Satmaya yoga and ayurveda

Satmaya yoga and ayurveda We believe that yoga is for everyone

https://youtube.com/-yoga?si=h_fBGYcgdMpHDx1p

11/08/2026

तितेपाती (Mugwort) – पवित्र, आध्यात्मिक र प्राचीन औषधीय जडीबुटी

तितेपाती (Mugwort) हिमालयदेखि पूर्वी एसियासम्म हजारौँ वर्षदेखि सम्मानका साथ प्रयोग हुँदै आएको एक पवित्र र बहुउपयोगी जडीबुटी हो। नेपाली संस्कृति, आयुर्वेद तथा विभिन्न प्राचीन परम्पराहरूमा यसलाई शुद्धता, संरक्षण र प्राकृतिक उपचारको प्रतीक मानिन्छ।

आध्यात्मिक रूपमा तितेपातीलाई नकारात्मक ऊर्जा हटाउने, वातावरणलाई शुद्ध बनाउने तथा ध्यान, योग र पूजा–आराधनामा सकारात्मक ऊर्जा प्रवाह गराउने जडीबुटीका रूपमा परम्परागत रूपमा प्रयोग गरिन्छ। धेरै समुदायमा यसलाई शुभता, मानसिक शान्ति र आध्यात्मिक सन्तुलनसँग जोडेर हेरिन्छ।

परम्परागत रूपमा तितेपातीको प्रयोग छालाको हेरचाह, शरीरलाई ताजगी प्रदान गर्न, आरामदायी स्नान, मालिस तथा प्राकृतिक जडीबुटीजन्य सौन्दर्य उपचारमा हुँदै आएको छ। यसको सुगन्धले मनलाई शान्त र ताजगीपूर्ण अनुभूति गराउन सहयोग गर्ने विश्वास गरिन्छ।

प्रकृतिको अमूल्य उपहार तितेपातीले परम्परा, पवित्रता र प्राकृतिक सौन्दर्यको अद्वितीय संगम प्रस्तुत गर्दछ। हिमालयको काखबाट प्राप्त यस बहुमूल्य जडीबुटीले आधुनिक जीवनशैलीमा पनि प्राकृतिक हेरचाह र समग्र स्वास्थ्यप्रतिको सम्मानलाई झल्काउँछ।

“तितेपाती – प्रकृतिको पवित्र स्पर्श, परम्पराको अमूल्य उपहार।”







Modint Constructions

দু-তিন দিন ব্যস্ত জীবন থেকে দূরে থাকতে চান?তাহলে একবার আমাদের Shantiniketan Wellness Retreat-এ চলে আসুন... 🌿যেখানে সকাল ...
06/08/2026

দু-তিন দিন ব্যস্ত জীবন থেকে দূরে থাকতে চান?

তাহলে একবার আমাদের Shantiniketan Wellness Retreat-এ চলে আসুন... 🌿

যেখানে সকাল শুরু হবে পাখির ডাকে, দিন কাটে লাল মাটির পথে হাঁটতে হাঁটতে, আর সন্ধ্যা নামে ধ্যান, নীরবতা আর এক গভীর শান্তির স্পর্শে। এটি শুধু একটি ট্রিপ নয়— এটি নিজের শরীর, মন আর আত্মার সঙ্গে আবার নতুন করে সংযোগ স্থাপনের একটি যাত্রা।

যোগ, মেডিটেশন, সাউন্ড হিলিং, সাত্ত্বিক খাবার, প্রকৃতির সান্নিধ্য আর একদল সুন্দর মানুষের সঙ্গে কাটানো কয়েকটি দিন হয়তো আপনাকে মনে করিয়ে দেবে... জীবন শুধু কাজ, দায়িত্ব আর ব্যস্ততার নাম নয়।জীবন মানে মাঝে মাঝে থেমে যাওয়া, গভীর করে নিঃশ্বাস নেওয়া, আর নিজের কাছে ফিরে আসা।

Shantiniketan Wellness Retreat—একটি ছোট্ট বিরতি, যা হয়তো আপনার জীবনে বড় একটি পরিবর্তনের শুরু হয়ে উঠতে পারে। 🤍🧿✨🫂

বিশদে জানতে যোগাযোগ করুন 8250833761 / 070018 75283 এই নম্বরে।

মাতৃত্ব একটি নতুন জীবনের সূচনা, আর সেই যাত্রায় আপনার শরীর ও মন দুটোরই বিশেষ যত্ন প্রয়োজন।Satmaya Yoga & Ayurveda নিয়ে...
01/08/2026

মাতৃত্ব একটি নতুন জীবনের সূচনা, আর সেই যাত্রায় আপনার শরীর ও মন দুটোরই বিশেষ যত্ন প্রয়োজন।

Satmaya Yoga & Ayurveda নিয়ে এসেছে Prenatal & Postnatal Yoga Program, যেখানে নিরাপদ ও বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে যোগাভ্যাসের মাধ্যমে আপনি পাবেন সুস্থ গর্ভাবস্থা, সহজ প্রসবের প্রস্তুতি এবং প্রসব-পরবর্তী দ্রুত পুনরুদ্ধারের সহায়তা।

🌸 গর্ভাবস্থায় শরীরের নমনীয়তা ও শক্তি বৃদ্ধি
🌸 কোমর ও পিঠের ব্যথা কমাতে সহায়ক
🌸 মানসিক চাপ কমিয়ে গভীর প্রশান্তি
🌸 শ্বাস-প্রশ্বাসের সঠিক অনুশীলন
🌸 প্রসব-পরবর্তী শরীর ও মনের পুনরুদ্ধার
🌸 মা ও শিশুর সুস্থ বন্ধন গড়ে তুলতে সহায়ক

মা সুস্থ থাকলে, শিশুর আগামীর ভিত্তিও হয় আরও সুন্দর।

📞 যোগাযোগ: +91 8250833761

29/07/2026

🧘‍♂️ Kids Yoga Admission Open! 🧘‍♀️
Apnar bachhar moddhe ki monojog-er (concentration) obhab hoche? Naki shey khub chintito thake?
Bachhader shorir o mon-ke sushtho, shanto ebong active rakhtar shobcheye bhalo upay holo Yoga (Joga)! Amader notun batch-er jonno admission shuru hoye geche.
✨ Amader Yoga Class-er Upokarita:
🧠 Monojog o Smritishakti (Memory) bridhi pay.
💪 Shorir-er flexibility o strength bare.
😌 Mansik chintamukto o shanto thakte sahajjo kore.
🤸‍♂️ Moja o kheladhular madhyome joga shekhano hoy.
🧒 Boyos: [ 4-15 bochor]
📅 Din o Shomoy: [ Tuesday and Thursday - Evng 5 to 6pm. Saturday Evng 6 to 7 pm, Sunday morning 8 to 9 am]
📍 Sthan: [ Satmaya yoga and ayurveda ]
Seat khub-i shimito! Tai deri na kore aaj-i apnar bachhar naam register korun.
📞 Jogajog korun: [ 7001875283 ]
💬 WhatsApp: [ 7001875283 ]

আজকের কর্মব্যস্ত দুনিয়ায় একটা শব্দ আমরা প্রায়ই শুনি—"বার্নআউট" বা প্রচণ্ড মানসিক চাপ। আমরা ভাবি, চাপ কমানোর উপায় হলো পাহ...
23/07/2026

আজকের কর্মব্যস্ত দুনিয়ায় একটা শব্দ আমরা প্রায়ই শুনি—"বার্নআউট" বা প্রচণ্ড মানসিক চাপ। আমরা ভাবি, চাপ কমানোর উপায় হলো পাহাড়ে বা সমুদ্রে ঘুরতে যাওয়া। কিন্তু ছুটি কাটিয়ে ফেরার দুদিন পরেই আবার সেই একই মানসিক অবস্থা ফিরে আসে। কেন জানেন? কারণ আমরা বাইরের পরিবেশ বদলানোর চেষ্টা করি, কিন্তু আমাদের ভেতরের 'মানসিক পরিবেশ' একই থেকে যায়। আসল চাপ আমাদের কাজে থাকে না, থাকে কাজের প্রতি আমাদের মানসিক প্রতিক্রিয়ায়।
​শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও শক্তিশালী শিক্ষা হলো 'কর্মযোগ'। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছিলেন—"কর্মণ্যেবাধিকারস্তে মা ফলেষু কদাচন"। এর সরল অর্থ হলো, তোমার অধিকার কেবল কর্মে, তার ফলে নয়। আমরা যখন কোনো কাজ করি, তখন কাজের চেয়ে তার ফলাফলের কথা ভেবে বেশি চিন্তিত থাকি—"পাস করব তো?", "বস খুশি হবে তো?", "লাভ হবে তো?"। এই ফলাফলের আশাই আমাদের মনে ভয়ের সৃষ্টি করে। যখন আপনি ফলের আশা ত্যাগ করে শুধু নিজের সেরাটা দিয়ে কাজটি করবেন, তখন কাজটাই একটা আনন্দ হয়ে উঠবে, কোনো বোঝা থাকবে না।
​"ফলাফলের মোহ থেকে মুক্ত হয়ে যে কর্ম করা হয়, তা মানুষকে বন্ধনে জড়ায় না, বরং মুক্তির পথ দেখায়।"
​কাজের চাপ ও স্ট্রেস মুক্ত থাকার জন্য কর্মযোগের ৪টি ব্যবহারিক প্রয়োগ:
​ফলাফল ঈশ্বরের ওপর ছেড়ে দিন: আপনার দায়িত্ব শুধু সততার সাথে চেষ্টা করা। ফলাফল কী হবে, তা আপনার হাতের বাইরে। তাই যা আপনার নিয়ন্ত্রণে নেই, তা নিয়ে ভাবা বন্ধ করুন।
​সেবা ভাব আনুন: আপনার কাজের মাধ্যমে কীভাবে অন্য মানুষের উপকার হতে পারে, সেই চিন্তা করুন। স্বার্থপরতা কমলে মনের শান্তি বাড়ে।
​অহংকার বর্জন: "আমিই সব করছি"—এই ধারণা মন থেকে দূর করুন। মনে করুন আপনি মহাবিশ্বের একটি যন্ত্র মাত্র, যার মাধ্যমে কাজটা করিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
​কাজের শেষে ডিটাচমেন্ট: অফিস বা কাজের সময় শেষ হওয়ার পর মানসিকভাবে সেই কাজ থেকে নিজেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে নিন। ঘরের দরজায় পা রাখার সাথে সাথে পেশাদার পরিচয়টি বাইরে রেখে আসুন।
​কর্ম যখন প্রার্থনায় পরিণত হয়, তখন কোনো ক্লান্তি থাকে না। জীবনকে বোঝার এই সহজ দর্শনটি যদি আমরা রোজকার জীবনে প্রয়োগ করতে পারি, তবে প্রতিটা দিনই হবে উৎসবের মতো।
​আজকের কোনো কাজে কি আপনি সম্পূর্ণ ফলের আশা ছাড়া নিজের সেরাটা দিতে পেরেছিলেন? আপনার অভিজ্ঞতা কমেন্টে লিখুন।
​ #কর্মযোগ #ভগবদ্গীতা #স্ট্রেসব্যবস্থাপনা #মানসিকশান্তি #জীবনেরপাঠ

আমাদের শরীরের ভেতরে একটা অদ্ভুত শক্তির নদী বইছে, অথচ আমরা তার খবরই রাখি না। আমরা সারাদিন কতবার শ্বাস নিই আর ছাড়ি, তার কি...
22/07/2026

আমাদের শরীরের ভেতরে একটা অদ্ভুত শক্তির নদী বইছে, অথচ আমরা তার খবরই রাখি না। আমরা সারাদিন কতবার শ্বাস নিই আর ছাড়ি, তার কি কোনো হিসেব আছে? সাধারণত আমরা খুব অগভীর শ্বাস নিই, যা কেবল আমাদের বুক পর্যন্ত পৌঁছায়। যখন আমরা ভয়ার্ত, চিন্তিত বা রেগে থাকি, তখন আমাদের শ্বাসের গতি দ্রুত হয়ে যায়। আর যখন আমরা শান্ত থাকি, শ্বাস হয় ধীর আর গভীর। এর মানে, আমাদের মনের চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে আমাদের শ্বাসের মধ্যে।
​যোগশাস্ত্রে একে বলা হয় 'প্রাণায়াম'—প্রাণের অয়াম বা বিস্তার। প্রাণ হলো সেই জীবনী শক্তি যা আমাদের বাঁচিয়ে রাখে, আর শ্বাস হলো তার বাহন। যেমন একটা ঘুড়িকে সুতো দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হয়, তেমনি আমাদের মন নামক ঘুড়িটাকে নিয়ন্ত্রণ করার সুতো হলো এই শ্বাস। আপনি আপনার মনকে জোর করে শান্ত করতে পারবেন না, কিন্তু শ্বাসকে ধীর করার মাধ্যমে মনকে নিমেষের মধ্যে শান্ত ও একাগ্র করে তুলতে পারেন। প্রতিদিন সকালে একটু প্রাণায়াম আপনার মস্তিষ্কে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং বুদ্ধিকে তীক্ষ্ণ করে।
​"যার শ্বাস অস্থির, তার মনও অস্থির; শ্বাস যখন স্থির ও শান্ত হয়, তখন জীবনও স্থির ও সুসংহত হয়ে ওঠে।"
​আপনার ফুসফুস ও জীবনী শক্তিকে রিচার্জ করার জন্য প্রতিদিন সকালে যা করবেন:
​নাড়ী শোধন (অনুলোম-বিলোম): মেরুদণ্ড সোজা করে বসুন। ডান নাক বন্ধ করে বাঁ নাক দিয়ে শ্বাস নিন, আবার বাঁ নাক বন্ধ করে ডান নাক দিয়ে ছাড়ুন। এভাবে অল্টারনেট করে ৫-১০ মিনিট করুন। এটি শরীরের এনার্জি চ্যানেলগুলোকে পরিষ্কার করে।
​ভ্রামরী প্রাণায়াম: চোখ ও কান বন্ধ করে ভ্রমরের মতো গুঞ্জন করতে করতে শ্বাস ছাড়ুন। ৫ বার এটি করলে মাথার সমস্ত ক্লান্তি ও মানসিক চাপ নিমেষে দূর হয়ে যাবে।
​উদরীয় শ্বাস (Diaphragmatic Breathing): শ্বাস নেওয়ার সময় পেট ফোলান এবং ছাড়ার সময় পেট ভেতরের দিকে টানুন। এটি ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়ায়।
​সঠিক আসন: প্রাণায়াম করার সময় সবসময় পিঠ ও ঘাড় সোজা রাখবেন যাতে শক্তির প্রবাহে কোনো বাধা না আসে।
​ফুসফুস ভরে নেওয়া একটি গভীর শ্বাস কেবল আপনার শরীরকে বাঁচায় না, আপনার আত্মাকে জাগ্রত করে। আজ সকালে একটু সময় বের করে নিজের এই জীবনদায়ী শক্তিকে অনুভব করুন।
​আজ সকালে প্রাণায়াম করার পর আপনার কেমন অনুভূতি হলো? কমেন্ট সেকশনে আপনার অভিজ্ঞতা জানান।
​ #প্রাণায়াম #শ্বাসেরশক্তি #মানসিকএকাগ্রতা #সুস্থফুসফুস #জীবনশক্তি

জীবনটা কি মাঝে মাঝে একটা অন্তহীন ইঁদুর দৌড়ের মতো মনে হয় না? যেখানে আমরা সবাই ছুটছি, কিন্তু কেউ জানি না ঠিক কোথায় পৌঁছাতে...
21/07/2026

জীবনটা কি মাঝে মাঝে একটা অন্তহীন ইঁদুর দৌড়ের মতো মনে হয় না? যেখানে আমরা সবাই ছুটছি, কিন্তু কেউ জানি না ঠিক কোথায় পৌঁছাতে চাইছি। এই অবিরাম ছোটাছুটির মাঝে আমরা একটা জিনিস সম্পূর্ণ হারিয়ে ফেলি—তা হলো 'বর্তমান মুহূর্ত'। আমরা হয় অতীতের কোনো ভুলের অনুশোচনায় ভুগি, না হয় ভবিষ্যতের কোনো অজানা আশঙ্কায় অস্থির থাকি। মাঝখান থেকে হারিয়ে যায় আজ, এখন, এই মুহূর্তটি।
​শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে একটি অসাধারণ কথা বলেছিলেন—"যোগঃ কর্মসু কৌশলম্" অর্থাৎ কর্মে কুশলতাই হলো যোগ। এর মানে এই নয় যে আপনাকে অলৌকিক কিছু করতে হবে। এর মানে হলো, আপনি বর্তমানে যে কাজটি করছেন, তা এতটাই মনোযোগ আর ভালোবাসার সাথে করুন যেন আপনার অতীত আর ভবিষ্যৎ সেই কাজের গভীরে বিলীন হয়ে যায়। রান্না করা, গাড়ি চালানো বা সন্তানের সাথে গল্প করা—সবকিছুই ধ্যান হয়ে উঠতে পারে যদি সেখানে আপনার পূর্ণ উপস্থিতি থাকে।
​"অতীতের অনুশোচনা আর ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তা হলো মনের তৈরি ভ্রম; একমাত্র বর্তমান মুহূর্তটিই হলো পরম সত্য ও ঈশ্বরের উপহার।"
​আজ থেকেই মনের এই অস্থিরতা দূর করার সহজ উপায়:
​৫-৪-৩-২-১ টেকনিক: যখনই মন খুব ছটফট করবে, আপনার চারপাশে দেখুন—৫টি দেখার মতো জিনিস, ৪টি ছোঁয়া যায় এমন জিনিস, ৩টি শোনার মতো শব্দ, ২টি গন্ধ এবং ১টি নিজের ভালো গুণ মনে করুন।
​মনোযোগের সাথে আহার: রাতের খাবার খাওয়ার সময় ফোন বা টিভি সম্পূর্ণ বন্ধ রাখুন। প্রতিটা গ্রাস ভালো করে চিবিয়ে, খাবারের স্বাদ ও গন্ধ অনুভব করে খান।
​এক সময়ে একটি কাজ: মাল্টিটাস্কিং বন্ধ করুন। যখন মেইল লিখছেন শুধু মেইলই লিখুন, যখন গান শুনছেন শুধু গানই শুনুন।
​শ্বাসের নোঙর: যখনই মনে হবে আপনি চিন্তার সমুদ্রে ভেসে যাচ্ছেন, তখনই বুক ভরে একটা লম্বা শ্বাস নিন আর আস্তে করে ছাড়ুন। শ্বাস আপনাকে বর্তমানে ফিরিয়ে আনবে।
​বর্তমান মুহূর্তটি হলো একটি প্রবেশদ্বার। যখনই আপনি পুরোপুরি এখানে উপস্থিত থাকবেন, তখনই জীবনের সমস্ত মানসিক চাপ আর উদ্বেগ কর্পূরের মতো উড়ে যাবে। শান্ত মনই হলো সবচেয়ে বড় শক্তি।
​আজকের দিনে এমন কোনো মুহূর্ত কি ছিল যখন আপনি সম্পূর্ণভাবে 'বর্তমানে' ছিলেন? কমেন্টে শেয়ার করুন।
​ #বর্তমানমুহূর্ত #ভগবদ্গীতা #মানসিকশান্তি #মনোযোগ #জীবনবোধ
লেখায় - Gourab Roy

আমরা যখনই 'যোগ' শব্দটি শুনি, আমাদের চোখে ভেসে ওঠে কঠিন কোনো শারীরিক কসরত বা জিমন্যাস্টিকসের মতো শরীর বাঁকানোর দৃশ্য। কিন...
21/07/2026

আমরা যখনই 'যোগ' শব্দটি শুনি, আমাদের চোখে ভেসে ওঠে কঠিন কোনো শারীরিক কসরত বা জিমন্যাস্টিকসের মতো শরীর বাঁকানোর দৃশ্য। কিন্তু আপনি কি জানেন, যোগের মূল উদ্দেশ্য শরীর বাঁকানো নয়, বরং মনের ভেতরের জটিলতাগুলোকে সোজা করা? কেবল হাত-পা প্রসারিত করলেই যদি যোগ হতো, তবে সার্কাসের পারফর্মাররাই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ যোগী হতেন। কিন্তু আসল সত্যটা সম্পূর্ণ আলাদা এবং অনেক বেশি গভীর।
যোগ (Yoga) শব্দের উৎপত্তি সংস্কৃত 'যুজ' ধাতু থেকে, যার অর্থ যুক্ত করা বা মিলন। কার সাথে কার মিলন? আপনার শরীরের সাথে মনের, মনের সাথে আত্মার, আর আপনার চেতনার সাথে এই মহাবিশ্বের চেতনার মিলন। যখন আপনি ম্যাটের ওপর দাঁড়ান এবং একটি আসন করেন, তখন আসল লক্ষ্য হলো—আপনার মনটা কি সেই মুহূর্তে আপনার শরীরের সাথে আছে, নাকি বাজারে বা অফিসে ঘুরে বেড়াচ্ছে? যদি মন অন্য কোথাও থাকে, তবে সেটা কেবলই ব্যায়াম। আর যদি মন আর শরীর এক সুতোয় বাঁধা পড়ে, তবেই তা যোগ।
"যোগ হলো নিজের মধ্য দিয়ে, নিজের পরিভ্রমণ, নিজের কাছে পৌঁছানোর জন্য।"
যোগকে কেবল ব্যায়াম না বানিয়ে কীভাবে জীবনের অংশ করবেন:
সচেতন শ্বাস: কোনো আসন করার সময় জোর করে শ্বাস ধরে রাখবেন না। শ্বাসের গতিকে স্বাভাবিক ও ছন্দময় রাখুন।
প্রতিযোগিতা বর্জন: পাশের জন কতটা বাঁকতে পারছেন তা না দেখে, আপনার শরীর আজ যতটুকু অনুমতি দিচ্ছে, ততটুকুই করুন। নিজের শরীরের প্রতি অহিংস হন।
স্থিরতা অনুভব: আসন করার পর অন্তত ২ মিনিট একদম স্থির হয়ে বসুন। শরীরের কোথায় টান পড়েছে বা কোথায় শক্তি সঞ্চারিত হচ্ছে, তা অনুভব করুন।
ম্যাটের বাইরের যোগ: ম্যাট থেকে নেমে যাওয়ার পরও যখন আপনি কারও সাথে কথা বলছেন, তখন পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে শুনুন। এটাই হলো প্রাত্যহিক জীবনের যোগ।
শরীরকে সুস্থ রাখা অবশ্যই দরকার, কিন্তু সেই সুস্থতার মূল চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে মনের শান্ত ভাবের মধ্যে। যখন শরীর ও মন একসাথে কথা বলতে শুরু করে, তখনই জীবনের আসল রূপান্তর ঘটে।
আপনার কাছে যোগের অর্থ কী? এটি কি কেবলই শরীরচর্চা নাকি মনের শান্তি? আপনার মতামত কমেন্টে জানান।
#যোগদর্শন #মনওশরীর #সুস্থতা #সচেতনতা #আত্মজ্ঞান

Address

Sukantapally
Siliguri
734005

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Satmaya yoga and ayurveda posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share