হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা /homeopathy treatment

  • Home
  • India
  • KOLKATA
  • হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা /homeopathy treatment

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা /homeopathy treatment Help you good healthy Life �

ইতিহাসভারত ও বাংলাদেশে বহুকাল থেকেই এই চিকিৎসা চলছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উদ্ভিজ্জ বা সাধারণ রাসায়নিক পদার্থ থেকে কনসেনট্রেট হিসেবে এই ওষুধ তৈরি করা হয় এবং চিকিৎসকরা গাইডবুকের নির্দেশ অনুযায়ী সেগুলি প্রয়োজন মতো লঘুকৃত করেন। বাংলা ভাষায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার প্রচুর বইপত্র আছে এবং এগুলির ভিত্তিতে দেশে এই চিকিৎসা চলছে। ইদানিং দেশের নগর ও শহরে আনুষ্ঠানিক শিক্ষাদানের জন্য কয়েকটি হোমিওপ্যাথি কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ?

সবাই কেমন আছেন
16/04/2026

সবাই কেমন আছেন

30/03/2026

Bryonia Alba (ব্রায়োনিয়া): শুকনো কাশি, নড়াচড়ায় ব্যথা বাড়ে, প্রচণ্ড তৃষ্ণা।
Ferrum Phosphoricum (ফেরাম ফস): প্রাথমিক পর্যায়ের হালকা জ্বর, সর্দি শুরুতে।
Oscillococcinum: ফ্লু-জাতীয় লক্ষণ (শরীর ব্যথা, জ্বর, দুর্বলতা) এর প্রথম পর্যায়ে খুব ভালো।
Rhus Tox: ঠান্ডা লেগে গা ব্যথা, নড়াচড়ায় আরাম।
সাধারণ পরামর্শ:
লক্ষণ মিলিয়ে সঠিক পটেন্সি (সাধারণত ৩০) ও ডোজ নিন।
জ্বর বেশি হলে, শ্বাসকষ্ট বা লক্ষণ না কমলে অবশ্যই ডাক্তার দেখাবেন।
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন খাবেন না।

30/03/2026

Aconitum Napellus (অ্যাকোনাইট): ঠান্ডা বাতাস বা ঠান্ডায় ভিজে হঠাৎ জ্বর, অস্থিরতা, ভয়-আতঙ্ক, শুষ্ক ত্বক।
Belladonna (বেলাডোনা): তীব্র জ্বর, লাল মুখ, মাথা গরম, ঘাম হওয়া, হঠাৎ শুরু।
সর্দি-হাঁচি-নাক দিয়ে পানি পড়ার জন্য:
Allium Cepa (অ্যালিয়াম সেপা): প্রচুর পানির মতো সর্দি, চোখ দিয়ে জল পড়া, নাক-চোখ জ্বালা করা।
Euphrasia (ইউফ্রেসিয়া): চোখ লাল ও জল পড়া বেশি, নাকের সর্দি কম।
Natrum Muriaticum (নেট্রাম মিউর): সর্দি শুরুতে পানির মতো স্রাব, পরে ঘন হয়।
দুর্বলতা ও শরীর ব্যথা সহ জ্বরের জন্য:
Gelsemium (জেলসিমিয়াম): ধীরে ধীরে জ্বর, প্রচণ্ড দুর্বলতা, ঝিমঝিম, চোখ ভারী লাগা।
Eupatorium Perfoliatum (ইউপেটোরিয়াম): হাড় ভাঙা ব্যথা, শরীরে তীব্র ব্যথা সহ জ্বর।
Arsenicum Album (আর্সেনিক অ্যালবাম): ঠান্ডা লাগে, অস্থিরতা, রাতে বাড়ে, ছোট ছোট ঢোক পানি খেতে চায়।

10/10/2025

🔍হায়োসিয়েমাসঃ

হায়োসিয়েমাস ঔষধটি মানসিক লক্ষণে ভরপুর।হায়োসিয়েমাসের রোগীর মধ্যে ভয়,সন্দেহ,হিংসা,কামুকতার এর অপূর্ব সমন্বয় দেখা যায়।
ভয়ের লক্ষনগুলোর মধ্যে অাছে-
💉 একাকি হওয়ার ভয়।
💉 বিক্রি হওয়ার ভয়।
💉 প্রতারিত হওয়ার ভয়।
💉 অাঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার ভয়।
💉 বিষাক্রান্ত হওয়ার ভয়।
💉 পানি বা চকচকে বস্তু দেখলে ভয়।

💉 হায়োসিয়েমাসের রোগী সবাইকে সন্দেহ করে।ঔষধ খেতে চায়না মনে করে তাকে বিষ প্রয়োগ করে হত্যা করা হবে।
💉 হায়োসিয়েমাসের রোগী খুব কামুক হয়।তারা তাদের শরীর অনাবৃত করে ফেলে বিশেষকরে যৌনতার সাথে সম্পর্কযুক্ত অঙ্গ।
💉 অশ্লীল গান করে।
💉 অপরকে কামড় দেয়,অাঘাত করে।
💉 বিড়বিড় করে প্রলাপ বকে।
💉 পালায়ন করতে চায়।
💉 অালোতে বিতৃষ্ণা।
💉 সঙ্গী-সাথীতে বিতৃষ্ণা।
💉 অত্যন্ত হিংসাপ্রবন।
💉 পর্যায়ক্রমে কান্না এবং হাসি।

চরিত্রগত লক্ষণঃ
💉 শয়ন করলে কাশির বৃদ্ধি।
💉 ভয় পাওয়ার পর অাক্ষেপ।
💉 গলার সংকোচনের সহিত ঢোক গিলতে অক্ষমতা বিশেষ করে তরল পদার্থ।
💉 মুত্রস্থলির পক্ষাঘাত,অনিচ্ছায় মুত্রত্যাগ।
💉 অনিচ্ছায় মলত্যাগ

10/10/2025
10/10/2025

#টিউমারের_জন্য_৫০টি_হোমিও_ঔষধ_ও_লক্ষণ

1. Conium Maculatum – শক্ত, ধীরে বৃদ্ধি পাওয়া গ্রন্থিগত টিউমার, ব্যথাহীন, স্তনে গিঁট।
2. Calcarea Fluorica – শক্ত, ক্যালসিফাইড বা স্টোনি ধরনের টিউমার, গ্ল্যান্ডে।
3. Calcarea Carbonica – স্থূলকায় রোগীর স্তনে বা ডিম্বাশয়ে টিউমার।
4. Baryta Carbonica – বৃদ্ধ বয়সে গ্ল্যান্ডে টিউমার।
5. Silicea – ফোড়া, সিস্টিক টিউমার, পুঁজ হওয়া প্রবণতা।
6. Thuja Occidentalis – প্যাপিলোমা, ওয়ার্টি টিউমার, পলিপ।
7. Graphites – চামড়ার নিচে কঠিন গিঁট, কেলয়েড টিউমার।
8. Phytolacca Decandra – স্তন গ্রন্থিতে ব্যথাযুক্ত টিউমার।
9. Cistus Canadensis – গ্রন্থিতে শক্ত টিউমার, আলসারেশনের প্রবণতা।
10. Iodium – হাইপারথাইরয়েডিক রোগীর গ্রন্থিতে টিউমার।
11. Kali Muriaticum – ফাইব্রয়েড বা গ্ল্যান্ডুলার টিউমার।
12. Spongia Tosta – থাইরয়েড গ্রন্থির টিউমার।
13. Aurum Metallicum – হাড়ের টিউমার, অস্টিওমা।
14. Aurum Iodatum – সিফিলিটিক গ্ল্যান্ডুলার টিউমার।
15. Baryta Iodata – বাচ্চা বা বৃদ্ধের গ্রন্থি ফোলা।
16. Scrophularia Nodosa – গ্রন্থির টিউমার, বিশেষ করে সার্ভিকাল গ্ল্যান্ডে।
17. Ferrum Phosphoricum – প্রাথমিক ফাইব্রয়েড টিউমার, রক্তক্ষরণ।
18. Hydrastis Canadensis – মিউকাস মেমব্রেনে পলিপ বা টিউমার।
19. Carbo Animalis – গ্ল্যান্ডুলার টিউমার, ক্যানসারের প্রবণতা।
20. Carcinosinum (Nosode) – ক্যানসারাস টিউমার, ফ্যামিলি হিস্টরি।
21. Lapis Albus – থাইরয়েড ও অন্যান্য গ্রন্থির টিউমার, ক্যানসার প্রবণ।
22. Chimaphila Umbellata – স্তনে টিউমার, ব্যথাহীন, পীড়ন অনুভূতি।
23. Sabina – গর্ভাশয়ে ফাইব্রয়েড, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ।
24. Sepia – জরায়ু ফাইব্রয়েড টিউমার, হরমোনাল ইমব্যালান্স।
25. Bellis Perennis – স্তনে আঘাতজনিত টিউমার।
26. Hamamelis Virginica – টিউমারের সাথে ভেরিকোসিটি, ব্যথা ও রক্তক্ষরণ।
27. Murex Purpurea – জরায়ু ফাইব্রয়েড, অতিরিক্ত সেনসেশন।
28. Trillium Pendulum – জরায়ু ফাইব্রয়েডে রক্তক্ষরণ।
29. Hecla Lava – হাড়ের টিউমার, এক্সোস্টোসিস।
30. Ruta Graveolens – হাড় ও পেরিওস্টিয়ামের টিউমার।
31. Asterias Rubens – স্তনের টিউমার, বিশেষ করে বাম দিকে।
32. Alumen – কঠিন গ্ল্যান্ডুলার টিউমার।
33. Arsenicum Album – আলসারেটেড টিউমার, ব্যথা ও জ্বালা।
34. Clematis Erecta – টেস্টিসের টিউমার।
35. Paeonia – অ্যানাল টিউমার বা পলিপ।
36. Nitric Acid – ওয়ার্টি টিউমার, ব্যথাযুক্ত আলসারেশন।
37. Fluoric Acid – হাড়ের টিউমার, ক্যানসারাস প্রবণতা।
38. Plumbum Iodatum – গ্ল্যান্ডুলার টিউমার, সিফিলিটিক।
39. X-ray (Nosode) – টিউমারের বিশেষ কেসে।
40. Ustilago Maydis – জরায়ু ফাইব্রয়েডে রক্তক্ষরণ।
41. Calcarea Iodata – গলার গ্রন্থি ফোলা।
42. Asafoetida – গ্ল্যান্ডে শক্ত গিঁট ও আলসারেশন।
43. Myosotis Arvensis – ক্যানসারাস গ্ল্যান্ডুলার টিউমার।
44. Syphilinum (Nosode) – সিফিলিটিক টিউমার।
45. Sanguinaria Canadensis – স্তনে টিউমার, বিশেষ করে ডান দিকে।
46. Mercurius Iodatus – গ্ল্যান্ডুলার টিউমার, সংক্রমণ প্রবণ।
47. Chionanthus Virginica – লিভারের টিউমার বা বড় হওয়া।
48. Cundurango – ক্যানসারাস টিউমার ও আলসার।
49. Psorinum (Nosode) – পুনরাবৃত্তি হওয়া টিউমারের প্রবণতা।
50. Fucus Vesiculosus – স্থূল রোগীর থাইরয়েড ও গ্ল্যান্ডুলার টিউমার।



🔹 নোটঃ- এগুলো টিউমারের ধরণ, অবস্থান, গঠন ও রোগীর কনস্টিটিউশন অনুযায়ী নির্বাচন হয়।

10/10/2025

⛔সাবধান হতে হবে এখনই,

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে শিশুদের মাথার খুলি পাতলা হওয়ার কারণে তারা প্রাপ্তবয়স্কদের চেয়ে বেশি মোবাইল ফোন রেডিয়েশন শোষণ করতে পারে। কিছু গবেষণায় এই পরিমাণ ৫০-১০০% পর্যন্ত বেশি হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

কেন এমনটা হয়?

পাতলা মাথার খুলি: শিশুদের মাথার খুলি পাতলা এবং টিস্যু নরম হওয়ায় রেডিয়েশন সহজে মস্তিষ্কে প্রবেশ করতে পারে।

আকার ও দূরত্ব: শিশুদের মাথা ছোট হয়, তাই ফোনটি মস্তিষ্কের কাছাকাছি থাকে, যার ফলে রেডিয়েশনের প্রভাব বেশি হয়।

দ্রুত কোষ বিভাজন: শিশুদের কোষগুলো দ্রুত বিভাজিত হয়, যা তাদের রেডিয়েশনের প্রতি আরও সংবেদনশীল করে তোলে।

যদিও এটি সত্য যে শিশুরা বেশি রেডিয়েশন শোষণ করে, তবে এই রেডিয়েশনের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বা এর ফলে মস্তিষ্কের কোনো ক্ষতি হয় কি না, তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে এখনো বিতর্ক রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর মতে, মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন ক্যান্সার ঘটাতে পারে এমন কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি, তবে এই বিষয়ে গবেষণা এখনো চলছে।

তাই সাবধানতা হিসেবে, শিশুদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের সময় কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা যেতে পারে:

ফোনে কথা বলার সময় লাউডস্পিকার ব্যবহার করা।

খুব বেশি জরুরি না হলে শিশুদের হাতে ফোন না দেওয়া।

শিশুদের ঘুমানোর সময় তাদের বিছানার কাছে ফোন না রাখা।

10/10/2025

ছন্দে ছন্দে Staphysagria মেটেরিয়া মেডিকা✍️

সামান্যতেই অসহিষ্ণু,উত্তেজিত বটে
হুঁল ফোটানো ব্যথা কিংবা কোথাও গেলে কেটে।
দাঁতে ভীষন ব্যথা নচেৎ চোখে অন্জলি হলে
স্ট্যাফিসেগ্রিয়া শ্রেষ্ঠ ঔষধ,রোগ নিরাময় মিলে।

ডান দিকে রোগের শুরু,উভয় কাতরতা
চার মায়াজম একই সাথে দেখতে পাবেন তথা।
মন,প্রস্টেট,স্নায়ূ,দাঁত সাথে মূত্রযন্ত্র
সময় মত প্রয়োগ করলে কাজ করে সতন্ত্র।

পাকাশয়,চামড়া,চোঁখে হলে কোন বাধি
লক্ষনভিত্তিক খুব চমৎকার, কার্য নিরবধি।
অতিরিক্ত দুরাচার,অসন্তোষ বা ক্রোধ
মনের মাঝে জমা থাকে ভীষন প্রতিশোধ।

রাতের পরে গলগহ্বরে সংকোচনবোধ ঘটে
পরিস্থিতি যেমনই হোক রোগী ভীষন চটে।
মানষিক পরিশ্রম আর উপবাসকালে
মসলা খাদ্যে রোগের বৃদ্ধি হয় তালে তালে।

গোসল,বিশ্রাম,পূর্নিমা ও অমাবস্যায় কম
অস্হিরতা, বিরক্তিভাব বারে হরদম।
কামুকতা,অলসতা,উদাসিনও বটে
অতি মৈথুন, স্মৃতি শক্তির দুর্বলতা ঘটে।

কোন প্রকার অস্ত্রোপচার হইতে পারে ক্ষতি
ভয়ের অবসান ইহার ব্যবহার হয় যদি।
এই অংশে বিশেষ একটি লক্ষন বলতে চাই
ঘৃণামিশ্রিত রাগের সাথে মনোকস্ট হয়।

কারো প্রতি কোনভাবে উত্তেজিত হলে
জিনিসপত্র ছুড়তে থাকে তালে বা বেতালে।
অতিরিক্ত হস্তমৈথুন,অতিরিক্ত ক্ষয়
স্ট্যাফিসেগ্রিয়া উত্তম ঔষধ,আসল পরিচয়।

29/08/2025

#মেরুদণ্ড (Spine) ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সংযোগ।

Spinal অংশ স্নায়ু (Nerves) কোথায় যায় কোন অঙ্গ/অংশ নিয়ন্ত্রণ করে

Cervical (C1–C8) -মাথা, গলা, কাঁধ, হাতের স্নায়ু শ্বাসপ্রশ্বাসের জন্য Diaphragm (C3–C5), ঘাড়, কাঁধ, বাহু ও হাতের নড়াচড়া ও অনুভূতি

Thoracic (T1–T12) -বুকে ও পেটের স্নায়ু হৃদপিণ্ড (T1–T4), ফুসফুস (T2–T7), লিভার, পাকস্থলী, অন্ত্র (T6–T12)

Lumbar (L1–L5) -কোমর, পেলভিস ও পায়ের স্নায়ু কিডনি (L1–L2), মূত্রাশয় আংশিক, প্রজনন অঙ্গ, কোমর ও পায়ের নড়াচড়া

Sacral (S1–S5) -পেলভিক অঙ্গ ও পা মূত্রাশয় (S2–S4), প্রজনন অঙ্গ (S2–S4), পায়ের নড়াচড়া ও অনুভূতি

Coccygeal (Co1) লেজের হাড়ের চারপাশে ত্বক ও পেলভিসের কিছু অংশের সংবেদনশীলতা

---

আরও বিস্তারিতভাবে সম্পর্ক

1. মস্তিষ্ক → মেরুরজ্জু → স্নায়ু → অঙ্গপ্রত্যঙ্গ

মস্তিষ্ক থেকে বার্তা আসে মেরুরজ্জুতে।

মেরুরজ্জু থেকে নির্দিষ্ট স্তর অনুযায়ী স্নায়ু বের হয়ে অঙ্গপ্রত্যঙ্গে কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

2. উদাহরণ

C3–C5 → "Phrenic nerve" → Diaphragm → শ্বাস নিতে সাহায্য করে।

T1–T4 → Sympathetic nerve → হৃদপিণ্ড → হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ।

T6–T9 → পাকস্থলী ও লিভার → হজম নিয়ন্ত্রণ।

L1–L2 → কিডনি ও ইউরেটার → প্রস্রাব নিয়ন্ত্রণ।

S2–S4 → মূত্রাশয় ও প্রজনন অঙ্গ → মূত্রত্যাগ ও যৌন কার্য নিয়ন্ত্রণ।

3. Spine ক্ষতিগ্রস্ত হলে সমস্যা

Cervical injury → শ্বাস নিতে সমস্যা, হাত-পা অবশ হতে পারে।

Thoracic injury → বুকের পেশি দুর্বল, ফুসফুসে সমস্যা।

Lumbar injury → হাঁটা, দাঁড়ানো কষ্টকর।

Sacral injury → প্রস্রাব-পায়খানা নিয়ন্ত্রণ হারানো (Incontinence)।

---
সহজভাবে বললে:
মেরুদণ্ড হলো একটা বিদ্যুতের তারের মতন (Main cable line), আর প্রতিটি স্তর থেকে ছোট ছোট তার (Nerves) বের হয়ে আলাদা আলাদা অঙ্গপ্রত্যঙ্গে গিয়ে তাদের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

17/06/2025

🔷 ছন্দে ছন্দে Coffea Cruda💠✍️

উত্তেজনা,উদ্দীপনা,আনন্দে মগ্ন সদা
স্বপ্ন দেখে নিদ্রা ভাঙ্গে,ভাঙ্গে নিরবতা
দন্ত ব্যথা চলতে থাকে,কম কিংবা বেশী
অতিরিক্ত কামোদ্দীপনা যেন সর্বনাশী।

কফি হতে তৈরি বটে,কফিয়া তার নাম
মন,স্নায়ু,হৃদপিন্ডে,সমান করে কাম
আরো কাজ জননাঙ্গ,রক্ত সন্চালন অঙ্গে
মৃত্যুভয় তাড়া করে যেন সেই সঙ্গে।

সহজেই কেঁদে ফেলে,যেন মন ভোলা
শান্তনায় বৃদ্ধি রোগের,কতটা উতলা
এক পাশ্বে রোগের শুরু,দুর্গন্ধযুক্ত মল
সদা চলে নিদ্রাহীনতা যেন বিশৃঙ্খল।

স্বপ্ন দ্যাখে ভীতিকর, উৎকন্ঠায় ভরা
শীতকাতুরে স্বভাব তাহার,সহজে যায় ধরা
সামান্যতেই ক্ষুধা দূর,কফিতে অনিচ্ছা
উপযুক্ত ঠান্ডা পানি,পান করে স্বেচ্ছায়।

উচ্চ শব্দ,মনের আবেগ বৃদ্ধি করে রোগ
গরম খাদ্য পানাহারে বেড়ে যায় দুর্ভোগ
শয়নে বা চেপে দিলে রোগের উপশম
ক্ষুধার মাত্রা অতিরিক্ত, আহারাদি কম।

কামপ্রবৃত্তি অতিরিক্ত, লিঙ্গোচ্ছাসের অভাব
অসম্পূর্ণ বীর্যপাত,কার্যত তার স্বভাব
শ্বেত প্রদর,রক্তপ্রদর,কিংবা দুগ্ধের মত
জ্বালককর,চুলকানিযুক্ত দাদ অবিরত।

উদরাময় পর্যায়ক্রমে সাথে সংকোচন
শুষ্ককাশিঁর আরাম দেয় যখন তখন,
মাথা ব্যথা,দাত ব্যথা,বেশী কিংবা কম
কফিয়ায় নিরাময় হয় হরদম।

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা /homeopathy treatment posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা /homeopathy treatment:

Share