Dr hye dermatologist

Dr hye dermatologist Professor of Dermatology as well as Deputy Director (Finance) in JRRMC For appointment pl call
01712 291 887 from 9:30 pm to 9:00pm.

স্বাস্থ্য কথা :---------গরমের সাথে ঘামের একটা সম্পর্ক আছে। গরম পড়তেই প্রচণ্ড ঘাম হচ্ছে? সেই ঘাম নিয়ে অফিস ঢুকতেই সকলের ...
04/08/2026

স্বাস্থ্য কথা :
---------
গরমের সাথে ঘামের একটা সম্পর্ক আছে। গরম পড়তেই প্রচণ্ড ঘাম হচ্ছে? সেই ঘাম নিয়ে অফিস ঢুকতেই সকলের নাকে বিকট দুর্গন্ধ যাচ্ছে? এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন কী করে?
এই পরিস্থিতিতে কীভাবে কমাবেন রোজকার এই সমস্যা?

ত্বকের ঘর্মগ্রন্থি থেকে ঘামের সৃষ্টি হয়। আবার ত্বকে বাস করে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া। এ দুটো মিলে তৈরি হয় ঘামের দুর্গন্ধ। প্রতিটি মানুষের ঘাম এর ধরন এবং ব্যাকটেরিয়ার ঘনত্ব সম্পূর্ণ আলাদা। তাই মানুষের শরীরের গন্ধ ও আলাদা আলাদা । কারো কারো শরীরে এমনিতেই বিকট গন্ধ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।
এ সমস্যাটি ব্যক্তিগতভাবে বেশ অস্বস্তিকর এবং সামাজিকভাবে ও অনেক বিড়ম্বনার কারণ হয়ে থাকে।
এ থেকে মুক্তির জন্য কিছু সহজ টিপস এখানে দেওয়া হলো :

* ঘামের দুর্গন্ধ কমানোর জন্য দরকার ভালো করে গোসল করা। এতে ঘর্মগ্রন্থিগুলির উপর বাসা বেঁধে থাকা ব্যাকটিরিয়ার সংখ্যা কমে। এতে গায়ের দুর্গন্ধের অনেকটা অবসান হয় ।

* ভালো মানের একটি অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল সোপ বা সাবান ব্যবহার করা উচিত ।আগেই উল্লেখ করা হয়েছে ঘর্মাক্ত ত্বকে কিছু জীবাণুর সংক্রমণ ঘটে। এতে গায়ে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। সাবান সংক্রমণের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এই ধরনের Antibacterial Soap ব্যবহার করতে পারেন।

*** ভালো করে গোসল করার মতোই দরকার, ভালো করে গা মোছা। গায়ে পানি জমে থাকলে, সেগুলিও পরে গায়ের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটিরিয়া জন্মাতে সাহায্য করে। তাই গোসলের পরে গা শুকিয়ে নিন।

**** শুধু ডিওডোরেন্ট নয়, দরকার হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে Antiperspirants ব্যবহার করুন। ডিওডোরেন্ট এর কাজ হচ্ছে গায়ের দুর্গন্ধ কে ঢেকে রাখা, কিন্তু অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট এর কাজ হচ্ছে ঘামের পরিমাণ কমিয়ে নিয়ে আসা। তাই অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট গায়ের দুর্গন্ধ এড়াতে বেশ ভালো কাজ দেয়।

***** ত্বক পরিষ্কার রাখা যেমন দরকারি, তেমনই দরকারি পরিষ্কার জামাকাপড় পরাও। রোজ নতুন ধোয়া জামাকাপড় পরুন। তাতে ঘামের দুর্গন্ধ কম হবে।

******পেঁয়াজ বা রসুনের মতো খাবার খেলে ঘামের দুর্গন্ধ কিছুটা বাড়ে। খুব গরম পড়লে যদি কোনওভাবেই গায়ের দুর্গন্ধ কমাতে না পারেন, তাহলে এই দু’টি জিনিস খাওয়া কমান।

।।।।।।।ডা. মোহাম্মদ হাই।।। ০৪।০৮।২০২৬।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।

চুল কোঁকড়া করতে চাইলে কী করবেনজেন–জিদের মধ্যে চুল কোঁকড়া করার ধারা জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। সোজা চুলকেই এখন কৃত্রিমভাবে কোঁকড়া ...
28/07/2026

চুল কোঁকড়া করতে চাইলে কী করবেন

জেন–জিদের মধ্যে চুল কোঁকড়া করার ধারা জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। সোজা চুলকেই এখন কৃত্রিমভাবে কোঁকড়া করছেন ছেলেরা।

যত্ন দরকার

বাড়িতেই অস্থায়ীভাবে চুল কোঁকড়া (টেম্পোরারি কার্লিং) করা যেতে পারে। এটি শ্যাম্পু করলেই চলে যায়। টেম্পোরারি কার্লিং করার জন্য কার্লিং মেশিন পাওয়া যায়। চুল সোজা করার যন্ত্রের মতোই এটি ব্যবহার করা হয়।

তবে লম্বা সময়ের জন্য চুল কোঁকড়া করতে দক্ষ কসমেটোলজিস্টের সাহায্য নিতে হবে। লম্বা সময়ের জন্য কোঁকড়া করতে চুলে বিভিন্ন রাসায়নিক ব্যবহার করতে হয়। এগুলো মাথার ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। আর এটি বাসায় নিজে করা ঝুঁকিপূর্ণ।

কৃত্রিমভাবে চুল কোঁকড়া করলে ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত স্থায়ী হয়। ঠিকভাবে যত্ন নিলে এটি আরও দীর্ঘ সময় ধরে রাখা সম্ভব।

কোঁকড়ানো চুল সোজাভাবে আঁচড়ানো যাবে না। হাত দিয়ে রিং করে সেট করে নিতে হবে। ঘন ঘন ব্রাশ করলে চুলের কোঁকড়া ভাব চলে যায়। তখন চুলে কিছুটা ঢেউখেলানো (ওয়েভি) ভাব আসে। কোঁকড়া চুলে প্রচুর ধুলাবালু আটকা পড়ে।

কোঁকড়া চুলে প্রতিদিন শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। চুল শুকানোর সময় ফ্ল্যাট ব্রাশ দিয়ে ব্লো-ড্রাই না করা ভালো। চুল সিল্কি বা স্ট্রেট করে, এমন সিরাম ব্যবহারও এড়িয়ে যেতে হবে।

ভেবে নিতে হবে

চুল কোঁকড়া করার আগে কিছু বিষয় আগেই ভেবে নিতে হবে। কৃত্রিমভাবে কোঁকড়া করলে চুল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এটি করতে যে রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, সেটি মাথার ত্বকে লাগলে চুল পড়া দেখা দেয়।

এ জন্য চুলের দৈর্ঘ্য কিছুটা বড় হতে হয়। কোঁকড়া করার জন্য অন্তত ৫ থেকে ৬ ইঞ্চি লম্বা চুল থাকতে হবে। এ ছাড়া চুল ভেঙেও যেতে পারে।

গরম বা আর্দ্র আবহাওয়ায় কোঁকড়ানো চুল অস্বস্তিকর লাগতে পারে। ঘামের কারণে অনেকের ঠান্ডা লেগে যায়। ঘাম হওয়ার কারণে মাথা চুলকাতে পারে। সেখান থেকে মাথায় খুশকি হয়। তাই ঘেমে গেলে ঠান্ডা বাতাস দিয়ে চুল শুকিয়ে নেওয়া জরুরি।

অভিনন্দন স্পেইন। নিজে আর্জেন্টিনার সমর্থক  হলেও খেলার প্রথম থেকেই চেয়ে ছিলাম ইয়ামালের দল  জিতুক । যোগ্য দল হিসেবে স্পেন ...
19/07/2026

অভিনন্দন স্পেইন। নিজে আর্জেন্টিনার সমর্থক হলেও খেলার প্রথম থেকেই চেয়ে ছিলাম ইয়ামালের দল জিতুক । যোগ্য দল হিসেবে স্পেন জিতেছে। প্রতিটি খেলায় যে ছন্দ, নিখুঁত সব পাস ছিল, এতে এ দলটি অন্য সব দলের চেয়ে একটু এগিয়ে ছিল। তবে এখানে আরেকটি কথা অবশ্যই উল্লেখ করা উচিত। আজ শুধু স্পেইনেরই জয় হয়নি, জয় হয়েছে বার্সেলোনার ও।

“লা মাসিয়া দে কান প্লানেস’’ নামের ফুটবলার তৈরির ক্লাবটি বার্সেলোনায় তৈরি হয়েছিল ১৭০২ সালে। ফুটবলের এই আতুড় ঘর থেকেই এবারের বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলেছেন মোট ৯ জন খেলোয়াড় –স্পেনের আটজন এবং আর্জেন্টিনার একজন- মেসি। মেসিকে কখনোই বার্সেলোনা থেকে আলাদা করা সম্ভব নয়। বার্সেলোনাতেই তার বেড়ে উঠা, এখান থেকেই তার লিজেন্ড হয়ে ওঠা। ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনার ভিতরে একটি ভীষণ সুন্দর মিউজিয়াম রয়েছে, বার্সেলোনা স্টেডিয়াম এর ভেতরেই। বিশাল এলাকা জুড়ে মিউজিয়ামটি। এর বড় অংশই দখল করে আছে মেসির সব অর্জন দিয়ে।

লামিন ইয়ামাল বর্তমান বিশ্বের ফুটবলের ক্রেজ। মেসি যদি অতীত হয়, তাহলে ফুটবলের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ লামিন ইয়ামাল। দুজনই বার্সেলোনার সৃষ্টি।

এবারকার বিশ্বকাপে স্পেনের খেলা সত্যিই মনে ধরেছে। ইয়ামালের খেলা দেখে হৃদয় পুলকিত হয়েছে।

লামিন ইয়ামাল তোমার অর্জনের ঝুড়ি আরো ভারী হোক। মেসিকে ছাড়িয়ে যাও। আকাশ স্পর্শ করো, এ কামনা।

ধন্যবাদ লা মাসিয়া, ধন্যবাদ বার্সেলোনা, ধন্যবাদ স্পেইন।

Raif, on ur birthday. We wish u--- # a lifetime of smiles,  # a heart full of dreams, and   # adventures that make every...
17/07/2026

Raif,
on ur birthday. We wish u---
# a lifetime of smiles,
# a heart full of dreams, and
# adventures that make every moment worth living.

Have a fantastic birthday and an even more incredible year!

হঠাৎ করেই অস্বাভাবিক চুল পড়ছে? –------------------------আবহাওয়ার পরিবর্তন হলে, শ্যাম্পু বদলালে বা দুশ্চিন্তায় থাকলে অনেক...
14/07/2026

হঠাৎ করেই অস্বাভাবিক চুল পড়ছে?
–------------------------

আবহাওয়ার পরিবর্তন হলে, শ্যাম্পু বদলালে বা দুশ্চিন্তায় থাকলে অনেক সময় স্বাভাবিকের তুলনায় চুল বেশি পড়ে। আবার এসব কারণ ছাড়াও হুট করে বেশি বেশি চুল পড়তে পারে। হঠাৎ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চুল পড়ার সাধারণ কারণগুলো কী হতে পারে?

হঠাৎ চুল পড়ার মূল কারণ কী?

আমাদের চুল স্বাভাবিকভাবে একটি চক্রের মধ্যে থাকে: যখন বাড়ে এনাজেন পর্ব , যখন স্থির থাকে- টেলোজেন পর্ব , তারপর যখন পড়ে যায়–কেটাজেন পর্ব । সাধারণত প্রায় 70% চুল সবসময়ই বাড়ন্ত বা এনাজেন পর্বে থাকে। মাত্র ১০ থেকে ১৫% চুল বিশ্রাম বা টেলোজেন পর্বে থাকে। শরীরে কোনো বড় পরিবর্তন হলে অনেক চুল একসঙ্গে বিশ্রাম পর্বে --এ চলে যায়। কয়েক সপ্তাহ বা মাস এ চুল গুলো হঠাৎ ঝরতে শুরু করে। একেই বলা হয় ‘টেলোজেন ইফলুভিয়াম’ অর্থাৎ “একসঙ্গে হঠাৎ অতিরিক্ত চুল পড়া “।

# সবচেয়ে বেশী হয় আয়রনের ঘাটতির কারণে

চুল পড়ার অন্যতম ও অবহেলিত কারণ হলো আয়রনের ঘাটতি। শরীরে আয়রন কমে গেলে রক্তে অক্সিজেন বহনের ক্ষমতা কমে যায়, ফলে চুলের গোড়া পর্যাপ্ত পুষ্টি পায় না। ফলে চুল দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ঝরতে শুরু করে।

# পুষ্টির ঘাটতি
আয়রনের পাশাপাশি ভিটামিন ডি, বি ১২ বা প্রোটিনের অভাব হলেও চুল দুর্বল হয়ে পড়ে।

# হঠাৎ ওজন কমানো বা ডায়েট কন্ট্রোল করলে
ক্র্যাশ ডায়েট বা হঠাৎ করে খাবার খাওয়া কমিয়ে দিলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায় না। ফলে চুল বেশি বেশি পড়তে শুরু করে।

# অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা অসুস্থতা
বড় ধরনের স্ট্রেস, জ্বর, অপারেশন–পরবর্তী সময়ে বা দীর্ঘ অসুস্থতার পর স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চুল পড়তে পারে।

# থাইরয়েড সমস্যা
থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলে চুল পাতলা হয়ে যায় এবং ঝরে পড়ে।

# পিসিওএস
মেয়েদের ক্ষেত্রে হরমোনের অসামঞ্জস্যতার কারণে এবং অবিন্যস্ত লাইফস্টাইল এর কারনে বিশেষ একটি পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় যাকে বলা হয় Polycystic Ovarian Syndrome. কম বয়সী মহিলাদের ক্ষেত্রে এ রোগটি চুল পড়ার অন্যতম কারণ।

# ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
কিছু ওষুধ, যেমন অ্যান্টিডিপ্রেস্যান্ট, ব্লাড থিনার বা হরমোনাল পিল চুল পড়া বাড়াতে পারে।

# বড় কোন অসুখ বা ইনফেকশনের পর
অনেকেই কোভিড-১৯ বা অন্য বড় অসুখের পর কয়েক মাস ধরে চুল পড়ার সমস্যায় ভোগেন।

এসব কারণে কেন চুলই প্রথমে আক্রান্ত হয়?

শরীর যখন প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতিতে ভোগে অথবা বড় কোন ছাপের সম্মুখীন হয় , তখন সে প্রথমে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলো—যেমন হৃৎপিণ্ড, মস্তিষ্ককে আগে পূর্ণ ‘সাপোর্ট’দেয়। চুল তখন শরীরের কাছে ‘অগ্রাধিকারহীন’হয়ে পড়ে। ফলে চুলের বৃদ্ধি কমে যায় এবং ঝরতে শুরু করে।

সন্তান জন্মের পর কেন চুল পড়ে?
গর্ভাবস্থায় হরমোন, বিশেষ করে এস্ট্রোজেন বেশি থাকায় চুল কম পড়ে, ঘন দেখায়। তাই গর্ভাবস্থায় চুল সুন্দর হয়ে যায়। কিন্তু সন্তান জন্মের পর এই হরমোন দ্রুত কমে যায়। ফলে একসঙ্গে অনেক চুল পড়তে শুরু করে; এটাকে বলে ‘পোস্টপার্টাম হেয়ার লস’।
এটি সাধারণত সন্তান জন্মের ২ থেকে ৪ মাস পর শুরু হয়। ১২ মাসের মধ্যে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে যায়। এটি খুবই সাধারণ ও সাময়িক একটা ব্যাপার।

কখন চিন্তার বিষয়?

কয়েক দিন বেশি চুল পড়লে এত ভাবার কিছু নেই। তবে সেটি যদি তিন মাসের বেশি সময় ধরে চলে, চুল পাতলা হয়ে মাথার ত্বক দেখা যায়, সঙ্গে ওপরের একাধিক লক্ষণ থাকে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রয়োজন হলে রক্ত পরীক্ষা করে আয়রন ও ভিটামিনের মাত্রা জেনে নিন। পুষ্টিকর খাবার খান। কোনো অবস্থাতেই নিজে নিজে অনুমান করে চিকিৎসা শুরু করবেন না।

।।।।।।মোহাম্মদ হাই।।।। ১৫।০৭।২০২৬।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।

12/07/2026

বৃষ্টি বাদলের দিনে ঘরে ফিরলাম।

Holiday in Orlando, Florida, with my eldest daughter Raha and her husband Nahid.Best wishes to all.
03/07/2026

Holiday in Orlando, Florida, with my eldest daughter Raha and her husband Nahid.

Best wishes to all.

স্বাস্থ্যকথা--------গোসলের পর যেসব ভুলে চুলের ক্ষতি হয়…………………………………………………………………………………………গোসলের পর অনেক অনেকের বেশ  তাড়া ...
29/06/2026

স্বাস্থ্যকথা
--------
গোসলের পর যেসব ভুলে চুলের ক্ষতি হয়
…………………………………………………………………………………………

গোসলের পর অনেক অনেকের বেশ তাড়া থাকে। কাউকে ছুটতে হয় বাইরের কাজে। আর কেউ চান একটু আয়েশ করে শুয়ে থাকতে। তবে তাড়াহুড়া করতে গিয়ে কিছু ভুল হয় যা চুলের ভীষণ ক্ষতি করে।

ঘষে বা ঝেড়ে চুল শুকানো:

চুলের গঠনশৈলী বা আর্কিটেকচার খুবই চমৎকার। চুলের দুটো স্তর থাকে। বাইরের স্তরে ছাদের টাইলস এর মত সাজানো কেরাটিনের একটি আস্তরণ, যাকে আমরা কিউটিকল বলি এবং ভিতরে ম্যাডুলা নামে সংবেদনশীল একটা অংশ। গোসলের কারণে চুলের ক্যারাটিনে তৈরি টাইলস গুলো যথেষ্ট নরম হয়ে যায়। ফলে, চুল শুকানোর জন্য বেশি ঘষাঘষি, বা শক্ত কোন তোয়ালে দিয়ে চুল যাকানোর কারনে চুলেরর কিউটিকলের গাঠনিক ক্ষতি হয়। এতে চুল ভঙ্গুর হয়ে যায়, মসৃণতা হারায়। অনেকের ক্ষেত্রে, কারণে চুল পড়তেও পারে তাই চুল শুকানোর ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করুন। তোয়ালে দিয়ে আলতো করে চেপে চেপে চুলের পানি শুকানোর চেষ্টা করুন। চুল যাড়ার জন্য কোন অবস্থায়ই শক্ত কোন তোয়ালে ব্যবহার করবেন না।

ড্রায়ারের গরম বাতাস ব্যবহার:

হেয়ার ড্রায়ার যদি ব্যবহার করতে হয়, তাহলে সেটির তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখুন। অতিরিক্ত গরম হাওয়া ব্যবহার করা ঠিক নয়। গরম হাওয়া ব্যবহারে চুলের স্বাভাবিক আর্দ্রতা নষ্ট হতে থাকে। এতে চুল রুক্ষ হয়ে ওঠে।

ভেজা চুল আঁচড়ান:

ভেজা অবস্থায় চুল আঁচড়ালে একইভাবে চুলের কিউটিকল এর ক্ষতি হয় । অনেকের চুল ছিঁড়ে যাওয়ার ও ঝুঁকি থাকে। তাই আঁচড়ানোর আগে চুল ভালোভাবে শুকিয়ে নিন। আর গোসলের জন্য এমন সময় বেছে নিন, যাতে আঁচড়ানোর আগে আপনি চুল শুকানোর জন্য পর্যাপ্ত সময় পান।

ভেজা চুল ঢেকে নেওয়া:

চুল ঢেকে বাইরে যাওয়ার অভ্যাসটা ভালো। এতে চুল সুরক্ষিত থাকে। কিন্তু ভেজা চুল ঢেকে নেওয়ার অভ্যাস করলে বিপত্তি বাধতে পারে। কারণ, তাতে মাথার ত্বকে ছত্রাক সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। এ অভ্যাসের কারণে দেখা দিতে পারে খুশকি। ব্রণের মতো ছোট ছোট গোটা দেখা দিতে পারে মাথার ত্বকে। এ ছাড়া মাথার ত্বকে ছত্রাক কিংবা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থাকলে তা দ্রুত ছড়ায় এ অভ্যাসের কারণে। তাই চুল ঢাকার আগে পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে গোসল করুন, যাতে চুল ও চুলের গোড়া শুকিয়ে নেওয়ার সুযোগ পান।

ভেজা চুলে শোয়া:

ভেজা চুল নিয়ে শুয়ে পড়লেও অনেকটা একই ব্যাপার ঘটে। অর্থাৎ মাথার ত্বকে ছত্রাক সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে, ছত্রাক আর ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ছড়ায়ও দ্রুত। খুশকি বা ছোটখাটো গোটা যেমন দেখা দিতে পারে, তেমনি চুল বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাও থাকে। তাই ঠিক শোয়ার আগমুহূর্তে নয়; বরং একটু আগেভাগেই গোসল করুন, যাতে চুল ও চুলের গোড়া ভালোভাবে শুকায়।

।।।।।।।অধ্যাপক ডাক্তার মোহাম্মদ হাই।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।

কন্ডিশনার যেভাবে ব্যবহার করা উচিত……………………………...চুলে শ্যাম্পু ব্যবহারের ব্যাপারে আমরা সবাই কম বেশি ওয়াকিবহাল থাকলেও কন্ড...
26/06/2026

কন্ডিশনার যেভাবে ব্যবহার করা উচিত
……………………………...

চুলে শ্যাম্পু ব্যবহারের ব্যাপারে আমরা সবাই কম বেশি ওয়াকিবহাল থাকলেও কন্ডিশনার ব্যবহারের ব্যাপারে আমরা অনেকেই আনাড়ি।অথচ চুলের সঠিক যত্নের জন্য সঠিকভাবে কন্ডিশনার ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ । কন্ডিশনার চুল মসৃণ ও উজ্জ্বল করে। ফ্যাশনেবল চুলের জন্য কন্ডিশনার এর কোন বিকল্প নেই।

সাধারণভাবে ব্যবহার সহজ মনে হলেও কিছু পন্থা না মানলে সঠিকভাবে কাজ করবে না কন্ডিশনার।

* চুলের গোড়ায় কন্ডিশনার ব্যবহার

কন্ডিশনার ব্যবহারের সবচেয়ে সাধারণ ভুল হল চুলের গোড়ায় ব্যবহার করা। শ্যাম্পু মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখে আর কন্ডিশনার চুলের আগার যত্ন নেয়।

শ্যাম্পু করার মাধ্যমে মাথার ত্বকে থাকা চুলের প্রসাধনীর অবশিষ্টাংশ ও তেল দূর হয়। চুলের গোড়ায় কন্ডিশনার ব্যবহার করা হলে পুনরায় এসব মাথার ত্বকে জমাট বাঁধে। ফলে চুল মলিন, চিমসে লাগে দেখতে।

তাই কন্ডিশনার চুলের গোড়ায় নয় বরং আগায় ব্যবহার করতে হয়।

**ভুল ভাবে ব্যবহার

কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে কেবল কোথায় ব্যবহার করা হচ্ছে তা নয় বরং কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে সেটাও খেয়াল রাখা জরুরি। কেবল হাতে কন্ডিশনার নিয়ে চুলে কোনো রকমে তা লাগালেই হয় না। চুলের জটযুক্ত, ক্ষতিগ্রস্ত ও বেশি চাপ পড়ে এমন অংশে ভালো মতো কন্ডিশনার প্রয়োগ করতে হবে।
চুলে ভালো মতো কন্ডিশনার মাখতে প্রথমে কন্ডিশনার লাগিয়ে মোটা দাঁতের চিরুনি বা আঙুল দিয়ে জট ছাড়িয়ে নেওয়া যেতে পারে। কন্ডিশনার ব্যবহারের পরে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলা উচিত।

***ঠিকমত শোষিত না হওয়া

কন্ডিশনার ব্যবহারের পরে কেউ সঙ্গে সঙ্গেই তা ধুয়ে ফেলেন কেউ বা ২০ মিনিট অপেক্ষা করেন।
চুলে কন্ডিশনার ব্যবহার করার পরে কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হয় যেন তা চুলে শোষিত হয়।

****অতিরিক্ত বা অল্প ব্যবহার

চুল ধোয়ার পরে কেউ সামান্য, কেউবা বেশি পরিমাণে কন্ডিশনার ব্যবহার করেন। চুল ধোয়ার পরে যদি তা ভারী মনে হয় তাহলে বুঝতে হবে পরিমাণে বেশি কন্ডিশনার ব্যবহার করা হয়েছে আর শুষ্ক মনে হলে বুঝতে হবে পরিমাণে কম ব্যবহার করা হয়েছে।

চুলে কন্ডিশনার মেখে আঙ্গুলের সাহায্যে আঁচড়ে নিন, এতে সব চুলে তা ছড়িয়ে যাবে। তবে যাদের চুল বেশি পাতলা ও সিল্কি তাদের প্রতিবার কন্ডিশনার ব্যবহার না করাই উচিত।

সঠিক উপায়ে কন্ডিশনার ব্যবহার করা হলে চুলে লক্ষণীয় পার্থক্য দেখা দেখা দেয়। চুল হয়ে ওঠে সজীব, সিল্কি ও ঝরঝরে।
Copyright: prof.dr.mohammad.hye

স্বাস্থ্য কথা --------------কখন গোসল করবেন?…….………………………………………………………………………… সুস্বাস্থ্য ও সুরক্ষার জন্য গোসলের বিকল্প নেই...
20/06/2026

স্বাস্থ্য কথা
--------------
কখন গোসল করবেন?
…….…………………………………………………………………………

সুস্বাস্থ্য ও সুরক্ষার জন্য গোসলের বিকল্প নেই। কর্মজীবীদের মধ্যে অনেকেই সকালে গোসল করেন, আবার কেউ কর্মব্যস্ত দিনের শেষে রাতে গোসল করতে পছন্দ করেন।

গোসলের কোন সময়টি মানব স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে ভালো, এ নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক রয়েছে। যাঁদের সকাল সকাল গোসলের অভ্যাস, তারা মনে করেন, ঈষদুষ্ণ জলে ১০ মিনিটের গোসল আলস্য কাটিয়ে শরীরে জাগায় চাঙা ভাব। এতে কাজের উদ্দীপনা তৈরি হয়। অপরদিকে রাতে গোসল যাদের অভ্যাস– তারা মনে করেন, ঘরে ফিরে ক্লান্তি জুড়াতে ও ভালো ঘুমের জন্য রাতের বেলার গোসলই উত্তম।

এ বিষয়ে বিজ্ঞান কী বলে?

গোসল সারা দিনে তৈরি হওয়া ঘাম, ধুলা-ময়লা ও শরীর নিঃসৃত তেল দূর করে। যদি ঘুমানোর আগে গোসল না করা হয়, তাহলে শরীরের এসব ময়লা বিছানার চাদর, বালিশে লেগে যায়।
কেবল তা–ই নয়, ত্বকে জীবাণু সংক্রমণের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়। এক বর্গসেন্টিমিটার ত্বকে ১০ হাজার থেকে ১০ লাখ ব্যাকটেরিয়া বংশবৃদ্ধি করতে পারে। এগুলো সাধারণত ত্বকের মরা কোষ ও ঘামগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত তেল খেয়ে বাঁচে। স্ট্যাফাইলোকক্কাসের মতো ব্যাকটেরিয়া সালফারযুক্ত এক ধরনের যৌগ তৈরি করে, যা ঘামের দুর্গন্ধের জন্য দায়ী। তাই রাতে গোসল এক অর্থে বেশি স্বাস্থ্যসম্মত।

তবে গবেষণায় দেখা গেছে, রাতে গোসল সেরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে ঘুমালেও, সারা রাত শরীরে ঘাম হয়। এ ঘাম কম বেশী সবারই হয়। এমনকি ঠান্ডা আবহাওয়ায় ও একজন ব্যক্তি ২৫০–৩০০ মিলিলিটার পর্যন্ত ঘাম ঝরান। এ ছাড়া প্রতি রাতে একজন মানুষের ত্বকে ৫০ হাজারের বেশি মৃতকোষ উৎপন্ন হয়, যা মাইট ও জীবাণুর জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরী করে। সে ক্ষেত্রে ঘুম থেকে ওঠার পরও গায়ে দুর্গন্ধ হতে পারে। ঘাম ও মৃত কোষ বিছানা–বালিশে মিশে গেলে অনেক সময় এসবে ছত্রাকের জন্ম হয়।। যাঁদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, যেমন অ্যাজমার রোগী বা যাঁদের ক্রনিক লাং ডিজিজ রয়েছে, তাঁরা সহজেই ছত্রাক রোগে আক্রান্ত হন। ইদানীং সাধারণ সুস্ত মানুষরাও ঘন ঘন ছত্রাক বা ফাংগাল ডিজিজে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাই নিয়মিত বিছানার চাদর বদলে ফেলা উচিত। প্রতিদিন বিছানার চাদর পরিষ্কার করলেই কেবল রাতে গোসলের সর্বোচ্চ উপকারিতা পাওয়া যেতে পারে।

ঘুমানোর সময় হলে শরীরের সারকাডিয়ান রিদম বা জৈবছন্দ শরীরের অভ্যন্তরীণ মূল তাপমাত্রা কমিয়ে দেয়। এই তাপমাত্রা হ্রাসের ঘটনা শরীরকে ঘুমের জন্য প্রস্তুত হতে বলে। গোসল ও একি ভাবে শরীরকে ঘুমের জন্য প্রস্তুত করে। ১৩টি গবেষণার ফলাফল তুলনা করে একটি মেটা-বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঘুমানোর এক বা দুই ঘণ্টা আগে ১০ মিনিট ধরে উষ্ণ পানিতে গোসল করলে ঘুম তাড়াতাড়ি আসে। যাই হোক, যাদের অনিদ্রার বাতিক আছে, তাদের জন্য রাতের গোসল উত্তম, যাদের এমনিতেই রাতে ভালো ঘুম হয়, তাদের শুধু ভালো ঘুমের উদ্দেশ্যে গোসল না করলেও চলবে।
বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে সকালের গোসল ও স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, এতে রাতের ঘাম ও জীবাণু সব ধুয়ে পরিষ্কার হয়ে যায়। ফলে সারাদিন কর্মক্ষেত্রে সতেজ ভাব ধরে রাখা যায়, সহজে শরীরে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয় না।

সুতরাং, গোসলের সময়ের ব্যাপারে বলা যায়, দু'দিকেই যথেষ্ট যুক্তি রয়েছে। তবে, আমরা ডাক্তাররা সব সময়ই বলি, প্রতিদিন নিয়মিত গোসল করুন। সকালে ঘুম থেকে উঠেই গোসল করে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে সারা দিনের জন্য তৈরি হওয়া উচিত। যারা সারাদিন বাইরে, বা এখানে সেখানে গিয়ে খাটাখাটুনি করেন, তাদের রাতে গোসলই উত্তম । আর যাদের বেশী ঘামের প্রবণতা রয়েছে, তাদের বেলা গরমের সময় দুবেলা গোসল করাই ভালো।

।।।।।।।।।অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হাই।।। ২০।০৬।২০২৬।।।।।।।

Address

22, Stadium Market(1st Floor)
Sylhet
3100

Opening Hours

Monday 18:00 - 22:00
Tuesday 18:00 - 22:00
Wednesday 18:00 - 22:00
Thursday 18:00 - 22:00
Saturday 18:00 - 22:00
Sunday 18:00 - 22:00

Telephone

+8801711737043

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr hye dermatologist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dr hye dermatologist:

Shortcuts

Share