Lose To Gain - লুজ টু গেইন

Call Directions Website Contact the business

Lose To Gain - লুজ টু গেইন Lose To Gain is an online fitness & wellness platform. Where we provide free and also paid guided co

Your online Health & Fitness companion that offers free assistance on its Facebook Group and provides quality paid / guided personal training packages by and through website. We are the first ever, online manifesto in Bangladesh to make your lifestyle active, healthy and blissful. Lose to Gain is the place you will select when you think of getting fit.

৮ ঘণ্টা ঘুমালেই কি যথেষ্ট? উত্তরটা সবসময় হ্যাঁ নয়ধরুন, একজন রাত ২টায় ঘুমিয়ে সকাল ১০টায় উঠলেন। আরেকজন রাত ১১টায় ঘুমিয়ে সক...
06/08/2026

৮ ঘণ্টা ঘুমালেই কি যথেষ্ট? উত্তরটা সবসময় হ্যাঁ নয়

ধরুন, একজন রাত ২টায় ঘুমিয়ে সকাল ১০টায় উঠলেন। আরেকজন রাত ১১টায় ঘুমিয়ে সকাল ৭টায় উঠলেন। দুজনেরই ঘুম ৮ ঘণ্টা। কিন্তু সার্কাডিয়ান রিদম (Circadian Rhythm)-এর দিক থেকে এই দুই ধরনের ঘুম এক নয়।

আমাদের শরীরে একটি জৈবিক ঘড়ি বা সার্কাডিয়ান রিদম আছে, যা আলো-অন্ধকারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাজ করে। এটি ঘুম-জাগরণের সময়, বিভিন্ন হরমোনের নিঃসরণ এবং শরীরের মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

যখন আমরা নিয়মিত শরীরের স্বাভাবিক ঘুমের সময়ের অনেক পরে ঘুমাতে যাই, তখন শরীরের সার্কাডিয়ান রিদমে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘদিনের এমন অভ্যাসে ওজন বেড়ে যাওয়া, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, মেটাবলিক সিনড্রোম, উচ্চ রক্তচাপ এবং উদ্বেগ বা বিষণ্নতার ঝুঁকি বৃদ্ধির সম্পর্ক পাওয়া গেছে।

তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি, এক-দুই দিন রাত জাগলেই এসব সমস্যা হবে, এমন নয়। ঝুঁকি মূলত বাড়ে যখন এটি দীর্ঘদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়।

তাই শুধু কত ঘণ্টা ঘুমাচ্ছেন, সেটাই নয়- কখন ঘুমাচ্ছেন এবং প্রতিদিন প্রায় একই সময়ে ঘুমানো-ওঠাও সুস্থ থাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

রেফারেন্স:
American Heart Association. Role of Circadian Health in Cardiometabolic Health and Disease Risk. Circulation (2025)
Huang T, Redline S. Sleep Regularity and Metabolic Abnormalities. Diabetes Care (2019)
Depner CM, Stothard ER, Wright KP Jr. Metabolic Consequences of Circadian Misalignment. Current Diabetes Reports (2014)

শুধু পিরিয়ড নয়, আপনার পুরো শরীরকে প্রভাবিত করে এই ৩টি হরমোনআমাদের শরীরের হরমোনগুলো কিন্তু শুধু পিরিয়ডের সাইকেল নিয়ন্ত্রণ...
07/07/2026

শুধু পিরিয়ড নয়, আপনার পুরো শরীরকে প্রভাবিত করে এই ৩টি হরমোন

আমাদের শরীরের হরমোনগুলো কিন্তু শুধু পিরিয়ডের সাইকেল নিয়ন্ত্রণ করে না। এন্ডোমেট্রিওসিস, পিসিওএস (PCOS), পিরিয়ডের তীব্র ব্যথা, পিএমএস (PMS), মুড সুইং, এমনকি বন্ধ্যাত্ব বা মেনোপজের আগের লক্ষণগুলোর সঙ্গেও হরমোনের ভারসাম্যের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

নিজের শরীর আর স্বাস্থ্যকে ভালোভাবে বুঝতে হলে এই হরমোনগুলো সম্পর্কে জানাটা প্রথম ধাপ।
নারীদের স্বাস্থ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ৩টি হরমোন এবং সেগুলোর কাজ খুব সহজ ভাষায় নিচে তুলে ধরা হলো-

✅ইস্ট্রোজেন (নারীদের প্রধান হরমোন)
এটি হাড় ও হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে, ত্বকের নমনীয়তা বজায় রাখতে এবং রিপ্রোডাক্টিভ স্বাস্থ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে এর ব্যালেন্স নষ্ট হলে বা মাত্রা বেড়ে গেলে কিছু ক্ষেত্রে পিরিয়ডের অতিরিক্ত রক্তপাত, ব্রেস্ট পেইন এবং মুড সুইংয়ের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

✅প্রজেস্টেরন (গর্ভধারণে গুরুত্বপূর্ণ হরমোন)
এই হরমোনটি পিরিয়ডের সাইকেল ঠিক রাখতে এবং গর্ভধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর মাত্রা কমে গেলে অনিয়মিত পিরিয়ড, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা এংজাইটি, ঘুমের সমস্যা এবং গর্ভধারণে জটিলতা দেখা দিতে পারে।

✅টেস্টোস্টেরন (মাসল ও এনার্জির হরমোন)
মেয়েদের শরীরেও এটি অল্প পরিমাণে থাকে। এটি মাসল, এনার্জি এবং শারীরিক সক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। তবে এর মাত্রা বেড়ে গেলে অতিরিক্ত ব্রণ, তৈলাক্ত ত্বক, মুখে বা শরীরে অতিরিক্ত লোম গজানো এবং PCOS-এ দেখা যায় এমন কিছু লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

এক কথায়, আমাদের শারীরিক, মানসিক ও প্রজনন স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে হরমোনের ভারসাম্য থাকাটা খুবই জরুরি।

🎯মনে রাখতে হবে- হরমোন ওজন নিয়ন্ত্রণে প্রভাব ফেলতে পারে, তবে এটি একমাত্র কারণ নয়।হেলদি ডায়েট, নিয়মিত এক্সারসাইজ, পর্যাপ্ত পানি- ঘুম ও স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

১ থেকে ১০-এর মধ্যে কত নম্বর দেবেন-
হরমোন আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যে কতটা প্রভাব ফেলে?


অনেকেই খুব দ্রুত খেয়ে উঠে যান এবং মনে করেন এটা নরমাল ব্যাপার।শুনে অবাক লাগতে পারে, কিন্তু এই ছোট্ট অভ্যাসটার সঙ্গে আপনার...
06/07/2026

অনেকেই খুব দ্রুত খেয়ে উঠে যান এবং মনে করেন এটা নরমাল ব্যাপার।

শুনে অবাক লাগতে পারে, কিন্তু এই ছোট্ট অভ্যাসটার সঙ্গে আপনার ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যেরও একটা সম্পর্ক থাকতে পারে।

২০২১ সালে ফ্রন্টিয়ার্স ইন নিউট্রিশন জার্নালে প্রকাশিত বিভিন্ন দেশের একাধিক গবেষণার ফলাফল একসঙ্গে বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, যারা দ্রুত খাবার খান তাদের মধ্যে মেটাবলিক সিনড্রোমের ঝুঁকি প্রায় ২.৩ গুণ বেশি। তাদের ক্ষেত্রে মেদভূড়ি, উচ্চ রক্তচাপ, ট্রাইগ্লিসারাইড বেড়ে যাওয়া এবং এইচডিএল কম থাকার প্রবণতাও বেশি দেখা গেছে।

এতটুকু পড়েই যদি মনে হয়, "তাহলে তো দ্রুত খাওয়াই সব সমস্যার মূল!", তাহলে একটু থামুন। গবেষণাটি কিন্তু এমন কথা বলেনি।

এটি দেখিয়েছে একটি সম্পর্ক, কারণ নয়। অর্থাৎ যারা দ্রুত খান, তাদের মধ্যে এসব সমস্যা বেশি দেখা যায়। কিন্তু এর পেছনে আরও অনেক বিষয় একসঙ্গে কাজ করতে পারে। যেমন অতিরিক্ত ক্যালোরি খাওয়া, কম আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া, কম শরীরচর্চা, অতিরিক্ত ওজন কিংবা ব্যস্ত জীবনযাপন। তাই শুধু দ্রুত খাওয়াকে দোষ দিলে পুরো ছবিটা দেখা হবে না।

তাহলে ধীরে খাওয়ার উপকার কোথায়?

আমাদের শরীরের তৃপ্তির সংকেত মস্তিষ্কে পৌঁছাতে কিছুটা সময় লাগে। আপনি যদি খুব দ্রুত খেয়ে ফেলেন, তাহলে সেই সংকেত আসার আগেই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খেয়ে ফেলার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এ কারণেই অনেক মানুষ শুধু একটু ধীরে খাওয়ার অভ্যাস করেই আগের তুলনায় কম ক্যালোরি খেতে পারেন। আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন-এ ২০১৩ সালে প্রকাশিত একটি রিভিউতেও একই বিষয়ের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

ধীরে খাওয়া কোনো জাদু নয়। আপনি যদি সারাদিন প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ক্যালোরি খান, তাহলে শুধু ধীরে খাওয়া ওজন কমিয়ে দেবে না। আবার এটাও সত্যি, ক্যালোরিক ডেফিসিট মেনটেইন করা সহজ করতে এই অভ্যাসটি অনেকের জন্য কার্যকর হতে পারে।

আজ থেকে একটা ছোট পরিবর্তন করুন। খাওয়ার সময় মোবাইল দূরে রাখুন। প্রতিটি লোকমা ভালো করে চিবিয়ে খান। নিজেকে একটু সময় দিন। আপনার শরীরকে তৃপ্তির সংকেত পাঠানোর সুযোগ দিন।

পারবেন না?

🛒ওজন কমানোর আগে দেখুন, বাজারের ব্যাগে কী ঢুকছে?🥦ওজন কমানোর কথা ভাবলেই প্রথম মাথায় আসে খাবার কমিয়ে দেওয়ার কথা। কিন্তু সুস...
29/06/2026

🛒ওজন কমানোর আগে দেখুন, বাজারের ব্যাগে কী ঢুকছে?

🥦ওজন কমানোর কথা ভাবলেই প্রথম মাথায় আসে খাবার কমিয়ে দেওয়ার কথা। কিন্তু সুস্থ থাকার আসল লড়াইটা শুধু খাবার প্লেট থেকে কমিয়ে দেওয়া নয়, বরং আপনি বাজার থেকে কী কিনে আনছেন, তার ওপর নির্ভর করে। অনেক সময় GLP-1- জাতীয় ওষুধ বা অন্য কোনো উপায়ে আমরা খিদে কমিয়ে ফেলি ঠিকই, কিন্তু দিনশেষে সুস্থতা নিশ্চিত করতে হলে আমাদের কেনাকাটার অভ্যাসে বড় পরিবর্তন আনতে হবে।

🛒কেনাকাটায় স্মার্ট সিলেকশন করতে হবে-
বেশিরভাগ সুপারশপ বা বাজারে প্রসেসড এবং প্যাকেটজাত খাবারগুলো রাখা হয় দোকানের মাঝখানের সারিতে। এগুলোর প্রতি আমাদের আকর্ষণ বা ফুড নয়েজ খুব বেশি থাকে, যা আমাদের অজান্তেই ভুল খাবার কিনতে বাধ্য করে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, কেনাকাটার সময় এই ফুড নয়েজ এর কারণেই আমরা বাইরের আনহেলদি খাবারের প্রতি তীব্র ক্রেভিংস অনুভব করি। এখান থেকে বেরিয়ে আসার উপায় হলো দোকানের বাইরের দিকের সারিতে মনোযোগ দেওয়া, যেখানে তাজা শাকসবজি, ফলমূল এবং প্রোটিনজাতীয় খাবার থাকে। আপনার কেনাকাটার তালিকায় চিপস, মিষ্টি বা কোল্ড ড্রিংকসের বদলে ডাল, পনির, মাছ,মাংস, ডিম আর পর্যাপ্ত পানি রাখার চেষ্টা করুন। এভাবে কেনাকাটা করলে এলোমেলো খাওয়ার বদলে সচেতনভাবে খাওয়া সহজ হয়।

✅আমাদের প্লেট ও মেটাবলিক হেলথ-
আমাদের ডায়েটের ধরনটা একটু চিন্তার বিষয়। একদিকে ডায়াবেটিস ও প্রি-ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ছে। অন্যদিকে অনেক সময় আমাদের ওজন স্বাভাবিক মনে হলেও শরীরের ভেতরে বিপাকীয় স্বাস্থ্য/metabolic health নিয়ে ঝুঁকি থেকেই যায়। আমাদের রোজকার খাবারে কার্ব অনেক বেশি থাকে এবং প্রোটিনের ঘাটতি থাকে। তাই শুধু কম খেলে চলবে না, প্লেট সাজাতে হবে স্মার্ট ভাবে।ডায়েটে কার্ব কিছুটা কমিয়ে পর্যাপ্ত প্রোটিন ও ফাইবার বাড়িয়ে দিন।

✅ আসল কথা হলো অভ্যাস- মনে রাখবেন, ওজন কমানোর জন্য ওষুধ বা অন্য যেকোনো পদ্ধতি কেবল একটি মাধ্যম বা টুল মাত্র। ওজন কমানোর পুরো প্রক্রিয়ার আসল লক্ষ্য, শুধু শরীর হালকা করা নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা। কারণ দিনশেষে আপনার শরীরের গঠন ও দীর্ঘমেয়াদি সুস্বাস্থ্য,দুটোই নির্ভর করে আপনি নিয়মিত কী খাচ্ছেন এবং সেই অভ্যাস কতটা ধরে রাখতে পারছেন তার ওপর।

​

গাজর খান না?গাজরের সবচেয়ে মূল্যবান পুষ্টিগুলোর একটি হলো বিটা-ক্যারোটিন, যা শরীরে গিয়ে ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হয় এবং এটি...
28/06/2026

গাজর খান না?

গাজরের সবচেয়ে মূল্যবান পুষ্টিগুলোর একটি হলো বিটা-ক্যারোটিন, যা শরীরে গিয়ে ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হয় এবং এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, চোখের স্বাস্থ্য এবং ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমস্যা হচ্ছে, কাঁচা গাজরের শক্ত কোষপ্রাচীরের ভেতরে এই পুষ্টি অনেকটাই আটকে থাকে। ফলে শরীর সবসময় এটি পুরোপুরি ব্যবহার করতে পারে না।

যখন গাজরকে হালকা আঁচে অলিভ অয়েল বা অন্য কোনো স্বাস্থ্যকর তেলের সঙ্গে রান্না করা হয়, তখন দুটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে।

প্রথমত, তাপ গাজরের শক্ত কোষীয় গঠনকে নরম করে ভেতরে থাকা বিটা-ক্যারোটিনকে সহজে শোষণের উপযুক্ত করে।

দ্বিতীয়ত, রান্নার তেল শরীরকে সেই বিটা-ক্যারোটিন শোষণ করতে সাহায্য করে। খাবারে কিছুটা ফ্যাট না থাকলে শরীর বিটা-ক্যারোটিন ঠিকমত ব্যবহার করতে পারে না, কারণ এটি ফ্যাট সলিউবল।

আমেরিকান জার্নাল অফ ক্লিনিকাল নিউট্রিশন এ প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, তেলে হালকা আঁচে রান্না করে গাজর খেলে কাঁচা খাওয়ার তুলনায় তিন গুণ পর্যন্ত বেশি ভিটামিন এ পাওয়া যেতে পারে।

অতএব সবসময় কাঁচা খাবেন না, গাজর থেকে সর্বোচ্চ ভিটামিন এ পেতে হলে হালকা তেলে একটু রান্না করেও খাবেন।

মাল্টিভিটামিন খেলে কি ওজন বাড়ে?এই কথাটা এতবার শুনেছি যে মাঝে মাঝে মনে হয় মাল্টিভিটামিন কোম্পানিগুলো নিজেরাও জানে না তাদে...
27/06/2026

মাল্টিভিটামিন খেলে কি ওজন বাড়ে?

এই কথাটা এতবার শুনেছি যে মাঝে মাঝে মনে হয় মাল্টিভিটামিন কোম্পানিগুলো নিজেরাও জানে না তাদের প্রোডাক্টকে আমরা কী বানিয়ে ফেলেছি। একদল মনে করেন মাল্টিভিটামিন খেলে মানুষ মোটা হয়ে যায়, সেই ভয়ে তারা মাল্টিভিটামিন খেতে চান না। আরেকদল আবার ওজন বাড়ানোর জন্যই মাল্টিভিটামিন খান। বড় শহরগুলোর বাইরে ওজন বাড়াতে ভিটামিন ট্যাবলেট খাবার ব্যাপারটা বহুল প্রচলিত।

আসল ঘটনা হলো, মাল্টিভিটামিনের কাজ ওজন বাড়ানো না, ওজন কমানোও না। এর কাজ হলো শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেলের ঘাটতি থাকলে সেটাকে সাপোর্ট দেওয়া। একটা মাল্টিভিটামিন ট্যাবলেটে এমন কিছু নেই যা আপনাকে মোটা বানিয়ে দেবে। মানুষের ওজন বাড়ে খাবার থেকে, মাল্টিভিটামিন থেকে না।

তাহলে মানুষ কেন বলে মাল্টিভিটামিন খেয়ে তার ওজন বেড়েছে?

এর একটা কারণ আছে। ধরুন কারও দীর্ঘদিনের অপুষ্টি ছিল, খাওয়াদাওয়া ঠিক ছিল না, ফলে রুচিও খারাপ ছিল। সে ঠিকমতো খেত না। যদি সেই অবস্থায় কোনো পুষ্টিগত ঘাটতি পূরণ হওয়ার পর তার স্বাভাবিক ক্ষুধা ফিরে আসে, তাহলে সে আগের চেয়ে বেশি খেতে পারে। তখন ওজনও বাড়তে পারে। কিন্তু এখানে ওজন বাড়িয়েছে খাবার, মাল্টিভিটামিন না। আর যদি আপনি এমন একজন মানুষ হন যার কোনো উল্লেখযোগ্য পুষ্টিগত ঘাটতি নেই, তাহলে মাল্টিভিটামিন খেয়ে হঠাৎ এমন রুচি তৈরি হবে যে ফ্রিজের সামনে দাঁড়িয়ে জীবন বদলে যাবে, এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

সত্যি বলতে, ওজন বাড়া বা কমার ব্যাপারে আমরা অনেক সময় মাল্টিভিটামিনকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিয়ে ফেলি। অথচ আসল খেলাটা অন্য জায়গায়। দিনের শেষে আপনার মোট ক্যালোরি গ্রহণ, খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক কার্যকলাপ, ঘুম আর ধারাবাহিকতাই ঠিক করবে ওজন কোন দিকে যাবে।

তাই যদি শুধু ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে মাল্টিভিটামিন এড়িয়ে চলেন, তাহলে ভয়টা সম্ভবত অযৌক্তিক। আর যদি শুধু ওজন বাড়ানোর আশায় মাল্টিভিটামিন খেয়ে থাকেন, তাহলে প্রত্যাশাটাও সম্ভবত বাস্তবসম্মত না।

মাল্টিভিটামিনকে মাল্টিভিটামিন হিসেবেই থাকতে দিন। ওজন বাড়ানো বা কমানোর দায়িত্ব তার না।

মাল্টিভিটামিন কেন খেতে বলা হয় জানেন?এই জিজ্ঞাসা মনে খুব সাধারনভাবেই আসে যে মাল্টিভিটামিন কেন খাবেন, কতদিন খাবেন আর না খে...
25/06/2026

মাল্টিভিটামিন কেন খেতে বলা হয় জানেন?

এই জিজ্ঞাসা মনে খুব সাধারনভাবেই আসে যে মাল্টিভিটামিন কেন খাবেন, কতদিন খাবেন আর না খেলে কি হবে। মাল্টিভিটামিন নিয়ে মানুষের মধ্যে একটা মজার দ্বন্দ্ব আছে। একদল টাকা খরচ করতে চান না বলে এটা বাদ দিতে চান, আরেকদল কেমিক্যাল খেতে চান না বলে বাদ দিতে চান। কেউ কেউ আছেন খাচ্ছেন কিন্তু কেন খাচ্ছেন জানেন না, আরেকদল খাচ্ছেন কিন্তু বন্ধ করলে কোন সমস্যা হয় কি না সে ভয়ে ছাড়ছেন না।

প্রথমেই একটা বিষয় পরিষ্কার করা দরকার।

মানুষের শরীরের পুষ্টির প্রধান উৎস "খাবার"; কোনো মাল্টিভিটামিনের বোতল নয়। মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ডাল, ফল, শাকসবজি, বাদাম এবং অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার থেকেই শরীরের প্রয়োজনীয় অধিকাংশ ভিটামিন ও মিনারেল পাওয়ার কথা। তাই কেউ যদি নিয়মিত পর্যাপ্ত খাবার খান এবং খাবারে বৈচিত্র্য রাখেন, তাহলে শুধুমাত্র সুস্থ থাকার জন্য তার মাল্টিভিটামিন খাওয়ার দরকার হয় না।

কিন্তু আমরা সবাই কি তা পারছি, না পারবো?

কেউ ওজন কমানোর জন্য দীর্ঘদিন ক্যালোরিক ডেফিসিটে থাকেন। কেউ কেউ বিশেষ ধরনের ডায়েট (যেমনঃ কিটো, ভিগান, কার্নিভোর ইত্যাদি) করেন যেখানে পার্টিকুলার ফুডগ্রুপ বাদ দিয়ে দেয়া হয়। আবার অনেকে ফল বা শাকসবজি খুব কম খান, কেউ ব্যস্ততার কারণে বছরের পর বছর একঘেয়ে খাবার খেয়ে যান, কেউ বয়স বাড়ার কারণে আগের মতো খেতে পারেন না, কিছু মানুষের ক্ষেত্রে বিশেষ শারীরিক অবস্থার কারণে পুষ্টির ঘাটতির ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি থাকে। এসব ক্ষেত্রে একটি ভালো মানের মাল্টিভিটামিন অপুষ্টি থেকে সুরক্ষা দেয়ার একটি প্রচেষ্টা হতে পারে তবে এটি কখনোই ভালো খাবারের বিকল্প নয়।

একটা প্রশ্ন আমি খুব বেশি শুনি "একটানা কতদিন খাওয়া যাবে?"

অনেকেই মনে করেন মাল্টিভিটামিন বুঝি এমন কিছু, যা একটানা দুই-তিন মাস খেলে অবশ্যই বন্ধ করতে হবে বা মাঝখানে গ্যাপ দিতে হবে। বাস্তবে সাধারণ ডোজের মাল্টিভিটামিনের ক্ষেত্রে এমন কোনো সর্বজনস্বীকৃত বৈজ্ঞানিক নিয়ম নেই। যার প্রয়োজন আছে, তিনি দীর্ঘ সময়ও খেতে পারেন। যার প্রয়োজন নেই, তার জন্য আবার মাসের পর মাস খেয়ে যাওয়ারও কোনো কারণ নেই অর্থাৎ সিদ্ধান্তটা ক্যালেন্ডার নির্ভর নয়, প্রয়োজন নির্ভর।

না খেলে কী?

প্রয়োজন থাকা স্বত্ত্বেও না খেলে অপুষ্টিজনিত সমস্যায় ভোগার ঝুঁকি তৈরি হবে। প্রয়োজন না থাকলে না খেলে "হাট্টিমাটিমটিম", মানে কিছুই না আর কি।

মাল্টিভিটামিনকে ওষুধ ভাবার দরকার নেই। সহজ কথায় ডায়েট ভালো থাকলে এটা লাগবে না, ডায়েটকে সাপোর্ট দিতে যদি প্রয়োজন পড়ে তখন লাগবে। সবার আগে ঠিক করতে হবে ডায়েট, লাইফস্টাইল। তারপর এইসব ব্রাজিল আর্জেন্টিনা দেখা যাবে।

বলেন ঠিক কি না?

কফিটা একটু ভেবে খাওয়া দরকার না?সম্প্রতি একজন ক্লায়েন্টের অ্যালার্জি টেস্ট রিপোর্ট দেখছিলাম। রিপোর্টে "জার্মান ককরোচ" বা...
23/06/2026

কফিটা একটু ভেবে খাওয়া দরকার না?

সম্প্রতি একজন ক্লায়েন্টের অ্যালার্জি টেস্ট রিপোর্ট দেখছিলাম। রিপোর্টে "জার্মান ককরোচ" বা তেলাপোকায় সেনসিটিভিটি এসেছে। জানতে চাইলাম বাসায় তেলাপোকার সমস্যা আছে কি না। তিনি জানালেন, নিয়মিত পেস্ট কন্ট্রোল করানো হয়, তাই ঘরে তেলাপোকার নামনিশানা নেই।

এখানেই বিষয়টা আমার কাছে দারুন আগ্রহের হয়ে ওঠে। আমরা যখন ককরোচ অ্যালার্জির কথা বলি, তখন সাধারণত বাসার তেলাপোকাকেই দোষ দিই। কিন্তু বাস্তবে এক্সপোজারের উৎস সবসময় এত সরল নাও হতে পারে।

একটা মজার বৈজ্ঞানিক তথ্য দেই। ককরোচ এবং শেলফিশ (কাঁকড়া, চিংড়ি, ঝিনুক ইত্যাদি) দুটোর মধ্যেই 'ট্রপোমাইসিন' নামের একটি সাধারণ অ্যালার্জেনিক প্রোটিন পাওয়া যায়। এ কারণেই অনেক সময় এই দুই অ্যালার্জেনের মধ্যে ক্রস-রিয়্যাকটিভিটি দেখা যায় অর্থাৎ, একটাতে অ্যালার্জি থাকলে অন্যটার কারণেও শরীর রিয়্যাক্ট করতে পারে।

এখন প্রশ্ন হলো, ঘরে তেলাপোকা না থাকলে এই অ্যালার্জেন আসছে কোথা থেকে?

FDA বহু বছর ধরেই স্বীকার করে আসছে যে কৃষিপণ্য এবং প্রক্রিয়াজাত খাদ্য থেকে শতভাগ পোকামাকড় বা পোকামাকড়ের অংশ দূর করা বাস্তবে সম্ভব নয়। কফি বিনের ক্ষেত্রেও তাতে কীটপতঙ্গের অংশ থাকা নিয়ে তাদের আলাদা গাইডলাইনও রয়েছে। অর্থাৎ বিষয়টি কোনো গুজব নয়, বরং ফুড প্রোডাকশনের একটি স্বীকৃত বাস্তবতা। বিশেষ করে ইনস্ট্যান্ট বা প্রি-গ্রাউন্ড কফির ক্ষেত্রে এই সম্ভাবনাটা থেকেই যায়।

এখানে আমি মোটেও বলছি না যে ইনস্ট্যান্ট কফিতে তেলাপোকার গুঁড়া মেশানো থাকে। আমি এটাও বলছি না যে ককরোচ অ্যালার্জি থাকলে সবাইকে কফি খাওয়া চিরতরে বন্ধ করে দিতে হবে।

কিন্তু যদি আপনার অ্যালার্জি টেস্টে জার্মান ককরোচ বা শেলফিশ পজিটিভ আসে, অথচ অ্যালার্জির আসল কারণটা কিছুতেই ধরতে পারছেন না, আর ওদিকে আপনি নিয়মিত ইনস্ট্যান্ট কফি খেয়ে যাচ্ছেন তাহলে বিষয়টি ভেবে দেখতে পারেন।

অ্যালার্জি চিকিৎসায় প্রায়ই দেখা যায়, রোগী জানেন তার কীসে অ্যালার্জি আছে। কিন্তু তিনি জানেন না, সেই অ্যালার্জেনের সংস্পর্শে তিনি প্রতিদিন অজান্তে কোথা থেকে আসছেন।

আর অনেক সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটাও সেটাই!

পিংক সল্টই খান নিয়মিত?বাংলাদেশে এক সময় আয়োডিন ঘাটতি এতটাই ব্যাপক ছিল যে গলগণ্ড রোগ একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দ...
20/06/2026

পিংক সল্টই খান নিয়মিত?

বাংলাদেশে এক সময় আয়োডিন ঘাটতি এতটাই ব্যাপক ছিল যে গলগণ্ড রোগ একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ১৯৯৩ সালে সারা দেশে পরিচালিত একটি জাতীয় জরিপে দেখা যায়, প্রায় ৪৭% মানুষের গলগণ্ড ছিল এবং প্রায় ৭০% মানুষের মধ্যে আয়োডিন ঘাটতির প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল। এরপর আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহারের জাতীয় কর্মসূচি জোরদার করা হয় এবং পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়।

কিন্তু গত কয়েক বছরে অনেক মানুষ আয়োডিনযুক্ত লবণ বাদ দিয়ে হিমালয়ান পিংক সল্ট ব্যবহার শুরু করেছেন। কারণ তাঁদের ধারণা, এটি বেশি প্রাকৃতিক, বেশি স্বাস্থ্যকর এবং উচ্চ রক্তচাপের জন্যও ভালো।

পিংক সল্টে সত্যিই বিভিন্ন ট্রেস মিনারেল থাকে। কিন্তু ২০১৬ সালে প্রকাশিত একটি রিসার্চ এনালিসিসে দেখা যায়, এসব মিনারেলের পরিমাণ এতই কম যে স্বাভাবিক পরিমাণ লবণ খেয়ে সেগুলো থেকে উল্লেখযোগ্য পুষ্টিগত সুবিধা পাওয়া কঠিন। অন্যদিকে যে মিনারেলটির ঘাটতি একসময় বাংলাদেশে ব্যাপক স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ ছিল, সেই আয়োডিন পিংক সল্টে সাধারণত উল্লেখযোগ্য পরিমাণে থাকে না।

আমি বলছি না যে পিংক সল্ট খেলে থাইরয়েডের সমস্যা হবেই।

আমি এটাও বলছি না যে পিংক সল্ট খারাপ।

আমি শুধু বলছি, যদি আপনি বছরের পর বছর আয়োডিনযুক্ত লবণ পুরোপুরি বাদ দিয়ে শুধুমাত্র পিংক সল্ট ব্যবহার করেন, তাহলে আপনার আয়োডিন কোথা থেকে আসছে, সেটা ভেবে দেখা দরকার। কারণ আয়োডিন ছাড়া থাইরয়েড গ্ল্যান্ড তার প্রধান হরমোনগুলো তৈরি করতে পারে না।

২০১৮ সালে নিউট্রিয়েন্টস জার্নালে প্রকাশিত একটি রিভিউতে গবেষকরা আয়োডিন ঘাটতিকে বিশ্বব্যাপী গয়টার এবং হাইপোথাইরয়ডিজমের অন্যতম প্রধান প্রতিরোধযোগ্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

বিষয়টা শুধু থাইরয়েডেই সীমাবদ্ধ নয়; ২০০৫ সালে ল্যানসেটে প্রকাশিত একটি বিশ্লেষণে দেখা যায়, আয়োডিন ঘাটতি শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ এবং বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

আরেকটি প্রচলিত ধারণা হলো, পিংক সল্টে সোডিয়াম কম বলে এটি উচ্চ রক্তচাপের জন্য ভালো।

বাস্তবে পিংক সল্টের সোডিয়াম সাধারণ লবণের তুলনায় অতও কম নয় যে তা হাই ব্লাড প্রেশার কমাতে অনেক উপকার দেবে, মানে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ তা বলছে না।

তাই পিংক সল্ট ব্যবহার করতেই পারেন। কিন্তু যদি আপনার রান্নাঘর থেকে আয়োডিনযুক্ত লবণ সম্পূর্ণ বিদায় নিয়ে থাকে, তাহলে একটা প্রশ্ন নিজেকে করবেন-

আপনার শরীরের প্রয়োজনীয় আয়োডিনটা আসছে কোথা থেকে?

৩ বছরের জমানো ওজন, ৩ মাসে কমাতে চাই- কেন?আমরা অনেক সময় আমাদের শরীরের প্রতি খুবই অন্যায় করি। আমাদের মনের এত সাহস যে ৩ বছর...
19/06/2026

৩ বছরের জমানো ওজন, ৩ মাসে কমাতে চাই- কেন?

আমরা অনেক সময় আমাদের শরীরের প্রতি খুবই অন্যায় করি। আমাদের মনের এত সাহস যে ৩ বছরের জমানো ওজনও ৩ মাসে কমিয়ে ফেলার আশা করি।

আবার এটাও ভুলে যাই,এই ওজন ৯০ দিনে আসেনি। জীবনের বিভিন্ন পর্যায়, মানসিক চাপ, গর্ভাবস্থা, উৎসব, কঠিন সময় এবং খুব ব্যস্ত বছরগুলোর মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে এসেছে।

মজার ব্যাপার হলো, ওজন বাড়ার সময় আমরা অনেক কিছু টেরই পাই না। হঠাৎ একদিন ছবি দেখে, পুরোনো কাপড় পরে বা ওজন মেপে বুঝতে পারি কতটা পরিবর্তন হয়েছে।

কিন্তু যেদিন আমরা সিদ্ধান্ত নিই যে এবার যথেষ্ট হয়েছে, ওজন কমাতেই হবে, সেদিনই আমরা চাই ৩ মাসের মধ্যেই যেন আগের ওজনে ফিরে যেতে পারি।
কিন্তু শুরু করার পর যখন দেখি এক মাসে মাত্র কয়েক কেজি কমেছে, তখন সবকিছু খুব ধীরগতির মনে হতে থাকে। মনে হয় কিছু একটা ভুল হচ্ছে।
তখন আপনি ভাবতে শুরু করেন, 'কী ভুল হচ্ছে? সমস্যাটা কি আমার? এই ডায়েট কি কাজ করছে না? হয়তো আরও দ্রুত কিছু করা উচিত।'

আসলে সমস্যাটা বেশিরভাগ সময় ডায়েটে নয়, আমাদের প্রত্যাশায়।

কঠিন সত্য হচ্ছে, আমাদের শরীর মোটিভেশন বা ইচ্ছাশক্তির টাইমলাইন অনুযায়ী কাজ করে না। শরীরের পরিবর্তন আসে ধারাবাহিকতা, ধৈর্য এবং নিজের ওপর বিশ্বাস থেকে।

তাই যদি আপনার ওজন ধীরে কমে, হতাশ হবেন না। আপনি মোটেও পিছিয়ে পড়েননি। বরং আপনি সেই জায়গায় আছেন, যেখানে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ধৈর্য ধরে এগিয়ে যাওয়ার।

মনে রাখবেন, দ্রুত ওজন কমানোই সাফল্য নয়। এমন পরিবর্তনই সাফল্য, যা আপনি দীর্ঘদিন ধরে রাখতে পারবেন।


Address

Kosti

Opening Hours

Monday 09:30 - 20:00
Tuesday 09:30 - 20:00
Wednesday 09:30 - 20:00
Thursday 09:30 - 20:00
Saturday 09:30 - 20:00
Sunday 09:30 - 20:00

Telephone

+8801786929256

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lose To Gain - লুজ টু গেইন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Lose To Gain - লুজ টু গেইন:

Shortcuts

Share