Hijama Planet: Cupping & Ruqyah Center

Directions

Hijama Planet: Cupping & Ruqyah Center সম্পূর্ণ শরীয়াহ ভিত্তিক
কুরআন-সুন্নাহের আলোকে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান।

18/10/2026

অনেকের দেখা যায় পূজার সময় কিংবা নির্দিষ্ট বিশেষ দিনগুলোতে জিনের সমস্যা বা শারীরিক ও মানসিক অস্থিরতা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। ইসলামিক দৃষ্টিভঙ্গিতে এর অন্যতম প্রধান কারণ হলো, এসব সময়ে শয়তানি শক্তি ও জিনদের তৎপরতা বেড়ে যায়। বিভিন্ন মন্ত্র ও শিরকি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শয়তানদের প্ররোচিত ও সক্রিয় করা হয়, যার প্রভাবে জিন ও জাদুতে আক্রান্ত ব্যক্তিরা মারাত্মক কষ্টের সম্মুখীন হন।

পূজার দিনে জিনের রোগীদের সমস্যা বাড়ার কারণসমূহ:

শয়তানি শক্তির সক্রিয়তা: বিশেষ কিছু কর্মকাণ্ড ও মন্ত্র উচ্চারণের মাধ্যমে শয়তান ও খবীস জিনদের আহ্বান জানানো হয়, যা তাদের শক্তি ও উপদ্রব বাড়িয়ে দেয়।

জাদুর প্রভাব তীব্র হওয়া: জিনের আছর বা জাদুতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ওপর থাকা শয়তানি প্রভাব এসব দিনে আরও বেশি আগ্রাসী রূপ নেয়।

মানসিক ও শারীরিক অস্থিরতা: রোগীদের মধ্যে হঠাৎ ভয়, আতঙ্ক, মাথা ব্যথা, বুকে চাপ লাগা বা মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ প্রকট হয়।

এর স্থায়ী ও কার্যকরী সমাধান: রুকইয়াহ (Ruqyah)

এ ধরনের পরিস্থিতি থেকে বাঁচার একমাত্র সঠিক পথ হলো কুরআন ও সহীহ হাদিস নির্দেশিত আমল ও শারঈ রুকইয়াহ্‌ গ্রহণ করা।

📍সাভার ব্রাঞ্চ ::
হিজামা প্ল্যানেটঃ কাপিং ও রুকইয়াহ সেন্টার (সাভার ব্রাঞ্চ);
হাউস নং: ২১৭ (২য় তলা), রোড: ১১,
Savar DOHS ২নং গেট সংলগ্ন,(সেনা পাবলিক স্কুলের সামনে), সাভার সেনানিবাস,নবীনগর,সাভার।
[২ নং গেট সংলগ্ন হাতের ডানে দ্বিতীয় এপার্টমেন্ট]
মোবাইল : 01896-510004

17/10/2026

অভিজ্ঞ হাফেজ ও রাক্বী: প্রতিটি ব্রাঞ্চে অভিজ্ঞ হাফেজ রাক্বী দ্বারা বিশুদ্ধ কোরআন ও সুন্নাহর নিয়মে রুকইয়াহ করা হয়।

১২ বছরের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা: ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা বিশ্বস্ততার সাথে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছি।

ক্লিনিক্যাল ও নিরাপদ পরিবেশ: আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সেবা প্রদান করা হয়।

আল্লাহর রহমতের ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে আজই সঠিক পরামর্শ ও সেবার জন্য চলে আসুন আমাদের যেকোনো ব্রাঞ্চে।

📍সাভার ব্রাঞ্চ ::
হিজামা প্ল্যানেটঃ কাপিং ও রুকইয়াহ সেন্টার (সাভার ব্রাঞ্চ);
হাউস নং: ২১৭ (২য় তলা), রোড: ১১,
Savar DOHS ২নং গেট সংলগ্ন,(সেনা পাবলিক স্কুলের সামনে), সাভার সেনানিবাস,নবীনগর,সাভার।
[২ নং গেট সংলগ্ন হাতের ডানে দ্বিতীয় এপার্টমেন্ট]
মোবাইল : 01896-510004

শুরু হয়ে গেলোঅক্টোবর মাসের হিজামা প্ল্যানেটের ডিস্কাউন্ট সপ্তাহ‼️আরবি মাসের প্রথম রবিবার থেকে দ্বিতীয় রবিবার পর্যন্ত হিজ...
17/10/2026

শুরু হয়ে গেলো
অক্টোবর মাসের হিজামা প্ল্যানেটের ডিস্কাউন্ট সপ্তাহ‼️
আরবি মাসের প্রথম রবিবার থেকে দ্বিতীয় রবিবার পর্যন্ত হিজামা প্ল্যানেটে চলে বিশেষ

#ডিস্কাউন্ট_সপ্তাহ।
যারা বাজেট স্বল্পতার জন্য হিজামা করাতে দ্বিধাবোধ করছেন, তারা এই বিশেষ সুযোগটি কিন্তু কাজে লাগিয়ে হিজামা সেশন নিয়ে নিতে পারেন। হিজামা ডিস্কাউন্ট সপ্তাহ চলবে ১৮ - ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ইন'শা'আল্লাহ।

#স্পেশাল_ডিস্কাউন্ট_প্যাকেজ_১ঃ
হিজামা সেশান মাত্র ২০৫০ টাকায়।
১। সর্বোচ্চ ১৫ টি পয়েন্টে (শরীরের যে কোন স্থানে)।
২। সকাল ৯ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত।
৩। প্রথম দশ জন।
৪। শুধুমাত্র আরবী মাসের প্রথম রবিবার থেকে দ্বিতীয় রবিবার পর্যন্ত।
৫। অফারের কথা এ্যাপয়েন্টমেন্ট এর সময় উল্লেখ করতে হবে।
৬। এ্যাপয়েন্টমেন্ট এর সময় অগ্রীম পেমেন্ট করতে হবে।

#স্পেশাল_ডিস্কাউন্ট_প্যাকেজ_২ঃ
হিজামা সেশান মাত্র ১৫৫০ টাকায়।
১। শুধু পিঠের নির্দিষ্ট ১০ টি পয়েন্টে।
২। সকাল ৯ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত।
৩। প্রথম দশ জন।
৪। শুধুমাত্র প্রথম রবিবার থেকে দ্বিতীয় রবিবার পর্যন্ত
৫। অফারের কথা এ্যাপয়েন্টমেন্ট এর সময় উল্লেখ করতে হবে।
৬। এ্যাপয়েন্টমেন্ট এর সময় অগ্রীম পেমেন্ট করতে হবে।
তাহলে আর দেরি না করে হিজামা বা রুকইয়াহ সার্ভিস নিতে আজই অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে চলে আসুন হিজামা প্ল্যানেট- এর আপনার নিকটবর্তী শাখায়।

📍সাভার ব্রাঞ্চ ::
হিজামা প্ল্যানেটঃ কাপিং ও রুকইয়াহ সেন্টার (সাভার ব্রাঞ্চ);
হাউস নং: ২১৭ (২য় তলা), রোড: ১১,
Savar DOHS ২নং গেট সংলগ্ন,(সেনা পাবলিক স্কুলের সামনে), সাভার সেনানিবাস,নবীনগর,সাভার।
[২ নং গেট সংলগ্ন হাতের ডানে দ্বিতীয় এপার্টমেন্ট]
মোবাইল : 01896-510004

16/10/2026

বর্তমান জেনারেশন নানা মানসিক ও শারীরিক সমস্যায় জর্জরিত। অনিদ্রা, অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও ডিপ্রেশন এখন নিত্যদিনের সঙ্গী।

এ ছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যক্তিগত ছবি আপলোডের কারণে অনেকেই বদনজরের শিকার হন।

এসব সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এবং তরুণদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় হিজামা প্ল্যানেট (Hijama Planet) নিয়ে এসেছে বিশেষ Gen Z Card।

জেন জি কার্ডের সুবিধা:হিজামা ও রুকইয়াহ সেবায় পাওয়া যাবে ১০% ডিসকাউন্ট।

খুব সহজেই এই কার্ডটি ব্যবহার করে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করা সম্ভব। অস্থিরতা কাটিয়ে সুস্থ ও সুন্দর জীবনযাপন করতে আজই আপনার ডিসকাউন্ট কার্ডটি সংগ্রহ করুন এবং সেবা নিন।
📍সাভার ব্রাঞ্চ ::
হিজামা প্ল্যানেটঃ কাপিং ও রুকইয়াহ সেন্টার (সাভার ব্রাঞ্চ);
হাউস নং: ২১৭ (২য় তলা), রোড: ১১,
Savar DOHS ২নং গেট সংলগ্ন,(সেনা পাবলিক স্কুলের সামনে), সাভার সেনানিবাস,নবীনগর,সাভার।
[২ নং গেট সংলগ্ন হাতের ডানে দ্বিতীয় এপার্টমেন্ট]
মোবাইল : 01896-510004

সব ঠিকঠাক থাকার পরও কি বারবার বিয়ের কথা পাকাপাকি হওয়ার পর ভেঙে যাচ্ছে? পাত্রী দেখার পর বা কাবিন পর্যন্ত গিয়েও কোনো কারণ ...
15/10/2026

সব ঠিকঠাক থাকার পরও কি বারবার বিয়ের কথা পাকাপাকি হওয়ার পর ভেঙে যাচ্ছে? পাত্রী দেখার পর বা কাবিন পর্যন্ত গিয়েও কোনো কারণ ছাড়া সম্পর্কে হঠাৎ ফাটল ধরছে? কিংবা বিয়ের নাম শুনলেই তীব্র অনীহা, ভয় বা বুক ধড়ফড় করে উঠছে?

এগুলোকে সাধারণ কোিনো সমস্যা বা কপাল দোষ ভেবে এড়িয়ে যাবেন না! ইসলামি শরিয়াহ ও রুকইয়াহ বিজ্ঞানের মতে, মানুষের অকল্যাণ কামনাকারীদের করা ‘বিয়ে বন্ধের জাদু’ (Siḥr al-Ta'ṭīl) বা বদনজরের কারণে অনেক যোগ্য তরুণ-তরুণীর বিবাহিত জীবন বাধাগ্রস্ত হয়। ভণ্ড কবিরাজের তাবিজ-কবজের কাছে না গিয়ে, বিশুদ্ধ কোরআনিক রুকইয়াহর মাধ্যমে এই কালোজাদু থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হওয়া সম্ভব!

বিয়ে বন্ধের জাদুর প্রধান লক্ষণ ও রুকইয়াহর উপকারিতা:
সম্পর্ক বা বিয়ের বাধা দূর করে: বিয়ের কথাবার্তায় তৈরি হওয়া অদৃশ্য বাধা ও জাদুর প্রভাব কেটে গিয়ে বরকতময় সম্পর্কের পথ সুগম করে।

মানসিক অনীহা ও ভয় দূর করে: বিয়ের নাম শুনলেই যে অযৌক্তিক ভয়, ঘৃণা বা অস্বস্তি কাজ করে, তা রুকইয়াহর মাধ্যমে চিরতরে দূর হয়।

অহেতুক ভুল বোঝাবুঝি ও দূরত্ব কমায়: হবু জীবনসঙ্গীর সাথে বিনা কারণে দূরত্ব, সন্দেহ বা ঝগড়া তৈরির খারাপ প্রভাব কেটে যায়।

কোরআনের আলোয় আত্মিক সুরক্ষা: কুফরি বা জাদুটোনার সমস্ত জঘন্য আছর থেকে পবিত্র কালামের শক্তিতে শরীর ও মনকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রাখে।

ভণ্ডামিমুক্ত ১০০% সুন্নাহ চিকিৎসা: কোনো ধরনের শির্ক, তাবিজ বা অনৈসলামিক পদ্ধতি ছাড়াই সম্পূর্ণ শরিয়তসম্মত উপায়ে কোরআনের তেলাওয়াতের মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়।

‘হিজামা প্ল্যানেট’-এ কেন চিকিৎসা নেবেন?
১২ বছরের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা: দেশের ১ নম্বর ও সর্ববৃহৎ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার হিসেবে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা বিশ্বস্ততার সাথে সেবা দিয়ে আসছি।

বিজ্ঞ ও আমলদার হাফেজ রাক্বী: অভিজ্ঞ এবং পরহেজগার রাক্বীগণের তত্ত্বাবধানে অত্যন্ত আন্তরিকতা ও গোপনীয়তার সাথে রুকইয়াহ সেশন পরিচালনা করা হয়।

২৫টিরও বেশি সুপ্রসিদ্ধ ব্রাঞ্চ: মহিলাদের জন্য আমাদের প্রতিটি সেন্টারে রয়েছে সম্পূর্ণ নিরাপদ, আলাদা ও পর্দানশীন চিকিৎসার বিশেষ ব্যবস্থা।
সম্পূর্ণ গোপনীয়তা রক্ষা: প্রতিটি রোগীর সমস্যা পরম যত্নের সাথে শুনে শরিয়াহসম্মত সমাধান দেওয়া হয়।

বিয়ে নিয়ে অযথা হতাশা ও আতঙ্কে দিন না কাটিয়ে মহান আল্লাহর কালামের ওপর পূর্ণ ভরসা রাখুন। আজই আমাদের অভিজ্ঞ রাক্বীদের সাথে পরামর্শ করুন এবং সুস্থ জীবনের দিকে এক ধাপ এগিয়ে যান।

📍সাভার ব্রাঞ্চ ::
হিজামা প্ল্যানেটঃ কাপিং ও রুকইয়াহ সেন্টার (সাভার ব্রাঞ্চ);
হাউস নং: ২১৭ (২য় তলা), রোড: ১১,
Savar DOHS ২নং গেট সংলগ্ন,(সেনা পাবলিক স্কুলের সামনে), সাভার সেনানিবাস,নবীনগর,সাভার।
[২ নং গেট সংলগ্ন হাতের ডানে দ্বিতীয় এপার্টমেন্ট]
মোবাইল : 01896-510004

সুন্দর একটা হাঁসি, ভালো কোনো অর্জন, ব্যবসায় উন্নতি কিংবা চমৎকার স্বাস্থ্য—হঠাৎ করেই কোনো কারণ ছাড়া সবকিছু তছনছ হয়ে যাচ্ছ...
14/10/2026

সুন্দর একটা হাঁসি, ভালো কোনো অর্জন, ব্যবসায় উন্নতি কিংবা চমৎকার স্বাস্থ্য—হঠাৎ করেই কোনো কারণ ছাড়া সবকিছু তছনছ হয়ে যাচ্ছে? কোনো কারণ ছাড়াই বাচ্চা খাবার খাওয়া বন্ধ করে দিচ্ছে, নিজের অহেতুক অসুস্থতা বা মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকছে?

ইসলামে বদনজর (Eye Contact / Evil Eye) একটি সত্য ও ভয়ংকর বিষয়! হাদিসে এসেছে—বদনজর মানুষকে কবর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে পারে। মানুষের হিংসা বা কুদৃষ্টির ফলে তৈরি এই অদৃশ্য প্রভাব থেকে বাঁচতে একমাত্র স্থায়ী ও শরিয়াহসম্মত সমাধান হলো কোরআনিক রুকইয়াহ চিকিৎসা।

বদনজরের প্রধান লক্ষণ এবং রুকইয়াহর জাদুকরী উপকারিতা:
অহেতুক অসুস্থতা দূর করে: ডাক্তারি টেস্টে সব নরমাল আসা সত্ত্বেও শরীরে তীব্র ক্লান্তি, অলসতা বা মাথা ব্যথা থাকলে তা রুকইয়াহর মাধ্যমে নিমেষেই দূর হয়।

ব্যবসায় বা কাজে বাধা কাটায়: হঠাৎ করে ভালো চলতে থাকা ব্যবসা বা পড়াশোনায় হঠাৎ ধস নামলে বদনজরের রুকইয়াহ অলৌকিক বরকত এনে দেয়।
শিশুদের অহেতুক কান্না থামায়: বাচ্চার কান্না, বারবার অসুস্থ হওয়া বা খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দেওয়ার মতো বদনজরের সমস্যা দ্রুত সমাধান করে।

মন ও আত্মায় প্রশান্তি: অস্থিরতা, বুক চেপে আসা ও মেজাজ খিটখিটে থাকার ভাব কাটিয়ে মানসিক শান্তি ফিরিয়ে আনে।

চিরতরে সুরক্ষার আমল: শুধু রুকইয়াহ নয়, নিয়মিত কীভাবে নিজের ও পরিবারের বদনজর কাটাবেন তার বিশেষ সুন্নাহ আমল শিখিয়ে দেওয়া হয়।

হিজামা প্ল্যানেট’-এ কেন চিকিৎসা নেবেন?
১২ বছরের সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা: দেশের ১ নম্বর ও সর্ববৃহৎ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার হিসেবে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা সুন্নাহ সম্মত চিকিৎসা দিয়ে আসছি।

বিজ্ঞ ও আমলদার হাফেজ রাক্বী: সম্পূর্ণ শির্ক ও ভণ্ডামিমুক্তভাবে বিশুদ্ধ কোরআনের আয়াত ও মাসনুন দোয়ার মাধ্যমে রুকইয়াহ সেশন পরিচালনা করা হয়।

২৫টিরও বেশি সুসজ্জিত ব্রাঞ্চ: মহিলাদের জন্য আমাদের প্রতিটি সেন্টারে রয়েছে সম্পূর্ণ পৃথক ও পর্দানশীন চিকিৎসার ব্যবস্থা।

সম্পূর্ণ গোপনীয়তা ও কেয়ার: প্রতিটি রোগীর কথা পরম ধৈর্যের সাথে শুনে কাস্টমাইজড রুকইয়াহ সেশন দেওয়া হয়।

বদনজরের কুপ্রভাবে জীবন থমকে যেতে দেবেন না। মহান আল্লাহর কালামের শাফা ও বরকত পেতে আজই আমাদের অভিজ্ঞ রাক্বীদের পরামর্শ নিন!

📍সাভার ব্রাঞ্চ ::
হিজামা প্ল্যানেটঃ কাপিং ও রুকইয়াহ সেন্টার (সাভার ব্রাঞ্চ);
হাউস নং: ২১৭ (২য় তলা), রোড: ১১,
Savar DOHS ২নং গেট সংলগ্ন,(সেনা পাবলিক স্কুলের সামনে), সাভার সেনানিবাস,নবীনগর,সাভার।
[২ নং গেট সংলগ্ন হাতের ডানে দ্বিতীয় এপার্টমেন্ট]
মোবাইল : 01896-510004

শীত এলেই কি আপনার ঘন ঘন ঠান্ডা লাগে, বুক কফ জমে ভারী হয়ে থাকে কিংবা টানা কাশিতে ঘুম ব্যাহত হয়? বারবার ওষুধ খেয়ে বা অ্যান...
12/10/2026

শীত এলেই কি আপনার ঘন ঘন ঠান্ডা লাগে, বুক কফ জমে ভারী হয়ে থাকে কিংবা টানা কাশিতে ঘুম ব্যাহত হয়? বারবার ওষুধ খেয়ে বা অ্যান্টিবায়োটিক নেওয়ার পরও কিছুদিন পর আবারও সেই এক সমস্যা ফিরে আসছে?

আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে ফুসফুস ও শ্বাসযন্ত্রে টক্সিন এবং কফ জমে গেলে ঠান্ডা-কাশির উপদ্রব বেড়ে যায়। ওষুধ খেয়ে শুধু উপসর্গ না থামিয়ে, হিজামা চিকিৎসা নেওয়ার মাধ্যমে শরীরের ভেতর থেকে প্রাকৃতিক উপায়ে ফুসফুসের ক্ষমতা বাড়িয়ে স্থায়ী আরাম পাওয়া সম্ভব!

শীতের ঠান্ডা-কাশিতে হিজামার চমৎকার উপকারিতা:
বুকের কফ ও কঞ্জেশন কমায়: পিঠের শ্বাসযন্ত্র সম্পর্কিত বিশেষ পয়েন্টে হিজামা করার ফলে বুকে জমে থাকা ঘন কফ ও টক্সিন বের হতে সাহায্য করে।

ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়ায়: ফুসফুসের আশেপাশের রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে স্বাভাবিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়ার পথ পরিষ্কার করে।

সর্দি ও গলা ব্যথা দূর করে: শরীরে নতুন রোগ প্রতিরোধক শ্বেত রক্তকণিকা বাড়িয়ে বারবার ঠান্ডা লাগার প্রবণতা দূর করে।

অ্যাজমা ও শ্বাসকষ্টের উপশম: শীতে যাদের এলার্জি বা হাঁপানির টান বাড়ে, তাদের ক্ষেত্রে হিজামা অত্যন্ত কার্যকরী ও সুন্নাহসম্মত সমাধান।

‘হিজামা প্ল্যানেট’-এ কেন চিকিৎসা নেবেন?
১২ বছরের সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা: দেশের ১ নম্বর ও সর্ববৃহৎ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার হিসেবে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা বিশ্বস্ত সেবা দিয়ে আসছি।

২৫টিরও বেশি সুসজ্জিত ব্রাঞ্চ: আপনার এলাকার কাছেই রয়েছে আমাদের অত্যন্ত আধুনিক, গরম ও আরামদায়ক পরিবেশের সুব্যবস্থা।

১০০% জীবাণুমুক্ত ও নিরাপদ: প্রতিটি পেশেন্টের জন্য সম্পূর্ণ নতুন ও স্টেরিলাইজড কাপ দিয়ে অভিজ্ঞ থেরাপিস্টদের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এই শীতে ঠান্ডা-কাশি আর বুকের কষ্টে অবহেলা করবেন না। সম্পূর্ণ ন্যাচারাল উপায়ে নিজেকে ও পরিবারকে সুস্থ রাখতে আজই আপনার হিজামা সেশন বুক করুন!
📍সাভার ব্রাঞ্চ ::
হিজামা প্ল্যানেটঃ কাপিং ও রুকইয়াহ সেন্টার (সাভার ব্রাঞ্চ);
হাউস নং: ২১৭ (২য় তলা), রোড: ১১,
Savar DOHS ২নং গেট সংলগ্ন,(সেনা পাবলিক স্কুলের সামনে), সাভার সেনানিবাস,নবীনগর,সাভার।
[২ নং গেট সংলগ্ন হাতের ডানে দ্বিতীয় এপার্টমেন্ট]
মোবাইল : 01896-510004

একটুতেই সর্দি-কাশি, গায়ে জ্বর কিংবা ঘন ঘন নানা অসুখে ভুগে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন? ওষুধ খেয়েও শরীর আগের মতো আর শক্তি পায় না?চ...
11/10/2026

একটুতেই সর্দি-কাশি, গায়ে জ্বর কিংবা ঘন ঘন নানা অসুখে ভুগে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন? ওষুধ খেয়েও শরীর আগের মতো আর শক্তি পায় না?

চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, আমাদের শরীরে বর্জ্য ও দূষিত রক্ত জমে গেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immunity) একদম দুর্বল হয়ে পড়ে। আর এই দুর্বল ইমিউন সিস্টেমকে প্রাকৃতিক উপায়ে রিচার্জ করার সুন্নাহসম্মত ও কার্যকর মাধ্যম হলো হিজামা চিকিৎসা!

হিজামা যেভাবে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়ায়:

সাদা রক্তকণিকা (WBC) সক্রিয় করে: হিজামা করার সাথে সাথেই শরীর নতুন ও শক্তিশালী সাদা রক্তকণিকা তৈরি শুরু করে, যা যেকোনো ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে।

দূষিত রক্ত ও টক্সিন বের করে: ত্বকের উপরিভাগে জমে থাকা বিষাক্ত উপাদান পরিষ্কার করে, ফলে শরীরের অঙ্গপ্রতঙ্গগুলো পূর্ণ ক্ষমতায় কাজ করতে পারে।

রক্ত সঞ্চালন ও অক্সিজেন বাড়ায়: পুরো শরীরে বিশুদ্ধ রক্তপ্রবাহ চালু করে অঙ্গগুলোকে নতুন এনার্জি দেয়।

লিভার ও কিডনির চাপ কমায়: শরীরের প্রধান দুটি ফিল্টার (লিভার ও কিডনি) থেকে বর্জ্যের চাপ কমিয়ে স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা বাড়ায়।

শারীরিক ক্লান্তি দূর করে: ইমিউনিটি বাড়ার ফলে শরীর থাকে ভেতর থেকে সতেজ, ফলে অহেতুক ক্লান্তি দূর হয়।

‘হিজামা প্ল্যানেট’-এ কেন চিকিৎসা নেবেন?
১২ বছরের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা: দেশের ১ নম্বর ও সর্ববৃহৎ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার হিসেবে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা বিশ্বস্ততার সাথে সেবা দিয়ে আসছি।

২৫টিরও বেশি সুসজ্জিত ব্রাঞ্চ: আপনার শহরের হাতের কাছেই রয়েছে আমাদের আধুনিক ও বিশ্বমানের সার্ভিস সুবিধা।

১০০% নিরাপদ ও হাইজেনিক: সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত নতুন ডিসপোজেবল কাস্টমাইজড ইকুয়েপমেন্ট ও বিশেষজ্ঞ থেরাপিস্টদের নিখুঁত কেয়ারে চিকিৎসা সম্পন্ন করা হয়।

বারবার অসুস্থ না হয়ে শরীরকে শক্তিশালী ও স্বাস্থোজ্জ্বল রাখুন। ইমিউনিটি বুস্ট করতে আজই আপনার হিজামা সেশন বুক করুন!
একটুতেই সর্দি-কাশি, গায়ে জ্বর কিংবা ঘন ঘন নানা অসুখে ভুগে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন? ওষুধ খেয়েও শরীর আগের মতো আর শক্তি পায় না?

চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, আমাদের শরীরে বর্জ্য ও দূষিত রক্ত জমে গেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immunity) একদম দুর্বল হয়ে পড়ে। আর এই দুর্বল ইমিউন সিস্টেমকে প্রাকৃতিক উপায়ে রিচার্জ করার সুন্নাহসম্মত ও কার্যকর মাধ্যম হলো হিজামা চিকিৎসা!

হিজামা যেভাবে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়ায়:

সাদা রক্তকণিকা (WBC) সক্রিয় করে: হিজামা করার সাথে সাথেই শরীর নতুন ও শক্তিশালী সাদা রক্তকণিকা তৈরি শুরু করে, যা যেকোনো ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে।

দূষিত রক্ত ও টক্সিন বের করে: ত্বকের উপরিভাগে জমে থাকা বিষাক্ত উপাদান পরিষ্কার করে, ফলে শরীরের অঙ্গপ্রতঙ্গগুলো পূর্ণ ক্ষমতায় কাজ করতে পারে।

রক্ত সঞ্চালন ও অক্সিজেন বাড়ায়: পুরো শরীরে বিশুদ্ধ রক্তপ্রবাহ চালু করে অঙ্গগুলোকে নতুন এনার্জি দেয়।

লিভার ও কিডনির চাপ কমায়: শরীরের প্রধান দুটি ফিল্টার (লিভার ও কিডনি) থেকে বর্জ্যের চাপ কমিয়ে স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা বাড়ায়।

শারীরিক ক্লান্তি দূর করে: ইমিউনিটি বাড়ার ফলে শরীর থাকে ভেতর থেকে সতেজ, ফলে অহেতুক ক্লান্তি দূর হয়।

‘হিজামা প্ল্যানেট’-এ কেন চিকিৎসা নেবেন?
১২ বছরের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা: দেশের ১ নম্বর ও সর্ববৃহৎ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার হিসেবে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা বিশ্বস্ততার সাথে সেবা দিয়ে আসছি।

২৫টিরও বেশি সুসজ্জিত ব্রাঞ্চ: আপনার শহরের হাতের কাছেই রয়েছে আমাদের আধুনিক ও বিশ্বমানের সার্ভিস সুবিধা।

১০০% নিরাপদ ও হাইজেনিক: সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত নতুন ডিসপোজেবল কাস্টমাইজড ইকুয়েপমেন্ট ও বিশেষজ্ঞ থেরাপিস্টদের নিখুঁত কেয়ারে চিকিৎসা সম্পন্ন করা হয়।

বারবার অসুস্থ না হয়ে শরীরকে শক্তিশালী ও স্বাস্থোজ্জ্বল রাখুন। ইমিউনিটি বুস্ট করতে আজই আপনার হিজামা সেশন বুক করুন!
📍সাভার ব্রাঞ্চ ::
হিজামা প্ল্যানেটঃ কাপিং ও রুকইয়াহ সেন্টার (সাভার ব্রাঞ্চ);
হাউস নং: ২১৭ (২য় তলা), রোড: ১১,
Savar DOHS ২নং গেট সংলগ্ন,(সেনা পাবলিক স্কুলের সামনে), সাভার সেনানিবাস,নবীনগর,সাভার।
[২ নং গেট সংলগ্ন হাতের ডানে দ্বিতীয় এপার্টমেন্ট]
মোবাইল : 01896-510004

মূর্তিপূজার কেন্দ্রবিন্দু ও শয়তানের আস্তানা:পূজামণ্ডপে গমন ও জ্বীন-যাদুর অদৃশ্য বিপদ সম্পর্কে সতর্কবার্তা।পূজার মৌসুমে অ...
10/10/2026

মূর্তিপূজার কেন্দ্রবিন্দু ও শয়তানের আস্তানা:
পূজামণ্ডপে গমন ও জ্বীন-যাদুর অদৃশ্য বিপদ সম্পর্কে সতর্কবার্তা।
পূজার মৌসুমে অনেক মুসলিম অজ্ঞতাবশত বা নিছক কৌতূহল মেটাতে পূজামণ্ডপে ঘুরতে যান, আনন্দ উপভোগ করেন কিংবা পরিবেশ দেখতে যান। অথচ একজন মুমিনের জানা প্রয়োজন যে, যেখানে সরাসরি আল্লাহর সাথে শিরক করা হয় এবং মূর্তির সামনে সিজদা ও বলি দেওয়া হয়, সেই জায়গাগুলো শুধু ঈমান বিধ্বংসীই নয়; বরং তা দুষ্ট জ্বীন, শয়তান ও খবিস শক্তির সবচেয়ে বড় কেন্দ্রস্থল।

১. মূর্তিপূজার স্থানে দুষ্ট জ্বীন ও শয়তানের সমাবেশ
কুরআন ও সুন্নাহর বর্ণনানুযায়ী, যেখানে আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো সত্তা, মূর্তি বা প্রতিমার উপাসনা করা হয়, সেখানে শয়তান ও অবাধ্য জ্বীনরা প্রবলভাবে অবস্থান নেয়।

আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন:
﴿إِنْ يَدْعُونَ مِنْ دُونِهِ إِلَّا إِنَاثًا وَإِنْ يَدْعُونَ إِلَّا شَيْطَانًا مَرِيدًا﴾
অর্থ: "তারা আল্লাহকে ছেড়ে কেবল কিছু দেবীরই পূজা করে; প্রকৃতপক্ষে তারা কেবল অবাধ্য শয়তানেরই উপাসনা করে।" (সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১১৭)

সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস এই আয়াতের তাফসীরে বলেছেন: প্রতিটি মূর্তির সাথে শয়তান যুক্ত থাকত, যা এদের পূজারীদের কাছে নানা রূপে আত্মপ্রকাশ করত এবং বিভ্রান্ত করত।

শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ উল্লেখ করেছেন যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুর পূজা বা গায়রুল্লাহর কাছে প্রার্থনার স্থানগুলোতে অবাধ্য শয়তানরা একত্রিত হয়, সেখানে অবস্থান করে এবং মানুষকে গুমরাহ করার জন্য নানাবিধ বিভ্রান্তিকর অবস্থা সৃষ্টি করে।

২. পূজার পরিবেশ ও যাদু-তান্ত্রিকতার সংশ্লিষ্টতা
যাদু (সিহর) এবং অপশক্তির মূল উৎস হলো কুফর, শিরক ও শয়তানের আনুগত্য।

আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন:
﴿هَلْ أُنَبِّئُكُمْ عَلَى مَنْ تَنَزَّلُ الشَّيَاطِينُ ۝ تَنَزَّلُ عَلَى كُلِّ أَفَّاكٍ أَثِيمٍ﴾
অর্থ:"আমি কি তোমাদের জানাবো কার ওপর শয়তানরা অবতীর্ণ হয়? তারা তো অবতীর্ণ হয় প্রত্যেক ঘোর মিথ্যাবাদী ও পাপীর ওপর।" (সূরা আশ-শুআরা, আয়াত: ২২১-২২২)

পৌত্তলিক ধর্মীয় আচার ও তান্ত্রিক ক্রিয়াকর্মের সময় গায়রুল্লাহর নামে উৎসর্গ, ধূপ-ধোঁয়া এবং মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে শয়তানি শক্তিকে আহ্বান করা হয়।

যারা ঈমানী দিক থেকে দুর্বল, নিয়মিত যিকির-আযকার ও সালাত আদায় করে না, এমন মুসলিমরা যখন এসব শিরকী আড্ডায় যায়, তখন তারা খুব সহজেই দুষ্ট জ্বীনের নজর, আছর বা যাদুর প্রভাবে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে।

৩. আল্লাহর গযব ও অসন্তুষ্টি নাযিলের স্থানে উপস্থিত হওয়ার পরিণতি
খলীফাতুল মুসলিমীন উমর ইবনুল খাত্তাব দ্ব্যর্থহীন ভাষায় সতর্ক করে বলেছেন:
«لَا تَدْخُلُوا عَلَى الْمُشْرِكِينَ فِي كَنَائِسِهِمْ يَوْمَ عِيدِهِمْ، فَإِنَّ السَّخَطَ يَنْزِلُ عَلَيْهِمْ»

অর্থ: "তোমরা মুশরিকদের উৎসবের দিনগুলোতে তাদের উপাসনালয়ে প্রবেশ করো না; কারণ নিশ্চয়ই সেই সময় তাদের ওপর আল্লাহর অসন্তুষ্টি ও গযব নাযিল হতে থাকে।" (সুনানুল কুবরা লিল-বায়হাকী)

যেখানে সার্বক্ষণিকভাবে আল্লাহর লানত ও ক্রোধ বর্ষিত হয়, সেখানে বিনোদনের উদ্দেশ্যে যাওয়া নিজের ঈমান ও আত্মিক সুরক্ষাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়ার শামিল।

৪. মুসলিমদের জন্য কঠোর সতর্কতা
১.পূজামণ্ডপ ও শিরকের স্থান বর্জন করুন:
নিছক আলোকসজ্জা দেখতে বা কৌতূহলবশত গেলেও তা শিরকের আসরে উপস্থিতির শামিল, যা কুরআনুল কারীমে মুমিনদের বৈশিষ্ট্য হিসেবে বর্জন করতে বলা হয়েছে।

২.পরিবার ও সন্তানদের রক্ষা করুন:
অনেক অভিভাবক শিশুদের হাত ধরে পূজার মেলায় নিয়ে যান। শিশুদের সুরক্ষা ঢাল দুর্বল থাকায় তারা খুব সহজেই শয়তানি শক্তির কুপ্রভাব ও বদনজরে শিকার হতে পারে।

৩.ঈমানী সুরক্ষার আমল বাড়ান:
তাওহীদের ওপর অবিচল থাকা, মসজিদে জামাআতে সালাত কায়েম রাখা, সকাল-সন্ধ্যার মাসনূন দুআ পড়া এবং আয়াতুল কুরসী তিলাওয়াত করার মাধ্যমে শয়তান ও দুষ্ট জ্বীনদের সব ধরনের ক্ষতি থেকে নিরাপদ থাকা যায়।

অতএব, সামাজিক সম্প্রীতির নামে আল্লাহর নাফরমানি ও শিরকী উৎসবে শরিক হয়ে নিজের আত্মা, পরিবার ও ঈমানকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া থেকে পুরোপুরি বিরত থাকুন।

Written: Raqi Ahmad Abdur Rahman
📍সাভার ব্রাঞ্চ ::
হিজামা প্ল্যানেটঃ কাপিং ও রুকইয়াহ সেন্টার (সাভার ব্রাঞ্চ);
হাউস নং: ২১৭ (২য় তলা), রোড: ১১,
Savar DOHS ২নং গেট সংলগ্ন,(সেনা পাবলিক স্কুলের সামনে), সাভার সেনানিবাস,নবীনগর,সাভার।
[২ নং গেট সংলগ্ন হাতের ডানে দ্বিতীয় এপার্টমেন্ট]
মোবাইল : 01896-510004

হাঁটু, কোমর বা হাতের জয়েন্টে জয়েন্টে তীব্র বাত ব্যথা? ওঠাবসা করতে গেলে হাঁটু থেকে আওয়াজ হওয়া কিংবা সকালে ঘুম থেকে ওঠার প...
09/10/2026

হাঁটু, কোমর বা হাতের জয়েন্টে জয়েন্টে তীব্র বাত ব্যথা? ওঠাবসা করতে গেলে হাঁটু থেকে আওয়াজ হওয়া কিংবা সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর শরীরের গিট বা জয়েন্ট জমে শক্ত হয়ে থাকা?

পেনকিলার বা সাময়িক ব্যথানাশক ওষুধ খেয়ে সাময়িক আরাম মিললেও কিছুদিন পর আবার সেই তীব্র ব্যথা ফিরে আসে। অতিরিক্ত পেনকিলার সেবন শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তবে হিজামা চিকিৎসা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ও সুন্নাহসম্মত উপায়ে বাত ব্যথা থেকে দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী আরাম দেয়।

বাত ব্যথায় হিজামার বিশেষ উপকারিতা:
জয়েন্টের ইউরিক এসিড ও বর্জ্য দূর করে: হিজামার মাধ্যমে জয়েন্টের আশেপাশে জমা থাকা অতিরিক্ত ইউরিক এসিড ও বিষাক্ত বর্জ্য বের হয়ে যায়, ফলে ব্যথা দ্রুত কমে।

জয়েন্টের ফোলাভাব ও টান কমায়: গিটে গিটে বা জয়েন্টে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে টিস্যুর প্রদাহ (Inflammation) দূর করে।

শরীরের স্বাভাবিক নমনীয়তা ফিরিয়ে আনে: হাঁটু মোড়ানো, বসে থাকা বা হাঁটাচলা করার সময় যে কষ্ট হয়, তা দূর করে স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরার শক্তি দেয়।

১০০% ওষুধমুক্ত ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন: কোনো ক্ষতিকর কেমিক্যাল বা পেনকিলার ছাড়া শরীরকে ন্যাচারালি ব্যথামুক্ত করে।

‘হিজামা প্ল্যানেট’-এ কেন বাত ব্যথার চিকিৎসা নেবেন?
১২ বছরের সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা: দেশের ১ নম্বর ও সর্ববৃহৎ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার হিসেবে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা বিশ্বস্ততার সাথে চিকিৎসা দিচ্ছি।

২৫টিরও বেশি সুসজ্জিত ব্রাঞ্চ: আপনার শহরের হাতের কাছেই রয়েছে আমাদের আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন সেবাকেন্দ্র।

অভিজ্ঞ থেরাপিস্টদের পর্যবেক্ষণ: প্রেশার ও ব্যথার মাত্রা মেপে বিশেষজ্ঞ থেরাপিস্টদের দ্বারা নিখুঁতভাবে হিজামা প্রয়োগ করা হয়।

সম্পূর্ণ হাইজেনিক ও সেফ: প্রতিটি পেশেন্টের জন্য ডাবল স্টেরিলাইজড ও নতুন ডিসপোজেবল ইকুয়েপমেন্ট ব্যবহার করা হয়।

বাত ব্যথার তীব্র যন্ত্রণা আর বয়ে বেড়াবেন না। নতুন করে চাঙ্গা ও ব্যথামুক্ত জীবন ফিরে পেতে আজই আপনার হিজামা সেশন বুক করুন!

📍সাভার ব্রাঞ্চ ::
হিজামা প্ল্যানেটঃ কাপিং ও রুকইয়াহ সেন্টার (সাভার ব্রাঞ্চ);
হাউস নং: ২১৭ (২য় তলা), রোড: ১১,
Savar DOHS ২নং গেট সংলগ্ন,(সেনা পাবলিক স্কুলের সামনে), সাভার সেনানিবাস,নবীনগর,সাভার।
[২ নং গেট সংলগ্ন হাতের ডানে দ্বিতীয় এপার্টমেন্ট]
মোবাইল : 01896-510004

শীতের আগমনী বার্তা চারদিকে! কিন্তু আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়েই বাড়ে পুরোনো জয়েন্টের ব্যথা, বাত, হাঁপানি, ঠান্ডা-কাশি আর ...
07/10/2026

শীতের আগমনী বার্তা চারদিকে! কিন্তু আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়েই বাড়ে পুরোনো জয়েন্টের ব্যথা, বাত, হাঁপানি, ঠান্ডা-কাশি আর ত্বকের নানা সমস্যা। বিশেষ করে শীতে রক্ত চলাচল ধীর হয়ে যাওয়ার কারণে শরীর অলস লাগে এবং পিঠ-কোমরের ব্যথা তীব্র রূপ নেয়।

শীতের শুরুতেই হিজামা চিকিৎসা করিয়ে নিলে শরীর ভেতর থেকে চাঙ্গা থাকে এবং রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক হয়ে শীতকালীন যেকোনো রোগবালাই থেকে পাওয়া যায় দারুণ সুরক্ষা!

শীতের শুরুতে হিজামা করার বিশেষ ৫টি সুবিধা:
শীতকালীন বাত ও জয়েন্টের ব্যথা রোধ: রক্তপ্রবাহ সচল করে হাঁটু, কোমর ও হাড়ের জোড়ায় জমে থাকা তীব্র ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: সিজন পরিবর্তনের সময় ঠান্ডা, সর্দি-কাশি ও ভাইরাল ইনফেকশন ঠেকিয়ে রাখতে ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে।

শরীরের অলসতা ও ক্লান্তি দূর: শীতে রোদ কম পাওয়া ও ঠান্ডার কারণে যে ঝিমুনি ভাব আসে, তা দূর করে শরীরে নতুন এনার্জি এনে দেয়।

ত্বকের খসখসে ভাব ও রুক্ষতা কমায়: দূষিত রক্ত বের হয়ে বিশুদ্ধ রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, ফলে শীতেও ত্বক থাকে স্বাস্থ্যকর ও সতেজ।

হাঁপানি ও শ্বাসকষ্টের উপশম: শীতে যাদের শ্বাসকষ্ট বা এলার্জির সমস্যা বাড়ে, তাদের ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়াতে চমৎকার সাহায্য করে।

‘হিজামা প্ল্যানেট’-এ কেন চিকিৎসা নেবেন?
১২ বছরের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা: দেশের ১ নম্বর ও সর্ববৃহৎ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার হিসেবে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা আস্থার সাথে সেবা দিয়ে আসছি।
২৫টিরও বেশি সুসজ্জিত ব্রাঞ্চ: আপনার শহরের কাছেই রয়েছে আমাদের আরামদায়ক, আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন সেবাকেন্দ্র।

১০০% হাইজেনিক ও উষ্ণ পরিবেশ: শীতে রোগীদের সর্বোচ্চ স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ হাইজেনিক ও নিরাপদ পরিবেশে সেবা দেওয়া হয়।

বিশেষজ্ঞ থেরাপিস্টদের তত্ত্বাবধান: অভিজ্ঞ ও দক্ষ থেরাপিস্টদের মাধ্যমে সঠিক পয়েন্ট চিহ্নিত করে যত্নসহকারে হিজামা দেওয়া হয়।

শীতের কষ্ট বাড়ার আগেই শরীরকে প্রস্তুত করুন। স্বাস্থ্যকর ও ব্যথামুক্ত শীত উপভোগ করতে আজই আপনার সেশন বুক করুন

সবাই ম্যাপে দেখাচ্ছেন কোথায় কোথায় ঘুরেছেন, আর আমরা দেখাচ্ছি—কোথায় কোথায় আমাদের শাখা আছে! 📍🇧🇩ঢাকাসহ সারা দেশে হিজামা ...
06/10/2026

সবাই ম্যাপে দেখাচ্ছেন কোথায় কোথায় ঘুরেছেন, আর আমরা দেখাচ্ছি—কোথায় কোথায় আমাদের শাখা আছে! 📍🇧🇩

ঢাকাসহ সারা দেশে হিজামা প্ল্যানেট কাপিং অ্যান্ড রুকিয়া সেন্টারের ২৫টি শাখা। আপনার কাছের শাখাটি খুঁজে নিন আমাদের এই ম্যাপে। 💚

সব শাখার নাম, ঠিকানা ও ফোন নম্বর একসঙ্গে দেখতে ভিজিট করুন—
🌐 https://hijamaplanet.com/en/blog/hijama-planet-branches

আপনি কোন জেলা থেকে আমাদের সঙ্গে আছেন? কমেন্টে জানান! 👇

#হিজামা_প্ল্যানেট #কাপিং #রুকইয়াহ

02/10/2026

কথাবার্তা পাকা, কেনাকাটা বা আংটি পরানোও শেষ—হঠাৎ করেই কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়া বিয়েটা ভেঙে গেল! কিংবা পছন্দ হওয়া সত্ত্বেও শেষ মুহূর্তে গিয়ে প্রস্তাব আর এগোচ্ছে না। এমন ঘটনা যদি বারবার ঘটতে থাকে, তবে তা হেলাফেলা করার মতো বিষয় নয়।

ইসলামি গবেষক ও চিকিৎসকদের মতে, অনেক সময় হিংসা, কড়া নজর বা জাদুটোনার মতো আত্মিক বাধার কারণে মানুষের জীবনে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত বাধা তৈরি হয়।

রুকইয়াহ কীভাবে এই বাধা দূর করে?
কু-নজর ও অশুভ প্রভাব ধ্বংস করে: কোরআনের নির্দিষ্ট কিছু বরকতময় আয়াতের তিলাওয়াত ও দোয়ার মাধ্যমে যেকোনো অদৃশ্যের প্রভাব কেটে যায়।

মানসিক ক্লান্তি ও হতাশা দূর করে: বারবার বাধা আসার কারণে তৈরি হওয়া মানসিক চাপ কমায় এবং অন্তরে প্রশান্তি ফেরায়।

উৎকণ্ঠা ও অসস্তির অবসান: জীবনসঙ্গী নির্বাচনের পথে থাকা অজানা বাধাগুলো দূর করে সহজ পথ তৈরি করে।

বিশ্বাস রাখুন ‘হিজামা প্ল্যানেট’-এর ১২ বছরের অভিজ্ঞতায়। আমাদের প্রতিটি ব্রাঞ্চে অভিজ্ঞ ও পরহেজগার হাফেজ রাক্বীগণ সরাসরি রুকইয়াহ সেবা প্রদান করেন। সারাদেশে ২৫টিরও বেশি ব্রাঞ্চ নিয়ে বিগত ১২ বছর ধরে আমরা অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সাথে সেবা দিয়ে আসছি।

নিরাশ না হয়ে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করুন এবং সঠিক সুন্নাহসম্মত সমাধানের পথ বেছে নিন।
পরামর্শ ও সরাসরি বুকিংয়ের জন্য কল করুন:
এ্যাপয়েন্টমেন্টস: 01612877464 #
সমগ্র বাংলাদেশে আমাদের ২০+ ব্রাঞ্চ রয়েছে। আপনার কাছের ব্রাঞ্চের ইনফো জানতে আমাদের ফোন দিন অথবা আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।

সুস্থ থাকতে হিজামা চিকিৎসা করানো অত্যন্ত দরকারি, কিন্তু বছরে ঠিক কতবার বা কতদিন পরপর হিজামা করানো উচিত—এই প্রশ্নটা অনেকে...
01/10/2026

সুস্থ থাকতে হিজামা চিকিৎসা করানো অত্যন্ত দরকারি, কিন্তু বছরে ঠিক কতবার বা কতদিন পরপর হিজামা করানো উচিত—এই প্রশ্নটা অনেকের মনেই থাকে।

অতিরিক্ত কোনো কিছুই যেমন ভালো নয়, ঠিক তেমনি হিজামাও একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর নিয়ম মেনে করানো উচিত। শরীরের প্রয়োজন ও শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে হিজামার সংখ্যা ঠিক করা হয়।
বছরে কার কতবার হিজামা করা উচিত?

সম্পূর্ণ সুস্থ মানুষের জন্য: সুস্থ ব্যক্তির জন্য বছরে ২ থেকে ৪ বার (বা প্রতি ৩ থেকে ৪ মাস পর পর) হিজামা করা আদর্শ। এটি শরীরকে সবসময় সতেজ রাখে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

পুরাতন ব্যথায় ভুগছেন যারা: ঘাড়, পিঠ, মাইগ্রেন বা কোমর ব্যথায় আক্রান্তদের জন্য শুরুতে মাসে ১ বার করে পর পর ৩ মাস এবং পরবর্তীতে শারীরিক উন্নতি বুঝে ২-৩ মাস পর পর দেওয়া হয়।
ঋতু পরিবর্তনের সুন্নাহ হিজামা: বিশেষ করে বসন্তকালে বা গরমের শুরুতে বছরে অন্তত ১-২ বার সুন্নাহ তারিখে হিজামা নেওয়া রাসুল (সা.)-এর চমৎকার আমল।

‘হিজামা প্ল্যানেট’-এ কেন পরামর্শ নেবেন?
অভিজ্ঞ থেরাপিস্টের পর্যবেক্ষণ: আমাদের বিশেষজ্ঞ থেরাপিস্টরা প্রথমে আপনার শারীরিক অবস্থা ও প্রেশার মেপে সিদ্ধান্ত নেন আপনার কতবার হিজামা প্রয়োজন।

১২ বছরের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা: দেশের ১ নম্বর ও সর্ববৃহৎ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার হিসেবে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা সঠিক নিয়মে সেবা দিয়ে আসছি।

২৫টিরও বেশি সুসজ্জিত ব্রাঞ্চ: আপনার শহরের হাতের কাছেই রয়েছে আমাদের সম্পূর্ণ হাইজেনিক ও নিরাপদ সেন্টারের ব্যবস্থা।

১০০% জীবাণুমুক্ত স্টেরিলাইজড কাপ: প্রতিটি পেশেন্টের জন্য সম্পূর্ণ নতুন ও জীবাণুমুক্ত ইকুয়েপমেন্ট ব্যবহার করা হয়।

ভুল নিয়মে নয়, সঠিক নিয়মে হিজামা করে নিজেকে রাখুন সুস্থ ও চাঙ্গা। আপনার পরবর্তী হিজামা সেশনের জন্য আজই বুকিং দিন!
সরাসরি বুকিং ও বিনামূল্যে পরামর্শের জন্য কল করুন

সুস্থতায় সুন্নাহর বরকত পেতে আর দেরি করবেন না! আজ আরবি চাঁদের ২৯ তারিখ, অর্থাৎ সুন্নাহ হিজামা গ্রহণের প্রথম দিন!আপনি যদি ...
29/09/2026

সুস্থতায় সুন্নাহর বরকত পেতে আর দেরি করবেন না! আজ আরবি চাঁদের ২৯ তারিখ, অর্থাৎ সুন্নাহ হিজামা গ্রহণের প্রথম দিন!

আপনি যদি আজ কোনো কারণে আসতে না-ও পারেন, চিন্তা নেই! চলতি সুন্নাহ সার্কেলের বরকত ও সুফল নেওয়ার সুযোগ থাকছে আগামী ১ অক্টোবর (০১ আরবি) এবং ৩ অক্টোবর (০৩ আরবি) তারিখেও।

চলতি সুন্নাহ তারিখে হিজামা করার দারুণ সুফল:
শরীরের জমানো বর্জ্য দূর: চান্দ্রমাসের এই বিশেষ দিনগুলোতে শরীরের রক্ত থেকে দ্রুত টক্সিন ও ক্ষতিকর উপাদান পরিষ্কার হয়ে যায়।

রাসুল (সা.)-এর সুন্নাহর বরকত: সুন্নাহ মেনে হিজামা করলে শারীরিক আরোগ্যের পাশাপাশি আমলের সওয়াব ও বরকত অর্জন হয়।

ক্লান্তি ও শরীর ব্যথা থেকে দ্রুত আরাম: পিঠ, ঘাড়, কোমর ও মাথার ক্রনিক ব্যথা ও অলসতা দূর হয়ে শরীর একদম ফুরফুরে হয়ে যায়।

মানসিক প্রশান্তি ও রিফ্রেশমেন্ট: দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ কাটিয়ে ঘুম ও মনমেজাজ চমৎকার থাকে।

হিজামার সেরা সুন্নাহ শিডিউল:
আজকের সুন্নাহ ডেট: ২৯ সেপ্টেম্বর (আজই চলে আসুন!)
পরবর্তী ২ দিন: ১ অক্টোবর ও ৩ অক্টোবর

‘হিজামা প্ল্যানেট’-এ কেন সেবানিবেন?
১২ বছরের সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা: দেশের ১ নম্বর ও সর্ববৃহৎ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার হিসেবে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা সঠিকভাবে সেবা দিয়ে আসছি।

২৫টিরও বেশি সুসজ্জিত ব্রাঞ্চ: দেশের প্রধান প্রধান শহরে রয়েছে আমাদের সুসজ্জিত ও নিরাপদ সেন্টারের ব্যবস্থা।

১০০% জীবাণুমুক্ত ও সেফ: দক্ষ থেরাপিস্টদের মাধ্যমে সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত নতুন ইকুয়েপমেন্ট দিয়ে পরম যত্নসহকারে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

সুন্নাহ দিনগুলোর এই সুযোগ হাতছাড়া না করে আজই আপনার স্লট বুক করে ফেলুন!
এ্যাপয়েন্টমেন্টস: 01612877464 #
সমগ্র বাংলাদেশে আমাদের ২০+ ব্রাঞ্চ রয়েছে। আপনার কাছের ব্রাঞ্চের ইনফো জানতে আমাদের ফোন দিন অথবা আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।

সুন্নাহ সম্মত ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য হিজামা (ক্যাপিং থেরাপি) অত্যন্ত কার্যকর এক চিকিৎসা পদ্ধতি। হাদিস শরিফে এসেছে...
28/09/2026

সুন্নাহ সম্মত ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য হিজামা (ক্যাপিং থেরাপি) অত্যন্ত কার্যকর এক চিকিৎসা পদ্ধতি। হাদিস শরিফে এসেছে: "মাসের ১৭ তারিখ মঙ্গলবার হিজামা করা এক বছরের রোগের জন্য চিকিৎসা।" (মিশকাতুল মাসাবীহ, হাদিস ৪৫৪৮)

১৭ তারিখের এই বিশেষ সুন্নাহ দিনে আপনার হিজামা সম্পন্ন করতে আজই বুকিং করুন বা সরাসরি যোগাযোগ করুন।

26/09/2026

গর্ভাবস্থা একজন নারীর জীবনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়। এই সময়ে যেকোনো থেরাপি বা চিকিৎসা নেওয়ার আগে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

অনেক ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থায় হিজামা না করাই নিরাপদ মনে করা হয়, বিশেষ করে যদি তা জরুরি প্রয়োজন না হয়। কারণ এই সময়ে মায়ের শরীর ও শিশুর সুস্থতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আমাদের পরামর্শ:
বিশেষ কোনো জরুরি কারণ না থাকলে গর্ভাবস্থায় হিজামা করার জন্য আমরা সাধারণত সুপারিশ করি না। আপনার ও আপনার অনাগত সন্তানের নিরাপত্তাই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার।

এ্যাপয়েন্টমেন্টস: 01612877464 #
সমগ্র বাংলাদেশে আমাদের ২০+ ব্রাঞ্চ রয়েছে। আপনার কাছের ব্রাঞ্চের ইনফো জানতে আমাদের ফোন দিন অথবা আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।

সুস্থ ও সতেজ থাকতে হিজামা যেকোনো দিনই করানো যায়, কিন্তু চাঁদের ২৯, ০১ ও ০৩ তারিখে (আরবি মাসের নির্দিষ্ট দিনে) হিজামা নেও...
25/09/2026

সুস্থ ও সতেজ থাকতে হিজামা যেকোনো দিনই করানো যায়, কিন্তু চাঁদের ২৯, ০১ ও ০৩ তারিখে (আরবি মাসের নির্দিষ্ট দিনে) হিজামা নেওয়া বিশেষভাবে কল্যাণকর!

ইসলামি নির্দেশনা ও প্রাকৃতিক নিয়মের সংযোগে এই দিনগুলোতে হিজামা করানো শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে ও সুন্নাহ অনুসরণের সওয়াব অর্জনে অসাধারণ ভূমিকা রাখে।

২৯, ০১ ও ০৩ তারিখে হিজামা করার বিশেষ উপকারিতা:
প্রাকৃতিক রক্ত শোধন: মাসের এই বিশেষ সময়ে শরীরের বিষাক্ত বর্জ্য ও ক্ষতিকর উপাদানগুলো সহজে বের হয়ে আসে, ফলে শরীর দ্রুত রিফ্রেশ হয়।

রাসুল (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণ: প্রিয় রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শেখানো নিয়মে হিজামা করে শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি অফুরন্ত সওয়াব হাসিল করা যায়।

পুরাতন ব্যথা ও ক্লান্তি দূর: দীর্ঘদিনের ঘাড়, পিঠ ও মাথার ব্যথা থেকে শুরু করে শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি নিমিষেই দূর হয়।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: শরীরের ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা বহুগুণ শক্তিশালী হয়ে ওঠে, যা ভবিষ্যতের বড় রোগ প্রতিরোধ করে।

‘হিজামা প্ল্যানেট’-এ কেন চিকিৎসা নেবেন?
১২ বছরের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা: দেশের ১ নম্বর ও সর্ববৃহৎ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার হিসেবে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা বিশ্বস্ত সেবা দিয়ে আসছি।

২৫টিরও বেশি সুসজ্জিত ব্রাঞ্চ: আপনার শহরের হাতের কাছেই রয়েছে আমাদের সম্পূর্ণ হাইজেনিক ও নিরাপদ সেন্টারের ব্যবস্থা।

১০০% জীবাণুমুক্ত ও সেফ: অভিজ্ঞতা সম্পন্ন থেরাপিস্টদের মাধ্যমে সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত নতুন ইকুয়েপমেন্ট দিয়ে যত্নসহকারে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

বিশেষ সুন্নাহ তারিখের সুযোগ হাতছাড়া করবেন না। সুস্থ জীবনের পথে এক ধাপ এগিয়ে থাকতে আজই আপনার সেশন বুক করুন!

এ্যাপয়েন্টমেন্টস: 01612877464 #
সমগ্র বাংলাদেশে আমাদের ২০+ ব্রাঞ্চ রয়েছে। আপনার কাছের ব্রাঞ্চের ইনফো জানতে আমাদের ফোন দিন অথবা আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।

হিজামা বা রুকইয়াহ সেবা নিতে কি এতদিন দূরের শহরে যেতে হতো?এবার সেই ঝামেলা অনেকটাই কমতে যাচ্ছে।Hijama Planet-এর হিজামা ও র...
24/09/2026

হিজামা বা রুকইয়াহ সেবা নিতে কি এতদিন দূরের শহরে যেতে হতো?

এবার সেই ঝামেলা অনেকটাই কমতে যাচ্ছে।

Hijama Planet-এর হিজামা ও রুকইয়াহ সেবা এখন ফরিদপুরেও!

আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী হিজামা ও রুকইয়াহ সেবা নিতে এখন নিজের শহরেই যোগাযোগ করতে পারবেন। আমরা চেষ্টা করছি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও যত্নশীল পরিবেশে সেবা দেওয়ার।

আপনি নিজে সেবা নিতে চান, অথবা পরিবারের কারও জন্য জানতে চান প্রয়োজনে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিস্তারিত জেনে নিতে পারেন।

Hijama Planet Cupping & Ruqyah Center
এবার সেবা আপনার শহরেও।

সুন্দর গুছানো জীবনটা কি হঠাৎ করেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে? সব কাজ শেষ মুহূর্তে আটকে যাচ্ছে, নাকি কোনো কারণ ছাড়াই পরিবার...
23/09/2026

সুন্দর গুছানো জীবনটা কি হঠাৎ করেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে? সব কাজ শেষ মুহূর্তে আটকে যাচ্ছে, নাকি কোনো কারণ ছাড়াই পরিবারে দিন-রাত হট্টগোল লেগে থাকছে?

মানুষের হিংসা ও শত্রুতার কারণে অনেকেই কালোজাদু বা বান মারার মতো ভয়ংকর ক্ষতির শিকার হন। সময়মতো এই লক্ষণগুলো চিনতে না পারলে স্বাস্থ্য, সংসার ও ক্যারিয়ার পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। তবে ভয় না পেয়ে শরিয়াহসম্মত কোরআনিক রুকইয়াহ চিকিৎসা নিলে এর থেকে স্থায়ী মুক্তি সম্ভব।

কালোজাদু বা জাদুটোনায় আক্রান্ত হওয়ার প্রধান ৫টি লক্ষণ:
ডাক্তারি চিকিৎসায় সমাধান না পাওয়া: শরীর দিন দিন অসুস্থ ও দুর্বল হয়ে পড়া, কিন্তু পরীক্ষা-নিরীক্ষায় কোনো রোগ ধরা না পড়া।

সংসারে অহেতুক তিক্ততা ও ঝগড়া: প্রিয় মানুষের প্রতি হঠাৎ তীব্র ঘৃণা তৈরি হওয়া এবং সামান্য বিষয়ে ডিভোর্স পর্যন্ত কথা গড়ানো।

ভয়ংকর দুঃস্বপ্ন ও ঘুমের ব্যাঘাত: স্বপ্নে উঁচু স্থান থেকে পড়ে যাওয়া, সাপ, কুকুর, আগুন বা মৃত মানুষকে বারবার দেখা।

ইবাদত ও পবিত্রতায় তীব্র অনিহা: ইবাদত করতে গেলে প্রচণ্ড অলসতা, দমবন্ধ লাগা বা বুক ধড়ফড় করা।

কাজে হঠাৎ অলৌকিক বাধা: ব্যবসা, চাকরি বা পড়াশোনায় সবকিছু ঠিক থাকার পরও বারবার বড় ধরনের ক্ষতি হওয়া।

সমাধানে ‘হিজামা প্ল্যানেট’ কেন একমাত্র ভরসা?
অভিজ্ঞ হাফেজ ও রাক্বী: বিজ্ঞ হাফেজ রাক্বীগণ সরাসরি কোরআন-সুন্নাহর বিশুদ্ধ নিয়মে শরিয়াহসম্মত রুকইয়াহ চিকিৎসা দেন।

১২ বছরের সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা: দেশের ১ নম্বর ও সর্ববৃহৎ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার হিসেবে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা বিশ্বস্ত সেবা দিচ্ছি।

সম্পূর্ণ ভণ্ডামিমুক্ত সেবা: কোনো কবিরাজি, কুসংস্কার বা শির্কি পদ্ধতি ছাড়া শতভাগ হালাল উপায়ে চিকিৎসা করা হয়।

২৫টিরও বেশি সুসজ্জিত ব্রাঞ্চ: আপনার শহরের হাতের কাছেই রয়েছে আমাদের পর্দানশীন ও নিরাপদ চিকিৎসাকেন্দ্র।

কালোজাদুর ভয়ংকর প্রভাব থেকে নিজেকে ও পরিবারকে মুক্ত রাখতে আল্লাহর কালামের ওপর আস্থা রাখুন। আজই আমাদের অভিজ্ঞ রাক্বীদের পরামর্শ নিন।

এ্যাপয়েন্টমেন্টস: 01612877464 #
সমগ্র বাংলাদেশে আমাদের ২০+ ব্রাঞ্চ রয়েছে। আপনার কাছের ব্রাঞ্চের ইনফো জানতে আমাদের ফোন দিন অথবা আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।

Address

ফ্ল্যাট :1/B রোড: 7, Savar DOHS, (নবি নগর সেনা পাব্লিক স্কুলের অপজিটে) সাভার ক্যান্টনমেন্ট, আশুলিয়া, সাভার
Savar
1344

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Friday 10:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hijama Planet: Cupping & Ruqyah Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share