Health and Wellness

Health and Wellness Health and Wellness is an active process of becoming aware of and making choices toward a healthy and fulfilling life.

প্রসবোত্তর দিনগুলোয় নিজের যত্ন: নতুন মায়েদের জন্য কিছু সহজ পুষ্টি-টিপস 🤱✨নতুন শিশুর আগমন যেমন আনন্দের, তেমনই একজন নতুন ম...
27/05/2026

প্রসবোত্তর দিনগুলোয় নিজের যত্ন: নতুন মায়েদের জন্য কিছু সহজ পুষ্টি-টিপস 🤱✨
নতুন শিশুর আগমন যেমন আনন্দের, তেমনই একজন নতুন মায়ের জন্য তা শারীরিক ও মানসিকভাবে বেশ ক্লান্তিকর। বাচ্চার খাওয়ানো এবং টেক-কেয়ার করার চক্করে মায়েরা নিজেদের খাওয়ার সময়ই পান না। অথচ, স্তন্যপান করানোর (lactation) এই সময়টাতে মায়ের শরীরের দৈনিক পুষ্টির চাহিদা (daily requirement) সাধারণ সময়ের চেয়ে অনেক বেশি থাকে। এর সাথে যোগ হয় Postpartum Stress এবং Depression।
এই কঠিন কিন্তু সুন্দর পরিস্থিতিটা একটু সহজে সামলানোর জন্য রইলো কিছু জরুরি এবং চটজলদি গাইডলাইন:
১. খিদের মুখে মিষ্টি থেকে দূরে থাকুন 🚫🍬: তীব্র খিদের সময় হঠাৎ মিষ্টি বা রিফাইনড সুগার জাতীয় খাবার খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা হুট করে বেড়ে আবার নেমে যায়, যা ক্লান্তি ও মেজাজ খিটখিটে হওয়া আরও বাড়িয়ে দেয়।
২. হাতের কাছে রাখুন 'স্মার্ট স্ন্যাক্স' 🥜🍇: হুটহাট খিদের চটজলদি সমাধানে ঘরের টেবিল বা বিছানার পাশে অ্যালমন্ড, পেস্তা, আখরোট, কিসমিস এবং খেজুর রাখুন। এগুলো যেমন পুষ্টিকর, তেমনই এনার্জি বুস্টার।
৩. রোস্টেড মিক্সড সিডস (Roasted Mixed Seeds) 🌱: বিকেলের হালকা ক্ষিদে মেটাতে বা চিবানোর জন্য ড্রাই রোস্টেড তিল, ফ্লেক্সসিডস, পাম্পকিন সিডস বা সানফ্লাওয়ার সিডসের মিশ্রণ দারুণ ও পুষ্টিকর স্ন্যাক্স হতে পারে।
৪. ছাতুর ম্যাজিক 🥛🌾: সকালে বাচ্চার জন্য সময়মতো ভরপেট ব্রেকফাস্ট করার সময় না পেলে একগ্লাস ছাতুর শরবত বা ছাতু মাখা খেয়ে নিন। এটি আপনাকে অন্তত ২ ঘণ্টা নিশ্চিন্তে এনার্জি দেবে এবং পেট ভরিয়ে রাখবে। পরে সময় বুঝে হেভি ব্রেকফাস্ট করে নিতে পারবেন।
৫. মিড-মর্নিং এ চিয়া সিডস ও দই 🥣: দুপুরের লাঞ্চ করতে যদি দেরিও হয়, মিড-মর্নিং-এ (সকাল ১১টা নাগাদ) টকদইয়ের সাথে চিয়া সিডস মিশিয়ে খেয়ে নিন। এটি পেট যেমন ঠান্ডা রাখবে, তেমনই অনেকক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করবে।
৬. জলের বোতল হোক সার্বক্ষণিক সঙ্গী 💧🍼: বাচ্চাকে যখনই ফিড করাতে বসবেন, হাতের কাছে এক বোতল জল রাখুন। ফিড করানোর সময় জলের তৃষ্ণা পায়, তাই সামনে জল থাকলে সঠিক পরিমাণে জল খাওয়াটাও নিশ্চিত হবে।
একটি অত্যন্ত জরুরি কথা (মিথ বনাম বাস্তব): 🌟
অনেকেরই একটা ভুল ধারণা থাকে যে, মায়ের গ্যাস বা অ্যাসিডিটি হলে বুকের দুধের মাধ্যমে বাচ্চারও গ্যাস হয়। এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। মায়ের গ্যাসের সমস্যার সাথে বাচ্চার গ্যাসের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।
আসলে বিষয়টি সম্পূর্ণ ইমোশনাল এটাচমেন্ট (Emotional Attachment)। মায়ের শরীর খারাপ বা ডিসকমফোর্ট হলে মা মানসিক ও শারীরিকভাবে ক্লান্ত বোধ করেন। মা যদি নিজে স্বস্তিতে (cozy) না থাকেন, তবে বাচ্চা মায়ের থেকে সেই আরাম বা সিকিউরিটি পায় না এবং খিটখিটে হয়ে কান্নাকাটি করতে পারে।
মনে রাখবেন, আপনার শরীরকে আপনার চেয়ে ভালো আর কেউ চেনে না। তাই নিজের শরীরের ভাষা বুঝুন, সেই অনুযায়ী সঠিক পুষ্টিকর খাবার খান এবং সুস্থ থাকুন। আপনি ভালো থাকলেই আপনার সন্তান ভালো থাকবে। ❤️
জয়িতা অধিকারী (Jayeeta Adhikary)
কনসালট্যান্ট ডায়েটিশিয়ান অ্যান্ড নিউট্রিশনিস্ট (Consultant Dietitian and Nutritionist)
ডায়াবেটিস এডুকেটর (Diabetes Educator)

26/05/2026

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🌟 রান্নাবান্না ও স্বাস্থ্য: একজন ডায়েটিশিয়ানের ডায়েরি থেকে 🌟
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

আমরা মেয়েরা সংসারের যাঁতাকলে পড়ে মাঝে মাঝে ভুলে যাই আমাদের ভালো লাগাগুলো। আমরা কী খেতে ভালোবাসতাম, তা-ই আর মনে থাকে না।

ছুটিতে বা বাপের বাড়ি গেলে মা যখন হাতের সামনে গুছিয়ে নিজের পছন্দের রান্নাটা করে দেয়, তখন হঠাৎ মনে পড়ে— "তাই তো! আমি তো এই খাবারটা খেতে বড্ড ভালোবাসতাম।"

সংসারের সবার মন জুগিয়ে একভাবে কাজ করতে করতে যখন নিজে হাঁপিয়ে যাবেন, তখন জানবেন— Restaurant-এর কোনো দামি খাবার আপনাকে তাৎক্ষণিক আনন্দ দিলেও, সেই মানসিক শান্তি দীর্ঘস্থায়ী হবে না।

তাই আমার আজকের আলোচনা তাঁদের নিয়ে, যাঁরা একটু একটু করে নিজের পছন্দগুলোকে সংসারের ভিড়ে হারিয়ে ফেলেছেন। আজ থেকেই শুরু হোক নিজেকে একটু অগ্রাধিকার দেওয়া:

🍳 ১. ব্রেকফাস্ট হোক আপনার পছন্দের:
সকালে যখন রান্নাঘরে ঢুকে সবার জন্য খাবার বানাতে যাবেন, তখন সবার আগে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন— "এই মুহূর্তে আমার নিজের কী খেতে ইচ্ছে করছে?" সেই ভেবে আজ নিজের পছন্দের ব্রেকফাস্টটাই বানিয়ে সবাইকে খাওয়ান। মন নিশ্চিত রাখুন, বাড়ির কেউ একেবারে অপছন্দ করবে না।

🍲 ২. লাঞ্চে থাকুক নিজের একটা পদ:
সকালটা যখন আপনার নিজের ভালো লাগা দিয়ে শুরু হয়েছে, তখন দুপুরের মেন্যুতে সবার পছন্দের পাশাপাশি অন্তত একটা ছোট আইটেম রাখুন যা শুধু আপনার নিজের ভালোবাসার। বাকি পদগুলো অন্যদের পছন্দ অনুযায়ী বানিয়ে ফেলুন।

🌙 ৩. ডিনারে চলুক আপস:
রাতের খাবারটা এমন কিছু হোক যা মাঝামাঝি—অর্থাৎ বাড়ির সবার সাথে আপনারও পছন্দ।

এইভাবে ছোট ছোট পদক্ষেপে শুরু করলে দেখবেন, নিজের প্রাধান্যটুকু অন্তত প্রকাশ পাবে। নয়তো আমরা সংসারের আড়ালে হারিয়ে যাই, আমাদের মন খারাপ হয়, কিছু ভালো লাগে না... আর অহেতুক সব কিছু করেও দিনের শেষে কথা শুনতে হয়�

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━   🌟 রান্নাবান্না ও স্বাস্থ্য: একজন ডায়েটিশিয়ানের ডায়েরি থেকে 🌟━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━...
26/05/2026

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🌟 রান্নাবান্না ও স্বাস্থ্য: একজন ডায়েটিশিয়ানের ডায়েরি থেকে 🌟
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

আমরা মেয়েরা সংসারের যাঁতাকলে পড়ে মাঝে মাঝে ভুলে যাই আমাদের ভালো লাগাগুলো। আমরা কী খেতে ভালোবাসতাম, তা-ই আর মনে থাকে না।

ছুটিতে বা বাপের বাড়ি গেলে মা যখন হাতের সামনে গুছিয়ে নিজের পছন্দের রান্নাটা করে দেয়, তখন হঠাৎ মনে পড়ে— "তাই তো! আমি তো এই খাবারটা খেতে বড্ড ভালোবাসতাম।"

সংসারের সবার মন জুগিয়ে একভাবে কাজ করতে করতে যখন নিজে হাঁপিয়ে যাবেন, তখন জানবেন— Restaurant-এর কোনো দামি খাবার আপনাকে তাৎক্ষণিক আনন্দ দিলেও, সেই মানসিক শান্তি দীর্ঘস্থায়ী হবে না।

তাই আমার আজকের আলোচনা তাঁদের নিয়ে, যাঁরা একটু একটু করে নিজের পছন্দগুলোকে সংসারের ভিড়ে হারিয়ে ফেলেছেন। আজ থেকেই শুরু হোক নিজেকে একটু অগ্রাধিকার দেওয়া:

🍳 ১. ব্রেকফাস্ট হোক আপনার পছন্দের:
সকালে যখন রান্নাঘরে ঢুকে সবার জন্য খাবার বানাতে যাবেন, তখন সবার আগে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন— "এই মুহূর্তে আমার নিজের কী খেতে ইচ্ছে করছে?" সেই ভেবে আজ নিজের পছন্দের ব্রেকফাস্টটাই বানিয়ে সবাইকে খাওয়ান। মন নিশ্চিত রাখুন, বাড়ির কেউ একেবারে অপছন্দ করবে না।

🍲 ২. লাঞ্চে থাকুক নিজের একটা পদ:
সকালটা যখন আপনার নিজের ভালো লাগা দিয়ে শুরু হয়েছে, তখন দুপুরের মেন্যুতে সবার পছন্দের পাশাপাশি অন্তত একটা ছোট আইটেম রাখুন যা শুধু আপনার নিজের ভালোবাসার। বাকি পদগুলো অন্যদের পছন্দ অনুযায়ী বানিয়ে ফেলুন।

🌙 ৩. ডিনারে চলুক আপস:
রাতের খাবারটা এমন কিছু হোক যা মাঝামাঝি—অর্থাৎ বাড়ির সবার সাথে আপনারও পছন্দ।

এইভাবে ছোট ছোট পদক্ষেপে শুরু করলে দেখবেন, নিজের প্রাধান্যটুকু অন্তত প্রকাশ পাবে। নয়তো আমরা সংসারের আড়ালে হারিয়ে যাই, আমাদের মন খারাপ হয়, কিছু ভালো লাগে না... আর অহেতুক সব কিছু করেও দিনের শেষে কথা শুনতে হয়।

মনে রাখবেন, একজন নারী বা মা হলেন পুরো পরিবারের স্বাস্থ্যের মূল ভিত্তি। আপনি নিজে মানসিকভাবে তৃপ্ত ও সুস্থ না থাকলে, পুরো পরিবারের পুষ্টি নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই আজ থেকে সবার আগে নিজের যত্ন নেওয়া শুরু করুন।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🌿 জয়িতা অধিকারী (Jayeeta Adhikary)
[Consultant Clinical Dietitian & Nutritionist]

🌐 ভিজিট করুন: www.knowyourdiet.in
📩 আপনার বা আপনার পরিবারের পুষ্টি সংক্রান্ত ব্যক্তিগত পরামর্শের জন্য ইনবক্সে মেসেজ করতে পারেন।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

Jayeeta Adhikary Is One Of The Leading Dietitians & Nutritionists & Also Diabetes Educator In Calcutta and “Member Of (IDA) Indian Diabetic Association “. She Specializes In Therapeutic Nutrition, Weight Management, Eating For Exercise And Athletic Performance & Corporate Wellness.

প্রিস্কুল ডায়েরি: টিফিন টেনশন!বাচ্চারা যখন স্কুলে ভর্তি হয় তখন আমরা চিন্তিত হয়ে পড়ি, কি করবে, ঠিক করে স্কুলে খাবে কি,...
29/04/2026

প্রিস্কুল ডায়েরি: টিফিন টেনশন!

বাচ্চারা যখন স্কুলে ভর্তি হয় তখন আমরা চিন্তিত হয়ে পড়ি, কি করবে, ঠিক করে স্কুলে খাবে কি, টিফিন কি দেবো, যদি শেষ না করে টিফিন, স্কুলে বেরোবার আগে কি খাইয়ে পাঠাবো - এরকম নানান চিন্তা আমাদের মাথায় ভিড় করে।
সেরকম কিছু দুশ্চিন্তা সমাধানের tips রইলো।

১.স্কুলে যাওয়ার আগে কী খাওয়াব?

আমাদের একটা কথা মনে রাখতে হবে, এটা আরেকটা stage যেখানে আমরা বাচ্চাদের society র সাথে মেশার সুযোগ করে দিচ্ছি। একই ভাবে তাদের ও একটু সময় দিতে হবে পুরো ব্যাপার টা র সাথে খাপ খাওয়ানোর। তারা একরকম ভাবে চলছিল, হঠাৎ করে তাদের daily routine এ অদল বদল ঘটে।
বাচ্চা জল খাবারে বাড়িতে যেটা খেতো সেটাই দিন। সব থেকে বেশী জরুরী তাকে অভ্যাস করানো যে স্কুলে যাওয়ার আগে তাকে খাবার খেয়ে যেতে হবে। টিফিনের ভরসায় তাকে খালি পেটে পাঠাবেন না।

২.রোজ রোজ টিফিনে কী দেব?

এমন কিছু খাবার choose করবেন যেটা হাত বা চামচ দিয়ে সহজে খাওয়া যাবে। এই খানে বাচ্চা নিজে হাতে খেতে শিখবে,manners, sharing শিখবে।
ছোটো ছোটো টুকরো করে কাটা ফল,tossed পনির cube, ডিমের সাদা অংশ (অনেক সময় কুসুম দিলে choaked হওয়ার সম্ভাবনা থাকে),bread sticks, আলু টিকিয়া ,mini ইডলি দিতে পারেন। বাইরে থেকে কেনা cake,chips, মিষ্টি জাতীয় জিনিস,commercial juice দেবেন না।
খাবারের মধ্যে colour combination থাকলে বাচ্চারা আকৃষ্ট হয়।

৩.কতটুকু খাবার দেব?

যে টুকু দিলে ও খাবার টা উপভোগ করবে, ওর কাছে task মনে হবে না।
আপনার লক্ষ্য কিন্তু ও কে বাড়ির মতো পুরো একটা meal খাওয়ানো নয় । টিফিন time টা সবার সাথে উপভোগ করা।

৪. কি ভাবে খাবার টা দেবো?

বড় বক্সের বদলে বাচ্চার হাতের মাপের ছোট লাঞ্চ বক্স ব্যবহার করুন, এতে তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ে।
যদি প্লাস্টিকের box ব্যবহার করেন তাহলে অবশ্যই কেনার আগে দেখে নিন তাতে triangle box এর মধ্যে 5 লেখা আছে কিনা।(সাধারণত back এ থাকে symbol)

৫. অন্যের টিফিন শেয়ার করলে সমস্যা হবে?
বা অন্য বাচ্চার খাবার থেকে অ্যালার্জি বা ইনফেকশন হওয়ার ভয়?

টিফিন খাওয়ার আগে হাত ধোয়ার অভ্যাস বা স্যানিটাইজার ব্যবহারের গুরুত্ব সব স্কুলেই প্র্যাকটিস করানো হয়।
এই নিয়ে অযথা ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

৬.যদি বাচ্চা টিফিন শেষ করতে না পারে?

কোনো অসুবিধে নেই,বাড়িতে এসে যাতে ও complete meal টা পায় সেটা খেয়াল রাখুন।
ওর কাছে tiffin time টা একটা activity।


             .
22/04/2026

.

প্রথম solid food :ডাল-সবজি নিয়ে মায়েদের ছোট ছোট প্রশ্নআমি আগের post এ আলোচনা করেছি বিশদ ভাবে বাচ্চা কে খাবার শুরু করার ব...
15/04/2026

প্রথম solid food :ডাল-সবজি নিয়ে মায়েদের ছোট ছোট প্রশ্ন

আমি আগের post এ আলোচনা করেছি বিশদ ভাবে বাচ্চা কে খাবার শুরু করার ব্যাপারে কিছু প্রশ্ন উত্তর ,যা তথাকথিত ভাবে আমাদের মাথায় আসে।
আজকে সেটারই আরো কিছু অংশ নিয়ে আলোচনা করবো।

যেমন বাচ্চাকে ডাল বা সবজি দেওয়া শুরু করার সময় মায়েরা সাধারণত পুষ্টি এবং হজম—এই দুই দিক নিয়ে বেশ চিন্তিত থাকেন। এই বিষয়ে মায়েদের সাধারণ কিছু প্রশ্ন ও সংশয় নিচে দেওয়া হলো:

১. কোন ডাল দিয়ে শুরু করব?

মসুর বা মুঙ্গ যে কোনো ডাল দিয়ে শুরু করতে পারেন।

২.শুধু ডাল নাকি ডালের জল?

ডাল দিয়েই শুরু করুন তবে সেটা এক চা চামচ, প্রথম 4 থেকে 5 দিন একই রকম পরিমাণ ডাল দেবেন।

৩. ডাল কি খোসাসমেত দেব নাকি খোসা ছাড়া?

শুরুতে খোসা ছাড়া ধোয়া ডাল হজম করা বাচ্চার জন্য সহজ।

৪. একসাথে কি অল্প পরিমাণ ভিন্ন ডাল দিয়ে শুরু করতে হবে?

প্রথমে যে কোনো এক ধরনের ডাল দিয়েই শুরু করতে হবে।

৫.প্রথম সবজি কোনটি? মিষ্টি কুমড়া, পেঁপে, গাজর নাকি আলু—কোনটি দিয়ে শুরু করা নিরাপদ?

প্রথমে আলু দিয়ে আরম্ভ করুন।
তারপর আসতে আসতে বাকি সব্জি দেবেন।
তবে প্রত্যেক টার ক্ষেত্রে rule কিন্তু একই।

৬.সবজি কি একদম মিহি পেস্ট করে দেব নাকি সামান্য দানা দানা থাকবে?
ভালো করে সেদ্ধ করে সেই সেদ্ধ করা জল দিয়েই হাতে চটকে দেবেন।
খুব বেশী watery consistency থাকবে না।

৭.বাচ্চার কি সবজি ভালো লাগবে?

নিশ্চয় লাগবে। ও নতুন কিছু খাওয়ার আনন্দে সব ই খাবে।

৮.অনেক সময় সবজি দিলে বাচ্চার পায়খানার রং বদলে যায়, যা দেখে অনেক মা ঘাবড়ে গিয়ে প্রশ্ন করেন এটা স্বাভাবিক কি না।
একদম স্বাভাবিক।
তবে প্রতিটি নতুন সবজি বা ডাল শুরু করার পর অন্তত ৫ দিন লক্ষ্য রাখতে (5 -day rule), যাতে কোনো বিশেষ খাবারে বাচ্চার অ্যালার্জি হচ্ছে কি না তা বোঝা যায়।

08/04/2026

বাচ্চার প্রথম আমিষ খাবার: কখন, কীভাবে ও কতটা?

বাচ্চাদের solid food শুরু করার সময় আমিষ বা non-veg খাবার নিয়ে মায়েদের মনে অনেক ধরনের দ্বিধা ও প্রশ্ন থাকে। এবং তার সাথে সাথে আমরা খুব excited ও থাকি কখন আমরা non veg খাবার দিতে পারবো।সাধারণত যে বিষয়গুলো নিয়ে তাঁরা সবথেকে বেশি চিন্তিত থাকেন, সেগুলো হলো:

১."বাচ্চাকে ঠিক কত মাস বয়স থেকে মাছ দেওয়া শুরু করা যায়?"

৮ মাস বয়স থেকে মাছ দেওয়া যাবে। এর পাশাপাশি এটা নিয়েও ভয় থাকে যদি মাছের কাঁটা গলায় আটকে যায়। সে ক্ষেত্রে মাছের পেটির piece টা ভেজে আমরা সেখান থেকে দিতে পারি।এই portion এ মাছের কাঁটা তুলনামূলক ভাবে কম থাকে।

২. কবে থেকে ডিম দেওয়া যাবে?

ডিম ও একই ভাবে ৮ মাস বয়স থেকে দেওয়া যাবে।

৩.ডিম দিলে কি বাচ্চার অ্যালার্জি বা র‍্যাশ হবে?”

সে ক্ষেত্রে আমাদের 1 চামচ করে প্রথম 4 থেকে 5 দিন দিয়ে দেখতে হবে।

৪.কিভাবে রান্না করে দেবো?

Full boiled, কোনো half boiled নয়।

৪.ডিমের সাদা অংশ নাকি কুসুম— কোনটা আগে দেব?"

ভাত বা আলু সেদ্ধ , ডালের র সাথে মিশিয়ে দেওয়া যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে ডিমের সাদা অংশ ও কুসুম দুটোই দেওয়া যেতে পারে।
শুধু কুসুম দেওয়া যাবে না। গলায় আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৫.চিংড়ি মাছ কি এখনই দেওয়া নিরাপদ?"

চিংড়ি মাছ দিতে হলে দশ মাস বয়সে শুরু করা ভালো।
Medium চিংড়ি মাছের half portion দিয়ে শুরু করা ভালো।

৬."বাচ্চা কি মাংস হজম করতে পারবে?

৮ মাস বয়স থেকে shredded chicken কোনো meal র সাথে দিতে পারবেন।

৭. একদম পেস্ট করে নাকি হাতে চটকে?

ভালো করে হাতে চটকে

৮.সব কি একসাথেই শুরু করা যাবে?

বাচ্চাকে প্রথম আমিষ খাবার দেওয়ার সময় 5 day rule ফলো করা ভালো। অর্থাৎ নতুন কোনো খাবার (যেমন ডিম) শুরু করলে পর পর পাঁচ দিন সেটি অল্প করে দিয়ে লক্ষ্য করা উচিত যে বাচ্চার কোনো শারীরিক সমস্যা বা অ্যালার্জি হচ্ছে কি না। এছাড়া মাছ বা চিকেন একদম নরম করে দেওয়া নিরাপদ।

02/04/2026

৬ মাস পর শিশুর প্রথম খাবার:নতুন মায়ের দুশ্চিন্তা ও কিছু টিপস

আমরা যখন নতুন মা হই তখন আমাদের সব চিন্তা ভাবনা বাচ্চা কে জুড়েই থাকে তার মধ্যে প্রধান হলো বাচ্চা কে কবে থেকে খাওয়ানো শুরু করব আর কি দিয়ে শুরু করবো।
সে রকম কিছু প্রশ্ন উত্তর থাকছে যা সাধারণ তো আমাদের মাথায় ঘোরে।

১. কবে শুরু করব?

প্রথম 6 months শুধু মায়ের বুকের দুধ, তারপরে পরিপূরক খাবার শুরু করা হবে।

২. প্রথম খাবার কী হবে?

ভাত বা আলু সেদ্ধ দিয়ে শুরু করা যেতে পারে,আসতে আসতে steamed বা pureed আপেল দেওয়া যেতে পারে।
* একসাথে অনেক গুলো খাবার দেওয়া যাবে না, বাচ্চার যদি কোনো food allergy থাকে তাহলে সেটাও ধরা যাবে।

৩. কতটুকু খাওয়াব? শুরুতে কি কয়েক চামচ নাকি পুরো এক বাটি?
দিনে কয়বার? শুরুতে দিনে একবার, নাকি দুই-তিনবার খাবার দেওয়া উচিত?

*খুব অল্প পরিমাণ (যেমন ১ চামচ)দিয়ে শুরু করতে হবে
*Watery কোনো consistency থাকবে না মানে অনেকটা জল দিয়ে খাবার টা কে liquid করে দেবেন না
* দিনে এক বারই খাবার টা দেওয়া হবে।
*রাতে কোনো নতুন খাবার try করা যাবে না।

৪. নতুন খাবার শুরু করার পর কতদিন অপেক্ষা করতে হবে অন্য নতুন খাবার দেওয়ার আগে?

*প্রথম 4 -5 দিন একই রকম খাবার চলবে।
* যদি বাচ্চা specific কোনো খাবার খেতে না চায়, তাহলে সেটা gap দিয়ে আবার কদিন বাদে শুরু করতে হবে।

৫. খাবারে কি সামান্য নুন বা মিষ্টি দেওয়া যাবে?

*Initially না দেওয়াই ভালো।
*দু বছর হওয়ার আগে চিনি না দেওয়াই ভালো।

৬.দুধের কী হবে? বুকের দুধ কি কমিয়ে দিতে হবে? নাকি আগের মতোই চলবে?

মায়ের দুধ 2 year অবধি continue করা যেতে পারে ।
Initially শুরু করার পর দিনে 2 বার পরিপূরক খাবার আর বাকি সময় মায়ের দুধ।

৭..বাচ্চা যদি খেতে না চায়? মুখ বন্ধ করে রাখা বা খাবার যদি থু থু করে ফেলে দেয়?

তখন ঘাবড়ে যাওয়ার কিছু নেই, এই নয় যে বাচ্চা খাবার টা পছন্দ করছে না। সে তখন শিখছে কিভাবে খাবার থেকে গিলতে হয়। তাকে একটু সময় দিতে হবে।

আমরা সবাই কম বেশি জানি একটা বয়েস র পরে ক্যালসিয়াম র অভাবে আমাদের হাড়ের ক্ষয় হয় ।কীভাবে আমরা এর হাত থেকে রক্ষা পেতে ...
08/06/2024

আমরা সবাই কম বেশি জানি একটা বয়েস র পরে ক্যালসিয়াম র অভাবে আমাদের হাড়ের ক্ষয় হয় ।
কীভাবে আমরা এর হাত থেকে রক্ষা পেতে পারি?
তার জন্য আমাদের প্রতিদিনের খাবারে কিছু টা অদল বদল দরকার।
যেমন,
Breakfast - ডিম সেদ্ধ বা ছানা বা দুধ বা কোনো cereals র সাথে দই mix করে
Mid morning - flaxseed বা chia seed
Lunch - পরিমাণ মতো শাক , তিল বাটা
Snacks - sprouts
Dinner - quinoa সব্জি সহ
এর পরে ও কিছু প্রশ্ন থাকে যেমন
*ঠিক কতটা পরিমাণ ca আমাদের দরকার?
* যে শাক টা অমরা খাচ্ছি সেটা কীভাবে খাবো কারন, তাতে প্রচুর পরিমাণে phytate ও oxalate থাকে যেটা ca absorption হতে দেয় না
*অতিরিক্ত antacid খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরে ca absorption কমে যায়
*শুধু ca খেলে কি হবে তার absorption তাও দরকার
তাই সঠিক খাদ্যাভাসের জন্য inbox করুন

08/06/2024

Address

Kolkata 700135, Kolkata 700051
Kolkata
7000135

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Health and Wellness posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share