Rabindra Medical Stores

Rabindra Medical Stores Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Rabindra Medical Stores, Medical and health, SONAMUKHI, BAZAR, Sonamukhi.

 #রবীন্দ্রমেডিকেলস্টোর #সোনামুখী #সোনামুখীবাজার #ডাঃসৌম্যকান্তিমন্ডল #জেনারেলমেডিসিন #মেডিসিনবিশেষজ্ঞ #চিকিৎসাপরিষেবা #ড...
05/09/2026

#রবীন্দ্রমেডিকেলস্টোর
#সোনামুখী
#সোনামুখীবাজার
#ডাঃসৌম্যকান্তিমন্ডল
#জেনারেলমেডিসিন
#মেডিসিনবিশেষজ্ঞ
#চিকিৎসাপরিষেবা
#ডাক্তারদেখাবেন
#স্বাস্থ্যসেবা
#স্বাস্থ্যসচেতনতা
#ডায়াবেটিস

05/09/2026

আজকের হেলথ টিপস:
পিপিআই বা গ্যাসের ওষুধ (PPIs: Pantoprazole, Omeprazole, Rabeprazole) সেবনের সঠিক সময় ও দীর্ঘমেয়াদী অপব্যবহারের ঝুঁকি
পেটে সামান্য গ্যাস, পেট ফাঁপা বা বদহজম হলেই অনেকেই নিয়মিত সকালে গ্যাসের ওষুধ (যেমন: Pantoprazole, Omeprazole, Rabeprazole, Esomeprazole) খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করে ফেলেন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বছরের পর বছর একটানা গ্যাসের ক্যাপসুল বা ট্যাবলেট খেয়ে যাওয়া শরীরের জন্য নীরব বিপদ ডেকে আনতে পারে।
গ্যাসের ওষুধের সর্বোচ্চ সুফল ও শারীরিক সুরক্ষায় এই নির্দেশিকাগুলো মেনে চলুন:
খাবার খাওয়ার ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট আগে সেবন: প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর (PPI) জাতীয় ওষুধের প্রধান কাজ হলো পাকস্থলীর অ্যাসিড তৈরির কোষ বা পাম্পগুলোকে নিষ্ক্রিয় রাখা। এই পাম্পগুলো খাবার খাওয়ার সাথে সাথে সক্রিয় হয়। তাই এই ওষুধ খাবারের পর বা খাবার খাওয়ার ঠিক মুখে খেলে কার্যকারিতা প্রায় অর্ধেক কমে যায়। এটি সেবন করার আদর্শ সময় হলো সকালে খালি পেটে, প্রাতঃরাশের অন্তত ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট আগে।
ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল ভেঙে বা চিবিয়ে না খাওয়া: বেশিরভাগ পিপিআই ওষুধ এন্টারিক কোটেড (Enteric Coated) বা ক্ষুদ্র দানাদার (Pellets) রূপে তৈরি হয়, যাতে তা পাকস্থলীর তীব্র অ্যাসিডে নষ্ট না হয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রে গিয়ে শোষিত হতে পারে। তাই ক্যাপসুল খুলে বা ট্যাবলেট গুঁড়ো করে/চিবিয়ে খেলে ওষুধের রাসায়নিক গুণ নষ্ট হয়ে যায়; এটি এক ঢোক জল দিয়ে সম্পূর্ণ গিলে খাওয়া উচিত।
দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের মারাত্মক ঝুঁকি: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া টানা কয়েক মাস বা বছর ধরে পিপিআই খেলে পাকস্থলীতে অ্যাসিডের মাত্রা অতিরিক্ত কমে যায়। এর ফলে শরীর খাবার থেকে প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন B12 সঠিকভাবে শোষণ করতে পারে না। ফলে অস্টিওপোরোসিস (হাড় ভঙ্গুর হওয়া), রক্তস্বল্পতা এবং পেটে ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
হঠাৎ বন্ধ না করে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন: অম্লতা কমাতে কেবল ওষুধের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে সময়মতো খাওয়া, অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবার বর্জন, পর্যাপ্ত জল পান এবং রাতে খাওয়ার সাথে সাথেই না শুয়ে অন্তত দুই ঘণ্টা পর ঘুমাতে যাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
আপনার স্বাস্থ্য সচেতনতায়— রবীন্দ্র মেডিকেল স্টোরস

04/09/2026

আজকের হেলথ টিপস:
ওষুধ সংরক্ষণের সঠিক পদ্ধতি এবং সাধারণ বাড়িতে ওষুধের কার্যকারিতা নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি
অনেকেই বাড়িতে নিয়মিত প্রেসক্রিপশনের ওষুধ, ভিটামিন বা ফার্স্ট এইড আইটেম রান্নাঘরের তাকে, ফ্রিজের ওপরে কিংবা বাথরুমের ক্যাবিনেটে রেখে দেন। তবে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার ভুল ব্যবস্থাপনার কারণে মেয়াদ থাকার পরেও ওষুধের ভেতরের রাসায়নিক উপাদান নষ্ট হয়ে বিষাক্ত বা সম্পূর্ণ অকার্যকর হয়ে পড়তে পারে।
ওষুধের কার্যক্ষমতা ও গুণমান অক্ষুণ্ণ রাখতে এই নির্দেশিকাগুলো মেনে চলুন:
আর্দ্রতা ও গরম জায়গা এড়িয়ে চলা: বাথরুমের ক্যাবিনেট বা রান্নাঘরের চুলার কাছাকাছি স্যাঁতসেঁতে ও উষ্ণ জায়গায় ওষুধ রাখা একদম অনুচিত। অতিরিক্ত আর্দ্রতা ও তাপমাত্রার কারণে ট্যাবলেট গলে যাওয়া, নরম হওয়া বা ক্যাপসুলের খোল নষ্ট হয়ে যায়।
সরাসরি সূর্যালোক থেকে দূরে (Store in a cool, dry place): বেশিরভাগ ওষুধের প্যাকেটের গায়ে লেখা থাকে সরাসরি আলো ও তাপ থেকে দূরে রাখতে। ওষুধ সবসময় ঘরের সাধারণ তাপমাত্রায় (২৫°C-এর নিচে) অন্ধকার, শুষ্ক ও বায়ু চলাচল করে এমন আলমারি বা ড্রয়ারে রাখুন।
সব ওষুধ ফ্রিজে রাখার ভুল ধারণা: ইনসুলিন বা নির্দিষ্ট কিছু অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ/ইনজেকশন ছাড়া সাধারণ ট্যাবলেট ও সিরাপ কখনোই ফ্রিজে রাখবেন না। ফ্রিজের ভেতরের আর্দ্রতা সাধারণ ট্যাবলেটের ক্ষতি করে এবং সিরাপ জমে গিয়ে তলানি আলাদা হয়ে যেতে পারে।
আসল স্ট্রিপ বা বোতলেই ওষুধ সংরক্ষণ: ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল প্রয়োজন ছাড়া আগে থেকে স্ট্রিপ বা ব্লিস্টার প্যাক কেটে বা বের করে সাধারণ পাত্রে রাখবেন না। প্যাকেজিংয়ের অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল বা বিশেষ কোটিং ওষুধকে বাতাস ও আলোর হাত থেকে সুরক্ষিত রাখে।
শিশুদের নাগালের বাইরে রাখা (Keep out of reach of children): রঙ-বেরঙের ট্যাবলেট বা মিষ্টি সিরাপ শিশুরা লজেন্স মনে করে খেয়ে মারাত্মক বিষক্রিয়ার শিকার হতে পারে। তাই ওষুধের বক্স সবসময় শিশুদের হাত পৌঁছাবে না এমন উঁচুতে বা লক করা ড্রয়ারে রাখুন।
আপনার স্বাস্থ্য সচেতনতায়— রবীন্দ্র মেডিকেল স্টোরস

04/09/2026

 #রবীন্দ্র_মেডিকেল_স্টোরস #সোনামুখী #সোনামুখী_বাজার #চিকিৎসা_পরিষেবা #ডাক্তার_দেখানো #বক্ষরোগ_বিশেষজ্ঞ #চেস্ট_স্পেশালিস্...
04/09/2026

#রবীন্দ্র_মেডিকেল_স্টোরস
#সোনামুখী
#সোনামুখী_বাজার
#চিকিৎসা_পরিষেবা
#ডাক্তার_দেখানো
#বক্ষরোগ_বিশেষজ্ঞ
#চেস্ট_স্পেশালিস্ট
#ডায়াবেটিস
#সুগার
#থাইরয়েড

 #রবীন্দ্রমেডিকেলস্টোর  #সোনামুখী  #সোনামুখীবাজার  #ডাঃঅনির্বাণমুখার্জি  #চর্মরোগবিশেষজ্ঞ  #চর্মরোগ  #কুষ্ঠরোগ  #যৌনরোগ ...
04/09/2026

#রবীন্দ্রমেডিকেলস্টোর #সোনামুখী #সোনামুখীবাজার #ডাঃঅনির্বাণমুখার্জি #চর্মরোগবিশেষজ্ঞ #চর্মরোগ #কুষ্ঠরোগ #যৌনরোগ

03/09/2026

আজকের হেলথ টিপস:
ইনসুলিন (Insulin) ইনজেকশনের সঠিক সংরক্ষণ, পুশ করার নিয়ম ও স্থান পরিবর্তন (Site Rotation)
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ইনসুলিন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জীবনদায়ী ওষুধ। তবে ইনসুলিন সঠিকভাবে ফ্রিজে সংরক্ষণ না করলে বা ভুল পদ্ধতিতে ইনজেকশন নিলে ওষুধের কার্যকারিতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ত্বকের নিচে শক্ত চর্বির ডেলা বা সংক্রমণ তৈরি হতে পারে।
ইনসুলিনের সঠিক কার্যকারিতা ও নিরাপদ ব্যবহারের জন্য এই নির্দেশিকাগুলো মেনে চলুন:
সঠিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ:
অব্যবহৃত ইনসুলিন ভায়াল বা কার্ট্রিজ: নতুন ও সিল খোলা হয়নি এমন ইনসুলিন সবসময় ফ্রিজের সাধারণ চেম্বারে ২°C থেকে ৮°C তাপমাত্রায় রাখুন। ভুলেও ডিপ ফ্রিজ বা ফ্রিজারের বরফ অংশে রাখবেন না; ইনসুলিন একবার বরফ হয়ে জমাট বাঁধলে তার কার্যকারিতা স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যায়।
চলতি বা ব্যবহৃত ইনসুলিন: যে ভায়াল বা পেনটি বর্তমানে ব্যবহার করছেন, তা ফ্রিজ থেকে বের করে ঘরের সাধারণ তাপমাত্রায় (২৫°C-এর নিচে) সরাসরি রোদ ও গরম থেকে দূরে রাখলে সর্বোচ্চ ২৮ দিন ভালো থাকে।
ঠান্ডা ইনসুলিন সরাসরি পুশ না করা: ফ্রিজ থেকে সরাসরি বের করেই ঠান্ডা ইনসুলিন ইনজেকশন দিলে তীব্র ব্যথা বা জ্বালা হতে পারে। ব্যবহারের ১৫-২০ মিনিট আগে বের করে ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এনে নিন অথবা হাতের তালুর মাঝে রেখে আলতো করে ঘুরিয়ে নিন (জোরে ঝাঁকাবেন না)।
ইনজেকশনের জায়গা পরিবর্তন (Site Rotation): ইনসুলিন সাধারণত পেটে (নাভির চারপাশ থেকে অন্তত ২ ইঞ্চি দূরে), উরুর সামনের অংশে বা বাহুর বাইরের অংশে ত্বকের ঠিক নিচের চর্বিযুক্ত স্তরে (Subcutaneous) দেওয়া হয়। প্রতিদিন একই নির্দিষ্ট জায়গায় ইনজেকশন দিলে সেখানে চর্বির পিণ্ড বা শক্ত গাঁট তৈরি হয় (Lipohypertrophy), যা পরবর্তীতে ইনসুলিন শোষণে মারাত্মক বাধা দেয়। তাই প্রতিবার ইনজেকশনের স্থান অন্তত ১ ইঞ্চি করে বদলে নিন।
ত্বক আলতো করে টেনে ধরা (Skin Pinching): চামড়া আলতো করে দুই আঙুল দিয়ে সামান্য টেনে তুলে ইনসুলিন সিরিঞ্জ বা পেনটি ৯০ ডিগ্রি কোণে ঢুকিয়ে ওষুধ পুশ করুন। ওষুধ দেওয়ার পর সুইটি সাথে সাথে টেনে বের না করে ৫ থেকে ১০ সেকেন্ড ভেতরে ধরে রাখুন, যাতে সম্পূর্ণ ওষুধ ভেতরে প্রবেশ করতে পারে এবং ব্যাক-ফ্লো না হয়।
সুই বা নিডল প্রতিবার পরিবর্তন: ইনসুলিন পেন বা সিরিঞ্জের নিডল একবারের বেশি ব্যবহার করা অনুচিত। বারবার একই সূচ ব্যবহার করলে তা ভোঁতা ও বাঁকা হয়ে য

 #ডাঃবরুনাদয়চক্রবর্তী #স্ত্রীওপ্রসূতিরোগবিশেষজ্ঞ #গাইনোকলজিস্ট #প্রসূতিরোগবিশেষজ্ঞ #মহিলাদেরস্বাস্থ্য
03/09/2026

#ডাঃবরুনাদয়চক্রবর্তী
#স্ত্রীওপ্রসূতিরোগবিশেষজ্ঞ
#গাইনোকলজিস্ট
#প্রসূতিরোগবিশেষজ্ঞ
#মহিলাদেরস্বাস্থ্য

02/09/2026

আজকের হেলথ টিপস:
পালস অক্সিমিটার (Pulse Oximeter) দিয়ে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা (SpO2) ও নাড়ির গতি মাপার সঠিক নিয়ম
শ্বাসকষ্ট, সর্দি-কাশি বা ফুসফুসের যেকোনো অসুস্থতায় শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা এবং হৃদস্পন্দন যাচাই করতে পালস অক্সিমিটার একটি অত্যন্ত দরকারি যন্ত্র। তবে আঙুলের অবস্থান বা বাহ্যিক কিছু অসাবধানতার কারণে যন্ত্রটিতে ভুল বা অস্বাভাবিক কম রিডিং আসতে পারে।
নির্ভুল ফলাফল ও সঠিক ব্যবহারের জন্য এই নির্দেশিকাগুলো মেনে চলুন:
নেলপলিশ বা মেহেদি থাকলে মুছে নেওয়া: নেলপলিশ (বিশেষ করে কালো, নীল বা গাঢ় লাল রং) এবং কৃত্রিম নখ অক্সিমিটারের লাল ইনফ্রারেড আলোকে বাধা দেয়। এর ফলে রক্তে পর্যাপ্ত অক্সিজেন থাকলেও রিডিং বিপজ্জনকভাবে কম দেখাতে পারে। পরিমাপের আগে নখ পুরোপুরি পরিষ্কার রাখুন।
হাত ঠান্ডা থাকলে ঘষে গরম করে নেওয়া: হাত বা আঙুল অতিরিক্ত ঠান্ডা থাকলে রক্তনালী সংকুচিত হয়ে আঙুলের মাথায় রক্ত চলাচল সাময়িকভাবে কমে যায়। এতে যন্ত্রটি সিগন্যাল পায় না বা ভুল রিডিং দেয়। তাই পরিমাপের আগে দুই হাত ভালো করে ঘষে আঙুল স্বাভাবিক উষ্ণ করে নিন।
সঠিক আঙুল নির্বাচন ও স্থির থাকা: সাধারণত হাতের তর্জনী (Index Finger) বা মধ্যমা (Middle Finger)-তে অক্সিমিটার সবচেয়ে ভালো কাজ করে। যন্ত্রটি আঙুলে লাগানোর পর হাতটি টেবিল বা কোলের ওপর স্থির রাখুন। পরিমাপ চলাকালীন আঙুল নাড়ালে রিডিং ওঠানামা করবে।
রিডিং স্থিতিশীল হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা (অন্তত ৩০ সেকেন্ড): যন্ত্রে সংখ্যা ওঠামাত্রই লিখে রাখবেন না। ডিসপ্লেতে মান আসার পর অন্তত ২০ থেকে ৩০ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন, যতক্ষণ না সংখ্যাটি একটি নির্দিষ্ট মানে স্থির হয় এবং পালস ওয়েভ বা হার্টবিট গ্রাফ স্বাভাবিক ছন্দ দেখায়।
স্বাভাবিক মান ও সতর্কতার মাত্রা:
রক্তে স্বাভাবিক অক্সিজেনের মাত্রা (SpO2) সাধারণত ৯৫% থেকে ১০০%-এর মধ্যে থাকে।
বিশ্রামরত অবস্থায় হৃদস্পন্দন (Pulse Rate) সাধারণত প্রতি মিনিটে ৬০ থেকে ১০০ বিট থাকে।
অক্সিজেনের মাত্রা টানা ৯৩%-এর নিচে নামলে বা দ্রুত শ্বাসকষ্ট হলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
আপনার স্বাস্থ্য সচেতনতায়— রবীন্দ্র মেডিকেল স্টোরস

01/09/2026

Address

SONAMUKHI, BAZAR
Sonamukhi
722207

Opening Hours

Monday 9am - 10:30pm
Tuesday 9am - 10:30pm
Wednesday 9am - 10:30pm
Thursday 10:30am - 5pm
Friday 9am - 10:30pm
Saturday 9am - 10:30pm
Sunday 10am - 6pm

Telephone

+917063888100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rabindra Medical Stores posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Rabindra Medical Stores:

Shortcuts

Share