WBJDF - West Bengal Junior Doctors' Front

WBJDF - West Bengal Junior Doctors' Front This is the official page of West Bengal Junior Doctors' Front (WBJDF). All the official updates and announcements will be notified here.
(5)

10/06/2026

স্বাস্থ্যভবন থেকে সরাসরি আমাদের বক্তব্য।

অভয়া আন্দোলনে আমাদের দিক থেকে যে দশদফা দাবিকে সূচিমুখ করে আমরা লড়াই চালিয়েছিলাম এবং যে দাবিগুলির সাথে আপামর বাংলার জনগণ সম্পৃক্ত হয়েছিলেন, এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বারবার সব দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে/ হবে বলে মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সেই দাবিগুলো কে আরও একবার নবনির্বাচিত সরকার ও নবনিযুক্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরে তার দ্রুত কার্যকরী করার দাবিতে আজকের এই বক্তব্য।

প্রথম দাবি অবশ্যই অভয়ার ন্যায়বিচার। যারা যারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই নারকীয় ঘটনার সাথে যুক্ত তাদের কঠোরতম শাস্তি আমাদের প্রাথমিক দাবি।এক্ষেত্রে বিভিন্ন অফিসিয়াল বা চিকিৎসক কে সাসপেন্ড করলেই চলবে না তাদের ভূমিকা প্রকাশ্যে আনতে হবে ও তাদের তদন্ত এবং আইনের আওতায় আনতে হবে।

এর সাথে দুর্নীতিপরায়ণ র্স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম এর অপসারণ আমাদের দ্বিতীয় দাবি, বিগত শাসকের আমলে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বিপুল দুর্নীতিতে তার ভূমিকা জানা সত্ত্বেও তাকে অপসারণ না করে তার বিরুদ্ধে তদন্ত না করে তাকে একই দায়িত্বে রেখে দেওয়া কেন হচ্ছে তা আমাদের বোধগম্য হচ্ছে না।

সাথে WBMC, হেলথ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডে চরম দুর্নীতি, স্বজনপোষণের দুর্নীতির তদন্ত ও করতে হবে। প্রতিটি ক্ষেত্রে থ্রেট কালচারের কিংপিনেরা ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তারা যাতে কোনোভাবেই দলবদল করে কোনো সুরক্ষা না পায় তা নিশ্চিত করা নতুন সরকারের দায়িত্ব।

প্রতিটি মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে সুস্থ গণতান্ত্রিক পরিবেশ রক্ষা করতে হবে, ছাত্র সংসদ নির্বাচন, রেসিডেন্ট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন এর নির্বাচন নিয়মিত করতে হবে। যৌন হেনস্থা, র‍ ্যাগিং এর মত ঘটনা ঘটলে দ্রুত আইসিসি, এন্টি রাগিং কমিটি বসিয়ে তদন্ত করে উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে। এই কমিটি গুলিতে, রোগী কল্যাণ সমিতি, কলেজভিত্তিক টাস্কফোর্সে নির্বাচিত ছাত্রছাত্রী ও জুনিয়র চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।

শিক্ষক চিকিৎসক, স্পেশালিস্ট চিকিৎসক, নার্সিং স্টাফ, মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের শূন্যপদে প্রতিবছর স্বচ্ছভাবে নিয়োগ করতে হবে। সরকারি হাসপাতাল গুলোতে স্থায়ী সাফাইকর্মী, লিফটম্যান, স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়োগ করতে হবে। বিভিন্ন হাসপাতালে গিয়ে মিডিয়া ক্যামেরার সামনে গিমিক তৈরি না করে সমস্যার প্রকৃত সমাধান এর এই পথগুলো নিতে হবে। সিনিয়র চিকিৎসক দের স্বচ্ছ ট্রান্সফার নীতি বানাতে হবে, যাতে পোস্টিং এর ক্ষেত্রে স্বজন পোষণ বা প্রতিহিংসা কোনোটার সুযোগ না থাকে। এবং জুনিয়র ডাক্তারদের ডিগ্রি/ ডিপ্লোমা পাশের পর বন্ড পোস্টিং এর ক্ষেত্রে মেধাভিত্তিক কাউন্সেলিং এর মাধ্যমে পোস্টিং দিতে হবে।

'রেফার করা যাবেনা' বলে নিদান দিয়ে রেফার রোগ সারবে না। যথাযথ পরিকাঠামোর উন্নতি করতে হবে। সেন্ট্রাল রেফারেল সিস্টেম এর মাধ্যমে রোগীদের দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরিকাঠামো সম্পন্ন হাসপাতালে বেডের ব্যবস্থা করতে হবে, রোগীদের যাতে হাসপাতালে না ঘুরে ঘুরে বেড খুঁজতে হয় তা সুনিশ্চিত করতে হবে। হাসপাতালে কত শয্যা খালি আছে তার তথ্য ডিজিটাল মাধ্যমে রোগীদের কাছে জানাতে হবে, যাতে বেড না পেলে স্বাস্থ্যকর্মীদের অযথা রোগীর বাড়ির লোকের রোষের মুখে না পড়তে হয়।

স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত এর জন্য সিসিটিভি, কার্যকরী প্যানিক বাটন এর ব্যবস্থা করতে হবে। গ্রামীণ হাসপাতাল গুলো কার্যত শেষ দু বছর বিনা নিরাপত্তায় রয়েছে, সেখানে স্থায়ী পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ করতে হবে।

এবং সব শেষে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, অভয়া আন্দোলনের ফলে প্রতিটি মেডিকেল কলেজে থ্রেট কালচারের সিন্ডিকেটের যে অসংখ্য অপরাধের অভিযোগ এর তদন্ত হয়েছিল, যেগুলিকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ মদতে ঠান্ডাঘরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সেই ফাইল গুলো খুলতে হবে। এবং যারা এই অপরাধের সাথে যুক্ত তাদের প্রত্যেকের যথাযথ শাস্তি দিতে হবে। শুধু অভীক বিরূপাক্ষ এর বিরুদ্ধে তদন্ত চালালে হবে না, এই সিন্ডিকেট এর সারা রাজ্যের বিভিন্ন কলেজভিত্তিক যে নেটওয়ার্ক তাকে জনগণের সামনে আনতে হবে ও তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। এই বিষয়টি বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে কারণ অত্যন্ত আশঙ্কার বিষয় হল তাদের অনেকেই সরকার বদলের সাথে সাথে নিজেদের রঙ পাল্টে নব্য শাসকের ঘনিষ্ঠতা ইতিমধ্যে অর্জন করেছে। কিন্তু নতুন সরকারকে মনে রাখতে হবে সাধারণ মানুষ যাদের ঔদ্ধত্য, স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতির জন্যে ক্ষোভে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করেছেন, তাদের আশ্রয় দিয়ে অপরাধকে প্রশ্রয় দিলে তাদের ভবিষ্যৎ পরিণতিও আগের সরকার এর থেকে আলাদা কিছু হবে বলে আমরা মনে করিনা ।

10/06/2026

মেধাভিত্তিক কাউন্সেলিং এর মাধ্যমে সিনিয়র রেসিডেন্ট দের পোস্টিং এবং উচ্চশিক্ষার জন্যে NOC দেওয়া সহ বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে আজ ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট এর তরফ থেকে স্বাস্থ্য ভবনে ডেপুটেশন।

WBJDF-এর পক্ষ থেকে আজ স্বাস্থ্য ভবনে ডেপুটেশন প্রদান করা হয়।
আমাদের প্রধান দাবিগুলি ছিল:

🔹 SR Batch 2022–2025-এর জন্য সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও Merit-Based Counselling নিশ্চিত করতে হবে।

🔹 Bond Posting-এর সময় অন্তত ১ বছর মেডিক্যাল কলেজে বাধ্যতামূলক পোস্টিং নিশ্চিত করতে হবে, যাতে নবীন চিকিৎসকেরা পর্যাপ্ত ক্লিনিক্যাল ও একাডেমিক অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পান।

🔹 বিষয়ভিত্তিক (Speciality-specific) Senior Resident চিকিৎসকদের এমন প্রতিষ্ঠানে পোস্টিং নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে তাঁদের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কার্যকরী পরিকাঠামো ও কাজের পর্যাপ্ত সুযোগ রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, সার্জারি ও অ্যানাস্থেসিয়া বিভাগের চিকিৎসকদের এমন প্রতিষ্ঠানে পোস্টিং দিতে হবে যেখানে কার্যকরী অপারেশন থিয়েটার রয়েছে এবং তাঁদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা প্রয়োগের উপযুক্ত পরিবেশ বিদ্যমান।

🔹 Senior Resident (SR) চিকিৎসকদের Higher Education-এর জন্য NOC প্রদানের ক্ষেত্রে বিদ্যমান জটিলতা দূর করে একটি স্বচ্ছ, সময়বদ্ধ ও বৈষম্যহীন নীতি প্রণয়ন করতে হবে।

🔹 রাজ্যের স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নয়ন এবং চিকিৎসা পরিষেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও পরিকাঠামোগত সংস্কার করতে হবে।

আজকের ডেপুটেশনে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এই দাবিগুলি তুলে ধরেছি। চিকিৎসকদের ন্যায্য অধিকার, উন্নত প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা এবং জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে এই দাবিগুলির দ্রুত বাস্তবায়ন অপরিহার্য।

Through a deputation to Swasthya Bhavan today, the West Bengal Junior Doctors’ Front (WBJDF) raised several important demands, including merit-based counselling for Senior Resident postings and a transparent policy for granting NOC for higher education.

Our key demands were:

🔹 Complete transparency and merit-based counselling for SR Batch 2022–2025 postings.

🔹 Mandatory posting in a Medical College for at least one year during Bond Posting, ensuring adequate clinical exposure and academic training for young doctors.

🔹 Specialty-specific deployment of Senior Residents to institutions where the necessary infrastructure and scope of work in their respective disciplines are available. For example, doctors from Surgery and Anaesthesiology should be posted in institutions with functional Operation Theatres and adequate opportunities to utilise and further develop their clinical skills.

🔹 A transparent, time-bound and non-discriminatory policy for granting NOC to Senior Residents seeking higher education.

🔹 Necessary administrative and infrastructural reforms to strengthen the public healthcare system and improve the quality of healthcare delivery across the state.

We submitted these demands to the concerned authorities today. Their timely implementation is essential to safeguard doctors' rights, ensure quality medical training, and strengthen public healthcare services.

২২ মাস হয়ে গেল, বিচারের অপেক্ষায় প্রহর গুনছি আমরা।আমরা সবাই জানি অভয়ার খুন-ধর্ষনের মামলায় নতুন SIT গঠনের নির্দেশ দিয...
09/06/2026

২২ মাস হয়ে গেল, বিচারের অপেক্ষায় প্রহর গুনছি আমরা।

আমরা সবাই জানি অভয়ার খুন-ধর্ষনের মামলায় নতুন SIT গঠনের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। অভয়া মামলা আবার এসেছে সংবাদ পত্রের হেডলাইনে, ন্যায়বিচারের আশা আবার একটু জোরালো হয়েছে মানুষের মনে। আমরাও আশাবাদী। কিন্তু বিগত দিনে তদন্তের গতি প্রকৃতি দেখে, তদন্তকারী সংস্থা হিসেবে প্রথমে কলকাতা পুলিশ, তারপর সিবিআই এর কাজকর্ম দেখে সংশয় ও জাগে মনে। বিগত প্রায় দুই বছরের তদন্ত ও আইনি লড়াই এর দিকে যদি তাকাই তাহলে দেখব দেশের সর্বোচ্চ তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই তদন্ত করার পরেও কীভাবে বহু অস্বচ্ছতার মধ্যে দীর্ঘসূত্রী হয়েছে এই প্রক্রিয়া, কীভাবে বহু প্রশ্নের উত্তর মেলেনি আজও, কীভাবে বারবার আশা জাগিয়েও শেষমেশ নিরাশ হতে হয়েছে আমাদের, বিচার রয়ে গেছে অধরা। অভয়ার বাবা সম্প্রতি প্রকাশ্যে সিবিআই এর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করলেন তার পর সিবিআই এর প্রতি আস্থা আরও একটু ধাক্কা খেল। তবুও, আমরা আশাবাদী, প্রচারের ঢক্কানিনাদের পর কাজের কাজ দেখার জন্য, ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করে আছি আমরা।

এই পরিস্থিতিতে একবার সংক্ষেপে ফিরে দেখি অভয়ার হত্যা মামলার আইনি গতি প্রকৃতি।

২০২৪ সালের ৯ আগষ্ট নিজের কর্মক্ষেত্রে নৃশংস ভাবে খুন হলেন আমাদের সহকর্মী অভয়া। এর পর একদিকে যেমন আমরা পথের লড়াই তে থেকেছি, তেমনই অন্যদিকে লড়াই করেছি আদালত কক্ষের ভেতরে। ১৩ আগষ্ট অভয়ার বাবা-মায়ের করা কেসের ভিত্তিতে তদন্তভার সিবিআই এর হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাই কোর্ট। ১৮ আগষ্ট সুপ্রিম কোর্ট স্বত:প্রণোদিত মামলা দায়ের করে যার প্রথম শুনানি হয় ২০ আগষ্ট। সেই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে সিবিআই তদন্তের কথা বলা হয়, সিবিআই তদন্তের স্ট্যাটাস রিপোর্ট মুখবন্ধ খামে জমা দিতে থাকে শুনানির সময়। একইসাথে সুপ্রিম কোর্ট হাসপাতাল গুলোতে নিরাপত্তার জন্য, স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর ঘটে চলা আক্রমণের প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তৈরি করে ন্যাশনাল টাস্ক ফোর্স। অভয়ার ধর্ষণ-খুন সংক্রান্ত ফৌজদারি অংশ এবং হাসপাতালে নিরাপত্তা সংক্রান্ত টাস্ক ফোর্সের দেওয়ানি অংশ - দুটো নিয়েই মামলা চলতে থাকে সুপ্রিম কোর্টে।

ইতিমধ্যে সিবিআই প্রাথমিক চার্জশিট পেশ করে, এবং সঞ্জয় রাই এর বিরুদ্ধে মামলা শুরু হয় শিয়ালদহ ফৌজদারি আদালতে। প্রাথমিক চার্জশিটে সিবিআই তথ্যপ্রমাণ লোপাটের কথা বলে এবং পরবর্তীতে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে দেওয়ার কথাও বলে। তথ্যপ্রমাণ লোপাটের কাজে যুক্ত থাকার অভিযোগে টালা থানার তৎকালীন ওসি অভিজিৎ মন্ডল এবং আর জি করের তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ কে গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে সিবিআই আর সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করেনি। জামিন পান অভিজিৎ মন্ডল আর সন্দীপ ঘোষ, যদিও আর্থিক দূর্নীতির মামলায় সন্দীপ ঘোষ এখনও জেলে (এই আর্থিক দূর্নীতির মামলায় গ্রেফতার হয় থ্রেট কালচারের অন্যতম মাথা, আর জি করের তৃনমূল ছাত্র পরিষদের নেতা আশিষ পান্ডে)। শিয়ালদহ আদালতে শুনানির শেষে কেবলমাত্র সঞ্জয় রাইকেই দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

সঞ্জয় রাই একাই এই সব কিছু ঘটিয়েছে এবং তার মত এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে বাঁচাতে এত তথ্য প্রমাণ লোপাট করা হয়েছে - এটা আমরা মেনে নিতে পারিনি, মেনে নিতে পারেন নি অভয়ার বাবা-মা। তাঁরা সিবিআই তদন্তের বিভিন্ন অসঙ্গতি, বিভিন্ন ফাঁকফোকর নিয়ে প্রশ্ন করে আরও তদন্ত করার জন্য আবেদন করেন কলকাতা হাই কোর্টে। সাথে সিবিআই সঞ্জয়ের ফাঁসির দাবি জানিয়ে, আর উল্টোদিকে সঞ্জয় রাই নিজের শাস্তির বিরোধিতা করে যায় হাইকোর্টে।

অন্যদিকে সুপ্রিম কোর্ট নিজের স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে করা মামলার শুনানি করতে থাকে অতি মন্থর গতিতে। রাজপথে আন্দোলনের ঝাঁজ যখন তীব্র ছিল তখন দ্রুত শুনানি হচ্ছিল। কোর্টের দিকে তাকিয়ে যখন পথের আন্দোলন স্তিমিত হল, সুপ্রিম কোর্টের শুনানির তারিখের ব্যবধান তত দীর্ঘ হতে থাকল। সুপ্রিম কোর্ট নিজে যে টাস্ক ফোর্স গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল, সেই টাস্ক ফোর্সের সুপারিশ নিয়ে বা তার প্রয়োগ নিয়ে কোন স্পষ্ট নির্দেশ কোর্ট দিল না। বরং ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসের শুনানিতে সমস্ত মামলা পাঠিয়ে দিল কলকাতা হাই কোর্টে। সুপ্রিম কোর্ট ঠিক কী কারণে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করেছিল, কেনই বা বিষয়গুলোর স্পষ্ট সমাধান না করে আবার হাই কোর্টে তা ফেরত পাঠিয়ে দিল - স্পষ্ট হল না কিছুই।

এর মধ্যে সিবিআই তদন্তের অসঙ্গতি দেখিয়ে অভয়ার মা-বাবা যে মামলা করেছিলেন কলকাতা হাই কোর্টে, তার শুনানি ছাড়াই তারিখ পিছতে লাগল বারবার। সাথে পাল্লা দিয়ে চলল বিচারপতি পরিবর্তন - শুনানি ছাড়াই বারবার এক বিচারপতি থেকে অন্য বিচারপতি, এক বেঞ্চ থেকে অন্য বেঞ্চে যেতে থাকল মামলা। এই পরিস্থিতিতে আদালতের দীর্ঘসূত্রিতার দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত করার দাবি জানিয়ে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি কে চিঠি লিখলেন মহিলা জুনিয়র ডাক্তাররা। এরপর বহুদিন পর শুনানি হল এই মামলার। কিন্তু আবার আদালতের বেঞ্চ বদল হল।

আদালতে 'তারিখ পে তারিখ' চলতে চলতে চলে এল রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করার পর অভয়ার বাবা-মায়ের মনে হল ক্ষমতা দখল না করলে বিচার পাওয়া যাবে না। বিধানসভা নির্বাচনে দাঁড়ালেন অভয়ার মা, এবং জিতলেন। এই জয়ের পর আবার খানিক নড়াচড়া দেখা গেল আদালতের অন্দরে, কলকাতা হাইকোর্টে নতুন বেঞ্চ গঠিত হয়ে মামলার শুনানি শুরু হল। হাইকোর্টের নির্দেশে নতুন সিট গঠিত হল তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। সাসপেন্ড হলেন তদন্তের সাথে জড়িত কলকাতা পুলিশের তিন আই পি এস অফিসার ।

কিন্তু এই পুরো ঘটনাবলী দেখলে বারবার প্রশ্ন জাগে এই তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে, প্রশ্নচিহ্নের মুখে দাঁড়ায় সিবিআই এর বিশ্বাসযোগ্যতা। কেন তদন্ত প্রক্রিয়া এত দীর্ঘসূত্রী হচ্ছে, তদন্তে এত সময় লাগছে? কেন সিবিআই সাপ্লিমেন্টারি চার্জশীট দিল না? কেন তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার পরেও সন্দীপ ঘোষ, অভিজিৎ মন্ডল জামিন পেয়ে গেল? কেন সিবিআই বারবার সঞ্জয় রাইকে একমাত্র দোষী বলে দেখতে চাইছে? তথ্য প্রমাণ লোপাটের সাথে কারা জড়িত, তা নিয়ে কতদূর তদন্ত হল, আদৌ কি তা নিয়ে তদন্ত চলছে? তদন্ত প্রক্রিয়ার বিভিন্ন অসংগতি নিয়ে, বিভিন্ন প্রশ্ন করে হাই কোর্টে মামলা করেছেন অভয়ার মা-বাবা, সেই প্রশ্ন গুলোর উত্তর কোথায়? ঠিক কী কারণে আদালত কক্ষে অভয়ার বাবাকে দিয়ে নির্দিষ্ট কিছু কথা বলানো হয়েছিল, 'শেখানো তোতাপাখি' করে রাখা হয়েছিল?

এই তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে এরকম অজস্র প্রশ্ন আছে। তার পরেও আমরা আশা রাখি নতুন SIT স্বচ্ছ ভাবে তদন্ত করবে, এই ঘটনার সাথে জড়িত সমস্ত দোষীরা শাস্তি পাবে। অভয়া বিচার পাবে, আমরা বিচার পাব। বারবার নিরাশ হওয়ার পরেও আশা নিয়েই এই তদন্ত আর বিচার প্রক্রিয়ার ওপর নজর রাখছি আমরা।

We demand justice. We deserve justice.

রাতের অন্ধকারে মুছে ফেলা যায় দেওয়ালের রং, মুছে ফেলা যায় না প্রতিবাদের ইতিহাস।গোটা বর্ধমান মেডিকেল কলেজের দেওয়ালজুড়ে...
05/06/2026

রাতের অন্ধকারে মুছে ফেলা যায় দেওয়ালের রং, মুছে ফেলা যায় না প্রতিবাদের ইতিহাস।

গোটা বর্ধমান মেডিকেল কলেজের দেওয়ালজুড়ে অভয়া আন্দোলনের স্মৃতি বহন করে চলা অসংখ্য গ্রাফিটি, স্লোগান, গান ও কবিতার চিত্রকল্প রাতের অন্ধকারে চুনকাম করে মুছে সাফ করে দেওয়া হল।

রাজ্যে ক্ষমতার রদবদল হয়েছে। তিনজন IPS অফিসার সাসপেন্ড হয়েছেন। অভীক দে ও বিরূপাক্ষ সাসপেন্ড হয়েছে, বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। কিন্তু ক্ষমতার ভাষা কি আদৌ বদলেছে?

২০২৪ সালের আগস্ট থেকে এই দেওয়ালচিত্রগুলি নেহাতই কিছু শিল্পকর্ম ছিল না। এগুলি ছিল বাংলার অন্যতম বৃহত্তম গণআন্দোলনের স্মারক, প্রতিবাদের দলিল এবং গোটা কলেজ ক্যাম্পাস জুড়ে আন্দোলনের আবেগকে জীবন্ত রাখার মাধ্যম। তাহলে নতুন সরকারের আমলে হঠাৎ সেই ছবিগুলি মুছে ফেলা হল কার নির্দেশে?

ঘটনার পরদিনই ছাত্রছাত্রীরা ঐক্যবদ্ধভাবে কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহি দাবি করেন। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, তাঁরাও নাকি জানেন না কীভাবে এই ঘটনা ঘটেছে।

এই বক্তব্য শুনে যে ক্ষোভ তৈরি হয়, তার থেকেও বড় উত্তর দিয়েছেন বর্ধমান মেডিকেলের ছাত্রছাত্রীরাই।
পরবর্তী দুদিন ধরে চুনকাম করে দেওয়া প্রতিটি দেওয়াল আবার নতুন করে রঙে, তুলিতে, স্লোগানে, কবিতায় এবং প্রতিবাদের ভাষায় পুনর্নির্মাণ করেছেন তাঁরা। স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছেন অসংখ্য পড়ুয়া। তাঁরা স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ক্যাম্পাস কোনো রাজনৈতিক দলের নির্দেশে চলবে না। স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হলে তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে উঠবেই।

এই ঘটনায় আরও একবার স্পষ্ট হয়ে গেল, সরকার বদলালেও সমাজে দুটি পক্ষ আজও মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে। এক পক্ষ ক্ষমতার রাজনীতিতে ও পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। অন্য পক্ষ বিশ্বাস করে অধিকার আদায়ের রাজনীতিতে, গণতান্ত্রিক প্রতিরোধে এবং প্রশ্ন তোলার অধিকারে।

অভয়া আন্দোলন আমাদের শিখিয়েছে কীভাবে দোর্দণ্ডপ্রতাপ ক্ষমতার সামনে শিরদাঁড়া সোজা রেখে লড়াই চালিয়ে যেতে হয়। সেই শিক্ষা নিয়েই ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট নিজেদের এই সংগ্রামের অংশ ও প্রতিনিধি বলে মনে করে।

মনে রাখতে হবে, অভয়ার ঘটনার পর আন্দোলনের ফলেই রাজ্যের প্রায় প্রতিটি মেডিকেল কলেজে থ্রেট কালচারের ভয়াবহ অভিযোগ সামনে আসে। জুনিয়র ডাক্তার ও মেডিকেল পড়ুয়ারা সেই সংস্কৃতির বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করেন, তথ্য সামনে আনেন এবং আইনি লড়াই চালিয়ে যান।

সেই প্রেক্ষিতে বর্ধমান মেডিকেল কলেজের লড়াই বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। একমাত্র এই কলেজেই শেষ পর্যন্ত আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূলপন্থী উকিলবাহিনীর সমস্ত বাধা অতিক্রম করে আদালতে গুরুত্বপূর্ণ জয় ছিনিয়ে আনেন। অভীক দে ও বিরূপাক্ষের সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত অভিযুক্তদের কলেজে প্রবেশ রোধ করার নির্দেশও আদায় করে নেন তাঁরা।

আইনের ময়দান থেকে রাজপথ, আদালত থেকে ক্যাম্পাস, এই দীর্ঘ লড়াইয়ে বর্ধমান মেডিকেলের জুনিয়র ডাক্তার ও পড়ুয়ারা যে সাহস, দৃঢ়তা এবং সংগঠিত প্রতিরোধের পরিচয় দিয়েছেন, তার পাশে আমরা ছিলাম, আছি এবং আগামী দিনেও থাকব।

দেওয়াল মুছে ফেলা যায়। স্মৃতি নয়।
রং চাপা দেওয়া যায়। প্রতিবাদ নয়।
ক্ষমতা বদলাতে পারে। লড়াইয়ের প্রয়োজন ফুরোয় না।

নিয়োগবিহীন ডেন্টাল-দীর্ঘ ৮ বছর !পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষের কাছে পূর্বতন তৃণমূল সরকারের স্বাস্থ্যব্যবস্থার আরেক কঙ্কালস...
04/06/2026

নিয়োগবিহীন ডেন্টাল-দীর্ঘ ৮ বছর !

পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষের কাছে পূর্বতন তৃণমূল সরকারের স্বাস্থ্যব্যবস্থার আরেক কঙ্কালসার চিত্র তুলে ধরার সময় এসেছে।

২০১৩ সালে জন্ম হয় WBHRB (West Bengal Health Recruitment Board) এর, পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্যব্যবস্থা কে স্বচ্ছ দুর্নীতিমুক্ত নিয়োগপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে, সেই স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য গুরুত্বপূর্ণ অংশ ডেন্টাল।
তার পর কেটে যায় ৩ বছর, Dental Education Service এ প্রথম নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি হয় ২০১৫ সালের শেষের দিকে, ১৫০ টি Dental Surgeon (DS) এবং ৭৫ টি Dental Surgeon cm Clinical Tutor (DS cm CT) পোস্ট এর জন্য , ২০১৬ সালে সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়
২০১৮ সালে আরেকবার নিয়োগ হয় মাত্র ৫২জনের শুধুমাত্র DS cm CT পোস্টে , ওটাই শেষ নিয়োগ।
তার পর , ২০২৩ সালে DS এবং DS cm CT তে যথাক্রমে ৬৬ টি এবং ৪৪ টি পদের জন্য নির্দেশিকা জারি করে ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলেও পূর্বতন তৃণমূল সরকার তার নিজগুণে ক্ষমতার শেষ দিন পর্যন্ত নিয়োগ করে উঠতে পারেনি।

কাট টু ২০২৬,
আপাদমস্তক দুর্নীতিগ্রস্ত পূর্বতন তৃণমূল সরকার স্বাস্থক্ষেত্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলেও ডেন্টাল সার্ভিসে নিয়োগের জন্য কোনো নির্দেশিকা জারি করেনি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ১০ কোটি মানুষের মধ্যে যে সংখ্যক মানুষ ক্যান্সারের মতো মারণ রোগে আক্রান্ত তার মধ্যে প্রায় ৭-১০% মানুষ “ওরাল ক্যান্সার” এ আক্রান্ত…যে সংখ্যাটা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।

ডেন্টালের প্রতি বিমাতৃ সুলভ আচরণ বন্ধ করতে নবনির্বাচিত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে আমাদের সহজ দুটো দাবি:

১. ২০২৩ সালের নির্দেশিকা অনুযায়ী মোট ১১০(৬৬+৪৪) টি পদের নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করা, এবং তাতে যদি কোনো দুর্নীতি থেকে থাকে তা জনসমক্ষে উন্মোচন করা এবং দুর্নীতিতে প্রচ্ছন্ন মদত প্রদানকারী সমস্ত মানুষ কে শাস্তি দেওয়া।

২. আমাদের রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যেসব PHC,BPHC,RH, SDH,DH,MCH,DCH আছে, সেইসব প্রতিষ্ঠান গুলোতে যত শূন্যপদ আছে, প্রতিটিতে অতি দ্রুততার সাথে নতুন ভাবে স্বচ্ছ নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করা।

এই মর্মে এবছরের মার্চ মাসে North Bengal Dental College and Hospital এর প্রিন্সিপালকে স্মারকলিপি,স্বাস্থ্য দপ্তরের PHS,DME,DHS, Grievance redressal Committee র কাছে ইমেল মারফৎ যোগাযোগ করার চেষ্টা হলেও কোনো সদুত্তর আসেনি।

আমরা যে রাজ্যে জন্মেছি , যে রাজ্যের জল-হাওয়ায় আমরা মানুষ হলাম, সেই রাজ্যের আপামর সাধারণ মানুষের কাছে আমরা পরিষেবা পৌঁছে দিতে চাই, পশ্চিমবঙ্গের নবনির্বাচিত সরকারের কাছে আবেদন যাতে আমাদের ন্যায্য দাবি মেনে অবিলম্বে নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু করা হোক!

অবিলম্বে সিনিয়র রেসিডেন্টদের মেধাভিত্তিক কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে যথাযথ পোস্টিং দিতে হবে এবং অগণতান্ত্রিক SOP বাতিল করতে হব...
03/06/2026

অবিলম্বে সিনিয়র রেসিডেন্টদের মেধাভিত্তিক কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে যথাযথ পোস্টিং দিতে হবে এবং অগণতান্ত্রিক SOP বাতিল করতে হবে

আর জি কর আন্দোলনের তীব্রতা কিছুটা স্তিমিত হতেই আমরা প্রত্যক্ষ করেছি প্রতিহিংসার রাজনীতির এক উদ্বেগজনক চেহারা। শুধুমাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণ করার “অপরাধে” একের পর এক থানা থেকে সমন পাঠানো হয়েছিল চিকিৎসকদের। সিনিয়র থেকে জুনিয়র, এমনকি মেডিক্যাল পড়ুয়ারাও সেই তালিকা থেকে বাদ যাননি। এর পাশাপাশি ডাঃ অনিকেত মাহাতো, ডাঃ দেবাশিস হালদার এবং ডাঃ আসফাকুল্লা নাইয়াকে মেধাভিত্তিক কাউন্সেলিং উপেক্ষা করে অন্যত্র পোস্টিং দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর অবশেষে তাঁরা নিজেদের প্রাপ্য ও সঠিক পোস্টিং ফিরে পেয়েছেন।

কিন্তু প্রতিহিংসার এই ধারা থেমে থাকেনি। এবার তার প্রভাব পড়েছে এই বছরের সিনিয়র রেসিডেন্ট চিকিৎসকদের উপর। পূর্ববর্তী স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক SOP বাতিল করে আনা হয়েছে নতুন SOP, যেখানে কাউন্সেলিংয়ের কোনও সুযোগ রাখা হয়নি। চিকিৎসকদের মেধাকে গুরুত্ব না দিয়ে যেকোনও জায়গায় পোস্টিং দেওয়ার ক্ষমতা রাখা হয়েছে প্রশাসনের হাতে। এইভাবেই এই চিকিৎসকদের পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। এমনকি যেকোনও সময় ট্রান্সফারের সম্ভাবনাও রাখা হয়েছে। উচ্চশিক্ষার সুযোগ সীমিত করা হয়েছে, এবং ভবিষ্যতে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল কলেজ পোস্টিং আদৌ দেওয়া হবে কিনা, তাও অনিশ্চিত।

আরও উদ্বেগের বিষয়, কিছু চিকিৎসককে এমন জায়গায় পাঠানো হয়েছে যেখানে তাঁদের নির্দিষ্ট বিভাগই নেই। এর ফলে চিকিৎসকদের দক্ষতার সঠিক ব্যবহার হচ্ছে না, যা ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যব্যবস্থার উপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।

সবচেয়ে আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, এই SOP এমন একটি ভয়ের পরিবেশ তৈরি করছে যেখানে আন্দোলন বা প্রতিবাদ করলেই তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক প্রতিহিংসার পথ আরও প্রশস্ত হয়ে যাচ্ছে।

আমরা এমন একটি সুস্থ স্বাস্থ্যব্যবস্থা চাই, যেখানে ভয় নয়, স্বচ্ছতা, ন্যায় এবং সম্মান প্রাধান্য পাবে। তাই নবনির্বাচিত সরকারের কাছে আমাদের দাবি—বর্তমান SOP প্রত্যাহার করে একটি স্বচ্ছ, ন্যায্য ও মেধাভিত্তিক SOP প্রণয়ন করা হোক এবং ২০২২-২০২৫ ব্যাচের সিনিয়র রেসিডেন্টদের মেডিক্যাল কলেজে স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে পোস্টিং নিশ্চিত করা হোক

পুঞ্চা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এক শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলা, হে...
17/05/2026

পুঞ্চা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এক শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলা, হেনস্থা ও ভয় প্রদর্শনের ঘটনায় আমরা গভীর উদ্বেগ ও তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

একটি Neurotoxic Snake Bite-এর মতো অত্যন্ত জটিল ও সময়সাপেক্ষ চিকিৎসাজনিত পরিস্থিতিতে রোগীর মৃত্যুর ঘটনা নিঃসন্দেহে মর্মান্তিক। শোকাহত পরিবারের যন্ত্রণা আমরা উপলব্ধি করি। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ একজন কর্তব্যরত চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী কিংবা হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের উপর শারীরিক ও মানসিক আক্রমণের মাধ্যমে হতে পারে না।

অভিযোগ অনুযায়ী, পুঞ্চা BPHC-তে কর্তব্যরত মহিলা চিকিৎসক ও BMOH-কে ঘিরে ধমক, নিগ্রহ এমনকি মারধরের ঘটনাও ঘটেছে। বিশেষভাবে উদ্বেগের বিষয়, যিনি ডিউটিতেও ছিলেন না, তাকেও জনরোষের মুখে পড়তে হয়েছে। মহিলা চিকিৎসককে চুলের মুঠি ধরে টানার অভিযোগও সামনে এসেছে। অথচ হাসপাতালে দেখা যায়নি ন্যূনতম নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপস্থিতি। এই ধরনের ঘটনা শুধু চিকিৎসক সমাজের নিরাপত্তাকেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায় না, সমগ্র স্বাস্থ্যব্যবস্থার উপর ভয়ের আবহ তৈরি করে।

অভয়া আন্দোলনে অভয়ার খুন-ধর্ষনের বিচার যেমন আমাদের দাবি ছিল, তেমনই দাবি ছিল দ্বিতীয় কোনো অভয়ার ঘটনা যাতে আর না ঘটে। দাবি ছিল চিকিৎসক-নার্স-স্বাস্থ্যকর্মীরা যেন সুস্থ ও নিরাপদ কাজের পরিবেশ পান, নির্ভয়ে কাজ করতে পারেন। অথচ অভয়ার ঘটনার আগেও যেমন বারবার চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর আক্রমণ নেমে এসেছে, এখনও সেই পরিস্থিতির কোনো বাস্তব পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। সরকার বদলের পর মানুষ আশা রেখেছে হাসপাতালগুলোতে অন্তত ন্যূনতম নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, বিশেষ করে প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি স্তরের হাসপাতালগুলোতে। কিন্তু পুঞ্চার ঘটনার পর আমরা আশঙ্কিত হচ্ছি যে পূর্বতন ঘটনাগুলোর পুনরাবৃত্তি হতে থাকবে কিনা! আমরা সরকারের কাছে সদর্থক ভূমিকা আশা করছি এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, দোষীদের চরম শাস্তি ও পরিকাঠামোর পরিবর্তন যাতে হয় সেই বিষয়ে।

চিকিৎসায় গাফিলতি আদৌ আছে কি না, তা তদন্তের বিষয়। ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে enquiry committee গঠনের কথা জানা গিয়েছে। আমরা দাবি জানাই, নিরপেক্ষ ও বৈজ্ঞানিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ্যে আনা হোক। কিন্তু কোনো মৃত্যুর পরই চিকিৎসকদের উপর মব ভায়োলেন্স ও দুষ্কৃতীদের তাণ্ডব আসলে সামগ্রিক ভাবে আইনের শাসনের অভাব ও অরাজক অবস্থাকেই নির্দেশ করে।
দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের মনে একটি বিপজ্জনক ধারণা তৈরি করা হয়েছে। মৃত্যু মানেই চিকিৎসকের গাফিলতি, হাসপাতালের সমস্ত সমস্যার জন্য দায়ী শুধুমাত্র চিকিৎসক-নার্স-স্বাস্থ্যকর্মীরা। অথচ হাসপাতালের দুর্বল পরিকাঠামো, পর্যাপ্ত কর্মীবলের অভাব, নিম্নমানের ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী, প্রশাসনিক ব্যর্থতা এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থার দীর্ঘদিনের অবহেলার দায় যারা বহন করে, তাদের জবাবদিহি খুব কমই হয়। বরং সেই দায় এড়াতেই সমস্ত ক্ষোভ ঠেলে দেওয়া হয় সামনের সারিতে কাজ করা স্বাস্থ্যকর্মীদের দিকে।

West Bengal Junior Doctors’ Front স্পষ্টভাবে জানাতে চায়, হাসপাতালের রোগী পরিষেবা ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। চিকিৎসকদের উপর হিংসা বন্ধ না হলে স্বাভাবিক স্বাস্থ্য পরিষেবা বজায় রাখা ক্রমশ অসম্ভব হয়ে উঠবে।

আমাদের দাবিগুলো স্পষ্ট:

•চিকিৎসক-নার্স-স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলাকারী সমস্ত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনানুগ ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।
• প্রতিটি হাসপাতালে, প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে মেডিকেল কলেজ পর্যন্ত, উপযুক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও ভয়হীন কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
• হাসপাতালগুলিতে যথাযথ পরিকাঠামো, মানসম্মত ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী নিশ্চিত করতে হবে।
• পর্যাপ্ত সংখ্যায় চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করতে হবে।
• স্বাস্থ্যব্যবস্থার দুর্বল পরিকাঠামো ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার জন্য দায়ী দুর্নীতিগ্রস্ত ও উচ্চপদস্থ আধিকারিকদেরও তদন্তের আওতায় এনে জবাবদিহি ও শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
আমরা আক্রান্ত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশে আছি।

হিংসার বিরুদ্ধে, নিরাপদ স্বাস্থ্যব্যবস্থার পক্ষে
West Bengal Junior Doctors’ Front।

আর জি করের সেই অভিশপ্ত রাত আজও বাংলার মানুষের স্মৃতিতে রক্তক্ষরণের মতো জীবন্ত। সময় কেটে যায়, কিন্তু কিছু ক্ষত সময়ও মু...
15/05/2026

আর জি করের সেই অভিশপ্ত রাত আজও বাংলার মানুষের স্মৃতিতে রক্তক্ষরণের মতো জীবন্ত। সময় কেটে যায়, কিন্তু কিছু ক্ষত সময়ও মুছতে পারে না। আমরা ভুলিনি। আমরা ভুলব না।

বিচারের নামে দীর্ঘ টালবাহানা, তদন্তের অসংখ্য অসংগতি আর বারবার সত্যিকে আড়াল করার চেষ্টার মাঝেও আজকের দিনটা আন্দোলনের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে।

আর জি কর এর ঘটনার তিন কুচক্রী আই পি এস, বিনীত গোয়েল, ইন্দিরা মুখার্জি এবং অভিষেক গুপ্তর সাসপেনশন কোনো সাধারণ প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়। এটা রাজপথে দিনের পর দিন লড়াই করা হাজার হাজার মানুষের চাপের ফল, এটা প্রতিবাদের শক্তি যাকে সরকার মান্যতা দিল।

প্রথম দিন থেকেই আমরা বলেছিলাম, অভয়ার হত্যা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে অনেক গুলো স্তরে, তথ্যপ্রমাণ লোপাট, তদন্তের গতিপথ ঘুরিয়ে দেওয়া এবং জনমানসে বিভ্রান্তি তৈরি করার যে অভিযোগগুলো আমরা বারবার করেছিলাম আজ প্রমাণ হল সেগুলো কোনো কল্পনা / রটনা ছিল না।

প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল, যিনি ১৪ই আগস্টের নক্কারজনক ভাঙচুরের পর শান্ত গলায় প্রেস কনফারেন্স করে বলেছিলেন, “গুজবের কারণেই এই ভাঙচুর, এটার জন্যে মিডিয়া দায়ী”। লালবাজারে নিজের পদত্যাগপত্র নেওয়ার আগে সারারাত রাস্তায় ব্যারিকেডের সামনে বসিয়ে রাখেন জুনিয়র ডাক্তার ও আন্দোলনরত জনতাকে। অবশ্য পদত্যাগ এর নামে তাকে প্রাক্তন পুলিশমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য এস টি এফ এর প্রধান করে দেন, যাতে তার স্নেহছায়া থেকে বঞ্চিত না হতে হয়।

প্রাক্তন ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখার্জি, যিনি অভিক দে-কে “ফিঙ্গারপ্রিন্ট এক্সপার্ট” বলে প্রেস কনফারেন্স করে সমস্ত ষড়যন্ত্রকে প্রকাশ্যে আড়াল করার চেষ্টা করেন। অনশন মঞ্চে জল, বায়ো টয়লেটের ন্যূনতম মানবিক ব্যবস্থাও পৌঁছতে না দেওয়ার পিছনে তার ভূমিকা কী ছিল তাও মানুষ ভোলেনি।

আর তৎকালীন ডিসি নর্থ অভিষেক গুপ্ত, যাঁর বিরুদ্ধে শোকস্তব্ধ পরিবারের কাছে টাকা দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। যে ঘটনা থেকে মানুষের মনে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে গভীর সন্দেহ গাঢ় হয়।

কিন্তু এটুকুতে লড়াই শেষ নয়। এই সাসপেনশন হিমশৈলের চূড়ামাত্র। যারা সত্যিকে চাপা দিতে চেয়েছে, যারা অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা করেছে, তাদের প্রত্যেকের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

আমরা শুধু বিভাগীয় ব্যবস্থা নয়, উপযুক্ত আইনি শাস্তি চাই। প্রতিটি আন্দোলনকারী মানুষের সত্য জানার অধিকার আছে। এবং সেই সত্য যত দ্রুত সম্ভব সকলের সামনে সম্পূর্ণভাবে উন্মোচিত হোক, সেটাই আজ বাংলার মানুষের দাবি।

নবগঠিত সরকারের এই সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই। এই পদক্ষেপ সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের আন্দোলনকারী মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির এক নৈতিক জয়।

সাসপেনশন দিয়ে শুরু। যেন এখানে শেষ না হয়। সত্যের শেষ দরজায় পৌঁছানো পর্যন্ত লড়াই চলবে।

২৩ লক্ষ ছাত্রছাত্রীর স্বপ্ন নিয়ে এভাবে ছিনিমিনি খেলা চলবে না।NEET-UG 2026 বাতিল। আবারও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ। আবারও NTA-র...
14/05/2026

২৩ লক্ষ ছাত্রছাত্রীর স্বপ্ন নিয়ে এভাবে ছিনিমিনি খেলা চলবে না।

NEET-UG 2026 বাতিল। আবারও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ। আবারও NTA-র চূড়ান্ত ব্যর্থতা।

২০২৪ সালের ঘটনার পরেও কোনো শিক্ষা নেওয়া হয়নি। “Leak-proof” পরীক্ষাব্যবস্থার দাবি বাস্তবের সামনে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে।
দেশজুড়ে লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রী বছরের পর বছর ধরে এই একটি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেয়। অসহনীয় মানসিক চাপের মধ্যে দিয়ে যেতে হয় তাদের। পরিবারের মানুষজন আর্থিক ও সামাজিক নানা লড়াইয়ের মধ্যেও পাশে দাঁড়ান। অথচ কেন্দ্রীয় সংস্থা ও সরকার পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, WhatsApp ও Telegram-এ প্রশ্নপত্র ঘুরেছে। তথাকথিত “guess paper”-এর সঙ্গে একাধিক প্রশ্ন মিলে গিয়েছে। বিভিন্ন রাজ্যে গ্রেফতারি হয়েছে। ইতিমধ্যেই CBI তদন্ত শুরু হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার আগে কঠোর তল্লাশি করা হলেও, আসল জায়গা অর্থাৎ প্রশ্নপত্র তৈরির উচ্চস্তরে কোনো নজরদারি আদৌ রাখা হয়নি, তাই আজকে এই অবস্থার সম্মুখীন হতে হল ছাত্রছাত্রীদের।

শুধু সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ পরীক্ষা নিতে ব্যর্থ হওয়াই নয়, বারবার ব্যর্থতার পরেও কোনো দায় স্বীকার করা হয়নি। ২০২৪ সালের ঘটনার পর মূল দোষীদের চিহ্নিত করতে বা এই দুর্নীতির শিকড় ভাঙতে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

আজ দেশজুড়ে প্রতিবাদ হচ্ছে। ছাত্র সংগঠন, চিকিৎসক সংগঠন এবং সাধারণ পরীক্ষার্থীরা সবাই দায় নির্ধারণের দাবি তুলেছেন। সুপ্রিম কোর্টেও আবেদন জমা পড়েছে NTA-কে সরিয়ে একটি স্বশাসিত, প্রযুক্তিনির্ভর ও নির্ভরযোগ্য পরীক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবিতে।

West Bengal Junior Doctors’ Front স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে:
• বারবার প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষায় অনিয়ম কোনো “দুর্ঘটনা” নয়, এটি গোটা ব্যবস্থার গভীর পচনের লক্ষণ।
• ছাত্রছাত্রীদের উপর নেমে আসা মানসিক নির্যাতনের দায় NTA ও কেন্দ্রীয় সরকারকে নিতেই হবে।
• ২০২৪ ও ২০২৬ সালের প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে যুক্ত সকলকে দ্রুত চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি দিতে হবে।
• স্বচ্ছ, বিজ্ঞানসম্মত ও নির্ভরযোগ্য পরীক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।
• শিক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্নীতি ও বাণিজ্যিকীকরণের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে।

একটি দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার ভবিষ্যৎ তৈরি হয় তার মেডিক্যাল ছাত্রছাত্রীদের মাধ্যমে। সেই ভবিষ্যৎ যদি দুর্নীতি, প্রশ্নফাঁস ও প্রশাসনিক অপদার্থতার উপর দাঁড়ায়, তাহলে তার বিপদ গোটা সমাজের উপর নেমে আসে।
WBJDF ছাত্রছাত্রীদের পাশে আছে।
ন্যায়, স্বচ্ছতা ও সঠিক ব্যবস্থার দাবিতে লড়াই চলবে।

---------

23 lakh dreams cannot be betrayed.

NEET-UG 2026 stands cancelled. Once again, allegations of question paper leaks. Once again, a complete failure of the NTA.

Even after 2024, no lessons have been learned. The claim of a “leak-proof” examination system has collapsed in the face of reality.

Across the country, millions of students spend years preparing for this single examination –enduring immense mental pressure, while their families struggle financially and socially to support them. Yet the central agency and the government have failed to ensure the transparency and security of the examination.

There are allegations that question papers circulated on WhatsApp and Telegram, that several questions matched so-called “guess papers,” multiple arrests have taken place across different states, and a CBI investigation has already begun. While students were thoroughly examined and sometimes uncomfortably checked the higher echelons of paper setting went unchecked.

Not only has the testing agency failed repetitively in conducting a fair and transparent exam but also it has done so while not taking responsibility for its failure. After 2024 no concrete institutional steps were taken to identify the culprits.

Today, protests are taking place across the country. Student organisations, doctors’ organisations, and ordinary aspirants are all demanding accountability. Petitions have even been filed in the Supreme Court demanding the removal of the NTA and the creation of a new autonomous and technology-driven examination system.

The West Bengal Junior Doctors’ Front clearly states:
• Repeated paper leaks and exam irregularities are not “accidents” — they are signs of institutional failure.
• The NTA and the central government must take responsibility for the mental harassment faced by students.
• The culprits behind 2026 and 2024 paper leak must be identified and punished immediately.
• A transparent, scientific, and accountable examination system must be established.
• Education must be protected from corruption and commercialisation.

The future of a country’s healthcare system is built through its medical students. If that future rests on corruption, paper leaks, and administrative incompetence, then the danger leaks on to all of society.

WBJDF stands with the students.

The struggle for justice, transparency, and accountability will continue.

দীর্ঘ প্রতীক্ষিত জয়!হাইকোর্টের নির্দেশে দুই জুনিয়র ডাক্তার এর বেআইনি পোস্টিং বাতিল হয়ে নতুন পোস্টিং এর অর্ডার এল স্বা...
13/05/2026

দীর্ঘ প্রতীক্ষিত জয়!

হাইকোর্টের নির্দেশে দুই জুনিয়র ডাক্তার এর বেআইনি পোস্টিং বাতিল হয়ে নতুন পোস্টিং এর অর্ডার এল স্বাস্থ্যভবন থেকে। মেধাভিত্তিক কাউন্সেলিং অনুযায়ী যে পোস্টিং তারা পেয়েছিল সেই প্রাপ্য জায়গায় তাদের জয়েনিং অর্ডার বেরোল দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের জয়ের পর।

ডাঃ আসফাকুল্লা নাইয়া ও ডাঃ দেবাশিস হালদার এর প্রতিহিংসামূলক বেআইনি পোস্টিং পরিবর্তনের শুরু থেকে ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট সংগঠনগতভাবে এই লড়াই চালিয়েছে, কিন্তু আজকের এই জয় প্রতিটি মানুষের যারা এই অসম যুদ্ধে ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন সোচ্চার হয়ে। প্রসঙ্গত,"এরা গ্রামে যেতে চায় না তাই প্রতিবাদ করছে" -এই তৃণমূলী প্রোপাগান্ডাকে চুরমার করে এই জুনিয়র ডাক্তারেরা পরিবর্তিত পোস্টিং এই জয়েন করে এতদিন রোগী পরিষেবা দিয়েছে এবং সেখানকার বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করেছে।

ডাঃ দেবাশিস হালদারের অর্ডার দিন কয়েক আগে বের হলেও ডাঃ আসফাকুল্লা নাইয়ার অর্ডার কাল রাত অবধি না বেরোনোয় আজ আমাদের প্রতিনিধি দল ডেপুটেশন দেয় স্বাস্থ্য ভবনে। ইতিমধ্যে সেই অর্ডার প্রকাশিত হয়েছে। এর পাশাপাশি, মেধাভিত্তিক কাউন্সেলিং বাতিল করে নতুন যে SOP বানানো হয়েছে তার প্রতিবাদেও আমাদের প্রতিনিধিদল ডি এম ইর সাথে দেখা করেছে।

আমরা আমাদের লিখিত দাবি জানিয়েছি। আশা করব নবগঠিত স্বাস্থ্যদপ্তর সমস্ত দাবিদাওয়া খতিয়ে দেখে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেবেন।

কিন্তু তার আগে, নারায়ণ স্বরূপ নিগম, প্রিন্সিপাল হেলথ সেক্রেটারি যিনি এই প্রতিহিংসামূলক পোস্টিং এর পরিকল্পনাকারী তো বটেই, গত শাসকের আমলে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে ঘটা সমস্ত দুর্নীতির সাক্ষী ও সন্দীপ ঘোষ - অভীক - বিরূপাক্ষ - নর্থবেঙ্গল লবির সিন্ডিকেটরাজ এর পৃষ্ঠপোষক, যিনি অপার ঔদ্ধত্য দেখিয়ে বলেছিলেন চাইলে যা খুশি করতে পারেন, তাকে নিয়ে কথা হওয়া প্রয়োজন।আমাদের দশ দফা দাবির দ্বিতীয় দাবি ছিল এই ব্যক্তির অপসারণ। এই মুহূর্তে আমাদের দাবি কেবল অপসারণ নয়, বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি তৈরি করতে হবে, তদন্তের আওতায় আনতে হবে! তার প্রতিটি দুর্নীতির কুকীর্তি জনগণের সামনে প্রকাশ্যে আসুক।

আমাদের রাজ্যের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উপর রাজ্যের সমস্ত মানুষ নির্ভরশীল কোনো না কোনো মাত্রায়। এই ক্ষেত্রে দুর্নীতির মানে হল সমস্ত রাজ্যের মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা। যার উদাহরণ আমরা দেখেছি জাল স্যালাইন কাণ্ডে। ফলে, অতি দ্রুত তদন্তের আওতায় আনতে হবে প্রিন্সিপাল হেলথ সেক্রেটারিকে। যাতে কোনো ক্ষেত্রে তথ্য প্রমাণ লোপাটের কোনো সুযোগ না থাকে।

Address

Satara

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when WBJDF - West Bengal Junior Doctors' Front posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to WBJDF - West Bengal Junior Doctors' Front:

Share