Ruqyah Service Sylhet

Ruqyah Service Sylhet Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ruqyah Service Sylhet, Medical and health, ২৩, ওয়াজিদ মহল, জালালাবাদ, আম্বরখানা।, Sylhet.

জিন | জাদু | বদনজর | হাসাদসহ মানসিক ও
শারীরিক অসুস্থতার সুন্নাহভিত্তিক একমাত্র শরঈ
সমাধান হলো-তিব্বে নববীর আলোকে রুকইয়াহ শারইয়্যাহ।

সরাসরি রুকইয়াহর জন্য এপয়েন্টমেন্ট/ সিরিয়াল নিতে আমাদের অফিসিয়াল নম্বর 01335281584-এ কল করুন অথবা হোয়াটসঅ্যাপ করুন।

07/06/2026

সারাদিনের ক্লান্তি দূর করতে চান? তাহলে এই আমলটি করুন।

হযরত আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাকে এমন একটি আমল শিখিয়েছিলেন, যা শেখার পর থেকে আমি কখনো ছাড়িনি। এমনকি সিফফীনের যুদ্ধের ভয়াবহ রাতেও এই আমল করেছি।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—

إِذَا أَخَذْتُمَا مَضَاجِعَكُمَا، أَنْ تُكَبِّرَا اللَّهَ أَرْبَعًا وَثَلَاثِينَ، وَتُسَبِّحَاهُ ثَلَاثًا وَثَلَاثِينَ، وَتَحْمَدَاهُ ثَلَاثًا وَثَلَاثِينَ، فَهُوَ خَيْرٌ لَكُمَا مِنْ خَادِمٍ

অর্থঃ
“তোমরা যখন ঘুমানোর জন্য বিছানায় যাবে, তখন ৩৩ বার ‘সুবহানাল্লাহ’, ৩৩ বার ‘আলহামদুলিল্লাহ’ এবং ৩৪ বার ‘আল্লাহু আকবার’ বলবে। এটি তোমাদের জন্য একজন খাদেম (কাজের লোক) থেকেও উত্তম।

(সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২৭২৭)

আমলটি করার নিয়ম :
• সুবহানাল্লাহ — ৩৩ বার
• আলহামদুলিল্লাহ — ৩৩ বার
• আল্লাহু আকবার — ৩৪ বার

মোট ১০০ বার যিকির।

বিশেষ করে যারা সারাদিন পরিশ্রম করেন, শারীরিক বা মানসিক ক্লান্তিতে ভোগেন, তাদের জন্য এই আমলটি অত্যন্ত উপকারী।

অনেক আলেম উল্লেখ করেছেন, এই যিকির মানুষের অন্তরে প্রশান্তি আনে, আল্লাহর সাহায্য লাভের মাধ্যম হয় এবং ক্লান্তি সহ্য করার শক্তি বৃদ্ধি করে।

তাই প্রতিদিন ঘুমানোর আগে এই ছোট্ট আমলটি করার চেষ্টা করুন। হয়তো আপনার শক্তি, উদ্যম এবং প্রশান্তির এমন একটি উৎস হয়ে যাবে, যা আপনি আগে কল্পনাও করেননি।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে নিয়মিত এই সুন্নাহ আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

Ruqyah Service Sylhet

ক্লান্তি দূর করার এক অসাধারণ আমল :হযরত আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাকে এমন একটি আমল শিখিয়েছিলেন, যা শেখার পর থেকে আম...
07/06/2026

ক্লান্তি দূর করার এক অসাধারণ আমল :

হযরত আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাকে এমন একটি আমল শিখিয়েছিলেন, যা শেখার পর থেকে আমি কখনো ছাড়িনি। এমনকি সিফফীনের যুদ্ধের ভয়াবহ রাতেও এই আমল করেছি।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—

إِذَا أَخَذْتُمَا مَضَاجِعَكُمَا، أَنْ تُكَبِّرَا اللَّهَ أَرْبَعًا وَثَلَاثِينَ، وَتُسَبِّحَاهُ ثَلَاثًا وَثَلَاثِينَ، وَتَحْمَدَاهُ ثَلَاثًا وَثَلَاثِينَ، فَهُوَ خَيْرٌ لَكُمَا مِنْ خَادِمٍ

অর্থঃ
“তোমরা যখন ঘুমানোর জন্য বিছানায় যাবে, তখন ৩৩ বার ‘সুবহানাল্লাহ’, ৩৩ বার ‘আলহামদুলিল্লাহ’ এবং ৩৪ বার ‘আল্লাহু আকবার’ বলবে। এটি তোমাদের জন্য একজন খাদেম (কাজের লোক) থেকেও উত্তম।

(সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২৭২৭)

আমলটি করার নিয়ম :
• সুবহানাল্লাহ — ৩৩ বার
• আলহামদুলিল্লাহ — ৩৩ বার
• আল্লাহু আকবার — ৩৪ বার

মোট ১০০ বার যিকির।

বিশেষ করে যারা সারাদিন পরিশ্রম করেন, শারীরিক বা মানসিক ক্লান্তিতে ভোগেন, তাদের জন্য এই আমলটি অত্যন্ত উপকারী।

অনেক আলেম উল্লেখ করেছেন, এই যিকির মানুষের অন্তরে প্রশান্তি আনে, আল্লাহর সাহায্য লাভের মাধ্যম হয় এবং ক্লান্তি সহ্য করার শক্তি বৃদ্ধি করে।

তাই প্রতিদিন ঘুমানোর আগে এই ছোট্ট আমলটি করার চেষ্টা করুন। হয়তো আপনার শক্তি, উদ্যম এবং প্রশান্তির এমন একটি উৎস হয়ে যাবে, যা আপনি আগে কল্পনাও করেননি।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে নিয়মিত এই সুন্নাহ আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

Ruqyah Service Sylhet

জাদু এভাবে করা হয়েছে তার কারণ হল.......১। ভিক্টিম এর নাম ও মায়ের নাম জাদু করার ক্ষেত্রে দরকার হয়। নাম যে উপাদানের সাথে ম...
06/06/2026

জাদু এভাবে করা হয়েছে তার কারণ হল.......

১। ভিক্টিম এর নাম ও মায়ের নাম জাদু করার ক্ষেত্রে দরকার হয়। নাম যে উপাদানের সাথে মিলে যায় সেখানেই জাদুর জিনিস রাখতে হয়। এক্ষেত্রে ভিক্টিমের নাম পানির সাথে মিলেছে। একই কারণে আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর জাদু করে পরিত্যক্ত কুয়ার পানিতে রাখা হয়েছিল।কিভাবে নাম বিভিন্ন উপাদানের সাথে মিলানো হয় সেটি ভিন্ন আলোচনা।

২। জাদুর জিনিস যেন খুঁজে না পাওয়া যায় অথবা পাওয়াটা অনেক কস্টকর হয়।

৩। শিং মাছ অল্প পানিতে বেঁচে থাকতে পারে।যেখানে পানি কম যেমন কাদা,ধানক্ষেত,গর্ত জাতীয় জায়গায়ও এরা বেঁচে থাকে।

৪। সুতার গিট যদি জোরে দেওয়া হয় তাহলে মাছ কস্ট পায়, সেখানে ক্ষত হয়,আস্তে আস্তে ক্ষত ও ব্যথা বাড়তে থাকে। যার প্রভাব ভিক্টিমের উপর পড়ে।

আল্লাহ এসব শিরক,কফুরি ও প্রাণহরণকারী ফিতনা থেকে আমাদের হেফাজত করুন,আমিন।
Abdullah Arafat ভাই।

রক্ত ছিটানো জাদু!জাদুর খাদেম হিশেবে নিয়োজিত জ্বিন শয়তান পেশেন্টের বাসার দেয়াল এবং ফ্লোরে অদৃশ্যভাবে রক্ত ছিটিয়ে জাদু রিন...
05/06/2026

রক্ত ছিটানো জাদু!

জাদুর খাদেম হিশেবে নিয়োজিত জ্বিন শয়তান পেশেন্টের বাসার দেয়াল এবং ফ্লোরে অদৃশ্যভাবে রক্ত ছিটিয়ে জাদু রিনিউ করেছিল। বাস্তবে এসব ফেইস না করলে অনেকে হয়তো বিশ্বাস করবেন না।

শরীর থেকে জিন বের না হওয়ার কয়েকটি কারণ ও প্রতিকার...বেশ কিছু কারণে এমন হতে পারে, দীর্ঘদিন রুকইয়াহ করার পরেও রোগীর শরীর থ...
04/06/2026

শরীর থেকে জিন বের না হওয়ার কয়েকটি কারণ ও প্রতিকার...

বেশ কিছু কারণে এমন হতে পারে, দীর্ঘদিন রুকইয়াহ করার পরেও রোগীর শরীর থেকে জ্বিন যাচ্ছে না। এখানে মোট ১১টি মৌলিক কারণ উল্লেখ করা হলো, এর বাইরেও আরো অনেক বিষয় থাকতে পারে।

১. জাদু : শরীরে ভিতরে/বাইরে জাদু থাকার কারনে বের হতে পারে না। অনেক ক্ষেত্রে জিনকে জাদু করে তার স্মৃতি শক্তি নষ্ট করে দেয়, ফলে জ্বিন সব কিছু ভুলে যায়, বের হতে পারে না। কখনো কখনো জিন আটকে থাকে, বের হওয়ার রাস্তায় জাদু করা থাকে, চাইলেও বের হতে পারে না। এসব ক্ষেত্রে হাত-পায়ে বা শরীরের যেখানে জাদু করা থাকে, সেখান থেকে জাদু নষ্ট করলে ইনশাআল্লাহ বের হতে পারবে।
কখনো কখনো জাদুকর জিনকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এজন্য ভয়ে বের হয় না। এরকম ক্ষেত্রে অভয় দিতে হবে এবং প্রয়োজনে সময় নিয়ে সেলফ রুকইয়ার করতে হবে।

২. অনেক পুরাতন জিন : এরা সহজে যেতে চায় না। শরীরে একপ্রকার ঘাটি গেড়ে থাকে বলা যায়। এদের অবস্থানের কারনে শরীরের নির্দিষ্ট জায়গায় প্রচণ্ড ব্যথা বা কোনো অঙ্গ একদম অচল হয়ে থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে রুকইয়াহ চলাকালীন সময়ে ওই জায়গায় (মুরব্বিদের হাত-পা-মাথা টিপে দেয়ার মত) কিছুটা জোরে জোরে চাপ দেয়া, রুকইয়ার তেল দিয়ে ঘষামাজা করা, দোয়া পড়ে বারবার ফুঁক দেয়ার মাধ্যমে দুষ্টু জিনের থাকার জায়গা ভেঙ্গে দিলে এরপর বের হবে ইনশাআল্লাহ। (আল্লাহ চায়তো এভাবে রুকইয়ার করলে ওই অঙ্গে জাদু থাকলে সেটাও নষ্ট হয়ে যায়)। এছাড়াও ফোনে বা স্পিকারে রুকইয়ার অডিও প্লে করে ওই স্থানে চেপে ধরলেও উপকার হবে ইনশাআল্লাহ। (রোগী গাইরে মাহরাম হলে এসব ক্ষেত্রে উপস্থিত অভিভাবকের সাহায্য নিবেন।)

৩. আশিক/খবিস জিন : অল্প কিছুদিনের সমস্যা হলে সহজে বের করা যায়। কিন্তু দীর্ঘদিন যাবত শরীরে থাকলে রোগীর সব দুর্বলতা জ্বিন বুঝতে পারে, ফলে সহজে বের হয় না৷ এই জ্বিন গুলা অনেক সময় নিজেরাই জাদুকর হয়। তাই এক্ষেত্রে জ্বিনের চিকিৎসার পাশাপাশি বশ করার জাদুর চিকিৎসা করলে উপকার হয়।
অনেক সময় এমন পরিস্থিতি তৈরি করে রাখে, রোগী নিজেই চায় না যে খবিসটা দূর হোক, বরং শয়তানের প্রতি টান অনুভব করে(নাউযুবিল্লাহ)। এরকম ক্ষেত্রে রোগীকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করার জন্য কাউন্সিলিং করতে হবে, দ্বীন-দুনিয়ার লাভ ক্ষতি বুঝাতে হবে৷ এরপর আবার রুকইয়াহ করতে হবে।

৪. জিন অনেক দুর্বলঃ জ্বিনের দুর্বলতাও একটা কারণ হতে পারে, হয়তো বয়স একদম কম অথবা একদম বৃদ্ধ হয়ে গেসে এজন্য বের হতে পারছে না। কিংবা শারীরিক ভাবে এতই দুর্বল হয়ে গেছে যে নড়াচড়া করতে পারছে না। এরকম ক্ষেত্রে কানে আজান দিতে হবে বার বার। এছাড়া শরীর থেকে বের হওয়ার ওয়াদা নেয়ার পরে কানে কাছে সুরা ইয়াসিন পুরোটা তিলাওয়াত করলে অনেক দুর্বল জিনও সহজে বের হতে পারে।
আবার অনেক সময় জ্বীন ঠিকই বের হতে পারে, কিন্তু মিথ্যা বলে, ইচ্ছা করেই বের হয়না। এটাও খেয়াল রাখবেন যে, ধোকা দেয়ার চেষ্টা করছে কি না।

৫. ভুল চিকিৎসাঃ অনেক সময় ভুল চিকিৎসার কারনে জ্বিন শরীর থেকে যায় না। রুকইয়ার ক্ষেত্রে নিয়ত অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ। জ্বিনের রোগিকে শুধুমাত্র বদনজরের রুকইয়াহ করা, অথবা জাদুর রোগিকে জাদুর রুকইয়ার বাদ দিয়ে শুধু জ্বিনের রুকইয়াহ করা হলে জ্বিন এই সময় ও সুযোগটা কাজে লাগিয়ে জাদু শক্তিশালী করে। এজন্য ভালোভাবে ডায়াগনসিস করে তারপর চিকিৎসা শুরু করা উত্তম। না বুঝলে শুরুতে আমভাবে নিয়ত (যেমন: আমার সব সমস্যার জন্য রুকইয়ার করছি) করে রুকইয়ার শুরু করা যায়। আরেকটা বিষয় হল, জাদুর খাদেম জ্বিন সর্বদা শরীরে বা আশেপাশে থাকলে এক্ষেত্রে জাদু নষ্ট করে, কিছুদিন জাদুর রুকইয়াহ করে এরপর জ্বিন বের করার রুকইয়াহ করলে অধিক উপকার হয়।

৬. চিকিৎসার সময় করা কিছু ভুল : অনেক সময় রাক্বী বা রোগির আত্মীয়রা শয়তানের ফাদে পড়ে তিলাওয়াত বাদ দিয়ে গল্প গুজব করতে থাকে। কোনো সময় জ্বিন দুর্বলতা বুঝতে পেরে যেতে চায়, ফলে রাক্বী তিলাওয়াত বন্ধ করে দেয়। এরপর আর যায় না, অহেতুক সময় নষ্ট করে। অনেকে জিনদের মিথ্যা আশ্বাসে বিশ্বাস করে রুকইয়াহ করা বন্ধ করে দেয়। শরীরে জিন লুকিয়ে থাকে, কিন্তু রাক্বী আর যাচাই করে দেখে না।
আরেকটা কারন হলো রুকইয়াহ করার পর আবার কবিরাজের কাছে যায়, ফলে নতুন জ্বিন শরীরে ঢুকে। অথবা আগে কোনো জ্বিনের সমস্যা ছিলো না কিন্তু কবিরাজের কাছে যাবার ফলে নতুন করে শরীরে জিন ঢুকতে পারে।

৭. ঈমান-আমলের দুর্বলতা : ঈমানের দুর্বলতার কারনে জ্বিন শরীর থেকে যায় না। রোগির ফরজ ইবাদাতে গাফিলতি, মাসনুন আমল না করা, তাকওয়ার ঘাটতি, ইয়াকিনে ঘাটতির কারনে রুকইয়াহ থেকে উল্লেখযোগ্য ফায়দা পায় না, আর জিনও শরীর থেকে যায় না।

৮. গুনাহ : গোপন ও প্রকাশ্য গুনাহ। অশ্লীলতার গুনাহ। গুনাহর কারনে আল্লাহর নিয়ামত দুরে সরে যায়। গুনাহর কারণে মানুষ রিজিক থেকে বঞ্চিত হয়। উপরন্তু! অনেক রোগিকে জ্বিন-ই পাপ করতে উৎসাহ দেয়, কারণ রোগী পাপ করলে আত্মিকভাবে দূর্বল হয়ে পড়ে, শয়তানকে পরাস্ত করতে পারে না৷ ফলে জিনও শরীর থেকে যায় না।

৯. মানুষের উপর জুলুম করা : রোগিকে কেউ বদ দোয়া করেছে যার ফলে সমস্যা ভালো হচ্ছে না। রোগি হয়ত কারো ওপর জুলুম করেছে বা কারও হক্ব নষ্ট করেছে। এরকম ক্ষেত্রে সন্দেহভাজন ব্যক্তির কাছ থেকে মাফ চেয়ে নিতে হবে৷ আল্লাহর কাছেও ভালোভাবে তাওবা-ইস্তেগফার করতে হবে।

১০. রোগি অন্তর থেকে সুস্থ হতে না চাওয়া : কিছু রোগির নিয়তের ঘাটতি থাকে, অনেকে জ্বিন থাকাকেই ভালো মনে করে। কখনো জ্বিন দ্বারা উপকৃত হয়। ফলে রোগি জ্বিনের প্রতি মানসিক ভাবে দুর্বল থাকে। নিজেই পুরোপুরি চায় না শয়তান থেকে মুক্ত হতে, ফলে জ্বিন-শয়তানও শরীর থেকে বের হয় না। (ওপরের তিন নং পয়েন্টেও এব্যাপারে বলা হয়েছে)

---

বিশেষ কারণঃ এই ১০টি কারণের বাইরে আরও একটি বিশেষ কারণ থাকতে পারে, আর তা হলো- আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার পরীক্ষা, আল্লাহ তায়ালা হয়ত তাকে এই বিপদের উসিলায় বড় বড় পাপ মাফ করে দিবেন। আখিরাতের হিসাব সহজ করে দিবে। অথবা দুনিয়ার অন্যান্য বিপদ দুর করে দিবেন। অথবা এর কারনে জান্নাত দান করবেন।
যেমন, রাসুল ﷺ এর কাছে এক মহিলা সাহাবি এসেছিলেন তার সুস্থতার জন্য দোয়া চাইতে, তখন নবিজি স. ওই সাহাবিকে বলেছিলেনঃ তুমি যদি সবর করো তাহলে তুমি জান্নাত পাবে। ওই সাহাবী রা. বলেছিলেন, আমি সবর করবো। (বুখারী)
আরেকটি হাদিসে পাওয়া যায়, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, একজন মুসলিম ব্যক্তির উপর যত কষ্ট, রোগ-ব্যাধি, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, দুশ্চিন্তা, দুঃখ ও পেরেশানী আসে, এমনকি যদি একটা কাঁটাও তার দেহে ফুটে, এর মাধ্যমে আল্লাহ্‌ তার গুণাহসমূহ ক্ষমা করে দেন। (বুখারি, মুসলিম)

মোটের ওপরে এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখলে আমাদের জন্য শয়তানকে তাড়ানো সহজ হবে ইনশাআল্লাহ।.
আল্লাহ আমাদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতা দান করুক। আমিন।
সংগৃহীত ও ঈষৎ পরিমার্জিত

Ruqyah Service Sylhet

03/06/2026

শরীরে বা ঘরে যেকোনো প্রকারের তাবিজ রেখে রুকইয়াহ করবেন না। এতে কোন-ই ফায়দা পাবেন না। কারণ, তাবিজ-কবজ এবং রুকইয়াহ একটা আরেকটার সাথে সাংঘর্ষিক। এজন্য সকল প্রকারের তাবিজ নষ্ট করবেন। এরপর রুকইয়াহ শুরু করবেন।

জাদুর এই তাবিজটি আমাদের একজন পেশেন্ট তার বাড়ির আঙিনা থেকে উদ্ধার করেছেন।পেশেন্ট দীর্ঘদিন ধরে বিয়ে বন্ধের জাদু ও পাগল করা...
02/06/2026

জাদুর এই তাবিজটি আমাদের একজন পেশেন্ট তার বাড়ির আঙিনা থেকে উদ্ধার করেছেন।

পেশেন্ট দীর্ঘদিন ধরে বিয়ে বন্ধের জাদু ও পাগল করার জাদুর কারণে চরম কষ্টে ছিলেন। রুকইয়াহ চিকিৎসার এক পর্যায়ে এই তাবিজটি খুঁজে পাওয়া যায়।

আল্লাহর রহমতে তাবিজটি ধ্বংস করার পর থেকে তার অবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে এবং তিনি এখন আগের তুলনায় অনেকটাই সুস্থ।

আলহামদুলিল্লাহ।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে জাদুকরদের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন।

Ruqyah Service Sylhet

রাতে যাদের সহজে ঘুম আসে না, তাদের জন্য হাদিস থেকে একাধিক সমাধান ও আমল :(১) সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রা.) বলেছেন, ‘আ...
02/06/2026

রাতে যাদের সহজে ঘুম আসে না, তাদের জন্য হাদিস থেকে একাধিক সমাধান ও আমল :

(১) সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রা.) বলেছেন, ‘আল্লাহর যিকর করলে শয়তানের পক্ষ থেকে ঘুম এসে যায়। তোমরা চাইলে অনুশীলন করে দেখতে পারো। তোমাদের কেউ যখন বিছানা গ্রহণ করে এবং ঘুমানোর ইচ্ছা করে, তখন সে যেন মহামহিম আল্লাহর যিকর করে।’ [বুখারি, আল-আদাবুল মুফরাদ: ১২২০; বর্ণনাটি সহিহ]
(২) যায়েদ ইবনু সাবিত (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আমার দীর্ঘদিনের অনিদ্রা রোগের ব্যাপারে অভিযোগ করলাম। তিনি বললেন, বলো—
اَللّٰهُمَّ غَارَتِ النُّجُوْمُ، وَهَدَأَتِ الْعُيُوْنُ، وَأَنْتَ حَيٌّ قَيُّوْمٌ، لاَ تَأْخُذُكَ سِنَةٌ وَّلاَ نَوْمٌ يَا حَيُّ يَا قَيُّوْمُ أَهْدِئْ لَيْلِيْ، وَأَنِمْ عَيْنِيْ
উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা গা-রাতিন নুজুম, ওয়া হাদাআতিল উ’য়ুন, ওয়া আনতা ‘হাইয়ুন ক্বাইয়ুম, লা তাঅ্খুযুকা সিনাতুউ ওয়ালা নাওম, ইয়া ‘হাইয়ু ইয়া ক্বাইয়ুম, আহদিঅ্ লাইলী ওয়া আনিম ‘আইনী।
অর্থ: হে আল্লাহ! তারকারাজি নিভে গেছে; (মানুষের) চোখগুলো (ঘুমে) শান্ত হয়ে গেছে; আর আপনি তো চিরঞ্জীব-চিরস্থায়ী—তন্দ্রা ও নিদ্রা যাকে স্পর্শ করতে পারে না। হে চিরঞ্জীব! হে চিরস্থায়ী! আমার রাতকে শান্তিময় করুন এবং আমার চোখে ঘুম দিন।
(যায়েদ রা. বলেন) আমি এটি বললাম এবং মহামহিম আল্লাহ আমার সমস্যা দূর করে দিলেন। [বুসিরি, ইতহাফুল খিয়ারাহ: ৬/৪৬২; হাদিসটি দুর্বল, তবে আমলযোগ্য]
(৩) বুরাইদা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, খালিদ ইবনুল ওয়ালিদ আল-মাখযুমি (রা.) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট অভিযোগ করে বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! দুশ্চিন্তা বা স্নায়ুবিক চাপের কারণে রাতে আমি ঘুমাতে পারি না।’ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘‘যখন তুমি বিছানায় আশ্রয় গ্রহণ করো, তখন বলো—
اَللَّهُمَّ رَبَّ السَّمَوَاتِ السَّبْعِ وَمَا أَظَلَّتْ وَرَبَّ الأَرَضِينَ وَمَا أَقَلَّتْ وَرَبَّ الشَّيَاطِينِ وَمَا أَضَلَّتْ كُنْ لِي جَارًا مِنْ شَرِّ خَلْقِكَ كُلِّهِمْ جَمِيعًا أَنْ يَفْرُطَ عَلَىَّ أَحَدٌ مِنْهُمْ أَوْ أَنْ يَبْغِيَ عَلَىَّ عَزَّ جَارُكَ وَجَلَّ ثَنَاؤُكَ وَلاَ إِلَهَ غَيْرُكَ وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ
উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা রাব্বাস সামা-ওয়াতিস সাব‘ই ওয়া মা আযল্লাত, ওয়া রাব্বাল আরদ্বী-না ওয়া মা আক্বাল্লাত, ওয়া রাব্বাশ শায়া-ত্বিনি ওয়া মা আদ্বল্লাত, কুন লি জা-রান মিন শাররি খালক্বিকা কুল্লিহিম জামি-আ, আঁই ইয়াফরুত্বা ‘আলায়্যা আ‘হাদুম মিনহুম, আও আঁই ইয়াবগিয়া ‘আলায়্যা ‘আযযা জা-রুকা, ওয়া জাল্লা সানা-উকা ওয়া লা ইলা-হা গায়রুক, ওয়া লা ইলাহা ইল্লা আনতা।
“হে আল্লাহ! সাত আসমানের প্রতিপালক এবং যা কিছুর উপর তা ছায়া বিস্তার করেছে তার রব, জমিনসমূহের প্রতিপালক এবং যা কিছু তা ধারণ করে, তার প্রতিপালক, আর, যিনি শয়তানদেরও প্রতিপালক এবং এরা যাদেরকে বিপথগামী করে তাদের প্রতিপালক! আপনি আমাকে আপনার সকল সৃষ্টির অনিষ্ট হতে রক্ষার জন্য আমার প্রতিবেশী হয়ে যান, যাতে সেগুলোর কোনোটি আমার উপর বাড়াবাড়ি করতে না পারে অথবা আমার উপর অবিচার করতে না পারে। সম্মানিত আপনার প্রতিবেশী, সুমহান আপনার প্রশংসা। আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, আপনি ব্যতীত আর কোনো উপাস্য নেই।’’ [তিরমিযি, আস-সুনান: ৩৫২৩; হাদিসটির সনদ দুর্বল, তবে আমলযোগ্য]
এগুলোর পাশাপাশি ঘুমের আগের দু‘আ ও যিকরগুলো পড়তে থাকবেন। যতটুকু পারেন, তিলাওয়াত করবেন।
বিজ্ঞানীরা বলেন, ঘুমের আগে মোবাইল ব্যবহার করলে ঘুম আসতে লেইট হয়। তাই, এ দিকটা লক্ষ্য রাখা দরকার। তাছাড়া, দিনের বেলা বেশি ঘুমালে অনেকের রাতে ঘুম আসতে বিলম্ব হয়।

02/06/2026

যাদুর কারণে যেকোনো রোগ হওয়া সম্ভব। যাদু করে মানবদেহে সব রোগ তৈরি করা সম্ভব। যে এটা মানতে নারাজ সে যাদুর বাস্তবতাই জানে
না!

01/06/2026

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

" যে ব্যক্তি সকাল বেলায় আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে, সে সন্ধ্যা পর্যন্ত শয়তানের অনিষ্ট থেকে নিরাপদ থাকবে। আবার সন্ধ্যায় পাঠ করলে সকাল পর্যন্ত শয়তানের অনিষ্ট হতে নিরাপদ থাকবে।"

[ মুসতাদরাকে হাকিম,হাদীস নং ১/৫৬২।হাদীসের মানঃ সহীহ ]

Address

২৩, ওয়াজিদ মহল, জালালাবাদ, আম্বরখানা।
Sylhet
3100

Telephone

+8801731349536

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ruqyah Service Sylhet posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ruqyah Service Sylhet:

Share