30/09/2026
সময় নেই—এই কথাটা আমরা অনেকেই খুব সহজে বলি।
“জিমে যাওয়ার সময় হয় না।” “ব্যায়াম করার সময় পাই না।” “সারাদিন কাজের মধ্যে থাকি।”
কিন্তু একটু খেয়াল করে দেখুন—রেস্টুরেন্টে বসে, চায়ের দোকানে আড্ডা দিয়ে কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রল করে আমরা অনায়াসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দিই। তখন কিন্তু সময়ের অভাব হয় না।
সত্যিটা হলো, আমরা সারাদিন কাজ আর পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত থাকি না। কোনো না কোনোভাবে প্রতিদিন ২–৩ ঘণ্টা সময় আমরা ঠিকই বের করি। কিন্তু সেই সময়ের একটা বড় অংশ চলে যায় এমন কিছু কাজে, যেগুলো আমাদের জীবনে তেমন কোনো মূল্য যোগ করে না।
আপনি চাইলে সকাল ৬টা–৭টার মধ্যেও জিমে আসতে পারেন। বাংলাদেশের অধিকাংশ অফিস, স্কুল বা কলেজও এত সকালে শুরু হয় না। অথচ আমরা সেই সময়টা ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিই।
তবে আপনি যদি রাত ২টা পর্যন্ত জেগে থাকেন, তাহলে সকাল ৬টায় ওঠা অবশ্যই কঠিন হবে। তাই শুধু জিম নয়—আপনার পুরো লাইফস্টাইলটাই পরিবর্তন করতে হবে।
এক যুগেরও বেশি সময় ধরে জিমের সঙ্গে থাকার কারণে আমি অসংখ্য মানুষকে দেখেছি—বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা, অতিরিক্ত ওজন, দুর্বলতা এবং নানা ধরনের জীবনযাপনজনিত সমস্যা নিয়ে তারা জিমে এসেছেন।
অনেক ক্ষেত্রেই নিয়মিত ব্যায়াম, সঠিক খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম এবং স্বাস্থ্যকর লাইফস্টাইল এসব সমস্যার ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারত।
মনে রাখবেন—
অজুহাত দিয়ে শরীর পরিবর্তন করা যায় না। অজুহাত দিয়ে স্বাস্থ্য ফিরে পাওয়া যায় না।
সময় আপনাকে কেউ আলাদা করে দেবে না।
আপনাকেই নিজের সময় তৈরি করতে হবে।
আজ থেকেই নিজের জন্য প্রতিদিন অন্তত ৩০–৬০ মিনিট সময় বের করুন। আপনার শরীর—আপনার দায়িত্ব।