Shaheen's Clinic

Shaheen's Clinic This is the page of the medical center called 'Shaheen's Clinic' established and managed by In 2016, he completed the P.G.

Dr. Shaheen Mahmud was born on July 11, 1972, in a village called Rampur in Tangail, Bangladesh. After finishing school life, he passed textile engineering in the first grade but later resumed his studies in homeopathy due to his love for medicine and his constant interest in human service and truth. He completed the DHMS course from Gazipur Homoeopathic Medical College and Hospital in 2012. Then

he completed PDT (Hom) from Bangladesh Homeopathic Foundation. Later, in addition to completing a Diploma in Children's Studies & Diploma in Psychology, he participated in online training and certificate courses on Genes and Genetic Technology, Food- Nutrition and Health, & Good Clinical Practice. (Hom)- London course under the Hahnemann College of Homeopathy, located in London, United Kingdom. And since then he has been practicing as a General Physician at Shaheen's Clinic in Tangail, Bangladesh. He is currently teaching as a Lecturer at Model Homoeopathic Medical College and Hospital, Mauna, Gazipur, Bangladesh. In addition, he has been working as the editor of the renowned homeopathic Web-Journal 'Homeodigest' for the betterment of the homeopathic educational system and the community. He is also a regular contributor to various magazines and online portals. So far he is the author of several books and several more are in the pipeline. . He has been nominated as a member of the National Treatment board and committee, constituted for the treatment of Covid-19. The names of his books published:
1. হোমিওপ্যাথিক কেইস টেকিং ও ফলো আপ ম্যানেজমেন্ট
2. হোমিওপ্যাথিক শিক্ষাসঙ্কট: শিক্ষার্থী ও নবীন চিকিৎসকদের উত্তরনের পথ
3. কভিড-১৯ এর হোমিওপ্যাথিক আরোগ্যপদ্ধতি
4. হোমিওপ্যাথিক ব্যবস্থাপত্রের প্রকার ও প্রকরণ

To know more about Shaheen Mahmud ............Please visit...
Website: https://homeodigest.com/
Youtube: https://www.youtube.com/c/Homeodigest/

🌿 শাহীন’স ক্লিনিকের ক্লিনিক্যাল সাফল্য 🌿প্রাইমারি স্টেরিলিটি ও অ্যাপেন্ডিসাইটিস থেকে মুক্তি: ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথির এক...
03/06/2026

🌿 শাহীন’স ক্লিনিকের ক্লিনিক্যাল সাফল্য 🌿
প্রাইমারি স্টেরিলিটি ও অ্যাপেন্ডিসাইটিস থেকে মুক্তি:
ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথির এক অনন্য জয়দীর্ঘদিন ধরে সন্তান ধারণে অক্ষমতা (Primary Sterility) এবং সাথে অ্যাপেন্ডিসাইটিস বা কোমর ব্যথার মতো জটিল শারীরিক সমস্যাগুলো কোনো দম্পতির জীবনে চরম হতাশা বয়ে আনতে পারে । শাহীন’স ক্লিনিকের এই কেসটি প্রমাণ করে যে, শরীরের কোনো একটি নির্দিষ্ট অঙ্গের চিকিৎসা নয়, বরং রোগীর সামগ্রিক সত্তার (Mental & Physical Totality) চিকিৎসা করলে কীভাবে ইনফার্টিলিটির মতো বাধা দূর হয়ে কোল জুড়ে সুস্থ সন্তান আসে।

🩺 রোগীর প্রাথমিক পরিচিতি:বয়স: ২০ বছর ঠিকানা: সাতক্ষীরা, বাংলাদেশ প্রধান রোগ (Diagnosis): Primary Sterility, Appendicitis & Degeneration in Lumbar Spine 📋 রোগীর অবস্থা ও প্রাথমিক লক্ষণসমূহ (Chief Complaints):১. অ্যাপেন্ডিসাইটিস: ১৫ দিন ধরে তলপেটের ডানদিকে (Mc’Berny’s point) তীব্র ব্যথা, যা চাপ দিলে বা নড়াচড়া করলে বাড়ে । সাথে দুপুর ও রাতে নিয়মিত জ্বর এবং খাবারের পর বমি বমি ভাব ।
২. প্রাইমারি স্টেরিলিটি: বিয়ের ৩.৫ বছর পার হলেও সন্তান ধারণে অক্ষমতা ।
৩. দীর্ঘস্থায়ী কোমর ব্যথা: গত ৬ বছর ধরে কোমরে ব্যথা, যা দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে বা নড়াচড়া করলে বাড়ে এবং চিৎ হয়ে শুলে উপশম হয় ।

👤 শারীরিক ও মানসিক বৈশিষ্ট্য (Generals):

শারীরিক: মেদবহুল শরীর, চেহারায় বয়সের ছাপ বা বলিরেখা । হাতের তালু ও পায়ের তলায় জ্বালাপোড়া । প্রচুর ঘাম এবং গোসলে অনিচ্ছা । খাদ্যাভ্যাস: টক ও মিষ্টি প্রিয় খাবার । চর্বিযুক্ত খাবারে অনিচ্ছা । পিপাসা কম কিন্তু বারবার অল্প অল্প পানি পান করেন ।

মানসিক: অত্যন্ত রাগী এবং খিটখিটে মেজাজ । কেউ দ্বিমত পোষণ করলে (Contradiction) সহ্য করতে পারেন না । বজ্রপাতে আতঙ্ক এবং ক্যানসারের ভয় । কাজে আলস্য বা দীর্ঘসূত্রিতা করার প্রবণতা ।

📊 রেপার্টরাইজেশন ও ঔষধ প্রয়োগ:রোগীর খিটখিটে মেজাজ, গোসলে অনিচ্ছা, টক-মিষ্টির প্রতি ঝোঁক এবং অ্যাপেন্ডিক্সের প্রদাহ বিচার করে প্রথম ঔষধ এবং পরবর্তীতে লক্ষণ পরিবর্তন অনুযায়ী উচ্চ শক্তি প্রয়োগ করা হয়: Prescription: Sulphur – 1M (শুরুতে), পরবর্তীতে Sepia ও Natrum Mur । 📈 আরোগ্যের পর্যায়ক্রমিক ফলো-আপ ও ফলাফল:অ্যাপেন্ডিসাইটিস থেকে মুক্তি: ঔষধ শুরু করার মাত্র কয়েকদিনের মধ্যেই পেটের ব্যথা, বমি ভাব এবং জ্বর সম্পূর্ণ চলে যায় । পরবর্তীতে আল্ট্রাসনোগ্রাম (USG) রিপোর্টে সব স্বাভাবিক পাওয়া যায় । কোমর ব্যথার উপশম: এক্স-রে রিপোর্টে স্পাইনের সমস্যা থাকলেও হোমিওপ্যাথির মাধ্যমে দীর্ঘদিনের কোমর ব্যথা অবিশ্বাস্যভাবে কমে আসে । সাফল্যের চূড়ান্ত শিখর (গর্ভধারণ): চিকিৎসার কয়েক মাস পর রোগীর পিরিয়ড বন্ধ হলে প্রেগন্যান্সি টেস্টে পজিটিভ রেজাল্ট আসে । ২০১৪ সালের জুনে পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় যে তিনি ১৭ সপ্তাহ ৫ দিনের অন্তঃসত্ত্বা । সুস্থ সন্তানের জন্ম: দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর গত ১৩/১১/২০১৪ তারিখে রোগী একটি ফুটফুটে সুস্থ কন্যা সন্তানের জন্ম দেন । বর্তমানে মা ও শিশু উভয়ই অত্যন্ত ভালো আছেন ।

💡 আমাদের বার্তা:সার্জারি বা কৃত্রিম হরমোন থেরাপি ছাড়াই সঠিক ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথি যে কোনো মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে। এই কেসটি প্রমাণ করে যে, অ্যাপেন্ডিসাইটিসের মতো তীব্র ব্যথা এবং স্টেরিলিটির মতো দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

ডা. শাহীন মাহমুদ
হোমিওপ্যাথিস্ট, গবেষক ও লেখক
প্রতিষ্ঠাতা: শাহীন’স ক্লিনিক
ময়মনসিংহ রোড, বিশ্বাস বেতকা,
টাঙ্গাইল, বাংলাদেশ।
যোগাযোগ: ০১৭৪৯১৬৮১১৯

#বন্ধ্যাত্ব_মুক্তি #সুস্থ_মা_সুস্থ_শিশু

আমাদের গুগল ও ফেইসবুক পেইজে রিভিউ দিতে এই কিউআর কোডগুলোর মাধ্যমে সহজেই করতে পারেন। এছাড়া লিংকে ঢুকে রিভিউ দিতে:গুগল রিভি...
01/06/2026

আমাদের গুগল ও ফেইসবুক পেইজে রিভিউ দিতে এই কিউআর কোডগুলোর মাধ্যমে সহজেই করতে পারেন। এছাড়া লিংকে ঢুকে রিভিউ দিতে:

গুগল রিভিউ লিংক: https://g.page/r/CRcPNZOsEGuwEBM/review

ফেইসবুক পেইজ রিভিউ লিংক: https://www.facebook.com/shaheensclinic/reviews

🌿 শাহীন’স ক্লিনিকের ক্লিনিক্যাল সাফল্য 🌿মূত্রনালীর পাথর (Ureteric Calculus) ও ইনফেকশন থেকে আরোগ্য: ১০ বছরের শিশুর সার্জা...
29/05/2026

🌿 শাহীন’স ক্লিনিকের ক্লিনিক্যাল সাফল্য 🌿

মূত্রনালীর পাথর (Ureteric Calculus) ও ইনফেকশন থেকে আরোগ্য: ১০ বছরের শিশুর সার্জারিহীন নিরাময়

বাচ্চাদের ক্ষেত্রে মূত্রনালীতে পাথর আটকে যাওয়া একটি অত্যন্ত জরুরি ও সংকটাপন্ন অবস্থা (Emergency Condition)। এটি এমন এক পরিস্থিতি যেখানে পাথর প্রস্রাবের স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা দেয়, ফলে কিডনিতে পানি জমে এবং ইনফেকশন হয়ে যাওয়ার তীব্র ঝুঁকি থাকে। আধুনিক চিকিৎসায় এর তাৎক্ষণিক সমাধান হিসেবে সার্জারির কথা বলা হলেও, ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথির গভীর ও বিজ্ঞানসম্মত প্রয়োগে যে এটি কোনো অস্ত্রোপচার ছাড়াই পুরোপুরি নিরাময় সম্ভব— মাস্টার আয়ানের এই কেসটি তার এক অনন্য প্রমাণ।

🩺 রোগীর অবস্থা ও প্রাথমিক লক্ষণসমূহ:
১০ বছর বয়সী মাস্টার আয়ান যখন আমাদের ক্লিনিকে আসে, তখন তার অবস্থা ছিল অত্যন্ত জটিল:

ইউরেটারিক ক্যালকুলাস: সিটি স্ক্যান রিপোর্টে (CT Scan of KUB) ডান দিকের মধ্য-ইউরেটারে (Right mid ureter) প্রায় ৪.০ মি.মি. সাইজের একটি পাথর দেখা যায়।

কিডনিতে প্রভাব: পাথরের কারণে প্রস্রাব আটকে কিডনিতে পানি জমে যায়, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে Hydronephrosis with Hydroureter বলা হয়।

তীব্র ইনফেকশন ও উপসর্গ: প্রস্রাবে ইনফেকশন হয়ে প্রচুর পুঁজ নিঃসরণ (Pus cells) শুরু হয়েছিল। শিশুটি প্রস্রাবে প্রচণ্ড জ্বালাপোড়া এবং তলপেটে অসহ্য ব্যথায় ভুগছিল।

সার্জারির পরামর্শ: বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ ১৪ দিনের মধ্যে সার্জারি করার পরামর্শ দেন এবং পুনরায় পাথর হওয়ার আশঙ্কার কথাও জানান।

📉 চিকিৎসার অগ্রগতি ও প্যাথলজিক্যাল রিভার্সাল:
১. প্রথম প্রেসক্রিপশন: শিশুর সামগ্রিক লক্ষণ ও মায়াজমেটিক বৈশিষ্ট্য বিচার করে ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথি শুরু করা হয়। প্রথম প্রেসক্রিপশনের পর থেকেই তার শারীরিক কষ্টগুলো কমতে শুরু করে।

২. ১ মাসের ফলাফল: মাত্র এক মাসের চিকিৎসায় আয়ান সম্পূর্ণ লক্ষণমুক্ত হয়ে ওঠে। অর্থাৎ তার প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া এবং পেট ব্যথা পুরোপুরি সেরে যায়।

৩. হেরিংয়ের আরোগ্য নীতি (Hering’s Law of Cure): চিকিৎসার দ্বিতীয় মাসে রোগীর শরীরে ইম্পেটিগো (Impetigo) জাতীয় এক ধরনের চর্মরোগ দেখা দেয়। বাহ্যিকভাবে এটি দেখতে আশঙ্কাজনক মনে হলেও, ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথির ভাষায় এটি একটি অত্যন্ত শুভ লক্ষণ। এটি প্রমাণ করে যে, শরীরের অভ্যন্তরীণ গভীর রোগগুলো বাইরে বেরিয়ে আসছে এবং রোগী তার প্রি-ডিসপোজিশন বা চিরস্থায়ী রোগ প্রবণতা থেকে মুক্ত হচ্ছে।

৪. পূর্ণ নিরাময়: কোনো প্রকার ডোজের পুনরাবৃত্তি ছাড়াই মাত্র ৩ মাসের মধ্যে জটিল এই প্যাথলজি থেকে আয়ান সম্পূর্ণ মুক্তি পায়। পাথরের কোনো অস্তিত্ব আর থাকেনি এবং তার কিডনি ও মূত্রনালী স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।

কেন এই কেসটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে?
অপারেশন এড়ানো সম্ভব হয়েছে: যে কেসটিকে 'ইমার্জেন্সি' বলে দ্রুত সার্জারির পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল, তা কোনো ছুরি-কাঁচি ছাড়াই নিরাময় হয়েছে।

স্থায়ী সমাধান: হোমিওপ্যাথি শুধু পাথর নামিয়ে দেওয়া নয়, বরং পুনরায় পাথর হওয়ার প্রবণতাকেও সমূলে দূর করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে।

হেরিংয়ের সূত্রের প্রমাণ: এই কেসটি আবারও প্রমাণ করলো যে, সঠিক চিকিৎসার ফলে রোগ যখন ভেতর থেকে বাইরে (চর্মরোগের মাধ্যমে) প্রকাশিত হয়, তখন রোগী স্থায়ীভাবে আরোগ্য লাভ করে।

❝ এটি কেবল পাথরের চিকিৎসা নয়, এটি শিশুর সার্বিক জীবনীশক্তি ও ইমিউনিটির উন্নতি। সঠিক ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথিই পারে এমন জটিল অবস্থায় সর্বোচ্চ দ্রুত ও নিরাপদ সমাধান দিতে। ❞

ডা. শাহীন মাহমুদ হোমিওপ্যাথিস্ট,
হোমিওপ্যাথিস্ট, গবেষক ও লেখক
প্রতিষ্ঠাতা: শাহীন’স ক্লিনিক
ময়মনসিংহ রোড, বিশ্বাস বেতকা, টাঙ্গাইল, বাংলাদেশ।
যোগাযোগ: ০১৭৪৯১৬৮১১৯

27/05/2026
🌿 শাহীন’স ক্লিনিকের ক্লিনিক্যাল সাফল্য 🌿শিশুদের জটিল বাতরোগ 'Juvenile Rheumatoid Arthritis' থেকে আরোগ্য: একটি ক্লাসিক্যা...
27/05/2026

🌿 শাহীন’স ক্লিনিকের ক্লিনিক্যাল সাফল্য 🌿

শিশুদের জটিল বাতরোগ 'Juvenile Rheumatoid Arthritis' থেকে আরোগ্য: একটি ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথি কেস স্টাডি

শিশুদের ক্ষেত্রে জুভেনাইল রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস (JRA) অত্যন্ত বেদনাদায়ক একটি অটো-ইমিউন ডিজিজ। যেখানে সারা শরীরের হাড়ের জোড়ায় জোড়ায় তীব্র ব্যথা, ফোলা এবং প্রদাহ শিশুকে পঙ্গুত্বের দিকে ঠেলে দেয়, সেখানে ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথি লক্ষণ সমষ্টির ভিত্তিতে যে আমূল পরিবর্তন আনতে পারে, এই কেসটি তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ।

🩺 রোগীর প্রাথমিক পরিচিতি:
বয়স: ৬ বছর
ঠিকানা: কেরানীগঞ্জ, বাংলাদেশ
রোগ নির্ণয়: Juvenile Rheumatoid Arthritis with Melena

📋 রোগীর অবস্থা ও প্রাথমিক লক্ষণসমূহ (Chief Complaints):
হাড়ের জোড়ায় তীব্র ব্যথা: গত ২ বছর ধরে সারা শরীরের ছোট-বড় সকল জয়েন্টে তীব্র ব্যথা ।

প্রদাহ ও ফোলা: আক্রান্ত জয়েন্টগুলো লাল হয়ে ফুলে থাকে এবং সেখানে উত্তাপ অনুভূত হয় ।
বৃদ্ধি (

Visiting Card for Online Circulation...🍂
25/05/2026

Visiting Card for Online Circulation...🍂

🌿 শাহীন’স ক্লিনিকের ক্লিনিক্যাল সাফল্য 🌿ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা ও ক্রনিক টনসিলাইটিস থেকে আরোগ্য: ৫ বছরের শিশুর এক বিস্ময়কর নি...
25/05/2026

🌿 শাহীন’স ক্লিনিকের ক্লিনিক্যাল সাফল্য 🌿
ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা ও ক্রনিক টনসিলাইটিস থেকে আরোগ্য: ৫ বছরের শিশুর এক বিস্ময়কর নিরাময় কাহিনী
শিশুদের ক্ষেত্রে ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা (Inhaler-dependent Asthma) এবং বারবার ফিরে আসা ক্রনিক টনসিলাইটিস একটি অত্যন্ত কষ্টদায়ক ও জটিল পরিস্থিতি তৈরি করে। সামান্য ঠাণ্ডা বা ধোঁয়া লাগলেই যেখানে শ্বাসকষ্ট শুরু হয় এবং প্রতিদিন ইনহেলার ব্যবহার করতে হয়, সেখানে ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথির স্তরভিত্তিক কনস্টিটিউশনাল ও মায়াজমেটিক চিকিৎসা যে কতটা দ্রুত এবং স্থায়ী ফলাফল দিতে পারে— এই কেসটি তার একটি নিখুঁত প্রামাণ্য দলিল।

🩺 রোগীর প্রাথমিক পরিচিতি:
• নাম: মাস্টার আসহাব ফাহিম
• বয়স: ৫ বছর
• ঠিকানা: কুষ্টিয়া, বাংলাদেশ
• প্রধান রোগ (Diagnosis): Bronchial Asthma with Chronic Tonsillitis

📋 রোগীর অবস্থা ও প্রাথমিক লক্ষণসমূহ (Chief Complaints):
১. তীব্র শ্বাসকষ্ট ও ঠাণ্ডার প্রবণতা (Susceptibility to cold): জন্ম থেকেই অত্যন্ত সহজে ঠাণ্ডা লেগে যাওয়ার অস্বাভাবিক প্রবণতা। অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, প্রতিদিন ইনহেলার (Inhaler) ব্যবহার করতে হতো।
• কাশির সাথে শ্বাসকষ্টের সূচনা এবং দীর্ঘ সময় ধরে আক্ষেপিক কাশি (Paroxysmal cough)।
• বৃদ্ধি (): খোলা বাতাসে (> Open air)। শ্বাসকষ্টের সময় ঘরের দরজা-জানালা খুলে দেওয়ার তীব্র ইচ্ছা।

২. ক্রনিক টনসিলাইটিস ও গ্ল্যান্ডের ফোলা:
• সর্দি-কাশি হলেই টনসিলে তীব্র ব্যথা হয়, টনসিল ফুলে শক্ত (Indurated) হয়ে যায়। ডানদিকের টনসিল বেশি আক্রান্ত (< Right)।
• ঘাড়ের বেশ কিছু সারভাইকাল গ্ল্যান্ড (Cervical glands) ফুলে শক্ত হয়ে আছে, বিশেষ করে ডানদিকের অংশ।

📜 অতীত ও পারিবারিক ইতিহাস (Past & Family History):
• অতীত ইতিহাস: সি-সেকশন (C-section) বেবি। ২ বছর বয়সে গরুর দুধ খাওয়ার পর প্রথম নিউমোনিয়া হয়। এরপর থেকে এ পর্যন্ত ৪ বার নিউমোনিয়া হয়েছে, যা অ্যালোপ্যাথিক ওষুধের মাধ্যমে দমন করা হয়েছিল। ২ বছর বয়সে চর্মরোগও মলম দিয়ে চাপা দেওয়া হয় (Suppression of skin lesion)। মাথার তালুর নরম অংশ (Fontanel) খুব দেরিতে জোড়া লেগেছে এবং দেরিতে হাঁটতে শিখেছে (Late learner of walk)।

• পারিবারিক ইতিহাস: বাবার অ্যালার্জির ধাত (Allergic constitution)। মায়ের গর্ভকালীন ৭ম মাসে তীব্র ভীতি বা আতঙ্কের (Severe fright) ইতিহাস ছিল।

👤 শারীরিক ও মানসিক বৈশিষ্ট্য (Generals):
• আকৃতি (Appearance): ফর্সা, থলথলে গড়ন (Flabby, fair boy), মাংসপেশি শিথিল। ৫ বছর বয়সী শিশুর তুলনায় ওজন বেশি হলেও দেখতে বেশ দুর্বল।

• খাদ্যাভ্যাস ও পরিপাক: ক্ষুধা ভালো। জাঙ্ক ফুড (পিজ্জা, বার্গার, হটডগ) প্রিয়। মিষ্টি ও নোনতা খাবারের প্রতি তীব্র আকর্ষণ (Cravings)। চর্বিযুক্ত খাবারে অনিচ্ছা (Aversion to fat)। পিপাসাহীনতা (Thirstless)।

• মল-মূত্র ও ঘাম: মল-মূত্র স্বাভাবিক। ঘাম অত্যন্ত বেশি (Profuse), বিশেষ করে ঘাড়ের পেছনের অংশ, সারভাইকাল অঞ্চল এবং বুকে প্রচুর ঘাম হয়।

• ঘুম: ঘুম ভালো হয়। ঘুমের মধ্যে কথা বলে এবং ঘন ঘন পজিশন পরিবর্তন করে।

• ধাতুগত অবস্থা (Thermals): শীত-গরম উভয় কাতর (Sensitive to both – hot and cold)। রোদের গরমে প্রচুর ঘামসহ ক্লান্ত হয়ে পড়ে, আবার ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় গায়ের ওপর ঢাকা (Cover) পছন্দ করে।

• মানসিক লক্ষণ: অত্যন্ত রাগী, খিটখিটে, গালিগালাজ করার প্রবণতা। মানুষের সঙ্গ অপছন্দ (Aversion to company) এবং শারীরিক পরিশ্রমে তীব্র অনিচ্ছা। শান্ত ও নিরিবিলি পরিবেশ পছন্দ করে।

o ভীতি (Fear): কুকুর, বিড়াল, বুকে হাঁটা পোকা, বিছা, মাকড়সা, বজ্রপাত, অন্ধকার এবং উচুঁ স্থানের প্রতি তীব্র ভয়। স্বপ্নে বিড়াল ও সাপ দেখে। ব্যথার প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল।

📊 চিকিৎসাক্রম ও ঔষধ প্রয়োগ (Remedy & Posology):
তারিখ: ০৫/০৬/২০১৩
রোগীর শারীরিক গঠন (Flabby, fair), দেরিতে হাঁটা ও তালু জোড়া লাগা, ঘাড়ের ঘাম, মিষ্টির প্রতি ইচ্ছা এবং মায়াজমেটিক ব্যাকগ্রাউন্ড বিবেচনা করে প্রথম ওষুধ নির্বাচন করা হয়:
Prescription: Calcarea Carbonica – 10M / ১ ডোজ (সাথে ১৫ দিনের Placebo/SL)

📈 পর্যায়ক্রমিক ফলো-আপ ও আরোগ্যের ধাপসমূহ:
• ১ম ফলো-আপ (২৭/০৬/২০১৩): ওষুধ সেবনের প্রথম কয়েকদিন শ্বাসকষ্ট সামান্য বেড়েছিল (Homeopathic Aggravation)। এরপর শ্বাসকষ্ট আগের চেয়ে অনেক কমে যায়। সারভাইকাল গ্ল্যান্ডের ফোলা সংখ্যা ও আকারে কমে এসেছে। শিশুটি মানসিকভাবে শান্ত এবং আগের চেয়ে অনেক বেশি চটপটে ও সক্রিয় হয়েছে।
ব্যবস্থা: SL ১৫ দিন।

• ২য় ফলো-আপ (২৪/০৭/২০১৩): শিশুর সার্বিক অবস্থা অনেক ভালো। ঘাড়ের ফোলা গ্ল্যান্ডগুলো প্রায় সম্পূর্ণ মিলিয়ে গেছে। টনসিলের আকার ছোট হয়েছে এবং কোনো ব্যথা নেই। মেজাজ ও আচরণ এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে।
ব্যবস্থা: SL ১৫ দিন।

• ৩য় ফলো-আপ (২১/০৮/২০১৩): গ্ল্যান্ডের ফোলা সম্পূর্ণ হাওয়া। তবে ভেজা আবহাওয়ায় ঘোরার কারণে নাক দিয়ে সামান্য জলীয় স্রাব দেখা দেয় এবং ঘুমের মধ্যে ঘাড়ে ঘাম ও হাতের তালু-পায়ের তলা ঘামতে থাকে। শিশুটি কিছুটা একগুঁয়ে (Obstinate) আচরণ করছে।
প্যাথলজির এই স্তরে এসে ওষুধ পরিবর্তন করা হয়:
Prescription: Silica – 1M / ১ ডোজ (সাথে ১৫ দিনের SL)

• ৪র্থ ও ৫ ম ফলো-আপ (২৪/০৯/২০১৩ ও ২৩/১০/২০১৩): টনসিলের আকার আরও কমে গেছে। ঠাণ্ডা লাগার আর কোনো প্রবণতাই নেই। হাতের তালু ও পায়ের তলার ঘাম কমে এসেছে। শিশুটি সার্বিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ।
ব্যবস্থা: SL ১ মাস।

• ৬ষ্ঠ ফলো-আপ (১৪/১২/২০১৩): ঋতু পরিবর্তনের কারণে ৪ দিন ধরে একটি তীব্র ঠাণ্ডা ও টনসিলের তীব্র ব্যথার আক্রমণ ঘটে (Acute Relapse)। গলা ব্যথা গরম পানীয় ও গরম কাপড় জড়ালে উপশম হয়, ঠাণ্ডায় বাড়ে। এবার বাম দিকের টনসিল বেশি আক্রান্ত এবং শিশুটি খুব শীতকাতর হয়ে পড়ে। এই একিউট অবস্থা দূর করতে দেওয়া হয়:
Prescription: Hepar Sulphur – 200 / ৬ ডোজ (৮ ঘণ্টা পর পর, সাথে ১৫ দিনের SL)

• ৭ম ফলো-আপ (১০/০১/২০১৪): Hepar Sulph প্রয়োগে একিউট টনসিলাইটিস ও সর্দি সম্পূর্ণ নিরাময় হয়। টনসিলের তীব্র ফোলা চলে গেলেও সামান্য ক্রনিক ফোলা বাকি থাকে (বিশেষ করে বাম দিকে)। এই অ্যান্টি-সাইকোটিক স্তরে এসে কেসটি স্থায়ীভাবে শেষ করতে প্রুফ রিমেডি হিসেবে দেওয়া হয়:
Prescription: Thuja Occidentalis – 10M / ১ ডোজ (সাথে ২১ দিনের SL)

• ৮ম ও ৯ম ফলো-আপ (১৮/০২/২০১৪ ও ২৬/০৩/২০১৪): টনসিলের ফোলা ও আকার এখন সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে আর কোনো ঠাণ্ডা বা সর্দি-কাশি হয়নি। শিশুটি এখন ধুলোবালি বা পানির মধ্যে মনের আনন্দে খেলাধুলা করলেও আর কোনো শ্বাসকষ্ট বা কাশির সমস্যা হচ্ছে না। তার প্রতিদিনের ইনহেলার সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। শিশুটি মানসিকভাবে চমৎকার ভারসাম্যপূর্ণ এবং শারীরিকভাবে প্রাণবন্ত।

ব্যবস্থা: সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ায় চিকিৎসা সমাপ্ত এবং ১ মাসের Placebo (SL) প্রদান।

💡 কেন এই কেসটি বিশেষ শিক্ষণীয়?
১. ইনহেলার থেকে স্থায়ী মুক্তি: যে শিশুকে প্রতিদিন ইনহেলার ও স্টেরয়েডের ওপর নির্ভর করতে হতো, সঠিক ক্লাসিক্যাল চিকিৎসায় তার ভেতরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা (Vital Force) এতটাই শক্তিশালী হয়েছে যে সে এখন প্রাকৃতিকভাবেই সুস্থ।
২. লেয়ার বা স্তরভিত্তিক চিকিৎসা (Layer Method): কেসটিতে প্রথমে Calcarea Carb দিয়ে কনস্টিটিউশনাল চিকিৎসা শুরু করে, পরবর্তীতে প্যাথলজির স্তর ও মায়াজম অনুযায়ী Silica, Hepar Sulph এবং সবশেষে Thuja প্রয়োগের মাধ্যমে রোগটি মূল থেকে নির্মূল করা হয়েছে। ৩. অ্যালোপ্যাথিক সাপ্রেসন রিভার্সাল: অতীতে বারবার নিউমোনিয়া এবং চর্মরোগ চাপা দেওয়ার ফলে শিশুর শরীরে যে গভীর মায়াজমেটিক জটিলতা তৈরি হয়েছিল, হোমিওপ্যাথি তা অত্যন্ত বৈজ্ঞানিক উপায়ে দূর করেছে।

❝ সঠিক জ্ঞান, ধৈর্য এবং ক্লাসিক্যাল পদ্ধতি অনুসরণ করলে ইনহেলার-নির্ভর আশঙ্কাজনক শিশুও ফিরে পেতে পারে এক স্বাভাবিক, সুন্দর ও সুস্থ শৈশব। ❞

ডা. শাহীন মাহমুদ
হোমিওপ্যাথিস্ট, গবেষক ও লেখক
প্রতিষ্ঠাতা: শাহীন’স ক্লিনিক
ময়মনসিংহ রোড, বিশ্বাস বেতকা, টাঙ্গাইল, বাংলাদেশ।
যোগাযোগ: ০১৭৪৯১৬৮১১৯

Address

Mymensingh Road, Biswas Betka, Tangail Sadar, Tangail
Tangail
1900

Opening Hours

Monday 10:00 - 15:00
Tuesday 10:00 - 15:00
Wednesday 10:00 - 05:00
Thursday 10:00 - 15:00
Friday 10:00 - 15:00
Saturday 10:00 - 15:00
Sunday 10:00 - 15:00

Telephone

01734077111

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shaheen's Clinic posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Shaheen's Clinic:

Share