Annur Ruqyah center Moulvibazar মৌলভীবাজার রুকইয়াহ সেন্টার

  • Home
  • Bangladesh
  • Sylhet
  • Annur Ruqyah center Moulvibazar মৌলভীবাজার রুকইয়াহ সেন্টার

Annur Ruqyah center Moulvibazar মৌলভীবাজার রুকইয়াহ সেন্টার রুকইয়াহ আশশারিয়া হচ্ছে জীন যাদুর এক মাত্র কার্যকর স্থায়ী চিকিৎসা।

23/05/2026

খারাপ স্বপ্ন দেখলে করণীয়

১. তিনবার তার বাম দিকে হাল্কা থুতু ফেলা।

২. তিনবার শয়তান থেকে এবং স্বপ্নে যা দেখেছে তার অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া।

৩. কাউকে এ ব্যাপারে কিছু না বলা।

৪.তারপর যে পার্শ্বে সে ঘুমিয়েছিল তা পরিবর্তন করা।

৫. যদি সম্ভব হয় তবে উঠে কিছু (নফল) সালাত আদায় করা।

~সংগৃহিত

22/04/2026

হিংসা হাসাদের চিকিৎসা

🔴 (১) হিংসা মুখে সরাসরি আঘাত করে না

প্রথমে আঘাত করে মুখের চারপাশের “হালায়” — অর্থাৎ অদৃশ্য শক্তিক্ষেত্রে।
যখন কেউ আপনার দিকে হিংসার চোখে তাকায় — “সে নিজেকে কী ভাবে?” — এই দৃষ্টির শক্তি সূঁচের মতো হালায় ছিদ্র করে দেয়।
ফলাফল: মুখের উজ্জ্বলতা হঠাৎ হারিয়ে যায়, ত্বক ম্লান হয়ে পড়ে।

🔴 (২) রক্তপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়

হিংসার শক্তি মুখে ঢুকলে রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যায়।
মুখ ফ্যাকাশে হয়ে যায়, চোখের নিচে কালো দাগ, গাল শুকনো বা নিস্তেজ দেখায়,
যতই ভালো খাবার খান বা পানি পান করেন — তবুও মুখে কোনো দীপ্তি থাকে না।

🔴 (৩) ত্বক নিস্তেজ ও বয়স্ক লাগে

জিন-প্রভাবিত হিংসা নার্ভ সংকেত বন্ধ করে দেয়,
যার ফলে ত্বক আর পুনরুজ্জীবিত হতে পারে না।
ফলাফল: মৃত কোষ জমে যায়, বলিরেখা আগেভাগে দেখা দেয়,
ছিদ্র বড় হয়ে যায়, মুখ শুকিয়ে যায় বা ফুলে ওঠে —
এমন মনে হয় যেন হঠাৎ বয়স অনেক বেড়ে গেছে।

🔴 (৪) নারীত্বে আঘাত করে

হিংসা নারীর নারীত্ব নষ্ট করে —
মুখমণ্ডল শক্ত লাগে, কণ্ঠস্বর ভারী হয়,
অস্বাভাবিক স্থানে লোম গজায়।
এটি এক ধরনের আধ্যাত্মিক বিকৃতি যা নারীর সৌন্দর্য ও কোমলতা ঢেকে দেয়
এবং ভিতর থেকে মানসিকভাবে ভেঙে ফেলে।

🔴 (৫) চুলেও প্রভাব ফেলে

চুল পড়া, ফাঁকা জায়গা, হঠাৎ রুক্ষতা,
কখনও অদ্ভুত গন্ধ — যদিও আপনি পরিচ্ছন্ন।
হিংসা আঘাত করে মাথার “মুকুটে”,
যা এক সময় গৌরবের প্রতীক ছিল, তা হয়ে যায় লজ্জার কারণ।

🔴 (৬) আত্মবিশ্বাস ধ্বংস করে

আয়নায় নিজেকে দেখে মনে হয় কিছু একটা বদলে গেছে,
আপনি ভাবেন : “আমি আগের মতো সুন্দর নই।”
এটাই হিংসার মূল লক্ষ্য — আপনার নিজের প্রতি ঘৃণা তৈরি করা
যাতে আপনি সুস্থ হতে না পারো।

🔴 (৭) প্রসাধনীও কাজ করে না

মেকআপ লাগান, কিন্তু তবুও মুখ নিস্তেজ দেখায়,
ত্বক যেন “আলো গ্রহণ করতে” অস্বীকার করে।
কারণ হালার চারপাশে হিংসার বিষাক্ত শক্তি জমে যায়,
যা মুখের প্রাকৃতিক দীপ্তি বাধাগ্রস্ত করে।

🔴 (৮) অন্যের চোখে বিকৃত চেহারা

কখনও কিছু মানুষ আপনাকে বাস্তবের চেয়ে আলাদা ভাবে দেখে,
কেউ আপনাকে কুৎসিত ভাবে বা অতিরিক্ত সাজা ভাবতে পারে।
এটি হয় কারণ জিন-প্রভাবিত শক্তি অন্যদের দৃষ্টিতে
আপনার একটি বিকৃত ছবি প্রক্ষেপণ করে।

🔴 (৯) পোশাকও অস্বস্তিকর লাগে

পুরনো পোশাক হঠাৎ মানায় না,
মনে হয় শরীর বদলে গেছে, চেহারা ভারসাম্য হারিয়েছে।
হিংসা আপনার শরীরের শক্তিক্ষেত্র বিকৃত করে দেয়,
আপনি নিজের শরীরের সাথেই অপরিচিত অনুভব করেন।

🔴 (১০) সবচেয়ে বিপজ্জনক বিকৃতি — ভিতরেরটা

কেউ না দেখলেও আপনি নিজেই মনে করেন আপনি বদলে গেছেন,
নিজেকে ঘৃণা করেন, সৌন্দর্যের যত্ন নেওয়া ছেড়ে দেন,
এবং এক ধরনের **“সৌন্দর্যজনিত বিষণ্ণতা”**তে পড়ে যান।

🌿 হিংসা ও বিকৃতি নিরাময়ের ৩ ধাপের পূর্ণ চিকিৎসা

🔴 (১) দৈনন্দিন শরঈ হিফাযত

• সকাল ও সন্ধ্যায় পড়বেন:
সূরা আল-ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, সূরা আল-বাকারা-র শেষ দুই আয়াত, সূরা আল-ইখলাস, সূরা আল-ফালাক, সূরা আন-নাস।

• প্রতিদিন বলবেন:
أعوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِن شَرِّ مَا خَلَقَ
(আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ বাণীর মাধ্যমে আমি আশ্রয় চাই তাঁর সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে)

• মাঝে মাঝে সূরা ইউসুফ পড়বেন — এটি মুখে নূর ও গ্রহণযোগ্যতা ফিরিয়ে আনে।

🔴 (২) রুকইয়াহর পানি দিয়ে স্নান

পানির উপর পড়বেন:
সূরা আল-ফাতিহা, সূরা আল-বাকারা (সম্পূর্ণ), সূরা আল-ইখলাস, সূরা আল-ফালাক, সূরা আন-নাস, এবং হিংসা সম্পর্কিত আয়াত (সূরা কলম, নিসা, কাহফ, সাফফাত)।
👉 এ পানি দিয়ে ৭ দিন ধারাবাহিকভাবে স্নান করবেন।
👉 একই পানি ঘরের কোণায় ছিটাবেন, মুখ ও মাথায় স্প্রে করবেন।

🔴 (৩) মুখে জলপাই তেল মালিশ

প্রতিদিন রাতে ঘুমের আগে মুখে রুকইয়াহ পড়া জলপাই তেল মেখে নেবেন।
এর উপর পড়বেন:

• রুকইয়াহ শরইয়াহ আয়াতসমূহ

• আয়াতুন নূর (النور)

• আয়াতুল জামাল:
لَقَدْ خَلَقْنَا الإِنسَانَ فِي أَحْسَنِ تَقْوِيمٍ
(আমরা মানুষকে সৃষ্টি করেছি সর্বোত্তম আকারে – সূরা আত-তীন ৪)

এটি মুখের হালা ও ত্বক পুনরুজ্জীবিত করে এবং হিংসার প্রভাব ভেঙে দেয়।

🔴 (৪) আত্মার পরিশুদ্ধি

• নিজের সাথে কাউকে তুলনা করবেন না।

• আয়নায় তাকিয়ে বলুন: ما شاء الله لا قوة إلا بالله

• বেশি বেশি ইস্তেগফার করুন — এটি হিংসার শক্তি দূর করে।

🔴 (৫) খাদ্য ও বিশ্রাম

• প্রচুর পানি পান করুন।

• মধু, খেজুর, তীন, জলপাই তেল খান — এগুলো দেহে নূর আনে।

• অযু অবস্থায় ঘুমান, কারণ ঘুমের সময় শরীর নিজেকে পুনর্গঠন করে।

🔴 (৬) বিশেষ রুকইয়াহ সেশন

মুখ ও হালার ওপর কেন্দ্র করে হিংসা ও চোখের রুকইয়াহ সেশন করানো যেতে পারে —
এটি অবশিষ্ট জিনশক্তি ও নেতিবাচক শক্তি সম্পূর্ণভাবে পরিষ্কার করে।

🔴 (৭) নিয়মিত অনুসরণ

হিংসা পুনরায় আসতে পারে, তাই নিয়মিত রুকইয়াহ ও হিফাযত বজায় রাখুন।
যখনই চেহারায় পরিবর্তন বা ক্লান্তি অনুভব করবেন — আবার এই পদ্ধতি শুরু করুন।

🌸 “والله هو الشافي” – আল্লাহই একমাত্র আরোগ্যদাতা।
💧 আপনার মুখের নূর, সৌন্দর্য ও প্রশান্তি তিনিই ফিরিয়ে দিতে সক্ষম।

22/04/2026

পুরুষের জীবনে সিহরু তা'তিলির রিযিক

রিযিকে বাধার যাদু কী? এবং কিভাবে ইহার প্রভাব পতিত হয় এবং রিযিক বৃদ্ধি করার পদ্ধতি।

সিহরু তা'তিলির রিযিক এমন একটি যাদু, যার মাধ্যমে একজন মানুষের জীবিকার পথ সংকুচিত করে দেওয়া হয়। এটি সরাসরি দারিদ্র্য তৈরি করার জন্য নয়, বরং এমনভাবে বাধা সৃষ্টি করা হয় যাতে ব্যক্তি চেষ্টার পরেও সফল হতে না পারে, তার উপার্জনের পথ বারবার বন্ধ হয়ে যায় এবং জীবনে স্থিরতা আসতে না পারে। বিশেষ করে পুরুষের জীবনে এই যাদুর প্রভাব অনেক গভীর হয়। কারণ পরিবার, দায়িত্ব এবং রিযিকের চাপ সাধারণত পুরুষের উপরই বেশি থাকে। ফলে রিযিকে বাধা সৃষ্টি হলে তা শুধু একজন ব্যক্তির নয়, পুরো পরিবারের জীবনে অস্থিরতা তৈরি করে।

যাদুটি কিভাবে কাজ করে?

সিহরু তা'তিলির রিযিক সাধারণত খাদেম জিনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এই জিন ব্যক্তি ও তার জীবিকার উৎসের মাঝে একটি অদৃশ্য বাধা তৈরি করে।

এই পুরো যাদুর প্রক্রিয়াটি কয়েকভাবে ঘটে:

প্রথমত, ব্যক্তির কর্মক্ষমতা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দুর্বল করে দেওয়া হয়। সে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ভুল সিদ্ধান্ত নেয় বা সুযোগ চিনতে ব্যর্থ হয়।

দ্বিতীয়ত, কাজের পরিবেশে সমস্যা তৈরি করা হয়। হঠাৎ চাকরি চলে যাওয়া, ব্যবসায় অকারণ ক্ষতি, ক্লায়েন্ট বা অংশীদারের সাথে সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যাওয়া এগুলোর পুনরাবৃত্তি দেখা যায়।

তৃতীয়ত, রিযিকের সুযোগ আসলেও তা স্থায়ী হয় না। নতুন কাজ শুরু হলেও কিছুদিন পর তা ভেঙে পড়ে বা অজানা কারণে বন্ধ হয়ে যায়।

চতুর্থত, ব্যক্তি নিজেই ধীরে ধীরে হতাশ হয়ে পড়ে। তার ভেতরে অলসতা, ভয়, আত্মবিশ্বাসের অভাব এবং উদ্যোগহীনতা তৈরি হয়, যা যাদুর প্রভাবকে আরও শক্তিশালী করে।

শরীর ও মনের উপর যেভাবে প্রভাব পতিত হয়।

এই যাদু শুধু বাহ্যিক জীবনে নয়, বরং শরীর ও মানসিক অবস্থার উপরও বেশ প্রভাব ফেলে।

অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় মাথা ভারী লাগা, চিন্তা পরিষ্কার না হওয়া ,অকারণ ক্লান্তি ও শক্তিহীনতা । কাজের প্রতি আগ্রহ কমে যাওয়া, হঠাৎ উদ্বেগ ও ভয় তৈরি হওয়া রাতের ঘুমে অস্থিরতা।

এই অবস্থায় ব্যক্তি বুঝতে পারে কিছু একটা সমস্যা আছে, কিন্তু সঠিক কারণ নির্ণয় করতে পারে না।

পারিবারিক ও দাম্পত্য জীবনে প্রভাব

আমরা রুকইয়াহর অভিজ্ঞতায় দেখেছি - পুরুষ রিযিকে বাধা সৃষ্টি হলে, এর প্রভাব সরাসরি দাম্পত্য জীবনে পতিত হয়।

স্বামী যখন বারবার ব্যর্থ হয়, তখন তার ভেতরে হতাশা জন্ম নেয়। সে নিজেকে অযোগ্য মনে করতে শুরু করে। অন্যদিকে অনেক স্ত্রী বা পরিবারের পক্ষ থেকেও চাপ তৈরি হয়। এতে করে ধীরে ধীরে সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব, রাগ, অভিমান এবং অশান্তি তৈরি হয়।

অনেক সময় এই অবস্থাই পরবর্তীতে সিহরুত তাফরিক অর্থাৎ বিচ্ছেদের যাদুকে আরও সহজে কার্যকর করে তোলে।

এই যাদুর উপকরণ গুলো।

এই ধরনের যাদুতে সাধারণত কিছু নির্দিষ্ট বস্তু ব্যবহার করা হয়: সংক্ষেপে যদি বলি

তলাসিম লেখা কাগজ তাবিজ বা গিঁট দেওয়া সুতা ব্যক্তিগত বস্তু যেমন কাপড়, চুল , দাড়ি, মাটি, ধুলা বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্কিত কিছু বস্তু পানি বা খাবারের মাধ্যমে প্রভাব,এই বস্তুগুলো ব্যবহার করে ব্যক্তির রিযিকের সাথে একটি অদৃশ্য সংযোগ তৈরি করা হয়।

করণীয় ও প্রতিকার

রিজিক একমাত্র আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে নির্ধারিত। দুনিয়ার কোনো মানুষ কারো রিজিক কমাতে বা বাড়াতে সক্ষম নয়। আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক সৃষ্টির জন্য তার রিজিক নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন, তা সময়মতো তার কাছেই পৌঁছাবে।

আল্লাহ তাআলা বলেন
وَمَا مِنْ دَابَّةٍ فِي الْأَرْضِ إِلَّا عَلَى اللَّهِ رِزْقُهَا

পৃথিবীতে বিচরণশীল এমন কোনো প্রাণী নেই যার রিজিক আল্লাহর দায়িত্বে নয়।
সূরা হূদ ১১:৬

মানুষ যখন অন্যের রিজিক দেখে হিংসা করে, তখন সে মূলত আল্লাহর ফায়সালার উপর অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে। কারো কাছে যা আছে, তা তার জন্য নির্ধারিত ছিল। আর আপনার জন্য যা নির্ধারিত, তা কেউ নিতে পারবে না।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন
إِنَّ رُوحَ الْقُدُسِ نَفَثَ فِي رُوعِي أَنَّهُ لَنْ تَمُوتَ نَفْسٌ حَتَّى تَسْتَكْمِلَ رِزْقَهَا
রূহুল কুদস আমার অন্তরে ফুঁকে দিয়েছেন যে, কোনো প্রাণ তার পূর্ণ রিজিক গ্রহণ না করা পর্যন্ত মৃত্যু বরণ করবে না
সুনান ইবনে মাজাহ ২১৪৪, সহিহ

অনেকে মনে করে হারাম পথে গেলে দ্রুত রিজিক আসে। এটি এক মারাত্মক ভুল ধারণা। হারাম উপার্জন রিজিক বাড়ায় না, বরং বরকত ধ্বংস করে দেয় এবং দুআ কবুল হওয়া থেকে মানুষকে বঞ্চিত করে।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন
إِنَّ اللَّهَ طَيِّبٌ لَا يَقْبَلُ إِلَّا طَيِّبًا
নিশ্চয় আল্লাহ পবিত্র, তিনি পবিত্র ছাড়া কিছু গ্রহণ করেন না
সহিহ মুসলিম ১০১৫

গুনাহ মানুষকে শুধু আখিরাতেই ক্ষতিগ্রস্ত করে না, দুনিয়াতেও রিজিক সংকুচিত করে দেয়।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন

إِنَّ الرَّجُلَ لَيُحْرَمُ الرِّزْقَ بِالذَّنْبِ يُصِيبُهُ

নিশ্চয় মানুষ তার করা গুনাহের কারণে রিজিক থেকে বঞ্চিত হয়
মুসনাদ আহমাদ ২২৩৮৬, হাসান

যে আমল গুলো করলে আপনার রিযিক বৃদ্ধি হবে।

১. গুরুত্ব আর মহব্বত নিয়ে জামাতের সাথে নামাজ আদায় করতে পারি।

২. নিয়মিত সালাতুল হাজত পড়তে পারি।

৩. বড় কোনও গুনাহের বদ অভ্যাস থাকলে তাওবা করা জরুরী।

৪) বে‌শি বে‌শি ই‌স্তেগফার করতে পারি।

৫) মা-বাবার প্রতি সাদাচার করা জরুরী। নিয়মিত আত্মীয়স্বজনের খোঁজখবর রাখতে পারি।

৬) হালাল রিজিকের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রাখতে পারি।

৭) নিয়মিত এই দোয়া করতে পারি,

رَبِّ إِنِّی لِمَاۤ أَنزَلۡتَ إِلَیَّ مِنۡ خَیۡرࣲ فَقِیرࣱ

হে আল্লাহ, আপনি আমার জন্য যে রি‌যিক না‌যিল ক‌রেছেন, আমি তার খুব মুখা‌পেক্ষী (কাসাস: ২৪)।

অতপর এই দুআটি - পাঠ করুন।

اللَّهُمَّ اكْفِنِي بِحَلَالِكَ عَنْ حَرَامِكَ، وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ

হে আল্লাহ, আপনার হালাল দিয়ে আমাকে হারাম থেকে যথেষ্ট করে দিন এবং আপনার অনুগ্রহ দিয়ে আপন ব্যতীত অন্যদের থেকে আমাকে মুখাপেক্ষীহীন করুন
তিরমিজি ৩৫৬৩, হাসান

৮. এছাড়া ওজুর পরে পঠিত দোয়াটির মধ্যেও রিজিকে বরকতের প্রার্থনা আছে,
اللَّهُمَّ اغْفِرْلِيْ ذَنْبِيْ وَوَسِّعْ لِيْ فِيْ دَارِيْ وَباَرِكْ لِيْ فِيْ رِزْقِيْ

আল্লাহুম্মাগফিরলী যাম্বী ওয়া ওয়াসসিলী ফী দারী ওয়া বারিক লী ফী রিজকী।

ইয়া আল্লাহ, আমার গুনাহ মাফ করে দিন। আমার বসতবাড়িতে প্রশস্ততা দান করুন। আমার রিজিকে বরকত দান করুন (মুসনাদ: ২/৪৫০৬)।

৯. দুই সিজদার মাঝেও পেয়ারা নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রিজিকের দোয়া করেছেন,

اللهُمَّ اغْفِرْ لِيْ وَارْحَمْنِيْ وَاهْدِنِيْ وَاجْبُرْنِيْ وَعَافِنِيْ وَارْزُقْنِيْ وَارْفَعْنِيْ

আল্লাহুম্মাগফিরলী ওয়ার-হামনী, ওয়াহদিনী, ওয়াজবুরনী, ওয়া আফিনী ওয়ারযুকনী ওয়ারফা’নী।

ইয়া আল্লাহ, আমাকে মাফ করে দিন। আমার প্রতি দয়া করুন। আমাকে হেদায়াত দান করে সঠিক পথে পরিচালিত করুন। আমার সমস্ত ক্ষয়ক্ষতি পূরণ করে দিন। আমাকে সার্বিক নিরাপত্তা-সুস্থ্যতা দান করুন। আমাকে রিজিক দান করুন। আমার মর্যাদা বৃদ্ধি করুন (আবু দাউদ: ৮৫)

১০ / প্রতিদিন মাগরীবের পর সুরা ওয়াকিয়া তিলাওয়াত করা বা শোনা।

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা ওয়াকিয়া তেলাওয়াত করবে তাকে কখনো দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না।

(বাইহাকি: শুআবুল ঈমান-২৪৯৮)

রিজিক কোনো মানুষের হাতে নয়। সম্মান, অপমান, প্রাচুর্য ও অভাব সবই আল্লাহর পরীক্ষা। যে ব্যক্তি হালাল পথে অটল থাকে, তাকওয়া অবলম্বন করে এবং ধৈর্য ধারণ করে, আল্লাহ তার জন্য রিজিকের মধ্যে বরকত দান করেন।

আল্লাহ তাআলা আমাদের হালাল রিজিকের উপর সন্তুষ্ট থাকার এবং কৃতজ্ঞ বান্দা হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

লেখাটি ভালো লাগলে সাদকায়ে জারিয়ার নিয়তে লেখাটি শেয়ার করতে পারেন।

আন-নুর রুকইয়াহ সেন্টার মৌলভীবাজার
☎️01310616305

22/04/2026

'সিহরুন খুমুল' তথা অলসতার যাদু নামে একটি যাদু আছে। এই যাদুর মূল লক্ষ্য হলো একজন মানুষকে অলস, কর্মবিমুখ ও সমাজবিচ্ছিন্ন করে তোলা।

যাদুটি যেভাবে কাজ করে: যাদুকর একটি জিনকে নির্দেশ দেয় আক্রান্ত ব্যক্তির মস্তিস্কে আছর করে তাকে একাকী থাকতে বাধ্য করতে। সেই জিনটি রোগীর স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করে তাকে সারাক্ষণ ক্লান্ত ও বিমর্ষ রাখে। ফলে আক্রান্ত ব্যক্তি প্রচণ্ড অন্তর্মুখী হয়ে পড়েন এবং মানুষের সাথে মেলামেশা করতে অপছন্দ করেন। তিনি সবসময় একা থাকতে চান এবং দীর্ঘ সময় চুপচাপ থাকেন। এছাড়া তার মধ্যে প্রচণ্ড অন্যমনস্কতা দেখা দেয়।

শারীরিক লক্ষণ: রোগী সবসময় শরীরে প্রচণ্ড ক্লান্তি, অবসাদ এবং অলসতা অনুভব করেন। তার প্রায়ই মাথাব্যথা হয় যা সাধারণ চিকিৎসায় সারে না।

সামাজিক প্রভাব: এই যাদুর ফলে ব্যক্তি তার পড়াশোনা, চাকরি বা অন্যান্য সামাজিক দায়িত্বের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন এবং নিজেকে গুটিয়ে নেন।
এবং বেশিরভাগ সময় বিছানায় শুয়ে থাকেন।
এর থেকে উত্তরণের জন্য জরুরি ভিত্তিতে রুকাইয়াহ আশ শারিয়া গ্রহণ করা

19/03/2026

কোন ব্যক্তির নিজের উপর নিজের বদনজর লাগতে পারে??
উত্তর কমেন্ট এ

20/02/2026

রমাদানে কীভাবে রুকইয়াহ করবেন?

রমাদানের এই সময়ে বাহিরের বড় শয়তানরা বন্দী থাকা, বরকতময় মাস হওয়া ও কুরআন আযকার অত্যাধিক হওয়ার দরুন শরীরে বিদ্যমান যাদু এবং জ্বীন দুর্বল থাকে। ফলে অসুস্থ রোগীদের উচিত এই বরকতময় মহা সুযোগকে কাজে লাগানো। এজন্য রমাদানকে সামনে রেখে প্রত্যেকের উচিত একটি "সেল্ফ রুকইয়াহ মডিউল" রেডি করা, যেনো এই মাসের বরকতের ওয়াসীলাহতে অসুস্থতার আযাব থেকে বের হওয়ার সুযোগ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'য়ালা করে দেন।

আমরা রমাদান উপলক্ষে নীচে একটি কমন সেল্ফ রুকইয়াহ মডিউল দিচ্ছি। প্রত্যেকেই তার দৈনন্দিন ব্যস্ততা অনুযায়ী এটাকে নিজের মত সাজিয়ে নিবেন।

রমাদানে কীভাবে রুকইয়াহ করবেন?

আসছে রমাদান। এই সময়ে বাহিরের বড় শয়তানরা বন্দী থাকা, বরকতময় মাস হওয়া ও কুরআন আযকার অত্যাধিক হওয়ার দরুন শরীরে বিদ্যমান যাদু এবং জ্বীন দুর্বল থাকে। ফলে অসুস্থ রোগীদের উচিত এই বরকতময় মহা সুযোগকে কাজে লাগানো। এজন্য রমাদানকে সামনে রেখে প্রত্যেকের উচিত একটি "সেল্ফ রুকইয়াহ মডিউল" রেডি করা, যেনো এই মাসের বরকতের ওয়াসীলাহতে অসুস্থতার আযাব থেকে বের হওয়ার সুযোগ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'য়ালা করে দেন।

আমরা রমাদান উপলক্ষে নীচে একটি কমন সেল্ফ রুকইয়াহ মডিউল দিচ্ছি। প্রত্যেকেই তার দৈনন্দিন ব্যস্ততা অনুযায়ী এটাকে নিজের মত সাজিয়ে নিবেন।

১) রমাদানে অনেক অসুস্থ রোগী রোজা রাখতে বেশি বাঁধাপ্রাপ্ত হোন। এজন্য রোজা রাখতে যেসকল বাঁধা আসবে সেগুলোকে কীভাবে মোকাবেলা করবেন সেটা এখন থেকেই পরিকল্পনা করে রাখুন। যেমন– বেশি অসুস্থ লাগলে কোন রুকইয়াহ অডিওটি শুনবেন অথবা কার হেল্প নিবেন ইত্যাদি। উদাহরণ স্বরূপ রমাদানে রোজা রাখতে গিয়ে অনেকে আরো বেশি নিস্তেজ ও অসুস্থ হয়ে পড়েন কিংবা অনেকের গুনাহের প্রবনতা বেড়ে যায়। এটা সাওমের উপর শয়তানের আইন- হাসাদ- সিহর অথবা পেটে থাকা যাদুর কারণে হয়ে থাকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে। সেক্ষেত্রে হারকের অডিও, হাসাদের অডিও এবং আইনের অডিও যে যার অডিও প্লেয়ারে ডাউনলোড দিয়ে রাখুন। যেনো অসুস্থতার মাত্রা বেড়ে গেলে সেটা শুনে স্বাভাবিক হতে পারেন।

২) রমাদানের মূল লক্ষ্য হিসেবে অন্তত পক্ষে প্রাথমিকভাবে দুইটি বিষয় নির্ধারিত রাখুন। প্রথমত, নিয়্যাতসহ অত্যাধিক কুরআন তিলাওয়াত করা এবং দ্বিতীয়ত গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা। এই দুইটি বিষয়ে সফল হলে বাকি অন্য কোনো পরিকল্পনা থাকলে সেগুলোতে অগ্রসর হোন৷ পরিকল্পনা বৃহৎ হওয়ার দুষ্টচক্রে অনেকের ক্ষেত্রে দিনশেষে কিছুই করা হয়ে উঠে না!

৩) একটু সুস্থ বা স্বাভাবিক লাগলেই সময়টাকে দু'আ এবং কুরআন তিলাওয়াতে কাজে লাগান। অসুস্থ অবস্থায় অডিও শোনার পর সুস্থ লাগলে সেভাবেই নিজেকে বিছানায় ফেলে রাখবেন না।

৪) রমাদান মূলত নিজের আত্মশুদ্ধির মাস। এই মাসকে ব্যবহার করে নিজের ক্ষমা করিয়ে নিতে না পারলে রাসূল (সাঃ) ঐ ব্যক্তিকে অভিশাপ দিয়েছেন। সুতরাং বিষয়টিকে সিরিয়াসলি নিন।

৫) পুরো রমাদানকে ঘিরে কুরআন তিলাওয়াতের প্ল্যান সাজান। যদি মোটামুটি তিলাওয়াত পারেন তবে এক খতম, আর ভালো তিলাওয়াত পারলে (৩-৪) খতম দেওয়ার চেষ্টা করুন। তিলাওয়াত করার সময় নিয়্যাতসহ তিলাওয়াত করুন। প্রতিদিন এক থেকে দেড় পারা পড়লে ২৫ রমাদানের ভেতর এক খতম আর প্রতিদিন পাঁচ পারা করে পড়লে তিন থেকে চার খতম হয়ে যাবে ইনশা আল্লাহ।

৬) "আচ্ছা আরো দিন তো আছে, একসাথে জমে থাকা তিলাওয়াত বা আযকার সেরে ফেলবো"— এই শয়তানি ওয়াসওয়াসাকে 'শয়তানি ওয়াসওয়াসা' হিসেবেই গণ্য করুন।

৭) পুরো রমাদানে আপনি মূলত আপনার শরীরে থাকা জালিম জ্বীনকে "নিয়্যাতসহ তিলাওয়াত ও দু'আর দ্বারা" ধ্বংস করবেন এবং আপনার সাপ্লিমেন্ট গুলোকে শক্তিশালী করবেন।

আপনার সাপ্লিমেন্ট গুলো হাতের কাছে রাখুন। বিশেষত পাঁচ লিটার বা দশ লিটার পানির একটি বোতল, এক বয়াম মধু, এক কৌটা লবণ এবং এক বোতল এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল নিন। যখনই কুরআন পড়বেন সামনে নিয়ে বসবেন এবং তিলাওয়াতের একটু পর পর ফুঁ দিবেন এগুলোতে।

যদি ঘরে তিলাওয়াত করা হয় তবে সাপ্লিমেন্ট গুলোকে নির্দিষ্ট স্থানে রাখুন এবং তিলাওয়াতের সময় সেখানে চলে যান। আর ছোট হাফ লিটারের পানির একটি বোতলও সাথে রাখুন। ঘরের বাহিরে তিলাওয়াত করা হলে সেটাতে ফুঁ দিয়ে রাখবেন। তবে পানির বোতল এমনভাবে নিয়ে ঘুরবেন না যাতে মানুষ আপনার সাওম নিয়ে অহেতুক সন্দেহ করে। কারো সন্দেহ জাগ্রত হলে তাকে পানি পড়ার বিষয়টি জানিয়ে দিন।

নিয়্যাত– আল্লাহ সকল যাদু, নজর, হাসাদ, গিট ধ্বংস করে জ্বীনকে মুক্ত করে শরীর থেকে চিরতরে বের করে দিন ইয়া আল্লাহ। শয়তান জ্বীন শরীর থেকে বের হতে না চাইলে তাকে এমন মৃত্যু যন্ত্রণার আযাব দিন যাতে সে সইতে না পেরে বের হয়ে যায়।

৮) রমাদানে চিনি ও তৈলাক্ত ভাজাপোড়া খাবারের পরিবর্তে প্রোটিন ও ফাইবারযুক্ত খাবার গ্রহণ করুন। যেমন– দুধ, ডিম, মাছ, মাংস, যব, তালবিনা, চিয়াসীড, সবুজ শাক সবজি, মৌসুমি ফল ইত্যাদি। এছাড়া অনেক পরিমাণে শাক খাওয়া কিংবা শাক দিয়ে স্যুপ বানিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করুন।

৯) পেট ক্লিন করে এরূপ খাদ্য রমাদানের ডায়েট বা ইফতারে যুক্ত করতে পারেন। যেমন– কলা, পাকা পেঁপে, বেলের শরবত ইত্যাদি। শরবত তৈরিতে পড়া পানি ব্যবহার করুন।

১০) বাসায় সহযোগিতাকারী কেউ থাকলে তাকে অনুরোধ করুন, আপনাকে যেনো একটা নির্দিষ্ট সময় কুরআন পড়া অলিভ অয়েল বা পড়া তেল দিয়ে শরীর ম্যাসাজ করে দেয়। এটা আপনাকে সিহর জনিত রিয়্যাকশন হিসেবে বিছানায় ফেলে দেওয়ার অসুস্থতা থেকে অনেক খানিক রিলিফ দিবে ইনশা আল্লাহ।

১১) মনে রাখবেন, পেট ক্লিন করা বা লুজ করার কোনো সাপ্লিমেন্ট খেতে চাইলে আপনার সময় হচ্ছে ইফতারের পর থেকে সাহরির আগ পর্যন্ত।

সুতরাং সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করতে চাইলে শরীরের অবস্থা অনুযায়ী তিন- চারদিন পর পর নিন। ইফতারের এক ঘন্টা পরে সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করুন। এছাড়া সেদিন ইফতারিতে শক্তিশালী খাবার ও ফাইবার যুক্ত খাবার খান। যেমন– দুধ, ডিম, মাংস, তালবিনা ইত্যাদি।

১২) ইফতারিতে জিহ্বা সামলালে অর্থাৎ অতিরিক্ত খাবারের প্রতি লোভ নিয়ন্ত্রণ করলে অনেক উপকার পাবেন। কারণ জিহ্বার আসক্তি রুহের নূর-কে নষ্ট করে দেয় এবং শয়তানকে শক্তিশালী করে।

১৩) ইস্তিফরাগ (রুকইয়াহর নিয়মে বমি) করতে চাইলে (করতে পারলে ভালো) বেস্ট টাইম হচ্ছে সাহরির আগে। কুরআন পড়া পানি হাফ লিটারের সাথে এক থেকে দুই লিটার নরমাল পানি মিশিয়ে নিন। সেই মিশ্রিত পানির সাথে (২-৫) চামচ কুরআন পড়া ভোজ্য তেল (এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল হলে ভালো, না থাকলে অন্য কোনো ভোজ্য তেল যেমন– বাদাম তেল, তিলের তেল, তিসির তেল, কালোজিরার তেল, নিমের তেল, সরিষার তেল ইত্যাদি) মিশান। হালকা সল্ট এবং কুরআন পড়া মধু মিশাতে পারেন চাইলে। বাড়তি হিসেবে কালোজিরার তেল থাকলে দুই/ এক ফোঁটা দিতে পারেন।

এটা পেট ভরে পান করে মুখে আঙ্গুল দিয়ে বমি করে ফেলে দিন।

অনেকে শুধু এক/ দেড় কাপ পড়া অলিভ অয়েল পান করে ২-৫ মিনিট পর মুখে আঙ্গুল দিয়ে বমি করেন। যিনি পারবেন, তিনি চাইলে এটাও করতে পারেন।

১৪) রমাদানে শরীরের স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট জরুরী। এমন গরম বা উত্তপ্ত পরিবেশ থেকে নিজেকে বিরত রাখুন যা আপনাকে অসুস্থ করে দেয়। এই মাসে সুস্থ থাকা বেশী জরুরী। কারণ, সুস্থ থাকলেই আপনি ইবাদতে বেশি করে সময় দিতে পারবেন।
প্রতিদিন গোসল করা ও আতর মাখা, অযথা কথা বলা এড়িয়ে চলা, চিন্তার দ্বারা নেগেটিভিটি চর্চা না করা, সর্বক্ষণ মৌন আযকার জারী রাখা, পরিষ্কার- পরিচ্ছন্ন জামা পরিধান করা, ঘর আলোকিত ও সুগন্ধিযুক্ত রাখা, মাঝেমাঝে মন ভালো লাগা নাশীদ বা লেকচার শোনা, দ্বীনি মজলিসে ও মসজিদে যাতায়াত করা, অল্প হলেও দৈনিক কিছু সদাকাহ করা, দীর্ঘ সময় ঝর্ণার নীচে শাওয়ার নেওয়া, অযু অবস্থায় থাকা ইত্যাদি ছোট ছোট উত্তম পদক্ষেপ আপনাকে অনেকটা স্ট্রেস মুক্ত রাখবে ইনশা আল্লাহ।

১৫) ইফতারিতে এমনভাবে খাবেন না যাতে পুরো রাত প্রচন্ড ক্লান্তিতে বিছানায় কাটাতে হয়! জম্পেশ খাবার তারাবীহ-র পরে গ্রহণ করুন। তবে নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ আনুন। এটাই রমাদানে রুকইয়াহর মূল লক্ষ্য।

১৬) রমাদানের মোটিভেশন পুরো মাসব্যাপী ধরে রাখতে এই সংক্রান্ত কিছু লেকচার মাঝে মাঝেই শুনুন। বই পড়ার অভ্যাস থাকলে শাইখ আহমদ মূসা জীবরিলের "ধূলোমলিন রমাদান" বইটি সাথে রাখুন।

১৭) এই রমাদানে কান্নাকাটির মাধ্যমে আল্লাহর কাছে নিজের জন্য তাওফীক চেয়ে নিন। আল্লাহকে নিজের জীবনে নতুন করে আবিষ্কার করুন।

১৮) সকাল সন্ধ্যার আযকার বাদ দেওয়া যাবে না।

১৯) রমাদানে কুরআন পড়া সব সাপ্লিমেন্ট বা পানি ব্যবহার করে শেষ করে ফেলবেন না। পানি বা তেল অর্ধেক পরিমাণ কমে আসলে আবার পানি- তেল ঢেলে বোতল ভর্তি করে ফেলুন।

২০) রমাদানের শেষ দশকে যাদুগ্রস্থ অনেক রোগীর সমস্যা বেড়ে যায়। কারণ যাদু রিনিউ হয়। সেক্ষেত্রে এতদিন যাবৎ প্রস্তুতকৃত পানি বা তেলকে শেষ দশকে কাজে লাগান। ইফতারির আগে গোসলের পানির সাথে কুরআন পড়া পানি মিশিয়ে গোসল করে শরীরে কুরআন পড়া তেল মেখে রাখুন। সকাল- সন্ধ্যার আযকার ছাড়বেন না। নিরাপদ থাকবেন ইনশা আল্লাহ।

২১) রমাদানে সকল মুসলিম ভাই-বোনদের জন্য অবশ্যই দু'আ করবেন ইনশা আল্লাহ। প্রয়োজনে কী কী চাইবেন আল্লাহর কাছে, তার একটি লিস্ট করতে পারেন।

২২) প্রতিদিন বাধ্যতামূলক ভাবে সদাকাহ করুন। এমনকি এক টাকা হলেও!

২৩) নিজের জন্য রমাদান রুটিন রিমাইন্ডার হিসেবে বানিয়ে রাখতে পারেন। মোবাইলে নোটে কিংবা এ্যপসে অথবা ম্যানুয়ালি খাতায় কিংবা ডায়েরীতে লিখে রাখুন। অথবা সহজেই চোখে পড়বে এমন স্থানে রুটিন লিখে টানিয়ে রাখুন।

২৪) দু'আ কবুলের মুহুর্ত গুলোকে অবশ্যই কাজে লাগাবেন। কারণ এসময়ের দু'আ ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। বিশেষত ইফতারের আগের মুহুর্ত, আযান- ইকামতের মাঝের সময় ইত্যাদি।

২৫) নির্দিষ্ট একটি মুসহাফ থেকে সারা রমাদান জুড়ে তিলাওয়াত করতে পারেন। এটা তিলাওয়াতের লক্ষ্য পূরণে সহায়ক হবে বি-ইযনিল্লাহ।

২৬) বই পড়ার টার্গেট থাকলে রাসূল (সাঃ) এর সীরাহ সম্পন্ন করার টার্গেট করুন। এক্ষেত্রে আর- রাহীকুম মাখতুম অথবা রেইন ড্রপ্সের সীরাহ ভালো অপশন।

২৭) যেসব রোগীকে শয়তান জ্বীন স্বপ্নে ডিস্টার্ব করে, তারা কুরআন পড়া তেলের সাথে আতর মিশিয়ে তলপেটে মেখে ঘুমাতে পারেন ইনশা আল্লাহ।

২৮) "দুর্বল লাগছে"– এই চিন্তাকে মানসিকভাবে মেনে নিলে আরো দুর্বল লাগবে। সুতরাং মানসিকভাবে শক্ত ও দুর্বলতাকে প্রশ্রয় না দেওয়ার জেদ থাকতে হবে মনে।

২৯) যিকর হিসেবে অধিক পরিমাণে ইস্তিগফার এবং দরুদ পাঠ করাকে প্রাধান্য দিন।

♦ রুকইয়াহ সংক্রান্ত রমাদানের কয়েকটি মাস'আলা–

★ রোজা রাখা অবস্থায় মুখ ভরে বমি হলে রোজা ভেঙে যায়। সুতরাং যাদের রুকইয়াহ অডিও শুনলেই বমি হয়, রোজা থাকাকালীন সময়টাতে তারা রুকইয়াহ অডিও না শোনা ভালো। এক্ষেত্রে রোজা থাকাবস্থায় নিয়্যাতসহ বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করুন এবং ইফতারের কয়েক ঘন্টা পর রুকইয়াহ অডিও শুনতে পারেন।

★ রমাদানে রোজা থাকাবস্থায় হিজামা করলে রোজা ভাঙে না। সুতরাং যাদের হিজামা করা প্রয়োজন, তারা করতে পারেন ইনশা আল্লাহ।

★ রোজা থাকাবস্থায় আতরের ঘ্রাণ নিলে রোজা ভাঙে না। তবে নাকে বা চোখে কোনো লিকুইড ড্রপ নিলে রোজা ভেঙে যাবে।

[উপকারী মনে হলে সদাকায়ে জারিয়াহর নিয়্যাতে পোস্টটি শেয়ার করতে পারেন।]

21/01/2026

🩸 শরীর ভারী লাগে?
😣 ঘাড় ও পিঠের ব্যথা যাচ্ছে না?

🌿 সুন্নাহ চিকিৎসা – হিজামা হতে পারে আপনার প্রাকৃতিক ও নিরাপদ সমাধান।

📍 মৌলভীবাজার রুকইয়াহ সেন্টার
✔️ বিশুদ্ধ সুন্নাহ অনুযায়ী হিজামা থেরাপি
✔️ সম্পূর্ণ নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতি
✔️ অভিজ্ঞ তত্ত্বাবধানে সেবা প্রদান

📞 আজই যোগাযোগ করুন: ০১৩১০-৬১৬৩০৫
✨ সুস্থতার পথে ফিরুন—ইনশাল্লাহ।

আপনার শিশু কি হঠাৎ অকারণে খুব বেশি কাঁদছে? বারবার অসুস্থ হয়ে পড়ছে কিংবা খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দিয়েছে? অনেক সময় একে সাধারণ সমস...
13/01/2026

আপনার শিশু কি হঠাৎ অকারণে খুব বেশি কাঁদছে? বারবার অসুস্থ হয়ে পড়ছে কিংবা খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দিয়েছে? অনেক সময় একে সাধারণ সমস্যা মনে হলেও আসলে এটি 'বদনজর' হতে পারে।

শিশুদের বদনজর ও অশুভ দৃষ্টি থেকে সুরক্ষা পেতে 'রুকাইয়া' একটি শক্তিশালী ইসলামি সমাধান।
সুন্নাহসম্মত উপায়ে আপনার প্রিয় সন্তানকে রাখুন সুরক্ষিত ও নিরাপদ।

✅ বিস্তারিত জানতে বা পরামর্শের জন্য আমাদের কল করুন
📞 ০১৩১০-৬১৬৩০৫

আন-নূর রুকাইয়া সেন্টার

মানসিক অশান্তি, অহেতুক ভয় কিংবা দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন? রুকাইয়া হতে পারে আপনার সমস্যার সুন্নাহসম্মত একটি সম...
13/01/2026

মানসিক অশান্তি, অহেতুক ভয় কিংবা দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন? রুকাইয়া হতে পারে আপনার সমস্যার সুন্নাহসম্মত একটি সমাধান।

কেন রুকাইয়া করবেন?
✅ জাদু, জিনের আছর ও বদনজর থেকে সুরক্ষা পেতে।
✅ ভয়, দুশ্চিন্তা, হতাশা ও মানসিক অস্থিরতা দূর করতে।
✅ অকারণ শারীরিক কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে।
✅ ইবাদতে অলসতা ও শয়তানের ওয়াসওয়াসা দূর করতে।

কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে সঠিক সেবা পেতে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। 📞 কল করুন: ০১৩১০-৬১৬৩০৫

আন-নূর রুকাইয়া সেন্টার

অশান্ত মন আর দুশ্চিন্তায় ঘেরা রাতগুলোতে যখন কোনো কূলকিনারা পাওয়া যায় না, তখন আল্লাহর কালামই হতে পারে আমাদের শ্রেষ্ঠ আশ্র...
08/01/2026

অশান্ত মন আর দুশ্চিন্তায় ঘেরা রাতগুলোতে যখন কোনো কূলকিনারা পাওয়া যায় না, তখন আল্লাহর কালামই হতে পারে আমাদের শ্রেষ্ঠ আশ্রয়। 🌙

মানসিক দুশ্চিন্তা, বিষণ্ণতা বা ডিপ্রেশন থেকে পরিত্রাণের জন্য সুন্নাহ সম্মত কোরআনি রুকইয়া অত্যন্ত কার্যকরী। আপনার অস্থির মনকে শান্ত করতে এবং আত্মার প্রশান্তি ফিরে পেতে কুরআনের এই নিরাময় পদ্ধতি গ্রহণ করুন। 🤲📖

সব দুশ্চিন্তা আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিয়ে সঠিক পথে সমাধান খুঁজুন।

📞 বিস্তারিত জানতে বা পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন: 01310-616305

Address

Sylhet

Opening Hours

Monday 13:00 - 21:00
Tuesday 12:00 - 21:00
Wednesday 01:00 - 21:00
Thursday 13:00 - 17:00
Friday 20:30 - 22:00
Saturday 01:50 - 20:00
Sunday 01:50 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Annur Ruqyah center Moulvibazar মৌলভীবাজার রুকইয়াহ সেন্টার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share