Dr Sabyasachi Ghosh

Dr Sabyasachi Ghosh MBBS (CMC)
CCEBDM,CCIGC
MS ENT & Head & Neck Surgery

General Physician,Head & Neck Surgeon

Specialises in Microscopic & Endoscopic Surgeries..

Clinic Location: Health Point, Rani Bagan, Beside Durga Mandir , Berhampore
Contact for Clinic : 8101016329

30/08/2026

এই দিদি টার নাম রিম্পা রয়।। মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া অঞ্চলের নিবাসী।। ইনার একটা অদ্ভুত সমস্যা হয়, বলতে পারেন একটা দুর্ভাগ্যবশত এক্সিডেন্ট বা দুর্ঘটনা ঘটে যায়।। ওনার ছোট্ট বাচ্চাটা খেলার ছলে পেন্সিলের মাধ্যমে কানের ভেতর একটা অজান্তেই আঘাত করে ফেলে।। এই আঘাতের জন্য কানের গহবরের বা বহিঃশ্রবণ নালীতে (External Auditory Canal) চোট হয় ও তার সঙ্গে কানের পর্দাটা ফেটে যায়।।

খুব স্বাভাবিকভাবেই উনি আমার কাছে কানে ভীষণ তীব্র ব্যথা নিয়ে উপস্থিত হন ও তার সঙ্গে প্রচন্ড রকম ভাবে কানে ঝাঁপ ধরে যায়। আর চোট পাওয়া কানটাই শ্রবণ শক্তি একদমই চলে যায়।।
আমরা ডাক্তারি ভাষায় এই পরিস্থিতিটা বা দুর্ঘটনা টাকে ট্রমাটিক পারফরেশন (Traumatic Perforation) বলে আখ্যা দিয়ে থাকি।।
আজ ওনার অভিজ্ঞতায় আপনাদের সকলের সঙ্গে শেয়ার করলাম।। আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে ও দেখে উপকৃত হবেন।।

28/08/2026

" সুচেতনা পর্ব ১৪ "

" মাসেদুল ভাইয়ের
ঘ্রাণশক্তি ফিরে পাওয়ার
একটি অবিস্মরণীয় কাহিনী ।।"

আসুন আজ আমরা হাইপোস্মিয়া (Hyposmia) ও অ্যানোসমিয়া (Anosmia) জিনিসটা কি , এটা নিয়ে আলোচনা করবো।। উপসর্গটা অতটা সাধারণ বা কমন (Common) নয়, তাই এটা নিয়ে অনেকের মনে অজানা কিছু প্রশ্ন রয়েছে , সচেতনতার অভাব রয়েছে।। আজ সেই অজানা কে জানার ও মনের কৌতুহলকে উত্তর দেওয়ার জন্যে আজ এই উপস্থাপনা মাসেদুলের কাহিনী দিয়ে ।।

Hyposmia (হাইপোস্মিয়া) হলো স্বাভাবিকের তুলনায় ঘ্রাণশক্তি কমে যাওয়া, অর্থাৎ গন্ধ অনুভব করার ক্ষমতা আংশিকভাবে হ্রাস পাওয়া।

অন্যদিকে, Anosmia (অ্যানোসমিয়া) হলো সম্পূর্ণভাবে ঘ্রাণশক্তি হারিয়ে ফেলা বা কোনো গন্ধ অনুভব করতে না পারা।

ঘ্রাণশক্তি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ঘ্রাণশক্তি আমাদের খাদ্যের স্বাদ ও আনন্দ অনুভব করতে সাহায্য করে এবং ধোঁয়া, গ্যাস, পচা খাবার বা অন্যান্য বিপজ্জনক গন্ধ শনাক্ত করে নিরাপদ থাকতে সাহায্য করে। এছাড়াও এটি স্মৃতি, আবেগ ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।

Hyposmia (হাইপোস্মিয়া) -এর কারণ:

সর্দি-কাশি বা ভাইরাসজনিত সংক্রমণ, অ্যালার্জি, সাইনুসাইটিস, নাকের পলিপ, নাকের আঘাত, ধূমপান ও বয়সজনিত পরিবর্তনের কারণে হাইপোস্মিয়া হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে মাথায় আঘাত বা স্নায়ুতন্ত্রের রোগের সঙ্গেও এর সম্পর্ক থাকতে পারে।

Hyposmia (হাইপোস্মিয়া) ও Anosmia (অ্যানোসমিয়া) -এর চিকিৎসা কঠিন কেন?

ঘ্রাণশক্তি নাকের গন্ধগ্রাহী কোষ, ঘ্রাণ-স্নায়ু ও মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশের সমন্বিত কাজের উপর নির্ভর করে। তাই সমস্যাটি নাক, ঘ্রাণ-স্নায়ু বা মস্তিষ্কের কোন অংশে হয়েছে তা নির্ণয় করা সবসময় সহজ নয়। বিশেষ করে স্নায়ু বা মস্তিষ্কের ক্ষতি হলে সম্পূর্ণ ঘ্রাণশক্তি ফিরে পাওয়া কঠিন হতে পারে।

চিকিৎসকের জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ:

চিকিৎসকের প্রথম চ্যালেঞ্জ হলো সমস্যার সঠিক কারণ ও অবস্থান নির্ণয় করা। রোগীর ইতিহাস নেওয়া, নাক ও সাইনাস পরীক্ষা, প্রয়োজনে ঘ্রাণশক্তির পরীক্ষা এবং অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে কারণ শনাক্ত করতে হয়। কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা নির্বাচন করাও গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষণ ও রোগীকে বাস্তবসম্মত প্রত্যাশা সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া প্রয়োজন।।


21/08/2026

" সুচেতনা পর্ব ১৩ "

" কান দিয়ে রস পড়া "
বা
" Ear Discharge "

নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ।।

ঠান্ডা লাগলে " কান দিয়ে রস পড়া " এই সমস্যাটা আমরা প্রায়ই দেখে থাকি ।। অনেক সময় আমরা বিশেষ একটা গুরুত্ব দিই না ।। তবে বেশিরভাগ সময় এটা কানের ভিতরের পর্দা ও শ্রবণ অঙ্গ গুলির সংক্রমনের একটা লক্ষণ হিসেবে দেখা দেয় ।।

কানের ভেতর থেকে অস্বাভাবিকভাবে পানি, পুঁজ, রক্ত বা অন্য কোনো তরল বের হওয়াকে কানের নিঃসরণ (Ear Discharge) বলা হয়। এটি সাধারণত কানের কোনো রোগ বা সংক্রমণের লক্ষণ।।

কানের নিঃসরণ বিভিন্ন কারণে হতে পারে। যেমন—মধ্যকর্ণের (Middle Ear) সংক্রমণ, বহিঃকর্ণের (External Ear) সংক্রমণ, কানের পর্দায় ছিদ্র, কানে আঘাত, কানে অতিরিক্ত পানি জমা বা দীর্ঘদিনের কানের রোগ। কখনও কখনও কানে কোনো বিদেশি বস্তু (Foreign Body) প্রবেশ করলেও নিঃসরণ হতে পারে।।

নিঃসরণের ধরন ও রং রোগের কারণ সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে। এটি স্বচ্ছ বা পানির মতো, হলুদ/সাদাটে পুঁজযুক্ত, দুর্গন্ধযুক্ত, অথবা রক্তমিশ্রিত হতে পারে। পুঁজযুক্ত নিঃসরণের সঙ্গে ব্যথা, জ্বর বা শ্রবণশক্তি কমে যেতে পারে।।

সময় থাকতে এটার চিকিৎসা করিয়ে নেওয়া দরকার , নইলে ভবিষ্যতে স্থায়ী একটা কানের পর্দার ছিদ্র রয়ে যেতে পারে, যার দরুন বারংবার কান দিয়ে রস পড়া ও শ্রবণশক্তির ক্ষমতা দিনকে দিন কমে যেতে পারে।। কান হচ্ছে বিশেষ পঞ্চ ইন্দ্রিয়র একটি যার গুরুত্ব অপরিসীম।। তাই কান থেকে বারবার বা দীর্ঘদিন ধরে কোনো তরল বের হলে অবহেলা করা উচিত নয়।। কান শুকনো রাখা এবং প্রয়োজনে দ্রুত নাক-কান-গলা (ENT) বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

14/08/2026

" সুচেতনা পর্ব ১২ "

" অন্নপ্রাশন কেন
ছয় মাসেই বাদে হয়?? "

" Why Rice Feeding Ceremony
is Done After 6 Months of Birth?? "

মুখে ভাত বা অন্নপ্রাশন হলো বাঙালি সনাতন সংস্কৃতির অন্যতম এক গুরুত্বপূর্ণ এবং পবিত্র মাঙ্গলিক অনুষ্ঠান। একটি শিশুর জীবনে তরল মাতৃদুগ্ধের গণ্ডি পেরিয়ে কঠিন খাদ্যে অভ্যস্ত হওয়ার এই প্রথম পদক্ষেপটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, দেব-দেবী ও গুরুজনদের আশীর্বাদ নিয়ে শিশুকে প্রথমবার অন্ন মুখে তুলে দেওয়া হয়, যা তার দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধিময় ভবিষ্যতের ভিত্তি স্থাপন করে। বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকেও এই উৎসবের গুরুত্ব অপরিসীম; সাধারণত ছয় মাস বয়সে শিশুর পুষ্টির চাহিদা মেটাতে মায়ের দুধের পাশাপাশি বাড়তি সুষম খাবারের প্রয়োজন হয়, আর অন্নপ্রাশন ঠিক সেই সঠিক সময়েই আয়োজিত হয়। আত্মীয়-স্বজন ও প্রিয়জনদের মিলনমেলার মাধ্যমে এই উৎসব যৌথ পরিবারের মেলবন্ধন এবং সামাজিক সৌহার্দ্যকে আরও সুদৃঢ় করে তোলে।

শিশুদের অন্নপ্রাসন্ন বা মুখে ভাত অনুষ্ঠান ৬ মাস বয়সের পর করার পেছনে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ও স্বাস্থ্যগত কারণ রয়েছে। জন্মের প্রথম ছয় মাস পর্যন্ত শিশুর পরিপাকতন্ত্র সম্পূর্ণ অপরিপক্ব থাকে, যার ফলে তারা মায়ের বুকের দুধ বা ফর্মুলা ছাড়া অন্য কোনো শক্ত খাবার হজম করতে পারে না। ৬ মাস বয়সে পৌঁছালে শিশুর লিভার, কিডনি এবং অন্ত্রের কার্যক্ষমতা শক্ত খাবার গ্রহণের উপযোগী হয়ে ওঠে এবং তাদের লালাগ্রন্থি থেকে স্টার্চ বা শ্বেতসার হজমকারী উৎসেচক (Enzyme) নিঃসৃত হতে শুরু করে। এছাড়া এই সময়ে শিশুদের পুষ্টির চাহিদাও বৃদ্ধি পায়, যা কেবল দুধের মাধ্যমে পূরণ হওয়া সম্ভব নয়। তাই শিশুর সঠিক শারীরিক বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো এবং নিরাপদে শক্ত খাবারের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্যই সনাতন নিয়মে ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরামর্শে ৬ মাস পূর্ণ হওয়ার পর এই শুভ অন্নপ্রাসন্ন উৎসবের আয়োজন করা হয়।

আপনারা নিচে একটা জয়পুরে অবস্থিত হাওয়া মহলের (Hawa Mahal) একটা ফ্রিজ ম্যাগনেট দেখতে পাবেন।। এই ছোট্ট সাধারন ম্যাগনেটটা ...
09/08/2026

আপনারা নিচে একটা জয়পুরে অবস্থিত হাওয়া মহলের (Hawa Mahal) একটা ফ্রিজ ম্যাগনেট দেখতে পাবেন।। এই ছোট্ট সাধারন ম্যাগনেটটা
আমার ডাক্তারি জীবনের বলতে পারেন একটা
অমূল্য সম্পদ (Priceless)।।

আজকে এই উপহারটা বা সম্পদের সম্বন্ধে কথা বলতে গিয়ে দুজন অত্যন্ত নম্র ভদ্র মানুষের সঙ্গে আপনাদের আলাপ করাবো।। নিচে আপনারা একজন বয়স্ক দম্পতিকে দেখতে পাবেন ।। এই জেঠু জেঠিমার নাম শ্রী চন্দ্রনাথ ঘোষ ও শ্রীমতি বেলী ঘোষ।। এনারা মুর্শিদাবাদের কান্দি অঞ্চলের জেমোর বাসিন্দা।।
এনাদের সঙ্গে আমার কর্ম জীবনের সূত্রেই আলাপ।।

বেলি জেঠিমা বেশ অনেকদিন মাথা ঘোরার সমস্যা নিয়ে ভুগছিলেন।। চন্দ্রনাথ জেঠুর কথায় বেশ কিছু ডিপার্টমেন্ট বা বিভাগের ডাক্তারবাবুকে তিনি মাথা ঘোরার জন্য দেখান।। মাথা ঘোরার পেছনে লুকিয়ে থাকা সঠিক উৎসতা উনার ঠিক জানা ছিল না।। তাই তিনি কোন বিভাগের ডাক্তারবাবুকে দেখাবেন, সেটা নিয়েও উনি বেশ সন্দিহান ছিলেন।। যথাক্রমে তিনি প্রথমে একজন মেডিসিন স্পেশালিস্ট কে দেখান, সেখানে ফলস্বরপ চিকিৎসা না মেলায় তিনি একজন হাড়ের চিকিৎসক বা অর্থোপেডিক্সকে দেখান, সারভাইক্যাল স্পন্ডালাইসিস (Cervical Spondylosis) মাথা ঘোরার কারণ ভেবে।।
সেখানেও প্রত্যাশিত ফল না মেলায় তিনি বেশ দিশাহারা হয়ে পড়েন, বুঝতে পারছিলেন না তাকে কোন বিভাগের ডাক্তার দেখানো উচিত, যেখানে এই রোগটার সুরাহা মিলবে।। বিভিন্ন লোকোমুখে শুনে তিনি স্থির করেন একজন নিউরো মেডিসিন ডাক্তার বাবুকে তিনি দেখাবেন।। সেখানে কিছুদিন গিয়ে উনি চিকিৎসা করান।। উপসর্গ খানিকটা কমে, তবে কিছুদিনের মধ্যেই আবার আগের পরিস্থিতিতে ফিরে যান।। তখন সেই ডাক্তার বাবু পরামর্শ দেন একজন ইএনটি (ENT Specialist) ডাক্তারবাবুর সঙ্গে বিষয়টা নিয়ে কনসাল্ট করার জন্য।।

তখন তিনি গুগল থেকে আমার নাম ও চেম্বার এর ঠিকানাটা পান।। সেই প্রথম দিন থেকে আজ প্রায় ছয় মাস হতে চলল, আজ চন্দ্রনাথ জেঠু ও বেলি জেঠিমা বেশ শান্তিতে ও সুস্থ আছেন।। প্রথম দিন তারা যখন আসেন, তারা এতটাই উদ্বিগ্ন ছিল ব্যাপারটা নিয়ে যে তারা মন থেকে অনেকখানি ভেঙ্গে পড়েছিলেন।। তাদের প্রায় ৫ মাসে পাঁচখানা ডাক্তার দেখানো হয়ে যাওয়ার পরেও সেরকমভাবে সুরাহা মেলেনি।। তাই মনে একটা গভীর অনিশ্চয়তা এবং অদৃশ্য একটা আতঙ্ক সৃষ্টি হয়, যেটা দুজনের মনকেই ভিতরে ভিতরে প্রতিদিন একটু একটু করে কুরে কুরে খাচ্ছিল।।

আমার মনে পড়ে সেই দিনটার কথা, যেদিন ওনারা প্রথম আমার কাছে দেখাতে আসেন।। আমার প্রায় প্রথম ১৫ মিনিট তাদের আশ্বস্ত করতে ও মনে সাহস জোগাতে চলে গিয়েছিল।। আমি বলেছিলাম উনাদের , যে আপনারা একদম মন থেকে ভেঙে পড়বেন না। একটু বিশ্বাস রাখুন আমার উপর, আপনাকে আমি দু সপ্তাহের মধ্যে নিজে পায়ে হেঁটে চলাফেরা করাবো।।
তারপর ওনাদের এই ভয়ানক ভার্টিগো (Vertigo) রোগের সম্বন্ধে জানান দি ও বোঝানোর চেষ্টা করি যে কি করে এই মাথা ঘোরাটা আমাদের কানের ভিতরে অবস্থিত ভারসাম্য অঙ্গ (Vestibular Apparatus) থেকে উৎপত্তি হয়।।

যাই হোক ভগবান বা ঈশ্বরের আশীর্বাদে, বেলি জেঠিমা দুই সপ্তাহের মধ্যে অনেকটাই সুস্থ হয়ে যান।।
এই ভার্টিগো (Vertigo) এর জন্য উনি শারীরিকভাবে যত না ভেঙ্গে পড়েছিলেন, তিনি মানসিকভাবে আরও একটা যন্ত্রণায় ভুগছিলেন।।
পরিস্থিতিটা এমনই দাঁড়িয়েছিল যে বিগত এক বছর এই মাথা ঘোরার জন্য তিনি কোথাও দূরপাল্লা ট্রেনে বা বাসে বা প্লেনে চড়তে পারতেন না।। সবসময় আতঙ্কের মধ্যে থাকতেন, যে তিনি যদি যাত্রার মাঝপথেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তাহলে কি হবে?!! ঠিক এই যন্ত্রণার কারণেই, তিনি তার ছোট নাতনির কাছে কোনদিন গিয়ে উপস্থিত হতে পারছিলেন না।।

জেঠু জেঠিমার কন্যা ও জামাই এবং তাদের পরিবার কর্মসূত্রে বর্তমান চন্ডিগড়ে বসবাস করেন।। প্রায় বছরখানেক আগে তাদের একটা মিষ্টি নাতনি হয়।। যথারীতি দাদু দিদার ভীষণ আদরের নাতনীকে দেখার জন্য মনটা বড়ই ছটফট করছিল।। কিন্তু জেঠিমার জীবনে এই ভার্টিগো (Vertigo) রোগটি বাধা হয়ে দাঁড়ায়।। তবে সুচিকিৎসায় তিনি মাস দুয়েকের মধ্যে শারীরিক ও মানসিকভাবে একদম আগের মত সতেজ হয়ে যান।। তারপর আমি বললাম, এবার যান নাতনিকে দেখে আসুন।। আপনার সুস্থ হয়ে চন্ডিগড় যাওয়া, সুস্থ হয়ে মেয়ে জামাই ও নাতনি সঙ্গে সময় কাটানো, ও সুস্থ হয়ে একদম বাড়ি ফেরা - এগুলোই আমার চিকিৎসার সাফল্যের মাপকাঠি হবে।। একরাশ মুখে হাসি নিয়ে উনাদেরকে শুভেচ্ছা জানালাম ও ছোট শিশুটার জন্য ওনাদের মাধ্যমে ভালোবাসা শুভেচ্ছা ও আশীর্বাদ পাঠালাম।।

প্রায় মাসখানিক বাদে, জেটু জেঠিমা আমার কাছে আসেন।। তবে সেইবার আর রুগী হয়ে নয়, একদম সুস্থ সবল মানুষ, যিনি শারীরিকভাবে যতটা সক্ষম ততটা মানসিকভাবে স্বচ্ছন্দে বিরাজমান।। একরাশ হাসি নিয়ে জেঠিমা আমায় খুব আশীর্বাদ করলেন এবং জানালেন যে আমার চিকিৎসায় তিনি শুধু যাতায়াতই করেননি, তিনি এতটাই ভালো ছিলেন যে তিনি চন্ডিগড় থাকা খালিন রাজস্থানও ঘুরতে গিয়েছিলেন।। আর আমার কথা ভেবে, তিনি আমার জন্য জয়পুর থেকে এই হাওয়া মহলের একটা সুন্দর ফ্রিজ ম্যাগিনেট আমায় এসে উপহার দেন।।

বিশ্বাস করুন এই ফ্রিজ ম্যাগনেটটা আমার জীবনের অর্জন করা মেডেল গুলোর থেকে কোন অংশেই কম নয়।। চোখটা কিছুক্ষণের জন্য ছল ছল করে উঠেছিল।। কোথাও বইয়ের পেছনে রাত জাগা দিনগুলো সার্থকতা পেল।। আর অবিরাম অক্লান্ত ওয়ার্ডে পড়ে থাকা পরিশ্রমগুলো একটা পূর্ণতা লাভ করল।। ওনারা নিজের ছেলের মতন ভেবে আমায় আশীর্বাদ করে গেলেন।। আমি খুব যত্নসহ করে ফ্রিজ ম্যাগনেট টা আমার একটা ছোট্ট বাক্সে ভরে রাখলাম।।
এই ছোট্ট ছোট্ট জিনিস গুলোই আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ।। One More to the Collection of My Treasures for Life..

07/08/2026

" সুচেতনা পর্ব ১১ "

" অতিরিক্ত লাল মাংস
শরীরের জন্য কেন খারাপ?? "

" Why Too much of Red Meat
is Injurious to Health?? "

রেড মিট (Red Meat): স্বাস্থ্যে প্রভাব

রেড মিট (Red Meat) কী?
রেড মিট বলতে স্তন্যপায়ী প্রাণীর সেই মাংসকে বোঝায়, যা কাঁচা অবস্থায় লাল বা গাঢ় লাল রঙের হয়। এই লাল রঙের কারণ হলো এতে মায়োগ্লোবিন (Myoglobin) নামক প্রোটিনের পরিমাণ বেশি থাকে। গরু, খাসি, ভেড়া, শূকর এবং মহিষের মাংস রেড মিটের অন্তর্ভুক্ত।

রেড মিট ও হোয়াইট মিটের পার্থক্য
রেড মিটে মায়োগ্লোবিন, স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং কোলেস্টেরলের পরিমাণ সাধারণত বেশি থাকে। অন্যদিকে, হোয়াইট মিট যেমন মুরগি, টার্কি এবং অধিকাংশ মাছের মাংসে স্যাচুরেটেড ফ্যাট তুলনামূলক কম থাকে এবং এগুলো সহজে হজম হয়। তাই পরিমিত পরিমাণে হোয়াইট মিটকে সাধারণভাবে তুলনামূলক স্বাস্থ্যকর প্রোটিনের উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

রেড মিটের প্রকারভেদ
রেড মিটের মধ্যে প্রধানত গরুর মাংস, খাসির মাংস, ভেড়ার মাংস, শূকরের মাংস এবং মহিষের মাংস অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া প্রক্রিয়াজাত (Processed) রেড মিট, যেমন সসেজ, সালামি, বেকন ও হট ডগে অতিরিক্ত লবণ, সংরক্ষণকারী রাসায়নিক এবং অন্যান্য উপাদান থাকায় এগুলো আরও বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত।

রেড মিটের উপকারিতা
রেড মিট উচ্চমানের প্রোটিন, আয়রন, জিঙ্ক, ভিটামিন বি₁₂ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদানের ভালো উৎস। এগুলো শরীরের বৃদ্ধি, রক্তকণিকা তৈরি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে। তবে এই উপকারিতা পেতে অতিরিক্ত রেড মিট খাওয়ার প্রয়োজন নেই; পরিমিত পরিমাণই যথেষ্ট।

রেড মিটের ক্ষতিকর প্রভাব
অতিরিক্ত রেড মিট, বিশেষ করে প্রক্রিয়াজাত রেড মিট, নিয়মিত খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এতে থাকা স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও কোলেস্টেরল রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। অতিরিক্ত রেড মিট খাওয়ার সঙ্গে স্থূলতা, টাইপ-২ ডায়াবেটিস এবং কোলোরেক্টাল (বৃহদান্ত্র ও মলাশয়) ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধির সম্পর্ক বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে। এছাড়া অতিরিক্ত তাপমাত্রায় ভাজা বা পোড়ানো রেড মিটে এমন কিছু রাসায়নিক তৈরি হতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

🔬 Our Services / আমাদের পরিষেবা সমূহ :

✅ Ear, Nose & Throat Related Problems & their Treatment / নাক, কান ও গলার সমস্যা ও তার চিকিৎসা ।।

✅ Endoscopic Scarless Ear👂, Nose👃, Sinus & Throat Surgeries / স্কারলেস এন্ডোস্কোপিক সার্জারি ।।

✅ Endoscopic & Microscopic Ear Surgery / কানের অপারেশন ।।

✅ Advanced Nasal, Sinus & Throat Procedures / উন্নত নাক-সাইনাস চিকিৎসা ।।

✅ Allergy Testing & Treatment / অ্যালার্জি পরীক্ষা ও চিকিৎসা ।।

✅ Treatment of Allergic RhinoSinusitis & Pharyngitis ।।

✅ Sleep/Snoring Solutions / ঘুম ও নাকডাকার চিকিৎসা ।।

✅ Endoscopic Septoplasty (Scarless) / নাকের হাড় ব্যকার জন্য শ্বাসকষ্টের চিকিৎসা ।।

✅ Sinonasal Polyposis Treatment / সাইনোনাসাল পলিপ চিকিৎসা ।।

✅ Hearing Tests & Hearing Aids / শ্রবণ পরীক্ষা ও হেয়ারিং এইড (Providing the latest treatment & care in relation to decreased hearing & speech problems)

✅ Vertigo Diagnosis & Treatment / ভার্টিগো চিকিৎসা ।।

✅ Various types of Thyroid Disorders & their appropriate Management (Both Medical & Surgical)/ থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের টিউমার ও বিভিন্ন থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের অসুখ যেমন গলগণ্ড , সকল ধরনের চিকিৎসা করা হয়ে থাকে ।।

✅ Epistaxis & it's Treatment / নাক দিয়ে রক্ত পড়া ও তার চিকিৎসা ।।

✅ Endoscopic Removal of foreign bodies from Ear , Nose & Throat & removal of foreign bodies from throat & oesophagus by means of Oesophagocopy / অত্যাধুনিক চিকিৎসার মাধ্যমে নাক , কান , গলা ও শ্বাসনালী ও খাদ্যনালী থেকে কোনো Foreign Body (পয়সা, বোতাম , পেরেক , মাছের ও মাংসের কাঁটা , বাঁধানো দাঁত ) অতীব যত্নসহকারে অপারেশন করে বের করা হয় ।।

✅ Vocal cord Disorders (Vocal cord nodules, cyst , poylp & their Treatment) / কন্ঠস্বর বসে যাওয়া বা কণ্ঠনালীর Cyst বা Tumor এর চিকিৎসা ।।

✅ কানে ব্যথা থেকে মুখ বেকে যাওয়া , মুখে লাল পরা ।। তার সবরকমের চিকিৎসা ।। (Facial Nerve Palsy / Paresis)

✅ Treatment of Salivary Glands & it's disorders /সর্ব প্রকার লালা গ্রন্থির সমস্যা, যেমন পাথর হওয়া , টিউমার হয়ে যাওয়া , সব কিছুর Medical & Surgical Treatment আমরা করে থাকি ।।

✅ Tonsillitis & it's Management (Both Medical & Surgical) / বাচ্চা ও বড়দের সব ধরনেরই টনসিলের চিকিৎসা করা হয় ।।

Our Experienced ENT Surgeon :

Dr. Sabyasachi Ghosh, MBBS, MS ENT (Otorhinolaryngology & Head & Neck Surgery)

Ex House Physician in General Medicine.
CCEBDM (Certificate Course in Evidence Based Diabetes Management.)
CCIGC (Certificate Course in Integrated Geriatric Care.)

Let's work together in building a healthier tomorrow. "Service to mankind is Service to God."

নিজ জ্ঞানে, নিজ শিক্ষায় ;
পিতা মাতা ও ঈশ্বরের আশীর্বাদে,
চলো এক সুস্থ সমাজ তৈরী করি।
ও সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করি ।।

05/08/2026

" বাচ্চাদের বাক ও শ্রবণ
নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ।। "

" Speech & Hearing in Child. "

আমি আমার চিকিৎসা জীবনে এই প্রশ্নটা প্রায় পেয়ে থাকি, বিশেষ করে অনেক মায়েদের কাছ থেকে " ডাক্তারবাবু, আমার বাচ্চা ঠিকমত কথা বলছে না ।। ওর বয়স অনুযায়ী বাকি বাচ্চাদের তুলনায় ঠিকমতো উচ্চারণ করতে পারছে না , নইলে স্পষ্টভাবে কথা গুলো গুছিয়ে বলতে পারছে না ।।"

আজকে এই বিষয়টা নিয়েই একটু গভীরভাবে আলোচনা করব, যেখানে আমরা দেখব এই কণ্ঠ ধ্বনির উৎপত্তিটা কতটা কান ও ব্রেনের সঙ্গে অন্তরঙ্গভাবে জড়িয়ে আছে।। একটা শিশুর কণ্ঠস্বরের পেছনে যে অদ্ভুত ঈশ্বরের সৃষ্টি লুকিয়ে আছে, আজ সেটা নিয়ে একটু আলোচনা করবো ।।

" মূক " ও " বধির " বা আমরা যেটা ইংরেজিতে " Deaf & Dumb " বলে থাকি এই ব্যাপারটা আজ আমরা বোঝার চেষ্টা করব।। আজ আমরা ঈশ্বরের দেওয়া পঞ্চ ইন্দ্রিয়র মধ্যে এই বিষয় নিয়ে কয়েকটি ইন্দ্রিয়র ভূমিকা নিয়ে কথা বলবো।।

An Exciting Journey Waits for you all.
It's the Journey of Sound to the Brain..

For Full informative video,
Kindly Click on the below link:
https://www.facebook.com/share/v/1HvTuAdKMk/

04/08/2026

" কল্পনা জেঠিমার জীবনে
নতুন করে প্রত্যাবর্তন।।"

জীবন অনিশ্চিত।। প্রায় সকল মানুষকেই জীবনে এমন এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়, যার গুরুত্ব কয়েক সময় ব্যাখ্যা দেওয়া কঠিন, এবং যার সঙ্গে ঘটে, সেই তার মর্ম ও তাৎপর্যটা বুঝতে পারে।। ঠিক এমনই এইরকম একটা পরিস্থিতির মধ্যখানে পরে আমার কাছে উপস্থিত হন বহরমপুর নিবাসী একজন বছর ৫৫-৬০ এর ভদ্রমহিলা ।। নাম তার কল্পনা কুন্ডু।।

তিনি আমার কাছে যখন উপস্থিত হন, শারীরিক ও মানসিক দিক থেকে ভীষণ ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন।। শারীরিক দিক থেকে একিউট স্টাজেস অফ ভার্টিগো (Acute Stages of Vertigo) থেকে ভুগছিলেন।। কয়েকটা সময় মুখের কথার প্রয়োজন দরকার হয় না, মানুষকে দেখেই বোঝা যায় তিনি কেমন আছেন।। কল্পনা জেঠিমার অবস্থাটা ঠিক তেমনই ছিল।। শারীরিক ও মুখের ভাষা (Body Language) থেকেই বোঝা যাচ্ছিল তিনি কতটা যন্ত্রণায় ও দুর্ভোগে দিনগুলো কাটাচ্ছিলেন।।

আর মানসিকভাবে তিনি অনেকটা শোকাহত ছিলেন, কারণ কিছুদিন আগেই তার ভীষণ আদরের ও প্রিয় বড় মেয়েটিকে ক্যান্সারে হারাতে হয়।। অকালিন কন্যা বিয়োগের যন্ত্রণা হয়তো একটা মা-বাবাই বুঝতে পারেন ।। ঠিক এইরকম মনের পরিস্থিতি নিয়ে, তার সঙ্গে একটা জটিল রোগের কবলে পড়ে সবমিলিয়ে জীবনটা বড় দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল ওনার।।

তখন চিকিৎসক হিসেবে সবকিছু ভুলে গিয়ে, মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তার সমবেদনাটা অনুভব করতে হবে।। এইটা বোঝাটা দরকার, জীবনযাত্রায় আমরা সকলেই একই নৌকার যাত্রী ।। এখানে পুরো মানব সমাজটাই একে অপরের পরিপূরক ও নির্ভরশীল।। কেউই একা নয়, এই জীবন যুদ্ধে সকলেই সামিল।। পরিস্থিতিটাই শুধু আলাদা, বাকি বেঁচে থাকার জীবনযাত্রাটা সকলের প্রায় একরকম ।। তাই আগে ভালো মনের মানুষ হওয়াটা দরকার, তারপর আপনার পেশাগত পরিচিতিটা আসা উচিত।।

মানুষের মনটাকে আগে সুস্থ করা দরকার, তবেই তার শরীরের গভীরে গিয়ে মূল রোগটাকে নিরাময় করা সম্ভব হবে।।আজ সেই কল্পনা জেঠিমার অভিজ্ঞতা আপনাদের সকলের সঙ্গে শেয়ার করার জন্যই আজ এই ভিডিওটা বানানো।। যেখান থেকেই সকলে আপনারা দেখবেন, আশীর্বাদ করবেন।। আর কখনোই আপনারা মন থেকে এত ভেঙে পড়বেন না।। সময় সব একদিন মিলিয়ে দেয় ।। হয়তো কাছের মানুষকে কোনদিনও ফিরে পাবো না আমরা।। তবে নতুন করে জীবনে এগোনোর কিছু অনুপ্রেরণা আপনাকে ঈশ্বর বা আল্লাহ নিশ্চয়ই তিনি সময়ের সাথে দিয়ে থাকবেন।।

তাই ধৈর্য রাখুন, এই ব্রহ্মাণ্ড স্রষ্টার ওপর ভরসা রাখুন।। আপনি ভালো হবেন।। আপনি আরো সুস্থ থাকবেন।। সকলকে নিয়ে আবার নতুন করে ছন্দে ফেরাটাই হচ্ছে, জীবনে এগিয়ে যাওয়া।। জীবনকে আবার নতুন করে উপভোগ করা।। অনেক পুন্যের পরই, এই বিধাতা আপনাকে মানব জীবন উপহার দিয়েছেন।। তাই এটা নষ্ট হতে দেবেন না।। আপনার এইরকম জীবন সংগ্রামের পর নতুন করে বেঁচে থাকায় অনেক মানুষের কাছে সাহস , ভরসা , বিশ্বাস ও অনুপ্রেরণার যোগান দেবে ।। সকলে ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন।। সকলকে ভাল রাখার চেষ্টা করবেন।।

আমার পাশে দাঁড়িয়ে এই যে মানুষ দুটি আপনারা দেখছেন, এনাদের নাম হচ্ছে মিস্টার তপন রায় (Mr Tapan Ray) ও মিসেস কণিকা রায় ...
03/08/2026

আমার পাশে দাঁড়িয়ে এই যে মানুষ দুটি আপনারা দেখছেন, এনাদের নাম হচ্ছে মিস্টার তপন রায় (Mr Tapan Ray) ও মিসেস কণিকা রায় (Mrs Kanika Ray) ।। এনারা ভদ্র মার্জিত তো বটেই, তার সঙ্গে ইনাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা (Educational Qualifications) সত্যিই প্রশংসনীয়।।

কথায় আছে না " আপিএেন্সের ক্যান বি ডিসেপটিভ.." (Appearances Can Be Deceptive..)
"বাহ্যিক রূপ দেখে কাউকে বিচার করা উচিত নয়।।"
ইনাদের ক্ষেত্রে ঠিক তাই।। অতীব সাধারন , এবং এক কথায় ট্রু জেন্টলম্যান (Gentleman)।। হয়তো প্রকৃত শিক্ষা আরও বিনয়ী হতে শেখায়।।

তপন জেঠুর কথা অনুযায়ী ওনার ষোলটা (১৬)টা ডিগ্রী রয়েছে।। উনি একজন এডভোকেট হিসেবেই নিজের পেশাটাকে বেছে নিয়েছেন, বর্তমানে উনি এখন রিটায়ার্ড পার্সোনাল।।
আর ওনার স্ত্রী মিসেস কণিকা রায় কান্দির কাছে বহড়া হাই স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন।। আর ওনাদের ছেলে এই বছরই খুব সম্ভবত আইএস প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন।।

এনাদের সম্বন্ধে কথা বলার জন্য একটা প্রসঙ্গ তুলে আনা দরকার।। সেটারই একটা ছোট বিশ্লেষণ দিচ্ছি।।

আমেরিকায় (USA) নিউইয়র্কে (New York) অবস্থিত ইউনাইটেড নেশনসের (United Nations) এর হেডকোয়ার্টার (Head Quarter)।। বর্তমানে এই ইউনাইটেড নেশন (United Nations) সংস্থার মহাসচিব এর কার্যালয়ের প্রধান (Head of the Secretary -General's Office) হলেন অ্যান্টনিও গুটারেস (António Guterres)।। এনার ২০২৬ এর ডিসেম্বরে তার নির্ধারিত কার্যকালের অবসান ঘটবে।।
অর্থাৎ ২০২৭ জানুয়ারি থেকে নতুন প্রধান সেই দায়িত্বটা গ্রহণ করবে।। এর জন্য সারা বিশ্বে সবচেয়ে বুদ্ধিমান , শিক্ষিত ও সকল বিষয়ের জ্ঞান অর্জনকারী এমন মানুষকেই তারা আগামী দিনের জনকল্যাণের জন্য বেছে নেবেন।।
সেই কথামতো এই বছর সারা বিশ্ব থেকে ৩২ টি এই রকম জ্ঞান ও শিক্ষার অধিকারী এমন দুর্লভ মানুষকেই বাছা হয়েছে সব শিক্ষাগত যোগ্যতা মূল্যায়ন করে।।

কোথায় বুকটা গর্বে ভরে যায় জানেন , একজন ভারতীয় হিসেবে?? একজন বাঙালি হিসেবে??

যখন জানতে পারি মিস্টার তপন রায়ের কথায়, যে তিনি ওই ৩২ টি মানুষের মধ্যে একজন, শুনে মনটা এত আনন্দে ভরে উঠলো একজন ভারতীয় নাগরিক হিসাবে , গর্বিত বোধ করলাম একজন বাঙালি হয়ে ।। সত্যি ভাবা যায়।। এত বিরল একটা ঘটনা, কোন শোরগোল নেই, কোন কলরব নেই , কোন জনমাধ্যমে প্রচার নেই।। হয়তো প্রকৃত শিক্ষা আরও বিনয়ী হতে শেখায়।। হয়তো প্রকৃত শিক্ষা আরো পায়ের নিচের মাটির টানকে আরো জোরালো , মজবুত করে তোলে।।

তপন জেঠুর মাস খানিক বাদে আমেরিকায় রওনা দেবেন তার ফাইনাল সিলেকশন ও ইন্টারভিউ এর জন্য।। আমার নাম শুনে তার স্ত্রীর কানে শোনার সমস্যার জন্য আমার কাছে দারস্ত হন, যাতে তিনি নির্দ্বিধায় ও কোন বিপদ ছাড়ায় সস্ত্রীক আমেরিকা যেতে পারেন।। আমি উনাকে আশ্বাস দিয়ে বললাম "আপনি আপনার খালি প্রস্তুতিটা চালিয়ে যান, আপনার স্ত্রীর কানের সমস্যার দায়িত্ব আমি নিয়ে নিলাম।। ওই ব্যাপারটা নিয়ে আপনি নিশ্চিন্তে থাকুন।। ওটা আমি ঠিক সারিয়ে দেব।।"

তাই আমার বিনীত অনুরোধ সকলের কাছে, আপনারা যেখান থেকে এই পোস্টটা দেখছেন, মিস্টার তপন রায়ের জন্য অবশ্যই শুভকামনা, শুভেচ্ছা জানাবেন ও মন থেকে আশীর্বাদ করবেন।। কারণ আমি মনে প্রানে চাই আবার সেই শিকাগোই স্বামী বিবেকানন্দের সেই বিখ্যাত ভাষণের পর আবার একজন ভারতীয় বাঙালি বিশ্বমঞ্চে আবার বাংলার মুখ উজ্জ্বল করুক।। সকলের স্বতঃস্ফূর্ত শুভেচ্ছা, শুভাকাঙ্ক্ষা ও আশীষ একান্তই জরুরী।।

সকলে ভালো থাকবেন।। সুস্থ থাকবেন।।
গুরুজনেরা আমার প্রণাম নেবেন।। 🙏🙏
ছোটদের প্রতি আমার ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা রইল।।

02/08/2026

স্ট্রোক হল একটি মেডিকেল ইমার্জেন্সি যা ঘটে যখন মস্তিষ্কের অংশে রক্ত সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয় বা কমে যায়। অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত ছাড়া, মস্তিষ্কের কোষগুলি কয়েক মিনিটের মধ্যে মারা যেতে শুরু করে, যা অবিলম্বে চিকিত্সা না করলে দীর্ঘমেয়াদী মস্তিষ্কের ক্ষতি, অক্ষমতা বা এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। স্ট্রোকের লক্ষণ এবং উপসর্গগুলি সনাক্ত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ অবিলম্বে চিকিৎসা হস্তক্ষেপ জীবন বাঁচাতে এবং ফলাফল উন্নত করতে পারে।

Address

Pilkhana Road
Berhampore
742101

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Sabyasachi Ghosh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share