09/07/2026
ফিফার অফিশিয়াল নিয়মকানুন (**IFAB Laws of the Game - Law 12: Fouls and Misconduct**) অনুযায়ী এই দুটি ঘটনার সিদ্ধান্ত বিশ্লেষণ নিচে দেওয়া হলো:
# # # প্রথম অংশ: সালাহ ও আলভারেজ (কেন ফাউল হয়নি?)
প্রথম অংশে মিশরের **মোহাম্মদ সালাহ (১০ নম্বর জার্সি)** এবং আর্জেন্টিনার **হুলিয়ান আলভারেজ (৯ নম্বর জার্সি)** এর মধ্যে বল দখলের লড়াই চলছিল। এখানে ফাউল না হওয়ার মূল কারণগুলো হলো:
* **আগে বল স্পর্শ করা (Ball First):** আলভারেজ যখন চ্যালেঞ্জ করেন, তিনি সালাহ-এর শরীরে কোনো আঘাত করার আগেই নিখুঁতভাবে **প্রথমে বল স্পর্শ করেন** এবং বলের গতিপথ বদলে দেন।
* **আইনসম্মত ট্যাকল (Legal Tackle):** ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড় যদি অসাবধানতা (Careless) বা অতিরিক্ত শক্তি (Excessive force) ব্যবহার না করে প্রথমে বলের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেন, তবে সেটিকে বৈধ ট্যাকল ধরা হয়।
* **নিয়ন্ত্রণ হারানো:** ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে সালাহ আলভারেজের ট্যাকলের আগেই বলের নিয়ন্ত্রণ এবং নিজের শারীরিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলেন। ফলে এখানে কোনো ফাউল দেওয়া হয়নি।
# # # দ্বিতীয় অংশ: মার্তিনেস ও মিশরের ১৯ নম্বর খেলোয়াড় (কেন ফাউল হয়েছে?)
দ্বিতীয় অংশে আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার হলেন **লিসান্দ্রো মার্তিনেস (Lisandro Martínez)** এবং তাঁর সাথে থাকা মিশরের ১৯ নম্বর জার্সিধারী খেলোয়াড়টি হলেন **মোস্তফা মোহামেদ (Mostafa Mohamed)**। এখানে ফাউল ধরার কারণ:
* **বলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ (Ball Control):** এই মুহূর্তে লিসান্দ্রো মার্তিনেসের পায়ে বলের স্পষ্ট এবং পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ছিল।
* **অন্যায়ভাবে শরীরে আঘাত (Careless Challenge):** মার্তিনেস যখন বলটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সরিয়ে নিচ্ছিলেন, তখন মিশরের ১৯ নম্বর খেলোয়াড় বলের নাগাল না পেয়ে সরাসরি মার্তিনেসের পায়ের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন বা ধাক্কা দেন।
* **ফিফার নিয়ম (Law 12):** আইন অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড়ের নিয়ন্ত্রণে থাকা বল কেড়ে নেওয়ার সময় যদি বল স্পর্শ না করে সরাসরি প্রতিপক্ষের শরীরে আঘাত বা ট্রিপ (Trip) করা হয়, তবে রেফারি তাকে **"Careless"** বা অসাবধানী ফাউল হিসেবে গণ্য করেন। যেহেতু এখানে বলের সাথে মিশরের খেলোয়াড়ের কোনো সংযোগ ছিল না, তাই এটি মার্তিনেসের পক্ষে ফাউল ধরা হয়।