13/06/2026
পাথর হওয়ার লক্ষণ:
(1)পিঠে, কোমরের একপাশে বা তলপেটে তীব্র ব্যথা।
(2)প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া বা ব্যথা হওয়া।
(3)প্রস্রাবের রং ঘোলাটে হওয়া এবং বাজে গন্ধ আসা।
(4)বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
(5)প্রস্রাবের সাথে রক্ত যাওয়া বা ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব হওয়া.
( #)কিডনিতে পাথর (Kidney Stones) একটি অত্যন্ত সাধারণ ও কষ্টদায়ক সমস্যা। যখন প্রস্রাবের খনিজ ও লবণগুলো ঘন হয়ে জমাট বাঁধে, তখন পাথরের সৃষ্টি হয়। পর্যাপ্ত পানি পান না করা, গরম আবহাওয়ায় থাকা এবং বংশগত কারণ এর প্রধান ঝুঁকি।
করণীয় ও চিকিৎসা : পাথরের আকার এবং অবস্থানের ওপর নির্ভর করে চিকিৎসা নির্ধারণ করা হয়।
ছোট পাথর (৬-৭ মি.মি. এর কম হলে: সঠিক বনাজী ওষুধ এবং প্রচুর পানি পান করলে পস্রাবের সাথে গুরা হয়ে পাথর বের হয়ে যাবে.
বড় পাথর (৭ মি.মি. বা তার বড়):বড় পাথর নিজে থেকে বের হওয়া কঠিন এবং মূত্রনালী বন্ধ করে দেওয়ার ঝুঁকি থাকে। এর জন্য আধুনিক চিকিৎসার প্রয়োজন হয়:
শক ওয়েভ লিথোট্রিপসি (ESWL): ব্যথামুক্ত শব্দের ঢেউ (Shock wave) ব্যবহার করে পাথর গুঁড়ো করে দেওয়া হয়।
# ইউরেটেরোস্কপি (URS): ক্যামেরাযুক্ত সরু নল মূত্রনালীর ভেতর প্রবেশ করিয়ে পাথর বের করে আনা বা লেজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়।
#সার্জারি: পাথর অনেক বড় হলে অথবা সংক্রমণ দেখা দিলে সার্জারির (যেমন: PCNL) প্রয়োজন হতে পারে।
প্রতিরোধের উপায়:
পর্যাপ্ত পানি: প্রস্রাব যেন সর্বদা পরিষ্কার বা হালকা হলুদ রঙের থাকে।খাদ্যাভ্যাস: লবণ ও অতিরিক্ত প্রাণীজ প্রোটিন খাওয়া কমাতে হবে।
#আপনার কি আগে থেকেই কিডনিতে পাথর ধরা পড়েছে বা আপনি নির্দিষ্ট কোনো ব্যথায় ভুগছেন? আপনি চাইলে আপনার পাথরের আকার ও অবস্থান জানালে আমি সেই অনুযায়ী করণীয় বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শের বিষয়ে আরও সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারব।
Contect Saudi Arab Jeddah ,Call,Whatsapp,imo +966544213607 Bangladesh +8801869776020