Dr. Md. Abde Hannan

Dr. Md. Abde Hannan Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Md. Abde Hannan, Medical and health, Thakurgaon.

ডা: মো:আবদে হান্নান।
MBBS
মেডিসিন, শিশু,গাইনী ও প্রসূতি,চর্ম ও যৌন, চোখ ও নাক-কান-গলা।
Medical Officer বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বোর্ড।
Online সিরিয়াল এর জন্য:
👉 +880 1795-573451
সময়:সকাল ৯-রাত ১০ টা
Doctime app লিংক https://doctime.com.bd/doctors/DT7895

31/05/2026

উচ্চ রক্তচাপ একটি 'সাইলেন্ট কিলার'। নিয়মিত ওষুধ সেবন করুন এবং প্রেসার স্বাভাবিক থাকলেও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বন্ধ করবেন না। সুস্থ হার্ট দীর্ঘ জীবনের চাবিকাঠি।



​ #উচ্চরক্তচাপ #স্বাস্থ্যসচেতনতা #চিকিৎসা #সুস্থথাকুন

25/05/2026

প্রেসারের ওষুধ কি আজীবন খেতে হয়? কখন খাবেন আর কখন এড়িয়ে চলবেন? 💊🩺
​উচ্চ রক্তচাপ একটি 'সাইলেন্ট কিলার'। এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা মানেই হলো হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমিয়ে আনা। প্রেসারের ওষুধ খাওয়ার ক্ষেত্রে এই ভুলগুলো করবেন না:
​✅ কখন খাবেন:
​প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে ওষুধ খান (সকালে বা রাতে, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী)।
​প্রেসার মেপে স্বাভাবিক এলেও ওষুধ বন্ধ করবেন না; কারণ ওষুধ খাচ্ছেন বলেই আপনার প্রেসার স্বাভাবিক আছে।
​শারীরিকভাবে সুস্থ বোধ করলেও নিয়মিত ওষুধ চালিয়ে যান।
​❌ কখন সতর্ক হবেন বা খাবেন না:
​যদি প্রেসার অস্বাভাবিক কমে যায় (নিম্ন রক্তচাপ বা Hypotension) এবং মাথা ঘোরা, চোখে অন্ধকার দেখা বা দুর্বলতা লাগে।
​ওষুধ খাওয়ার পর যদি শরীরে র‍্যাশ বা বড় কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।
​নিজে নিজে কখনো ওষুধের ডোজ পরিবর্তন করবেন না বা বন্ধ করবেন না।
​সঠিক নিয়মে ওষুধ সেবন করুন, সুস্থ হার্ট নিশ্চিত করুন। ❤️✨

​ #উচ্চ_রক্তচাপ #স্বাস্থ্যসচেতনতা #চিকিৎসা_বিজ্ঞান #প্রেসারের_ওষুধ #সুস্থ_থাকুন #স্বাস্থ্যটিপস #মেডিকেল_নোটস #সচেতনতা #জীবনযাত্রা #হার্ট_কেয়ার

22/05/2026

জ্বর কোনো রোগ নয়, বরং রোগের উপসর্গ। জ্বর হলে আতঙ্কিত না হয়ে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন এবং বেশি করে তরল খাবার ও পানি পান করুন। তিন দিনের বেশি জ্বর থাকলে বা তীব্রতা বাড়লে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।



​ #জ্বর #স্বাস্থ্যসচেতনতা #সুস্থতা #চিকিৎসা

20/05/2026

হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটার অভ্যাস করুন। নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম আপনাকে মানসিকভাবেও প্রফুল্ল রাখবে।



​ #হাঁটারউপকারিতা #ব্যায়াম #স্বাস্থ্যটিপস

18/05/2026

আয়রন ক্যাপসুল কি সব সমস্যার সমাধান? 🩸💊
​অনেকেই মনে করেন রক্তশূন্যতা বা হিমোগ্লোবিন কম থাকা মানেই আয়রন ট্যাবলেট খেতে হবে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন! রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া অনেক কারণে হতে পারে:
​ভিটামিনের অভাব: ভিটামিন বি-১২ বা ফলিক অ্যাসিডের অভাবেও রক্তশূন্যতা হয়।
​থ্যালাসেমিয়া: এটি একটি জন্মগত সমস্যা যেখানে আয়রন খেলে উল্টো ক্ষতি হতে পারে।
​দীর্ঘমেয়াদী রোগ: কিডনি বা লিভারের জটিলতায় রক্ত উৎপাদন কমে যেতে পারে।
​অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ: অভ্যন্তরীণ কোনো সমস্যার কারণেও এটি হতে পারে।
​তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এবং সঠিক কারণ না জেনে আয়রন ওষুধ খাওয়া মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। সঠিক পরীক্ষা (যেমন- CBC) করে নিশ্চিত হোন আসলে শরীর কী চাচ্ছে।
​সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন। 🏥✨

​ #ডায়াবেটিস #স্বাস্থ্যসচেতনতা #হিমোগ্লোবিন #রক্তশূন্যতা #চিকিৎসা_বিজ্ঞান #স্বাস্থ্যটিপস #সুস্থ_থাকুন #সচেতনতা

18/05/2026

'টাইফয়েড মেরি' Mary)-র কাহিনী চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে অন্যতম বিখ্যাত, বিতর্কিত এবং একটি ক্লাসিক ঘটনা। এটি মূলত এমন একজন মানুষের গল্প, যিনি নিজে সম্পূর্ণ সুস্থ ছিলেন কিন্তু তার অজান্তেই তিনি ছিলেন শত শত মানুষের জন্য এক মারাত্মক 'চলন্ত বোমা'।

​১. কে ছিলেন এই টাইফয়েড মেরি?
​মেরি ম্যালন ছিলেন একজন আইরিশ নারী, যিনি ১৮৮৩ সালে ১৫ বছর বয়সে আয়ারল্যান্ড থেকে ভাগ্য অন্বেষণে আমেরিকায় (নিউইয়র্ক) অভিবাসী হন। তিনি পেশায় ছিলেন একজন অত্যন্ত দক্ষ বাবুর্চি বা রাঁধুনি (Cook)। নিউইয়র্কের ধনী পরিবারগুলোতে রাঁধুনি হিসেবে তার বেশ ভালো সুনাম ও চাহিদা ছিল।
​২. কীভাবে তিনি রোগ ছড়াতেন?
​মেরি নিজেই ছিলেন ইতিহাসের প্রথম চিহ্নিত 'উপসর্গহীন দীর্ঘমেয়াদী বাহক' (Asymptomatic Chronic Carrier)। তার পিত্তথলিতে (Gallbladder) টাইফয়েডের জীবাণু (Salmonella Typhi) স্থায়ী বাসা বেঁধেছিল। কিন্তু মেরির শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এত চমৎকার ছিল যে, তার নিজের কখনো টাইফয়েডের কোনো লক্ষণ (যেমন: জ্বর, ডায়রিয়া বা দুর্বলতা) প্রকাশ পায়নি।
​তিনি যখন খাবার রান্না করতেন, বিশেষ করে তার জনপ্রিয় ডেজার্ট "পিচ আইসক্রিম" (যা তৈরি করতে আগুনের তাপ লাগতো না), তখন তার হাত থেকে জীবাণু খাবারে মিশে যেত। খাবার খেয়ে পরিবারের সদস্যরা একে একে টাইফয়েডে আক্রান্ত হতেন। আর যখনই কোনো পরিবারে রোগ ছড়িয়ে পড়তো, মেরি কাউকে কিছু না জানিয়ে চাকরি ছেড়ে অন্য পরিবারে চলে যেতেন। এভাবে ১৯০০ থেকে ১৯০৭ সালের মধ্যে তিনি বেশ কয়েকটি পরিবারে টাইফয়েড ছড়িয়ে দেন।
​৩. কীভাবে ধরা পড়লেন? (জর্জ সোপারের অনুসন্ধান)
​১৯০৬ সালে নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডের এক ধনী ব্যাংকারের পরিবারে টাইফয়েড হানা দেয়। সেই পরিবারের ১১ জন সদস্যের মধ্যে ৬ জনই আক্রান্ত হন। টাইফয়েড সাধারণত নোংরা ও বস্তি এলাকায় বেশি হতো, তাই ধনী এলাকায় এর প্রকোপ দেখে স্যানিটারি ইঞ্জিনিয়ার জর্জ সোপার (George Soper) বিষয়টি তদন্ত করতে নামেন।
​সোপার নিখুঁতভাবে অনুসন্ধান করে দেখলেন, আক্রান্ত পরিবারগুলো অতীতে যে সমস্ত রাঁধুনি নিয়োগ করেছিল, তাদের মধ্যে একজন নারী কমন ছিলেন—তিনি মেরি ম্যালন। সোপার যখন মেরিকে খুঁজে বের করেন এবং তার মল ও মূত্রের নমুনা পরীক্ষা করতে চান, মেরি অত্যন্ত ক্ষিপ্ত হন। কারণ মেরি নিজেকে সম্পূর্ণ সুস্থ ও হৃষ্টপুষ্ট দেখতেন, তাই ডাক্তারের কথাকে তিনি তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এবং অপমান মনে করে একটি মাংস কাটার ছুরি নিয়ে সোপারকে তাড়া করেছিলেন।
​৪. প্রথম কোয়ারেন্টাইন ও আইনি লড়াই
​অবশেষে ১৯০৭ সালে নিউইয়র্ক স্বাস্থ্য বিভাগ পুলিশের সহায়তায় মেরিকে জোরপূর্বক আটক করে। পরীক্ষায় দেখা যায়, তার মলে প্রচুর পরিমাণে টাইফয়েড ব্যাকটেরিয়া রয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ তাকে নিউইয়র্কের নর্থ ব্রাদার আইল্যান্ডের (North Brother Island) একটি হাসপাতালে কোয়ারেন্টাইনে পাঠিয়ে দেয়।
​সেখানে তিন বছর বন্দি থাকার পর, মেরি আদালতের শরণাপন্ন হন। ১৯১০ সালে তিনি এই শর্তে মুক্তি পান যে—তিনি আর কখনো 'বাবুর্চি' বা রাঁধুনির পেশায় ফিরে যাবেন না এবং লন্ড্রি বা অন্য কোনো কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করবেন।
​৫. শর্ত ভঙ্গ ও স্থায়ী নির্বাসন
​মুক্তির পর মেরি কিছুদিন লন্ড্রিতে কাজ করেন, কিন্তু সেখানে মজুরি ছিল অনেক কম। বাধ্য হয়ে এবং নিজের জেদের বশে (যেহেতু তিনি বিশ্বাস করতেন না যে তার শরীরে রোগ আছে) তিনি নিজের নাম বদলে ফেলেন। 'মেরি ব্রাউন' ছদ্মনাম নিয়ে তিনি আবার বিভিন্ন রেস্তোরাঁ, হোটেল এবং হাসপাতালে রাঁধুনির কাজ শুরু করেন।
​১৯১৫ সালে নিউইয়র্কের 'স্লোন মেটারনিটি হসপিটাল'-এ (Sloan Hospital for Women) হঠাৎ এক ভয়াবহ টাইফয়েড প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। ২৫ জন নার্স ও ডাক্তার আক্রান্ত হন এবং ২ জন মারা যান। তদন্তে নেমে জর্জ সোপার আবার সেই চেনা হাতের রান্না এবং ছদ্মনামধারী মেরিকে ধরে ফেলেন।
​এবার স্বাস্থ্য বিভাগ আর কোনো ঝুঁকি নেয়নি। ১৯১৫ সালে তাকে আবার সেই নর্থ ব্রাদার আইল্যান্ডে নির্বাসনে পাঠানো হয়। জীবনের বাকি ২৩ বছর তিনি সেখানেই একাকী বন্দি অবস্থায় কাটান। অবশেষে ১৯৩৮ সালে, ৬৯ বছর বয়সে স্ট্রোক করে তিনি ওই হাসপাতালেই মারা যান। মৃত্যুর পর ময়নাতদন্তে তার পিত্তথলিতে জীবন্ত টাইফয়েড ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পাওয়া যায়।
​চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই ঘটনার গুরুত্ব
​Carrier Concept: চিকিৎসাবিজ্ঞান নিশ্চিতভাবে জানতে পারে যে, কোনো ব্যক্তি নিজে অসুস্থ না হয়েও রোগ ছড়াতে পারে।
​Public Health vs Individual Liberty: এই ঘটনাটি জনস্বার্থ বনাম ব্যক্তিগত স্বাধীনতার দ্বন্দ্বের এক ঐতিহাসিক উদাহরণ। একজনের স্বাধীনতার চেয়ে হাজারো মানুষের জীবন রক্ষা করা যে জনস্বাস্থ্য বিভাগের মূল দায়িত্ব, তা এই ঘটনার মাধ্যমেই প্রথম আইনি ভিত্তি পায়।
​অফিসিয়ালি মেরির মাধ্যমে ৫১ জন আক্রান্ত এবং ৩ জনের মৃত্যুর প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে ধারণা করা হয় পরোক্ষভাবে তিনি শতাধিক মানুষকে আক্রান্ত করেছিলেন। আর এভাবেই ইতিহাসের পাতায় তার নাম স্থায়ী হয়ে যায়—'টাইফয়েড মেরি'।
Dr. Md. Abde Hannan

16/05/2026

ধূমপান শুধু ফুসফুসের ক্ষতি করে না, এটি হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের অন্যতম প্রধান কারণ। সুস্থ থাকতে এবং পরিবারকে নিরাপদ রাখতে আজই ধূমপান বর্জন করার প্রতিজ্ঞা করুন।



​ #ধূমপানমুক্ত #হার্টকেয়ার #স্বাস্থ্যসতর্কতা

14/05/2026

কিডনির পাথর ও ইউরিনারি ইনফেকশন (UTI) প্রতিরোধে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন। পানি শরীর থেকে বিষাক্ত টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে এবং ত্বক সজীব রাখে।



​ #পানি_পান #স্বাস্থ্যটিপস #কিডনি_সুরক্ষা

12/05/2026

অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস শরীরের কোন কোন অঙ্গের ক্ষতি করে? কিডনি ফেইলিউর থেকে শুরু করে স্ট্রোকের ঝুঁকি—সবকিছু নিয়ে ছোট একটি ওভারভিউ। সুস্থ থাকতে সচেতনতার বিকল্প নেই।

​ #ডায়াবেটিস #স্বাস্থ্যসচেতনতা #চিকিৎসা_বিজ্ঞান #নার্সিং_শিক্ষা #স্বাস্থ্যটিপস #বহুমূত্র #রোগ_প্রতিরোধ #কিডনি_সুরক্ষা #সুস্থ_থাকুন #ডায়াবেটিস_সচেতনতা

06/05/2026

Chicken pox বা জল বসন্ত একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা খুব দ্রুত ছড়াতে পারে। এই ভিডিওতে আপনি জানতে পারবেন—

✔️ Chicken pox এর লক্ষণ
✔️ কীভাবে ছড়ায়
✔️ কী করলে দ্রুত ভালো হবে

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ: গুরুতর অবস্থা হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

Address

Thakurgaon

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md. Abde Hannan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share