র কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর আলোকে রুকইয়াহ করেন এবং ভণ্ডামি, প্রতারণা ও মানুষের অসুস্থতা-দুর্বলতাকে ব্যবসার পণ্য বানানো থেকে দূরে থাকেন।

আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করি—তিনি যেন সকল মুসলিমকে সব ধরনের অনিষ্ট, বিপদ ও রোগ থেকে হেফাজত করেন।

01974-151654
আশ শিফা রুকইয়াহ পয়েন্ট
Raqi Mufti Abdul Malek

আগামীকাল রুকইয়াহ সফর রংপুর এবং নীলফামারী।প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন ইনশাআল্লাহ01974-151654 Raqi Mufti Abdul Malek আশ শি...
20/08/2026

আগামীকাল রুকইয়াহ সফর রংপুর এবং নীলফামারী।
প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন ইনশাআল্লাহ

01974-151654
Raqi Mufti Abdul Malek
আশ শিফা রুকইয়াহ পয়েন্ট

Address

Nikkan Housing Society, Dewan Market, Kuturia
Rangpur
1340

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আশ শিফা রুকইয়াহ পয়েন্ট posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to আশ শিফা রুকইয়াহ পয়েন্ট:

Shortcuts

Share