Aesthetic Nation Fitness

Call Directions Website Contact the business

Aesthetic Nation Fitness Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Aesthetic Nation Fitness, Health & Wellness Website, Sylhet/Bangladesh, Sylhet.

I inspire individuals and transform lives through my holistic approach to fitness coaching, fostering positive lifestyle changes that empower my clients to achieve their health and wellness goals. গত ৪ বছর ধরে আমি প্রফেশনালি ১০০ জন উপরে পার্সোনাল ট্রেনিং করে তাদের লাইফ স্টাইল পরিবর্তন করতে পেরেছি। সেটা অনলাইন বা সরাসরি দুই ভাবেই করিয়েছি।
যারা নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে অনেক দুশ্চিন্তায় ছিলো।এর মধ্যে কেউ মোটা ছিল যাদের আমি ওজন কমিয়েছি এবং এর মধ্যে কেউ চিকন ছিল,যাদের ওজন আমি বাড়িয়েছি।
এর জন্য শুধু আমি দায়ী নই। যারা আমার সাথে করেছেন তারা আমার দিকনির্দেশনা গুলো যথাযথ পালন করেছে যার জন্য তারা খুব ভালো ফলাফল পেয়েছে।এজন্য তাদের কাছে আমিও কৃতজ্ঞ।
কেন আমার সাথে করবেন?
১।সার্টিফাইড ট্টেইনার এডভান্স ওয়ার্কআউট এবং ডায়েট ও নিউট্রিশন এর উপর।
২। ১১ বছরের অভিজ্ঞতা।
৩।৯৯ শতাংশ ভালো রিভিউ।
আমার সাথে ট্রেনিং করার প্রথম শর্ত হচ্ছে।
১।আমি যা যা বলবো তা আপনাকে যথাযথ পালন করতে হবে।
২।আমার নির্দেশনার বাইরে কোন কিছু করলে আমি আপনাকে ট্রেনিং করানো বন্ধ করে দেব।
৩।আপনি আমাকে নির্দিষ্ট সময় দিতে হবে।
৪।ট্রেনিং করার সময় অবশ্যই ধৈর্য থাকতে হবে। কারণ অনেকেই আছে যারা অর্ধেক জিম করেই আর করতে চায় না কারণ তাদের ধৈর্য ছিল না।
৫।জিম একটা সিরিয়াস বিষয় তাই আমি কখনো কাউকে রাতারাতি বডি বানিয়ে দিবো এটা আমার পহ্মে সম্ভব হলেও আমি এটা করব না যেহেতু এতে অনেক ঝুঁকি আছে।তাই একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে তাড়াতাড়ি বডি বানানোর চিন্তা বাদ দিতে হবে।
৬।ডেডিকেটেড হতে হবে তা না হলে আমি আপনাকে করাবো না।
৭। আপনাকে আমি দেড় ঘন্টার বেশি সময় দিতে পারবো না।
৮।অনলাইন ট্রেনিং এর হ্মেএে আপনি চাইলে যখন তখন সময় নিতে পারবেন না।
৯।ট্রেনিং চলাকালীন সময়ে মোবাইল ব্যবহার বা অন্য কোন কিছু করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
১০। যেকোন বিষয়ে আমার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
আমার সাথে ট্রেনিং করার সুবিধা গুলো:
১।আপনার মাইক্রো এবং মেক্রো নিউট্রিশিনের ডায়েট চার্ট তৈরি করা আমার দায়িত্ব এবং এটা অনেকবার চেঞ্জ হতে পারে। (পার্সোনাল ট্রেনিং এর জন্য আলাদা কোন ফি নেয়া হয় না)
২।আপনি যেমন চান তেমন শরীর গঠন করা হবে।
৩।আপনি কি কি খাচ্ছেন না কি করছেন তা মনিটরিং করা হবে।
৪।আপনার জন্য একটা স্পেশাল ওয়ার্কআউট প্লান করা হবে। (পার্সোনাল ট্রেনিং এর ক্ষেত্রে এই ফি আলাদা প্রযোজ্য নয়)
৫।অন্য সকল থেকে আপনার একটি আকর্ষণীয় ফিগার হবে ইনশাআল্লাহ।
পার্সোনাল ট্রেনিং এর জন্য আপনাকে অগ্রিম টাকা পেমেন্ট করতে হবে।(এক্সট্রা কোন ফি নেই) এবং এটি শুধু এক মাসের জন্য।কন্টিনিউ করতে চাইলে আগামী মাসে একইভাবে পেমেন্ট করতে হবে।
যারা শুধু ওজন বাড়াতে, কমাতে এবং ফিট থাকতে চান তারা ডায়েট প্ল্যান নেওয়ার জন্য ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।
**শর্ত এবং চার্জ প্রযোজ্য**

সময় নেই—এই কথাটা আমরা অনেকেই খুব সহজে বলি।“জিমে যাওয়ার সময় হয় না।” “ব্যায়াম করার সময় পাই না।” “সারাদিন কাজের মধ্যে থাকি।...
30/09/2026

সময় নেই—এই কথাটা আমরা অনেকেই খুব সহজে বলি।

“জিমে যাওয়ার সময় হয় না।” “ব্যায়াম করার সময় পাই না।” “সারাদিন কাজের মধ্যে থাকি।”

কিন্তু একটু খেয়াল করে দেখুন—রেস্টুরেন্টে বসে, চায়ের দোকানে আড্ডা দিয়ে কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রল করে আমরা অনায়াসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দিই। তখন কিন্তু সময়ের অভাব হয় না।

সত্যিটা হলো, আমরা সারাদিন কাজ আর পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত থাকি না। কোনো না কোনোভাবে প্রতিদিন ২–৩ ঘণ্টা সময় আমরা ঠিকই বের করি। কিন্তু সেই সময়ের একটা বড় অংশ চলে যায় এমন কিছু কাজে, যেগুলো আমাদের জীবনে তেমন কোনো মূল্য যোগ করে না।

আপনি চাইলে সকাল ৬টা–৭টার মধ্যেও জিমে আসতে পারেন। বাংলাদেশের অধিকাংশ অফিস, স্কুল বা কলেজও এত সকালে শুরু হয় না। অথচ আমরা সেই সময়টা ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিই।

তবে আপনি যদি রাত ২টা পর্যন্ত জেগে থাকেন, তাহলে সকাল ৬টায় ওঠা অবশ্যই কঠিন হবে। তাই শুধু জিম নয়—আপনার পুরো লাইফস্টাইলটাই পরিবর্তন করতে হবে।

এক যুগেরও বেশি সময় ধরে জিমের সঙ্গে থাকার কারণে আমি অসংখ্য মানুষকে দেখেছি—বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা, অতিরিক্ত ওজন, দুর্বলতা এবং নানা ধরনের জীবনযাপনজনিত সমস্যা নিয়ে তারা জিমে এসেছেন।

অনেক ক্ষেত্রেই নিয়মিত ব্যায়াম, সঠিক খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম এবং স্বাস্থ্যকর লাইফস্টাইল এসব সমস্যার ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারত।

মনে রাখবেন—

অজুহাত দিয়ে শরীর পরিবর্তন করা যায় না। অজুহাত দিয়ে স্বাস্থ্য ফিরে পাওয়া যায় না।

সময় আপনাকে কেউ আলাদা করে দেবে না।
আপনাকেই নিজের সময় তৈরি করতে হবে।

আজ থেকেই নিজের জন্য প্রতিদিন অন্তত ৩০–৬০ মিনিট সময় বের করুন। আপনার শরীর—আপনার দায়িত্ব।

28/09/2026

আমাদের একজন জীম মেম্বার এর বয়স ও উচ্চতার তুলনায় ওজন অনেক বেশি। ওজন কমানোর জন্য আমাদের জিম থেকে তাকে একটি সাধারণ, সুষম ডায়েট দেওয়া হয়েছিল।

তার আগে থেকেই হাঁটুর কিছু সমস্যা ছিল। এজন্য তাকে ঢাকায় ডাক্তার দেখাতে নেওয়া হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যায়, তার দুই পায়ের দৈর্ঘ্যে পার্থক্য রয়েছে। ডাক্তার বলেছেন, অপারেশনের জন্য তাকে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

ধরলাম, এই অবস্থায় তাকে জিমে ব্যায়াম করতে নিষেধ করা হয়েছে—সেটা আমরা মেনে নিলাম।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, তাকে ডায়েট করতে নিষেধ করার কারণটা কী?

তার ডায়েটে ছিল—
মাছ, মুরগি, ডিম, টক দই, শাকসবজি এবং অন্যান্য সাধারণ পুষ্টিকর খাবার।

এগুলো তো কোনো ওষুধ বা অস্বাভাবিক খাবার নয়। বরং একজন অতিরিক্ত ওজনের শিশুর/কিশোরের ক্ষেত্রে তার বয়স, বৃদ্ধি, পুষ্টির চাহিদা ও শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে সঠিক খাবারের পরিমাণ ও ভারসাম্য ঠিক করা গুরুত্বপূর্ণ।

অবশ্যই শিশুর ক্ষেত্রে উদ্দেশ্য হওয়া উচিত শুধু দ্রুত ওজন কমানো নয়। তার স্বাভাবিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশ যেন ঠিক থাকে, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই এমন ক্ষেত্রে Registered Dietitian/Nutritionist বা শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী খাবারের পরিকল্পনা করা সবচেয়ে নিরাপদ।

কিন্তু “জিম করা যাবে না” আর “স্বাভাবিক ও সুষম খাবার খাওয়া যাবে না”—এই দুটো বিষয় এক নয়।

আমার প্রশ্নটা তাই খুব সাধারণ:

একজনের শারীরিক সমস্যার কারণে যদি ব্যায়াম নিষেধ হয়, তাহলে কেন মাছ, মুরগি, ডিম, টক দই ও সবজির মতো স্বাভাবিক পুষ্টিকর খাবার নিয়ন্ত্রিতভাবে খাওয়াও নিষেধ হবে?

কারণ অতিরিক্ত ওজন নিজেও শরীরের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে—বিশেষ করে হাঁটু ও পায়ের ওপর।

তাই চিকিৎসা মানে শুধু “কী করা যাবে না” বলা নয়; বরং রোগীর বয়স, বৃদ্ধি, পুষ্টি ও শারীরিক সমস্যাকে বিবেচনা করে “কীভাবে নিরাপদে করা যাবে”—সেটার পথও দেখানো।

একজন চিকিৎসকের একটি পরামর্শ একজন মানুষের জীবনযাত্রায় অনেক বড় প্রভাব ফেলতে পারে। তাই রোগী ও পরিবারের উচিত প্রয়োজনে বিষয়টি পরিষ্কারভাবে বুঝে নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের দ্বিতীয় মতামত নেওয়া।

জিঙ্কের ঘাটতি টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে।যারা নিয়মিত কঠোরভাবে ট্রেনিং করেন, তাদের ঘামের মাধ্যমে জিঙ্কের কিছুট...
26/09/2026

জিঙ্কের ঘাটতি টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে।

যারা নিয়মিত কঠোরভাবে ট্রেনিং করেন, তাদের ঘামের মাধ্যমে জিঙ্কের কিছুটা ক্ষয় হয়।

জিঙ্কের ঘাটতি হলে হতে পারে—

এনার্জি কমে যাওয়া
কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া
রিকভারি ধীর হওয়া

তাই নিয়মিত ট্রেনিং করলে শরীরে পর্যাপ্ত জিঙ্ক নিশ্চিত করুন।

19/09/2026

কেউ বলতে পারেন এটা ট্রাইসেপের এর কোন মাসলে হিট হয়?

জীমে আসতে হলে এক্সারসাইজকরাটাকে ইনজয় করতে হবে।অনেকে এটাকে সময় নষ্ট এবং কষ্ট মনে করে যার কারনে বোশিরভাগ মানুষ জীমে ভর্তি ...
16/09/2026

জীমে আসতে হলে এক্সারসাইজকরাটাকে ইনজয় করতে হবে।

অনেকে এটাকে সময় নষ্ট এবং কষ্ট মনে করে যার কারনে বোশিরভাগ মানুষ জীমে ভর্তি হওয়ার পর টিকতে পারে না।

আপনি যেভাবে ক্রিকেট, ফুটবল ও বেডমিন্টন খেলাকে ইনজয় করেন এবং সেটাকে সময় নষ্ট করা মনে করেন না ঠিক জীমের এক্সারসাইজটাকে সেরকম ভাবতে হবে তাহলে আপনি এটাকে নেশায় পরিনত করতে পারবেন।

এই নেশাটাকে ইনজয় করতে শিখে গেলে বেনিফিট আর বেনিফিট আপনারই হবে।

12/09/2026

আপনি যদি আপনার পরিবারকে সত্যিই ভালোবাসেন তাহলে এই ভিডিওটি দেখা মিস করবেন না।

একজন ভালো শিক্ষক যেমন তার ছাত্রদের শুধু বইয়ের জ্ঞান দেন না, বরং সঠিক শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও ভালো অভ্যাস গড়ে তুলতে সাহায্য করে...
11/09/2026

একজন ভালো শিক্ষক যেমন তার ছাত্রদের শুধু বইয়ের জ্ঞান দেন না, বরং সঠিক শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও ভালো অভ্যাস গড়ে তুলতে সাহায্য করেন, ঠিক তেমনি একজন ভালো ফিটনেস কোচও শুধু ব্যায়াম শেখান না।

একজন দক্ষ ফিটনেস কোচ আপনাকে শেখাতে পারেন কীভাবে নিয়মিত ওয়ার্ক আউট করতে হয়, সঠিক খাবার বেছে নিতে হয়, ঘুম ও বিশ্রামের গুরুত্ব বুঝতে হয় এবং ধীরে ধীরে একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা গড়ে তুলতে হয়।

কারণ ফিটনেস মানে শুধু বড় মাংসপেশি বা সুন্দর ফিগার নয়।

ফিটনেস মানে এমন একটি শরীর ও জীবনধারা তৈরি করা, যা আপনাকে দীর্ঘদিন সুস্থ, কর্মক্ষম ও আত্মবিশ্বাসী থাকতে হেল্প করবে।

একজন ভালো কোচ আপনার হয়ে ব্যায়াম করতে পারবেন না, কিন্তু তিনি আপনাকে সঠিক পথটা দেখাতে পারেন, ভুলগুলো সংশোধন করতে পারেন এবং আপনার লক্ষ্য অনুযায়ী একটি বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা তৈরি করতে পারেন।

যেমন একজন ভালো শিক্ষক একজন ছাত্রের ভবিষ্যৎ গড়তে ভূমিকা রাখেন, তেমনি একজন ভালো ফিটনেস কোচ আপনার স্বাস্থ্যকর ভবিষ্যৎ গড়ার যাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

সঠিক জ্ঞান, সঠিক নির্দেশনা এবং নিয়মিত চেষ্টা এই তিনটি মিলেই তৈরি হয় একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা।

আমরা অনেক সময় ভুলভাবে সব ধরনের খাবার ফ্রিজে রেখে দিই। এতে কিছু খাবারের স্বাদ, গন্ধ ও গঠন নষ্ট হতে পারে।যেসব খাবার সাধারণ...
10/09/2026

আমরা অনেক সময় ভুলভাবে সব ধরনের খাবার ফ্রিজে রেখে দিই। এতে কিছু খাবারের স্বাদ, গন্ধ ও গঠন নষ্ট হতে পারে।

যেসব খাবার সাধারণত ফ্রিজে না রাখাই ভালো:

১. কলা
ফ্রিজে রাখলে কলার খোসা দ্রুত কালো হয়ে যায়। তবে ভেতরের অংশ সাধারণত খাওয়ার উপযোগী থাকে।

২. কাঁচা আলু
ফ্রিজের ঠান্ডায় আলুর স্টার্চের পরিবর্তন হতে পারে, ফলে রান্নার পর স্বাদ ও গঠন পরিবর্তিত হতে পারে। শুকনো ও ঠান্ডা জায়গায় রাখা ভালো।

৩. টমেটো:-ফ্রিজে রাখলে টমেটোর স্বাভাবিক স্বাদ ও গঠন কমে যেতে পারে। ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখা ভালো, যদি খুব দ্রুত নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা না থাকে।

৪. শুকনো পেঁয়াজ:-শুকনো পেঁয়াজ সাধারণত ফ্রিজের বাইরে, শুকনো ও বাতাস চলাচল করে এমন জায়গায় ভালো থাকে।

৫. রসুন:-রসুনও শুকনো ও বাতাস চলাচল করে এমন জায়গায় রাখলে ভালো থাকে। অতিরিক্ত আর্দ্রতায় দ্রুত নষ্ট হতে পারে।

৬. পাউরুটি:-ফ্রিজে রাখলে পাউরুটি দ্রুত শক্ত ও শুকনো হয়ে যেতে পারে। কয়েক দিনের মধ্যে খাওয়ার হলে বাইরে airtight প্যাকেটে রাখা যায়। দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করতে চাইলে ফ্রিজারের ব্যবহার ভালো।

৭. মধু :-মধু ফ্রিজে রাখলে দ্রুত জমাট বা দানাদার হয়ে যেতে পারে। সাধারণত ভালোভাবে বন্ধ পাত্রে ঘরের তাপমাত্রায় রাখাই যথেষ্ট।

৮. কফি:-কফি ফ্রিজে রাখলে আর্দ্রতা ও আশপাশের খাবারের গন্ধ শোষণ করে স্বাদ হারাতে পারে। airtight পাত্রে শুকনো ও অন্ধকার জায়গায় রাখা ভালো।

তবে মনে রাখবেন, “ফ্রিজে রাখলে এই খাবার বিষাক্ত হয়ে যায়”—এ ধরনের দাবি সাধারণত সঠিক নয়।

আর রান্না করা ভাত, মাছ, মাংস, ডালসহ দ্রুত নষ্ট হতে পারে এমন খাবার নিরাপদভাবে সংরক্ষণের জন্য ফ্রিজ ব্যবহার করা বরং গুরুত্বপূর্ণ।

খাবার শুধু ফ্রিজে রাখলেই নিরাপদ নয়—সঠিক তাপমাত্রা, পরিষ্কার পাত্র এবং সঠিক সময়ের মধ্যে খাওয়াটাও গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার বাসায় কোন খাবারটি সবচেয়ে বেশি ফ্রিজে রাখা হয়?

মধু ভালো, নাকি গুড়? নাকি চিনি বাদ দিয়ে স্টেভিয়া বা মঙ্ক ফ্রুট খাব?এই ব্যাপারটা নিয়ে আসলে অনেকেরই কনফিউশন আছে।কেউ বলেন মধ...
03/09/2026

মধু ভালো, নাকি গুড়? নাকি চিনি বাদ দিয়ে স্টেভিয়া বা মঙ্ক ফ্রুট খাব?

এই ব্যাপারটা নিয়ে আসলে অনেকেরই কনফিউশন আছে।
কেউ বলেন মধু ভালো, কেউ বলেন গুড় ভালো। আবার কেউ চিনি একদম বাদ দিয়ে স্টেভিয়া বা মঙ্ক ফ্রুট খাচ্ছেন।

আসলে কোনটা ভালো?

স্টেভিয়া / মঙ্ক ফ্রুট :-চিনি কমাতে চাইলে এগুলো ভালো। ক্যালরি খুবই কম, আর ব্লাড সুগারও তেমন বাড়ায় না। তাই চা-কফিতে চিনির বদলে ব্যবহার করতে পারেন। স্টেভিয়া অতিরিক্ত মিষ্টি হওয়ার কারনে তেতো তেতো কিছুটা ভাব আসে।মঙ্ক ফ্রুট সবদিকে ভালো কিন্তু দাম স্টেভিয়ার তুলনায় অনেক বেশি।

মধু :-মধু প্রাকৃতিকএটা ঠিক। কিছু ভালো উপাদানও আছে। কিন্তু তাই বলে মধু যত খুশি খাওয়া যাবে, ব্যাপারটা এমন না। মধুতেও যথেষ্ট চিনি আর ক্যালরি আছে। মাঝে মাঝে খাবারের স্বাদ পরিবর্তন বা সর্দি কাশি লাগলে খেতে পারেন কিন্তু নিয়মিত নয়।

গুড় :-গুড়েও কিছু মিনারেল থাকে। কিন্তু গুড় মানেই চিনি নেই এটা ভুল ধারণা। গুড়ও মূলত চিনি। তাই গুড় বেশি খেলেও সমস্যা হতে পারে।

আখের চিনি :-আখ থেকে বানানো বলে এটাকে খুব স্বাস্থ্যকর ভাবারও দরকার নেই। এটাও মূলত চিনি।

সাদা চিনি :- এটা নিয়ে বলার কিছু নেই। সবার বাসায় এই চিনি বিদ্যমান। এটার মধ্যে তেমন কোনো পুষ্টি নেই। মিষ্টি আর ক্যালরি ব্যস। তাই এটা যত কম খাওয়া যায়, ততই ভালো।

26/08/2026

ঔষুধ এর দাম সামনে বেড়ে যাবে তাহলে উপায় কি?
সময় থাকতে সঠিক খাবার এবং নিয়মিত ব্যায়াম করুন।

Address

Sylhet/Bangladesh
Sylhet
3100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Aesthetic Nation Fitness posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Aesthetic Nation Fitness:

Shortcuts

Share