Good Health and Family Wellbeing.

  • Home
  • Good Health and Family Wellbeing.

Good Health and Family Wellbeing. Family Planning Department is responsible for implementing the FP-MCH Program throughout the country.

The page 'Family Planning for happy families' is controlled by Iftekhar Ahmed Chowdhury, Feni.It is about family planning, maternal and child health and adolescent health related matters. Bangladesh Ministry of Health and Family Welfare and Family Planning Directorate are responsible for formulating and executing policies and overall administrative guidance. The present Family planning services to

Ensure safe motherhood including Emergency Obstetrics Care (EOC) services with provision of Skilled Birth Attendants (SBA), Increase male involvement in reproductive health especially in Family Planning, Increase acceptance of FP methods among low parity couples, Prevention of RTIs/STIs & HIV/AIDS etc. We are running our services from house to house at root level to national level. Around fifty thousand service providers and officials are doing their job to ensure FP-MCH needs of their clients. Family Planning Program has made remarkable progress over the last forty years due to continuous political commitment, innovative program approach, government and non-government collaboration, strong IEC program, method-mix cafeteria approach and commitment of the field-level functionaries. Our present vision is to achieve SDG goals and also HPNSP projection with our utmost efforts and with the support of all sorts of people of the society. We need support from all corners of the society other government, non-government organization. You may get any time FP-MCH supports by make a phone call to 16767 (Call centre number)

Directorate General of Family Planning
6 Kawran Bazar, Dhaka-1215, Bangladesh
Phone: +(88 02) 9119568, 9119463, 9119572, 9142642, 9135858
Fax: +(88 02) 9124523

সকলে হিট স্ট্রোক থেকে সতর্ক থাকুন।শরীর থেকে বেরিয়ে যাওয়া প্রচুর পরিমাণ তরলের ঘাটতি পূরণ করুন।অপেক্ষাকৃত ছায়াযুক্ত এবং বা...
25/04/2026

সকলে হিট স্ট্রোক থেকে সতর্ক থাকুন।
শরীর থেকে বেরিয়ে যাওয়া প্রচুর পরিমাণ তরলের ঘাটতি পূরণ করুন।
অপেক্ষাকৃত ছায়াযুক্ত এবং বাতাস সমৃদ্ধ স্থানে অবস্থান করুন।

অতি প্রয়োজন ছাড়া প্রখর খরতাপ এড়িয়ে চলুন।

31/03/2026
সচেতনতামূলক পোস্ট::সাম্প্রতিক সময়ে হাম (Measles) রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে, যা অত্যন্ত সংক্রামক এবং উদ্বেগজনক। ইতোমধ...
30/03/2026

সচেতনতামূলক পোস্ট::

সাম্প্রতিক সময়ে হাম (Measles) রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে, যা অত্যন্ত সংক্রামক এবং উদ্বেগজনক। ইতোমধ্যে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। এমনকি যেসব দেশে টিকাদানের হার বেশি, সেখানেও এই ধরনের প্রাদুর্ভাব হতে পারে—বিশেষ করে COVID-19 সময়কালে টিকাদান কমে যাওয়ার কারণে। উন্নত দেশগুলোতেও, যেমন যুক্তরাষ্ট্রে, যেখানে ২০০০ সালে হাম নির্মূল ঘোষণা করা হয়েছিল, সেখানেও আবার সংক্রমণ দেখা গেছে।
হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ। একজন আক্রান্ত ব্যক্তি গড়ে ১২ থেকে ১৮ জনকে সংক্রমিত করতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—র‍্যাশ ওঠার আগেই রোগটি সংক্রমণ ছড়াতে পারে। প্রড্রোমাল পর্যায়ে (জ্বরের সময়) রোগী কাশি বা শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে সহজেই অন্যদের সংক্রমিত করতে পারে, বিশেষ করে ভিড় বা বন্ধ জায়গায়।
চিকিৎসকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণগুলো হলো—জ্বর এবং “3 C”: Coryza (নাক দিয়ে পানি পড়া), Conjunctivitis (চোখ লাল হওয়া), Cough (কাশি)। মুখের ভেতরে Koplik spot দেখা গেলে তা হাম রোগের জন্য বিশেষ লক্ষণ (pathognomonic)। র‍্যাশ সাধারণত মুখ থেকে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে শরীরের নিচের দিকে (ট্রাঙ্ক ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ) ছড়িয়ে পড়ে।
প্রায় ৩০% ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে—নিউমোনিয়া, চোখের সমস্যা, অপুষ্টি ইত্যাদি। এছাড়া post-infectious encephalitis, inclusion body encephalitis দ্রুত ঘটতে পারে এবং মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে। আর SSPE (Subacute Sclerosing Panencephalitis) দেরিতে হলেও মারাত্মক স্নায়বিক জটিলতা সৃষ্টি করে।
এই রোগের কোনো নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা নেই—চিকিৎসা মূলত supportive। শুধুমাত্র secondary bacterial infection (যেমন নিউমোনিয়া বা এনসেফালাইটিস) হলে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়।
প্রাদুর্ভাবের সময় রোগটি কর্তৃপক্ষকে জানানো বাধ্যতামূলক এবং outbreak investigation জরুরি। যেসব শিশু টিকা নেয়নি বা অসম্পূর্ণ টিকাপ্রাপ্ত—তাদের দ্রুত টিকাদান করতে হবে। রোগীকে আইসোলেশনে রাখতে হবে এবং হাসপাতালে কঠোর infection prevention and control (IPC) ব্যবস্থা নিতে হবে—contact ও droplet precaution সহ।
হাসপাতালে রোগীর সংস্পর্শে গেলে অবশ্যই মাস্ক ও গ্লাভস ব্যবহার করতে হবে। রোগী যে বেড বা সরঞ্জাম ব্যবহার করেছে, তা ১–২ ঘণ্টা সময় নিয়ে ভালোভাবে জীবাণুমুক্ত করতে হবে।
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য এক ডোজ ভ্যাকসিন প্রয়োজন, আর যাদের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল তাদের অতিরিক্ত বুস্টার ডোজ লাগতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে Vitamin A দেওয়া উপকারী, কারণ এর অভাব হামজনিত জটিলতা বাড়ায়।
এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা। তাই বিশেষ করে হাসপাতালে সবার জন্য IPC মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। গণমাধ্যমকেও সচেতন থাকতে হবে—হাসপাতালে রোগী বা স্বজনদের কাছে গেলে তারাও সংক্রমিত হতে পারে।
বাংলাদেশে প্রায় ৯৫% মানুষের মধ্যে ইমিউনিটি থাকলেও এখনো অনেক ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী রয়েছে—যেমন গর্ভবতী নারী, ক্যান্সার রোগী, কেমোথেরাপি গ্রহণকারী, স্টেরয়েড বা বায়োলজিক থেরাপি গ্রহণকারী এবং অটোইমিউন রোগী।
যেহেতু কোনো নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা নেই, তাই টিকাই সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা। বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত যে, হাম ভ্যাকসিন নিরাপদ এবং এটি অটিজম বা অটোইমিউন রোগ সৃষ্টি করে না।
সবার প্রতি আহ্বান—হাম অত্যন্ত সংক্রামক রোগ, তাই সতর্ক থাকুন। রোগীর সংস্পর্শে গেলে এবং হাসপাতালে থাকলে অবশ্যই মাস্ক ও গ্লাভস ব্যবহার করুন।

-প্রফেসর ডা. রোবেদ আমিন

17/12/2025

সংগৃহীত পোস্ট
অতীব গুরুত্বপূর্ণ
📀💿📀💿📀💿📀💿

রফিক সাহেব তখনো ডায়াবেটিক নন।
গ্লুকোমিটার নেই, ইনসুলিন নেই, ওষুধও নেই। তবু প্রতিদিন দুপুরের পর একটা ঘুমঘুম ভাব আসে। হাঁটলে হাঁপিয়ে যান,
পেটটা একটু বেশি বড় হয়ে গেছে, রাতে একটু নাক ডাকেন।

তিনি জানেন না,
এই সময়েই গল্পটা শুরু হয়ে গেছে।

তার শরীরের কোষগুলো ধীরে ধীরে
ইনসুলিনের কথা শোনা বন্ধ করছে।
ইনসুলিন দরজায় দাঁড়িয়ে বলছে
'ভেতরে ঢুকতে দাও, শক্তি দাও,
আর কোষগুলো উত্তর দিচ্ছে না।
এটার নাম ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স।

বেশিরভাগ মানুষ ভাবে ডায়াবেটিস মানে রক্তে চিনি বেড়ে যাওয়া। কিন্তু সেটা শেষ অধ্যায়ের শুরু, প্রথম অধ্যায় নয়।
এর আগেই শরীরে ঘটে যায় নানা ঘটনা।

পেটের অঙ্গগুলির ফ্যাট বাড়ে, লিভার নিজেই চিনি বানাতে থাকে, ইনসুলিন মাত্রা অস্বাভাবিক বেশি হয়। লালন মরলো জল পিপাসায় থাকতে নদী মেঘনা। রক্তে এতই ইনসুলিন, কিন্তু কাজ করতে পারছে না। রক্তনালীর ভেতরে প্রদাহ শুরু হয়, মস্তিষ্কের সিগন্যালিং এলোমেলো হয়।

এই পুরো ঘটনাটার নাম
মেটাবলিক সিন্ড্রোম।

চিনি তখনো “নর্মাল”, কিন্তু শরীর ভেতরে ভেতরে ক্লান্ত।

একদিন পরীক্ষায় দেখা যায়-
Fasting sugar: 6.4 mmol/L-
বর্ডারলাইন

ডাক্তার বলেন,
খেয়াল রাখবেন। কিন্তু শরীর তখন অনেক দূর এগিয়ে গেছে।

প্যানক্রিয়াস বহু বছর ধরে
অতিরিক্ত ইনসুলিন বানিয়ে গেছে,
একসময় সে ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
তখনই গ্লুকোমিটারের স্ক্রিনে
সংখ্যাটা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

রফিক সাহেব এখন নিয়মিত ওষুধ খান।
গ্লুকোজ ভালো।

কিন্তু রক্তচাপ বাড়ে, ট্রাইগ্লিসারাইড বাড়ে, ফ্যাটি লিভার ধরা পড়ে, হৃদযন্ত্র ঝুঁকিতে পড়ে।

কারণ গল্পটা শুধু গ্লুকোজের ছিল না।

ডায়াবেটিস মানে
শরীর শক্তি ব্যবহার করতে ভুলে গেছে।শুধু চিনি নামালেই
এই ভুলটা ঠিক হয় না।

একদিন রফিক সাহেব বোঝেন-
এটা যুদ্ধ নয়, এটা রিসেটের গল্প।

তিনি শুরু করেন- হাঁটা (ওষুধের মতোই কার্যকর), ঘুম ঠিক করা, পেটের মেদ কমানো, খাবারে ক্যালরি কমানো, জিম, পেশি বাড়ানো।

কোষ আবার ইনসুলিন শুনতে শেখে, লিভার শান্ত হয়, ইনফ্ল্যামেশন কমে, হৃদযন্ত্র রক্ষা পায়।

গ্লুকোমিটার তখন আর একা নয়,
সে পুরো গল্পের একটা লাইন মাত্র।

ডায়াবেটিস মানে শুধু
আজকের রক্তে চিনি নয়।

এটা হলো আগামী দশকের হার্ট অ্যাটাক, ভবিষ্যতের কিডনি সমস্যা, নীরব স্নায়ু ক্ষতি, মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা হ্রাস
কিন্তু সময়মতো বুঝলে শেষটা বদলানো যায়।

যে গল্প বোঝে,
সে শুধু রোগ নিয়ন্ত্রণ করে না
সে নিজের ভবিষ্যৎ লিখে ফেলে।

২. পেটের ভেতরে একটা শহর, চর্বির শহর।

শহরটির নাম ভিসেরাল জোন

এই শহর চোখে পড়ে না। আয়নায় ধরা পড়ে না। কিন্তু এটি গড়ে ওঠে পেটের গভীরে, লিভার, প্যানক্রিয়াস, কিডনি, হার্টের চারপাশে। এখানে ফ্যাট শুধু শক্তি সঞ্চয় করে না।
এখানে ফ্যাট অস্ত্র ধরে।
ভিসেরাল জোনে ঢুকলেই বোঝা যায়
এটা সাধারণ চর্বি নয়।

এখানে ফ্যাট সেলগুলো স্রেফ ঘুমিয়ে থাকে না, তারা কথা বলে,
রক্তে ছড়িয়ে দেয় সিগন্যাল:

এই সিগন্যালগুলো শরীরকে বলে-

'শত্রু আছে। সব সময় সতর্ক থাকো।'

ফলে শরীর ঢুকে পড়ে
একটা লো-গ্রেড ক্রনিক যুদ্ধের মধ্যে।

কোনো জ্বর নেই। কোনো ব্যথা নেই। কিন্তু ভেতরে ভিতরে সিস্টেম ভাঙতে থাকে।

প্যানক্রিয়াস তখনো চেষ্টা করছে।
সে ইনসুলিন পাঠাচ্ছে রক্তে, কিন্তু কোষগুলো দরজা খুলছে না।

কারণ ভিসেরাল ফ্যাট
ইনসুলিন রিসেপ্টরের কাছে ফিসফিস করে
“ওকে বিশ্বাস কোরো না।”
আগেই জানা হয়ে গেছে এটাকে বলে
Insulin Resistance।

রক্তে চিনি বাড়ে,
কিন্তু রোগী বলে-
আমি তো ঠিকই আছি।

এটাই থ্রিলারের সবচেয়ে ভয়ংকর অংশ,
নীরবতা। চুপচাপ, কোথাও কোন আওয়াজ নেই অথচ নীরবে প্রদাহ চলছে।
ভিসেরাল জোনের সবচেয়ে বড় দখল হয় লিভারের ওপর।
লিভার তখন বেশি গ্লুকোজ ছাড়ে, বেশি ট্রাইগ্লিসারাইড বানায়
HDL নামের ভালো কোলেস্টেরল কমিয়ে দেয়

রিপোর্টে লেখা উঠে
Fatty liver (NAFLD)

কিন্তু গল্প এখানেই থামে না।

এই ফ্যাটই পরে
হার্টের দিকে এগোতে থাকে।

ভিসেরাল ফ্যাট থেকে বের হওয়া বর্জ্য
রক্তনালীর ভেতরের দেয়ালে আঁকে দাগ।

এগুলো জমে
প্ল্যাক।
নালী শক্ত হয়,
চাপ বাড়ে।

একদিন হঠাৎ
হার্ট অ্যাটাক।
স্ট্রোক।

পরিবার বলে-

আগে তো কিছুই ছিল না!

কিন্তু শহরটা তখন অনেক আগেই তৈরি হয়ে গিয়েছিল।

ডাক্তার রিপোর্ট টেবিলে রাখেন।

একটার পর একটা চিহ্ন:

পেটের মাপ বেশী, সুগারের মাত্রা বেশী, রক্তে কোলেস্টেরল বেশি

ডাক্তার বলেন, এটা একক রোগ নয়।
এটা একটা সংগঠিত অপরাধ।

নাম:
Metabolic Syndrome।

এটা এমন এক সিন্ডিকেট
যেখানে ডায়াবেটিস, হার্ট ডিজিজ, স্ট্রোক
একসাথে চুক্তিবদ্ধ।

ভিসেরাল জোন
বোমা দিয়ে ভাঙতে হয় না।
এটা ভাঙে নিয়মিত হাঁটায়, খাবারে শৃঙ্খলায়, ঘুম ঠিক হলে

ওজন কমালেই এই চর্বি শহরের বিদ্যুৎ চলে যায়।
ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়।
ইনফ্ল্যামেশন চুপ করে।

Central obesity মানে
শরীরের ভেতরে গড়ে ওঠা
একটা গোপন শত্রু রাষ্ট্র।

সময়মতো শনাক্ত করলে
এই থ্রিলারের শেষটা
ট্র্যাজেডি না হয়ে সারভাইভাল হতে পারতো।

আর গল্পটা-
এখনো লেখা চলছে।

৩. অনুশোচনা

হঠাৎ করে বুকে চাপটা নামল।
এটা ব্যথা নয়-
এটা যেন কেউ ভেতর থেকে বুকটা দুই হাতে চেপে ধরেছে।

রফিক সাহেব প্রথমে ভেবেছিলেন
গ্যাস।
সবসময় যেমন ভাবতেন।

কিন্তু এবার শ্বাসটা ঠিকমতো ঢুকছে না।
ঘাম ঝরছে, চোখ ঝাপসা।
ঘরের কোণে দাঁড়িয়ে থাকা দেয়ালঘড়ির টিকটিক শব্দটা
হঠাৎ খুব জোরে শোনা যাচ্ছে।

তিনি সোফায় বসে পড়লেন।
সামনের ঘরে তার দুই সন্তান-
তারা জানে না,
এই মুহূর্তে তাদের বাবার শরীরের ভেতরে
একটা যুদ্ধ চলছে।

রফিক সাহেব তাকিয়ে থাকেন ওদের দিকে।

এই প্রথম তার মনে হয়-
সময় খুব কম।

পেটটা কবে বড় হয়েছিল,
সে আর মনে করতে পারেন না।

শুধু মনে পড়ে-

“সময় নেই” বলে হাঁটাটা বাদ দেওয়া

“একটু খাই, কী আর হবে” বলে রাতের খাবারে বাড়তি ভাত,
অফিস থেকে ফিরে ক্লান্ত অজুহাত

ডাক্তার বলেছিল,
পেটের চর্বি বিপজ্জনক
তিনি হেসে বলেছিলেন-
“সবাই তো এমনই”

গ্লুকোমিটারটা আলমারিতে পড়ে ছিল,
BP মাপা হতো কদাচিৎ।

সবকিছুই ছিল
আগামীকাল থেকে

তিনি জানতেন না
পেটের ভেতরে গড়ে ওঠা সেই নীরব শহর একদিন এভাবেই আঘাত করবে।

কোনো সতর্ক ঘণ্টা ছাড়াই।
কোনো নাটকীয় ঘোষণা ছাড়াই।

চুপচাপ।

রফিক সাহেবের চোখ ভিজে ওঠে।

তিনি ভাবেন-

আরেকবার যদি জীবনটা ফিরতো।

বড় ছেলেটা মোবাইলে কিছু দেখছে।
মেয়েটা পড়ার টেবিলে মাথা গুঁজে আছে।

রফিক সাহেবের মনে হয়,
আমি যদি না থাকি,
ওদের পথটা কে দেখাবে?

এই প্রশ্নটাই
বুকের চাপের থেকেও ভারী।

সাইরেনের শব্দ দূরে শোনা যায়।

রফিক সাহেব চোখ বন্ধ করেন।

তিনি জানেন না, তিনি ফিরবেন কি না।

কিন্তু মনে মনে একটা কথা রেখে যান-
আরেকবার জীবনটা ফিরে পেলে তিনি ব্যায়াম, প্রেসার ওজন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও খাদ্যাভ্যাসের চেয়ে জীবনে আর কিছুকেই বেশি গুরুত্ব দিতেন না।

কে জানে সে সুযোগ তিনি আর পাবেন কিনা। নাকি কান্নায় শেষ হয়ে যাবে সব।

21/11/2025

🛑 ভূমিকম্প এমন একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা আগে থেকে বোঝা যায় না।
তাই আকস্মিক পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে—
যতটা সম্ভব নিজেকে এবং অন্যদের নিরাপদ অবস্থানে নিয়ে যাওয়া।🏃‍♂️🏃‍♀️

✅ ভূমিকম্প চলাকালীন কী করা উচিত :

★যদি ঘরের ভিতরে থাকেন★

✝️ নিজেকে সুরক্ষিত করুন—“Drop, Cover, Hold” মেনে চলুন
মাটিতে বসুন/হাটু গেড়ে বসুন
মজবুত টেবিল/ডেস্কের নিচে আশ্রয় নিন
টেবিল শক্ত করে ধরে থাকুন

✝️ জানালা, কাচ, কাৎ হয়ে পড়ে যেতে পারে এমন ভারী আসবাবপত্র/সামগ্রী থেকে দূরে থাকুন।

✝️ মাথা ও ঘাড় হাত অথবা মোটা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখুন।

✝️ লিফট ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

✝️ কক্ষের ভিতরে সিলিং এর ভীম অথবা দরজার ফ্রেম যদি শক্ত হয় তবে তার নিচে দাঁড়ানো যেতে পারে, তবে শুধুমাত্র নিরাপদ হলে।

✝️ গ্যাস, চুলা, আগুনের উৎস থেকে দূরে থাকুন।

★যদি ঘরের বাইরে থাকেন★

✝️ খোলা জায়গায় চলে যান—বিল্ডিং, গাছ, বৈদ্যুতিক খুঁটি, ওভারহেড তার থেকে দূরে।

✝️ রাস্তার মাঝখানে গেলে যানবাহন থেকে দূরে থাকুন।

★যদি গাড়িতে থাকেন★

✝️ নিরাপদ জায়গায় গাড়ি থামান।

✝️ সেতুর ওপর, টানেল, বড় বিল্ডিংয়ের পাশে, বড় গাছের পাশে গাড়ি থামবেন না।

✝️ গাড়ির ভিতরেই থাকুন, যতক্ষণ না ভূমিকম্প থামে।

★যদি ভীড় এলাকায় থাকেন (মার্কেট, শপিং মল, স্কুল, হাসপাতাল ইত্যাদি)★

✝️ দৌড়াবেন না—এতে আতঙ্ক ছড়ায় ও আঘাত লাগার ঝুঁকি বাড়ে।

✝️ কাছের টেবিল, কাউন্টার বা মজবুত স্থাপনার নিচে আশ্রয় নিন।

❌ ভূমিকম্প চলাকালীন কী করা উচিত নয়

🛟 দৌড়াদৌড়ি করবেন না — দৌড়ালে পড়ে গিয়ে বা ভিড়ে চাপা পড়ে আঘাত লাগতে পারে।

🛟 লিফট ব্যবহার করবেন না।

🛟 জানালার কাছে দাঁড়াবেন না—কাচ ভেঙে গুরুতর আহত হওয়ার ঝুঁকি আছে।

🛟 ঘর থেকে তাড়াহুড়া করে বের হবেন না। ভূমিকম্প চলাকালীন সিঁড়ি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জায়গা।

🛟 ভারী জিনিস যেমন আসবাবপত্র, ফ্যান, বইয়ের তাক বা ইলেকট্রনিক্স অন্যান্য সামগ্রীর নিচে দাঁড়াবেন না।

🛟 গুজবে কান দেবেন না বা কারও ওপর চাপ সৃষ্টি করবেন না।

🛟 বিদ্যুৎ, গ্যাস বা আগুনের উৎস স্পর্শ করবেন না।

★★ যদিও ভূমিকম্প পূর্ব ঘোষণা দিয়ে আসে না, তথাপি বড় ধরনের বিপর্যয় এড়াতে কিছু প্রস্তুতি নিয়ে রাখা যায় ★★

✅ ভূমিকম্পের আগে কী প্রস্তুতি নেওয়া উচিত

১) ঘরবাড়ির নিরাপত্তা প্রস্তুতি :

🚫 আলমারি, বুকশেলফ, ফ্রিজ, টিভি স্ট্যান্ড—সব ভারী আসবাবপত্র দেয়ালে শক্ত করে আটকান।

🚫 সিলিং ফ্যান বা ঝাড়বাতি ঢিলা হয়ে আছে কিনা দেখে নিন।

🚫 গ্যাস সিলিন্ডার ও চুলার সংযোগ ঠিক আছে কিনা পরীক্ষা করুন।

🚫 দরজার ফ্রেম, সিঁড়ি, বারান্দা—ফাটল বা দুর্বলতা থাকলে মেরামত করুন।

২) জরুরি সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা

⛽ একটি Emergency Kit তৈরি করুন যাতে থাকতে পারে :
টর্চ
পাওয়ার ব্যাংক
ব্যান্ডেজ, ওষুধ, ফার্স্ট-এইড
বোতলজাত পানি
শুকনো খাবার
গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রের কপি
নগদ টাকা
বাঁশি (প্রয়োজনে শব্দ করে সিগনাল দেওয়ার জন্য)

৩) পরিবারের সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া

🚧 পরিবারের সবাইকে "Drop–Cover–Hold" অনুশীলন করান।

🏦 সবাইকে ঘরের নিরাপদ জায়গা (টেবিলের নিচে, কলামের পাশে) দেখিয়ে দিন।

🛣️ ভূমিকম্প হলে কোথায় মিলিত হবে—একটি নির্ধারিত Meeting Point ঠিক করে নিন।

৪) মোবাইলে জরুরি নম্বর সেভ করে রাখুন -
ফায়ার সার্ভিস
নিকটস্থ হাসপাতাল
স্থানীয় পুলিশ
প্রতিবেশীদের জরুরি যোগাযোগ

৫) গ্যাস–বিদ্যুৎ ব্যবস্থার জ্ঞান রাখুন -

♨️ পরিবারের সবাইকে শেখান গ্যাস সিলিন্ডার/চুলা ও বিদ্যুৎ মেইন সুইচ কীভাবে বন্ধ করতে হয়।

♻️ ভূমিকম্পের পরে কী করা উচিত

১) নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন :

প্রথমে নিজের আঘাত আছে কিনা দেখুন।

মাথা ঘুরলে, শ্বাসকষ্ট হলে বা আঘাত পেলে দ্রত বসে পড়ুন।

২) বাড়ির ভেতর বেরোনোর আগে সতর্ক হন

গ্যাসের গন্ধ পেলে সঙ্গে সঙ্গেই বেরিয়ে যান—কোনো সুইচ অন/অফ করবেন না।

দেয়ালে নতুন ফাটল, ঝুলে থাকা ফ্যান বা আলনা দেখলে ঘরে ঢুকবেন না।

৩) পরিবার ও প্রতিবেশীদের খোঁজ নিন
আহত কেউ থাকলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিন।
জরুরি নম্বরে যোগাযোগ করুন।

৪) আফটারশক (পরাঘাত) এর জন্য প্রস্তুত থাকুন

বড় ভূমিকম্পের পর আরো ছোট কম্পন আসতে পারে—আতঙ্কিত হবেন না।

খোলা জায়গায় থাকুন যতক্ষণ পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হয়।

৫) গুজবে কান দেবেন না

সামাজিক মাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়ানো হয়— এক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

৬) পানীয় জল ও খাবার সতর্কভাবে ব্যবহার করুন

পানি লাইন ফেটে গেলে পানি দূষিত হতে পারে।
এরূপ পরিস্থিতিতে বোতলজাত পানি ব্যবহার করুন।

৭) ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে প্রবেশ করবেন না

৮) বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে, তাই বিকল্প আলোর ব্যবস্থা রাখুন এবং পান করার জন্য বিশুদ্ধ পানি সঞ্চিত রাখুন।

📌 মনে রাখুন:

সচেতনতা জীবন রক্ষা করে। শান্ত থাকুন, নিরাপদ থাকুন।

Address

Maijdee, Noakhali, Maijdee Court

Telephone

+88033161179

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Good Health and Family Wellbeing. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Good Health and Family Wellbeing.:

  • Want your business to be the top-listed Health & Beauty Business?

Share