Contai Quiz Forum

Contai Quiz Forum An entertaining intellectual quiz group with smart digitalization. Contact us for any kind of QUIZ COMPETITION..

The last of the living legends   has passed away at age of 92.
12/04/2026

The last of the living legends has passed away at age of 92.

Collected from Gk Class
03/04/2026

Collected from Gk Class

|| বেড়ি হনুমান মন্দির ||ঘরের ছোট সদস্যটি দস্যি হলে মায়েরা বলেন একদম দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখবেন।শঙ্কর অবতার হনুমান প্রকৃতপ...
02/04/2026

|| বেড়ি হনুমান মন্দির ||
ঘরের ছোট সদস্যটি দস্যি হলে মায়েরা বলেন একদম দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখবেন।

শঙ্কর অবতার হনুমান প্রকৃতপক্ষে এরকমই চঞ্চল আর দস্যি ছিলেন‌ । কিন্তু তাকে বেঁধে রাখতে পারেননি কেউই। কিন্তু একজনের কাছে তিনি স্বেচ্ছায় বন্ধন গ্রহণ করেছিলেন। আমাদের প্রভু জগন্নাথ নীলমাধবের কাছে।

শ্রীক্ষেত্রে যখন প্রভুর আবির্ভাব হয়, তখন সব দেবদেবী তাকে দর্শন করতে আসতেন। সেই দেখে সমুদ্রদেব ও ইচ্ছা পোষণ করতেন প্রভু দর্শনের। কিন্তু তার আগমনের সাথে সাথে প্রবল ঢেউ মন্দিরের ক্ষতি করতো। বিপদ বুঝে প্রভু নিজের একনিষ্ঠ ভক্ত হনুমানকে সমুদ্র তদারকির কাজে নিযুক্ত করেন।

কিন্তু সদা রাম নাম গানে চঞ্চল হনুমান কখনো নামগান শুনতে, কখনো লাড্ডু খেতে অযোধ্যায়, কখনো সমুদ্রের কূটনীতির জালে পড়ে নির্দিষ্ট জায়গা থেকে সরে যেতেন। এতে সমুদ্র আবার মন্দিরের কাছে চলে আসতো। ফলে হত ক্ষয়ক্ষতি।

এই চঞ্চল হনুমানকে এবার প্রভু সোনার শিকল দিয়ে বেঁধে রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন। যাতে সে কোনো অবস্থায় অন্যত্র না যেতে পারে। ভক্ত হনুমান এইবার এই শৃঙ্খল গ্রহণ করলেন যাকে কেউ বেঁধে রাখতে পারেনি কোনোদিন।

আজকেও হনুমান রয়েছেন সেইভাবেই শিকল বাঁধা, এই মন্দিরের নাম বেড়ি হনুমান মন্দির। পুরী গেলে অবশ্যই দর্শন প্রয়োজন।

এটি হতে পারে তৎকালীন সময়ে (সম্ভবত ১৫ শতক হতে পারে ) ওড়িশার রাজপরিবার ও মানুষ সমুদ্র প্রভাব থেকে বাঁচতে প্রতীকী মন্দির স্থাপন করেছেন কিন্তু তাতে করে এই পৌরাণিক গাথার গুরুত্ব কম হয় না, আমাদের ভারতবর্ষের সম্পদ এই গাথাগুলি।
আজ হনুমান জয়ন্তী। শঙ্কর অবতারের মত প্রভুভক্ত শিষ্য সত্যিই আজকের দিনে পাওয়া কঠিন, তবে গীতার ঐ কথা, সমর্পণ উত্তমের প্রতি হওয়া আবশ্যক। যেমন হনুমান নিজেকে সমর্পণ করেছিলেন দাশরথি রামের কাছে।

জয় সীতাপতি রাম! জয় হনুমান! আপনাদের কল্যাণ হোক।

Courtesy- Krishnendu mondal

Can't believe🙏🙏 RIP
29/03/2026

Can't believe🙏🙏 RIP

29/03/2026

বেশ কয়েক বছর আগের আমাদের একটি অনুষ্ঠানের অংশ...

Wishing everyone a very blessed Ram Navami 🙏May Lord Ram fill your life with strength, wisdom, and peace.Let this auspic...
27/03/2026

Wishing everyone a very blessed Ram Navami 🙏
May Lord Ram fill your life with strength, wisdom, and peace.
Let this auspicious day bring prosperity, happiness, and dharma into your journey.
Jai Shri Ram! 🚩

24/03/2026

আমাদের বরন পর্ব

মগজ মিটার - সিজন 9
19/03/2026

মগজ মিটার - সিজন 9

|| ঘেঁটু পুজো ||আজ ফাল্গুন সংক্রান্তি। বসন্তের দুটি মাসের মধ্যে আজকে একটি মাসের শেষ, অপরটি সূচনা হবে আগামীকাল। মা শীতলার...
15/03/2026

|| ঘেঁটু পুজো ||
আজ ফাল্গুন সংক্রান্তি। বসন্তের দুটি মাসের মধ্যে আজকে একটি মাসের শেষ, অপরটি সূচনা হবে আগামীকাল। মা শীতলার কথা বলতে গিয়ে বলেছি এই বসন্ত মনোরম হলেও এর রোগ দুর্ভোগ অনেক। গ্রামবাংলার মানুষ তাই বিপদের কথা মাথায় রেখে আজকেও বিভিন্ন দেবদেবীর স্মরণ করে । যাতে মানুষ সুস্থ থাকে। ঘেঁটু বা ঘাঁটু দেবতা তাদের মধ্যে অন্যতম।

চলতি নাম ঘেঁটু হলেও এনার একটা ভালো নাম আছে। সেটি হল ঘণ্টাকর্ণ। নাম শুনে মোটামুটি আন্দাজ করা যায় কানে ঘণ্টা যার। এনাকে দেখতে পিশাচ-অসুরের ন্যায়। তবে প্রথম জীবনে ইনিও ছিলেন দেবতাদের মতোই সুন্দর।

কিন্তু বহু পাপকাজের জন্য জগৎপালক শ্রীবিষ্ণু এনাকে পিশাচ জন্মের ও রোগভোগের অভিশাপ দেন। সুন্দর দেবজন্মের পরিবর্তে এই পিশাচরূপে বিচরণ করা দেবতা মনেপ্রাণে হরিবিদ্বেষী। শ্রীহরির নাম যাতে কানে না পোঁছায় তার জন্য দুই কানে বেঁধে নিলেন দুই ঘণ্টা। হলেন ঘণ্টাকর্ণ-চর্মরোগের দেবতা।

তবে গ্রামবাংলায় এনার সুষ্পষ্ট মূর্তি নেই, পুরোটাই প্রতীকী। ফাল্গুন সংক্রান্তির দিন খুব সকালে গ্রামের মহিলারা খোলা চুলে বাম হাত দিয়ে একটি ভুসোকালি মাখানো মাটির হাঁড়ি উল্টো করে কুলোর ওপর বসাবেন। তাতে ওপরে দেবেন গোবরের তাল। ঐ গোবরে থাকবে দুটি কড়ি দিয়ে করা চোখ আর সিঁদুর। জড়ানো থাকবে হলুদ মাখা কাপড়। সুস্পষ্ট মন্ত্র নেই। অনেক জায়গায় পুরোহিত দিয়েও পুজো হয়। পুজো হবে উন্মুক্ত স্থানে। পুজোর জন্য গুড়-কলাই ও অন্যান্য সামান্য উপকরণ লাগে।

পুজো শেষে ছোট ছেলেমেয়েরা ঐ হাঁড়ি বাঁশ দিয়ে ভেঙে দেবে। তারপর হাত ধুয়ে নেবে। চোখে কেউ কেউ ঐ ভুসোকালি পরবে- এ সবটাই চর্মরোগ যাতে না হয় তার জন্যেই।

সন্ধ্যায় হবে ঘেঁটুর গান। কলাপাতার দোলা করে তাতে প্রদীপ জ্বেলে ঘেঁটু ফুল দিয়ে সাজিয়ে বাড়ি বাড়ি ঘুরে ছোট ছেলেমেয়েরা সংগ্রহ করবে আহারের জন্য সামগ্রী। চৈত্র সংক্রান্তি তে এসব নিয়ে হবে বিশেষ ভোজন, বা feast!

চালডাল সংগ্রহের সময় এরা গাইবে গান ।‌ অনেকটা এরকম -
"আলোর মালা চাল ডাল দাও
নয় খোস-পাঁচড়া লও
যে দেবে ধামা ধামা
তাকে ঘেঁটু দেবে জরির জামা
যে দেবে শুধু বকুনি।
ঘেঁটু দেবে তাকে খোস-চুলকানি!"

এছাড়াও অনেক গান রয়েছে। এটাও কিন্তু বাংলার বড় সম্পদ - যা আজ অনেকটাই বিলুপ্ত। এখন আর মানুষের সময় নেই ঘেঁটু গান গাওয়ার, পুজো করার। তথাকথিত প্রসিদ্ধ দেবদেবী নন বলে আর পুজো পদ্ধতি মোটামুটি সকলের জ্ঞাত নয় বলে শহরে এ পুজো প্রায় নেই। গ্রামাঞ্চলে থাকতে পারে।

আর এই দেবতার নাম অনুসারে একটি ফুল ও আছে- ঘেঁটু ফুল। যার এই বসন্তকালীন রোগে ঔষধি গুণ দারুণ। অর্থাৎ প্রকৃতির সাথে দৈব কেমন সুন্দরভাবে মিলে আছে।

বাংলার সম্পদ এই ধরনের পুজো গুলো। এরকম আরো দেবদেবী আছেন যারা আজ প্রায় বিলুপ্ত। কিন্তু তারা একেবারে সমাপ্ত হয়ে যান নি, আজকেও কিছুজন আছেন, যারা মনে রেখেছেন এদের। আমরাও যেন এনাদের না ভুলি। সাথে যেন না ভুলি চর্মরোগ বা এই ঋতুকালীন রোগে সবার আগে ডাক্তার দেখাতে। সাথে থাকবে প্রার্থনা।

সকলের ভালো হোক।
Courtesy- krishnendu mondal.

11/03/2026

Rapid fire round.
Q. M. - Suchi Suvra Banerjee

|| শীতলাষ্টমী - ব্রতকথা ||গ্রামবাংলার একটা প্রসিদ্ধ জায়গার নাম যদি করা হয় তাহলে শীতলার থান থাকবেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। এ...
11/03/2026

|| শীতলাষ্টমী - ব্রতকথা ||
গ্রামবাংলার একটা প্রসিদ্ধ জায়গার নাম যদি করা হয় তাহলে শীতলার থান থাকবেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। এখন এই শীতলা মা কে লোকজন বেশ ভয় করেই চলে। সর্বদাই ভয় হয় যে কোনো ত্রুটি হলে, মা সব ধ্বংস করে দেবেন।
এই ভয় কিন্তু অমূলক নয়, হ্যাঁ, শীতলা মা রাগী। কিন্তু মানুষজন যেভাবে প্রচার করে ততটাও নয়।

আজ শীতলাষ্টমী। বলা যেতে পারে মা শীতলা পুজোর একটা অফিশিয়াল তিথি। আদ্যাশক্তির এক অংশ হলেন মা -রোগব্যাধি মুক্তির দেবী। দোল পরবর্তী অষ্টমী (কৃষ্ণাষ্টমী) যা মূলত চৈত্রে পড়ে থাকে সেটাই শীতলাষ্টমী। এবার তিথি পড়েছে ফাল্গুনে। তবে শীতলা পুজো এখন এই চৈত্র-বৈশাখ পর্যন্ত জোরকদমে বিভিন্ন জায়গায় মহাসমারোহে চলবে।

আপনি যদি গ্রামে যান, তাহলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মায়ের কালো শিলা রূপের পুজো দেখবেন। মূর্তি সেরকম পাওয়া কঠিন। তবে হাওড়ার সালকিয়ায় আপনি বেশ কিছু মূর্তি পাবেন। এমনিতেও হাওড়ায় বেশ বড় বড় মূর্তির পুজো হয়। তার একটি সামগ্রিক রূপ নিচের ছবিতে দেখানো হয়েছে।

তবে এ প্রসঙ্গে বলি, মা কিন্তু দিগম্বরী। (প্রণাম মন্ত্র অনুযায়ী) অধম ভক্তের কল্পনায় মাকে আভূষণ দিয়েছি, নিজ গুণে ক্ষমা করে দেবেন।

যদি মূর্তি দেখি, দেখতে পাবো মায়ের এক হাতে ঝাঁটা, অপর হাতে কলস। মাথায় রয়েছে কুলো আর গাধার পিঠে বসে আছেন। শুনলে অবাক লাগবে এই প্রতিটি বিষয়ের তাৎপর্য আছে।

ঝাঁটা-কুলো - একটু ভেবে দেখবেন এগুলো কোন কাজে ব্যবহৃত হয়, কুলো প্রধানত শস্য ঝাড়াই বাছাই, আর ঝাঁটাও ঘরের জঞ্জাল সাফ করায়। মা স্বয়ং এইগুলি ধারণ করে সন্তানের বসন্তকালীন রোগব্যাধি হরণ ও নিরাময় করছেন। আর কলসে রয়েছে শান্তিবারি, ভক্তের উদ্দেশ্যে শান্তিবারি প্রদান করে তাকে শীতল করছেন, রোগমুক্ত করছেন। মা কল্যাণময়ী, সন্তানের রোগভোগ সহ্য করতে পারেন কি?

সাথে রয়েছে বাহন গাধা। অন্যান্য দেবদেবীরা সব বাহন নিয়ে নিয়েছেন। পরে আছে গাধা। মা তাকেই গ্রহণ করলেন‌ । আসলে একটু ভাবলেই বোঝা যায় এর তাৎপর্য। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে গাধার দুধ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এখানেও মায়ের কাজের সাথে মিলে গেল! ভারতবর্ষের পুরাণ অতি চমৎকার। এখানে প্রতিটি অংশের যুক্তিপূর্ণ ব্যাখ্যা আছে যা এখনো আমাকে অবাক করে!

বসন্তকাল মনোরম ঋতু হলেও, মানুষের রোগভোগের শেষ থাকেনা। বসন্ত, হাম, চর্মরোগে একসময় পর্যন্ত মা শীতলার থানে বহু মানুষ প্রার্থনা করেছেন। কিন্তু এক্ষেত্রে বলে রাখি, এইরকম পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ প্রথম কর্তব্য, সাথে থাকবে আপনার অন্তর থেকে প্রার্থনা। সব মিলেই রোগী সুস্থ হবেন।‌

এখন মা শীতলার এত কথা শুনছি, ব্রতকথা না পড়লে মনটা ভরে না। আসুন আজকের দিনে ব্রতকথা পড়ি, পূর্ণ ভক্তি সহকারে।
যেভাবে শুরু হয়, বহু কাল আগে এক ব্রাহ্মণী সুখে সংসার করছিল তার দুই পুত্রবধূ, নাতিদের সাথে। ব্রাহ্মণী ছিলেন ধর্মপ্রাণা। বিভিন্ন ব্রত পালনের সাথে সাথেই দোল পরবর্তী কৃষ্ণাষ্টমীতে মা শীতলার ব্রতপালন করবেন। এখন এই ব্রতপালনে আগের দিন অর্থাৎ সপ্তমীতে রান্না করে রেখে অষ্টমীতে বাসি খাওয়া হয়। ঠাকুরকেও শীতল ভোগ ই দেওয়া হয়।
কিন্তু পুত্রবধূ ও নাতিরা বাসি ভোগ খাওয়ায় অনীহা প্রকাশ করলো। তাই তারা লুকিয়ে গরম রান্না খেয়ে পুনরায় ব্রত চলাকালীন সামান্য বাসি খাবার খেলো।
এ দৃশ্য দেখে মা শীতলা গেলেন রেগে। ঐ বৌদের আদরের সন্তানদের করলেন রোগগ্রস্ত। সন্তানদের কষ্টে ব্যথিত মায়েরা তাদের নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা করাতে নিয়ে গেল, কিন্তু কোথাও কোনো সুরাহা হলো না।
এরকম করেই ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎ দুই বৌ দেখতে পেল এক গাছের তলায় দুই বোন বসে মাথা চুলকাচ্ছে। কাছে গিয়ে তারা জানতে পারে ঐ দুই বোনের নাম ওরী ও শীতলা এবং তাদের মাথায় প্রচুর উকুন।
বৌয়েরা তাদের মাথার উকুন নির্মূল করলো। এতে দুই বোনের মাথা শীতল হল।‌
দুই বোন এবার এদের বিষয়ে জানতে চায়। তখন বৌয়েরা সব খুলে বলে। সব শোনার পর মা প্রকট হন। আসলে ঐ দুই বোন ছিল মা শীতলারই অংশ।

ক্রোধান্বিত মা শীতলা বৌয়েদের ভুলের কথা স্মরণ করায়। বৌয়েরা হাতজোড় করে নিজেদের ভুল স্বীকার করতে থাকে। মায়ের মন, এভাবে ডাকলে আর কি মা রাগ করে থাকতে পারেন? আবার সুস্থ করে দিলেন তাদের সন্তানদের। ছড়িয়ে পড়ল মা শীতলার মাহাত্ম্য।

Courtesy- krishnendu mondal

Address

Contai

Telephone

+917001074114

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Contai Quiz Forum posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share