02/06/2026
বাংলাদেশে থাকাকালে আমি সব ধরনের মধু খেতে পারতাম না। বেশিরভাগ মধু খেলেই আমার অ্যালার্জি হতো।
কিন্তু স্পেন মালাগা আসার পর বিষয়টি অনেকটাই বদলে গেছে। এখন আমি প্রায় সব ধরনের মধুই খেতে পারি। আজ ক্লাস থেকে এখানে অবস্থিত honey Museum-এ যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল।
সেখানে মৌমাছির জীবনচক্র ও তাদের কাজ সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে দেখানো হয়েছে।পাশাপাশি কীভাবে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে মধু উৎপাদন ও সংগ্রহ করা হয়, সেই পুরো প্রক্রিয়াটিও কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছি।
সবচেয়ে মজার বিষয় ছিল বিভিন্ন ধরনের মধুর স্বাদ গ্রহণের সুযোগ।নানা ধরনের মধু টেস্ট করার পাশাপাশি সেখান থেকে মধু কেনারও সুযোগ পেয়েছিলাম।সব মিলিয়ে দিনটি ছিল অত্যন্ত আনন্দদায়ক, শিক্ষণীয় এবং স্মরণীয়।