Dr. Rooh-E-Zakaria

Dr. Rooh-E-Zakaria MBBS | FCPS | FMAS | FACS
Infertility Trained (NUH, Singapore)
Gynaecologist & Laparoscopic/Infertility Specialist
Asst.
(1)

Prof., Obs & Gynae (SSMCH)

Chamber:
Popular Shyamoli: Sat/Sun/Mon/Wed ( 5–7 PM)
Labaid Mirpur-1: 8–10 PM (Fri: Closed)

আমার এক পেশেন্ট তার তিন মাসের ছোট্ট বাবুটাকে নিয়ে আমার চেম্বারে এসেছিলেন। আমার হাতের উছিলায় এই বাবুটার জন্ম। ওকে সামনে থ...
09/09/2026

আমার এক পেশেন্ট তার তিন মাসের ছোট্ট বাবুটাকে নিয়ে আমার চেম্বারে এসেছিলেন। আমার হাতের উছিলায় এই বাবুটার জন্ম। ওকে সামনে থেকে দেখে যে কী ভালো লাগছিল, বলে বোঝাতে পারব না।

তবে এই বাবুটাকে পৃথিবীর আলো দেখার পথটা মোটেও সহজ ছিল না।

মায়ের বয়স ৩৮ বছর। আগে থেকেই তাঁর high blood pressure ছিল এবং গর্ভধারণের শুরু থেকেই নিয়মিত ওষুধ খাচ্ছিলেন। এটি ছিল তাঁর দ্বিতীয় সন্তান। আগের একটি সন্তানও আছে।

৩০ সপ্তাহ পর্যন্ত সবকিছু ভালোই চলছিল। কিন্তু এরপর ধীরে ধীরে মায়ের BP বাড়তে শুরু করল। ওষুধের dose বাড়াতে হলো, সঙ্গে আরও ওষুধ যোগ করতে হলো।

এর মধ্যেই দেখা গেল, বাবুটার growth ঠিকমতো হচ্ছে না। অর্থাৎ পেটের মধ্যে বাবুটি বয়স অনুযায়ী যতটা বড় হওয়ার কথা, ততটা হচ্ছিল না।

তারপর থেকে নিয়মিত monitoring-এর মধ্যেই রাখতে হচ্ছিল মা ও বাবুকে। একদিকে মায়ের BP, অন্যদিকে বাবুর growth এবং overall wellbeing, সবকিছুই খুব কাছ থেকে দেখতে হচ্ছিল।

৩৫ সপ্তাহে এসে যখন ওষুধ দিয়েও BP ঠিকভাবে control করা যাচ্ছিল না, তখন আর দেরি না করে delivery করানোর সিদ্ধান্ত নিলাম।

Cesarean section-এর মাধ্যমে জন্ম হলো মাত্র দেড় কেজি ওজনের ছোট্ট বাবুটার। জন্মের পর ওকে NICU-তে রাখতে হয়েছিল। একজন মায়ের জন্য সেই সময়টা কতটা কঠিন, সেটা ভাষায় বোঝানো সম্ভব নয়।

আলহামদুলিল্লাহ, আজ তিন মাস পর সেই বাবুটাই আমার সামনে একদম সুস্থ, সুন্দর একটা শিশু হয়ে এসেছে। ওকে দেখে এখন বোঝার উপায় নেই, পৃথিবীতে আসার শুরুটা ওর জন্য কতটা কঠিন ছিল।

আজ ওকে দেখে মায়ের মুখের হাসিটাই সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে।

এই ধরনের high-risk pregnancy-তে নিয়মিত checkup করা, BP ও বাবুর growth নিয়মিত দেখা এবং প্রয়োজনের সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া কতটা গুরুত্বপূর্ণ, এই ঘটনাটা আবারও সেটাই মনে করিয়ে দিল।

আল্লাহর কাছে অনেক শুকরিয়া। মা ও বাবু দুজনেই ভালো আছেন। একজন চিকিৎসক হিসেবে এর চেয়ে আনন্দের মুহূর্ত আর কী হতে পারে!

অনেক দম্পতি বছরের পর বছর ধরে সন্তানের জন্য অপেক্ষা করেন। প্রতি মাসে নতুন করে আশা করেন, তারপর আবার হতাশ হন। এই কষ্টটা আমি...
07/09/2026

অনেক দম্পতি বছরের পর বছর ধরে সন্তানের জন্য অপেক্ষা করেন। প্রতি মাসে নতুন করে আশা করেন, তারপর আবার হতাশ হন। এই কষ্টটা আমি প্রতিদিন আমার চেম্বারে দেখি। তাই বুঝি, সন্তান না হওয়ার বিষয়টি একজন দম্পতির জন্য কতটা মানসিক চাপের হতে পারে।

তবে একটা কথা আমি সবসময় বলি, সন্তান নিতে দেরি হওয়া মানেই কিন্তু বাবা-মা হওয়া অসম্ভব নয়।

বর্তমান চিকিৎসাবিজ্ঞানে বন্ধ্যাত্বের কারণ অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসার সুযোগ রয়েছে, যেগুলোকে সামগ্রিকভাবে Assisted Reproduction বলা হয়।

কারও ক্ষেত্রে শুধু ডিম্বস্ফোটনের সমস্যার চিকিৎসা করলেই গর্ভধারণ সম্ভব হতে পারে। আবার কারও ক্ষেত্রে প্রয়োজন হতে পারে IUI বা IVF-এর মতো চিকিৎসা।

যেমন, যাদের ডিম্বস্ফোটনে সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে ওষুধের মাধ্যমে ডিম্বস্ফোটন ঘটানো বা নিয়মিত করার চেষ্টা করা হয়। একে বলা হয় Ovulation Induction।

এরপর আছে IUI (Intrauterine Insemination)। এতে নির্দিষ্ট সময়ে প্রস্তুত করা শুক্রাণু জরায়ুর ভেতরে প্রবেশ করানো হয়, যাতে গর্ভধারণের সম্ভাবনা বাড়ানো যায়।

আরেকটু জটিল পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হতে পারে IVF (In Vitro Fertilization)। এই পদ্ধতিতে ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর নিষেক ল্যাবরেটরিতে করানো হয়। এরপর তৈরি হওয়া ভ্রূণ জরায়ুতে স্থানান্তর করা হয়।

আবার পুরুষের শুক্রাণু সংক্রান্ত কিছু নির্দিষ্ট সমস্যা থাকলে ICSI ব্যবহার করা হতে পারে। এতে একটি শুক্রাণুকে সরাসরি ডিম্বাণুর ভেতরে প্রবেশ করিয়ে নিষেক ঘটানোর চেষ্টা করা হয়।

তবে আমি রোগীদের সবসময় বলি, প্রতিটি দম্পতির চিকিৎসা এক রকম নয়।

স্ত্রীর বয়স, ডিম্বস্ফোটনের অবস্থা, জরায়ু ও ফ্যালোপিয়ান টিউবের অবস্থা এবং স্বামীর শুক্রাণুর মানসহ বিভিন্ন বিষয় মূল্যায়ন করেই চিকিৎসার পরিকল্পনা করা হয়।

তাই সন্তান নিতে সমস্যা হলে শুধু একজনের নয়, স্বামী-স্ত্রী দুজনেরই প্রয়োজন অনুযায়ী মূল্যায়ন করা গুরুত্বপূর্ণ।

অনেক সময় দেখা যায়, সমস্যার আসল কারণটি খুঁজে বের করে সঠিক সময়ে উপযুক্ত চিকিৎসা শুরু করতে পারলেই কাঙ্ক্ষিত সুখবর আসে।

তাই সন্তান নেওয়ার পথে সমস্যা এলেই সব শেষ হয়ে যায় না। সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা, ধৈর্য এবং আল্লাহর ওপর ভরসা রাখলে অনেক ক্ষেত্রেই আশার আলো দেখা সম্ভব।

আপনারা যদি অনেকদিন ধরে চেষ্টা করেও সফল না হয়ে থাকেন, দেরি না করে একজন বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

আমার কাছে প্রায়ই দম্পতিরা আসেন এই প্রশ্ন নিয়ে, "ম্যাডাম, আমরা তো চেষ্টা করছি, কিন্তু কতদিন অপেক্ষা করব?" আজকে এই বিষয়...
04/09/2026

আমার কাছে প্রায়ই দম্পতিরা আসেন এই প্রশ্ন নিয়ে, "ম্যাডাম, আমরা তো চেষ্টা করছি, কিন্তু কতদিন অপেক্ষা করব?" আজকে এই বিষয়টা একটু বিস্তারিত বলি।

সাধারণভাবে, স্ত্রীর বয়স ৩৫ বছর বা কম হলে নিয়মিত, অসুরক্ষিত মিলনের পরও ১ বছর চেষ্টা করে গর্ভধারণ না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। বয়স ৩৫ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হলে ৬ মাস চেষ্টার পরই পরামর্শ নেওয়া ভালো। আর বয়স ৪০ বছরের বেশি হলে বেশি অপেক্ষা না করে দ্রুত পরামর্শ নেওয়া উচিত।

কেন এমন? বয়সের সাথে সাথে নারীর প্রজনন ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। ৩০ পার হলেই হঠাৎ করে সব বদলে যায়, এমন নয়, তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে ডিম্বাশয়ে অবশিষ্ট ডিম্বাণুর সংখ্যা এবং মান দুটোই কমতে থাকে। বিশেষ করে ৩৫ এর পর এই পরিবর্তনটা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

অনেকে AMH নিয়েও জানতে চান। এটা একটা হরমোন টেস্ট, যা দিয়ে ডিম্বাশয়ে কেমন রিজার্ভ আছে তার একটা ধারণা পাওয়া যায়। সাধারণত বয়স বাড়লে এই মাত্রা কমতে থাকে, তবে সবার ক্ষেত্রে এটা একইভাবে হয় না। আর AMH কম মানেই যে স্বাভাবিকভাবে গর্ভধারণ সম্ভব নয়, এমনটা ভাবারও কারণ নেই। এই টেস্ট শুধু একটা ধারণা দেয়, পুরো চিত্র বলে না।

কিছু ক্ষেত্রে অবশ্য এই সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করার দরকার নেই। যেমন মাসিক খুব অনিয়মিত বা বন্ধ হয়ে গেলে, প্রচণ্ড ব্যথা থাকলে, আগে কোনো ইনফেকশন বা সার্জারি হয়ে থাকলে, অথবা স্বামীর কোনো পূর্বের স্বাস্থ্য সমস্যার ইতিহাস থাকলে দেরি না করে আগেই দেখা করা উচিত।

অনেকে মনে করেন ডাক্তারের কাছে গেলেই বড় কোনো চিকিৎসা শুরু হয়ে যাবে। আসলে তা নয়। প্রথমে দুজনের বিস্তারিত ইতিহাস নেওয়া হয়, তারপর প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু পরীক্ষা করা হয়, যেমন আল্ট্রাসাউন্ড, হরমোন টেস্ট বা স্বামীর সিমেন অ্যানালাইসিস। সবার জন্য একই পরীক্ষা লাগে না। এই পরীক্ষাগুলোর মাধ্যমেই বোঝা যায় সমস্যাটা আসলে কোথায়, আর সেই অনুযায়ী পরের পরিকল্পনা করা হয়। অনেক সময় দেখা যায় সময়মতো ওভুলেশন বোঝা বা ছোটখাটো লাইফস্টাইল পরিবর্তনের মাধ্যমেই সমাধান হয়ে যায়।

তাই লজ্জা বা সংকোচ করে দেরি করবেন না। যত আগে সমস্যা ধরা পড়বে, সমাধানও তত সহজ হয়। আল্লাহর রহমতে চিকিৎসাবিজ্ঞান অনেক এগিয়েছে, তাই সময়মতো পরামর্শ নিলে সুযোগ অনেক বেড়ে যায়।

কোনো প্রশ্ন থাকলে নির্দ্বিধায় জিজ্ঞাসা করতে পারেন।

29/08/2026
আমার কাছে অনেক রোগীই একটা প্রশ্ন করেন, ব্যথা যখন প্রচণ্ড হয়ে যায়, তখন কি সাথে সাথে জোরে জোরে চাপ দেওয়া বা পুশ করা উচি...
23/08/2026

আমার কাছে অনেক রোগীই একটা প্রশ্ন করেন, ব্যথা যখন প্রচণ্ড হয়ে যায়, তখন কি সাথে সাথে জোরে জোরে চাপ দেওয়া বা পুশ করা উচিত? উত্তরটা হলো, সাধারণত জোর করে পুশ করা উচিত নয়। জরায়ুমুখ পুরোপুরি খোলার আগে জোর করে পুশ করা কিছু ক্ষেত্রে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

একজন গর্ভবতী মায়ের জরায়ুর মুখ ধীরে ধীরে খুলতে শুরু করে, আর পুরোপুরি বা সম্পূর্ণভাবে খুলে গেলে এর মাপ হয় প্রায় দশ সেন্টিমিটার। একে বলা হয় ফুল ডাইলেটেশন। এই পুরো প্রক্রিয়াটা সবার ক্ষেত্রে একই গতিতে হয় না। কারো ক্ষেত্রে দ্রুত হতে পারে, আবার কারো ক্ষেত্রে বেশ কয়েক ঘণ্টাও লেগে যেতে পারে। এই পর্যায়ে অনেক মায়ের তীব্র ব্যথা এবং পুশ করার প্রবল তাগিদ অনুভূত হতে পারে। কিন্তু জরায়ুর মুখ সম্পূর্ণ না খোলা অবস্থায় জোর করে পুশ করলে কিছু ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

জরায়ুমুখ পুরোপুরি খোলার আগে বারবার বা জোর করে পুশ করার ফলে কিছু ক্ষেত্রে জরায়ুমুখে ফোলাভাব বা সার্ভিক্যাল ইডিমা দেখা দিতে পারে, যা প্রসবের স্বাভাবিক অগ্রগতিতে বাধা দিতে পারে। পাশাপাশি, কিছু ক্ষেত্রে জরায়ুমুখে আঘাতের ঝুঁকিও বাড়তে পারে। এছাড়া আগেভাগে বারবার পুশ করলে মা অনেক সময় অতিরিক্ত শক্তি ক্ষয় করে ফেলেন, অথচ প্রকৃত প্রসবের সময় এই শক্তিটাই সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয়ে পড়ে।

তাই আমি সবসময় বলি, ব্যথা যতই তীব্র হোক না কেন, একটু ধৈর্য ধরে রাখার চেষ্টা করুন। চিকিৎসক বা মিডওয়াইফ নিয়মিত বিরতিতে পরীক্ষা করে দেখবেন জরায়ুর মুখ কতটুকু খুলেছে। জরায়ুমুখ পুরোপুরি খুলে গেলে এবং তারা উপযুক্ত মনে করলে, তখনই আপনাকে কীভাবে ও কখন পুশ করতে হবে তার সঠিক নির্দেশনা দেওয়া হবে। কারণ পুশ করার সঠিক সময় এবং পদ্ধতি নির্ভর করে শিশুর অবস্থান, কন্ট্রাকশনের ধরন, ব্যথানাশক ব্যবহার হয়েছে কিনা, এবং মা ও শিশুর সার্বিক অবস্থার ওপর।

তাই মনে রাখবেন, আপনার চিকিৎসক বা মিডওয়াইফ কখন এবং কীভাবে পুশ করতে হবে, সেটা আপনার ও শিশুর অবস্থার ওপর ভিত্তি করে নির্দেশনা দেবেন। সঠিক সময়ে সঠিকভাবে পুশ করাই নিরাপদ প্রসবের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

আজ একটা ছোট্ট কিন্তু খুবই কাজের টিপস শেয়ার করছি, বিশেষ করে যারা মা হতে যাচ্ছেন তাদের জন্য।প্রসবের সময় ব্যথা উঠলে অনেক ...
22/08/2026

আজ একটা ছোট্ট কিন্তু খুবই কাজের টিপস শেয়ার করছি, বিশেষ করে যারা মা হতে যাচ্ছেন তাদের জন্য।

প্রসবের সময় ব্যথা উঠলে অনেক মা-ই ভয় পেয়ে যান, প্যানিক করে ফেলেন। এটা খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু জানেন কি, এই মুহূর্তে আপনার শরীরের সবচেয়ে বড় বন্ধু হলো আপনার নিজের শ্বাস।

ব্যথা বাড়লে আমরা অনেক সময় না বুঝেই শ্বাস আটকে ফেলি, শরীর শক্ত করে ফেলি। অথচ ঠিক তখনই দরকার একটু ধীর হয়ে, গভীরভাবে শ্বাস নেওয়া। ইংরেজিতে একে বলে Deep Breathing।
কীভাবে করবেন? নাক দিয়ে আস্তে আস্তে লম্বা করে শ্বাস নিন, কয়েক সেকেন্ড ধরে রাখুন, তারপর মুখ দিয়ে ধীরে ধীরে ছেড়ে দিন।

এভাবে বারবার করতে থাকুন। এতে,
শরীরে অক্সিজেন ভালোভাবে পৌঁছায়, যা বাচ্চার জন্যও উপকারী।
শরীর কিছুটা রিল্যাক্স হয়, তাই ব্যথাও একটু সহনীয় মনে হয়।

মনও শান্ত থাকে, ভয় বা প্যানিক কম হয়।
আমি আমার পেশেন্টদের সবসময় একটা কথা বলি, ব্যথাকে শত্রু মনে না করে বরং একে সঙ্গী করে নিন। প্রতিটা শ্বাসের সাথে সাথে ভাবুন, আপনি আপনার সন্তানকে এই পৃথিবীতে আসার পথ তৈরি করে দিচ্ছেন।

আলহামদুলিল্লাহ, যারা প্রসবের আগে থেকেই এই শ্বাসের অভ্যাস করে রাখেন, তারা লেবারের সময় অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী আর শান্ত থাকতে পারেন।

মনে রাখবেন, শ্বাসই আপনার সবচেয়ে বড় শক্তি এই সময়ে।

আমার দীর্ঘদিনের চিকিৎসা জীবনে আমি বহুবার দেখেছি, প্রসবের সময় একজন প্রশিক্ষিত ও অভিজ্ঞ মিডওয়াইফ বা নার্সিং প্রফেশনালের ...
19/08/2026

আমার দীর্ঘদিনের চিকিৎসা জীবনে আমি বহুবার দেখেছি, প্রসবের সময় একজন প্রশিক্ষিত ও অভিজ্ঞ মিডওয়াইফ বা নার্সিং প্রফেশনালের উপস্থিতি মা ও নবজাতক উভয়ের জন্যই কতটা গুরুত্বপূর্ণ। প্রসব একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হলেও এর প্রতিটি মুহূর্তে সতর্ক পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

একজন দক্ষ ধাত্রী প্রসবের অগ্রগতি নিবিড়ভাবে লক্ষ্য রাখেন, মায়ের রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দনের পাশাপাশি শিশুর হৃদস্পন্দনও পর্যবেক্ষণ করেন। কোনো জটিলতা দেখা দিলে তিনি তা শুরুতেই ধরতে পারেন, যা অনেক সময় মা ও শিশুর জীবন রক্ষায় নির্ণায়ক ভূমিকা রাখে।

অনেক পরিবার মনে করেন প্রসব একটি সাধারণ ঘরোয়া বিষয়, তাই অভিজ্ঞ প্রশিক্ষিত সহায়তা ছাড়াই বাড়িতে সন্তান প্রসব করানো নিরাপদ। কিন্তু বাস্তবতা হলো, প্রসবকালীন রক্তক্ষরণ, দীর্ঘায়িত প্রসব, শিশুর অক্সিজেনের ঘাটতি কিংবা অন্য যেকোনো জটিলতা কোনো পূর্বাভাস ছাড়াই দেখা দিতে পারে।

এই মুহূর্তগুলোতে একজন দক্ষ ধাত্রীর প্রশিক্ষিত চোখ এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতাই পার্থক্য গড়ে দিতে পারে জীবন আর মৃত্যুর মাঝে।

আমি সবসময় পরামর্শ দিই, প্রসবের জন্য এমন জায়গা এবং এমন সহায়তা বেছে নিন যেখানে একজন প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী উপস্থিত থাকেন এবং প্রয়োজনে দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা পাওয়া যায়। মাতৃমৃত্যু ও নবজাতক মৃত্যুর অনেক ঘটনাই প্রতিরোধযোগ্য, যদি আমরা সচেতন থাকি এবং সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিই।

আপনার প্রসবপরিকল্পনা নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে নির্দ্বিধায় আমার সাথে যোগাযোগ করুন। একটি নিরাপদ প্রসব প্রতিটি মায়ের অধিকার।

Address

Mirpur 1
Dhaka
1230

Telephone

+8801912335039

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Rooh-E-Zakaria posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share