Shaheen's Clinic

Call Directions Website Contact the business

Shaheen's Clinic This is the page of the medical center called 'Shaheen's Clinic' established and managed by In 2016, he completed the P.G.

Dr. Shaheen Mahmud was born on July 11, 1972, in a village called Rampur in Tangail, Bangladesh. After finishing school life, he passed textile engineering in the first grade but later resumed his studies in homeopathy due to his love for medicine and his constant interest in human service and truth. He completed the DHMS course from Gazipur Homoeopathic Medical College and Hospital in 2012. Then he completed PDT (Hom) from Bangladesh Homeopathic Foundation. Later, in addition to completing a Diploma in Children's Studies & Diploma in Psychology, he participated in online training and certificate courses on Genes and Genetic Technology, Food- Nutrition and Health, & Good Clinical Practice. (Hom)- London course under the Hahnemann College of Homeopathy, located in London, United Kingdom. And since then he has been practicing as a General Physician at Shaheen's Clinic in Tangail, Bangladesh. He is currently teaching as a Lecturer at Model Homoeopathic Medical College and Hospital, Mauna, Gazipur, Bangladesh. In addition, he has been working as the editor of the renowned homeopathic Web-Journal 'Homeodigest' for the betterment of the homeopathic educational system and the community. He is also a regular contributor to various magazines and online portals. So far he is the author of several books and several more are in the pipeline. . He has been nominated as a member of the National Treatment board and committee, constituted for the treatment of Covid-19. The names of his books published:
1. হোমিওপ্যাথিক কেইস টেকিং ও ফলো আপ ম্যানেজমেন্ট
2. হোমিওপ্যাথিক শিক্ষাসঙ্কট: শিক্ষার্থী ও নবীন চিকিৎসকদের উত্তরনের পথ
3. কভিড-১৯ এর হোমিওপ্যাথিক আরোগ্যপদ্ধতি
4. হোমিওপ্যাথিক ব্যবস্থাপত্রের প্রকার ও প্রকরণ

To know more about Shaheen Mahmud ............Please visit...
Website: https://homeodigest.com/
Youtube: https://www.youtube.com/c/Homeodigest/

ইদানীং এদেশে একটা মজার ট্রেন্ড দেখতে পাচ্ছি, কিছু কিছু হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক দাবি করছেন - হোমিওপ্যাথিতে অমুক রোগ, তমুক রো...
04/10/2026

ইদানীং এদেশে একটা মজার ট্রেন্ড দেখতে পাচ্ছি, কিছু কিছু হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক দাবি করছেন - হোমিওপ্যাথিতে অমুক রোগ, তমুক রোগ ভালো হয় না।

তারা হোমিওপ্যাথির খাবে, হোমিওপ্যাথির পড়বে, হোমিওপ্যাথি দিয়ে নাম কামাবে, হোমিওপ্যাথি দিয়ে পণ্ডিত সাজবে - এবং তারপর তারা হোমিওপ্যাথিরই বদনাম করে বেড়াবে; এই হচ্ছে অবস্থা!

ট্রেন্ডটা শুরুতে হোমিওপ্যাথদের মধ্যে ছিলো না। এটা শুরু করেছিলো হোমিওপ্যাথির চির-বৈরি কিছু প্রতিষ্ঠান। মূলত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) যখন ২০০৩-২০০৪ সালে হোমিওপ্যাথির উপর ‘Homeopathy: review and analysis of reports on controlled clinical trials’ শিরোনামে একটি ড্রাফট প্রকাশ করেছিলো এবং যেখানে ঘোষণা করা হয়েছিলো বিগত ৪০ বৎসরের হোমিওপ্যাথির পিয়ার-রিভিউড যে গবেষণাপত্রগুলো প্রকাশিত হয়েছে তার “সংখ্যাগরিষ্ঠ”-ই “have demonstrated that homeopathy is superior to placebo in placebo-controlled trials and is equivalent to conventional medicines in the treatment of illnesses, in both humans and animals.” - তখন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই ইতিবাচক ভূমিকাকে রুদ্ধ করা হোমিওপ্যাথি-বিরোধীদের জন্য ব্যাপক জরুরি হয়ে পড়ে।

এবং সহজাতভাবেই, সেই কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ে কর্পোরেট ও বিগ-ফার্মার অর্থ সাহায্যে পরিচালিত ‘Senses about Science’ (SAS) সহ তার সমস্ত অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। ২০০৯ সালে এই বিশেষ কাজে অগ্রণী ভূমিকা রাখে- ‘Senses about Science’ (SAS) সংশ্লিষ্ট আরেকটি প্রতিষ্ঠান ও এন্টি-হোমিওপ্যাথিক লবি ‘Voices of Young Scientists’ (VoYs)। VoYs এর সেই ‘Young Scientists’ দের একটি পত্র ও ভুয়া গবেষণা-মতামতের উপর ভিত্তি করে WHO এর কিছু কিছু অফিসিয়াল মন্তব্য করে যে হোমিওপ্যাথি ম্যালেরিয়া, ডায়রিয়া, ডিপ্রেশন, টিবি ও এইডসের উপর কাজ করে না! ["Homeopathy not a cure, says WHO". BBC News. August 20, 2009. Retrieved October 20, 2014. Mashta, O (August 24, 2009). "WHO warns against using homoeopathy to treat serious diseases". BMJ. 339 (aug24 2): b3447. doi:10.1136/bmj.b3447. PMID 19703929. S2CID 9303173.]

শুরু হলো বিরোধীপক্ষের একটি মহা কর্মযজ্ঞ। WHO এর ডিপার্টমেন্টাল হেডদের করা সেই মন্তব্যকে বিশ্বজুড়ে জনগণের মধ্য ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেবার জন্য VoYs নিজ উদ্যোগে প্রেস রিলিজ প্রকাশ করে। সেই সাথে ঘোষণা করে যে, তারা প্রতিটি দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করে WHO এর মতামতকে অবগত করবে এবং বিশ্বজুড়ে একসাথে হোমিওপ্যাথি রুদ্ধ করার জন্য ‘মিশন’ পরিচালনা করবে। অন্যভাবে বললে, VoYs নিজে নিজেই সিদ্ধান্ত নেয় যে, তারা WHO এর মতামত প্রকাশের মুখপাত্র হবে এবং বিভিন্ন দেশের আভ্যন্তরীণ হেল্থ পলিসিতে হস্তক্ষেপ করবে। এটা হচ্ছে, হোমিওপ্যাথির বিরুদ্ধে তাদের মিশনটির একটা ধাপ। তারা যদি তখন এই রোগগুলোতে হোমিওপ্যাথি কাজ করে না সেটা এস্টাবলিশ করতে পারতো, পরবর্তীতে স্রেফ রোগের সংখ্যাটা ক্রমান্বয়ে বাড়িয়ে যেতো এবং সবশেষে দেখিয়ে দিতো - হোমিওপ্যাথি কোনো রোগের উপরই কাজ করে না।

আজকে আমাদের হোমিওপ্যাথিক কম্যুনিটিতেই কিছু পণ্ডিতকে দেখতে পাচ্ছি- যারা তাদের কাজটি করে দিচ্ছে। সেদিন একটা ভিডিও দেখলাম, যেখানে দাবি করা হচ্ছে - হোমিওপ্যাথি গলব্লাডার স্টোন (Cholelithiasis), পলিসিস্টিক ওভারি ও ওভারিয়ান সিস্টের উপর কাজ করে না। আরেকজনের দীর্ঘদিনের দাবি- হোমিওপ্যাথি অটোইমিউন ডিজিজের উপর কাজ করে না; অন্তত ANA ও Anti-Ds DNA নেগেটিভ হবার কোনো প্রমাণ নেই। হোমিওপ্যাথির এমন বন্ধুগণ থাকলে শত্রুর আর কী দরকার!

প্রশ্ন হচ্ছে - তারা কেন হোমিওপ্যাথির এই কুৎসাগুলো রটাচ্ছেন? নিজেদের অক্ষমতাকে ঢাকার জন্য, নিজেদের অক্ষমতার দায়কে হোমিওপ্যাথিক সিস্টেমটার উপর চাপিয়ে দেবার জন্য? নাকি, সত্যিই তারা বিরোধী-মহল থেকে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ কোনোভাবে মদদ পাচ্ছেন?

গত এক মাসে শাহীন’স ক্লিনিকে অন্তত ৪টা পলিসিস্টিক ওভারির রোগীর আরোগ্য হয়েছে, যার ডকুমেন্টস আমাদের স্টোরেজে সযত্নে সংগ্রহে রাখা হয়েছে। এখানে যে রোগীটার কাগজের ছবি দেয়া হয়েছে, তার হাইপারথায়রয়েডিজমও ছিলো, আরোগ্য হয়েছে। তাদের অভিযোগকৃত রোগের ছবিগুলো কেবল আপলোড করেছি। চাইলে অন্য কাগজগুলোও দেয়া যাবে। হয়তো কয়েকদিন পরেই তারা বলতে থাকবে - হোমিওপ্যাথিতে থাইরয়েড ভালো হয় না। তখন নাহয় সেটাও আপলোড করে দেবো।

তারা দাবি করেন, গলস্টোন হোমিওপ্যাথিতে আরোগ্য হয় না। ছবিতে রোগীর পাথরটার পরিমাপ ছিলো 1.42 * 0.85 সেমি, সাথে স্বাভাবিকভাবে ইনফ্লামাশন ছিলো। কেবলমাত্র হোমিওপ্যাথিতেই আরোগ্য হয় এবং আজও রোগী ভালো আছেন। এবং ব্যাপারটা এমনও নয় যে, ঝড়ে বক মরার মতো একটা রোগী ভালো হয়েছে, আর আমরা সেটা প্রচার করে বেড়াচ্ছি। বাস্তবতা হচ্ছে, শাহীন’স ক্লিনিকে এই রোগীগণ অবিরতই আরোগ্য হচ্ছেন। প্রচুর ডকুমেন্টসও আমাদের সংগ্রহে আছে। কেবল গলব্লাডারের স্টোন নয়, আমাদের এখানে কিডনি, লিভার (আগেই একবার কাগজসহ পোস্ট করা হয়েছে), এমনকি অণ্ডকোষে হওয়া পাথর আরোগ্যের ঘটনাও শাহীন’স ক্লিনিক প্রত্যক্ষ করেছে, তার নিজের ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায়।

অটোইমিউন ডিজিজ আরোগ্য হয় না বলে যিনি দাবি করেছেন- তিনি ডা. আরিফের কাগজগুলো দেখতে পারেন; যিনি নিজেই একজন সচেতন কনভেনশনাল চিকিৎসক। আমি তার কাছে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করি, কারণ তার রেফারে আসা কিছু রোগীর আরোগ্যের ঘটনা দেখে - তিনিই আমাকে সর্বপ্রথম রোগীদের কাগজপত্র যত্নের সাথে সংরক্ষণ করার পরামর্শ প্রদান করেন। তার একই সাথে, ‍SLE (Systemic Lupus Erythematosus) ও Beta Thalassaemia ছিলো।

অটোইমিউন ডিজিজ সম্বন্ধে প্রফেসর ভিথোলকাস তার একটা কেইসের আলোচনার সময় যে কথাটি বলেছিলেন, তা স্মরণে থাকলে দাবিকারীগণ বুঝতে পারতেন যে, “অটোইমিউন রোগ ভালো হয় না দাবি করা, আর হোমিওপ্যাথি কাজ করে না দাবি করা - একই কথা।”

সবচাইতে বড় কথা, হোমিওপ্যাথির প্রোগনোসিস “কী রোগ” তার উপর কোনোদিনও নির্ভর করে না, এটা একান্তভাবে নির্ভর করে রোগীর স্বাস্থ্যের “সার্বিক কী অবস্থা” তার উপর। যারা এই সব দাবি করে বেড়ান- হোমিওপ্যাথির বেসিক কনসেপ্টই আজ পর্যন্ত তাদের আয়ত্ব হয়নি; নাকি, নিজেদের অক্ষমতায় রোগীদের আরোগ্য করতে না পেরে, এবং এলোপ্যাথির চাকচিক্যের প্রতি নিজেদের মনে কোণে থাকা অসীম হীনম্মণ্যতা থেকে তারা এই দাবিগুলো করে বেড়ান- সেটা আমি বলতে পারবো না।

তবে ভুলে যাবেন না, হোমিওপ্যাথির উপর আঘাত এলে, কেউ না কেউ দাঁড়াবেই তাকে প্রতিহত করতে।

সিএএসএইচ-বাংলাদেশ এর ১০ম আন্তর্জাতিক হোমিওপ্যাথি সিম্পোজিয়াম-২০২৬ সফলভাবে  সমাপ্ত হয়েছে...১. আয়োজন:সেন্টার ফর এডভান্স...
16/09/2026

সিএএসএইচ-বাংলাদেশ এর ১০ম আন্তর্জাতিক হোমিওপ্যাথি সিম্পোজিয়াম-২০২৬ সফলভাবে
সমাপ্ত হয়েছে...

১. আয়োজন:
সেন্টার ফর এডভান্সড স্টাডিজ ইন হোমিওপ্যাথি-বাংলাদেশ এর উদ্যোগে ১০ম আন্তর্জাতিক হোমিওপ্যাথি সিম্পোজিয়াম ২০২৬।

২. স্থান ও তারিখ:
গত ১১ ও ১২ই সেপ্টেম্বর, জেলা সরকারি পাবলিক লাইব্রেরি, কক্সবাজার।

৩. সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা:
সভাপতিত্ব করেন ডাক্তার এম এ কাদের
সঞ্চালনায় ছিলেন সদস্য সচিব ডা. আব্দুল মজিদ

৪. প্রধান অতিথি:
কক্সবাজার জেলার এডিসি জেনারেল মো. সাইদুল আলম

৫. বিশেষ অতিথি:
বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শিক্ষা কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম, ডা. রেজাউর রহিম, ডা. মুজিবুল্লাহ মুজিব, ডা. মো. নাদিম, ডা. ফারুক আহমেদ মজুমদার, ডা. শফিকুল ইসলাম স্বপন, ডা. মাহবুব হাফিজ, ভারতের ডা. মো. আব্দুল হামিদ, ডা. মো. আব্দুল হাকিম এবং শ্রীলংকার ডা. মো. ইমতিয়াজ লতিফ।

৬. অংশগ্রহণ:
মোট ১২টি অধিবেশনে দেশ-বিদেশের প্রায় ৩০০ জন চিকিৎসক, গবেষক ও বিশেষজ্ঞ।

৭. সার্বিক সহযোগিতায়:
ম্যাক্সফেয়ার এন্ড কোম্পানী, ভার্টেক্স হোমিও ফার্মাসিউটিক্যাল লিঃ ও ভীপলেড ল্যাবরেটরীজ লিঃ।

৮. আলোচ্য বিষয়:
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা, গবেষণা, আধুনিক প্রয়োগ ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়।

৯. বিশেষ দাবি:
সদস্য সচিব ডা. মো. আব্দুল মজিদ পর্যটন নগরী কক্সবাজারে একটি হোমিওপ্যাথিক কলেজ ও আধুনিক হোমিওপ্যাথিক হাসপাতাল স্থাপনের দাবি জানান।

১০. প্রবন্ধ উপস্থাপক:
ভারত, শ্রীলংকা, পাকিস্তানের স্পীকারগণ সহ বাংলাদেশের ডা. মো. মোসারফ হোসেন, ডা. মো. জাকির হোসেন, ডা. মো. তারেকুজ্জামান সোহেল, ডা. মো. আবুল বাশার, ডা. মো. শফিকুল হাসান, ডা. মো. নাজমুল হাসান জেমসন, ডা. মো. আলতাফ হোসেন, ডা. মো. শাহীন মাহমুদ, ডা. মো. জালাল উদ্দিন, ডা. মো. হাসানুজ্জামান, ডা. আব্দুর রহমান সজীব, ডা. মো. জহিরুল আলম, ডা. মো. মনিরুজ্জামান, ডা. এম এ মঞ্জুর, ডা. হাসানুজ্জামান মুন্না, ডা. এম এ মামুন ভূঁইয়া প্রমুখ।

রোগীর লেভেল অব হেলথ উপরের দিকে (Grade - A) থাকলে, হোমিওপ্যাথি কী বিস্ময়কর দ্রুততায় আরোগ্য করতে পারে আবারও তার প্রমাণ পেল...
15/09/2026

রোগীর লেভেল অব হেলথ উপরের দিকে (Grade - A) থাকলে, হোমিওপ্যাথি কী বিস্ময়কর দ্রুততায় আরোগ্য করতে পারে আবারও তার প্রমাণ পেলাম আজকের এই কেইসটায়। রোগী আমার কাছে এসেছেন ১১/০৮/২০২৬ ইং তারিখে। কেবল তাই নয়, ঔষধ শুরু করার পরেই তার পিরিয়ড রি-এস্টাবলিশড হয়, পরের মাসে স্বাভাবিক নিয়মেই চলছে।

মাত্র ১ মাস ৩ দিনের চিকিৎসার পরে, কোনো রকম এলোপ্যাথিক ঔষধ ছাড়াই তার থায়রয়েড প্রায় নরমাল হয়ে এসেছে, প্রস্রাবের ইনফেকশন চলে গেছে এবং তার উভয় পাশের পলি-সিস্টিক ওভারি সম্পূর্ণরূপে আরোগ্য হয়ে গেছে। রয়ে গেছে মাইনর কিছু সমস্যা যা চিকিৎসার চাইতে লাইফস্টাইলের সাথেই বেশি জড়িত।

Complete Cure of this difficult kind of dermatitis with the Classical Homeopathy ONLY 💥✨🎉
08/09/2026

Complete Cure of this difficult kind of dermatitis with the Classical Homeopathy ONLY 💥✨🎉

শাহীন'স ক্লিনিক  |  শিক্ষামূলক ক্লিনিক্যাল কেস সিরিজক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথিতে কেস গ্রহণ, রেপার্টরাইজেশন ও আরোগ্য:বাস্তব ...
22/08/2026

শাহীন'স ক্লিনিক | শিক্ষামূলক ক্লিনিক্যাল কেস সিরিজ

ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথিতে কেস গ্রহণ, রেপার্টরাইজেশন ও আরোগ্য:
বাস্তব ক্লিনিক্যাল পর্যবেক্ষণ

[Clinical Case Series — Educational Presentation | Shaheen's Clinic]

ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথিতে প্রতিটি রোগী একটি অনন্য সত্তা। রোগটি কী, তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ – রোগীটি কে। শুধু রোগের নাম দিয়ে নয়, রোগীর সম্পূর্ণ মানসিক, আবেগজনিত ও শারীরিক লক্ষণচিত্রের সমষ্টি (Totality of Symptoms) থেকে একটিমাত্র সবচেয়ে উপযুক্ত ওষুধ (Simillimum) খোঁজাই এই পদ্ধতির মূলভিত্তি।

রোগ নির্ণয়: Post-Operative Chronic Non-healing Wound (Sinus Tract) + Chronic Eczema

রোগগুলির পরিচয় ও চিকিৎসাগত প্রেক্ষাপট:
Post-operative Non-healing Wound বা Chronic Wound Sinus হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে অস্ত্রোপচারের পরেও কাটার জায়গা দীর্ঘদিনেও শুকোয় না এবং ভেতরে একাধিক sinus tract তৈরি হয়। Sinogram রিপোর্টে 'Multiple Sinus Tracts without obvious fistulous communication' পাওয়া গেলে এটি একটি গুরুতর Chronic Wound হিসেবে বিবেচিত হয়।

এলোপ্যাথিতে এর চিকিৎসায় দীর্ঘমেয়াদী Broad Spectrum Antibiotics, Wound Debridement, Vacuum-Assisted Closure (VAC therapy), এমনকি Re-exploration surgery পর্যন্ত লাগতে পারে। Wound culture-এ organism না উঠলে বা mixed flora থাকলে antibiotic কার্যকারিতা সীমিত হয়ে যায়। এই রোগীর ক্ষেত্রেও তাই হয়েছিল – Culture/Sensitivity-তে No Growth এসেছে, শুধু Gram positive cocci with pus cells পাওয়া গেছে।

দীর্ঘস্থায়ী Eczema বা Chronic Dermatitis-ও এলোপ্যাথিতে সম্পূর্ণ আরোগ্যের পরিবর্তে নিয়ন্ত্রণের রোগ – Topical steroids, antihistamines ও immunosuppressants দীর্ঘমেয়াদে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তৈরি করে।

রোগীর পরিচয় ও লক্ষণচিত্র:
বয়স: ২২ বছর, মহিলা

প্রধান অভিযোগ: C-Section-এর প্রায় দেড় বছর পরেও wound সম্পূর্ণ শুকোয়নি – পূঁজ ও পানিমিশ্রিত রক্তস্রাব

পূর্ববর্তী চিকিৎসা: যথেষ্ট মাত্রায় এলোপ্যাথিক Antibiotic + ১ বছর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা – কোনো ফল হয়নি

সহগামী সমস্যা: ৫–৬ বছর বয়স থেকে ডান হাতের তালু ও আঙুলে শুষ্ক Eczema; চুলকালে জ্বালাপোড়া

পারিবারিক ইতিহাস: বাবার বাত, শ্বাসকষ্ট, Hypertension; মায়ের বাত, Benign tumour, Hypertension

পূর্বের ইতিহাস: পূর্বে Haemorrhoids – হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় সম্পূর্ণ আরোগ্য

▌ বিশেষ শারীরিক লক্ষণসমূহ:
• Wound থেকে Bloody ও Watery discharge – কিন্তু কোনো ব্যথা নেই (Indolent Ulcer)
• Wound heal হতে চাইছে না (Wounds: Heal, slow)
• ডান হাতের Eczema: শুকনো, চুলকানোর পর জ্বালাপোড়া
• পায়খানা: কষা, শক্ত, পচা ও বোটকা গন্ধযুক্ত (Stool: Hard; Odour: Offensive)
• পিপাসা বেশি; ঠান্ডা পানি পছন্দ
• দুর্বলতা চরম; গরমকাতর

▌ মানসিক ও আচরণগত লক্ষণসমূহ:
• গম্ভীর, রিজার্ভ মানসিকতা; স্বল্পভাষী
• খিটখিটে মেজাজ, অল্পতেই রাগ
• কেউ অসম্মান করলে বা কষ্ট দিলে দীর্ঘদিন মনে রাখেন – ক্ষমা করা কঠিন (Hatred of Persons who offended)
• ভয়: কেবল বজ্রপাতে
• খাদ্য: ঝাল, মিষ্টি, নুনতা, টক, চর্বি পছন্দ

মায়াজমাটিক বিশ্লেষণ ও রেপার্টরাইজেশন:
এই কেসে Miasmatic Analysis অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। পারিবারিক ইতিহাসে বাত, টিউমার, Hypertension এবং রোগীর নিজের পুরনো Haemorrhoids ও Eczema – এগুলো Sycotic ও Syphilitic Miasm-এর শক্তিশালী ইঙ্গিত। Non-healing wound ও sinus tract সাধারণত Syphilitic miasm-এর ক্লিনিক্যাল প্রকাশ।

রেপার্টরাইজেশনে যে রুব্রিকগুলো নেওয়া হয়েছিল:

✦ Skin: Ulcers: Indolent [Sulph-3 / Merc-1 / Nit-ac-2]
✦ Skin: Ulcers: Discharges: Bloody [Sulph-1 / Merc-3 / Nit-ac-2]
✦ Skin: Ulcers: Discharges: Watery [Sulph-1 / Merc-2 / Nit-ac-1]
✦ Generalities: Wounds: Heal, slow [Sulph-3 / Merc-2 / Nit-ac-3]
✦ Mind: Fear: Thunderstorm, of [Sulph-1 / Merc-1 / Nit-ac-1]
✦ Mind: Hatred: Persons, of: Offended him, who have [Sulph-1 / Merc-2 / Nit-ac-1]
✦ Generalities: Food and drinks: Sweets: Desire [Sulph-3 / Merc-1 / Nit-ac-2]
✦ Mind: Morose, sulky, cross, fretful, ill-humour [Sulph-2 / Merc-2 / Nit-ac-1]
✦ Stool: Hard [Sulph-3 / Merc-2 / Nit-ac-3]
✦ Stool: Odour: Offensive [Sulph-3 / Merc-1 / Nit-ac-2]

চূড়ান্ত রেপার্টরাইজেশনে তিনটি ওষুধ প্রায় সমান স্কোরে আসে – Sulphur (21), Mercurius (19), Acid Nitricum (19)। তবে Miasmatic analysis, পাইলসের পূর্বইতিহাস, রোগীর 'Vindictive' মানসিকতা (অসম্মানকারীকে ক্ষমা না করা), non-healing wound ও sinus tract বিবেচনা করে Acid Nitricum-ই চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়।

নির্বাচিত ওষুধ ও পোটেন্সি:
প্রথম প্রেসক্রিপশন: Acid Nitricum 1M / 3 doses – প্রতি ৫ম দিন সকালে + Conciliatory Placebo 15 দিন

চিকিৎসার ক্রম ও ফলাফল:
• পরবর্তী কয়েকটি ফলো-আপে ক্রমান্বয়ে wound থেকে discharge কমতে থাকে
• রোগীর মেজাজ উল্লেখযোগ্যভাবে শান্ত হয়, চেহারায় হাসি ফিরে আসে
• Wound সম্পূর্ণ শুকিয়ে যায়; সামান্য কালো দাগ ব্যতীত আর কোনো সমস্যা নেই
• বছরের পর বছরের Eczema – আলাদা প্রেসক্রিপশন ছাড়াই ক্রমান্বয়ে আরোগ্য হয়

সর্বশেষ প্রেসক্রিপশন:
Acid Nitricum 10M / 3 doses – প্রতি ৭ম দিন সকালে + Placebo 1 মাস

চূড়ান্ত ফলাফল: দেড় বছরের অনারোগ্য post-operative wound সম্পূর্ণ সেরে গেছে। শৈশবকালীন Eczema-ও আরোগ্য। রোগীর মানসিক অবস্থার রূপান্তরও সুস্পষ্ট।

▌ ক্লিনিক্যাল শিক্ষা: এই কেস থেকে যা শেখার -
• Non-healing wound-এর পেছনে প্রায়ই Syphilitic miasm কাজ করে – Acid Nitricum এই miasm-এর গভীর কার্যকর ওষুধ
• রেপার্টরিতে Eczema-র কোনো রুব্রিক না নেওয়া হলেও Simillimum দিয়েই তা আরোগ্য হয়েছে – কারণ রোগ আলাদা নয়, রোগী একজনই
• রিজার্ভ রোগীর ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে সীমিত তথ্য নিয়েই সঠিক প্রেসক্রিপশন সম্ভব – পরে আরও probe করা যায়
• পারিবারিক ইতিহাস ও রোগীর পূর্বের রোগের ইতিহাস Miasm নির্ধারণে অপরিহার্য

উপসংহার:
প্রতিটি রোগীর সম্পূর্ণ লক্ষণচিত্র গ্রহণ করা, সেখান থেকে Miasm বিশ্লেষণ করা, রেপার্টরাইজেশনের সাহায্যে সম্ভাব্য ওষুধ খোঁজা এবং সবশেষে Materia Medica-র সাথে মিলিয়ে একটিমাত্র Simillimum নির্বাচন – এটিই ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথির পথ।

শাহীন'স ক্লিনিক এই পথেই বহু বছর ধরে হেঁটে আসছে। প্রতিটি রোগী এখানে একটি সংখ্যা নয় – একটি অনন্য সত্তা।

❝ ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথি রোগ দেখে না, রোগীকে দেখে। সেই দেখার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে আরোগ্যের পথ। ❞

ডা. শাহীন মাহমুদ
হোমিওপ্যাথিস্ট, জেনারেল প্র্যাকটিশনার
শাহীন'স ক্লিনিক, ময়মনসিংহ রোড, বিশ্বাস বেতকা, টাঙ্গাইল, বাংলাদেশ
যোগাযোগ: ০১৭৪৯১৬৮১১৯

#হোমিওপ্যাথি_চিকিৎসা #ক্লাসিক্যাল_হোমিওপ্যাথি

শাহীন'স ক্লিনিক  |  শিক্ষামূলক ক্লিনিক্যাল কেস সিরিজক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথিতে কেস গ্রহণ, রেপার্টরাইজেশন ও আরোগ্য:বাস্তব ...
15/08/2026

শাহীন'স ক্লিনিক | শিক্ষামূলক ক্লিনিক্যাল কেস সিরিজ

ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথিতে কেস গ্রহণ, রেপার্টরাইজেশন ও আরোগ্য:
বাস্তব ক্লিনিক্যাল পর্যবেক্ষণ
[Clinical Case Series — Educational Presentation | Shaheen's Clinic]

ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথিতে প্রতিটি রোগী একটি অনন্য সত্তা। রোগটি কী, তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ – রোগীটি কে। শুধু রোগের নাম দিয়ে নয়, রোগীর সম্পূর্ণ মানসিক, আবেগজনিত ও শারীরিক লক্ষণচিত্রের সমষ্টি (Totality of Symptoms) থেকে একটিমাত্র সবচেয়ে উপযুক্ত ওষুধ (Simillimum) খোঁজাই এই পদ্ধতির মূলভিত্তি। নিচের দুটি কেস সেই দর্শনেরই বাস্তব প্রমাণ।

রোগ নির্ণয়: Intractable Dysentery (IBS) + Osteoarthritis + Essential Hypertension

রোগগুলির পরিচয় ও চিকিৎসাগত প্রেক্ষাপট:
IBS বা Irritable Bowel Syndrome / Intractable Dysentery হলো এমন একটি দীর্ঘস্থায়ী অন্ত্রের সমস্যা যেখানে পেটে ব্যথা, ঘন ঘন পায়খানা, আমাশয়ের মতো উপসর্গ থাকে কিন্তু কোনো জৈব (organic) রোগ ধরা পড়ে না। এলোপ্যাথিতে এর চিকিৎসা উপসর্গনির্ভর – antispasmodics, antidiarrhoeals, dietary modification ইত্যাদি। সম্পূর্ণ আরোগ্যকারী কোনো চিকিৎসা নেই।

Osteoarthritis বা বার্ধক্যজনিত জয়েন্টের ব্যথায় এলোপ্যাথিতে NSAIDs, COX-2 inhibitors, physiotherapy ও ক্ষেত্রবিশেষে Joint replacement-এর আশ্রয় নিতে হয়। দীর্ঘমেয়াদে এই ওষুধগুলোর কিডনি, পেট ও হৃদযন্ত্রে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া উল্লেখযোগ্য।

Essential Hypertension একটি আজীবন ব্যবস্থাপনার রোগ – ACE inhibitors, ARBs, beta-blockers, diuretics ইত্যাদি দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। ওষুধ বন্ধ করলে BP আবার বাড়ে। কিন্তু এই কেসে ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার পর রোগী নিজেই এলোপ্যাথিক ওষুধ বাদ দিতে সক্ষম হয়েছেন।

রোগীর পরিচয় ও লক্ষণচিত্র:
বয়স: ৭০ বছর, পুরুষ
প্রধান অভিযোগ: ৩–৪ মাস ধরে আমাশয়/IBS + জয়েন্টে ব্যথা
অন্যান্য সমস্যা: হাইপারটেনশন, বুকের বাঁদিকে জ্বালাপোড়া, শ্বাসকষ্ট, হাত-পায়ের তলায় জ্বালাপোড়া, নখ বিকৃতি

▌ বিশেষ শারীরিক লক্ষণসমূহ:

• আমাশয়ের প্রধান বৈশিষ্ট্য: ভোরে ঘুম থেকে উঠতেই পায়খানার বেগ (Early Morning Diarrhoea/Dysentery)
• জয়েন্টের ব্যথা: রাতে বৃদ্ধি পায়, হাঁটলে কমে (Motion Ameliorates)
• হাত ও পায়ের তলায় প্রচণ্ড জ্বালাপোড়া (Burning of Palms and Soles)
• কুঁজো হয়ে হাঁটার স্বভাব (Stoop-shouldered) – বয়সের কারণে নয়, স্বভাবগত
• নখ বিকৃত এবং Felon (নখের গোড়ায় প্রদাহ)

▌ মানসিক ও আচরণগত লক্ষণসমূহ:
• অতীতে চরম খিটখিটে ও মারমুখী; এখনো Domineering, Dictatorial মেজাজ
• বর্তমানে পশুপাখির প্রতি গভীর সহানুভূতি, দুঃখের দৃশ্যে চোখে জল
• লোকসঙ্গ ও কথা বলতে ভালোবাসেন (Loquacity, Desire for Company)
• ভয়: বজ্রপাতে, উঁচু জায়গায়, ব্রিজ পার হতে
• অপরিচ্ছন্নতা ও চেহারায় উদাসীনতা (Dirtiness/Untidiness)

▌ খাদ্যাভ্যাস ও কাতরতা:
• গরমকাতর; ঝাল, মিষ্টি, চর্বি ও হালকা গরম খাবার পছন্দ
• ঘুম অস্থির, পাতলা; অনেক সময় অস্থিরতায় ঘুম আসে না

রেপার্টরাইজেশন বিশ্লেষণ:
রেপার্টরাইজেশনে যে রুব্রিকগুলো নেওয়া হয়েছিল এবং Sulphur-এর স্কোর:

✦ Generalities: Night, nine p.m. to five a.m.: Aggravation [3]
✦ Generalities: Motion: Amelioration [3]
✦ Extremity Pain: Burning: Hand: Palm [3]
✦ Extremity Pain: Burning: Foot: Sole [3]
✦ Generalities: Food and drinks: Spices, condiments: Desire [3]
✦ Mind: Loquacity [1]
✦ Mind: Company: Desire for [1]
✦ Mind: Dirtiness [2]
✦ Back: Stoop shouldered [3]
✦ Re**um: Diarrhoea: Morning: Early [2]
✦ Re**um: Dysentery: Chronic, intractable cases [2]
✦ Mind: Indifference, apathy: Appearance, about [3]

চূড়ান্ত রেপার্টরাইজেশনে Sulphur: Totality 29, Symptoms Covered 12। Phosphorus দ্বিতীয় অবস্থানে। তবে রোগীর Dirtiness, Stoop-shouldered, গরমকাতরতা, হাত-পায়ে জ্বালাপোড়া, সকালে আমাশয় – এগুলো Sulphur-এর বিশেষ keynotes হওয়ায় Sulphur-ই চূড়ান্ত নির্বাচিত হয়।

নির্বাচিত ওষুধ ও পোটেন্সি:
প্রথম প্রেসক্রিপশন: Sulphur 10M / 1 dose + Conciliatory Placebo 15 দিন

চিকিৎসার ক্রম ও ফলাফল:
• প্রথম কয়েকদিন সকল লক্ষণে Aggravation – বিশেষত পুরনো কোমরের ব্যথা প্রচণ্ডভাবে ফিরে আসে (Hering's Law অনুযায়ী – পুরনো লক্ষণের পুনঃপ্রকাশ আরোগ্যের শুভ ইঙ্গিত)
• এরপর দ্রুতগতিতে ক্রমান্বয়ে সকল সমস্যা কমতে শুরু করে
• পরবর্তী ফলো-আপে সকল রিপোর্ট স্বাভাবিক – Placebo চলতে থাকে
• দ্বিতীয় ডোজ Sulphur 10M দেওয়া হয় যখন শ্বাসকষ্ট ও BP হালকা বৃদ্ধি পায়
• তৃতীয় ডোজ: এলোপ্যাথিক BP ওষুধ আবার সেবনের কারণে antidoting-এর আশঙ্কায়

চূড়ান্ত ফলাফল: আমাশয় নেই। বুক জ্বালাপোড়া ও শ্বাসকষ্ট নেই। কোনো এলোপ্যাথিক ওষুধ ছাড়াই BP স্থির ১৩০/৯০ – যা ৭০ বছর বয়সে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক।

▌ ক্লিনিক্যাল শিক্ষা: এই কেস থেকে যা শেখার
• Aggravation followed by amelioration – এটি সঠিক Simillimum নির্বাচনের প্রামাণিক চিহ্ন
• একটিমাত্র ওষুধ একসাথে IBS, Arthritis ও Hypertension-এ কাজ করতে পারে – কারণ রোগ আলাদা নয়, রোগী একজনই
• Sulphur-এ 'Sympathy' স্বল্পপরিচিত হলেও Totality অনুযায়ী নির্বাচনে বাধা নয়
• পুরনো suppressed লক্ষণের পুনঃপ্রকাশ (কোমরের ব্যথা) Hering's Law of Cure-এর জীবন্ত উদাহরণ

চলমান শাহীন’স ক্লিনিকের চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম....💼০৬/০৭/২০২৬ ঈসায়ী
06/07/2026

চলমান শাহীন’স ক্লিনিকের চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম....💼
০৬/০৭/২০২৬ ঈসায়ী

28/06/2026

A recently confirmed clinical symptom of Argentum nitricum from my daily practice:

Re**al pain - stitching type - during sleep

Headache, during sleep

Jerking sensation of the head during sleep

Dr. Shaheen Mahmud
28/06//2026

Send a message to learn more

[ডা. বিরাজ শাহ কর্তৃক নেয়া প্রফেসর জর্জ ভিথোলকাসের ৩ পর্বের ইন্টারভিউটির সম্প্রতি প্রকাশিত ২য় পর্ব। এমন মূল্যবান কথা, অভ...
26/06/2026

[ডা. বিরাজ শাহ কর্তৃক নেয়া প্রফেসর জর্জ ভিথোলকাসের ৩ পর্বের ইন্টারভিউটির সম্প্রতি প্রকাশিত ২য় পর্ব। এমন মূল্যবান কথা, অভিজ্ঞতা ও ডিরেকশন আলোচনাটিতে উঠে এসেছে যে, হোমিওপ্যাথি সংশ্লিষ্ট প্রতিটি ব্যক্তি-সহ সাধারণ মানুষদেরও হোমিওপ্যাথির সত্যিকার রূপটাকে বুঝতে এটা পড়া উচিৎ]

ইন্টারভিউ: What it means to be a healer? [2nd Episode]
অনুবাদ: Dr. Shaheen Mahmud

ডা. বিরাজ শাহ: প্রফেসর জর্জ ভিথোলকাস একজন প্রখ্যাত ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক, যিনি এই শতাব্দীতে ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথি ধারাকে নতুন করে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি হোমিওপ্যাথির একজন অধ্যাপক, একজন শিক্ষক, একজন চিন্তাবিদ ও একজন গবেষক; এক কথায় তাকে বলা যায় শিক্ষকদের শিক্ষক। আমরা আজ ইন্টারন্যাশনাল একাডেমি অব ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথিতে এসেছি তাঁর একটি সাক্ষাৎকার নিতে এবং হোমিওপ্যাথি অঙ্গনে তাঁর পথচলা ও কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে কিছু প্রশ্ন করতে। তো চলুন, প্রফেসরের কাছ থেকে কিছু প্রশ্নের উত্তর জেনে নেওয়া যাক। আপনাকে ধন্যবাদ।

আপনি প্রায়শই আপনার লেখা ‘সায়েন্স অব হোমিওপ্যাথি’ (Science of Homeopathy) বইটির ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিয়ে থাকেন, যা আপনি ১৯৭৮ সালে লিখেছিলেন। বইটির এখন পর্যন্ত ৩৭টি ভাষায় অনুবাদ হয়েছে। আমি আপনার কাছে এই বইটি এবং ‘লেভেলস অব হেলথ’ (Levels of Health) বা স্বাস্থ্যের স্তর বিন্যাস নিয়ে জানতে চাই—স্বাস্থ্যের স্তর নিয়ে অবশ্য পরে কথা বলব—তবে এই ‘সায়েন্স অব হোমিওপ্যাথি’ বইটি এখন পর্যন্ত বহু প্রজন্মের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের পথ দেখিয়েছে। সেই সময়ে কী আপনাকে এই বইটি লিখতে অনুপ্রাণিত করেছিল? আর আপনি কি তখন ভেবেছিলেন যে হোমিওপ্যাথিক সমাজের ওপর এর প্রভাব এতটা দূরপ্রসারী হবে?

প্রফেসর জর্জ ভিথোলকাস: হ্যাঁ, আসলে হয়েছিল কী—১৯৭৬ সালে এথেন্সে ‘ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস অব দ্য লিগা’ অনুষ্ঠিত হয়। সেই কংগ্রেসের পাশাপাশি সময়ে আমি প্রথমবারের মতো একটি ছোট দলকে আমন্ত্রণ জানাই, যেখানে আমি হোমিওপ্যাথির বিজ্ঞান এবং এটি নিয়ে আমার নিজস্ব তত্ত্ব ও চিন্তাভাবনাগুলো শেয়ার করি। মূলত সেই সুযোগেই আমি স্বাস্থ্যের বিভিন্ন স্তর এবং অন্যান্য থিওরিগুলো নিয়ে কথা বলা শুরু করেছিলাম।

ডা. বিরাজ শাহ: কিন্তু যেভাবে এই বইটি পরবর্তী প্রজন্মের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের গড়ে তুলেছে, সেই প্রভাবটাকে আপনি কীভাবে দেখেন? আপনি কি তখন এমন কিছু অনুমান করতে পেরেছিলেন?

প্রফেসর জর্জ ভিথোলকাস: প্রভাবের কথা যদি বলেন, আমি ঠিক জানি না। এটা আসলে আমার ব্যক্তিত্বের একটা বৈশিষ্ট্য বা স্বভাব বলতে পারেন। আমার স্বভাবটা এমন যে, যখন যা করার দরকার তা করে ফেলি, কিন্তু পরে আর সেটা নিয়ে মেতে থাকি না, ভুলে যাই। আমি ওটার পেছনে লেগে থাকি না, কারণ আমার মনে হয় সামনে আরও নতুন চ্যালেঞ্জ আছে এবং নতুন চ্যালেঞ্জগুলোর মুখোমুখি হওয়ার জন্য আমাকে আমার পুরো শক্তি ও মনোযোগ সেখানে দিতে হবে। তাই বইটির প্রভাব কতটা ছিল তা নিয়ে আমি ওভাবে সচেতন ছিলাম না; যদিও এটি আমেরিকার একটি বড় প্রকাশনা সংস্থাসহ বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশিত হয়েছিল। আমার কখনো মনে হয়নি যে আমি খুব বড় কিছু করে ফেলেছি, কারণ একবার বইটা লেখা শেষ হয়ে যাওয়ার পর আমার কাছে সেই অধ্যায় ওখানেই শেষ।

ডা. বিরাজ শাহ: ঠিক আছে, ধন্যবাদ। সেই বইটিতে আপনি ‘সাসেক্টিবিলিটি’ (Susceptibility) বা রোগপ্রবণতা নিয়ে কথা বলেছেন। আপনি বলেছেন যে, যেখানে রোগপ্রবণতা থাকে সেখানেই রোগ নিজেকে প্রকাশ করে। আপনার কি মনে হয় রোগপ্রবণতা সম্পূর্ণ একটি জৈবিক (biological) বিষয়?

প্রফেসর জর্জ ভিথোলকাস: হ্যাঁ, একেবারেই। এটি পুরোপুরি একটি জৈবিক বিষয় এবং এটি পুরো অর্গানিজম বা শরীরের ভেতরের এমন এক অবস্থা যা বংশগত বা জন্মগত প্রবণতা (hereditary predisposition) দ্বারা নির্ধারিত হয়। এরপর আমাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার ওপর যে ধকল বা চাপ যায়, তার ওপর ভিত্তি করে এটি শরীরে নতুন নতুন রোগপ্রবণতা তৈরি করে। শরীরে যত বেশি ধকল যাবে, আগে থেকে থাকা জন্মগত রোগপ্রবণতাগুলো তত বেশি জটিল ও মারাত্মক রোগ হিসেবে প্রকাশ পাবে।

ডা. বিরাজ শাহ: আপনি আপনার বইতে এবং আপনার শিক্ষাদানে কেস টেকিং (Case taking) বা রোগী লিপিকরণের গুরুত্ব নিয়ে অনেক কথা বলেছেন। আপনি বলেছেন যে, হোমিওপ্যাথদের কোনো শর্টকাট বা সংক্ষিপ্ত উপায়ের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়, বরং পুরো কেসটি বিস্তারিতভাবে নেওয়া উচিত—যা আপনি নিজেও আপনার অসংখ্য রোগীর ক্ষেত্রে করে এসেছেন। ‘সায়েন্স অব হোমিওপ্যাথি’ বইতেও আপনি জোর দিয়ে বলেছেন যে কেস টেকিং একটি শিল্প এবং একটি প্রক্রিয়া। তো একজন রোগীকে সঠিকভাবে বোঝার জন্য বা ভালো কেস টেকার হওয়ার জন্য বইয়ের জ্ঞানের পাশাপাশি একজন হোমিওপ্যাথের আর কী কী গুণ থাকা দরকার?

প্রফেসর জর্জ ভিথোলকাস: হ্যাঁ, আমি বুঝতে পেরেছি। আচ্ছা, সবচেয়ে প্রধান বিষয় হলো—একজন হোমিওপ্যাথকে, বিশেষ করে, একদম ‘খালি মন’ নিয়ে (পূর্বধারণা ছাড়া) রোগীর কথা শোনা শিখতে হবে। হোমিওপ্যাথির জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক বিষয় হলো কোনো পূর্বধারণা বা সংস্কার নিয়ে বসে থাকা। যেমন—আপনি রোগীকে একটা নড়াচড়া করতে দেখলেন বা একটা নির্দিষ্ট ভঙ্গিতে বসতে দেখলেন, আর সাথে সাথে আপনার মাথায় কিছু ওষুধের নাম চলে এলো—এভাবে ভাবাটা একটি ভালো কেস টেকিংয়ের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। একটি ভালো কেস টেকিংয়ের মানে হলো, চিকিৎসক নিজেকে পুরোপুরি শান্ত করবেন এবং রোগী কী বোঝাতে বা প্রকাশ করতে চাচ্ছেন - তা কোনো রকম পক্ষপাত ছাড়া মনোযোগ দিয়ে শুনবেন এবং উপলব্ধি করবেন। আমি মনে করি, এই গুণটি অর্জন করা বেশ কঠিন।

আমি এর ওপর যতটা সম্ভব জোর দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আমার মনে আছে, আমি যখন আমেরিকায় ছিলাম, তখন নিউরো-লিঙ্গুইস্টিকস নিয়ে কাজ করা একটি দল একটি কেস স্টাডি করার সিদ্ধান্ত নেয়। তারা দেখতে চেয়েছিল রোগী দেখার সময় চিকিৎসকের ব্রেনের অবস্থা কেমন থাকে। তারা ব্রেন রিডিংয়ের সব যন্ত্রপাতি ফিট করল এবং আমি একটি কেস নিলাম। পরে আশেপাশে থাকা শিক্ষার্থীরা যখন জানতে চাইল যে আমার ব্রেনে কী ঘটছিল বা ব্রেন কীভাবে কাজ করছিল, তখন তারা (গবেষকরা) হেসে বলল, "উনার তো কোনো ব্রেনই নেই!" তারা কেন এমন বলল? কারণ রোগী দেখার সময় আমার মন এতটাই শান্ত ও নীরব ছিল যে ব্রেনে কোনো অতিরিক্ত আলোড়ন বা চিন্তা তৈরিই হয়নি। এই ঘটনাটি আমার আগের বিশ্বাসকেই প্রমাণ করেছিল—রোগীর কষ্ট বা সমস্যার কথা কোনো রকম পূর্বধারণা বা পক্ষপাত ছাড়া শুনতে হবে।

ডা. বিরাজ শাহ: আচ্ছা, আপনি বললেন যে কনফারেন্সে আপনি বইটির পাশাপাশি ‘লেভেলস অব হেলথ’ বা স্বাস্থ্যের স্তরের ধারণাটি দিয়েছিলেন। কিন্তু স্বাস্থ্যের স্তরের এই মডেলটি তৈরি করার পেছনে আপনার কোন ক্লিনিক্যাল জটিলতা বা হতাশা কাজ করেছিল?

প্রফেসর জর্জ ভিথোলকাস: ওষুধ দেওয়ার পর রোগীরা যেভাবে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছিল, তা আমার মনে একটা কৌতূহল তৈরি করে। আমি দেখতাম একেকজন রোগী একেক রকম প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে। কেস নেওয়ার সময় আমার উদ্দেশ্যই থাকত রোগীকে শান্ত করা, যাতে সে তার ভেতরের অনুভূতিগুলো স্পষ্ট করে বলতে পারে। কিন্তু রোগী যা প্রকাশ করত, তা সবসময় কোনো একটি নির্দিষ্ট ওষুধের স্পষ্ট চিত্র ফুটিয়ে তুলত না। দেখা যেত আমি একটি ওষুধের চিত্র পাচ্ছি, কিন্তু পাশাপাশি এমন কিছু লক্ষণও রয়ে যাচ্ছে যা হয়তো পরবর্তীতে চিকিৎসা করতে হবে।

এই পর্যবেক্ষণ থেকেই আমার মনে হলো স্বাস্থ্যের একটা ধারাবাহিক স্তর বা ধাপ রয়েছে। স্বাস্থ্যকে আমি স্থির কিছু হিসেবে দেখতে পাইনি। আমার কাছে মনে হতো রোগীর অবস্থা যেন একটা রশির ওপর দিয়ে হেঁটে যাওয়ার মতো, যেখানে প্রতি মুহূর্তে ভারসাম্য বজায় রাখতে হয় এবং যেকোনো সময় পড়ে যাওয়ার ভয় থাকে। আমি এমন রোগীও দেখেছি যাদের চিকিৎসা করা হয়েছে এবং তারা যখন ফলো-আপে এসেছে, তাদের সঠিক ওষুধই দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তার মধ্যেই আমি এমন কিছু নির্দেশক লক্ষণ দেখতে পেতাম যা তার আগের স্বাস্থ্য অবস্থাকে ধরে রেখেছিল। এই সমস্ত পর্যবেক্ষণ এবং অভিজ্ঞতা থেকেই আমার মাথায় স্বাস্থ্যের স্তর বিন্যাসের (Levels of Health) ধারণাটি আসে।

ডা. বিরাজ শাহ: আপনি আপনার ‘লেভেলস অব হেলথ’ বইতে জ্বর এবং বিশেষ করে ইনফ্লামেশন বা প্রদাহের প্রক্রিয়া নিয়ে অনেক কথা বলেছেন। আমরা তো বলতেই পারি যে জ্বর আসলে আমাদের জন্য এক ধরণের আশীর্বাদ। কিন্তু যেসব রোগী বা ডাক্তার জ্বরকে ভয় পান, আমরা তাদের কীভাবে সচেতন করতে পারি?

প্রফেসর জর্জ ভিথোলকাস: জ্বর এমন এক আশীর্বাদ যা মানুষকে মেরেও ফেলতে পারে—এটাও পরিষ্কার থাকা ভালো! হ্যাঁ।

ডা. বিরাজ শাহ: কিন্তু যারা জ্বরকে ভয় পান, সেই রোগী আর ডাক্তারদের আমরা কীভাবে বোঝাব?

প্রফেসর জর্জ ভিথোলকাস: যাদের চিকিৎসার সাথে কোনো যোগাযোগ নেই, সাধারণ মানুষের কাছে জ্বর আসলেই একটা ভীতিকর বিষয়। তবে একজন ভালো শিশু বিশেষজ্ঞ বা একজন ভালো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ বুঝবেন কোন জ্বরটা মারাত্মক এবং সেটির বিশেষ যত্ন দরকার, আর কোন জ্বরটা শরীরের ভেতরটা পরিষ্কার করে রোগমুক্ত হতে সাহায্য করছে। আমি জ্বরের এই গুরুত্বটা বুঝতে পেরেছিলাম। বাবা-মায়েরা যে জ্বর আসার সাথে সাথেই তা ওষুধ দিয়ে থামিয়ে দেন এবং জ্বরটাকে তার নিজের গতিতে বাড়তে দেন না, এটি যে কতটা ভুল তা আমি উপলব্ধি করেছি। এই সব কিছুই আসলে অসংখ্য রোগী দেখা, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা এবং মনের ভেতর আসা নানা চিন্তাভাবনাকে গুছিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়েছে।

আমার মনে হয়েছিল হোমিওপ্যাথি একটি সম্পূর্ণ চিকিৎসা ব্যবস্থা, যা প্রচলিত চিকিৎসার চেয়ে আলাদা এবং এই নিরাময় পদ্ধতির নিজস্ব কিছু নিয়ম আমাদের খুঁজে বের করতে হবে, যাতে নতুন প্রজন্মের কাছে তা একদম নিখুঁতভাবে পৌঁছে দেওয়া যায়। অবশ্যই আমাদের এখনো অনেক প্রশ্ন আছে, অনেক অসুবিধা আছে—এতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু তাও আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। অন্তত আমি চেষ্টা করছি, যদিও আমি শারীরিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়ছি, তাও আরও বই পড়ার এবং আরও নতুন কিছু জানার কৌতূহল আমার এখনো আছে।

ডা. বিরাজ শাহ: আপনি ‘সায়েন্স অব হোমিওপ্যাথি’ বইতে পোটেনটাইজেশন (Potentization) বা ওষুধের শক্তিকরণ এবং ওষুধ প্রস্তুত প্রণালী নিয়ে লিখেছেন। আজ কোয়ান্টাম ফিজিক্স এবং বায়োফিল্ড গবেষণার সাহায্যে আপনি একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছেন, যেখানে হোমিওপ্যাথিক উচ্চ শক্তিকৃত তরলে ওষুধের সূক্ষ্ম অস্তিত্বের প্রমাণ দেখানো হয়েছে। এই গবেষণাটি সম্পর্কে কিছু বলবেন কি?

প্রফেসর জর্জ ভিথোলকাস: হ্যাঁ। আমার কাছে সবচেয়ে চমৎকার লেগেছিল যে, আমরা যেসব প্রযুক্তি বা ডিভাইস ব্যবহার করেছিলাম, সেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটারের পর্দায় ওষুধের সেই 'ছাপ' বা চিহ্নটি খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয়েছিল। এটা ছিল একটা দারুণ আবিষ্কার! কারণ হোমিওপ্যাথির বিরোধিতাকারীরা সবসময় এই বলেই আক্রমণ করত যে, ওষুধটিকে এতটাই পাতলা বা ডাইলুট করা হয় যে সেখানে মূল উপাদানের আর কিছুই থাকে না। কিন্তু সাব-অ্যাটমিক বা উপ-পরমাণু স্তরে গিয়ে যখন আমরা অতি ক্ষুদ্র কণাগুলোর কথা চিন্তা করি, তখনই কেবল হোমিওপ্যাথিক ওষুধের কার্যকারিতা ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়—আর আমরা স্ক্রিনে সেই অস্তিত্বের ছাপ দেখাতে পেরেছি। হোমিওপ্যাথিক ওষুধ হলো একটি অদৃশ্য কিন্তু অত্যন্ত শক্তিশালী জিনিস।

ডা. বিরাজ শাহ: কিন্তু একজন সাধারণ মানুষের কাছে এটা অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে যে, কোনো জিনিসে মূল উপাদানের বস্তুগত অস্তিত্ব না থাকার পরও তা কীভাবে কাজ করে। কেউ যদি জিজ্ঞেস করে, "যেখানে কিছুই নেই, সেটা কীভাবে কাজ করবে?"—তবে আপনি তাকে কী বলবেন?

প্রফেসর জর্জ ভিথোলকাস: হ্যাঁ, আমি এই কথাটা জানি এবং যখনই তারা এই যুক্তি দেয়, আমি বেশ বিরক্ত হই। আমি তাদের বলি—"আসুন, আমি আপনার চিকিৎসা করি। তারপর আপনি কেমন বোধ করছেন তা নিজেই দেখে নিন এবং বুঝুন যে এই শক্তিকৃত ওষুধ কী করতে পারে।" কিন্তু এখন যেহেতু আমাদের কাছে প্রমাণ আছে, আমরা স্ক্রিনে এটা দেখাতে পারছি এবং এটি একটি বৈজ্ঞানিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে—তাই 'কিছুই নেই' এমন বলার কোনো সুযোগ নেই। এটা এমন এক অস্তিত্ব যা যুগ যুগ ধরে ছিল। প্রাচীনকালের সংবেদনশীল বা সূক্ষ্ম অনুভূতিসম্পন্ন মানুষরাও এটি উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন।

ডা. বিরাজ শাহ: আপনি পেপারটি নিয়ে বললেন এবং খুব সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দিলেন যে এই শক্তি একদম শুরু থেকেই ছিল। কিন্তু আপনার কী মনে হয়, মূলধারার বিজ্ঞান বা সমাজ এটিকে গ্রহণ করতে এত সময় নিচ্ছে কেন?

প্রফেসর জর্জ ভিথোলকাস: সময় নিচ্ছে কারণ নতুন যেকোনো ধারণার ক্ষেত্রেই এমনটা ঘটে; নতুন চিন্তাভাবনাকে মানুষ খুব ধীরে গ্রহণ করে। প্রথমে মানুষ উদাসীন থাকে, তারপর তারা এটাকে প্রত্যাখ্যান করে, এরপর এটা নিয়ে লড়াই বা বিরোধিতা করে এবং সবশেষে তারা মেনে নেয়। প্রতিটি নতুন আইডিয়াকেই এই চক্রের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। হোমিওপ্যাথির ক্ষেত্রেও দীর্ঘ সময় লাগছে, তবে একই সাথে এটাও সত্য যে, আমি যখন ১৯৬০ সালে প্র্যাকটিস শুরু করেছিলাম, তখনকার চেয়ে এখন বিশ্বজুড়ে অনেক বেশি মানুষ হোমিওপ্যাথি ব্যবহার করছেন। ১৯৬০ সালের দিকে সারা বিশ্বে হাতেগোনা কিছু মানুষ নিম্ন শক্তি (low potency) ব্যবহার করতেন, আর আজ সারা বিশ্বে উচ্চ শক্তির ওষুধ ব্যবহার হচ্ছে এবং এর অভাবনীয় নিরাময়ের প্রমাণ মূলধারার মেডিকেল জার্নালগুলোতেও প্রকাশিত হচ্ছে।

ডা. বিরাজ শাহ: আপনি কি বিশ্বাস করেন যে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বিজ্ঞানীরা এই পেপারটিকে ভিত্তি ধরে এই ক্ষেত্রে আরও গবেষণার দিকে এগিয়ে যাবেন? আপনি তাদের কীভাবে উৎসাহিত করবেন?

প্রফেসর জর্জ ভিথোলকাস: আমি বিশ্বাস করি তারা এটা করবে। তবে ঠিক কীভাবে করবে বা কোন বিজ্ঞান এই দায়িত্ব নেবে তা আমি বলতে পারছি না। তবে নিশ্চিতভাবেই মানুষের শরীরের এনার্জি লেভেল বা শক্তি স্তরের ওপর ভিত্তি করেই আগামীদিনের এই অনুসন্ধানগুলো এগিয়ে যাবে।

ডা. বিরাজ শাহ: ঠিক আছে, এবার আমরা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যাব, যা হলো—‘কন্টিনিউয়াম অব ইউনিফাইড থিওরি অব ডিজিজেস’ (Continuum of Unified Theory of Diseases)। কোন মূল ক্লিনিক্যাল পর্যবেক্ষণ আপনাকে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সাহায্য করেছিল যে, রোগের মধ্যে এক ধরণের ধারাবাহিকতা বা যোগসূত্র রয়েছে?

প্রফেসর জর্জ ভিথোলকাস: আসলে অনেক সময় রোগীরা নিজেরাই এই কথা উল্লেখ করত যখন আমি তাদের জিজ্ঞেস করতাম। দেখা যেত তাদের অনেক লক্ষণ বা কষ্ট শুরু হয়েছিল কোনো একটি দুর্ঘটনার পর, অথবা কোনো বিষাক্ত কিছু খাওয়ার পর, কিংবা তীব্র জ্বর আসার পর যখন সেটাকে সাপ্রেস বা জোর করে থামিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আবার অনেকের ক্ষেত্রে সিফিলিস বা গনোরিয়ার মতো ইনফেকশনের পর থেকেই স্বাস্থ্যের অবনতি হয়েছিল এবং সেই ইনফেকশনের দিন থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত তার প্রভাব শরীরে রয়ে গেছে। তবে সময়ের সাথে সাথে লক্ষণগুলো রূপ বদলায়; শুরুতে যে লক্ষণ ছিল, কয়েক বছর পর তা অন্য কোনো জটিল লক্ষণে রূপ নেয়।

এই সমস্ত বিষয়ই আমাকে এই সিদ্ধান্তে এনেছে যে, মানুষের জীবনে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত ঘটনার দ্বারাই ক্রনিক বা দীর্ঘমেয়াদী রোগগুলো জেগে ওঠে বা ট্রিগার হয়। এবং এই রোগের প্রভাব বছরের পর বছর শরীরে থেকে যায়, যতক্ষণ না তারা এমন একজন হোমিওপ্যাথের কাছে আসে যিনি রোগীর অতীতের ইতিহাস জানতে আগ্রহী এবং কেন এখন এই প্যাথলজি বা রোগ তৈরি হলো তা নিয়ে ভাবেন। আমাদের চিকিৎসাব্যবস্থায় এই দিকটিকে ওভাবে মূল্যায়ন করা হয় না। প্রচলিত চিকিৎসায় তারা বর্তমানে যা দেখছে, সেই রোগ বা প্যাথলজির শেষ ফলাফলটুকুর ওপর আক্রমণ করে। কিন্তু আমার দৃষ্টিতে রোগ একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া, যা শুরু হয় কোনো মানসিক বা শারীরিক ট্রমা (আঘাত) থেকে, অথবা শরীরের ওপর অতিরিক্ত কেমিক্যাল ড্রাগের অপব্যবহার থেকে—যা আজকালকার তরুণরা একটু ‘হাই’ হওয়ার জন্য বা আনন্দের জন্য ব্যবহার করছে। এটা আসলে একটা টাইম বোমার মতো যা বিস্ফোরণের অপেক্ষায় আছে; কারণ এর ফলে মানুষের স্বাস্থ্য নষ্ট হবে, মানুষ মানসিক ভারসাম্য হারাবে এবং সমাজে একটা ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হবে।

ডা. বিরাজ শাহ: এই থিওরি অনুযায়ী, শৈশবে যদি কোনো তীব্র বা একিউট (acute) রোগকে সাপ্রেস বা চাপা দেওয়া হয়, তবে পরবর্তী জীবনে ক্রনিক বা বিধ্বংসী (degenerative) রোগ তৈরি হতে পারে। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে কোন প্যাটার্ন বা উদাহরণের মাধ্যমে এটি সবচেয়ে পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়? একজন হোমিওপ্যাথ কীভাবে বুঝবেন যে এই পয়েন্টেই রোগটি চাপা পড়েছিল এবং এটাই ক্রনিক রোগের কারণ?

প্রফেসর জর্জ ভিথোলকাস: আমার মনে হয় না সাধারণ রোগী এটা পুরোপুরি বুঝতে পারে। রোগী বিভিন্ন কারণে কষ্ট পায় এবং সেই কষ্ট তার ডিফেন্স মেকানিজম বা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার ওপর একটা দাগ বা ক্ষত রেখে যায়। পরবর্তীতে যখন দ্বিতীয় বা তৃতীয় কোনো ট্রমা আসে, তখন পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে। এভাবেই পিতামাতার কাছ থেকে পাওয়া জন্মগত রোগপ্রবণতা এবং পরবর্তীতে নিজের জীবনের এপিজেনেটিক্স বা পারিপার্শ্বিক অভিজ্ঞতার সংমিশ্রণে একটি জটিল প্যাথলজি তৈরি হয়।

ডা. বিরাজ শাহ: আমি জানতে চাচ্ছিলাম, এই থিওরি ওষুধ নির্বাচন, কেস ম্যানেজমেন্ট বা রোগের পূর্বাভাস (prognosis) দেওয়ার ক্ষেত্রে কীভাবে সাহায্য করে?

প্রফেসর জর্জ ভিথোলকাস: এই থিওরি খুব সহজভাবে ব্যাখ্যা করে যে, কেন একজন রোগীর সুস্থ হতে ৫ বছর সময় লাগে আর অন্য একজন রোগী মাত্র ১ মাসেই ভালো হয়ে যায়। যার শরীরে একাধিক ট্রমা বা আঘাতের ইতিহাস আছে, তার শরীরের গভীরের স্তরগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সেই অর্গানিজমকে আবার সুস্থ ও ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সময় লাগবেই। বর্তমানের রোগটি যে অতীতের সমস্ত ঘটনারই একটা ফলাফল—তা বোঝার জন্যই এই থিওরির উপযোগিতা।

ডা. বিরাজ শাহ: আপনি যখন এই তত্ত্বটি সামনে এনেছিলেন, তখন নিশ্চয়ই অনেক ভালো মন্তব্যের পাশাপাশি কিছু সমালোচনাও পেয়েছিলেন। এত বছর পর এখন সেই সমালোচনাগুলোকে আপনি কীভাবে দেখেন?

প্রফেসর জর্জ ভিথোলকাস: আমি বিষয়টিকে খুব ইতিবাচকভাবেই নিই, কারণ আমি আসলে সমালোচনাগুলোতে খুব একটা কান দিই না! যদি কোনো মানুষ সিরিয়াস বা আন্তরিক হন, তবে তিনি আমাদের কথাগুলো গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করবেন। আর এমন একজন সিরিয়াস মানুষ যিনি সততার সাথে অনুসন্ধান করেন, তিনি সবসময়ই স্বাগত; কারণ গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমেই নতুন উন্নতি ও ভালো কিছু করা সম্ভব হয়।

ডা. বিরাজ শাহ: আপনি এই থিওরিতে শৈশব থেকে শুরু করে চিকিৎসকের কাছে আসা পর্যন্ত সময়ের একটি যোগসূত্র দেখিয়েছেন। কিন্তু আপনি সুস্থ সন্তান জন্মদানের বিষয়েও একটি ধারণা দিয়েছেন, যাকে আপনি কখনো কখনো "চিলড্রেন অব লাভ" বা ভালোবাসার সন্তান বলেন। প্যারেন্টিং বা সন্তান লালন-পালন এবং এই সুন্দর চিন্তাটি আপনার মাথায় কীভাবে এলো, তা নিয়ে যদি সংক্ষেপে কিছু বলতেন?

প্রফেসর জর্জ ভিথোলকাস: দেখুন, এই চিন্তাটা আমার মাথায় আসার কারণ হলো আমি সাধারণত পুরো পরিবারের চিকিৎসা করতাম। প্রথমে পরিবারের একজন আসত, উপকার পেয়ে পরে পুরো পরিবারকে নিয়ে আসত। এর ফলে আমি একই বাবা-মায়ের বিভিন্ন সন্তানের স্বাস্থ্যের অবস্থা খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছিলাম। আমি জানতে চাইতাম কেন একই পরিবারের একটি সন্তান এত শান্ত, সুস্থ ও ভারসাম্যপূর্ণ, আর অন্যটি একদম দুষ্টু বা অসুস্থ প্রকৃতির। আমি যখনই এটি নিয়ে অনুসন্ধান করতাম, তখন বাবা-মায়েরাই আমাকে জানাতেন যে—যে সন্তানটি বেশি সুস্থ ও শান্ত, তার গর্ভধারণের সময়কার পারিবারিক পরিস্থিতি ও মানসিক অবস্থা অন্য অসুস্থ সন্তানটির সময়ের চেয়ে অনেক ভালো এবং শান্তিপূর্ণ ছিল।

বাবা-মায়ের পারস্পরিক ভালোবাসা যে সন্তানের ওপর কতটা গভীর প্রভাব ফেলে, তা আমি এই কঠিন পৃথিবীতে শিশুদের আসার ধরণ দেখে উপলব্ধি করেছি। আমার কাছে মানুষের অবয়ব বা স্বভাবের মধ্যে একটা ছন্দ বা হার্মনি থাকে, আর যখনই আমি এই সুন্দর ভারসাম্য দেখতে পাই, আমি তাদের জিজ্ঞেস করি, "আপনাদের কি মনে আছে তখন আপনাদের মানসিক অবস্থা কেমন ছিল?" তারা বলতেন যে তারা তখন একে অপরের গভীর ভালোবাসার মধ্যে ছিলেন। অন্যদিকে, যেসব শিশু নানা সমস্যা নিয়ে জন্মায়, তাদের পেছনের ইতিহাস ঘেঁটে আমি দেখেছি যে সেই সময়ে বাবা-মায়ের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ বা অশান্তি চলছিল।

ডা. বিরাজ শাহ: আপনি আপনার জীবনে শত শত, হাজার হাজার কেস দেখেছেন। এখনো কি আপনি মানুষকে দেখে বা এই নিরাময় প্রক্রিয়া দেখে বিস্মিত হন?

প্রফেসর জর্জ ভিথোলকাস: দেখুন, মাঝে মাঝে—আসলে মাঝে মাঝে না, বহুবার আমি বলব—ওষুধের কার্যকারিতা এতটাই চমৎকার হয় যে এটিকে অলৌকিক বা মিরাকল মনে হয়। আর মিরাকল সবসময়ই আপনাকে একটা দারুণ আনন্দ ও স্বস্তি দেয়। বিস্মিত হওয়া বলতে আমি এই আনন্দঘন অনুভূতিটাকেই বুঝি, যখন দেখি একজন অসুস্থ মানুষ সুস্থ হয়ে আবার জীবনে ভারসাম্য ফিরে পেয়েছে। তখন তারা চিকিৎসকের প্রতি যে ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, তা আসলে একটি ভালোবাসার সমাজ তৈরি করে—ঘৃণার সমাজ নয়।

ডা. বিরাজ শাহ: এই সাক্ষাৎকারটি দেখার জন্য আপনাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ এবং আমাদের এত সুন্দর একটি সাক্ষাৎকার দেওয়ার জন্য আমরা প্রফেসর জর্জ ভিথোলকাসের প্রতি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথির ক্ষেত্রে তিনি এক অনন্য অনুপ্রেরণার নাম। আমরা তাঁর কাজের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। আশাকরি নতুন প্রজন্ম তাঁর আদর্শ ও শিক্ষা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথির ច ক্ষেত্রে একেকজন সফল চিকিৎসক হিসেবে গড়ে উঠবেন। আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং ভিডিওটি উপভোগ করার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। আশা করি খুব শীঘ্রই প্রফেসর জর্জ ভিথোলকাসের সাথে নতুন কোনো সাক্ষাৎকারে আমাদের আবার দেখা হবে। ধন্যবাদ।

Address

Mymensingh Road, Biswas Betka, Tangail Sadar, Tangail
Tangail
1900

Opening Hours

Monday 10:00 - 15:00
Tuesday 10:00 - 15:00
Wednesday 10:00 - 05:00
Thursday 10:00 - 15:00
Friday 10:00 - 15:00
Saturday 10:00 - 15:00
Sunday 10:00 - 15:00

Telephone

01734077111

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shaheen's Clinic posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Shaheen's Clinic:

Shortcuts

Share