Dr hye dermatologist

Dr hye dermatologist Professor of Dermatology as well as Deputy Director (Finance) in JRRMC For appointment pl call
01712 291 887 from 9:30 pm to 9:00pm.

হাসপাতালে দুজন রোগী পাশাপাশি বিছানায় থাকেন। দু জনেই মৃত্যুশয্যায়। তাদের মধ্যে একজন রোগী থাকতেন জানালার কাছে।বিছানা থেক...
01/06/2026

হাসপাতালে দুজন রোগী পাশাপাশি বিছানায় থাকেন। দু জনেই মৃত্যুশয্যায়। তাদের মধ্যে একজন রোগী থাকতেন জানালার কাছে।

বিছানা থেকে ওঠার শক্তি ছিল না কারোরই। তবুও জানালার কাছে থাকা রোগীটা নার্সকে ডেকে প্রতিদিন বিকেলে এক ঘন্টার জন্য জানালার পাশে উঠে বসতেন।

অপলক চোখে তিনি চেয়ে থাকতেন বাইরের দিকে। ঘন্টাখানেক পরে পাশে শুয়ে থাকা রোগীর কাছে বাইরে কি কি দেখলেন তা বর্ণনা করতেন। তিনি প্রতিদিন বলতেন বাইরে কী সুন্দর নীল আকাশ, অনেক পাখি উড়ে বেড়াচ্ছে। ছোট ছোট শিশুরা মাঠে খেলা করছে। পাশের ছোট্ট লেকে বাচ্চারা কাগজের নৌকা বানিয়ে ভাসিয়ে দিচ্ছে।

পাশের বিছানার রোগীটা শুয়ে শুয়ে ঘোরের মধ্যে প্রতিটা শব্দ যেন গিলতেন। প্রতিটি কথাই ছবি হয়ে তার মনের আকাশে উড়ে বেড়াতো। মনটা ভাললাগায় ভরে যেত। কিছুটা সময় মনে হতো অসুখটা দূরে সরে গেছে।

হঠাৎ একদিন জানালার পাশে থাকা রোগীটা মারা গেলেন।

পাশের বিছানার রোগীটা নার্সকে অনুরোধ করলেন, তাকে যেন জানালার পাশের বেডে থাকতে দেওয়া হয়। সারাদিন তিনি মনের আকুতি নিয়ে অপেক্ষা করলেন, বিকেল হলেই আজ নিজ চোখে প্রকৃতি দেখবেন। বিকেল হতেই তিন নার্সকে ডাকলেন, একটু উঠে বসাতে বললেন। অনেক আশা নিয়ে কনুই এ ভর করে চোখ রাখলেন জানালায়। কিন্তু জানলা কোথায়? এখানে রয়েছে শুধু জানলার ছবিওয়ালা একটা পোস্টার।

নার্সকে বললেন, এ দেওয়ালে তো একটি বড়ো পোস্টার ছাড়া আর কিছুই নেই! তাহলে প্রতিদিন তিনি কিভাবে আমাকে সুন্দর ফুল, প্রকৃতির,পাখীর বর্ননা করতেন?

নার্স হাসিমুখে উত্তর দিলেন -
আসলে উনি ছিলেন অন্ধ এবং আপনার চএয়ে অনেক বেশি অসুস্থ। আপনাকে বেঁচে থাকার উৎসাহ দিতেই এসব গল্প শোনাতেন।

কখনো কখনো অন্যকে সুখী করতে নিজের অসুখকে লুকিয়ে সুখ বিলানোর প্রয়োজন পড়তে পারে। অন্যের সাথে ভালোলাগাটুকু শেয়ার করলে , নিজেও ভালো থাকা যায়। দুঃখ ভাগ করার জন্য আমরা মানুষ খুঁজে বেড়াই, কিন্তু সুখের ভাগ সহজে কাউকে দিতে চাইনা।

আলো জ্বালালে,
আলো কমে না,
বরং আরো ছড়িয়ে পড়ে।

।।।।।।।।মোহাম্মদ হাই।।০১।০৬।২০২৬।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।

Published in Daily Ajker Potrika.
27/05/2026

Published in Daily Ajker Potrika.

Eidul Adha, 2026. Happy Eid Mubarak to all of you from Saskatoon,  Canada.
27/05/2026

Eidul Adha, 2026. Happy Eid Mubarak to all of you from Saskatoon, Canada.

জীবনের দুই প্রান্ত …………………..একটা ছোট্ট শিশুর জীবনে কি প্রয়োজন? —- খাবার, বাবা-মায়ের কোল, স্নেহ ভালোবাসা, কিছু হাসি খেল...
25/05/2026

জীবনের দুই প্রান্ত
…………………..
একটা ছোট্ট শিশুর জীবনে কি প্রয়োজন?
—- খাবার, বাবা-মায়ের কোল, স্নেহ ভালোবাসা, কিছু হাসি খেলা।

তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে মানুষের জীবনের রং বদলায়, প্রয়োজন বদলায়।

কিন্তু শেষ বয়সে এসে একজন মানুষের কি প্রয়োজন?
–খাদ্য -পানীয়, ঔষধ, বিশ্রাম এবং সর্বোপরি প্রিয়জনের সান্নিধ্য ও ভালোবাসা। এতোটুকুই। একটা শিশুর জীবনের প্রয়োজনের চেয়ে আর কতটুকুই বা বেশি?

জীবনের শুরু এবং শেষের রেখা ঘুরে ঘুরে একটি বৃত্তের মতো একই বিন্দুতে মিলে যায়। জীবন আসলে ঘুরে ফিরে একটি বৃত্তই। শুরু এবং শেষের মধ্যকার জীবনের অজস্র রং-খেলা শেষ বয়সে একটি বিভ্রম ছাড়া কিছু মনে হয় না । সঞ্চিত অর্থবিত্ত, বিলাস বহুল গাড়ি- বাড়ি, জুয়েলারি, সামাজিক পজিশন এবং অন্যান্য সবকিছু অনেক শ্রম, কষ্ট-, সারা জীবনের পরিশ্রমে অর্জিত। কিন্তু চলৎ শক্তিহীন একজন অশীতিপর বৃদ্ধের জীবনে এসবের মূল্য কতটুকু? বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই অতি গৌণ, বেশিরভাগই অপ্রয়োজনীয়। এটাই আসলে জীবনের এক নির্মম ট্রাজেডি।

সবার শুরু ও শেষ হোক -- প্রিয়জনের মমতা, ভালবাসায়।

Copyright : prof.dr.mohammad.a.hye

স্বাস্থ্যকথা :………….মানুষের চুল কি শুধু তার সৌন্দর্যের জন্য? ………………………………………..শরীরের বিভিন্ন অংশে বিভিন্ন উদ্দেশ্যে চুল থ...
22/05/2026

স্বাস্থ্যকথা :

………….

মানুষের চুল কি শুধু তার সৌন্দর্যের জন্য?

………………………………………..

শরীরের বিভিন্ন অংশে বিভিন্ন উদ্দেশ্যে চুল থাকে।

মাথার চুল আমাদেরকে সূর্যের আলো এবং ঠান্ডা থেকে রক্ষা করে।

ভ্রুর চুল ঘামকে চোখে পড়া থেকে আটকায়।

কানের ভেতরে চুল এবং কানের ময়লা একটি প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করে, যা ময়লার কণা, ছোট পোকামাকড় এবং ব্যাকটেরিয়াকে আটকে রাখে।

নাকের ভেতরে চুল একটি প্রাকৃতিক ফিল্টার হিসেবে কাজ করে, যা ধূলিকণাকে শ্বাসতন্ত্রে প্রবেশ করতে বাধা দেয়। এই কারণেই নাকের ভেতরের পৃষ্ঠে শ্লেষ্মা তৈরি হয়।

বগলের চুল বাহু এবং শরীরের মধ্যে ঘর্ষণ থেকে ত্বককে রক্ষা করে।

চোখের পাপড়ি চোখকে রক্ষা করে।

নারীদের জন্য শরীরের গোপনাঙ্গে চুল প্রথম প্রতিরক্ষা স্তর হিসেবে কাজ করে, যা সংক্রমণ বা রোগ সৃষ্টিকারী জিনিসকে যোনিপথে প্রবেশ করতে বাধা দেয়। পুরুষদের ক্ষেত্রে, গোপনাঙ্গের চুল বর্তমানে আর সেই কাজটি করে না, কিন্তু অতীতে এটি তাদেরকে ঠান্ডা থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করত। আমাদের হাত, পা, পিঠ ইত্যাদির অন্যান্য লোমের ব্যাপারে অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন যে, এটি আসলে আমাদের পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে পাওয়া একটি উত্তরাধিকার, যাদের শরীরে আরও অনেক বেশি লোম ছিল।

22/05/2026

ধর্ষণের শিকার শিশুটির অসহায় পিতার সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত। বর্তমান আইন অনুযায়ী, উনার জীবদ্দশায় হয়তো এ ঘটনার বিচার হবে না। গত দশ বছরে যতগুলো রেপের ঘটনা ঘটেছে, বিশ্লেষণ করুন, কতগুলো ঘটনার বিচার হয়েছে? সিলেটের এমসি কলেজে চাঞ্চল্যকর ধর্ষণের আপডেট কি কেউ জানেন? বাংলাদেশের অন্যতম শিল্পপতি মরহুম লতিফুর রহমান চৌধুরী। তার মতো একজন প্রভাবশালী মানুষকে ও তার কন্যার ধর্ষণ ও হত্যার বিচার চাইতে গিয়ে আদালতের কাঠগড়ায় বছরের পর বছর অপদস্ত হতে হয়েছে। এ দেশে পরিবারে কেউ ধর্ষণের শিকার হওয়ার মানে হল, পুরো পরিবার সামাজিকভাবে, অর্থনৈতিকভাবে, সম্মানের দিক থেকে সম্পূর্ণভাবে পর্যদস্ত অবস্থায় চলে যাওয়া। তাই ধর্ষণের শিকার খুব অল্প সংখ্যক মানুষই আইনের আশ্রয় নেন। আইনের আশ্রয় না নেওয়ার কারণেই উল্টো ধর্ষণকামীরা আরো ধর্ষণে উৎসাহিত হয়।

বাংলাদেশে ধর্ষনের ব্যাপকতা দিন দিন ভীষণভাবে বাড়ছে। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে, শ্রীলতাহানির যে রিপোর্টগুলো মিডিয়ায় আসছে,, তা ঘটনার বিশাল সংখ্যার সামান্য অংশ মাত্র। আমাদের দুর্ভাগ্য যে, যাদের মেয়ে শিশু আছে, তাদের পরিবার পরিজন সব সময় দুশ্চিন্তায় থাকেন। পুরো সমাজই যেন মেয়েদের লাঞ্ছনার জন্য মুখিয়ে আছে। বাংলাদেশে আমাদের একাডেমিক শিক্ষা, ধর্মীয় শিক্ষা কোনটাই ধর্ষণের মত অপরাধকে মোকাবেলা করতে সক্ষম নয়। ছোটকাল থেকেই এক ধরনের বিকৃত মানসিকতা নিয়ে ছেলেশিশুরা বড় হচ্ছে। শৈশব থেকেই শেখানো হচ্ছে মেয়েরা ভোগের বস্তু। কোন কোন মাদ্রাসার হুজুররা আরেকটা এগিয়ে। তারা বলেন, মেয়েরা অনেকটা তেঁতুলের মত। দেখলে জিহবায় পানি আসে। যাদের জিহবায় পানি আসার অভ্যাস রয়েছে, তারা যে কোন মেয়েকে দেখলেই মুখের জল ঝরায় , সেই মেয়ে হিজাবী হোক আর না হোক। আর কোন বেপর্দা মেয়ে থাকলে তো কথাই নেই।

ইংল্যান্ডে বাংলাদেশী তরুন যুবাদের একটি সমস্যাকে চিকিৎসকরা একটি রোগ নামে অভিহিত করেছেন –রোগের নাম” বাংলাদেশি ধাতু সিনড্রোম”। এমনকি এ রোগের নাম টেক্সট বুকেও চলে এসেছে। এ সিনড্রমে দেখা যায়, বাংলাদেশের ছেলেরা পাশ্চাত্য সমাজে চলাফেরার সময় খুব দ্রুত বীর্য স্খলনের সম্মুখীন হয়। যুবকরা এটাকে ধাতুরোগ বলে অভিহিত করে ঘন ঘন চিকিৎসকদের শরণাপন্ন হন এবং ভিটামিন সহ নানা ধরনের প্রতিকার আশা করেন। এ নিয়ে লন্ডনে গবেষণা হয়েছে। চিকিৎসকরা এজন্য শুধুমাত্র পশ্চিমা মেয়েদের সংক্ষিপ্ত পোশাককে দায়ী করেননি, মূলত দায়ী করেছেন বাংলাদেশের পারিবারিক, সামাজিক শিক্ষা, মেয়েদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি, পূরন ধাচের লাইফস্টাইলকে।

আমি তিন কন্যা সন্তানের পিতা। আমি অকপটে স্বীকার করছি, বাংলাদেশের কোন জায়গায় আমি মেয়েদের জন্য নিরাপদ কোন বেড়ানোর জায়গা পাইনি। সারা বাংলাদেশই যেন বখাটে দ্বারা পরিপূর্ণ।
আমেরিকা, কানাডা বা পাশ্চাত্যের দেশগুলো মেয়েদের জন্য স্বর্গ, সেটা আমি বলবো না। তবে সেখানে প্রতিটি মানুষের সম্মান আছে, সে মেয়ে হোক বা ছেলে হোক। মধ্যরাতে কোন মেয়ে নিজে গাড়ি ড্রাইভ করে বা হেঁটে ঘরে ফিরতে পারবে, আক্রান্ত হবে না এ নিশ্চয়তা রয়েছে।

আমাদের দেশে লক্ষ কোটি ধার্মিক মানুষ আছেন, মসজিদগুলোতে নামাজীর অভাব নেই কিন্তু নিজের চোখের পর্দাশিক্ষা কোথাও নেই। যদি ও আমাদের ধর্মগ্রন্থে এ বিষয়ে খুবই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আমাদের ধর্মচর্চার সবচেয়ে নেতিবাচক দ্বিক হচ্ছে, আমাদের জনগণের একটি বিরাট অংশের অর্থ না বুঝে নামাজের সূরা ও তসবি পাঠ করা। যেহেতু ইসলাম কোন তন্ত্রমন্ত্র নয়,একটি সম্পূর্ণ জীবন বিধান, তাই না বুঝে ধর্মচর্চার সুযোগ নেই। ধর্মচর্চা থেকে দেশে নৈতিকতাবোধ যথেষ্ট ভাবে তৈরি না হওয়ার অন্যতম কারণ এটাই।

চোখের মধ্যে পর্দা না থাকলে, নারীকে সম্মান করতে না শিখলে– সমাধান সম্ভব নয়। পারস্পরিক পর্দা বজায় রেখে ছেলে এবং মেয়েরা একসাথে গঠনমূলক কাজে অংশ নিতে ধর্মে বাধা হওয়ার কথা নয় । এতে মেয়েদের প্রতি ছেলেদের দৃষ্টিভঙ্গি ধীরে ধীরে পরিবর্তন হবে। হঠাৎ কোনো বেগানা মেয়ে দেখলে ছেলেদের ভেতর যে অনিয়ন্ত্রিত আবেগ চলে আসে, তা কমে আসবে।

তবে দেশে ধর্ষণের সংখ্যা কমাতে গেলে আশু কার্যকর পদ্ধতি হচ্ছে, খুব সংক্ষিপ্ত বিচারের মাধ্যমে প্রকাশ্যে শাস্তি কার্যকর করা। এদেশে এক সময় এসিড সন্ত্রাস বেড়ে গিয়েছিল। এসিডের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার পরপরই ম্যাজিকের মতো এটি কমে যায়।
আমরা আগামী কয়েক মাসের মধ্যে প্রকাশ্যে কয়েকটি কঠিন শাস্তি দেখতে চাই।

।।।।।।।মোহাম্মদ হাই ২১।০৫।২০২৬।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।

15/05/2026

গত দুদিন ধরে অঝোর ধারায় বৃষ্টি। ঘরের সামনের লেক জলে টুই টুম্বুর। এমন বৃষ্টি এখানে কমই হয়। আজ আবার বৃষ্টির সাথে মিলেমিশে ঝরছে তুষার কণা।
সব মিলে দৃশ্যপট যথেষ্ট সুন্দর।

ও ভারী নয়..............................জাপান, যুদ্ধকালীন।এই ছোট্ট ছেলেটি তার ভাইয়ের মৃতদেহ পিঠে বয়ে নিয়ে যাচ্ছিল।সুবি...
15/05/2026

ও ভারী নয়..............................

জাপান, যুদ্ধকালীন।

এই ছোট্ট ছেলেটি তার ভাইয়ের মৃতদেহ পিঠে বয়ে নিয়ে যাচ্ছিল।

সুবিধাজনক কোন স্থানে তাকে কবর দেওয়ার ইচ্ছা ছিল তার।

একজন সৈনিকের চোখে পড়ল ছেলেটিকে। তিনি তাকে বললেন, “তুমি একজন ছোট্ট মানুষ, একটি ভারী মৃতদেহ পিঠে নিয়ে সহজে পালিয়ে নিরাপদ কোন স্থানে আশ্রয় নিতে পারবে না। তাই মৃতদেহকে পিঠ থেকে নামিয়ে রাখো এবং পালাও। “

ছোট্ট ছেলেটি উত্তর দিল, "ও ভারী নয়। ও আমার ভাই!”

এই কথা শুনে সৈনিকটি অবাক হয়ে কিছুক্ষণের দিকে তাকিয়ে থাকলেন। তারপর হাউহাউ করে কেঁদে ফেললেন...

সেই থেকে এই দৃশ্যটি জাপানে ঐক্যের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

এই ঘটনা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অনুপ্রেরণা জোগাক।

"ও ভারী নয়," ও আমার ভাই।

ও আমার বোন।

যদি ও পড়ে যায়, ওকে তুলে নাও।

যদি ও ক্লান্ত হয়ে পড়ে, ওকে অন্যত্র নিয়ে যাও।

যদি ও ভুল করে, ওকে ক্ষমা করে দাও এবং ওর ভুলগুলো মেনে নেওয়ার চেষ্টা করো...

তাই, যদি মনে হয় পুরো পৃথিবী ওর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, ওকে তোমার কাঁধে তুলে নাও আর বয়ে নিয়ে চলো, কারণ ও ভারী নয়।

ও তোমার ভাই। ও তোমার বোন...

সবার দিনটি শুভ হোক।

আন্তর্জাতিক পরিবার দিবসে সবাইকে শুভেচ্ছা।

।।।।।মোহাম্মদ হাই।। ১৪।০৫।২০২৬।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।

ডাস্ট মাইট বা ধুলাবালিতে এলার্জি …………………………………................ছবিটি দেখে ভয় পেলে চলবে না। আপনার বসার ঘরের সুদৃশ্য কার্পে...
12/05/2026

ডাস্ট মাইট বা ধুলাবালিতে এলার্জি
…………………………………................

ছবিটি দেখে ভয় পেলে চলবে না। আপনার বসার ঘরের সুদৃশ্য কার্পেটে, শোয়ার ঘরের বালিশে, চাদরে, কম্বলে, ম্যাট্রেসে এরা হাজারে হাজারে ছেয়ে থাকে। আপনি খালি চোখে এদের দেখতে পান না বলে চিনতে পারছেন না।
এরা হচ্ছে ডাস্ট মাইট। এরা কোনো পোকা নয়, বরং মাকড়সার সঙ্গে বেশ কিছু মিল আছে এদের। আটটি ঠ্যাং, সারাদেহে লোম-- সব মিলিয়ে খুবই ভয়ানক দেখতে এদের। একটা মাইক্রোস্কোপ দিয়ে আপনার বালিশটার দিকে তাকালে আপনি তার ওপর আর কিছুতেই ঘুমোতে পারতেন না।
ডাস্ট মাইট বেশির ভাগ লোকের কোনো ক্ষতি করে না, কিন্তু যাদের ডাস্ট অ্যালার্জি আছে বলে আমরা বলি, তাদের আসলে অ্যালার্জিটা এদেরই জন্য হয়। না, এরা স্বয়ং আমাদের ক্ষতি করে না, করে এদের মল এবং পচাগলা দেহাংশ। আবার মলত্যাগ এরা খুব বেশিই করে, দিনে প্রায় বিশ বার। কারো কারো শরীরে এই বস্তুগুলি খুবই মারাত্মক অ্যালার্জিক রিয়্যাকশান ঘটায়। ফুলের রেণুর পর ডাস্ট মাইটের ড্রপিংই হচ্ছে সবচেয়ে কমন অ্যালার্জেন।
হাঁচি, সর্দি, কাশি, সাইনাস কনজেশান, চোখ লাল হওয়া, চামড়ায় লাল দাগ, চুলকুনি, একজিমা-- এমনকি শ্বাসকষ্ট পর্যন্ত হতে পারে এদের জন্য।
গরম, আর্দ্র, অন্ধকার পরিবেশ এদের স্বর্গরাজ্য। ৫০% এর চেয়ে কম আর্দ্রতায় সাধারণত এরা বাঁচে না। বর্ষাকালে এরা বেশী বংশবিস্তার করে–ঘরের জমে থাকা ধুলোর মধ্যে। আপনারই ঝরে যাওয়া চামড়ার কুচি খেয়ে। আপনি হাঁচির পর হাঁচি দিয়ে যাচ্ছেন , আর ভাবছেন, বাইরে বৃষ্টিতে ভিজেই ঠাণ্ডা লেগে গেল।কিন্তু আসল শত্রু এসব মাইটই, যারা দলে দলে ঘরের মধ্যে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।

এর থেকে বাঁচার উপায় :
শত্রুকে আইডেণ্টিফাই করতে পারলে উপায়ও বের হয়। কিন্তু এটাতো ঘরের শত্রু। ঘর ছেড়ে তো আর পালানো যাবে না। তাই ঘরটাকেই নিজের বাসযোগ্য করে তুলতে হবে। কীভাবে?
১. ধুলোর হাত থেকে বাঁচতে ঘরের সব কটা জানলা দরজা বন্ধ করে দেবেন ভাবছেন? একদম ভুল। এরা আলো সইতে পারে না। তাই সব কটা জানলা খুলে দিতে হবে। ঘরে আলো আসতে দিন।
২. নিয়মিত বিছানার চাদর, বালিশের ওয়াড় বদলাতে হবে। বিছানা, বালিশ মাঝে মাঝে রোদ খাওয়াতে হবে। রোজ ভালো ঝাঁটা দিয়ে বিছানা ঝেড়ে ধুলোমুক্ত রাখতে হবে। ঘরের কার্পেট, আলমারির মাথা, পর্দা, মশারি, আসবাবের ধুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। ঝাড়ার সময় ধুলো উড়তে থাকলে মাস্ক পরে থাকুন। ঘরে ভ্যাকুয়াম ক্লিনার সেটা পুরোপুরি ব্যবহার করুন, ঘরের ডাস্ট মাইট অনেকটাই কমবে।
৩. ঘরকে কোন অবস্থায় স্যাঁত স্যাঁতে রাখা যাবে না। বিছানা বালিশ মাঝে মাঝে রোদে দিন।
৪. যাদের শ্বাসকষ্ট আছে, তারা বিশেষ ধরনের এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করতে পারেন।
৪. অ্যালার্জি গুরুতর হলে ডাক্তার দেখিয়ে চিকিৎসা শুরু করুন।

গরমের সাথে ঘামের একটা সম্পর্ক আছে। গরম পড়তেই প্রচণ্ড ঘাম হচ্ছে? সেই ঘাম নিয়ে অফিস ঢুকতেই সকলের নাকে বিকট দুর্গন্ধ যাচ্ছ...
11/05/2026

গরমের সাথে ঘামের একটা সম্পর্ক আছে। গরম পড়তেই প্রচণ্ড ঘাম হচ্ছে? সেই ঘাম নিয়ে অফিস ঢুকতেই সকলের নাকে বিকট দুর্গন্ধ যাচ্ছে? এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন কী করে?
এই পরিস্থিতিতে কীভাবে কমাবেন রোজকার এই সমস্যা?

ত্বকের ঘর্মগ্রন্থি থেকে ঘামের সৃষ্টি হয়। আবার ত্বকে বাস করে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া। এ দুটো মিলে তৈরি হয় ঘামের দুর্গন্ধ। প্রতিটি মানুষের ঘাম এর ধরন এবং ব্যাকটেরিয়ার ঘনত্ব সম্পূর্ণ আলাদা। তাই মানুষের শরীরের গন্ধ ও আলাদা আলাদা । কারো কারো শরীরে এমনিতেই বিকট গন্ধ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।
এ সমস্যাটি ব্যক্তিগতভাবে বেশ অস্বস্তিকর এবং সামাজিকভাবে ও অনেক বিড়ম্বনার কারণ হয়ে থাকে।
এ থেকে মুক্তির জন্য কিছু সহজ টিপস এখানে দেওয়া হলো :

* ঘামের দুর্গন্ধ কমানোর জন্য দরকার ভালো করে গোসল করা। এতে ঘর্মগ্রন্থিগুলির উপর বাসা বেঁধে থাকা ব্যাকটিরিয়ার সংখ্যা কমে। এতে গায়ের দুর্গন্ধের অনেকটা অবসান হয় ।

* ভালো মানের একটি অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল সোপ বা সাবান ব্যবহার করা উচিত ।আগেই উল্লেখ করা হয়েছে ঘর্মাক্ত ত্বকে কিছু জীবাণুর সংক্রমণ ঘটে। এতে গায়ে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। সাবান সংক্রমণের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এই ধরনের Antibacterial Soap ব্যবহার করতে পারেন।

*** ভালো করে গোসল করার মতোই দরকার, ভালো করে গা মোছা। গায়ে পানি জমে থাকলে, সেগুলিও পরে গায়ের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটিরিয়া জন্মাতে সাহায্য করে। তাই গোসলের পরে গা শুকিয়ে নিন।

**** শুধু ডিওডোরেন্ট নয়, দরকার হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে Antiperspirants ব্যবহার করুন। ডিওডোরেন্ট এর কাজ হচ্ছে গায়ের দুর্গন্ধ কে ঢেকে রাখা, কিন্তু অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট এর কাজ হচ্ছে ঘামের পরিমাণ কমিয়ে নিয়ে আসা। তাই অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট গায়ের দুর্গন্ধ এড়াতে বেশ ভালো কাজ দেয়।

***** ত্বক পরিষ্কার রাখা যেমন দরকারি, তেমনই দরকারি পরিষ্কার জামাকাপড় পরাও। রোজ নতুন ধোয়া জামাকাপড় পরুন। তাতে ঘামের দুর্গন্ধ কম হবে।

******পেঁয়াজ বা রসুনের মতো খাবার খেলে ঘামের দুর্গন্ধ কিছুটা বাড়ে। খুব গরম পড়লে যদি কোনওভাবেই গায়ের দুর্গন্ধ কমাতে না পারেন, তাহলে এই দু’টি জিনিস খাওয়া কমান।

।।।।।।অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হাই।। ১১।০৫।২০২৬।।।।।।।।।।।

Address

22, Stadium Market(1st Floor)
Sylhet
3100

Opening Hours

Monday 18:00 - 22:00
Tuesday 18:00 - 22:00
Wednesday 18:00 - 22:00
Thursday 18:00 - 22:00
Saturday 18:00 - 22:00
Sunday 18:00 - 22:00

Telephone

+8801711737043

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr hye dermatologist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dr hye dermatologist:

Share