13/08/2024
ফিটনেস বিহীন যানবাহন, দখল মুক্ত ফুটপাথ ও দূর্ণীতি মুক্ত মেট্রপলিটন সিটি গড়তে ট্রাফিক পুলিশের সাথে পার্ট-টাইম ছাত্র প্রতিনিধি চাই।
প্রত্যেকটা পয়েন্টে যদি ৩-৫ জন ছাত্র প্রতিনিধি দেয়া হয় এবং প্রিতি ৩ ঘণ্টা পর পর যদি ছাত্র প্রতিনিধি টিম পরিবর্তন হয় তাহলে নগরবাসী এক নতুন সিটি কর্পরেশান দেখতে পাবে। সরকারের আয় বৃদ্ধি পাবে এবং জন জীবনে স্বস্থি ফিরে আসবে।
১) ট্রাফিক পুলিশ যেসব যানবাহন চেক করবে যদি তাতে কোন অনিয়ম দেখা যায় তাহলে বিধি মোতাবেক ছাত্র প্রতিনিধিরা ফাইন করবে এবং দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ বা সার্জন সত্যায়ন করবেন। এর ফলে ১০০০ টাকা ফাইনের জায়গায় ট্রাফিক পুলিশকে কেহ ১০০ টাকা ধরিয়ে দিয়ে মাফ পাবেনা।
ফাইনের ১০০০ টাকা পুরটাই সরকারী ট্রেজারীতে জমা হবে এবং সেখান থেকে ২৫% পাবে ছাত্র প্রতিনিধিরা আরন ২৫% যাবে ট্রাফিক পুলিশের কল্যাণ ফান্ডে। এতে করে যেমন সরকারী রেভিনিউ বাড়বে তেমনি পুলিশ দূর্ণীতি মুক্ত থাকবে এবং তাদের আয়ও বাড়বে পাশাপাশি ছাত্রদের উপার্জনেরও একটা পথ খুলবে। পক্ষান্তরে যানবাহন মালিকরা যখন দেখবে ২/১শত টাকা দিয়ে আর পাড় পাওয়া যাচ্ছেনা তখন তারাও বাধ্য হয়েই আইন মেনে চলবে।
২) ফুটপাতে যারা দোকান করে তাদের সবাইকেই স্থানীয় রাজনীতিক চ্যালাদের চাঁদা দিতে হয় তাই ফুটপাতে কেউ দোকান সাজিয়ে বসতে পারবেনা। যদি কেউ ফুটপাত দখল করে রাখে তাহলে তদেরকেও ফাইন করা হবে এবং একই ভাবে তা ট্রেজারীতে জমা হবে এবং পুলিশ ও ছাত্র প্রতিনিধিরা ২৫% করে কমিশন পাবে।
৩) পথচারীরা যদি রাস্তায় ময়লা ফেলে, ট্রাফিক আইন লঙ্গন করে রাস্তা পাড় হয়, জনসমক্ষে ধুমপান করে, যেখানে সেখানে থুথু ফেলে প্রস্রাব করে তাহলে তাদেরকেও আইনের আওতায় জরিমানা করতে হবে এবং একই ভাবে জরিমানার টাকা ট্রেজারীতে জমা হবে এবং পুলিশ ও ছাত্র প্রতিনিধিরা ২৫% করে কমিশন পাবে।
কোনভাবেই অছাত্রদের বা যাদের ছাত্রত্ব শেষ তারা ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে পারবেনা।