04/08/2026
স্বাস্থ্য কথা :
---------
গরমের সাথে ঘামের একটা সম্পর্ক আছে। গরম পড়তেই প্রচণ্ড ঘাম হচ্ছে? সেই ঘাম নিয়ে অফিস ঢুকতেই সকলের নাকে বিকট দুর্গন্ধ যাচ্ছে? এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন কী করে?
এই পরিস্থিতিতে কীভাবে কমাবেন রোজকার এই সমস্যা?
ত্বকের ঘর্মগ্রন্থি থেকে ঘামের সৃষ্টি হয়। আবার ত্বকে বাস করে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া। এ দুটো মিলে তৈরি হয় ঘামের দুর্গন্ধ। প্রতিটি মানুষের ঘাম এর ধরন এবং ব্যাকটেরিয়ার ঘনত্ব সম্পূর্ণ আলাদা। তাই মানুষের শরীরের গন্ধ ও আলাদা আলাদা । কারো কারো শরীরে এমনিতেই বিকট গন্ধ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।
এ সমস্যাটি ব্যক্তিগতভাবে বেশ অস্বস্তিকর এবং সামাজিকভাবে ও অনেক বিড়ম্বনার কারণ হয়ে থাকে।
এ থেকে মুক্তির জন্য কিছু সহজ টিপস এখানে দেওয়া হলো :
* ঘামের দুর্গন্ধ কমানোর জন্য দরকার ভালো করে গোসল করা। এতে ঘর্মগ্রন্থিগুলির উপর বাসা বেঁধে থাকা ব্যাকটিরিয়ার সংখ্যা কমে। এতে গায়ের দুর্গন্ধের অনেকটা অবসান হয় ।
* ভালো মানের একটি অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল সোপ বা সাবান ব্যবহার করা উচিত ।আগেই উল্লেখ করা হয়েছে ঘর্মাক্ত ত্বকে কিছু জীবাণুর সংক্রমণ ঘটে। এতে গায়ে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। সাবান সংক্রমণের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এই ধরনের Antibacterial Soap ব্যবহার করতে পারেন।
*** ভালো করে গোসল করার মতোই দরকার, ভালো করে গা মোছা। গায়ে পানি জমে থাকলে, সেগুলিও পরে গায়ের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটিরিয়া জন্মাতে সাহায্য করে। তাই গোসলের পরে গা শুকিয়ে নিন।
**** শুধু ডিওডোরেন্ট নয়, দরকার হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে Antiperspirants ব্যবহার করুন। ডিওডোরেন্ট এর কাজ হচ্ছে গায়ের দুর্গন্ধ কে ঢেকে রাখা, কিন্তু অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট এর কাজ হচ্ছে ঘামের পরিমাণ কমিয়ে নিয়ে আসা। তাই অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট গায়ের দুর্গন্ধ এড়াতে বেশ ভালো কাজ দেয়।
***** ত্বক পরিষ্কার রাখা যেমন দরকারি, তেমনই দরকারি পরিষ্কার জামাকাপড় পরাও। রোজ নতুন ধোয়া জামাকাপড় পরুন। তাতে ঘামের দুর্গন্ধ কম হবে।
******পেঁয়াজ বা রসুনের মতো খাবার খেলে ঘামের দুর্গন্ধ কিছুটা বাড়ে। খুব গরম পড়লে যদি কোনওভাবেই গায়ের দুর্গন্ধ কমাতে না পারেন, তাহলে এই দু’টি জিনিস খাওয়া কমান।
।।।।।।।ডা. মোহাম্মদ হাই।।। ০৪।০৮।২০২৬।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।